অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

তৃষ্ণা

তৃষ্ণা আরো প্রবল হয়ে ওঠে ,
পানের পর পান চলতে থাকে ,
পানের পর পান অবিরত,
কাপের পর কাপ ,
উষ্ণ হাহাকার ,
গলবিল বেয়ে পাকস্থলি ,
সব ছারখার করে ,
শীতল হয় হৃতপিন্ড ।

তবু আবার ,
প্রাণের তৃষ্ণা জাগে ,
প্রাণের তৃষ্ণা প্রবল হয় ,
প্রবল থেকে প্রবলতর হয় ,
জেগে ওঠে রক্তের মোচড় ,
বাড়তে থাকে হৃদস্পন্দন ,
নীলাভ হতাশা নির্বিঘ্নে বেয়ে চলে ,
রক্তের সাথে মিলে মিশে চলে ,
ধমনী থেকে ধমনীতে ,
হৃদয় থেকে হৃদয়ে ,
হৃতপিন্ড উষ্ণ হয়ে ওঠে ,
উষ্ণতা বাড়তে থাকে ,
বাড়তে থাকে অদৃশ্য ক্ষত ,
হৃদয়ের ক্ষত ।

পানের বস্তু সুপেয় না হতে পারে ,
তবু তৃষ্ণা জাগে ,
পানের তৃষ্ণা ,
তৃষ্ণা আরো প্রবল হয়ে ওঠে ,
পানের পর পান চলতে থাকে ।
কিন্তু প্রাণের তৃষ্ণা
প্রবল থেকে প্রবলতম হয় ,
প্রাণের তৃষ্ণা মেটেনা কোনো কালে ।

সহ্যসীমার কাঁটাতারে বিদ্ধ শরীর

সময়টা কাটছে প্রতিকূল। আগুন, ভাঙচুর, অস্থিরতা সবকিছু একসঙ্গে ঝাপিয়ে পড়েছে। প্রতিটি দিন এমনভাবে কাটছে যে, দিনশেষে নিজেকে আনন্দিত মনে হয়; আরেকটা দিন পার করে দিতে পারার জন্যে। দি ডে আই গ্ল্যাড টু সার্ভাইভ।

শীত শুরু হচ্ছে। এখন চলছে আগুন পোহানোর কাল। ব্যাডমিন্টন খেলার কাল। পার্কে দেখলাম জটলায় জটলায় আগুন পোহানো চলছে। দু'টো ব্যাডমিন্টন কোর্ট কাটা হয়েছে। এখনকার শীতে আগুন জ্বালানোর এবং সেই আগুনের চারপাশে গোল হয়ে বসে থাকার আলাদা মজা আছে। কিন্তু ক'দিন পরেই এ মজাটা থাকবে না। তখন আগুন জ্বালানোর মতো জ্বালানি থাকবে না। মানসিক ইচ্ছা থাকবে না। শুধু বদ্ধ কুঠুরিতে লেপ মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকতে ইচ্ছে করবে। মানুষও কি এককালে শীতনিদ্রায় যেতো নাকি?

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT) বিষয়ক বৈশ্বিক অধিবেশন

নেদারল্যান্ডস-এর হেগ শহরে গত ২১ নভেম্বর রোম সংবিধি-এর আওতাধীন ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট (আইসিসি)-এর রাষ্ট্রপক্ষসমূহের সম্মেলনের (Assembly of States Parties) অংশ হিসেবে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল (আইসিটি)-এর ওপর বিশেষ একটি অধিবেশন আয়োজিত হয়। মূলত দেশীয় আইনের প্রক্রিয়ায় দেশীয় ট্রাইবুনালে আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচারের উদাহরণ হিসেবেই আইসিটি বিষয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই আগ্রহ। এখানে উল্লেখ্য, রোম সংবিধি কেবল এ-ধরনের দেশীয় বিচারের উদ্যোগের অনুমোদনই করে না, উৎসাহিতও করে। রোমভিত্তিক সংগঠন “নো পিস উইদাউট জাস্টিস (NPWJ)”-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই বিশেষ অধিবেশনে আইসিটি-র বিচার প্রক্রিয়া এবং এর সহায়ক কর্মকাণ্ডের সাথে সংশ্লিষ্ট আমন্ত্রিত পক্ষসমূহের মধ্যে নির্ধারিত বক্তা হিসেবে প্যানেলে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউশনের প্রতিনিধি এডভোকেট সাইফুল ইসলাম তারেক, আসামী পক্ষের নিযুক্ত আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি ব্যারিস্টার টোবি ক্যাডম্যান, ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস বার কাউন্সিল মানবাধিকার কমিটির প্রতিনিধি মিস সোনা জলি, আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন বিশেষজ্ঞ ড.

