অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৫ জন অতিথি অনলাইন

জরায়ুর জখম

ব্যাক্তিগত অনুভব অধিকাংশ সময়ই আমাদের ভাবনা আর বিচার বিশ্লেষণকে আচ্ছন্ন করে ফেলে, প্রাপ্য কিংবা উপযুক্ত পর্যালোচনা কিংবা প্রয়োজনীয় গুরুত্ব পায় না বক্তব্যগুলো। সৈয়দা রুবাইয়াত হোসেন পিতার কর্মকান্ডে বিতর্কিত হওয়ার আগেই নিজগুণে বিতর্কিত হয়েছেন, তার পরিচালনায় নির্মিত মেহেরজান ছবির মাণের বিষয়ে অনেকের অনেক ধরণের বক্তব্য ছিলো, তিনি নিজের ছবি তৈরির বিষয়বস্তু নির্বাচন এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ইতিহাসে নিজের বুৎপত্তি প্রমাণের জন্য তার স্নাতকোত্তর গবেষণানিবন্ধও পেশ করেছিলেন বিজ্ঞজনের বিবেচনার জন্য।

ইলেকশন সুখের হয় রমনীর গুনে

ইলেকশন সুখের হয় রমনীর গুনে
এই কথা সত্যি হয়েছিল (ওবা) মায়ের জীবনে।

শেষ বেলায় স্যান্ডি মাথায় দিলো বাড়ি
নির্বাচনী ভাগ্য দিলো নাড়ি
যেটুকু সংশয় ছিল মনে
তাও উড়ে গেলো হায় গগনে
এই কথা সত্যি হয়েছিল (ওবা) মায়ের জীবনে।

পরাজয় দিয়ে তুমি জয় নিলে
হেসে হেসে টিভিতে ভাষন দিলে
মা আমার চেষ্টা করো
শান্তি যেনো থাকে এই ভুবনে
এই কথা সত্যি হয়েছিল (ওবা) মায়ের জীবনে

তানবীরা
০৭/১১/২০১২

মূল গান

হেমন্তের লোকায়ত মিথ

ষড়ঋতুর বাংলাদেশে হেমন্ত এক অদ্ভুত ঋতু। শরৎ শেষে প্রকৃতি কিছুটা মলিন হতে থাকে। আগাম পড়তে শুরু করে শীতের হিম কুয়াশা। ছাই রঙ কুয়াশার চাদর মুড়িয়ে ফেলে সকাল-সন্ধ্যার সুনীল আকাশ। ফসলহীন মাঠ যেন, পরিত্যক্ত জনপদ; এর উল্টো পিঠও আছে। কৃষকের ঘর জুড়ে আনন্দের বন্যা। মাঠশূন্য করা ফসল যে তার গোলা ভরিয়েছে। মিটেছে অভাব। তাই তো দিকে দিকে শুরু হয়ে যায় নবান্ন উৎসব। শুধুই কি নবান্ন! হেমন্তে আরও কত কত উৎসব উদযাপন হয়ে আসছে সেই সুদীর্ঘকাল থেকে।

‘ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা--যমের দূয়ারে পড়ল কাঁটা, যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা--আমি দিলাম আমার ভাইকে ফোঁটা।--ভাইয়ের কপালে বোন এই ছন্দ বা মন্ত্র পাঠ করে চন্দন, ঘি, মধু দিয়ে ফোঁটা দেয়; ভাই যেন বিপদ মুক্ত থাকে। ভাইও বোনকে সামর্থ্য অনুযায়ী কিছু দিয়ে আশির্বাদ করে।’--কবে যে এই ভাই ফোঁটা উৎসব শুরু হয়েছে--তা কেউ বলতে পারে না। বলা হয়ে থাকে, এটা অনার্যদের আচার অনুষ্ঠান; কেউ বলে, অনার্য নারী-পুরুষ উভয়েই জঙ্গলে শিকারে যেত, চাষবাস করত আর আর্যদের মধ্যে সাধারনত পুরুষরা যুদ্ধ করত বা শিকারে যেত, তাই বোনরা ভাইদের বিপদ মুক্তির জন্য এই অনুষ্ঠান করত, তাই এটা অনার্যদের

