আইসিএসএফ কর্মশালা ২: ট্রাইবুনালের সাক্ষী-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা
১৯৭১-এ সংঘটিত আন্তর্জাতিক অপরাধসমূহের বিচারের মাধ্যমে বিচারহীনতার সংস্কৃতির নিরসন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত স্বাধীন বিশেষজ্ঞ, কর্মী এবং সংগঠনসমূহের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম (ICSF)। বাংলাদেশে বর্তমানে চলমান বিচার প্রক্রিয়াকে পর্যবেক্ষণ, অনুশীলন এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যেই এই নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠা। এসব উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল এবং এর বিভিন্ন অঙ্গসমূহকে দালিলিক, আর্কাইভ এবং গবেষণা সহায়তা প্রদান করা ছাড়াও ট্রাইবুনালের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং দফতরসমূহের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ, মতামত এবং পরামর্শ বিনিময়, এবং ক্ষেত্রবিশেষে সরাসরি পদক্ষেপ গ্রহণ এই নেটওয়ার্কের উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের অংশ। আইসিএসএফ-এর কার্যক্রম, এর প্রকল্পসমূহ, এর সাংগঠনিক ইউনিটসমূহ এবং সাংগঠনিক নীতিমালাসমূহ সম্বন্ধে আরও বিস্তারিত জানতে ঘুরে আসুন: http://icsforum.org
৫টি কবিতা
এপিটাফ
অনুভূতিহীন এই নগরে
আমি পতনের শব্দ শুনতে শুনতে ক্লান্ত
তাই দৃশ্যের দর্শক না হয়ে,
রোদের মধ্যে মিশে গেছি
হয়ে গেছি রাতের চিত্রকল্প।
দ্যাখো তো আমাকে দেখতে পারো কি না
সিগারেট
অন্ধকারের করতালিতে তোর মুখের ছায়া কখন লাফিয়ে উঠে
সেই ভয়ে আমি সিগারেট পাশে রাখি,
সিগারেটে আগুন ধরিয়ে তোর ঘাতক ছায়াকে ভয় দেখাই
যতোবার তোর মুখের ছায়া উদয় হয় আমি একটা সিগারেট জ্বালাই!
সিগারেট শেষ হয়। সিগারেটের প্যাকেট হৃদয়ের মতো হয়ে যায়
সিগারেট পুড়ে, কলিজা পুড়ে, তোর মুখের ছায়া তবু পোড়ে না।
গোপন
তোমার গোপন দাগ
রোজ দেখে স্নানের জল।
তাহলে গোপন রইলো কিভাবে?
চে’ গুয়েভারা
আমাকে পথ দেখাতে হবে না
কোন পথে যেতে হবে আমি জানি,
আমার পথ দেখিয়ে দিয়ে গেছেন চে’ গুয়েভারা।
প্রস্থান
ঢাক পিটিয়ে, শঙ্খ বাজিয়ে নয়
রোদের ব্যানারে ঘোষণা দিয়ে নয়,
খুব নিভৃতে ঝরা পাতার মতো
ঝরে পড়বে ক্ষুদ্র একটি পাতা,
যে পাতা অনেক কষ্ট করে ঝড়ের মোকাবেলা করতো,
বিশ্বাস আর স্বপ্ন ছাড়া তার আর কোন অস্ত্র ছিলো না।
জঙ্গলে স্থিত
বলো কারে জিজ্ঞেস করি
ব্যস্ততা,ঘাসের সস্তা উথ্থানের কারণ
বাকল আকলে মোড়ানো বিবিধ ধাতুর জিহ্বা
লকলকে লাউডগা চারকোণ আবরণ।
অন্ন' এই শব্দ সাঁকোমুখী মুখ
দেহ,হাত,নখ,সুখ বিপরীত সুখ
সকল সাবালক স্মৃতিযূথ দেহের আহার।
উচ্চতা টলমলে পা', পাদুকাভাস নদীস্রোত খরতা
নদী কি আলাপমাখা সমতার তীর ছুঁড়েছিল?
