অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৬ জন অতিথি অনলাইন

বিশ্বজিতের লাশ মরেও রেহাই পাচ্ছে না।

বিশ্বজিতের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের উপরে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দৈনিক মানবজমিন, দৈনিক জনকণ্ঠ, দৈনিক সমকাল, দৈনিক ইত্তেফাক এবং অন্যান্য কোনো পত্রিকাও হয়তো এই পোস্টমর্টেম রিপোর্ট প্রকাশ করতে পারে।

দৈনিক মানবজমিনের প্রতিবেদনের শিরোণাম ছিলো " চাপাতির কোপ খুঁজে পায়নি ফরেনসিক বিভাগ"

দৈনিক সমকালের প্রতিবেদনের শিরোণাম "ময়নাতদন্ত রিপোর্টে মাত্র দুটি আঘাতের চিহ্ন!:

দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদনের শিরোণাম " বিশ্বজিতের শরীরে কোপের চিহ্ন নেই!
ময়না তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন
"

দৈনিক জনকণ্ঠের প্রতিবেদনের শিরোণাম " বিএনপিকর্মী ভেবে ভুলবশত বিশ্বজিৎকে হত্যা"

ক্ষয় বিষয়ক কিছু উপলব্ধি

........................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................

বিশ্বজিতের মৃত্যুর দায় আমাদের সবার

আমরা ষোল কোটি মানুষের মধ্যে সর্বোচ্চ কত সংখ্যক মানুষ সক্রিয় রাজনীতি করি বা সক্রিয় রাজনীতির সাথে জড়িত?

ফেটে যাওয়া ঠোটেঁ হাসি...

অতি বাস্তবের ঘূর্ণাবর্তে নিজেই এখন উপন্যাস বা ছোটগল্পের উপজীব্য, দেশলাই জ্বালতে জ্বালতে ছাইটুকু উড়াতে গিয়ে মনে পড়ে শীতের সেইসব ঘন চুম্বন; আত্মজার ঘ্রাণে প্রেম কায়া ইতিহাসের অংশ, পরিযায়ী তুমি, আ্মার করোটিতে জন্মভূমি, পরিবার- কোন অয়েভ লেংথে কোকিছু আর মিলছে না কোনভাবেই। সাগর পেরানো আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল সব বিল মিটিয়েও তোমার প্রস্থানের অভাব পূরণ করতে পারে না।
আমি অবন্যিস্ত, অতি মাত্রায় দায়িত্বশীল, আমি নিশিপক্ষী, মোবাইলের স্ক্রীণ, আমি বন্ধুহীন, আমার ঠোঁটে লাগেনি ভেসলিন-আমি ফেটে যাওয়া ঠোটেঁ করি আগুন চুম্বন, প্রেম বোকা নারীর একমাত্র অলীক ভূষণ....

বাংলাদেশ

পথ ধরে যে নিজের মত চলছে পাশাপাশি,
হয়ত তারে দূরে ঠেলি হয়ত ভালবাসি,

হয়ত দেখাই হৃদ্যতা বা হাসির দেয়াল তুলি,
হয়ত কিছু অমিল পেতেই আর যা কিছু ভুলি;

হয়ত অমিল কথায় কিবা অমিল মতামতে,
হয়ত অমিল বেশভূষা আর পোশাক পরিচ্ছদে,
হয়ত অমিল বিশ্বাসে আর হয়ত অমিল কাজে,
হয়ত অনেক অনেক অমিল কেবল চোখে বাজে-

কেবল জানি অমিলগুলো কোথায় যেন এসে,
হাজার 'আমি' 'আমরা' হতেই সরলরেখায় মেশে;