আত্মমগ্ন কথামালা ১৮

*
মৃত্যু
ছোট্ট একটা শব্দ, কিন্তু কি ভয়ানক বিষণ্ণ... কি ভয়ানক একাকীত্বের একটা শব্দ...

**
অনেকগুলো মানুষের মৃত্যু হ'লো গত ক'দিনে। বিভৎস, ভয়ংকর মৃত্যু। ভাবলেই শিউরে উঠতে হয়। ফ্লাইওভারের গার্ডার পড়ে, আগুনে পুড়ে। সেদিন চট্টগ্রামে যখন ফ্লাইওভারের গার্ডার খসে পড়ছিলো; তখন হয়তো আমি উত্তরার পথে, নির্মিয়মান ফ্লাইওভারের নীচে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটার ভেতর বসা কিংবা দাঁড়িয়ে আছি...

***
অনেকগুলো বছর আগে প্রায় এরকমই একটা ঘটনা ঘটে গেছিলো চোখের সামনে। সাইন্সল্যাবের ওভারব্রীজটার একটা গার্ডার খসে পড়েছিলো, আর চাপা পড়েছিলো একটা পাজেরো গাড়ি... এখনো মাঝে মাঝে চোখ বন্ধ করলে স্লো মোসান সিনেমার মত সেই ভয়ানক দৃশ্যটা চোখে ভাসে...

****

মানবতার ডান্ডা

সাদ্দা হক এত্থে রাখ।
কি চিনতে পারছেন না ? আমি ফেবুর এক জনপ্রিয় লাইকবাজ ব্লগার। আমি সমাজের কোথাও অনিয়ম অনাচার দেখতেই পারিনা। অনিয়ম দেখলেই আমার মনে পরে যায় এ আর রহমানের সূরে মোহিত চৌহানের গাওয়া সেই গানটি, সাদ্দা হক এত্থে রাখ। আমার মানবতার ঈমানী দন্ডটা খারায়া ওঠে । আমি সহ্য করতে পারিনা। আর তাই গেয়ে উঠি সাদ্দা হক এত্থে রাখ।
যখন মালালার মত এক কচি পাকির মাথায় ধর্মান্ধরা গুলি করেছিলো, তখন আমি বীর বিক্রমে পাকি পতাকা উঠিয়ে বলেছিলাম, সাদ্দা হক এত্থে রাখ।
যখন মায়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদেরকে বের করে দেওয়া হচ্ছিলো আর তাদেরকে বাংলাদেশের সীমান্ত দিয়ে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিলনা , তখনও আমার মানবতার দন্ড খাড়া হয়ে গেছিলো আমি চেচিয়ে উঠেছিলাম সাদ্দা হক এত্থে রাখ বলে।
যখন গাজায় ইহুদিরা নির্মম ভাবে মারে ফিলিস্তিনি শিশুদের তখন আমার মানবতা দন্ড খাড়া হয়ে যায়, আমি চেচিয়ে উঠি সাদ্দা হক এত্থে রাখ বলে।

বুকপকেটে জোনাকি নিয়ে একলা চলা একেকজনা..এবং 'বারফি'!

রুশদেশে অনেক কাল আগে প্রচলিত একটা মজার কথা আছে। চলচিত্র নিয়ে।

কথাটা অনেকটা এমন যে -
'চলচিত্র তিন প্রকারের হয়ে থাকে।
ভাল চলচিত্র,
বাজে চলচিত্র আর
তারপর আসে ভারতীয় চলচিত্র'!