চিলচোখ কৌতুহল,কৌতুককোণ সম্পর্ক উচাটন
পঁচা মাংসের 'পর জমানো বিয়োগ বারতা।
পার হওয়া চিহ্নস্মৃতি আদানের উপ্
খুলে খুলে লোহা,কাঠ,আলকাতরা
এরপর যাবে না বোঝা নৌকা,নদীজল
ভেসে ছিল,তুমি ছিলে অতীতের পেটে পীঠে আস্ত মমতা।
স্বীকার ও শিকার দ্বৈত দীনহীন দীক্ষার তসবিহ্
নয়ে নয় পার হয়ে সংখ্যাতত্ত্ব ধাবমান
তুমি হবে না পার বোলেই তিনতারের জঙ্গলে স্থিত অপার।
ঈদের বার্তা
ধর্ম আটকে গেছে পুঁথির সাধু ভাষায় - হৃদয়গুলো পড়েছে ঢাকা পোশাকি আদিখ্যেতায় - সুউচ্চ মিনার আছে - আছে শোভিত মিম্বর আর দুর্লভ টাইলস - মখমলি জায়নামাজে আছে প্রার্থনারত মাথা - তবুও অপারগ ওই বিধাতা - ভুল ফ্রিকোয়েন্সিতে আহবান - চতুষ্পদের প্রমাণ আকারে অদৃষ্টকে সন্ধান - জানি - সব প্রহসন - নিরেট অতিশায়ন - তবুও তো এসেছে ঈদ - তাই বাত্যয় খুঁজি - চেনা অচেনা হৃদয়ের কাছে - ঈদের বার্তা বলি.
জড়ভরত কড়চা
বড় বিপদের কথা...মরে যাওয়া মানে পৃথিবী থেকে পুরাই বিচ্যুতি। এমনকি মরে যাওয়া মানে নিজের দেহের উপরও অধিকার হারানো। কয়দিন আগে হুমায়ূন আহমেদ কোথায় দাফিত হতে চেয়েছিলেন সেটা নিয়ে তুলকালাম। এবার সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের দেহ দান করার অন্তিম ইচ্ছেটাকেই দাহ করলেন তার পরিবার। ভবিষ্যতে পছন্দের কবরস্থানে গিয়ে নিজেই জিন্দা কবর কিংবা হাসপাতালে গিয়ে জিন্দা দেহ সমর্পণ ছাড়া উপায় নাই
নাই তারেক মাসুদ, নাই হুমায়ূন আহমেদ, নাই সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। তারেক মাসুদের সাতচল্লিশের দেশভাগের উপর ‘কাগজের ফুল’ আর বঙ্গভঙ্গ নিয়ে ছবি দুটি হওয়া দরকার ছিল; হুমায়ূন আহমেদের হাত দিয়ে ‘দেয়াল’ কিংবা সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের রামায়ণ নিয়ে উপন্যাসও পুরো শেষ হওয়া দরকার ছিল। শুধু এই কয়েকটা কাজ শেষ হলে আমাদের আত্ম-উউপলব্ধি অনেকটুকু সমৃদ্ধ হতে পারতো, যারা করতে পারতেন তারা চলে গেলেন, আমার মত ২৫ কোটি বাঙ্গালী দিব্যি বেঁচে রইলো শুধু সংখ্যা হিসেবে
কোরবানীর মেহেরবানী!
এন্ড্রয়েডে মায়াবী বাংলা কিবোর্ড দিয়ে পোষ্ট আগে কেউ লিখছে কিনা তা আমার জানা নাই। এই জটিল ঝামেলা পুর্ন কাজে চায়নিজের মালের উপরে আস্থা রাখলাম কি আর করা। তবে টাচে লিখতে আমার কাছে সবসময় ভেজাল লাগে তাও মনে হলো শুয়েই তো আছি লিখে ফেলি হাবিজাবি। আর আমার নোকিয়া সি টুতে টাকা নাই থাকলে সেটা দিয়েই লিখতাম এতো টাচের গেন্জামে যায় কে?
তার আর উপায় ছিল না
আজ পিছনে তাকালে কেন কুয়াশা নামে চোখে
আজ আমার সানগ্লাসের কাঁচ ঝাপসা হয়ে আসে।
কোথায় সেই চির দামিনী, চঞ্চলা, চপলা
বিপুলা উৎসাহী, উদ্যমী, কর্ম-প্রাণ ভোমরা
কোথায় সেই অত্যাচারিনী, অবিচারিনী, আমার ত্রাতা?
তার মলিন চেহারায় যেন রাজ্যের যত ক্লান্তি ছাপা!
