অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১০ জন অতিথি অনলাইন

যদি সতি্য না হয়ে গল্প হতো।

স্কুল এর টানা বারান্দায় দাড়িয়ে জমিয়ে আড্ডা চলছে।স্কুল এর সিনিয়র মোস্ট; আমাদের দাপট টাই যেন আলাদা । টিফিন আওয়ার এর শেষ ঘন্টা পরবে মিনিট পাঁচেকের মধে্য। জানালা দিয়ে ক্লাস রুম এ দেখতে পাচ্ছি মৌরিকে; ধরে বেধেও আজ ওকে বাহিরে আনতে পারলামনা। সেই তখন থেকে পুরো ঘর জুড়ে পায়চারী করছে আর রফিক স্যার এর দেয়া গদ্য আর পদ্য এর ব্যাখ্যা গুলো তখন থেকে আওরে যাচ্ছে।

আজ পড়া দিতে না পাড়লে জোড়া স্কেল এর মার ভাগ্যে জুটবে। কি যে করে না মৌরিটা; পড়া গুলো একদম মুখস্থ করে বসে থেকেও রফিক স্যার সামনে এসে দাড়ালে সে মুখে কুলুপ এটেঁ রাখে। আমি পাশে বসে ওকে অবাক হয়ে দেখি। এরপর যথারীতি শাস্তি।মাঝে মাঝে কি যে হয়না ওর।

জানালা

ফিডব্যাকের জনপ্রিয় গান -

কেনো খুলেছো তোমার জানালা,
কেনো তাকিয়ে রয়েছো জানি না তো,
মনে যে কি আছে বলো না......

এখনের ফ্ল্যাট বাড়ী যেভাবে একটার ঘাড়ে আর একটা উঠে আসছে তাতে করে মনে গালি ছাড়া কিছু আসার কথা না। আর যদি জানালার সামনে হয় পাশের বাসার বাথরুম বা রান্নাঘর তাহলে তো কথাই নেই।

এই কারণে হয়তো বাথরুম সিঙ্গারের চলও দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। কেউ বাথরুমে ঢুকে গান ধরলো আর ঠিক সেই মুহুর্তে যদি পাশের বাসার আন্টি রান্নাঘরে এসে কাজের মেয়ের সাথে চেচাঁমেচি শুরু করে, থাকে আর গানের মুড!!!!

মাঝে মাঝে গানের জ্বালায় অতিষ্ট হয়ে যাওয়া লাগে। আজকে সারাটা দিন পাশের বাসায় বাজালো আরাশ এর ব্রোকেন এঞ্জ্যাল। গানটা সুন্দর। কিন্তু তোমার নাহয় বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ডের সাথে ঝগড়া হইসে তাই বলে ভাই আমাদেরও শুনতে হবে চব্বিশটা ঘন্টা একই গান!!!

সর্বদলীয় ধুমপায়ী জোট

অবিশ্বাসীদের তুলনায় পৃথিবীতে বিশ্বাসী মানুষের সংখ্যা্ অনেক অনেক বেশী, দুরের নক্ষত্রের মহাকর্ষ অভিকর্ষ পৃথিবীর সামান্য কোনো পরিবর্তন ঘটাতে পারে না এই বৈজ্ঞানিক সত্যে বিশ্বাসী মানুষও পত্রিকার পাতা উল্টে ভাগ্যগননা দেখে, বছর শেষে " এ বছরে আপনার ভাগ্য কেমন যাবে" পত্রিকার পাতা উল্টে বাৎসরিক ভাগ্য পরিসংখ্যানকে আমলে নেয়। অধিকাংশ মানুষই নিজের রাশি সম্পর্কে জানে এবং এ সংক্রান্ত যেকোনো বিবৃতি বেশ গুরুত্বের সঙ্গে বিশ্বাস করে কিংবা তার উপরে আস্থা স্থাপন করতে চায়।

একান্ত ব্যক্তিগত ঘটনা - প্রাপ্তমনস্কদের জন্য

ব্রাজিলের সুপারস্টার রোলানদোর ফর্ম যখন তুঙ্গে, সেই বিশ্বকাপের সময় সাংবাদিকরা জানতে চেয়েছিলো রোনালদোর এই অফুরন্ত প্রাণশক্তির রহস্য কি ?
রোলানদো ইংগিতপূর্ণ হাসি দিয়ে বলেছিলো -
- প্রতি ম্যাচের আগে আমি আমার বান্ধবীর সাথে বিছানায় রাত কাটাই।

বিষয়টা কিন্তু ভেবে দেখার মত।

আজ বিকেলে আমি এক 'জায়গায়' গিয়েছিলাম, এমন না যে জায়গাটা নিষিদ্ধ, ভদ্রঘরের ছেলেরা সেখানে যায় না। জায়গাটার সুনাম-দূর্নাম দুটোই আছে। তবে একটা কথা বেশ দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি এই 'জায়গাটা' আছে বলেই এই শহরের মানুষেরা তাদের শরীরিক ক্ষুদা অনেকাংশে মেটাতে পারছে।

কেউ কারো নই,দূরে ঠেলে কড়ির গন্ধ

কেউ কারো নই

তুমি বিচ্ছিনতাবাদী হতে চাও
আমার তো ওজর নেই।
তুমি আধুনিক মানুষের প্রতিচ্ছবি,
দায়হীন সম্পর্ক ভালোবাসো
আমি তাতেও হারাইনি খেই।
আধুনিকতার অনুসঙ্গ Individualism বা
ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যে যদি থাকে তোমার অনুরাগ
আমার অনুরোধ একটাই- মিছে ভন্ডামীর
”আমাদের” শব্দটার এবার করো বিভাগ;
অংকটা ভীষন সহজ ‘‘আমাদের ÷ দুই” =
‘ তুমি এবং আমি’ - কেউ কারো নই।

(02.04.11)

দূরে ঠেলে কড়ির গন্ধ

ঘনায়মান ছায়াতেও আমি খুঁজে পাই ঘৃণার শরীর
শুধু তোন জন্যে মা, তোর জন্যে
আমি বুকের লাল খুঁড়ে সিঁদুর রাঙা হই
বিষ গিলতে গিলতে তোর বাহুতে আঁকি ডানা পরীর
যদি কোনদিন আমি তোর বিশ্বভুবন ছুঁই!

দোজবর শালিক নোংরা ঘাঁটা ঠোঁটে
নির্লজ্জের মতো গেয়ে উঠতে চায় আপোসের গান,
তুই জানিস মা, তোকে বাঁচাতে আমার এখন সিনা টানটান।

আমার মনের যতো খামখেয়ালী

কথা না রাখলেও যদি ভালো থাকা যায় তাইলে রাখার দরকার কি?

আগেই বলে দেই বিশাল বড় শিরোনামের রহস্য, পোষ্টে আসলে কিছু নেই, স্রেফ হাতের লেখার প্র্যাক্টিস করি। সোলায়মানলিপিতে হাতের লেখা ভালো হয়।

তো পোষ্টের শিরোনাম দেখে বুঝা যায় এই পোষ্টে প্রতিজ্ঞা না রাখা বিষয়ক হতাশা বিষয়ে আলোচনা হবে। এই প্রতিজ্ঞা করা ও ভাংগা বিষয়ে অনেক কবিতা (কেউ কথা রাখেনি: সুনীল কাকাবাবু), গান (মনে পড়তেছে না), নাটক (মনে পড়তেছে না), গল্প (মনে পড়তেছে না), উপন্যাস (মনে পড়তেছে না), চিঠি (না বলি) লেখা হয়েছে। তবে প্রতিজ্ঞা করা যেহেতু থেমে নেই, তাই প্রতিজ্ঞা ভাংগা বা বেমালুম ভুলে যাওয়াও থেমে নেই। সো এই বিষয়ে আলাপ করা অর্থহীন।

শিরোনামহীন ৫

অনেক দিন পর একটা ডে অফ পাইছিলাম আজকে কিন্তু সকাল বেলায় দৌড়াইতে হইছে ক্লাসে Sad তারউপর সকালবেলার পিক আউয়ারে ট্রেনের সিগন্যাল ফেইল হইয়া লাইনের উপর ঝুইলা ছিলাম ( বান্দরের মতো না Tongue ) । দেশে থাকতে দূপুর বেলায় গরমগরম পরোটা পাইতাম নাস্তা হিসেবে আর লন্ডন আসার পর সকালের নাস্তা কি ভুইলা গেছি Sad সকালে এখন আমার সংগি একটা স্নিকার বার আর রেডবুল নামক পানীয় যেইডা ঘুম থেকে আমার বিচ্ছেদ ঘটায় Sad তারপর ক্লাসের বিরতিতে ডাবল এসপ্রেসো ( তিতা )।

যন্ত্র (শেষ পর্ব)

প্রথম পর্ব

এগুলা কি হচ্ছে? সব তোর দোষ। রায়হানকে উদ্দ্যেশ্য করে অর্কের বলা কথাটুকু বিভাজনের রেখা টেনে দিয়েছিল। রায়হান স্বভাবসুলভভাবে ক্ষেপে গিয়ে অর্কের কলার চেপে ধরেছিল। বাকি দুজন ওদের ছাড়ানোর চেষ্টায় ব্যতিব্যস্ত ছিল। ওরা সিগারেট তৃষ্ণা ভুলে গিয়েছিল, দাঁড়িয়ে ছিলো কিংবা ঝগড়ারত ছিলো আলোবন্দী হয়ে। ঠিক তখন-ই যুবকেরা সচেতন হয়, কারণ অস্থির চিত্রগুলো যা তারা ফোকাস করতে পারছিল না, তাদের কিছু একটা বলতে চাচ্ছিল।

রায়হানকে দেখা যাচ্ছে, কলেজ গেটের সামনে ধূমপানরত অবস্থায়। অর্ককে দেখা যাচ্ছে চা পানরত অবস্থায়।
কোথাও চলে যেতে ইচ্ছে করে। অর্ক রায়হানকে উদ্দ্যেশ্য করে বলে।
রায়হান দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলে আমারো। তারপর তারা কিছুক্ষণ কথা বলে। অর্কের ভেতর চলতে থাকা এই দৃশ্যগুলোর দিকে আঠা দিয়ে আটকানো দৃষ্টি মেলে তাকিয়ে ছিল বাকি তিনজন।

বলবো না কাউকে

না বলা কত কথা! না বলা ব্যাথা! কখনো বলার চেষ্টা করে আবার নিজেকে থমকে দেয়া। কোথায় বলো....বলবো, কার কাছে?

আমার কিছু বলার ছিল....
তোমায় বলার কেবল তোমায়......
যেই না আমি ঠোট মেলেছি, সেই কথাটা বলবো বলে......

ভালবাসার স্পর্শ কোথা পাই

প্রতি রাতে আমি একটা স্বপ্ন দেখি। দেখি কনডেম সেলের মতন একটা ঘরে হাত পা শেকল দিয়ে বাধাঁ অবস্থায় আমি পড়ে আছি আর কেউ আমার গলা টিপে আমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে। স্বপ্নটা দেখে রোজ শেষ রাতে আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়। প্রচন্ড ভয়ে আমি ঠান্ডা হয়ে যাই, পানির তেষ্টায় গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যায় কিন্তু আমি নড়তে পারিনা। আমার হাত পা সব অবশ হয়ে আসে। আমার কেবলই মনে হতে থাকে এটা মনে হয় আমার ভবিষ্যত। আমি বোধ হয় এমন অন্ধকারের দিকেই ক্রমাগত এগিয়ে চলছি। যেখানে কেউ একজন আমার স্বত্তাকে ঠিক এভাবেই মেরে ফেলতে চাইবে, আমার "আমি"কে গলায় ফাঁস পরাবে, আমার হাত পা বেধেঁ ফেলবে যাতে বাইরের দুনিয়াটা আমার কাছে অস্পৃশ্য হয়ে যায়। আমি সত্যি সত্যি আমার গলায় ফাসিঁর দড়ি অনুভব করি। আজকে সকালে অফিসে গিয়ে কথাটা আমি লিন্ডার সাথে শেয়ার করলাম। সব শুনে ও বলে, তোর শরীরটা দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে। রাতে ঘুমাসনা ঠিকমতো এইজন্য এরকম উলটাপালটা স্বপ্ন দেখ

বিবর্তন

১.
দেশী রুই, কাতলা, মাগুর, চিকন চালের ভাত আর খুঁজে পাওয়া দায়। বরং দেখি ইন্ডিয়ান রুই, সিল্ভার কার্প, আফ্রিকান মাগুর আর হাইব্রিড ধানের ভাত। কবুতরের মাংস, বিলের কই, বিলের মাগুর-শিং, পুটি, আইড়, বোয়াল মাছের স্বাদ আজ ধরা ছোঁয়ার বাইরে। তাজা ছোট মাছের চচ্চরি, বাইম মাছের দ্বো-পেয়াজা, পাঁচ মিশেলি শাঁক আর সাথে মশুর ডালের পাঁচ-ফোঁড়ন মেশানো গন্ধ ও স্বাদ কবে উবে গ্যাছে মনে নেই। আগুনে পোড়ানো ঝুপরি বেগুনের ভর্তা খাওয়ার মজা যা আজোও ভোলা যায়না সেই বেগুন-ই নেই বাজারে। আছে এক কেজি ওজনের বিলেতি বেগুন। পোড়ালে ঔষধের গন্ধ।

ডাইরী ১১৮

এক.
আরশোলার ঠোটে চুমু খেতে চেয়ে কাল সারা বিকেল এবং রাত ওত পেতে বসেছিলাম তাহার পাশে। আরশোলা কেবল এদিক ওদিক ঘুরে ফেরে আবিষ্কারের নেশায়। কখনো তামাম বছরের গায়ে দিয়াশলাই ঘর্ষণে জ্বলে উঠেছে আগুণ। গুনগুন গান গেয়ে আরশোলা উড়েছে আগুণের শিখায় শিখায়। আরশোলারে পোষা পাখি ভেবে আমি তার প্রেমে পড়ে গেছি, কখনো ভাবি নাই আগুণ পাখি ছাড়া আর কেউ দীপ্তিমান উড়ে...

দুই.
আমি আর আরশোলা এইঘরে থাকি। আর তুমি ও তোমরা ঐ ঘরে ডর ভয়ে কেঁপে কেঁপে ওঠো। আমি হাতের মুঠোয় আরশোলারে নিয়ে নিজেরে গ্রেগর সামসা ভাবতে ভাবতে আর্দ্র হয়ে উঠি। দরজায় তখন মৃত ভারতীয় কেবলি গোঙায়। আর আরশোলার ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অধরে কামময়তা খেলেছে জীবন অথবা যৌবনের রসে।

যদিও আমার জানা নাই কোথা হতে এলো সেই মৃত ভারতীয়। তবু তার গোঙানিতে সম্মোহিত আমি আরশোলারে চুমু খেতে চাই...

হেলুসিনেশন কিম্বা ফ্রাস্ট্রেশন।

তিন.

তুমি থেকে আমি, আমি থেকে শূন্য

(১)

লাবণ্যে বাঁধন সুপ্ত শঙ্খ কথক
দৃশ্যত তার ক্লান্তি বিলাস অলক্ষ্যে হৃদয় হরক,
শাস্ত্রে তার অচিন্ত্য আকার
মরণে মাহাত্ম্য শুধু যে আমার,
সীতা সে যে কর্তব্যে অনড় সৃষ্টি
দেখ দেখ, ঝরছে সবুজ এবং বৃষ্টি।

(২)

অপেক্ষায় ছিলাম জলে ছায়া ভাসিয়ে।
সে এসেছিল। তারপর শুধু জল-ছায়ার নিপুন উথাল পাতাল।
কেউ পূর্ন নয়-
কিছু না কিছু হারাতেই হয়।

(৩)

কে যেন বলেছিল “তুমি সুন্দর”
সেই সুন্দর পোড়ার সুগন্ধে
আমি উল্লাসে ফেটে পড়ি।
শুধু তুমিই নির্বিকার।

(৪)

আমার জন্য কেউ কাঁদে না,
কেউ না !
আমিও না।
শুধু , পান্ডুলিপি পুড়ে
ধূসর রঙ এর শোক হয়ে যায়।

(৫)

”কেমন আছ ? “ জেনে কী হবে ?
এখন যাবার সময়।

(৬)

এমনওতো হতে পারে,
ফিরে এস দেখবে
ঘাস ফুল হ’য়ে আছি।

প্লিজ, ছিঁড়ে নিও
খোঁপায় গুঁজে নিও।

আমন্ত্রণ আর নিমন্ত্রণ বা সুখ আর শান্তি

আমন্ত্রণ আর নিমন্ত্রণ বা সুখ আর শান্তি শব্দ গুলোতে বেশ তফাৎ আছে। আমরা জেনে বা না জেনে অনেকেই এরকম শব্দ ব্যবহারে ভুল করি। এছাড়াও পাশাপাশি কিছু শব্দ আছে- যা আমরা হামেশাই ব্যবহার করে আসছি। যাকে বলছি বা যে বলছি, কারোই মনে হয়না ভুল বলছি বা ভুল শুনছি।
অনেককে বলতে শুনি- ইন কেইস যদি আসতে না পারিস...
আমাকে ফোন দিস দোস্ত...
আজকালতো রাস্তা ঘাটে যে ভাষায় লোকজন কথা বলে ! সব্বোনাষ ! বিশেষ করে এ যুগের ছেলেমেয়েদের কথা শুনলে অবাক হয়ে যাই। ভাবি, আচ্ছা ওরা কি বাসায়ও এভাবে কথা বলে ? নাকী শুধু বন্ধু বান্ধবের সাথে বলে !
লিখবো কী নিয়ে আর লিখছি কী নিয়ে ! জ্ঞান দেয়া শুরু করে দিয়েছি...। ভাবটা এমন যেনো মুই কী হনুরে ! বলতে চাচ্ছিলাম- আমন্ত্রণ আর নিমন্ত্রণ এবং সুখ আর শান্তি শব্দগুলোর মধ্যে পার্থক্য নিয়ে...

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