আমরা হতেই সাকিব তামিম আমার হয়ে দাঁড়ায়,
আমরা হতেই প্রত্যাশারা একার সীমা ছাড়ায়,
আমরা হতেই তীব্র বিষাদ-ক্রোধ-হতাশার সুর,
আমরা হতেই প্রবল উছাস,আনন্দ-ভরপুর,
আমরা হতেই সবুজ শ্যামল অনন্য রূপ দেখা,
আমরা হতেই সংস্কৃতি আর ঐক্যে গড়া রেখা,
আমরা হতেই কালের ঘড়ি, রঙ্গীন দিনের আশা,
আমরা হতেই সুরের ছোঁয়া, শান্তি ভালবাসা,
আমরা হতেই বৈশাখী আর ফাল্গুনে বই মেলায়,
আমরা হতেই মিছিল-মিটিং উদ্দীপনার খেলায়,
আমরা হতেই রায়েরবাজার দীর্ঘনিঃশ্বাস আনে,
আমরা হতেই আমতলা আর 'আমার ভায়ের' গানে,
আমরা হতেই স্বজনহারার তীব্র শোক আর ক্রোধে,
আমরা হতেই ন্যায়হীনতায় প্রবল প্রতিরোধে,
আমরা হতেই একাত্তর আর উনসত্তর ডাকে,

একটি পরাধুনিক গাণিতিক কবিতা

১ বলে আমিই শ্রেষ্ঠ ২ বলে কি তাই
৩ আর ৪ এ হাতাহাতি মূল ভাগটা চাই।

৫ পাড়ে ম্যাঙ্গো আর ৬ বসে ভাবে
৭ এর বাড়িতে কবে দাওয়াতটা পাবে।

৮ ব্যস্ত মেরামত আর জিহবায় দিতে ধার
বাকী সব গোল্লায় যাক ৯ হলেই তার।

১০ খায় রসগোল্লা আর ১২ ঘুমায় ঘোরে
১১ মারে চপেটাঘাত ১৩র কপাল পোড়ে।

১৪ কিন্তু জন্ম কানা জীবন সংশয় তার
১৬ করে বিজয় উল্লাস রুখবার সাধ্য কার।

ভাবছেন ১৫ গায়েব বুঝি তার দেখা নাই ক্যান
সে বেচারা সংসার কষ্টে গুহায় করে ধ্যান।

রইলো যা বাকী সংখ্যা রোদ পোহাতেই ব্যস্ত
ভেবেই খুশী দ্বায়ীত্ব সব শূন্যের (০) র উপর ন্যস্ত।।

একটি প্রার্থনা

শুনতে কি পাও তুমি - দাসানুদাস ডাকছে তোমায় - শুনতে কি পাও - মলিন জায়নামাজে দেখো - স্থিত এই দেহ - ভালবাসা বিনয় - আকাংখা আর ভয় - কাঁদছে হৃদয় - শুনতে কি পাও - উদ্ধত শির - আজ সিজদায় নত - শরীর কেঁপে ওঠে - অনির্বচনীয় আবেগ যত - কিছুই কি তোমার হয়না গোচর ?

কঠোর দৃষ্টি কখন যে কোমল হলো - আমারও হয়নি ঠার - কন্ঠে বাস্প -অশ্রু অজস্র - কোথায় অহংকার? সর্বদ্রষ্টা প্রভু আমার - কিছুই কি দেখো না তুমি - এই যে দেখো কাঁপছে হাত - হাতের রেখায় তাই পুরনো মোনাজাত - সব কাজ ঠেলছি দুরে - ভুলছি দেখো আজ সব অজুহাত.

দেখা দাও প্রভু - আজ দেখা দাও আগের মত - জানালায় নড়ে ওঠা পর্দার ভাঁজে - যেভাবে অলৌকিক চাঁদের আলো সাজে - সেভাবেই নাহয় দেখা দাও - অবুঝ বান্দা তোমার - করজোড়ে তোমায় দিচ্ছে দাওয়াত - দীনহীন গৃহ তার - মিম্বর নেই - আতর গোলাপ সুগন্ধির বালাই নেই - আছে এক জীর্ণ জায়নামাজ - যুক্তি বোঝে না বান্দা তোমার - আঁধার ঘরে তাই আজ অভিমানী মোনাজাত তার.

