অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ৮৭ জন অতিথি অনলাইন

কবিতার আস্তাবল -০১

এখন মনে নেই কোথায়, কোন কবির জবানীতে পড়েছিলাম কবিতা লেখা প্রাত্যকৃত্যের মতো নৈমিত্তিক অভ্যাসে পরিণত করতে হয়, কবিতা হোক কিংবা না হোক নিয়ম করে প্রতিদিন স্কুলের হোমটাস্ক করার মতো কবিতা লিখতে বসতে হয়- এভাবে অভ্যস্ত হওয়ার পর দিব্যি কবিতা আসবে, আসতেই হবে। একটা সময় হোক কিংবা না হোক নিয়ম করে কবিতা লিখতে বসতাম, বিভিন্ন শব্দের আঁকিবুকি খেলতাম ডায়েরীর পাতায়। দৈনন্দিন জীবনে তেমন আশ্চর্যজনক কিছু ঘটতো না, সেই একই রকম জীবনযাপনের ফাঁকেফোঁকরে হয়তো হঠাৎ কারো প্রতি সামান্য প্রেমবোধ জাগ্রত হতো- কখনও অভিমান হতো, কখনও তীব্র আনন্দ- ক্ষুব্ধ হতাম, উচ্ছ্বসিত হতাম। ডায়েরীর পাতা সেসব অনুভবকে ধারণ করতো কোনো কোনো দিন, তবে অধিকাংশ ম্যারম্যারে দিনে নিছক শব্দজব্দ খেলবার মতো কবিতা লেখার প্রচেষ্টা-অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকতাম।

প্রথম পাহাড় দেখা, প্রথম সাগরে স্নান...

"দিল চাহতা হ্যায়" সিনেমাতে প্রীতি জিনতার প্রথমে যে ছেলেটার সাথে বিয়ে হবার কথা থাকে সে বিভিন্ন দিনের সময় উল্লেখ করে প্রীতিকে উপহার দিতে থাকে এবঙ এ ধরনের ক্যালেন্ডার ধরা ব্যবহারে প্রীতি ছেলেটার উপর দারুণ অসন্তুষ্ট থাকে।

এবি’র সাইট কি হ্যাক হয়েছে নাকি?

ঘটনা বুঝতেছি না। এবি’র সাইট কি হ্যাক হয়েছে? কে বা কারা নামে, বেনামে এবি’তে নতুন নতুন ব্লগ লিখছে, নতুন নতুন মন্তব্য করছে। যে সাইটে সারাদিনে মন্তব্যই পরে না, মন্তব্য করার জন্য রীতিমত অনুরোধ করা হয়, কদাচিৎ নতুন ব্লগ পোস্ট হয়, সেই সাইটে আজকে ১০ টা নতুন ব্লগ পোস্ট হয়েছে, নতুন মন্তব্য গুনে শেষ করা যাবে না। মেসবাহ য়াযাদ ভাইয়ের এক লেখা হজম না হতেই আরেক লেখা, সাথে ভাস্করদা, মাসুম ভাই, শুভ ভাই, এবি এস হাসান, মৌনকুহর, একান্ত অভাজন, স্বপ্নময়ী, আরাফাত শান্ত, অণু পাঠক এর লেখা। পুরাই টাস্কি। ব্যাপারটা কি? মুহিত সাব কি এবি’তে লেখা আর মন্তব্য করার জন্য নতুন কোন প্রণোদনা প্যাকেজ দিয়েছেন নাকি? নাকি এবি’র মডু নিজেই বিভিন্ন নামে লেখা আর মন্তব্য শুরু করেছে? এবি’র সাইট হ্যাক হয়েছে কিনা সেই সন্দেহও হচ্ছে। ঘটনা কি?

▀▄ দুঃখ বিলাস ▄▀

█▀▄█
গ্রীলের ফাঁক গলে হুড়মুড় করে
ঘরে ঢুকে গেলো একরাশ দস্যি হাওয়া
পিছুপিছু এলো কিছু
বৃষ্টিকণা।

█▀▄▀▄█
ক্ষুদে বারান্দায় পড়ে থাকা, জালিকাটা জোছনাও
পালিয়ে গেলো হুট করেই।
ফেলে রেখে গেলো শুধু
মেঘের কার্ণিশে, নীলাভ আঁচল।

█▀▄▀▄▀▄▀▄█
হাওয়ার দস্যিপনায় তাল দিয়ে
আড়মোড়া ভেঙ্গে
জেগে উঠলো দুঃখবিলাসী মন।

█▀▄▀▄▀▄▀▄▀▄█
ভুল করে,
টেবিলে একমুঠো আনন্দ ছড়িয়ে রেখেছিলাম।

মিনিটের কাঁটা একপাক ঘুরে আসার আগেই
আনন্দগুলোয় এক পরত মিহি বেদনার ধুলো,
আর ঘন্টার কাঁটা ন'টার ঘর না পেরোতেই
বিষণ্ণ শ্যাওলায় ঢাকা পড়লো আনন্দের চকমকে শরীর...