অনেকেই হয়তো এই কথা শুনে চোখ পাকিয়ে আসবে মারতে! তবে কথাটা মজা করে বলা হলেও কেন জানি হেসে উড়িয়ে দিতে পারি না।

মানছি, টাইমপাসের জন্য অনেকের জীবনেরই একটি উত্‍কৃষ্ট উপাদান হল এই ভারতীয় চলচিত্র। তবুও একটু ভেবে দেখলে অবাকই হতে হয়।

চলচিত্র বোদ্ধা তো নই,
তবুও ছেলেবেলা থেকেই মোটামুটি নিয়মিত ভাল ভাল মুভি দেখে আসার অভিজ্ঞতা থেকে যতটুকু বুঝি তা হল -
ভাল মুভিগুলাকে যথাযত মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে অস্কার আর কান-এ।

সত্যজিত্‍ রায় এর কথা আলাদা, উনি ভারতীয় যতটা তারচাইতেও বেশি বৈশ্বিক চলচিত্র নির্মাঅ ছিলেন। এজন্যই হয়তো তাকে লাইফটাইম এচিভমেন্ট দিতে ভুল করেনি অস্কার কর্তৃপক্ষ।

হাটি হাটি পা পা করে ভারতীয় চলচিত্রের বয়স কিন্তু কম হয়নি।

ফেসবুকের রকমফের

‘সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং’ শব্দটা বতর্মানে বহুল প্রচলিত শব্দ, আর ‘ফেসবুক’ সেতো আবাল-বৃদ্ধা-বনিতা সকলেরই মুখস্ত!বন্ধুত্বের মানেটাই পালটে গেছে ফেসবুকে এসে। আমার চেনাজানা, যার সাথে দেখাসাক্ষাত ঘটে প্রায়ই,আলাপচারিতায় মেতে উঠতে ভনিতা লাগে না, যার সান্নিধ্য উপভোগ্য লাগে সেই না আমার বন্ধু। কিন্তু ফেসবুকে কেবল এড করা হয়েছে বলে কতশতজন এসে জুড়ে যাচ্ছে আমার বন্ধু তালিকায়, তাদের সাথে আমার দু’দন্ড কথাও হচ্ছে না, তাদের কি হলো না হলো তার কোন পরোয়াই নেই আমার, কিন্তু আমার একাউন্টের বন্ধু তালিকায় তাদের নাম জ্বলজ্বল করে! ভেবেই পাই না একজন মানুষের হাজারে হাজারে বন্ধু হয় কি করে! এমনি করে চললে তো বন্ধু আর চিনপরিচিতের মাঝে পার্থক্যই বুঝাতে পারবো না নতুন প্রজন্মকে!

ছায়া ও টিকটিকির সঙ্গে সংলাপ

টেবিলের ওপর পড়ে থাকা বইটির দিকে তাকিয়ে থাকে আলো -‘ছায়াহীন কায়া’। দেখে আর ভাবে, ভাবতে থাকে। লাটিম ঘুরতে ঘুরতে যেমন ঝিম ধরে থাকে-এক পায়ে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে, তেমনি মেরুদণ্ডটা ঠিক সোজা করে আপন মনে বসে আছে সে। ফাঁকে একবার নিজের ছায়ার দিকেও থাকায় । সে বোঝে না ছায়াহীন কায়া কীভাবে হয় ? আনমনে সে আবার ছায়ার দিকে তাকিয়ে থাকে। একটু আগে টিকটিকি তাকে ফোন করে। ভাগ্যিস বাবা তখন বাসার বাইরে। আজ টিউটরও নেই।
—কে বলছ? আলো ?
জ্বী, আলো।
আঙ্কেল কেমন আছ ?
হ্যাঁ, ভালো।
এখন স্কুলে আস না ? আর তো দেখা হল না।
না, এখন আমাদের ক্লাস অফ—জেএসসি পরীক্ষা ।
ক্লাস কখন শুরু হবে ? আবার কখন স্কুলে আসছ ?

সশস্ত্র বাহিনী দিবস!