ডাহুক ও রাতের মানচিত্র -৩

বিনিদ্র ডাহুক, নিশুতি রাতের সাথি; দুঃখ নীল পাখি
তোমাকে খুঁজিয়া ফিরে ভেজা ঘাসফুল,কালো মেঘ লাজরাঙা আঁখি।
ডাহুক প্রাণের পাখি - বীজতলা ভরে আছে নাকফুলে সোনার দানায়
নয় অভিমান-রুপোলি দিঘির জলে সরপুটি টাকিমাছ ঘুরিয়া বেড়ায়।
তোমার কোমল গ্রীবা প্রিয়ার অলক বেণী, মেঘের শরীর
তোমার হলুদ ঠ্যাং খুঁজে ভেজা মেঘ, কোহালিয়াচর মুহুরি নদীর তীর,
তোমার ক্রন্দন শুনে আঁধার শাওন রাত – পৃথিবী নিথর
কবির কোমল বুক পুড়ে ইটখোলা
মেঘের মলিন মুখ কবিতার চর।
ডাহুক, বাউল পাখি-
নগরের নাভিমূলে হাত রেখে চলি,
আকাশে অনার্য চাঁদ – অচল আধুলি।

একখান ইমেইলের আত্মকাহিনী

এক পরিবার প্রবাসে থাকে। আর সকল প্রবাসীদের মতো তাদেরও দেশে টুকটাক খরচ লেগে থাকে বিধায় কিছু টাকা মাঝে সাঝে তারা দেশে পাঠান। কিছুদিন পর পর আবার খোঁজ নেন কতো টাকা আছে কিংবা আর কি লাগবে টাইপ ইত্যাদি প্রভৃতি। আজকালের মর্ডান ইস্মার্ট যুগানুযায়ী তারা ইমেইলের মাধ্যমে সকলের সাথে যোগাযোগ করেন। একদিন প্রবাসী কর্তা কোন কারণে তার শালা শালীকে ইমেইল দিলেন, কতো টাকা আছে, কিছু খরচ করতে হবে, দরকার জিজ্ঞেস করে।
শালী বললো, টাকাতো নাই, খরচ হয়ে গেছে
দুলাভাই বললো, কি খরচ?
শালী বললো, আপার জন্যে শাড়ি কিনেছি
দুলাভাই বললো, টাকাগুলো সব জলে গেলো।
শালী দুলাভাইকে সান্ত্বনা দেয়ার জন্যে বললে, জলে কেনো যাবে দুলাভাই? আপা প্রথমে শাড়ি পড়বে পড়ুক, তারপর আপনি শাড়ি কেটে একটা লম্বা পাঞ্জাবী বানাবেন। পাঞ্জাবী পড়া হয়ে গেলে ফতুয়া বানাবেন। ফতুয়া হয়ে গেলে টিশার্ট। টিশার্ট এর পর টুপি তারপর রুমাল। রুমাল ক্ষয়ে গেলে সেটা পুড়িয়ে ছাই করে দাঁত মাজবেন।
দুলাভাই বললো, এইতো আইছো লাইনে, দাঁত মেজে কুলি করতে হবে না? তখনতো কুলি করলে পয়সা আমার জলেই গেলো, নাকি?

১৪ ডিসেম্বর

বিসিএসের রিটেন আর পেছালো না। টিকবো না কারন পড়ি না। একে তো সেমিস্টার ফাইনাল তারপর দুই বেলা করে রিটেন এক্সামের শিডিউল দেখেই মাথা ব্যাথা। জাহান্নামে যাক সব। আমি থাকি আমার মতো।ছোটবেলায় পাঠ্যপুস্তকে ছিলো বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ড নিয়ে একটা বাংলা পড়া। ক্লাস ফোরে নয়তো ফাইভে। তখন ম্যাডাম ছিলো খুলনা স্কুলের আলম আরা ম্যাডাম। তিনি বলছিলেন এরা বেচে থাকলে বাংলাদেশ অনেক উন্নত দেশ হতো। উন্নত দেশ বলতে তখন আমার মনে ধারনা নেভীর কলোনীর পাশে যে বাস্তোহারা কলোনী সেখানে সবাই বিল্ডিংয়ে থাকবে। গোলপাতার ঘর কোথাও চোখে পড়বে না। শীতের কাপড় থাকবে সবার আগুন জ্বালতে হবে না কারোর। ছোটো মানুষ ছোটো চিন্তা। কিন্তু তা আর হয় নাই ঘাতকদের সুচারু প্ল্যানে তাদের সবাইকে ধরে নিয়ে মারা হইছে শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বর্বরতায়। একেকটা উজ্জল মানুষের ঘটনা যখন পড়ি তখন অবাক হই কি অসাধারন একেকটা তারকা। তারা চাইলে পালাতে পারতো, নিরাপদে সটকে যেয়ে ভারতে কলমযোদ্ধা হতে পারতো। কিন্তু সেই চরম ক্রান্তিকালেও তারা দেশ ছাড়ে নাই। তার খেসারত দিলো শহীদ হয়ে। আর তাদের চিনিয়ে দেয়া সাথে ধরে নেয়ার দারুন কাজটা করে দিলো তাদেরই ছাত্রসম আলবদরের লোকেরা। বিচার হলো না এদের