ঘড়ির সময়ে আর মহাকালে যেখানেই রাখি এ হৃদয়

এর আগের দিন গিয়েছিলাম টাঙ্গাইল। সুন্দর জায়গা। বিশেষ করে পাহাড়ী এলাকার দিকে যাওয়ার রাস্তাটা বেশি সুন্দর। কক্সবাজার থেকে লামা যাবার সেই পাহাড়ী পথের মতোন। সেখানে একটা ক্যান্টনমেন্ট আছে। ভেতরে আছে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্কুল। অনেক পোশাকধারী সেনাসদস্য। কিন্তু ঢাকার জাহাঙ্গীর গেটের ভেতর থাকা সদস্যদের মতো খড়খড়ে নয় তারা। সাইকেলে চড়ে ঘুরে বেড়ায়, বাজার করে, বাজারের দোকানে বসে চা খায়, গুলতানি মারে; অনেক বেশি জনসম্পৃক্ত। মানুষের সঙ্গে মেলামেশা থেকে শুরু করে সবই করে। শুধু নিয়মটা ভাঙ্গে না। আর আমাদের জাহাঙ্গীর গেটের ভেতরের গুলো সারাদিন গেট ধরে দাঁড়িয়ে থাকে এবং এমন একটা ভাব ধরে থাকে যে, ভেতরে না জানি কি রসগোল্লা-মন্ডা-মিঠাই পাকানো হচ্ছে!

সম্ভাষণ

তোমাকে সম্ভাষণ জানাবো ...তাই ভেবেছো হাত পাতবো শিশিরের কাছে
তোমার কাছে বিনীত হবো ...তাই ভেবেছো অনুসরন করবো কৃষ্ণচূড়াকে
তোমাকে নিয়ে উড়াল দেবো...তাই ভেবেছো পরিযায়ী পাখির কাছে শিখবো ডানা মেলা
তোমার কাছে পরাজিত হবো ...তাই ভেবেছো ঘুড়ির কাছে দীক্ষা নেবো
তোমার কাছে সমর্পিত হবো.... তাই ভেবেছো আবেগ শিখবো মেঘের কাছে
আমি তোমাতেই তোমার হবো.... আমি যে তোমার কাছেই শিখেছি ভালবাসতে!

মঞ্চে যাত্রা দেখলাম

কাল রাতে যাত্রা দেখতে গিয়েছিলাম। আমার জীবনে এই প্রথম সরাসরি যাত্রা মঞ্চের সামনে বসে যাত্রা দেখা। যাত্রার নাম “নীচু তলার মানুষ”। আমরা প্রথম সারির দর্শক। উঁচু মঞ্চের দিকে তাকিয়ে আছি। প্রায় আধাঘণ্টা পার হয়ে গেল এই মূহুর্তে শুরু হচ্ছে আজকের যাত্রা ‘নিচু তলার মানুষ’ এই ঘোষনা শুনতে শুনতে। মঞ্চে মাইক টেষ্ট করছে। গঙ্গাজল ছিটাচ্ছে। গঙ্গাজল শব্দটা আমার ভাষায়, কারন এক ধুতি পরা লোক মঞ্চে বোতল থেকে পানি ছিটালেন তারপর মঞ্চকে ছুঁয়ে প্রনাম করলেন।

