রূপকথা
আহা রাজকুমারী, তুমি জানো না -
এইখানে পক্ষীরাজ নাই।
তেপান্তর নাই।
ব্যাঙ্গমা নাই।
ব্যাঙ্গমি নাই।
জঙ্গল নাই।
সরোবর নাই।
কারো কোন প্রাণ ভ্রমরা নাই।
আহা রাজকুমারী -
দুপুর রোদে চুল শুকিয়োনা।
সোনাকাঠি-রুপোকাঠি পাশে রেখে ঘুমিও না।
এইখানে তোমার মুক্তির আশা নাই।
* কি মুশকিল! এত খাটাখাটনি করে দুই চরণ কাব্য প্রসব করলাম অথচ আমরা বন্ধুর নালায়েক সম্পাদক বলে ছাপাবেনা। 
১২ই নভেম্বর ১৯৭০--- একটি ছোট্ট ঘটনা
আজ ভয়াল ১২ই নভেম্বর। ১৯৭০সালের এই দিনে ঘটে যায় প্রয়লংকারী ঘূর্ণীঝড়। প্রায় ১০ লক্ষ লোক মারা যায় এই প্রাকৃতিক দূর্যোগে। কি ভয়াবহ সেই সময়। সেই ভয়াবহ সময় যাদের উপর দিয়ে বয়ে গেছে শুধু তারাই জানে কি দুঃসময় ছিল তা।
সেই সময়ের একটি ছোট্ট ঘটনা। ঢাকা মেডিকেল কলেজের কিছু তরুন ডাক্তার সেচ্ছাসেবী দল হিসাবে সাহায্যের জন্য গিয়েছিল সেই উপকূলিয় আঞ্চলে। সারাদিন নৌকায় করে এক চর থেকে অন্য চরে ঘুরাঘুরি করে তারা ক্লান্ত হয়ে রাতে সন্দ্বীপে আশ্রয় নেয়। রাতের খাওয়া শেষ করে বাইরে এসে দেখে যতদূর চোখ যায় শুধু লাশের সারি। বাতাসে পঁচা গন্ধ। চারদিক নিঝুম শুধু সাগরের গর্জন ছারা কোন শব্দ নেই। সোলায়মান ভাবলেন, লাশ গুলি একটু পরখ করে দেখা যাক। যা ভাবা তাই কাজ। সবাই নয় ৪৫জনের দলের মধ্যে অসীম সাহসী আটজন যুবক একটি মাত্র পাঁচ ব্যাটারীর টর্চলাইট হাতে নিয়ে কাজ শুরু করে দিল। অন্যান্যরা ক্লান্তি, ও অলৌকিক বস্তুর ভীতির কারনে যেতে অস্বিকার করে।
খুঁজে ফেরা
কাকে দেবো ভালোবাসা
কাকে দেবো এই উষ্ণতম চুমু?
ভেসে যায় জলের মত মায়াবি জোছনার রাত
উড়ে যায় হাওয়ায় হাওয়ায় রাত্রি প্রেমের সময়
তবু খুঁজে ফিরি এমন একজন
যাকে দেবো আমার সর্বস্ব বুভুক্ষু চুমু
পাঁজরের সবকটি হাঁড়, ভরা বর্ষা, চোখের জল।
প্রেমহীন এই শহরিক গ্রামে
আজ শ্যাওলা পড়ে দেয়ালে,
কিলবিল করে মাতাল চন্দ্র আলো
এমন এক স্বপ্ন সময়ে কাকে দেবো ভালোবাসা?
আমার নিখাদ ভরাট চুমু?
যদি মনের কাঁটায় পা না দিয়ে
জল না থাকে চোখে
যদি মন না নাচে প্রেমে!
টিভি দেখা না দেখা বাসি হয়ে যাওয়া ঈদের কথা!