নিজস্ব নিবাস

আমাকে বিকেল ডাকে-নদীর নরম ঢেউ,
আকাশে গোধূলি নামে আমাকে তবুও আর
খুঁজে নাকো কেউ;
দেখিনি প্রদীপ শিখা জুড়ে দুই চোখ... ...
আমাকে বিদীর্ণ করে আঁধার রাতের তারা
বিষধর নোখ,

নিদাগ নির্মাণে খুঁজি নিজস্ব নিবাস
সময় উপড়ে শুধু কবিতার ঘাস।

সচিত্র বাংলাদেশ
১৫ মে ১৯৯৩

বয়ে চলা জীবন কাব্যের পান্ডুলিপি - ৭

আগে সাপ্তাহিক/মাসিক ম্যাগাজিন বেশ কেনা হতো। নানান বিষয়ে লেখা - উদ্ভট বিষয় থেকে নিয়ে নায়ক - নায়িকার বেডরুমের গল্প পর্যন্ত থাকতো । তবে বছরের শেষ সংখ্যায় থাকতো - আগামী বছরের রাশিফল। পরের বছর কার কেমন যাবে , কোন রাশির বৈশিষ্ট্য কি - এই রাশির বিখ্যাত মানুষের নাম ইত্যাদি। আগ্রহ নিয়ে সেগুলো পড়তাম। তবে আপনি যেই রাশির হোন না কেন পরের বছর আপনার ভালো যাবেই - প্রেম রোমান্স শুভ, চাকরীতে উন্নতি ইত্যাদি ইত্যাদি। এসব ভুয়া কথাবার্তা জানিনা কেন পড়তে ভালো লাগতো। এখনও খারাপ লাগেনা , বিশেষ করে প্রথম আলোর ছুটির দিনের ম্যগাজিনের সাপ্তাহিক রাশিফল।

রাশিফলে যাই থাকুক না কেন , এই বছর কেমন যাবে তা আঁচ করতে পারি নাই গত বছর। গত বছরে তারেক মাসুদ, মিশুক মুনীর মারা গেলে খুব কষ্ট লেগেছিলো। তখনও জানতাম না এই বছর যে যাবার সারি এত দীর্ঘ হবে । সেই কষ্ট এত দীর্ঘ হবে।

কে জানতো ২০১২ তেই চলে যাবে হুমায়ুন ফরিদী, হুমায়ুন আহমেদ, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, সুভাস দত্ত !!! আর গত কালকেই চলে গেলেন পন্ডিত রবিশংকর।

হলো না তার রেসে জেতা

people-nowadays.jpg

সামনে আরো পাঁচ জন!
একজন ফেললাম। ঐ যে দূরে রেসের ফিতা
পৌঁছাতে হবে সবার আগে তবেই হবে জিতা।
প্রাণপনে দৌড়াও আরো জোরে আরো জোরে
আরেকজন ফেললাম; ওই যে নিকটেই ফিতা।
দৌড়াও দৌড়াও! ওহ! কি হলো ! কি করে পড়লাম!
উড়ছে ধুলা, চারিদিকে সোরগোল! ইস ইস শব্দ!
আমি পড়ে গেলাম পড়ে গেলাম, সারা শরীরে ধূলা
আহ! ওই যে ফিতা! হাত বাড়ালেও যায় না ছৌঁয়া।
***
তোমরা সেদিন যারা খেলা দেখেছো মাকে বলো
আমি কোন দিনও পারি নাই, আজও জেতা হল না রেস।
আমার প্রাণপনে দৌড়েও বেঁচে থাকা হল না।
মা তুমি কেন মিথ্যে বলেছিলে-
মৃত্যুর সময় যম দেখা যায়!
হ্যাঁ, সে ছিল আমার দেবতা,
তোমরা যার নামে গাল পারো, কেবল সেই ছিল।
সেও আমায় বাঁচাতে পারল না,
পারল না রেসের ফিতার ওপারে নিতে।

