অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও জন অতিথি অনলাইনে

আমি বেচে আছি আমার সময়ে!

কাহিনী সেই একি। একটা বিরতির পর পোষ্ট লেখতে বসলাম। পোষ্ট লেখার হুজুগ ছিলো প্রতিদিনই কিন্তু মাতি নাই। কারন এই সব দিন লিপি দেখিতে দেখিতে একি কথা পড়িতে পড়িতে পাঠককুলকে আর কত বিরক্ত করিবো। তাই অতো পোষ্ট দেয়াকে উত্তম কিছু বলে মনে হলো না। ভাবলাম একটা গল্প লিখি কিন্তু গল্প কবিতায় অনেক খাটনি। এই দুধ চা খাওয়া মাথায় এতো কিছু কুলায় না। আর গারমেন্টসে হত্যা এতো এতো মরন দেখে কিছুটা ধার্মিক মাওলানায় রুপান্তরিত হয়েছে। ইদানিং রাস্তা পার হতে সিড়ি ভেঙ্গে নামতে সব কিছুতেই খালি এই ভয়ে থাকি। যদি এই মুহূর্তে চলে যাই তবে বাবা মার কি হইবে?

র‍্যাপিং এ মোড়ানো এক বাক্স বিপ্লব

এইতো বেশ!
মধ্যবিত্ত তরুণেরা ঘুরছে ফিরছে।
চা সিগারেট খাচ্ছে। আড্ডাবাজিতে মেতে উঠছে।
মৃদু খুনসুটি, ফোনকল,
হয়তো খানিক রঙীন নেশার আবেশ...
সবকিছুই ঠিকঠাক চলছে।
এরই মাঝে অনেকেই নেতা হয়ে উঠছে।
শরীর-বেশভুষায় নেতৃত্বের কিংবা বৈচিত্রের ছাপ,
শুধু মনটা শেষতক সামন্ত'ই থেকে যাচ্ছে।
বিপ্লব প্রয়োজন।
দেশের স্বার্থেই, তৃণমূল থেকে।
"বিকেলে প্রতিবাদ"
ব্যানার হাতে দাড়াতে হবে নির্দিষ্ট স্থানে,
মিছিল নিয়ে হাঁটতে হবে অতিপরিচিত রাস্তায়,
মেপে রাখা কদমের সংখ্যায়।
বন্ধুগোত্রীয় নেতৃবৃন্দ বা কমরেড সাথে নিয়ে।
রাত শেষে,

সবার হাতে রঙচঙে র‍্যাপিং এ মোড়ানো এক বাক্স বিপ্লব...

শুভমিতার চিঠি-৮

শুভমিতার চিঠি-৮
প্রিয় শুভমিতা,

মুক্তিযুদ্ধ এবং অতপরঃ

ঝিক্-ঝিক্...ঝিক্-ঝিক্...করে ট্রেন চলছে দৃশ্যমান গতিতে, আর আমার জীবন চলছে অদৃশ্যমান গতিতে। যে গতির গতিময়তা কখনো আমি উপলব্ধি করি না--করতে পারি না। ট্রেনের কামড়ায় বসে আধবোজা চোখে অনুপম সেনের ‘কল্পনা’ উপন্যাসের নায়কের নিজের মতামত পড়ছি। লেখকের প্রতিটি কথা সমুদ্রের ঢেউ এর মতো আন্দোলিত করে আমার মনে। জীবনের অনেক মিল রয়েছে স্বকল্প আর আমার ব্যর্থময় জীবনের প্রতিটি ধাপে ধাপে। ছত্রিশ বছরের জীবনে আজো বিয়ে করিনি। নীড়হারা পাখি সব হারিয়ে ক্লান্ত মনে যেমন করে ভাবে, তেমনি ভাবতে ভাবতে হঠাৎ শরীরটা ঝাকুনি দিয়ে উঠলো। ট্রেন থামছে কোন এক অচেনা ষ্টেশনে। জায়গাটির নাম মনে নেই। ট্রেন থামার সাথে সাথেই আরো তিন জন মানুষ একই কামড়ায় উঠল। তিন জনের মধ্যে একজন ৪০/৪৫ বছর বয়স্ক পুরুষ, এক জন ৩০/৩২ বছর বয়স্ক স্ত্রীলোক, আরেক জন ১০/১১ বছরের বালিকা।