পিছনে তাকিয়ে কেন বুকে কাঁপন এত
অথচ আজো সে আবেগে ব্যথিত
মুখে যদিও থাকেনা উত্তর চোখেতে জল সদা উত্থিত
হাওয়া দিলেই ভাসে বাড়িঘর বাঁধভাঙা বানে।
তার বানী কেন আজ এত বাজে কানে!
যে এককালে ঘুমাত গভীর স্বপনে দিবায়
আজ নির্ঘুম নিঃঝুম রজনী কাটায়।
দুগ্ধবতী গাভী তিলে তিলে সব দিয়ে
শেষে এই বললি 'চলে যা পালিয়ে'!
এছাড়া তার আর কিবা উপায় ছিল।
এক দেশে সংখ্যালঘু সারা পৃথিবীতেও তাই
তবু নিজ ভুমে অবমাননা সহ্য করা দায়।
এক বিদেশিনী মেয়ে এবং এক বাংলাদেশী ছেলের গল্প ।

প্রেমিক-প্রেমিকার ভালবাসার গল্প বিভিন্ন রকম হতে পারে । যদি মেয়েটি হয় বিদেশিনী এবং ছেলেটি হয় বাংলাদেশি ।
কাছে আসবে আসবে বলে আর আসতে পারলনা......
এভাবে আমি একটু কল্পনা করেছি আর কিছুই নয় ।
****************************************************************************
রিহানের সাথে মেয়েটির পরিচয় হয়েছিল একটি চ্যাট সাইটে । মেয়েটির নামছিল টিউলিপ পার্কার । অভাক হবার কারণ নেই । মেয়েটি বাংলাদেশি ছিলনা মেয়েটি ছিল বিদেশিনী ।
টিউলিপের দেশ ছিল ফ্রান্স ।
চ্যাটে ওরা দুজন অনেক কথা বলত । একদিন রিহান টিউলিপকে বলল, আমরাতো এখানে সবসময় চ্যাট করি এবার এসো ফেসবুকে চ্যাট করি এতে আমাদের দুজনেরই সুবিধা হবে।
টিউলিপ কোন আপত্তি না করে লক্ষি মেয়ের মত রাজি হয়ে গেল । এভাবে ফেসবুকেও ওরা অনেক কথা বলত । টিউলিপ রিহানকে একবার বলেবসে আমরা কেন ইয়াহু মেসেঞ্জারে চ্যাট করছিনা ? এটা দিয়ে আমরাতো ভয়েস চ্যাট করতে পারি ।
এনাদ্দার অতীন্দ্রীয় প্রতুত্তরাধুনিক কাইব্য
ভুমিকাঃ- শিলাজিতভাইয়ে কৈয়া গেসিলেং,
শুনো ঠিক শুরুরয়াগে ভুমিকাটা জমিয়ে বলি
যদিউ অনেক বলার্তবুও অনেক্কমিয়ে বলি............ ইত্যাদি ইত্যাদি লৈয়েই আমগোর আইজকার ইত্যাদি.........
তো যেইটা কইতেছিলাম, প্রাচীন যুগে এক্ষান ইয়ে লিক্সিলাম। ইয়ে মাইনে আসলে সেইযে, লুগজনে যেইটারে কবিতা কয় সেডিই লিক্সিলাম আর কি। মাইনশে এই কবিতা সেই কবিতা লেখে। আমি লিক্সিলাম উত্তরাদুনিকেরো পরের্ভার্সনের কাইব্য। নিজের পের্শংসা নিজেরে কর্তে না কৈরা গেসেন মুরুব্বারা। মাগার বাট লেকিন নিজের ঢুল আবার্ফের নিজেরেই বাজাইতে কইয়া গেসেন মুরুব্বারাই। তাই কি আর করা, আমার্সেই কাইব্য মাশাল্লা খুবেক্টা খ্রাপয়নাই। সেই দুর্দুর থিকা লুগজনে ফুন্দিয়া, চিডি দিয়া পের্সংসা কর্ছিলো। তাই যারে বলে ইন্সপিয়ার্ড হৈয়া আবারো কাইব্য জগতের্খাতাত নিজের নাম লিখাইতে চইলা আইলাম এনাদার অতীন্দ্রীয় প্রতুত্তরাধুনিক কাইব্য লৈয়া। শুইনা কৈয়েঙ্গো, কেরাম হৈলো
এনাদার অতীন্দ্রীয় প্রতুত্তরাধুনিক কাইব্য
ওওই দেখা যায় যাত্রাবাড়ী ওওই যে ফেলাই ওভার
টেরাক ভৈরা গরু আইয়া বাড়াইয়া দিসে পেশার।
পেশার মামা পেশার মামা থাকো তুমি কৈ?