আমাদের কারখানার কিছু কর্মচারী, শ্রমিক মিলে একটি নাট্টদল তৈরি করেছিল পঁচিশ বছর আগে। সেই নাট্টদলের নাম ‘আদর্শ নাট্টদল’। তাদের পচিঁশ বছর পূর্তি উপলক্ষে তিনদিন ব্যাপী সাংস্কৃতিক আনুষ্ঠানের প্রথম দিনে এই যাত্রা। এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধনি ঘোষনা করবেন আমার জানু। অর্থাৎ আমরা প্রধান অতিথির দলের লোক। প্রথমেই মাঠে প্রবেশ করতেই শুনলাম মাইকে একজন বলছেন--সুধীমন্ডলি একটু অপেক্ষা করুন আমাদের প্রধান অতিথির দেরীর কারনে অনুষ্ঠান শুরু করতে দেরী হচ্ছে, তবে তিনি চলে এসেছেন। প্রধান অতিথির নামের আগের পরের বিশেষন নাইবা বললাম :bigsmile ।

দূর যমুনার তীরে

মেঘের উঠোনে ছায়া দীর্ঘ হতে হতে অসীমে মিলায়।
ছায়ারা ফেরেনা। তবু মেলে রাখি করতল--যদি এক ফোঁটা বৃষ্টি হয়ে কভু ঝরে পড়ে
আহা!
যদি বৃষ্টির জলের ভেতরে সেই একটি বিকেলের গন্ধ অবিকল
নীপবনে দোলনায় দোল খাওয়া
কাকভেজা
ভিজে অলকে জড়ানো কদম্বের রেনু ;
ফিরবেনা জানি
যদি ফেরে!
ফেরে যদি!

স্মৃতির বারান্দা থেকে দানা খুটে খুটে তুলি চড়ুইয়ের মতো ;
গোধূলির রূপগন্ধ পাখীদের থেকে বেশী আর কে জানে
ভোরের সবুজ ঘ্রাণ
পাখীদের মতো আর কে ছড়ায় পালকে এমন মায়া
ধারালো চঞ্চুতে বিষ !

মুঠোর ভেতরে রাখি ডানার আদর।
মুঠোর ভেতরে রাখি ঠোঁটের হিংস্রতা।

দূর যমুনার তীরে বুঝি বেজেছে বাঁশরী
-----'জলকে চল...............

টানাটানির এই সমাজ সংসারে!

পুরান কথা গুলাই নতুন করে বলতে হয়। ডিসের লাইন কেটে দিছে স্কাই ক্যাবল ট্রেডিং। শেখেরটেকের একমাত্র লাইন যাদের। তাই নেটে বসেই লাইভ খেলা দেখি। তাতে এমবি চলে যায় দেদারছে। কী আর করা মন তো মানে না। আশা ছিলো না জিতলেও ড্র হবে কিন্তু এসে পড়লো লজ্জাজনক পরাজয়। আমার স্কুল বন্ধু আবীর চিটাগাং থাকে। সে আমাকে ফোন করে বলেছিলো বেশী আবেগ্রাক্রান্ত হয়ে স্টেডিয়ামে যাস না কারন লাঞ্চের আগে যদি উইন্ডিজ আউট হয়ে যায় যদি বাংলাদেশ দুই আড়াই সেশন ব্যাট করতে হয় তবে হারবে বাংলাদেশ। আমি তার কথা শুনে বলছিলাম বাংলাদেশ নিয়ে তুই এতো নেগেটিভ কাল যদি জিতেও যায় তাও তুই বাংলাদেশের খারাপটাই খুজবি। আজ যখন ক্লাস শেষে আবীরকে ফোন দিলাম। সাধারণত কারো কথা ফলে গেলে খুব আনন্দ পায় আবীরের মনে আনন্দ নাই। বলতেছে তোদের কে নিয়ে কত ভালো ভালো কথা বলি একটাও ফলে না। অথচ বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে যখন যা বলি তাই লেগে যায়। এতো এতো মানুষের এতো আশা নিমিষেই তলিয়ে গেলো ভাবতেই মন খারাপ। আমি তো অবাক ভুতের মুখে রাম রাম। যাই হোক কী আর করা ৬০ টেষ্টের অর্ধেক ম্যাচই যারা ইনিংস ব্যাবধানে হারে তাদের নিয়ে এতো আশা করাও ঠিক না। যাই হোক খেলা ভালো লাগে। খেলা নিয়ে কথা বল

