অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

একটি কবিতা, দুইটি কবিতা, তিনটি কবিতা...

কবিতার ইকোনোমিক্স

ভাবের দলনে রাগ মোচে না আর,
প্রেমিকার দুনিয়া জুড়ে রাজ্যের ক্ষুধা:
রুটির এখন বিশেষ প্রয়োজন।
নো ফ্রয়েডিক,
নো প্লেটোনিক,
এখন থেকে কবিতা হবে নিপাট ইকোনোমিকাল।

প্রেম

রাস্তার গাড়ি গুলো থেমে গেলে
ট্রাফিক পুলিশকে লিখে দেব পৃথিবী।
লাল তিলের মেয়েটি কান ফুটিয়েছে।
বেশ্যাদের রাতভর জাগাবো জিকিরে,
হে ঈশ্বর, আমাকে ডানা দাও।
পকেটে ঘুমিয়ে আছে পাথরের দুল।

পুরুষতান্ত্রিক মন

যুবকের প্রতি প্রেমিকার কামুক চাহনি দেখে
ফুঁসে ওঠে পুরুষতান্ত্রিক মন,
একলৈঙ্গিক হাওয়ায় ফেপে ওঠে ঈর্ষার বেলুন।
ক্ষমা চাই উষ্ণ প্রেমিকা,
ক্ষমা চাই সুঠাম যুবক।

অভিমান বিষয়ক কাব্য

রক্তজবায় বিদ্রোহ নাই, লাল মানে সমর্পণের কবিতাও তবে...

অভিমানে অভিযানে যে দূরত্ব লেখা হয়,
তারে কখনো মাপেনি কেউ। আর তাই
ক্রমশঃ তাহার ছায়া সরে গেছে বহুদূর;
যতোদূর গেলে পাল্টে যায় গোলার্ধ, সূর্যের
প্রাত্যহিক অভ্যাসেরা।

অভিমানে দাগ পরে গেলে
তা কতোটা কঠোর হয়েছে? আমি রেখা ভেবে
মুছতে গিয়ে দেখি এ কেবল বিন্দুর সমান্তরাল পথ নয়,
দাগ মানে স্মৃতির চে অধিক সরল,
ইতিহাসের চে' অধিক বাস্তবতা।

অভিমান ভুলে যেতে বলে
জিভ কেটে ফেলি। এমন প্রতারণার খেলা
জীবনের সাথে খেলতে নেই...
অভিমান মানে রূপ আর লাবণ্যের রেখা।
তুমি অভিমান রয়ে গেলে আমি দূর থেকে
তোমার সৌন্দর্য্য দেখি।

অভিমান মানে অস্তিত্বের দিশা
অভিমান মানে সরল গণিত...

দুঃস্বপ্নের ৪০ ঘন্টা

১৪ জুন ২০১১, দুপুর ১২.১৫ মিনিট
আমার পরিচিত একজন ব্যবসায়ী তার অফিস থেকে বেরুলেন। গাড়ি না নিয়ে রিকশায় রওয়ানা হলেন। সাথে তার অফিসের একজন যেতে চাইলে না করলেন। বললেন, কস্তুরি হোটেলে যাচ্ছি। একটি সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার সাথে মিটিং আছে। এরপর থেকে সে ভদ্রলোকের সব কটি মোবাইল ফোন বন্ধ। তাকে আর ট্রেস করা গেল না। সেদিন গেল, তার পরদিন ও তার কোনো খোঁজ পেলোনা তার অফিস বা পরিবারের কেউ। হাসপাতাল, থানাসহ সব সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার অফিসেও তার কোনো তথ্য পাওয়া গেলো না। রাশেদ নামের একটা ছেলেকে সন্দেহ করলো পরিবারের লোকজন। তার নামে জিডি করা হলো থানায়।

১৫ জুন ২০১১, বিকাল ৫.১০ মিনিট

স্মৃতির ফুলে বৃষ্টি ছুঁলে পরে, আমার ঘরে গন্ধ টলোমলো-২

অনাকাঙ্খিত বিলম্বের জন্য কান ধরে উঠবস করছি- এক, দুই, তিন, চার...

আমার ক,খ শেখা সোবহান স্যারের কাছে। ভদ্রলোক কোন স্কুল কলেজের শিক্ষক ছিলেন না, শুধু টিউশানি করাতেন। তিনি প্রতিদিন সন্ধ্যায় বাসায় এসে পড়িয়ে যেতেন, পড়তাম আমি আর তন্দ্রা।সোবহান স্যারের কাছে পড়াকালীন কোন স্মৃতি আমার ভয়াবহ দূর্বল মস্তিষ্কে এখন আর বিশেষ কিছু নেই, শুধু মনে আছে একবার আমার আর তন্দ্রার ভেতর এবিসিডি, কখগঘ এইসব লেখা নিয়ে একটা প্রতিযোগীতার মতো হয়েছিল। তাতে কী একটা পুরুষ্কারের ব্যাবস্থাও ছিল। প্রতিযোগীতায় কে জিতেছিল সে কথা না ই লিখলাম...