কষ্ট ও বেদনার কাব্য
কাল শ্রাবণের জন্মদিন। গত ৩ বছর ঠিক রাত ১২ টায় শ্রাবণের ফোনে একটি কল আসতো , কোন আকাঙ্খা ছাড়া।
ওপাশ থেকে বলতো শুভ জন্মদিন পাখি । আমার বিল্লি একবার মিউ বল, মিউ বললে তোমাকে অনেক কিউট লাগে।
শ্রাবণ বলতো কি যে বলনা তুমি, আজ আমার জন্মদিন তাই বলে কি আমি শিশু হয়ে গেছি নাকি?
না, পাখি শুধু আজ না, তুমি আমার কাছে সবসময়ই শিশু।
কাল তোমার জন্মদিন উপলক্ষে আমরা সারাদিন ঘুরবো।
আচ্ছা।
পাখি তোমার গিফটটা কি পছন্দ হয়েছে?
হ্যা, অনেক সুন্দর ।
দেখতে হবে না, কে কিনেছে? তুমি কিন্তু কাল ওইটা পরে বের হবে। আর আমি পরবো সবুজ শাড়ী। তোমার সাথে মিলিয়ে ।
আচ্ছা।
ওই তোমার কি খুব দাম বাড়ছে নাকি? গুনে গুনে কথা বলছো ?
কই না তো । তুমি বলছো তাই আমি কম বলছি ।
আচ্ছা যা ই হোক, তোমার জন্য তোমার পছন্দের গরুর গোস আর খিচুরি রান্না করে পাঠিয়েছি , পেয়েছো ? গোস্তে ঝাল একটু বেশি দিয়েছি, খেয়ে নিও, আর খাওয়া শেষে আমাকে কল কোরো । তাহলে এখন রাখি পাখিটা ।
আচ্ছা ঠিক আছে, আমি খেয়েই তোমাকে কল করবো ।
ছয় ছয় তিন
..............................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
মাঝে মাঝে আমার ভীষন ইচ্ছে করে
সমগ্র অনুভুতিগূলোকে মাটি চাপা দেই।
চলতি পথে মোড়ের অবহেলিত
ল্যাম্পোস্টের নিচে
কিংবা ঝুল বারান্দার কার্ণিশে
পায়ে ভেঙ্গে উঠা সিঁড়ির গাঁয়ে
লেপ্টে থাকা অনুভূতিগুলো
আমায় দেখে মুচকি হাসে
অনুভুতিগুলো তোমার টু –পয়েন্ট পিস্তলের
গুলির গল্পের মতো
দাগ দিয়ে যায় হৃদয়ের অভ্যন্তরে।
অনুভুতিগুলো অতন্দ্র প্রহরির মতো
দাঁড়িয়ে থাকে মধুমিতা কিংবা
জসিম উদ্দিন রোডের মাথায়
কিংবা ব্যস্ত শহরের সর্বত্র ।
ফিনফিনে অনুভূতিরা নিঃশব্দে হেটে বেড়ায়
বসুন্ধরা কিংবা কর্ণফুলি গার্ডেন সিটির ফুড কোর্টে।
শহরের অলিতে গলিতে কিংবা
অবেলা নবান্ন
সোনালি আলোর ক্লান্ত মিছিল
ধবল বক কিছু গাঙচিল
কুয়াশারা দলবেঁধে পর্দা আঁকে
যৌবনা ধানক্ষেত হেমন্ত বাঁকে।
সুনীলের জন্য মন খারাপ
১. লীসা আমাদের বন্ধু, তখন আমরা স্বনন নামে একটা আবৃত্তি সংগঠন করি। রূপাদি আমাদের আবৃত্তি গুরু, কিন্তু রিয়ার্সাল করতাম শাহাজাহানপুরের লিসাদের বাসায়। ইউনিভার্সিটিতে পড়ি, একদিন রিয়ার্সালে যাওয়ার আগে শাহবাগ থেকে কিনলাম সুনীলের তিন সমুদ্র সাতাশ নদী।
লীসা বইটি নিয়ে লিখলো
মাসুম ভাইয়াকে,
অনেক অনেক শুভেচ্ছা
-লীসা
তারপর বইটি নিয়ে তুষার লিখলো নিজের নাম। এরপর দুই বোন মিষ্টি ও টুম্পা লিখলো তাদের নাম। আমাদের সঙ্গে আবৃত্তি করতো অদিতী, অদিতীর মা, মানে খালাম্মা হয়তো আমাদের বিশ্বাস করতেন না, তাই সঙ্গে বুয়াকে দিয়ে দিতেন, তাই তুষার লিখলো অদিতীর বুয়ার নাম, নান্টু দা লিখে দিলেন রূপাদির জামাই চক্রেস ঘোষ ও সেই সময়ে হিট নায়িকা অঞ্জু ঘোষের নাম।
৮৮ সালের সেই বইটা এখনও আছে। এক নতুন ধরণের ট্রাভেলগ লিখতেন সুনীল। মূলত তার আমেরিকায় যাওয়া নিয়ে বইটি।
এরপরে সুনীলে আবার ডুব দেই ছবির দেশে কবিতার দেশে বইটি নিয়ে। আমার প্যারিস যাওয়ার স্বপ্ন দেখায় বইটি। বইটি পড়ে মনে হয়েছিল প্যারিস আমাকে একবার যেতেই হবে। অনেক বছর পড়ে যখন প্যারিস যাই সঙ্গী ছিল সুনীলের ছবির দেশে কবিতার দেশে।
সেই সুনীল নেই
২.
বিদায়, হে নিঃসঙ্গ সম্রাট!
:'(
সারাদিন এত্ত কিছু নিয়ে বকবক করি। একেকজন প্রিয় লেখক চলে যান,
একটা কথাও খুঁজে পাইনা বলার মত!
হেমন্ত..সাগর..মান্না দে..সতীনাথ..সত্যজিত্..সুকুমার..বিমল..শীর্ষেন্দু..সুনীল..রমাপদ..
কিছু নাম আর শুধু নাম নেই..আমার আমিত্বের অংশ হয়ে বসে আছে।
হুমায়ূন নেই,
এটাই এখনও পুরোপুরি মেনে নিতে পারি না।
সুনীলও চলে গেলেন।
আমার ছেলেবেলার কাকাবাবুর সুনীল।
আমার বেড়ে উঠার দিনে
একা এবং কয়েকজনের সূর্যের সুনীল।
রবিবুড়ো কে আরো আপন বানিয়ে দেয়া
প্রথম আলোর সুনীল।
বিমলের পর ইতিহাসে আগ্রহজাগানিয়া
সেই সময় আর পুর্ব পশ্চিমের সুনীল।
হিমুর ভাবগুরু নিলুর নীললোহিতের সুনীল।
ছবির দেশে কবিতার দেশে, প্রিয় মার্গারিটের সুনীল।
অথচ আবারও -
কিছুই বলার নেই..! :'(
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধাঞ্জলি
শুধু কবিতার জন্য এই জয়,
শুধু কবিতার জন্য কিছু খেলা,
শুধু কবিতার জন্য একা হিম সন্ধ্যেবেলা ভুবন পেরিয়ে আসা,
শুধু কবিতার জন্য অপলক মুখশ্রীর শান্তি এক ঝলক,
শুধু কবিতার জন্য তুমি নারী,
শুধু কবিতার জন্য এত রক্তপাত, মেঘের গাঙ্গেয় প্রপাত
শুধু কবিতার জন্য দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে লোভ হয়,
মানুষের মতো ক্ষোভময় বেঁচে থাকা,
শুধু কবিতার জন্য আমি অমরত্ব তাচ্ছিল্য করেছি ।।
তাঁর অনেক লেখার মাঝে এই লেখাটি কেন যেন আজ হৃদয়ে কড়া নাড়ছে প্রবলভাবে । কি অপরূপভাবে অমরত্বকে তাচ্ছিল্য করেও এই মহান পুরুষ অমর হয়ে রইলেন আমাদের হৃদয়ে । আর লিখতে পারছি না । হাত চলছে না !!!
(
(