অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৯ জন অতিথি অনলাইন

‌ভাল বাবা হওয়ার ১০১টি উপায়

১.
আমার বাবাকে আজকাল আমি প্রায়ই স্বপ্নে দেখি। স্বপ্ন দেখে আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়। মনে হয় একটু ছুঁয়ে দেখি।
বাবা যখন বেঁচে ছিলেন আমি তাঁকে স্বপ্ন দেখেছি বলে মনে পড়ছে না। তখন বাবাকে প্রচন্ড ভয় পেতাম। বড় বেলায়ও সেই ভয় আমার যায়নি। যাকে ভয় পাই তাকে নিয়ে নিশ্চই স্বপ্ন দেখা যায় না।
তখন মাকে যে প্রচন্ড ভালবাসতাম তা বুঝতাম। বাবাকে ভালবাসার কথা কখনো ভেবেছি বলে মনে পড়ে না। বাবা অফিস করবে, বাসায় ফিরলে আমাদের টিভি বন্ধ করে পড়তে হবে, বেশি শব্দ করা যাবে না, এক রুমে থাকলে অন্য রুমে চলে যেতে হবে-এই আমাদের সম্পর্ক।
এখন বাবা নেই। আমি এখন জানি বাবাকে কতটা ভালবাসতাম। কিন্তু এই কথা বাবাকে আর কখনো বলা হবে না।

২.
‌'আমার বাবা আমাকে পৃথিবীর সেরা উপহারটি দিয়ে গেছিলেন। আর সেটি হলো আমার উপর তাঁর আস্থা ছিল, আমার উপর তিনি বিশ্বাস স্থাপন করেছিলেন।'

৩.
Your children are not your children.

আমার প্রথম প্রেম (পর্ব দুই)- প্রেমের আবেদন পত্র

ফ্ল্যাশ ব্যাকঃ
পড়ার টেবিল, ছাত্র জীবনের প্রথম হার্ডেল-এর প্রস্তুতি, শিশির ভেজা সাদা আর গেরুয়া রঙ আর মাতাল ঘ্রাণের শিউলি ফুলের গালিচাময় উঠুনে আমার হৃদয় চারিণীর আগমন তারপর আমাকে প্রেম বাণে বিদ্ধ করে সমান্তরাল ধাতব পাতদ্বয়ের উপরে দিয়ে চালিত ধাতব যানে করে তার প্রস্থান আমার শহর থেকে।

অতঃপর ------

মুক্তগদ্যঃ বর্ষানগর

*
বর্ষানগরের কৃষ্ণচুড়ারা একে একে ফুটে চলেছে।

**
দুপুরের ঝলমলে রোদ ভেঙ্গে ছুটে যাওয়া রিকশার টুনটুন শুনে বুকের ভেতর চাপচাপ ব্যাথা জমা হতে থাকে। এমনই টুনটুন রিকশা ছুটে গিয়েছিলো যেদিন তুমি চলে গিয়েছিলে শহর থেকে। আমার নিজস্ব নগর থেকে। ভাঙা চুড়ির মত ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিলো শব্দগুলো এসফল্টের রাস্তা জুড়ে।

***
দূর আকাশের কোনে, একপাল কাফ্রী মেঘের মিটিং জমায়েত ছিলো সেদিন। তাই বুঝি বিদ্যুতের চাবুক হাতে নেমেছিলো সোনালী সন্ধ্যা। নিঃশব্দ চাবুক চমকাচ্ছিলো সুর্যকে ঘিরতে উদ্যত মেঘেদের পিঠে। নির্যাতনে অভ্যস্ত কাফ্রী মেঘেরা আনন্দে খলখল হেসে উঠছিলো থেকে থেকেই। আর বেড়ে চলছিলো সংখ্যায়।

****

একটু আত্নপ্রসাদ...