হলো না তার রেসে জেতা

[দয়া করে লীগ বিরোধীতার গন্ধ খুঁজবেন না।

কথোপকথন

ও আমায় অনেক বোঝে,
কতটা বোঝে ?
ততটা যতটা তুমি বুঝতে;
তাহলে তো তার সাথে আমার পার্থক্য নেই ?
কে বলেছে নেই, আছে অনেক আছে ।
কি কি ?
ও আমার কেয়ার করে,
আমার মতো ?
না, তার চেয়েও বেশি ।
তাই নাকি ? সব সময় হাসায় বুঝি ?
না, তা না। তবে তোমার মত কাঁদায় না ।
ও আচ্ছা । আমি কি শুধুই কাঁদাতাম ?
হ্যাঁ ।
তাহলে আমার সাথে ৩ বছর থাকলে কেন ?
আমার ইচ্ছা ।
তাহলে সবই কি তোমার ইচ্ছা মতই হবে ?
হ্যাঁ ।
তার মানে তুমি ভালো আছো তার সাথে ?
হ্যাঁ আছিতো অনেক ভালো আছি ।
আচ্ছা সে কি তোমার জন্য বর্ষায় হাঁটু পানি পার হয়ে দেখা করতে আসে ?
আসেনি তবে আসবে ।
তাহলে নিশ্চয়ই সারারাত নির্ঘুম থেকে সকালে ১৪টা গোলাপ নিয়ে আসে তোমার রাগ ভাঙ্গাতে ?
না, একদিন ঠিকই আসবে ।
ও, তাহলে নিশ্চয়ই সারা ঘরে মোমবাতি জ্বালিয়ে তোমাকে ভালোবাসি লেখে ?
না, ওইটাও করবে একদিন ।
সবকিছুই যদি পরে করে, তাহলে এখন কি করলো ?
যা তুমি করতে পারো নি!!!
পারিনি নাকি তুমি করতে দেওনি?
আমি তো তাকেও দেই নি?
কিন্তু তাকে মানাও তো করনি, তাইনা?
ধুরছাই তোমার সাথে কথা বলা অসম্ভব।
কেনো জিততে পারছো না তাই ?

একেই কি বলে "অসহায়ের আত্মসমর্পণ"!

১.
আমি ভিষণ আবেগী মানুষ। আমার স্কুল, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, বন্ধু, কিছু প্রিয়মুখ নিয়ে আমি গোঁয়াড়। বড্ড গোঁয়াড়। আমার আবেগের একটা বড় অংশ দেশ নিয়ে। আমি আমার দেশটাকে অত্যন্ত ভালোবাসি। দেশের মানুষকে ভলোবাসি। ধুলাবালি- যানজট-ধমর্ঘট সবই ভালোবাসি। এজন্যই শনিবার রাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সিরিজ জয় হবার পর কত আনন্দ নিয়েই ঘুমাতে গেলাম। পরদিন জার্সি পড়ে অফিস যাবো। আনন্দ- আড্ডা সবই হবে। সেই ইচ্ছাতে অবরোধের মাঝে আমার অসম্ভব অপছন্দের কলেজ "তিতুমীরের" সামনে দিয়ে রওনা দিলাম। "কোনমতে অফিসে পৌছাতে পারলেই কেল্লা ফতে" টাইপ অবস্থা। এখন থেকে অবশ্য বলতে হবে "প্রাণে বেঁচে অফিস পৌছাঁনোই আসল"..'

২
রবিবারের যা ঘটনা তা আর নতুন করে বলার কিছু নেই। বিশ্বজিৎ নামের মানুষটির মৃত্যু কিছু অমানুষের হাতে। সারাদিন ধরে টিভিতে তার বাঁচার চেষ্টা দেখলাম। রাতে ভিডিওটা দেখলাম বারবার। মিডিয়ার যা অবস্থা, ভাগ্যিস ছেলেটি "বিশ্বজিৎ" ছিল না হলে ঐ খুনীগুলো এই হত্যাকাণ্ডকেও হালাল করে নিতো।

৩

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