█▀▄▀▄▀▄▀▄▀▄▀▄▀▄█
আহা বিষণ্ণতা!
আমার স্নিগ্ধ সবুজ বিষণ্ণতা
আমার মখমল কোমল বিষণ্ণতা
আমার জোৎস্না ধোয়া নীলাভ বিষণ্ণতা
আমার বৃষ্টি মাখা উত্তাল বিষণ্ণতা...

ভালবাসার বিশ্বাস

ইউনিভার্সিটির ৪র্থ তলায় এসে আমি দেখি তুমুল ঝগড়া করছে সাঈদ আর শিমু।সাঈদ
আর শিমু এক সাথে পড়ে। দু জন-ই আমার ভাল বন্ধু।
কতক্ষন হল ওরা ঝগড়া করছে জানিনা ।আমি এসেই দেখি ওরা ঝগড়া বাধিয়ে দিয়েছে।একটু আগে সাঈদ আমাকে ফোন দিয়ে এখানে আসতে বলে ,আর এসেই দেখি এই কান্ড ।শিমু মেয়েটা সুন্দরী,সাদাকালো একটা ড্রেস পরে এসেছে। মুখেও তেমন একটা মেকাপ নেই,তবে ঠোটে আমার অজানা একটা রঙের লিপিস্টিক আর চোখে সামান্য একটু কাজল ,এই যা।
সাঈদ কালো ,গোমড়া মুখো ,আর একটু বলদ টাইপের তবে কুটীলতায় ভরা ।আমি বুঝতে পারিনা ,এত সুন্দরী একটা মেয়ে কিভাবে সাঈদ এর মত কালো একটা ছেলে কে পছন্দ করল ।যাই হোক,কথায় আছে না "ভালবাসার প্রেত্নীও সুন্দর" ।।
"তুই-ই বল হাসান" আমার দিকে তাকিয়ে বলল শিমু;"ওর মত মিথ্যুক ছেলে তুই তোর জীবনে দেখেছিস?" ।আমি বললাম
"তোদের ঝগড়ার মধ্যে আমাকে টানছিস কেন"।সাঈদ বলল
"কী বলিস,তাহলে তোকে এখানে আসতে বললাম কেন?"

'আ-মরি বাংলা ভাষা'

আমরা বলি মধু। ইংরেজিতে বলে হানি। আর পানিকে হানি বলে নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায়। পানকে বলে হান। পাগলকে হাগল। নোয়াখালীর মানুষদের নিয়ে মজার একটা জোক চালু আছে বাজারে। অন্যজেলার এক ছেলে তার নোয়াখালীর বন্ধুকে একদিন বললো-
দোস্ত, তোরা নাকি 'প' কে 'হ' বলিস সবসময় ? সত্যি নাকি ?
কোন হাগলে কয়... ঝটপট নোয়াখালীর বন্ধুর উত্তর।
নোয়াখালীতে আরো কিছু শব্দ আছে। যেমন, রান্নাঘরকে বলে 'রসুইঘর'। তরকারীর ঝোলকে বলে 'সুরুয়া'। দুষ্টু প্রকৃতির বাচ্চাদের বলে 'খন্নাশ' (জেবীন আরো ভালো বলতে পারবে)।

মরণেরে তুহু মম শ্যাম সমান

জুলমাত খোন্দকার ঘুম থেকে উঠে হকচকিয়ে গেলেন। ঘরে এই সময় কেউ থাকার কথা না। খুব মনে আছে দরজা-জানালা সব বন্ধ করে ঘুমিয়েছিলেন। অথচ দেখলেন বিছানার কোনে একজন বসে আছে। মুখ দেখা যায় না, কালো একটা আলখেল্লা পড়া।
জুলমাত খোন্দকার চিৎকার করে উঠতে চাইলো, কিন্তু মনে হল কেউ একজন গলা চেপে ধরে আছে। ফলে নিজের ফ্যাসফ্যাস গলাই অজানা মনে হলো তার কাছে। ভয়মিশ্রিত কন্ঠে বলে উঠলো-ক্কে ক্কে আপনি?
লোকটি সেভাবেই বসে থেকে কেবল মুখটা জুলমাত খোন্দকারের দিকে ঘুরিয়ে আনলো। মুখটা ভয়াবহ সাদা, কেবল চোখ দুটোই কালো। মোটেই স্বস্তি দেয় না এই মুখ। অমঙ্গলের পরিস্কার ঈঙ্গিত সেখানে।
জুলমাত খোন্দকার আবারো প্রশ্ন করলো-কে আপনি?
লোকটি নির্মোহ ভঙ্গিতে কেবল বললো-আমি মৃত্যু।