লেখালেখিটা আসলে আমার ধাতে আসেনা।এই একটা প্রেস্ক্রিপ্সন,দুই একটা রোগীর হিস্ট্রি ওইটুক পর্যন্তই।কিন্তু সেদিনের কথাগুলো আমি না লিখে পারিনি।মাঝমাঝেই লাল খাতাটা খুলে বার করে একপলক দেখি লেখাগুলো।অপ্টু হাতের লেখা,কিন্তু অনুভুতিটা ষোল আনা খাঁটি।
অন্য সব দিনগুলোর মতনই ছিলো।নিজের নিয়মে চরে বেড়ানো নির্মল সকাল,কাঠফাঁটা রৌদ্রের দুপুর,দক্ষিনা বাতাসে ভরপুর হেলে ওঠা সূর্যের বিকেল।কিন্তু কিছুই আমার মনকে স্পর্শ করছিলো না।ঘুর্ণাক্ষরেও টের পাইনি,ওইদিনটি আমার জন্যে এক অন্যরকম দিন।
এ বছরের শুরুর দিকের ঘটনা।প্রচন্ড মানসিক অশান্তিতে ঘুরে বেরাচ্ছি।কোঙ্কিছুতেই থই খুঁজে পাচ্ছিনা।কাউকে বলার নেই,বুঝানোর নেই,শুধু স্বস্তি খুঁজে বেড়ানো।এর জন্যে যা অনাবশ্যক ছিলো তার সবটাই পূর্ণ করে ফেলেছি।শুধু আবশ্যকটাই খাতার শেষ পৃষ্ঠার মতো রয়ে গেছিলো।

সোহেল ভাই ০১৮

আচমকাই মঙ্গলবার দুপুরে দেখলাম সোহেল ভাইকে গটগট করে হাঁটছেন গলিতে- এমন সময় তো সোহেল ভাইয়ের থাকবার কথা না, সোহেল ভাই অনেক কিছুই করেন কিন্তু তার পাঙ্কচুয়ালিটির কদর আছে, তিনি সময়ের কাজ সময়ে করেন, গাফিলতি করেন না তেমন। মঙ্গলবারের আশেপাশে কোনো সরকারী ছুটি নেই- হতে পারে সোহেল ভাইয়ের মতো অন্য কাউকে দেখলাম। তেমন পাত্তা না দিয়ে চলে গেলাম বাসায়।

ইদানিং বিকেলগুলোতে নিয়মিত আড্ডা হচ্ছে না, অফিসপাড়ায়- বিভিন্ন অফিসের রিসেপশনে, চাকুরি নিয়োগ পরীক্ষার পড়া পড়তে পড়তে দিন যাচ্ছে। সন্ধ্যায় গা ম্যাজম্যাজ করলে একটু ময়না ভাইয়ের দোকানে এসে এলাকার হাওয়া বুঝে ঘরের পাখী ঘরে ফিরে যাই। ময়না ভাইকে একটা চায়ের কথা বলে বেঞ্চের দিকে তাকিয়ে দেখলাম সোহেল ভাইকে

আররে সোহেল ভাই আপনি এই সময়ে?

ডার্টি পিপল

ডার্টি পিপল

- গত ২৬শে কিছু লেখা হয়নি । ২৬, ১৬; স্বাধীনতা, বিজয় এসব এখন আর তেমন নাড়া দেয়না ! রক্তে খলবল ঝড় তোলেনা ! ’৭১ এ ছিলাম তারুণ্য ছুঁই ছুঁই দুরন্ত কিশোর ! শিরায় ছিল আগুনের ফুলকি ! শত্রু চিহ্নিত ছিল, লক্ষ্য ছিল স্থির ! দ্বিধা, সংশয় ছিলনা । থাকার কথাও ছিলনা । তখন বিদেশীরা লুঠচ্ছিল মা-বোনের ইজ্জ্বত, খুন বহাচ্ছিল বাপ ভাইয়ের । মা-মাটি-মাতৃভুমি ধর্ষিতা হচ্ছিল । আগুন লেগেছিল রক্তে – আমার, আমার মতো লাখো কিশোর, তরুণ, যুবকের । কোটি প্রাণ এক হয়েছিল সেদিন । ’৭১ সবাইকে এক করেছিল । সে মিলিত একতার কাছে নত হয়েছিল দানবের শির ।
- আজ ৪০ বছর পর কারা মা-বোনের ইজ্জ্বত চাখে ? বাপ-ভাইয়ের খুন ঝড়ায় ? এরা কি বিদেশী কেউ ?

- সে দিন একজন ডাক দিয়েছিলেন, বিদ্রোহের অনল জ্বেলেছিলেন একজন । জেগে উঠেছিল জাতি । সে মহাজাগরণের তোড়ে খড় কুটোর মতো উড়ে গিয়েছিল শত্রু ।

শান্তি অশান্তির বিভ্রান্তি কাটে না

সকাল, বিকেল, সন্ধ্যা, রাত, যায় মিছে যায়, মার্বেলের মতো গড়িয়ে গড়িয়ে যায়। তোমার খোলা হাওয়া লাগিয়ে আমার ডুবে যাওয়া হয় না। পাশ কাটিয়ে উড়ে যায় শিমুলের মেঘ; সেই মেঘকে জানা হয় না। তবু জানতে চাই। জানতে চাইলেই কি জানা যায়? জানতে কি পেরেছি শশী ডাক্তারের সাথে কুসুমের নৌকার দূরত্ব কেনো বেড়েই গেছে? পেরেছিলো কি জানতে ছবি'দি, আর কোনদিন মণি ভাইজান ডাকবে না থাকে? শুধু জেনেছিলাম বা জেনেছি বলে গোপন করে রেখেছিলাম যে, অমল আসলেই বকুল'দি সাজে। চুল বেণী করে...। অমল-বকুল'দি একদিন পালিয়ে যায়, সমুদ্রে যায় বা সমুদ্র ছুটে আসে তাদের কাছে। ঢেউগুলো ডিগবাজি খায় । ভালোবাসায়!
এতো এতো জানার ইচ্ছে তবু শেষমেষ অজানাটাই সম্বল। জানবো বলে মেঘ, স্বপ্নঘুম, দীর্ঘপথ, তারপর অনেককিছু বা কিছুই না অথবা গভীর রাত্রে বৃথা প্রশ্নের হয়রানি।

সমুদ্র আর আমি আসলে একইজন...

.........................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................

সমুদ্র নিয়েছে কেড়ে পুরোন চশমা,
স্মৃতির টংকার, দৃষ্টি সীমানা অথবা
যতোটুকু দেখে নেয়ার সামর্থ্য ছিলো
তার অধিকার। সমুদ্রকে গালি দিতে গিয়ে

কবিতার আস্তাবল ০৩

এটাকে অনায়াসে বলা যায় একজন কবির চোখে বাংলাদেশ ২০০১ কিংবা বলতেও পারিস যদি কখনও অস্ত্র তুলে নেয় হাতে সে অস্ত্র গর্জাবে কোন বুকে-

প্রত্যেকেই জানে একজন কবির চোখ আর একজন রাজনৈতিকের চোখে পার্থক্য আছে, কবির চোখের আড়ালে থাকে স্বপ্নীল চশমা এবং যেকোনো দৃশ্যের গভীরে যায় তার চোখ, আর রাজনৈতিকের চোখে থাকে আদর্শের কবচ যা ভেদ করে কোনো দৃশ্যই নেতা দেখতে পারেন না। আর দু'জনের গন্তব্যেও আছে বিস্তর ফারাক।

একজন যা নিজের জন্য করেন তা হয়ে যায় সার্বজনীন আর অন্যজন তার সার্বজনীন তত্ত্বের বুলি কপচে যা করেন তা হয়ে যায় একান্তই ব্যক্তিবিলাস। কবি নামক লোকটা কখনও প্রতিষ্ঠা পান, কখনও পান না কিন্তু সকলেই তাকে চেনে আর এমন অনেকেই এদের মধ্যে আছে যাদের চেনে শুধুমাত্র ডাকপিওনের ঝুলির অসংখ্য হলুদ খাম

পথের পথিক, পথিকের পথ..[এলোমেলো কাব্যকথন!]

প্রখর রোদ্দুরে,
ভারি হয়ে আসে নিঃশ্বাস..

দু দন্ডের বিশ্রামে নেই,
স্বস্থির বিশ্বাষ..।

দুরে;
বহুদুরে-
তেপান্তরের সুদুর পারে,
অপেক্ষায় অস্তরাগের অবাক আলো..।

ভবঘুরে মেঘ যত..
ছায়া পড়ে,
তোমার মনের পরে..

চোখের পাতায়,
স্ফটিক জ্বলা ঘোলা দৃষ্টিতে;
বিকেলের কোমল নরম ছোঁয়া..।

একলার পথ,
দীর্ঘ মৌনপ্রহর..

নিকশ কালো আঁধারের আয়নায়,
বিস্মৃত স্মৃতির বালিয়ারি..