আমরা স্বপ্নে বাঁচি

প্রতিবার স্বপ্ন দেখায় সাকিব, তামিম, নাসিররা সে আশায় বুক বাঁধি আমরা ১৬ কোটি মানুষ । শুধু হাতে গোনা ২-১টা বলদের জন্য ১৬ কোটির স্বপ্ন ভঙ্গ আর একরাশ হতাশা । সবাই মন থেকে খেলে বা খেলার চেষ্টা করে, শুধু ওই বলদগুলার খেলা দেখলে মনেহয় ওদের চেষ্টা করার ন্যুনতম ইচ্ছাও নাই ।
ওদের এই বলদিয় ভুলের জন্য আর কত স্বপ্ন ভঙ্গ আর কত হতাশা ?
সাবাশ বাংলাদেশ এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়। হয়তো একদিন আসবে যখন বলদ মুক্ত বাংলাদেশ দল হবে, আর আমাদের ও সইতে হবেনা স্বপ্ন ভঙ্গের জ্বালা ।
সেদিন খুব বেশি দূরে নয়। আর যতই স্বপ্ন ভঙ্গ হোক আমরা স্বপ্ন দেখতে ভুলবো না । শেষ পর্যন্ত স্বপ্ন দেখেই যাবো । কারন আমরা যে স্বপ্নে বাঁচি ।

হারিয়ে পাওয়া

সেদিন সকাল থেকেই খুব ব্যাস্ত আমি । বেলা ১২টার দিকে বড় মেয়েটার স্কুল থেকে ফোন এল। আপনার মেয়ে পায়ে ব্যাথা পেয়েছে, সে সাইকেল চালাতে পারছে না। তাকে কি আমরা রিক্সায় তুলে দেব, নাকি আপনি কোন ব্যাবস্থা নিবেন? -- আমি আসছি, বলেই গাড়ি নিয়ে স্কুলে গেলাম। সেখান থেকে তাকে নিয়ে হাসপাতাল। হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করে রুগীর সবকাজ শেষে বাসায় ফিরলাম। আইস ব্যগ নিয়ে বসেছি পায়ে বরফের শ্যাক দিতে এমন সময় নীচ থেকে চিৎকার । দৌড়ে নিচে যেয়ে দেখি ছোটটার পায়ের চামরা ছিলে রক্তারক্তি কান্ড। তাকে বাগান থেকে নিয়ে এসে পা ধোয়ানো থেকে শুরু করে তার সম্পূর্ন শুশ্রাষা করে, তাকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম। এবার আমার ফোন বেজে উঠল। জানের জান জানু জানালো সে এই মুহুর্তে সীমান্ত ট্রেন ধরে রাজশাহী যাবে, আমি যেন তার ব্যাগ গুছুয়ে দেই, সে আসছে। বাচ্চাগুলি যে আহত হয়েছে সে কথা বলারও ফুসরুত পেলাম না। ব্যাগ গুছিয়ে দিলাম । তিনি আসলেন ব্যাগ নিলেন, চলে গেলেন।

পিছুটানের একটি দিন.. (১৬ নভেম্বর ২০১২)

দৃশ্য-১:
সবুজ ঢিলেঢালা পোলো টিশার্ট পড়া একজন "লোক"। সাথে দুই "ভদ্রমহিলা"। তাদের দেখে প্রথম দৃষ্টিতে মনে হবে নির্ঘাৎ ব্যাংক বা কর্পোরেটের সেলস-এ চাকরি করেন। কারণ তাদের চোখ-মুখ পাথরের মতো থমথমে..ব্যতিক্রম শুধু গান শুরু হবার পর। ১৬ নভেম্বর ২০১২-তে আর্মি স্টেডিয়ামের কনসার্টের মঞ্চে যখনই ব্যান্ড তারকারা গাইছেন- তখনই তারা মাথা ঝাকিয়ে ঝাকিয়ে গান গাচ্ছেন। এবং পুরোটা গাচ্ছেন। সবগুলো গান গাইছেন। মনে হলো তাদের এভাবে ব্যান্ডের গাইতে দেখলে তাদের কলিগদের নিশ্চয়ই হার্টে এ্যাটাক হতো!!