পোষ্টটা লেখা উচিত ছিলো কাল। কাল লিখলে পারফেক্ট হতো। কিন্তু কাল ছিলো শরীরটা ভালো না আর সন্ধ্যায় হাটাহাটি করে চায়ের দোকানে প্যাচাল পেরে শরীরটা ক্লান্ত। তারপর কোনো এক অজানা কারনে হাতে ব্যাথা করছিলো। একদিন পরে লিখছি খারাপ একটাই দিনটার মুড মিস হলো। যা আমার ব্লগের জন্য খুব জরুরী। কি আর করা সান্তনা একটাই লেট বেটার দেন নেভার।

আমার সিসিমপুর (৬)

১।
অনেকদিন সিসিমপুর লেখা হয় না। এই পোস্ট কত নাম্বার হবে দেখতে গিয়ে মনে হল বছর খানেক আগে লিখসিলাম। এরপর আর না লিখতে পারার অবশ্য যথেষ্ট কারণ আছে।

মেঘলা এসে ঘুরে গেলো। কোনদিক দিয়ে যে সময় গেল বুঝতেই পারলাম না। আর আরভিন, তাহিয়া এখন অনেকটা বড় হইসে। বড় বলতে বকা খাওয়ার সময় চলতেসে ওদের। বেশীর ভাগ সময় ঝাড়ির উপর রাখতে হয়। নাহলে তেলেসমতি কারবার শুরু করে দেয়। ঝাড়ি বলতে চিৎকার করে ধমক দেয়া না। বরং ওদের ঝাড়ি দিতে হয় মিজান ভাইয়ের সেই চোখের ভাঁজে ভাঁজে কবিতা পড়ার মত।

২।

আজ্ঞাবহ

এখানে নয়, ওইখানে দাড়াও
মাথা, ঘাড়, মুখ যেন না নড়ে এতটুকু
চোখের পলক ফেলাও চলবেনা যখন তখন
সারাদিন এইভাবেই কাটবে প্রত্যহ।
ঘোর প্লাবনেও যেন মন নেচেনা ওঠে
আঁততায়ীর জিহ্বার ছুরি যদি
কলজে কেটে নিতেও চায় – তবুও
সুবোধ বালকের মত নিস্পৃহ থাকবে।
এভাবে নয় বোকা, ওই ভাবে বাঁচো
অন্যরা যেমন বেঁচে থাকে
চোখ দিয়ে যেন জল না পড়ে
সেটা কাপুরুষোচিত
ওহ, কষ্ট পাওয়া চলবে না
বড্ড বেশী ন্যাকামি এসব
অদৃশ্য মিঠাই মন্ডা খেয়ে পেট ভরাও
যদি চিৎকার আসে, তবে টিপে ধরবে গলা।
আর যখনি মনে হবে কিছু নিজের মত করে
নিজের আগ্রহেই নিজে চেয়ে নিও বিচ্ছেদের চাবুক।

( ১৯.১১.১২ {C} mni)

পতাকা

ছাদে ওঠার সিঁড়িটার মাঝপথে দাঁড়িয়ে আয়েশা বিষন্ন দৃষ্টিতে দেখছে পতাকাটাকে, দুরের আকাশে কালো ধোঁয়া তখনও পাঁক খেতে খেতে দিগন্তে মিলিয়ে যাচ্ছে। গাঢ় সবুজের মাঝে লাল বৃত্তে আঁকা বাংলাদেশের আকাশে ঘরপোড়া কালো ধোঁয়া, কাল সারারাত গুলির শব্দ, মানুষের চিৎকার, কান্না বিলাপের শব্দে কারো ঘুম আসে নি ঠিকমতো, পুরোনো ঢাকার গলির ভেতরে উদভ্রান্ত মানুষের দৌড়ে পালানোর শব্দ আর দুরাগত বিলাপের ভেতরে না ঘুমানো চোখে আলোটা বালির মতো কিচকিচ করছে।
সাতটা থেকেই মাইকিং শুরু হয়েছে, ইংরেজী, উর্দু আর উর্দু উচ্চারণের বাংলায় ফরমান জারি হয়েছে, এখন থেকে কোনো বাসায় বাংলাদেশের পতাকা উড়তে দেখা গেলে সেটা সামরিক আইন বিধিভঙ্গ করবে। যার যার বাসার ছাদ থেকে বাংলাদেশের পতাকা নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে, এমন কি কালো পতাকার জন্যেও একই নিয়ম। কোনো রাস্তায় ব্যারিকেড থাকতে পারবে না, যে মহল্লায় ব্যারিকেড দেখা যাবে ব্যারিকেডের আশেপাশের ১০০ গজ দুরত্বের সকল বাসার মানুষ সামরিক বিধি ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত হবে।

চশমিশ আমি আর আমার আম্মু

আজকাল মাঝে মাঝেই দেখি
মানুষজন চোখে লেন্স লাগিয়ে ঘুরে,
আর নয়তো একটুতেই চশমা ফেলে চোখে ল্যাসিক করিয়ে ফেলে।

আর আমি অবাক হয়ে ভাবি -
আয় হায়!
কেউ চশমা এত অপছন্দ করে কেম্পে?!