শেষ চিঠির আগের চিঠি

প্রিয় আকাশী,
অনেক দিন পর তোমায় লিখছি। হয়তো বসে আছো প্রচন্ড ক্ষোভ নিয়ে। হয়তো দিচ্ছো গাল হারামজাদা শুয়োর বলে। হয়তো বা বসে আছো তীব্র আকাঙ্খা নিয়ে, বুকভরা ভালোবাসা নিয়ে আমার এই পত্রের প্রতিক্ষায়।
এখন আমি অনেক বড় হয়েছি। নিজের স্বিদ্ধান্ত নিজেই নিতে পারি । কক্ষনওই কার্টুনের মত লাফাই না। এখন ঘুরতে যেতেও ইচ্ছা করে না। ভুলেও তাকাই না পরস্ত্রী বা পরপ্রেমিকার পানে।
এখন আমি স্থীর , কোন পাগলামী নেই আচরনে। শুধু একটা অভ্যাস এখনও ধরে রেখেছি। নির্ঘুম রাত জাগি আগের মত। কিন্তু কথা বলতে বলতে রাত পার হয় না। আগে সাথী ছিলো মোবাইল ফোন, আর এখন একাকিত্ব।
আচ্ছা তুমি কি আগের মতই বানর হও?
দুইপাশে ঝুটি বাধো পুতুলের মত?
নাকি শীতে ঠোট ফেটে গেছে ?
তোমার মনে আছে যখন তুমি আমার সাথে বসে কথা বলতে, তখন আমি অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখতাম তোমার স্নিগ্ধ ঠোটের পানে। আর তুমি বলতে কি দেখ অমন করে?
আমি বলতাম তোমায় দেখি।
তুমি বলতে আমার কি রূপ জালাইছে নতুন করে ?
আমি বলতাম তোমায় তো আমার প্রতিদিনই নতুন লাগে ।
বলতে ঢং বাদ দাও।

ইন দ্য টাইম অব দ্য বাটারফ্লাইস

চার বোনের কথা বলি।
প্যাটরিয়া, দিদি, মিনার্ভা ও মারিয়া তেরেসা। ওদের বলা হয় মিরাবল সিসটার্স। জন্ম যথাক্রমে ১৯২৪, ১৯২৫, ১৯২৬ ও ১৯৩৫ সালে, ডমিনিক রিপাবলিকের সিরাস অঞ্চলে। বাবা এনরিক মিরাবল ও মা মারিয়া মেরসিডস রিয়েস।
মিনার্ভা ও মারিয়া বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত গিয়েছিলেন উচ্চশিক্ষার্থে।
ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রে তখন রাফায়েল ট্রুজিলার স্বৈরশাসন। মিরাবল বোনরা স্বৈরশাসক ট্রজিলোর বিরুদ্ধে নানা ধরনের আন্দোলনে সক্রিয় ছিল। বিশেষ করে মিনার্ভা ছিল বেশি সক্রিয়। ফলে কারাগারেও যেতে হয়েছিল মিরাবল বোনদের। ১৯৬০ সালের ২৫ নভেম্বর এই মিরাবল বোনদের বহনকারী মোটরগাড়ির দুর্ঘটনা ঘটে। বলা যায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাদের হত্যা করা হয়। বলাই বাহুল্য ট্রজিলা ছিলেন এই ঘটনার হোতা। তার নির্দেশেই হত্যাকান্ড ঘটনো হয়।
নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড ট্রজিলোবিরোধী আন্দোলনকে উস্কে দেয়। এর এক বছরের মধ্যে ট্রজিলাও আততায়ীর গুলিতে নিহত হয়েছিল।

রাধা যাবে অভিসারে

pbaaab245_radha_krishna_forest.jpg

সাঁজ নিয়েছি নীল ময়ূরের
ঘন নীল শাড়ি
কোমড়ে পড়েছি রূপালি বিছা
নাকে নাকছাপি।

মন মেতেছে কালো ভ্রমরে
সিঁদ কাটে দিনদুপুরে
চাঁদ তুমি দূরে পালাও
কেউ যদি দেখে ফেলে প্রানবন্ধুরে!