এই পোষ্টটা কাল একবার লিখছিলাম। পোষ্ট যখন করবো ক্লিক দিলাম বলতেছে এক্সেস ডিনাইড। লেখাটাও উদাও। ভুলে গেছিলাম যে আমি দেড় ঘন্টা যাবত লিখতেছি ট্যাব খুলে দেখা উচিত ছিলো এখনো লগ ইন কিনা। এই সামান্য ভুলের জন্য কত বড় একটা বিপদে পড়লাম। দুই ঘন্টা যাবত লেখা একটা জিনিস এডিট করা শেষ কিন্তু পোষ্ট দিতে পারলাম না। পিসিতেই এই সব কাজ হয় মোবাইল দিয়ে লিখলে এই সব সমস্যা নাই। লেখা অটোমেটিক ড্রাফটে থাকে। যাই হোক দুঃখের কথা বলে লাভ কি? জীবনজুড়েই আমার এসব বোকামীর দন্ড গা সওয়া হয়ে গেছে। সমস্যা হলো আমি এমএস ওয়ার্ডে লিখি না ডাইরেক্ট ব্লগে লিখি তাই একটু কিছু হলেই লেখা উদাও।
অবিশ্লেষ্য জীবনধারা
হৃদয়ের একলা প্রান্তরে স্বপ্নের চিবুক ধরে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছি মহাকালের পথে । হয়তো পৌছুতে পৌছুতে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসবে । নি:স্তব্ধ আকাশের একমাত্র ধ্রুবতারাটি হয়তো আক্ষেপের দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকবে করুনা করবে ।
কথাগুলো ভাবতে ভাবতে অন্যমনস্ক হয়ে পথ চলছিলো শ্রাবণ । হঠাত একটি দামি গাড়ি প্রচন্ড শব্দে থামলো, ঠিক শ্রাবণের পায়ের কাছে। ঘটনার আকস্মিকতায় হুশ ফিরলো শ্রাবণের । তাকিয়ে দেখলো গাড়ীর জানালা দিয়ে ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে আছে দুটি চোখ। আর ঠিক তখনই চোখের ঠিক নীচ থেকে কর্কশ শব্দের আস্ফালন ওই মিয়া দেইখা চলতে পারেন না ? চোখের মাথা খাইছেন নাকি ?
সেদিকে ভ্রুক্ষেপ না করে শ্রাবণ রাস্তা পারহয়ে মেট্রোতে ঢুকলো , এক্সেলেটর বেয়ে সোজা চারতলায়। গন্তব্য একদম কোনার টেবিল , যেখানে অপেক্ষা করছে ওর প্রানের প্রিয়তমা ।
ভুতুড়ে হাতের ছায়া
জাস্ট একটা হাত, শরীর নেই, মাথা নেই...
হঠাৎ নেমে এলো ব্যস্ত রাস্তার ব্যস্ততা এড়িয়ে...
যেখানে ধাতব প্রজাপতি স্থির হয়ে...
যেখানে ধাতব প্রজাপতি স্থির হয়ে,
স্থির চোখে গিলে ফেলে
কালো ধোঁয়া, শব্দ দুষণ আর মানুষের শরীর;
ঠিক সেখানেই...
আধো অন্ধকার ভেদ করে নেমে এলো
শুধু একটা হাত
শরীর নেই, মাথা নেই, পা নেই
শুধু একটা হাত
প্রজাপতির ডানা ঝাপটানোর মত নেমে এলো,
আর নিমেষের জাদুতে
অদৃশ্য হয়ে গেলো হাতে থাকা মুঠোফোনের শব্দময়তা
বিস্মিত, দুঃখিত এবং ভীত চোখে তাকিয়ে থাকা সঙ্গিনীর
বিবিধ দুঃস্বপ্নের অনুষঙ্গে যোগ হলো
ভুতুড়ে হাতের ছায়া...