দৃশ্য-২:

বোকা মানব এবং মানবীদের গল্প

বাসা থেকে বের হয়ে শাহবাগ মোড়ে এসে ছেলেটা ভাবছিল কোন বাসটা ধরলে ভাল হবে। যাবে গুলশান দুই। একটা Interview আছে তাই মোটামুটি ফিটফাট হয়ে বের হইছে।মানি ব্যাগের অবস্তা তেমনি যেমন একজন সদ্য পাশকরা নব্য চাকরিরত ব্যচেলর এর মাসের শেষে হয়।তাই এই গরমে এই ভীড়ের বাসে উঠলে ভাঙ্গাচুরা চেহারারে যাও একটু মেরামত করসিল তা যে আবার আগের রুপে ফিরে যাবে জেনেও সে নিরুপায়।বাসের অপেক্ষায় সাঁই সাঁই করে ছুটে যাওয়া লাল নীল গাড়ীগুলো দেখছিল সে আর উদাসী থেকে উদাসীতর হচ্ছিল।হঠাৎ নিজের উপর নিয়ন্ত্রন হারাল সে। ধুর কি হবে Interview দিয়ে। আর কয়টা টাকা বেশী হয়ত ৫ টার জায়গায় ১০ টা সিগারেট কিনতে পারা,মাসে দুইবারের জায়গায় ৪ বার আলো আঁধারীতে বসে অমৃত গলাধঃকরন করে নিজের সমস্ত দুঃখ,যন্ত্রনা,অসহায়ত্ত ভোলার বৃথা চেষ্টা।ব্যাস এর বেশী কিছুনা।ধুর!বাদ!

(পাঠক/পাঠিকা,কি বলবেন একে?দায়িত্তজ্ঞানহীন একটা পাগলের উল্টাপাল্টা চিন্তা আর কার্যকলাপ)।

সিদ্ধান্তটা নিয়ে সে খুশী মনে এইবার সে তাকাল আকাশের দিকে।মাথার উপর অবারিত মুক্ত নীল আকাশ।আকাশটা আজ অদ্ভুত নীল।

আমার বন্ধুর প্রেম ।

w

আমার কলেজ লাইফের ছোট্ট একটি ঘটনা বলছি । প্রথম কলেজে উঠার পর খালি গার্ল ফ্রেন্ড নিয়ে চিন্তা করত আমার এক বন্ধু । আমার যদি একটি গার্ল ফ্রেন্ড থাকত ।
এভাবেই দিন যাচ্ছিল একদিন আমার বন্ধু আমাকে বললঃ দোস্ত আমার একটি মেয়ে পছন্দ হয়েছে আমি বললাম কোন সেকশনের ? সে বলল তাতো জানিনা মনে হয় নতুন ভর্তি হয়েছে ।
আয় আমার সাথে । বলেই সে আমাকে বাংলা ডিপার্টমেনট এর সামনে নিয়ে গেল । আমি সেখানে আনুমানিক ২৪ কি ২৫ বয়সী একটি সুন্দরী মেয়েকে দেখতে পেলাম । সে বলল এটিই সেই মেয়েটি । আমি দেখে বললাম বলিস কি এই মেয়ে আবার কবে ভর্তি হয়েছে ? আর বয়সেতো মনে হচ্ছে আমাদের থেকে বেশ বড় । আর বাংলা ডিপার্টমেনট এ কি করে ? মনে হয় কোন টিচারের মেয়ে হবে ।
আমার বন্ধু বলল হতে পারে , কিন্তু মেয়েটি কি সুন্দর নয় ?
আমি বললাম হ্যাঁ দেখতে তো বেশ সুন্দর । কিন্তু মেয়েটি কোন সেকশনে ?
সে বলল এটা তো জানিনা । তিনদিন ধরে কলেজে দেখছি । তুই বল এখন কি করা যায় ।
আমি বললাম দেখ আগে মেয়েটির সাথে কথা বল বন্ধুত্ত করার চেষ্টা কর । এরপর দেখা যাবে কি করা যায় ।