ঝেপে আস তাড়াতাড়ি যমকালো রাত্রী
সয় না আমার কোন দেরী
ঢেকে দাও ব্রজভূমি তোমার চাদরে
দেখা হবে মনের মানুষে গোপনে।

ঘরের প্রদীপ ঘরে রইল
টিমটিমে তাঁর আলো
মন পড়ে রয় চাঁদের পানে
বরন ঘন কালো।

স্বীয়ভালে থাকে যে জনা
চাঁদের আলো দেখেও দেখে না
তাঁর সনে দিলাম আড়ি
মনের মানুষই হয় রাধেঃস্বামী।

ছাড়তে পারি প্রাসাদের ছায়া
মন-মানুষের বড় মায়া
বাঁশরীর সুর মনকাড়া
জাদু করেছে সেই রাখালরাজা।

রাধা যাবে আজ অভিসারে
মিষ্টি চাঁদের সুবাসে
বহু দিনের ঘাসফুলের সাধ
শোভা দিবে নৃপতাজ।

ম্যান বিহাইন্ড দা গ্লাস বার

এই মিলে তিনবার গোনা হলো - না - কোনো ভুল নেই- দশ হাজার টাকা কম পড়ছে - এই শীতের সন্ধ্যায়ও মাসুমের কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম - মাথাটা কেমন ফাঁকা ফাঁকা লাগছে - তার ভাগ্যটা এত খারাপ কেন - এত সতর্ক থাকে- তবু ... আজকে কাস্টমারের চাপটা বেশি ছিল - অনেকগুলো বড় পেমেন্ট হয়েছে - কোথাও একটা ভুল হয়ে গেছে - কিন্তু শোধরাবার সুযোগ কি আছে?

দু'বছর হলো এই চাকরিতে ঢুকেছে মাসুম - ব্যাঙ্কের চাকরি - ক্যাশ অফিসার - কাজের চাপটা বেশি - সেটা সমস্যা না - কিন্তু সার্বক্ষণিক ঝুঁকিটা বড় পীড়াদায়ক- সামান্য অসতর্কতার দণ্ডি দিতে হয় গুনে গুনে - উপরন্তু আছে ম্যানেজারের গালাগালি - না - মাসুম অসতর্ক নয় - কাজের সময় সাধ্যমত সাবধানতা অবলম্বন করে - কাজেও সে দক্ষ - তবু নিয়তির মার তো এড়ানো যায় না.

মাসুম পেমেন্টে বসে - তার দায়িত্বটাও বেশি - রিসিভের ছেলেটি একেবারেই নতুন - মাসুম তাকে চোখে চোখে রাখে - পাছে বেচারা বিপদে পড়ে - কিন্তু আজকের বেচারা যে সে নিজেই.

জয়নব

মাঝরাতে দরজায় কে ধাক্কা দিচ্ছে এমন জোরে জোরে? ফাগুনের মাঝামাঝি কিন্তু ঠিকই সন্ধ্যা নামলে জারের চাদর মোলায়েম বিছিয়ে থাকে চারপাশে আর ফিনফিনে মশারীর মতো কুয়াশা ঢেকে রাখে চারপাশে। কুপির আলো উসকে জয়নাব বিছানা ছাড়ে, মিলের চাদরটা জড়িয়ে বারান্দায় থামে, শব্দটা আবার পায়, ঠিকই কেউ দরজায় ধাক্কা দিচ্ছে।

জয়নাব ত্রস্ত গলায় হাঁক দেয় কে?
আমি, দরজা খুল।
এই সময় তো তার আসবার কথা না, জয়নাব নিজেকে সামলে নিয়ে পুনরায় প্রশ্ন করে আপনি?
হ্যাঁ, এখন দরজাটা খুল।
জয়নাব পাখীর মতো উড়ে উড়ে দরজার দিকে গেলো যেনো। দরজা খুলে মানুষটাকে অবাক হয়ে দেখে জয়নাব, চোখে প্রশ্ন
শহরের অবস্থা খারাপ রে বৌ, সব বন্ধ, হাতে কাজ নাই তাই চলে আসলাম বাসায়
দাঁড়ান আপনাকে পানি গরম করে দেই, এত রাইতে আবার কলঘরে যান ক্যান? এই রাইতে ঠান্ডাপ ানিতে গোসল করে একটা জ্বর বাধান আর কি তারপর যমে মানুষে টানাটানি হউক। আপনি দাঁড়ান আমি চুলাটাতে এক হাঁড়ি পানি বসায় আসতেছি।

ও বন্ধু আমার(বন্ধু নিয়ে আমার লেখা গান)

ও বন্ধু আমার হারানো আকাশের নীল
পুরোনো হাসিতে মলিন
ওবন্ধু আমার কত চেনা!

ও বন্ধু আমার কোথায় আছিস কেমন?
হারানো দিন কেন আজ ফিরে চায় এ মন!
ওবন্ধু আমার ভাল থাকিস কেমন?
সময় কি ছাড়াতে পারে পুরোনো হাতের বাঁধন!