ভালো বাসার আকাল পড়েছে
একটা ভালো বাসা খূঁজে হয়রান হয়ে যাচ্ছি গত দু’সপ্তাহ ধরে।এদিক হলে ওদিক হয় না।বাসার লোকেশন পছন্দ হলে বাসা পছন্দ হয় না।বাসা পছন্দ হলে গ্যাস সংযোগ থাকে না।গ্যাস সংযোগ থাকলে ভাড়া আকাশ ছোঁয়া।পানির সমস্যার কথা বিবেচনায় আনাই যায় না।কারণ কোনো বাসাতেই ২৪ ঘন্টা পানি দেয়ার ব্যবস্থা নেই।বেশির ভাগ বাসাতেই দু’বেলা পানি।আর যারা আরও আধুনিক তাদের একবেলা পানি।গত দু’সপ্তাহে ১২ টা বাসা দেখলাম।দুইটা মোটামুটি নেয়ার মতো পছন্দ হয়েছে।কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার হলো একটা বাসাও নিতে পারিনি।দখিণের বারান্দা চাইনি।ঘরের দেয়ালে আকাশ রং চাইনি।চাইনি তেমন কোনো চাকচিক্য।তারপরও পাইনি।
দুই বেড রূমের একটা বাসার ভাড়া যখন ১৮ হাজার টাকা বলল,গ্যাস বিল,কারেন্ট বিল ছাড়া-আমার মনে হয়েছে আমার মাথার ভেতরে একটা চক্কর দিয়েছে।কেন যে বাসাটা পছন্দ হলো তা নিয়েই হা হুতাশ করছিলাম কিছুক্ষণ।
আর একটা বাসা-এক বেড,গ্যাস সংযোগ নাই,বারান্দা নাই,পানি একবেলা, ভাড়া ১২হাজার টাকা।এডভ্যান্স ৫০ হাজার টাকা।
দশ এগার বার
আজ অনেক দিন পর ব্লগে বসা। একদমই সময় করতে পারি না। এবি আমাকে ডাকে, আমি আসতে পারি না। বন্ধুরা আড্ডা দেয়, আমার থাকা হয় না। হঠাৎ হঠাৎ উঁকি মারি ব্লগে। একটু স্থির হতে পারি না। নতুন অফিস। কাজ-কর্ম গুছিয়ে উঠতে উঠতে দিন শেষ। প্রতিদিন ভাবি, আজ ব্লগে বসব, বসা কিন্তু হয়ে উঠে না। আমার অফিস টাইমটা বিচিত্র। যদিও সেটা মেনে চলতে পারি না। সকাল ঠিক দশটার মধ্যে আঙ্গুলের ছাপ মেরে অফিসে ঢুকতে হয়। দুপুর বারোটা নাগাদ ফ্রি হয়ে যাই। তারপর বাসায় যেয়ে দুপুরের খাবার টাবার খেয়ে আবার চারটার দিকে অফিসে আসি। রাত আটটা-নয়টা নাগাদ থাকি। যাবার সময় অফিসকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাই মানে আবারও থাম্ব ইম্প্রেশন দিতে হয়। জয়েন করার দিন দশেকের মাথায় একটা বড় ইভেন্ট করতে হল। এক দুদিনের হলে কথা ছিল। পুরো সপ্তাহ জুড়ে। বই মেলা, ছবি আঁকা, লিখন-পঠন কর্মশালা, ছড়া পাঠ, কবিতা পাঠ, পাঠ উন্মোচন... এইসব করতে করতে জান শেষ।
তুমি আমার.. [কবিতা / গানের কথা!]
তুমি আমার দিন প্রতিদিন,
আপনমনের পথ টি চলা..
ক্লান্ত দুপুর;
অলস বিকেল,
হাওয়ার সাথে কথকতা..
তুমি আমার;
রাত্রি জাগা আড্ডা প্রহর,
রাত বিরেতে আনমনা মন..
ভোরের ঘুমে স্বপ্নছোঁয়ায়,
আলতো হাসি..
চোখের কোণে,
না দেখা কোন ফুলের রাশি..
তুমি আমার শীতের সকাল;
ভাপার ঘ্রাণে ঘুম ভাঙা,
আর একফালি রোদ..
তুমি আমার,
বর্ষাকালের অঝোর শ্রাবণ..
জল ভেজা পথ;
বৃষ্টি গায়ে,
শিরশির বুক..
ঠাণ্ডা হাতে;
চায়ের কাপের উষ্ণতাতে,
অপূর্ব সুখ..
তুমি আমার বসন্ত দিন,
সজীব প্রানে নতুন কুঁড়ি..
বিকেল হাওয়ায়;
হরেক ফুলের পাপড়ি মাঝে,
ভালোবাসার গান..
তুমি আমার;
কালবোশেখি ঝড়ের রাতে,
মুগ্ধ প্রহর -
হারিয়ে যাওয়ার ইচ্ছে হঠাৎ..
তুমি আমার;
হঠাৎ সুখে,
আনন্দ ক্ষণ..
একটু কথায়;
খুব অভিমান,
জল ধরা চোখ..
তুমি আমার;
রাগ ভোলা দিন,
অবিশ্বাসের দুঃখ স্মৃতি..
বিষণ্ণতার সময় শেষে;
একটু হাসি,
উচ্ছ্বসিত প্রান..
তুমি আমার
স্বপ্ন আঁকা;
তোমার চোখে
আমায় দেখা,
আমার আমি..