ভোলা যায় না কিছুই,
কিছুই ভোলার নয়..।

অথচ -
দুচোখে রাজ্যের ক্লান্তি মেখে,
আদরের চাদর গায়ে;
নেমে আসে ঘুম..।

মহাকালের ছায়াপথে,
সময়ের ক্যানভাসে..
সকরুন জলস্পর্শে;
আল্পনা এঁকে যায়,
পথিক ও পথ..।

অপেক্ষায়;
তখনো,
অত্যাশ্চর্য ভালোবাসা -
নিঃশ্চুপ নিঝুম নিলাচল..।

বন্ধ্যাকাল ও আমি

প্রতিদিন ডিউটি থেকে আসি রাজ্যের যতো বিষাদ-ক্লান্তি নিয়া । প্রতিদিনই ভাবি দেবো কালই চাকরি ছেড়ে ! সেই কাক-সকালে বেরোই আর ফিরি মোরগ-সন্ধ্যায় । শালা গুল্লি মারি কলেজ মাস্টারির ...দিলাম কালই রিজাইন ! না হয় না , চাইলেই পারি না । আসা-যাওয়ায় টানা চার ঘন্টা ডিউটি আর ক্লাশ করার পর আর শরীরে কুলোয় না । এই টানাপোড়নের মাঝে যে টুকু হৃদয়ে পুলক জাগায়ে যায় তা হলো মেঘালয় পাহাড় ! প্রতিদিন এই মেঘালয়-ই কী আমাকে এই দীর্ঘভ্রমণে নিয়ে যায় ? হয়তো !

যেমনে গেলো পহেলা বৈশাখ

পাগলা হাওয়ার বাদল-দিনে
পাগল আমার মন জেগে ওঠে
উ লা লা....উ লা লা...উ লা লা এ.....

সব চরিত্র কাল্পনিক

জীবনের দুই ডজন পয়লা বৈশাখ আমার কাছে ছিল একলা বৈশাখ। না, ১লাকে ভুল করে একলা বলিনি। বৈশাখ আসার কথা মহাসমারোহে। তাপস নিঃশ্বাস বায়ে, মুমূর্ষুরে উড়িয়ে দিয়ে, বৎসরের আবর্জনা দূর করে। অথচ আমার ‘কেটেছে একেলা বৈশাখের বেলা আকাশ কুসুম চয়নে’। কিংবা আমি ছিলাম একেলা গৌরী, জলকে চলেছি গঙ্গাতে।

কানপাশা

.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।।।.।.।।।।।।।.।.।।।।।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।।।।।.।।।

.।.।..।।।।।।।।।।.।.।।।.।.।.।.।.।।।.।.।.।.।.।.।।।।।।।.।।.।.।।।.।।।।।।।।.।.।.।.।.।।

images.jpg

.।.।।.।।।।।।।.।.।।।।।।।.।।।।।।।।।।।।।.।।।।।.।.।।।।..।।.।।।।।।।.।।।.।।।।।.।।.।।।।

।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।.।।।।।।.।।.।.।.।।.।।।।।।।।।।।।।।.।।।।।।।।।।।।।।।.।।.।।।

.।।।.।।।.।।।.।।।.।।।.।।।.।।।.।।।।।।।।।।।।।।।.।।.।।।।।।.।।।।।.।।।।।.।।।.।।.।।.।।.।।।।।

নজর না কাড়া তোমাতেই নাকি আমায় বেশি মানায়!
একান ওকান হয়ে সবখান থেকেই শুনতে পাই,
আহামরি সবকিছুতেই থাকি স্বাচ্ছন্দ্যহীন
বোধকরি তাই হয়ে গেছে অভ্যস্ততা তোমাতেই।

হতবাক হয়ে স্মৃতি হাতঁড়েও পাইনা সে দিনক্ষন
কি করে কবেই বা এসে ছিলে এতোটা কাছে

সমুত্থান

ঝরাপাতার ঋতু শেষ হয়ে এলো
নতুন বৈশাখে তান্ডব চাই ।
ভুলে গিয়ে জরাগ্রস্থ জীবনের কথা
(যেখানে মাথা নুয়ে কেঁপেছিলাম
বেতসলতার মত - অনাবশ্যক আবেগে )
আবার লন্ডভন্ড করে দিতে চাই দশদিক !
ঈশাণ কোনে মেঘ দেখে আজও
উচ্ছসিত হয়ে উঠি প্রদীপ্ত সুখে ।
তবে কি পূর্ব পুরুষের সংগ্রামরত রক্ত প্রবাহ
বয়ে চলেছি যুগের পর যুগ ?
তবে কি এখনও প্রজ্বলিত বিপ্লবের বহ্নিশিখা ?!
শোণিত আকাশ বজ্রের হুংকারে
জানান দেবে সেই মন্ত্র ?
যেখানে মৃত্যু মানে দৃপ্ত বেঁচে থাকা !

তবে এসো আলিঙ্গন করি সেই তেজস্বী অগ্নিকে
পুড়িয়ে ফেলে রাজকীয় আলস্য
হয়ে উঠি একবিংশের নতুন মৌমাছি ।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