কবেকার কোন্ শ্রাবণে কবেকার কোন্ সুখ
কোথাকার কোন মেয়ে ভাসিয়ে দিয়েছিল বুক।।
অবসরের অলস মুহূর্তে মনে পড়ে সেইক্ষন...
ওবন্ধু আমার কোথায় আছিস কেমন!
বন্ধু আমার ভালো থাকিস কেমন!

কবেকার কোন ফাগুনে পলাশ বেলার মেলা
স্কুল পালিয়ে হারিয়ে গিয়েছি সারা দুপুর সন্ধ্যাবেলা।।
অবসরের অলস মুহূর্তে খুঁজে ফিরি সেইক্ষন...
ও বন্ধু আমার কোথায় আছিস কেমন!
সময় কি ছাড়াতে পারে পুরোনো হাতের বাঁধন!

শীত বার্তা ২

খেয়াল করে দেখলাম শীতের কাপড় সংগ্রহ ও বিতরণ প্রক্রিয়াটা বিষদভাবে লেখা তেমনভাবে কোথাও খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ ব্যাপারটা জানলে অনেকেই নিজেরা কাপড় সংগ্রহ করে বিতরণ করতে পারেন। আমি সংগ্রহ প্রক্রিয়া জানি। বিতরণের জন্য পরিচিত মানুষ খুজে বের করতে হয়। আমি সংগ্রহ প্রক্রিয়াটা বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বিষদভাবে জানাচ্ছি। বিতরণ প্রক্রিয়া জন জনে আলাদা হতে পারে।

সবচেয়ে ভালো হয় ব্যাপারটা দুই ভাগে ভাগ করলে।

১। সংগ্রহকারীরা এবং ২। বিতরণকারীরা।

সংগ্রহকারীরা যা করতে পারেন

ধাপ ১ (চিঠি লেখা)-
*এলাকাবাসীদের উদ্দেশ্যে একটা ছোট্ট চিঠি লিখুন যেখানে সংক্ষেপে লেখা থাকবে আপনারা এই এলাকাবাসী, আপনারা বন্ধুরা শীতের কাপড় সংগ্রহ করছেন, বিতরণের জায়গার নাম, কাদের বিতরণ করা হচ্ছে।

*তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কাছে কাপড় না থাকলে তারা যে কোন পরিমাণ টাকা দিয়ে অংশ নিতে পারেন সেটাও জানিয়ে দিন।

*চিঠির শেষে একটি ভালো কাজে অংশ নেওয়ার জন্য তাদের শুভেচ্ছা দিয়ে, ধণ্যবাদ দিয়ে চিঠি শেষ করুন।

*চিঠি প্রিন্ট করুন এবং প্রাথমিকভাবে ২০ কপি ফটোকপি করতে পারেন।

মনে রাখা দরকারঃ

পরস্পর

জীবনের এতগুলো পথ পেছনে ফেলে এলেও তাকে মানসিক সঙ্গ দেওয়ার মতো কাউকে পায়নি আজাহার। হতে পারে সে নিজেই ততটা জরুরি মনে করে সন্ধান করেনি বা সেই সময়গুলোতে এগিয়ে আসতে আগ্রহ বোধ করেনি কেউ। মোটকথা প্রেম বলতে যতটা বোঝায় তার ছিঁটেফোঁটাও তার জীবনে নেই বললেও চলে। যদিও একজন ভালো আর দায়ীত্ববান স্বামী হয়ে দুটো সন্তানের যাবতীয় নির্ভরতার স্থল হয়ে উঠতে পেরেছিলো। প্রেম যে একেবারেই নেই তা বলাটাও হয়তো মিথ্যারই নামান্তর হবে। প্রেম বলতে আছে দাম্পত্য প্রেম। আর সে প্রেমও যেই সেই নয়। কখনো কখনো নিদারুণ অশান্তির দ্রোহে জ্বলে ওঠে সেই প্রেমের লকলকে বহ্নি। যে কারণে এক সময় নিজের সঙ্গেই ক্রমশ যুঝতে যুঝতে এক সময় আপস করে নিয়েছিলো। যে আপসের ফল স্বরূপ নিজেকে ভাগ করে নিতে বাধ্য হয়েছিলো দুটো সত্ত্বায়। তখনই আরো ভালো করে সে অনুভব করতে পেরেছিলো যে, প্রতিদিনকার ঔজ্জ্বল্যের ভেতরও আছে আরেকটি আজাহার। যে বড্ড নিঃসঙ্গ। লাজুক। মিতভাষী। আশপাশের যাবতীয় দুখ-যন্ত্রণা যাকে মোটেও স্পর্শ করে না।

আগুণ কি আর বোঝে, কে মালিক কে শ্রমিক!