দিনযাপনের দুঃখ সুখেতে;
পথ হারা পথ,
স্বপ্ন চোখে আকাশ মাখা -
ভালোবাসার গান..।।
আমার কিছুই মনে নাই, মনে থাকে না
মফস্বলের নিস্তব্ধ দুপুরে যখন মহল্লার মাঠে গাছের ছায়াগুলোও অলস ভাতঘুমে আচ্ছন্ন সে সময়ে দুপুরের নিস্তব্ধতা ছিন্ন করে শোনা যেতো মাইকের শব্দ
"ভাইসব ভাইসব"
আমরা জানতাম এই শব্দ দু:সংবাদ বয়ে নিয়ে আসে।
এভাবেই মফ:স্বলের নিস্তরঙ্গ একটানা জীবনে কারো না কারো মৃত্যু সংবাদ ঘোষিত হয়, বড়রা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলতো বড় ভালো মানুষ ছিলেন, পরিবারের মহিলারা শাড়ী ঢাকা রিকশা চেপে মাইয়াত বাড়ী যেতেন সান্তনা দিতে, অনেক দিন পর একটা উপলক্ষ্য পেয়ে পুরোনো দিনের গল্পে মেতে উঠতে পারতেন তারা।
সে শহরে নতুন মানুষেরা আসতো না এমন না, প্রয়শ:ই নতুন কোনো সরকারী কর্মকর্তা আসতেন, তবে শহরের জীবনে তাদের উপস্থিতি ততটা দৃশ্যমান ছিলো না, সরকারী স্কুলের ছাত্ররা জানতো নতুন সহপাঠী এসেছে ,তাদের সাথে সামান্য বন্ধুতাও হয়ে যেতো কারো কারো, পুরোনো ছাত্রদের র্যাগিং এবং ক্ষমতার দাপট সামলে তারা কাটিয়ে দিতো আরও কয়েক বছর, তাদের বাবারা বদলি হয়ে গেলে তারাও হারিয়ে যেতো, কিন্তু মোটের উপরে শহরের গোটাকয় সরকারী যন্ত্রের সাথে সংযুক্ত মানুষের বাইরে এদের উপস্থিতি ছিলোই না কোথাও
হন্তারক
একটা গল্প শুনবে?
এটাই আপনার বিশেষ কথা? এর জন্য আমাকে এতদূর আনলেন? যুথি নির্বিকার ভঙ্গিতে কথাগুলো তারেককে বলে।
কেন নৌকায় ঘুরতে তোমার ভালো লাগে না?
তা লাগবে না কেন? খুবই ভালো লাগে। কিন্তু আপনি যে কারণে আমাকে এখানে ডেকেছেন, তা একটা পুরোন কৌশল।
তারেক একটু বিষ্মিত হয়ে যুথির দিকে তাকায়; তোমাকে নিয়ে নৌকায় ঘুরব এটার মধ্যে কৌশলের কি দেখলে তুমি?
যুথি বিজ্ঞের হাসি হাসে। “প্রেমে পড়লে ছেলেগুলো কেন যে এত বোকা হয়ে যায়, বুঝিনা। ‘ভালোবাসি’ এই কথাটা বলতে আমাকে আশুলিয়ায় আনতে হল, এটা কৌশল না?
তারেক তথমত খায়।
আপনি কিন্তু আমার ভালো প্রেমে পড়েছেন?
এভাবে বলছ কেন? তুমি পড়নি?
পড়েছি কিন্তু আপনাকে ঠিক বিশ্বাস করতে পারছি না।
তারেক যুথির দিকে আহত চোখে তাকায়। তুমি আমাকে বিশ্বাস করতে পারছ না!
মুবাইল puShT
বাংলা লেখা মহা ভেজাল। অফিসে বইসা মুবাইলে পুষ্টানু এত ভেজাল কেনু? জাতির বিবেকের কাছে আজ এই প্রশ্ন। আর কি কি লেখুম মাথা ত চুলকাইতেছ কেউ হেল্পান পিলিজ লাগে । ৫০ শব্দ না হইলে নাকি পুষ্টানু যাবেনা এমা এডা কিছু হইল? দুনিয়াতে এম্নিতেই পেরেশানির অভাব নাই তার উপ্রে এইডা আবার নতুন কুন ভেজালে পর্লাম?