criterion seventh seal 420ff.jpg

স্বগতোক্তি

আজ আর কোথাও ফুল দেখিনা , দেখি ফুলের ছাঁচে বিষাক্ত যত ক্ষত ।
কংক্রিটবাণী কান-মাথা খায় , ঘাসফুলেদের ফাঁসির ধ্বনি থাকে অশ্রুত ।
আজ নাটাই-সুতো-ঘুড়ি দেখিনা , দেখিনা আকাশ , অখন্ড নীল আকাশ !
দেখি গুগোলার্থ্ আর লাশকাটা ঘর , দেখি সেথানে আস্ত আকাশ যেন খণ্ড খণ্ড লাশ !
আর দেখিনা জোত্‍স্না , পূর্ণিমাচাঁদ , দেখি , বিজলিবাতির মহামারী কত রোগী !
আজ চাষাভোষাদের গ্রাম চিনিনা , চিনি , কোট-টাই-বুটে নব্য চাষা , তারাই যোগী ও ভোগী ।

বাংলা ব্লগিংয়ের তকমাশিল্প বিষয়ে একটি চরম ব্যক্তিগত ব্লগপোস্ট...

সামহোয়্যার ইন আমলের শুরুর দিকে রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতির জটিলতায় তিনবারের বার একটা রিপ্লাই পাইছিলাম। পারমুটেশন-কম্বিনেশনের তৃতীয় পর্যায়ে যেই আইডিটা আমার হইলো সেইটা শুনতে বেশ খ্যাত লাগলেও মাইনা নিলাম ধৈর্য্যের অভাবে। সেইসময় জানতামই না যে নিকের চেহারা পাল্টাইতে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা যায়। মূলতঃ ব্রাত্য রাইসু'র প্ররোচনায় বাংলা ব্লগিঙের স্বরূপ দেখতে ২০০৬'এর মার্চের দিকে ব্লগের প্রথম পাতা দেখা হইছিলো। রাইসু তখন রাসেল ও তার বাহিনীর হাতে গালি খায় কথায় কথায়। রাইসু আমারে স্বাধীনচেতা বাঙালির এইরূপ দেখাইতেই আমন্ত্রণ জানাইছিলো সেই আসরে। সেইসময়ের সামহোয়্যার ইন ব্লগের প্রথম পাতা দেখতে ভীষণ ক্লামজি লাগাতে খুবেকটা আগ্রহ পাই নাই শুরুতে তখনো আমরা ইয়াহু গ্রুপেই সাচ্ছন্দ্য বোধ করি বেশি। সেইখানে সাহিত্য আর সমাজনীতি কপচাই। গালাগালির ব্যবহারে সারাক্ষণ সচেতন থাকতে হয়, মডারেটররা ভীষণ কড়া ছিলেন সেইসব ইয়াহু গ্রুপে।

একমুঠো জমিন

মন খারাপের
নিস্তব্ধ দুপুরগুলো
কেটে যায় একা,
দূর থেকে
কোনো এক ঘুঘু
বিষন্ন সুরে
ডেকে যায় অবিরাম ,
বুকের বাম পাশে
জমে থাকা
একতাল কষ্ট
গলার কাছে
দলা পাকিয়ে থাকা
এক মুঠো কান্না ,
আমার আকাশের
যত মেঘ
বৃষ্টি হয়ে ঝরে পরে।
একবার এসো
আমার হয়ে

হেডফোন

দিনগুলো যাচ্ছে দিনের নিয়মে। সময় কাটছে সময়ের মতো করেই। আমারো দিন যাচ্ছে আমারো মতো করেই। তবে সাম্প্রতিক কালে একটা হালকা গেঞ্জামে অহেতুক জড়াইছি তা হলো এলাকার এক প্রভাবশালীর বাড়ীওয়ালার পোলার সাথে ঝগড়া করছি। সেইখানে না চাইতেই আমি যা বলি না কাউকে সে ধরনের কথা বলে ফেলছি। যা চরম ফাউল একটা কাজ হইছে। এই ফাউল কাজটা নিয়ে আমি কিছুদিন খুব বিচলিত ছিলাম। মন মেজাজ খারাপ ছিলো। খালি ভাবতেছিলাম আট দশটা থার্ডক্লাস মানুষের সাথে আমার ডিফারেন্স কি?

আমরা বন্ধু ডট কম, তোমরা বন্ধু একটু বেশি হয়ো . . .