ফিরে দেখা ৭১ - পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ (পর্ব - ১)

পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ

[প্রথমেই বলে নিচ্ছি এই সিরিজটা প্রায় পাঁচ বছর পূর্বে অন্য একটি ব্লগে দিয়েছিলাম, তবে এবার আরো বেশী তথ্য হাতে নিয়ে শুরু করলাম, তাই বেশ কিছু পর্বে খুব বেশি মিল থাকলেও পুরো সিরিজটা হুবুহু মিলবে না। নতুন অনেক তথ্য যোগ করার আশা রাখছি।]

পাকিস্তান শাসনামল (১৯৪৭ - ১৯৭১)

পাকিস্তান মুলত এমন একটি দেশ ছিলো যার দুই খন্ডের মানুষে মানুষে শুধুমাত্র ধর্ম ছাড়া আর কোনই মিল ছিল না। হাজার মাইলের দুরত্ত ছারাও তাদের মধ্যে ছিল অনেক অমিল। সংস্কৃতি, ভাষা, আচার-আচরন এমনকি অর্থনৈতিক ব্যবধান।

পূর্ব পাকিস্তানের জনগনের সাধীনতা আন্দোলনের সুত্রপাত মুলত ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই। পাকিস্থানিরা সেদিন আমাদের মুখের ভাষা কেড়ে কিতে ছেয়েছিল যা এই অঞ্চলের মানুষ মেনে নেয়নি। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারী পৃথিবীতে প্রথম কোন জাতি ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছিল।

[In 2001, UNESCO declared 21 February as International mother language day]

মিডিয়ার অনিশ্চয়তা আর অস্থিরতা

আমি একবার কোনো প্রতিষ্ঠান ছেড়ে দিলে সে প্রতিষ্ঠানে আর চাকরী করি না। এটা আমার নিজস্ব সিদ্ধান্ত। আমি মনে করি কোনও কিছু বা কাউকে বা কারো সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করার আগে ভাবা দরকার। হুট করে সম্পর্ক গড়া যায়, তবে খুব সহজে সম্পর্ক শেষ করা যায় না বা যাওয়া উচিৎ না। স্কয়ার ছাড়লাম। অ্যারোমেটিক ছাড়লাম। ছাড়লাম এসিআই। এরপর ছাড়লাম প্রথম আলো, ছাড়লাম ল্যাবএইড। বেকার জীবন কাটালাম কিছুদিন। তারপরও সাবেক কোম্পানি প্রধান বলা স্বত্তেও জয়েন করিনি। ওই যে বললাম, দ্বিতীয়বার কোনও কোম্পানিতে ফিরে যাওয়া আমার ইথিক্সে নেই।

আজকাল দেখি লোকজন আজ এই কোম্পানিতে তো কাল অন্য কোম্পানিতে। পরশু আবার আগের কোম্পানিতে। মনে হয়, এক কোম্পানির ভিজিটিং কার্ড ছাপা হওয়ার আগেই আরেক কোম্পানিতে বা অফিসে। অস্থির প্রজন্ম। পেশাদারিত্বের চেয়ে টাকা আর পদের গুরুত্ব এদের কাছে বেশি। ফলে অল্প বয়সে টাকা আর পদের ভারে এরা ন্যুজ হয়ে পড়ে। সব কিছুর একটা শেষ আছে। একটা সময় এই সব নন প্রফেশনালরা টাকা আর পদের সমন্বয় করতে পারেন না। ফলে দেখা দেয় হতাশা আর অস্থিরতা।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