ডাহুক ও রাতের মানচিত্র -১
ডাহুক, গানের পাখি – আঁধার বোরখা পরে
রাতের লাইলি ওহে কোন্ দিকে যাও?
তোমার পাখায় যদি আমার পাখনা রাখি
তোমার দু’চোখে যদি আমার দু’চোখ রাখি –
মুছে যায় বিনিদ্র রাতের ক্ষত–কবিতা কুড়িয়ে নেয়
কিশোর বোশেখ,কাঁচা পাকা আম, নানা বাড়ি–নাও।
আমার সমস্ত কথা এ কোন মোহন সুরে বাজছে ইথারে
আমার সমস্ত প্রেম গলে পড়ে সাগরে সমুদ্রে, স্মৃতির মিনারে।
ঈশ্বর, এ কেমন নিশীথ – ডাহুকের ডাক,রাতের আকাশ
নিয়তির ক্রুর চালে দীর্ণ যেন রাজা ইডিপাস।
জীবন মানে জী বাঙলা

জীবন মানে জী বাঙলা
লেগে থাকে হরদম উৎসবের হলকা
জোড়াতালি দেয়া ধামাকা।
তার ঈশ্বরদের ইশারায় যখন তখন
পালটে যায় খেলা, উলটে যায় মামলা।

জীবন মানে জী বাঙলা
নৃত্যকৌতুকগানে জমে গেল আয়না।
এখানে হিরোরাই ঘুরে দাঁড়ায়
শুভ শক্তির দেখি বিজয়।
হবে না! পাবলিক ডিমান্ডই যে আসল কথা।
জীবন মানে জী বাঙলা
শাড়ি গহনার রোশনাই রমণীর গায়
আর কূটনীতির নোংরা খেলা খেলে যায়।
এসব ভদ্র গেরস্থরা এড়িয়ে চলে
তবু দেখতে থাকে কোন এক জাদু বলে।
জীবন মানে একঘেঁয়ে জীবনে অনর্থক ঘটনার সাঁজ
ধুম্র প্যাঁচের মত যেখানে শুরু
অনেক পথ ঘুরে আবার সেখানেই আসা,
জীবন মানে খল ধরা পড়েও ধরা না যাওয়া
যেন আমেরিকার লাদেন ভুত জিঁয়ে রাখা।
জীবন মানে জী বাঙলা
জীবন থেকে বহু দূরে, জীবনের মৃদু আঁচ লয়ে
বুর্জোয়া শিল্পপতির আরতি
এছাড়া আর দেখবেই বা কী!
আটপৌড়ে ছিন্ন কাব্য?
এই মফস্বলে দিনকাল।
ঘুম আসছে না যদিও ঘুমানো জরুরী। কারন কাল সকালেই ট্রেনে করে রাজধানী বরাবর রওনা দিবো এরকমই কথা আছে। টানা দশ বারোদিন যাবত আমার দেরীতে ঘুমানোর অভ্যাস। রাতে শুয়ে শুয়ে নেটে বসে থাকি। লোকজনের ফেসবুক চর্চা দেখি। রেডিও ফুর্তিতে গান শুনি বিসিএসের পড়ায় চোখ বুলাই এইতো। রাতে টকশো দেখা হয় না মোটেও কারন আব্বু আম্মুর রুমে টিভি। খামাখা বিরক্ত করতে ভালো লাগেনা। তাই এবারের ঈদে লাইভ গানের কোনো প্রোগ্রাম দেখি নাই। আর লাইভ প্রোগ্রাম দেখেও বিনোদন নাই। শিল্পী তার মতো গান গেয়ে যাবে আর দর্শক ফোন করে বলবে ভাইয়া আমি ভুরুংগামারীর অমুক আজ আপনাকে খুব সুন্দর লাগতেছে। আপনার পছন্দ মতো একটা গান গায়েন। এখন প্রশ্ন হলো সবাই ভালো পোষাক পড়ে কড়া মেকাপ নিয়েই টিভিতে গান গায়। সেখানে সুন্দর লাগবেই তা গাটের পয়সা খরচ করে ফোন দেয়ার দরকারটা কি? আর শিল্পীদের নিজের সব গানই প্রিয় যা গায়। বেশীর ভাগ লাইভ শোর উপস্থাপক বেকুব সুন্দরী তরুনী। এদের না আছে মিউজিক সেন্স না আছে কমনসেন্স!