আমার পিচ্চিবেলার সবচাইতে বিশাল স্বপ্ন ছিল,
বড় হয়ে চশমা পড়ব!

কিন্তু ভাগ্য খারাপ,
চোখ আর খারাপ হয়না!

ইন্টার পরীক্ষার সময় মাথাব্যথার জন্য ডাক্তার দেখাতে গেলাম।ব্যাটা বলে চোখ নাকি খুব ভাল, তবে রিফ্লেক্সের কি সমস্যা নাকি আছে তাই মাথাব্যাথা হয়! পয়েন্ট টু ফাইভ এর চশমা দিয়ে বলল ৬ মাস টানা পড়লেই নাকি ভাল হয়ে যাবে। আমাকে আর পায় কে, চশমা নিয়ে নিলাম। জমিয়ে জমিয়ে পড়ি, টানা পড়ে আর পড়তে না পারলে তো সমস্যা!

এভাবেই বছর পাচ কাটিয়ে দিলাম। কয়েক ফ্রেম আর গ্লাস বদলে এখন একটা ফটোসানের মোটা ফ্রেমের নেভি ব্লু গ্লাস চলছে। রোদে গেলেই আপনাতেই রোদ চশমা হয়ে যায়। কি চমত্‍কারই না লাগে তখন!আম্মুরও ঠিক এমন একটা চশমা ছিল আমার পিচ্চিবেলায়।

ছোট ছেলেরা আসলে কখনই বড় হয় না তবুও চশমা আছে বলেই বড় বড় ভাবটা অন্তত নেওয়া যায়!
আসলেই,
চশমিশ থাকার মজাই আলাদা!

ব্লগর ব্লগর

ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার আমার পিসিতে বসে ব্লগ পড়া, ব্লগ লেখার অপচেষ্টা করে দারুণ ভালোলাগার সময়গুলো কেড়ে নিচ্ছে। সকালবেলায় অফিস যাওয়ার লম্বা সময়টাতে ফোনে পত্রিকার হেডিং দেখি পাঁচ মিনিট, তারপর ব্লগ পড়া শুরু করি। কখনও ভুলভাল বানানে হলেও কোথাও কমেন্ট করি, পোস্ট শেয়ার করি। ফেসবুকে ঘুরাঘুরি করতেই থাকি। আমার আর পিসিতে বসাই হয় না। পিসিতে বসি মুভি দেখতে। ইদানীং খেয়াল করছি শরীরটা খারাপ লাগে..গা গোলানো ভাব, মোবাইলে বেশী টাইপ করতে পারি না আমি....আঙ্গুলগুলো যেন বলতেই থাকে 'প্লিজ এবার আমাদের বিশ্রাম দাও'।ঘুম হচ্ছে না ঠিকমতো। শান্তর সাথে কয়েকদিন কথা হলো...সেও বলে-- আপু এত রাত জাগেন কেন?

বিষধর গোঙ্গানী

বিধ্বস্ত হতে চেয়েছিলে তুমি রক্তিম সান্ধ্য আঁধারে
কাব্যনন্দিত সম্ভাষণ।
কালের কন্ঠ চেপে এলে
পাখিরা সব জড়ো হয়ে তোমার দু'চোখে আবার
ঝাঁক বেঁধে উড়ে গেছে একত্রে

তুমি স্পর্শহীনই হয়ে রইলে

আবার কবে যে কোথায় রজনীগন্ধার ঘ্রাণ শুনে
বিষধর সাপ গোঙ্গানী দেবে হিসেব করে দাওনি এখনো।

রাত্রি জাগা বিকেল সহসা মিলিয়ে গেলে
বাচ্চাদের হৈ-হল্লা কানে এসে লাগে না …

জানি না বোকা।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