সমবয়সী কোনো বন্ধু না থাকা একধরনের বিড়ম্বনা। এই বিড়ম্বনায় আমি জড়িয়ে আছি বলা যায় বন্ধুত্ব কী জিনিস তা বোঝার আগে থেকেই। ঘটনাচক্রে আমার সব বন্ধু আমার চেয়ে বেশি বয়সী। শুধু বেশি নয় অনেক বেশি। এই যেমন আমি যখন এসএসসি-ও দিই নি তখন আমার এক বন্ধু কলেজে পড়ান। নিয়মিত শিক্ষক হিসেবে। আর একবার বয়সে বড় লোকজনের সাথে বন্ধুত্ব হলে সমবয়সী বন্ধুত্বে তখন কেমন একটি অস্বস্তি হয়। মনে হয় কোথাও ফাক থেকে যাচ্ছে। অনেক আড্ডাকে মনে হয় ছেলেমানুষি ধরনের। ধীরে ধীরে আগ্রহ নষ্ট হয়ে যায়। এও একধরনের ক্ষতি। সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হয় এক সুক্ষ শূন্যতা; সহজিয়া সতঃস্ফূর্ততার ।

কিন্তু কাকে বলে বন্ধুতা?
আমাদের সমাজে বন্ধুতাকে বড়ো একটি জায়গা দেয়া হয়েছে। বাঙালি এমনকি স্বামী বা স্ত্রী বা পার্টনারের সাথে যা শেয়ার করে না তা তুলে রাখে বন্ধুর সাথে শেয়ার করার জন্য। বন্ধুরা রীতিমতো একে অধিকারের পর্যায়ে নিয়ে যায়। তা নইলে বন্ধুত্ব কেন?

একলা একজন

নিঃসঙ্গ
রাতের বুকে
সবই যখন
ঘুমে নিশ্চুপ,
একলা আমি
হতাশার কাফনে জড়িয়ে
হিসেব মিলাই
জীবনের খাতায়,
যার প্রতি পাতা জুড়ে
আছে শুধু
ভুলের সমীকরণ
পাওয়া না পাওয়ার
দাড়িপাল্লায়
না পাওয়া টা ই
পরে থাকে
সীমাহীন
এক শূন্যতায়

বৃষ্টিবিলাস কথকতা..

#

''ভালোবাসি, বৃষ্টিদিন..
চায়ের কাপে আনমনা মেঘ;
চিলতে রোদে সাতরঙা সুখ,
প্রাণের গানে মন রঙ্গিন.. ♥ :)''

এই কটা লাইনই এখন আমার এফবি স্ট্যাটাস।
ওইদিন দেখলাম সচলেও এখন স্ট্যাটাস দেওয়া যায়, একটু হিংসাই লাগলো বলা যায়। ইশ্, আমাদের এখানেও স্ট্যাটাস দেওয়ার ব্যাবস্থা থাকলে কত্ত ভাল হত!

# #

আমার মনে বৃষ্টি লেগে আছে, পরশু রাত থেকেই।
কিছুতেই যাচ্ছে না। মাথার ভেতর মন ভিজিয়ে ক্রমাগত পড়ে যাচ্ছে
টুপটাপ ঝিরঝির আর ঝুম বৃষ্টি।

অসাধারণ একটা বৃষ্টিদিন গেল কাল, আজকের আকাশেও ঘুরেফিরে আসতেছে তার স্মৃতি। কালকের কথা ভেবে ভেবে আজকেও সকালে একটু বৃষ্টি হল। এখনও আকাশে কিছু কিছু মেঘ দৌড়াদৌড়ি করতেছে। মাঝে মাঝে একটু আধটু রোঁদ, আবার ঝিরঝির বৃষ্টি। এই চলছে।

ঘোরাঘুরি

বাংলাদেশের ৬৪ জেলা ঘোরা মানুষ আমি। স্কুল জীবন থেকেই আমার সারাদেশে ঘোরাঘুরি শুরু। কখনো এমনিতেই ঘুরতে যাওয়া। কখনো বাবার চাকরীর সুবাদে থাকা। আমার নিজের চাকরীর কারনেও অনেক জেলায় ঘুরেছি। আবার প্রথম আলোর সাথে দীর্ঘদিন জড়িত থাকার কারনেও দেশের অনেক জেলায় ঘুরতে পেরেছি। বিভিন্ন জেলায় ঘুরতে যেয়ে বিভিন্ন রকমের মানুষের সাথে মেশার এক অন্য রকম সুযোগ পেয়েছি আমি। কোথাও যেয়ে মনটা ভালো হয়ে গেছে। এত সুন্দর নিরিবলি ছিমছাম শহর। আবার কোথাও যেয়ে মেজাজ খারাপ হয়ে গিয়েছিল। সেই সব আজ কেবলই স্মৃতি। সুখের স্মৃতিই বেশি।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা