সত্য
ওই তুই ভালোবাসার অর্থ বুঝিস ?
একবেলা ওয়েস্টার্ন গ্রিলে খাইলে
আর আই লাভ ইউ পাখি বললেই
ভালোবাসা হয় না ।
ভালবাসতে মন লাগে,
মনেতে তৃতীয় চক্ষু লাগে,
বৃষ্টির রাতে হাতে হাত রেখে হাঁটা লাগে,
ভ্যালেন্টাইনের ভোঁরে একগুচ্ছ গোলাপ দিয়ে অবাক করা লাগে ।
মন যদি থাকে আপন সিদ্ধান্তে দুর্বল,
হৃদয়ে যদি রাখিস অন্যকারো ভালোবাসা প্রবল,
তাহলে তো লোকে বলবেই
ধুরো শালী ভালোবেসেছিলি কোন বাল !
পিতা বড়ই আজব প্রাণী
না হারালে বুঝবি না,
নিজেকে নিজের ঘেন্না হবে
যেদিন তোর কারনে বটগাছটা থাকবে না ।
মায়ের পা'এর নিচে জান্নাত
এ কথা কভু ভুলিস না,
স্বর্গে গিয়েও সুখ পাবিনা
যদি কষ্ট পায় মা ।
সখি আমি দিয়েছলেম তোকে
এক মুহূর্তের সুখের সাথে তিন প্রহরের ভালোবাসা,
হয়তো সেটুকু যথেষ্ট ছিলনা
কাটাতে তোর বাবা-মা'র হতাশা ।
তালগাছ
চক্কুনি মাছ। তাল গাছের পাতার ফাঁকে ফাঁকে ভেসে উঠছে। পানির মৃদু নড়ন। তালগাছটার বয়স খুব একটা হয়নি। এতেই ঝুকে পড়েছে। বয়সের ভারে ঝুকে পড়াটা হয়তো স্বাভাবিক ছিলো। তার জন্মটাই হয়েছিলো ভুল জায়গায়। পুকুরের পাড় ঘেষে বেড়ে উঠেছিলো। পুকুরের পাড়গুলোও কেমন যেনো ভেঙ্গে পড়ে বৃষ্টি-বাদলে। আপ্রান চেষ্টা ছিলো পাড়টাকে আকঁড়ে ধরার। ধরেছেও। নিজের ভারটা তো আর আকড়ে ধরা যায়না। নুয়ে পড়তে পড়তে এখন পুকুরের পানির সাথে বসবাস। তারপরও গাছের আগাটা জিইয়ে রেখেছে। বাচার শখ। উঁকি দিয়ে আছে উপরের দিকে।
এই গাছে কত কাল লাফিয়ে লাফিয়ে পড়েছে কতো রথি মহারথিগণ। যারা কিনা কোন এক কালে এই গাছের উপর ভর করেই পানিতে ডিগবাজি খেতো। বাড়ির নতুন বধু থেকে শুরু করে স্কুলে যাওয়া হাফপ্যান্ট পড়া মেয়েটাও এই গাছটাতে ভর করে পানিতে পা ভিজিয়েছে। আলমের ১নং পঁচা সাবানের যুগে সে মোটামুটি আধ্মরা। কাপড় কাচার যন্ত্রনায়।
আমাদের ঐতিহ্যময় শিক্ষাব্যবস্থা
অ্যান জেরাল্ডাইন স্টক ১৯৪৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগে যোগ দেন। তিনি যে সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন সে সময়ে পাকিস্তান রাষ্ট্রের ভবিষ্যত দার্শণিক সংকটগুলোর চারা জন্মাচ্ছে আমলাতন্ত্রে, সেই চারা পরবর্তীতে শেকড়ে বাকলে বেড়ে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের ভাবনার সাথে এতটাই সাংঘর্ষিক হয়ে যায় পরিণতিতে পাকিস্তান রাষ্ট্র মৃত্যুবরণ করে। এ জি স্টকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সময়কালীন স্মৃতিকথা মুলত গোরখননের দিনলিপি। মোবাশ্বেরা খানমের অনুবাদ যথার্থই অনুবাদ কখনও তিনি পাঠককে এ সত্য বিস্মৃত হতে দেন না। মূলানুগ আক্ষরিক অনুবাদ সম্ভবত তার প্রাক্তন শিক্ষিকার প্রতি তার নৈবদ্য কিন্তু তার শিক্ষিকার রচনায় যেটুকু কাব্যময়তা ছিলো তা সুনিপূন হাতে হত্যা করে তিনি সবটুকুই গদ্যায়িত করতে পেরেছেন। ফলে বর্ণনায় এক ধরণের আখের ছোবরা চোষার অনুভুতি পাওয়া যায়। তবে একজন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, একজন পাঠ্যক্রম নির্দেশনার দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক এবং একই সাথে তার অতীত কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার নির্যাস থেকে তিনি বাংলাদেশ কিংবা সার্বজনিন শিক্ষাক্রম, শিক্ষার্থী এবং পরীক্ষা বিষয়ে যে মন্তব্য করেছেন সেটার খোঁচা অস্বীকার করতে পারলাম না। ব
দেশের স্বার্থে আরও একবার আমরা...!!
জাগো বাঙালি জাগো !!
••• একটু লক্ষ্য করুন •••
জামদানি শাড়ি, নকশীকাঁথা এবং ফজলি আম এখন আর আমাদের ঐতিহ্যের অংশ নেই, কারণ ভারত ইতিমধ্যে এই সকল পণ্যের আন্তর্জাতিক স্বত্ব নিয়ে নিয়েছে। এই পণ্যগুলো বিশ্বে এখন ভারতীয় পণ্য হিসেবে পরিচিতি পাবে। তারা স্বত্ব করে নিলেও আমরা জানি এগুলা আমাদের পণ্য, আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। এখন তারা ইলিশের স্বত্ব নেবার চেষ্টা করতেছে। যেটা আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এই মুহূর্তে আমাদের কৃষি, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যতম কাজ হচ্ছে আমাদের দেশিয় পণ্যগুলো চিহ্নিত করা এবং তা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থার ‘Geographical Indicator (GL)’ আইনের অধীনে নিবন্ধন করা। এ সকল পণ্যের মধ্যে রয়েছে ঢাকার ‘জামদানি শাড়ি’, ফরিদপুরের ‘নকশীকাঁথা’,
চাঁদপুরের ‘ইলিশ’, রাজশাহীর ‘ফজলি আম’, বগুড়ার ‘দধি’, সুন্দরবনের ‘মধু’ সহ আরও অনেক পণ্য।
************************
মনে রাখবেন, আমাদের ঐতিহ্যকে আমাদেরই বাঁচাতে হবে। আমাদের দেশ আমাদেরকেই রক্ষা করতে হবে। বাইরের দেশের কেউ এসে রক্ষা করে দিয়ে যাবে না।
দেশের স্বার্থে একাত্ম হোন...
রোহিঙ্গা সমস্যা এবং রামু সহিংসতা....
কক্সবাজারের রামু, উখিয়া, টেকনাফ চটৃগ্রামের পটিয়া ও পাশ্ববর্তী অন্যান্য এলাকায় সংখ্যালঘু সাম্প্রদায়ের উপর সংঘটিত নাশকতা বিষয়ে কিছু বলবার আগে বার্মা, আরকানের ইতিহাস থেকে সামান্য আলোকপাত করতে চাই।
সভ্যতার শুরু থেকে এ পৃথিবীতে যত যুদ্ধ-বিগ্রহ ঘটেছে, তার অধিকাংশই ছিল ধর্ম যুদ্ধ (অথবা অন্য কোন বিষয় নিয়ে দ্বন্ধ শুরু হলেও, শেষ পর্যন্ত তা ধর্ম যুদ্ধের রূপ নিত)। আদিতে ধর্মীয় যুদ্ধ এমনি নৃসংশ রূপ নিত যা বাঘ-হায়েনা-শকুন এর শিকারকালীন সময়ে কিছুটা বুঝা যায়। সভ্যতার উন্নতির কারণে বর্তমান আগ্রাসনের যুদ্ধ, দেশ দখলের যুদ্ধ ধর্ম যুদ্ধের মত এতটা নৃসংশ হয়তো হয় না, এত মানুষও মারা যায় না, তবে যুদ্ধের উপকরণ (বিশেষ করে গোলাবারুদ) বেড়ে যাওয়ায় সম্পদের ক্ষতি, আহতের সংখ্যা পূর্বতন ধর্মীয় যুদ্ধের চেয়ে বেশী হয়। ধর্ম যুদ্ধ হোক আর আগ্রাসনের অথবা অন্য কোন যুদ্ধ হোক, কোন যুদ্ধই মানুষ চায় না। তবে হিসাব করে দেখা গেছে, সব ধর্মীয় যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা অন্য সব যুদ্ধে নিহতের সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশী এবং প্রায় সব যুদ্ধের সুত্রপাত তুচ্ছ বিষয় নিয়ে।
শেষ প্রশ্ন

আমি এদেশেতেই মরতে চাই।
কেউ ডিভি নিয়ে যায়
কেউ মাইগ্রেশানে দাঁড়ায়
কেউ শিক্ষা নিয়ে চিরতরে যায়।
কেউ বিদেশিনী পানিপ্রার্থী
কেউ বিয়ে করে বাঙালি বিদেশী।
আমি তো তাদের মত নই!
আমার কোন এক বন্ধু বলেছে
'হবেনা কিচ্ছু আর এদেশে'
কোন এক ভাই ভারত ভাগার প্রাক্কালে বলেছে
'মর নরকে'।
আমি কি তাদের চোখে পথ দেখি?
ভাঙা পথের ধুলো মনে জড়িয়ে
বাড়ি ফিরতে পেরেই খুশি আমি।
আমি যে তাদের মত অস্তে যাওয়া গোধুলীর আলপনায় জীবনকে দেখিনি
দেখেছি ক্ষুদার্থ ভিখাড়ির ভাতের থালায় জীবনের আনন্দ।
আমি এদেশেতেই মরতে চাই।
মুনিরের মত গাড়ি দুর্ঘটনায়
অথবা মলম পার্টির মলমে
ছিনতাইকারির ছুড়িতে যদিও না হয়
ডেঙ্গু কিংবা ম্যালেরিয়ার একটা মশার কামড়ে
বার্ড ফ্লু কিংবা সোয়াইন ফ্লুর মাংস খেয়ে
বাজারে পেঁয়াজের দাম শুনে হার্টএটাকে
ক্যান্সারে অথবা রাস্তায় পড়ে থাকা ইলেক্ট্রিকের তারে
অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ে মারামারির কালে ক্রসফায়ারে,
ঢাকার যানজট সমস্যা ও এর সমাধান...
আমরা ঢাকা বাসী। আর আমরা যারা ঢাকা থাকি তারা ঢাকার অসহনীয় ও অমানুষিক যানজট এর সাথে অতি পরিচিত। আমাদের এই যানজট এর কারনে আমাদের যে কত প্রকার কষ্ট এবং ত্যাগ স্বীকার করতে হয় তা আমাদের কারোরই অজানা না। কিন্তু এর কি কোন সমাধান নেই...?? নাকি কেও এর সমাধান করার চেষ্টা করে নি...?? হ্যাঁ এর সমাধান ছিল। কি ছিল...?? আমার উত্তর একটাই BRT.
আপনারা অনেকেই হয়ত জানেন না যে BRT কি। BRT= Bus Rapid Transit. আমাদের দেশে যানজট নিরসনের জন্য ২০০৫ এ সালে ২০ বছর মেয়াদি যানজট নিরসন এর প্রক্রিয়া বিশেষজ্ঞরা পেশ করেন সরকারের কাছে। আর সেই সেই পেশ কৃত রিপোর্ট এ এক নাম্বার সুপারিশ ছিল এই BRT.
বিজয় পথে যাও অনাদিকাল!
চে সাহেবরে ধারনা করি প্রথম দেখছিলাম খুলনায়। তখন আমি বালক। তাই বালক সুলভ ইসলামের চেতনা টনটনে। গেঞ্জীতে মানুষের ছবি দেখে মেজাজ খারাপ হইছিলো। বন্ধুরে জিগেষ করছিলাম এই লোক কে? সে কইলো র্যাম্বোর মতো শক্তিশালী হলিউডের নায়ক। আমি সরল বিশ্বাসে তা মেনে নিয়েই দিন পার করছি। চিটাগাংয়ে থাকতে জানলাম চে র কথা। চে কি করে?
শুধু চোখ দু'টো জেগে থাকে
১.
প্রিয় হুমায়ূন আহমেদকে ভালোবাসি। তার মায়াবী সান্নিধ্যে জীবনের সেই গুরুত্বপূর্ণ সময়টি কেটেছে, যেটি কাটাতে আমি পাড়ি দিয়ে এসেছিলাম ৪.৫৪ বিলিয়ন বছরের পথ।
অনেক ছোট্টবেলার কথা। আম্মু একবার জন্মদিনে আমাকে গল্পের বই কিনে দেয়ার জন্য নিয়ে গেলেন লাকী প্লাজার দোতলায়। একটা বিখ্যাত বইয়ের দোকানে। দোকানের নামটা মনে পড়ছে না, কিন্তু খুবই পরিচিত একটা দোকান ওটা। সেখানে গিয়ে আম্মু আমাকে ভূত ভূতং ভূতৌ নামের একটা 'মাঝারি' গল্পের বই কিনে দিলেন। শৈশবে আব্বু-আম্মু দু'জনেই আমাকে গল্পের বই কিনে দিতেন।
দ্বিধা
তাকিয়ে থাকি ওই সূদুর নীলিমায়,
যেথায় থাকে মোর সুন্দরিতমা;
বৃষ্টি হয়ে ঝরে পরে আমার শরীরে
কোন এক সূদুরতমা ।
ভেবনা সুন্দরীতমা,
তোমায় আমি ভাংবো না,
কাঁদাবো না কক্ষনো
দেবোনা হতে টুকরো টুকরো ।
রাখবো যতনে একান্তে আপনে,
হয়তো নদীর মোহনায় অথবা আকাশের সীমানায়,
নয়তো পাহাড়ের গুহায় অথবা সমুদ্রের বালুকাবেলায়,
থাকবে সেথায় দেবী হয়ে ।
লুকিয়ে রেখেছি নীলয়ের ভিতর,
কেউ পাবেনা দেবীর খবর;
কারন যেদিন বলবো ভালবাসি হে সূদুরতমা,
সেদিন সবাই দেখবে আমার বাসর ।
সুখী দেশের সুখী নাগরিক
সকাল ৬ টায় ঘুম থেকে উঠিয়া কোনরকমে গোসল সারিয়া, ৮টার মধ্যে অফিসে ঢুকি, তারপর আমার আর আমার মস্তিস্কের উপর দিয়ে কি যায় তা আমি বিনে কেউ জানেনা, এরপর বাসায় ফিরি রাত ৮ টায়। তখন মাথা উচু করে রাখার শক্তি থাকেনা, তারপর ফ্রেশ হওয়া, বাজার করা, রাতের খাবারের ব্যাবস্থা করা, কালকের কাজগুলো কিভাবে করা যেতে পারে তা নিয়ে ভাবা, প্রগ্রামিং এর বইনিয়ে বসা, দুই ঘন্টা ঘামে ভিজে যাওয়া, তারপর হঠাত ঘড়িতে দেখি রাত ১২:৩০ বাজে, সাথে সাথে প্রেমিকার ফোন তার সাথে ঘন্টা খানেক কথা বলা, তারপর নিজের মনের শান্তির জন্য পড়া, হঠাত দেখি ভোর ৩:৩০ । আর ঠিক তখনই মনে পরে যায় আমার হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসার কথা, যাকে আমি হারিয়েছিলাম আমার টাকা পয়সা নাই, আর গায়ের রং কালো বলে । পুরোনো সুখ স্মৃতি স্মরণ করতে করতেই সকাল ৫:৩০ বাজে । তখন হঠাত ঘড়ি দেখে মনে হয় উফ কাল সকালে আবার অফিস । ঘুমাই আবার উঠেই অফিসে !!! এই হচ্ছে আমার মত একজন নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের দৈনন্দিন জীবন। আমি জানি আমার মত এমন বা এর চেয়েও খারাপ অবস্থা এ দেশের অধিকাংশ মানুষের, তারপরও নাকি আমাদের দেশ বিশ্বের ১১ তম সুখী দেশ?
ডুবে ডুবে প্রেম
সাদাসিধা এক ছেলে ভাব লজ্জিত,
মেয়েদের দেখে যেনো অতিশয় ভীত,
সমুখেতে মেয়ে দেখে পিছে হাঁটা দিতো।
বন্ধুরা কতো নামে করে অভিহিত,
দেয়নাকো সেই ছেলে কোন জবাব-ই-তো,
হয়নাকো কোনরূপে কিছু প্রভাবিত!
কেউ বলে গেঁয়ো তাই নয় বিকশিত,
আরো নানা সন্দেহে হয় উপনীত,
সেই ছেলে তাতে যদি ভ্রূক্ষেপ দিতো!
একদিন ম্যাগাজিনে হয় প্রকাশিত,
ছেলেটার একখানা লেখা সচরিত,
কবিতার ভাঁজে ভাঁজে প্রেম বিগলিত।
সাদামাটা ছেলে শেষে হাতেনাতে ধৃত,
ডুবে ডুবে একদম প্রেমে নিবেদিত,
কবিতার ভাষা তার, অগ্নিতে ঘৃত।।
ধারাবাহিক রম্য নাটিকা--'অকার্যকর গণতন্ত্রঃ পশুদের বিচার'
যখন কমরেটদের হাতে লেখা পোষ্টার, আঁঠা আর হারিকেন নিয়ে অন্ধকারে আলোর খুঁজে বের হতাম, বিশ্ব বেহায়া এরশাদের ভূয়া গণতন্ত্রের পাছায় লাথ্থি মারতাম আর শ্লোগান করতাম, তখন আমার বিদ্যার জোর ৬ষ্ঠ কি ৭ম শ্রেণী হবে। কিন্তু গান, কবিতা, নাটক আর বই নিয়ে শ্রেণী সংগ্রামের আন্দোলনে ছিলাম বয়সের তুলনায় খানিকটা এগিয়ে। সেই সময়ের রাজনীতিবিদদের নিয়ে রচনা করেছিলাম হাসির নাটক ‘পশুদের বিচার’। নাটকের আবেদন মনে হয়, বর্তমানে আরো বাড়ছে। এখনো অপরাধ ধরা পড়ে না, পড়লেও বিচার হয় না।
পড়ুন, ভাবুন--এ দেশের বিচার ব্যবস্থা ছোটদের ধারাবাহিক রম্য নাটিকা 'অকার্যকর গণতন্ত্রঃ পশুদের বিচার' এর মত কিনা।
পূর্ব প্রকাশিতের পর--(শেষ পর্ব)
(পরের দিন-দরবারে হৈচৈ,
হাতির প্রবেশ)
স্টপ্, স্টপ্, স্টপ্
সবাই কর চুপ্
সেনাপতি আজ কোথায়
ময়ূর বলে, আজ ছোট হুজুরের
প্রথম বধূর বিদায়।
জাঁহাপনা, মনুষ্যকূল বড়ই পাজী
ওরা আপনার বিরুদ্ধে
করেছে নির্মম আর্জি।
কলাগাছ কর্তনে
আপনি ঘুরেন বনে বনে
ওদের কথা হল
ওরা হবে আপনার কাজী ।
দেখুন জাঁহাপনা
ওরা কত বড় পাজী।
হাতি বলে, বলে কি?
সেনাপতি নেই, ওরা বিচার করে?
না,না, না...বলে দেন
গীত --আপনারে চিনি
নীলফামারী জেলার হারিয়ে যাওয়া কিছু গীত । যা আমাদের ঐতিহ্য। আমাদের পরিচয় আমাদের স্বকীয়তা। এই লেখাটা লিখলাম মনের বেদনা থেকেই।
এই গীতগুলি সংগৃহিত। বেশীরভাগ গীতই মহেশ চন্দ্র রায়ের লেখা। সংগ্রহ করা হয়েছে মর্জিনা চৌধুরীর লেখা থেকে। এই সব গীত গাইবার সময় কোন বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করা হয় না।
নতুন শিশুর জন্মের সময়কে তারা গীতের মাধ্যমে প্রকাশ করে। এই গীত অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় বাচ্চার চুল কাটার আনুষ্ঠানে। যা নবজাতক জন্মের তিন থেকে ছয় দিনের দিন অনুষ্ঠীত হয়।
প্রসব বেদনাকে এই ভাবে প্রকাশ করা হয়---
দিদি শাক তুলিবার গেনু পাটিবাড়ী ও মোর দিদি- ( পাটিবাড়ী= পাট ক্ষেত)
দিদি ওঠে উঠে মোর প্যাটের বিষ ও মোর দিদি
দিদি ঘরের সোয়ামিক হামার ডাক দিয়া যাও----
ডাকি আনুক কবিরাজক রে দিদি
এর পর শুরু হয় পাসটি গীত । পাসটির একটি গীত হল---
পাসটির বাড়ীর গুয়াপান (পাসটি= আতুর ঘরের মা ও শিশু)
সবাই মিলি খাবার যান
কাজীর বাড়ীত পাসটি নাগিছে
বড় সাধের পাসটি রে-
হামরা না যাম মাও পাসটি দেখিবারে
হাটো হাটো ভাবী পাসটির বাড়ী যাও রে।
এরপর নাপিতকে নিয়ে পরে সবাই।
তোর নাউয়ার সোনার ক্ষুর (নাউয়া= নাপিত)
আমাকে ক্ষমা করবেন
আমরা বন্ধু ব্লগের সবার প্রতি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আগে।
সোনালী ব্যাংকের জিএম আমার বড় ভাই আ ন ম মাসরুরুল হুদা সিরাজীকে নিয়ে গর্ব করেছি। গর্ব করে এবি-তে লিখেছি ''হলমার্ক কেলেঙ্কারি ও একটি পরিবারের আনন্দ-বেদনার গল্প''। হাজারো পাঠক লেখাটি পড়েছেন। আমাদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পোস্টটি স্টিকি করা হয়েছিল।
কিন্তু এখন সবকিছু মিথ্যে হয়ে গেছে।
জিএম সিরাজী নিজের জীবন ও ক্যারিয়ার বাজি রেখে এই লুটপাট ঠেকাতে চেয়েছেন এবং তাঁর কারণে উদঘাটিত হয়েছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যাংক কেলেঙ্কারির ঘটনা। গণমাধ্যম, ব্লগ, ফেসবুকে দারুণ প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। জিএম সিরাজীকে জাতীয় বীর হিসেবে পুরস্কৃত করার দাবিও উঠেছিল ফেসবুকে। হ্যাঁ, অবশেষে তিনি ‘পুরস্কার’ পেয়েছেন। দুর্নীতি দমন কমিশন ১১টি মামলায় তাঁকে আসামী করেছে। সবকটি মামলাই জামিন-অযোগ্য। ফেসবুকে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘ভেবেছি দুদক তাঁকে সংবর্ধনা দেবে। এখন দেখছি উল্টো মামলা দিল। এমন হলে তো মানুষ সৎ কাজের সাহস হারিয়ে ফেলবে।’