কিভাবে আগুণ জ্বললো? কেনো আগুণ জ্বললো? কার বা কাদের চক্রান্তে অথবা দোষে আগুণ ছড়িয়ে পড়লো? তাজরীন ফ্যাশন্স নামের গার্মেন্ট ফ্যাক্টরীতে সরকারী হিসাবে ১১২ আর অনুমেয় দুই শতাধিক আগুণে পোড়া লাশের গন্ধ বাতাসে ছড়িয়ে পড়ার আগেই এসব প্রশ্ন ছড়িয়ে পড়েছে দিকে দিকে। সরকারী মহলে যখন জোরেসোরে রব উঠেছে এই আগুণ লাগার ঘটনা বিরোধী দলের নাশকতা তখন বেসরকারী মহলেও আগুণের বিষয়টাই মূখ্য হয়ে উঠেছে। শ'য়ে শ'য়ে আগুণে পোড়া লাশের জন্য দায়ী করা হচ্ছে ফায়ার এস্কেপের অভাব আর কর্তৃপক্ষের আগুণ সম্পর্কীত জ্ঞানের অপ্রতুলতা।

শীত বার্তা-১

শীত এসে যাচ্ছে। অনেকেই শীতে কষ্ট পাওয়া মানুষের কথা মনে করে সমব্যাথী হন। এই সুন্দর মনের মানুষদের জন্য একটা সুখবর হচ্ছে, আপনারা চাইলেই এখন এই শীতে কিছু মানুষের কষ্ট লাঘবের ব্যবস্থা করতে পারেন। সহজ পদ্ধতিটা হল-

১। নিজের পুরানো শীতের কাপড় খুজে বের করুন।
২। সম্ভব হলে বন্ধুদের নিজের ব্যবহৃত/অব্যবহৃত পুরানো শীতের কাপড় আনতে বলুন।
৩। কাপড়টি/গুলি একসাথে (চাইলে আলাদাও পাঠাতে পারেন) কাছের কোন কুরিয়ার
সার্ভিস-এ নিয়ে যান।
৪। এস.এ. পরিবহন, কলিতলা ব্রাঞ্চ, দিনাজপুর। প্রাপক ইমন। মোবাইল ০১৮১৮২১৪৭৮৭ এই ঠিকানায় পাঠিয়ে দিন কাপড়গুলো।
 যারা সত্যি কাপড় পাঠাতে চান, তারা কাপড় যোগাড়-এর পর এই ইমেইল-এ যোগাযোগ করে (কাপড় পাঠাতে আগ্রহী জানিয়ে) তারপর পাঠান। shahreen.rahman4@gmail.com

(অনুগ্রহ করে টাকা পাঠাবেন না। চাইলে পুরানো কম্বল, শাল যেকোন শীতের কাপড় কিনে দিতে পারেন।)

কাপড়গুলি দিনাজপুরে ইমন নামের একটা ভাইয়ার কাছে পৌছে যাবে। এস.এ. পরিবহন তার বাসার বেশ কাছে, তাই ভাইয়া সেখান থেকে কাপড় নিতে পারবেন। তিনি শীতের কাপড়গুলি কিছু এতিমখানায় বিলি করবেন।

নাশকতার ভিডিও ফুটেজ আশুলিয়ার দেবনায়ারের, তাজরীনের নয়

আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরের তাজরীন ফ্যাশনে স্মরণকালের ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় দমকল বাহিনী অগ্নিনির্বাপণের সরঞ্জাম নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে। আর গণমাধ্যমকর্মীরা ঝাপিয়ে পড়েন ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, নোটবুক। আশুরার কারণে ২৭ নভেম্বর মুদ্রণ সংবাদ মাধ্যমগুলো বন্ধ থাকায়, তারা এবার সংবাদ পরিবেশনে সুবিধা করতে পারেনি। তবু পত্রিকাগুলো অনলাইন সংস্করণ সচল রেখে সংবাদটি পরিবেশনের চেষ্টা চালিয়ে যায়। অন্যদিকে টেলিভিশন ও অনলাইন গণমাধ্যমগুলো বিরতিহীনভাবে অগ্নিকান্ডের নানা সংবাদ পরিবেশন করে যাচ্ছে। আবার সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সরকার ও পোশাককল মালিকদের মুন্ডুপাত চলছে একযোগে। এতে আবার ঘি ঢেলে যাচ্ছে সস্তা জনপ্রিয়তা প্রত্যাশী গণমাধ্যমগুলো। আমাদের প্রধান রপ্তানিখাত অচল থাকলেই যেন, দেশটা বেঁচে যায়!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