নার্সারী, কেজি এই সব পিচ্চি ক্লাস ডিঙিয়ে আমাকে সরাসরি ক্লাস ওয়ানে ভর্তি করিয়ে দেওয়া হল।তন্দ্রার ঠ্যালা আরো বেশী, সে ভর্তি হলো ক্লাস টুতে। তন্দ্রা অবশ্য আমার থেকে বছর খানেকের বড় ছিল।

ইত্তেফাকের জন্ম রহস্য

logo-ittefaq.gif
একটা সময় বলা হতো বাংলাদেশে তিনটি প্রতিষ্ঠান আছে। আওয়ামী লীগ, সেনাবাহিনী ও ইত্তেফাক। বাংলাদেশের জন্মের সঙ্গে ওতোপ্রতো ভাবে জড়িত ইত্তেফাক। কিন্তু ইত্তেফাকের ইতিহাস নিয়ে আছে ধোয়াশা। এর প্রকৃত মালিকানা নিয়েও অনেক গল্প চালু আছে। পত্রিকাটির ভূমিকা নিয়েও আছে নানা আলোচনা। ইত্তেফাকের জন্ম নিয়ে এই পোস্ট।

নারীর জয়- পুরুষের পরাজয়= সহিংসতা

কোন আনকোরা খবর নয়। খবরের ধরন এবং ঘটনা পুরনো। স্বামী বা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের দ্বারা নারী নির্যাতন বা সহিংসতার শিকার হচ্ছে। নারী যে পরিবারে কেবল পুরুষ দ্বারাই নির্যাতিত হচ্ছে তা নয়। তাকে সমলিঙ্গের নীপীড়নেরও শিকার হতে হচ্ছে। শুরুতেই বলেছি খবর গুলো পুরনো। বলা যায় গণমাধ্যমে এখন খবর গুলো আসছে বেশি। আগে যে পরিমানে নারী নির্যাতিত হতো পরিবারে এখন তেমনটাই হচ্ছে। সেখানে পরিমান বাড়া-কমার তেমন তারতম্য ঘটেনি। ঘটেছে নারীর সয়ে যাওয়ার ধৈয্য চ্যুতি। একটা সময় পর্যন্ত নারী সন্তানের দিকে চেয়ে, মা-বাবা পরিবারের দিকে চেয়ে কিংবা স্বামীর কাছ থেকে বেরিয়ে আসার পরের অসহায়ত্বের কথা ভেবে, মানিয়ে চলা বা সয়ে যাওয়ার লড়াই করে এসেছে। কিন্তু গত দুই দশকে ভেতরে ভেতরে বিপ্লব ঘটে গেছে, যার উত্তাপ পুরুষ বা সমাজ পেয়েছে হয়তো কিছুটা। কিন্তু আমলে নেয়নি। ভেবেছে নারী সে আর কতো দূর যাবে?

বাবার পোশাক

বাবাকে নিয়ে কিছু লেখা আমার জন্য কঠিন,বাবার সাথে আমার অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিলো না, বরং বলা যায় আমি তাকে চিনতাম না। যে বয়েসে অন্তরঙ্গ নির্ভরতার সম্পর্ক গড়ে উঠে, যে বয়েসটাতে আবদার আর প্রশ্রয়ের সুযোগ তৈরি হয় সম্ভবত সরকারী চাকুরে বাবার অনুপস্থিতিতে সেই সম্পর্কটা তৈরি হতে পারে নি। বাবার সাথে আমার সম্মানজনক দুরত্ব ছিলো এবং এখন মনে হয় এই দুরত্বটা পারস্পরিক নির্লিপ্ততার চেয়েও বেশী ছিলো সম্পর্কহীনতার দুরত্ব। তার সাথে আমার যে সম্পর্কটা তৈরি হয় নি শৈশবে পরবর্তী জীবনে সে সম্পর্কের ছায়াটা আর দীর্ঘ হতে পারে নি।

ডিজিটাল বাংলাদেশ

দেশ দেশ দেশ
ডিজিটাল বাংলাদেশ
পড়ছে বৃষ্টি জমছে জল
জলাবদ্ধতা বেশ বেশ।

নদীতে ডুবোচর
নৌকা তাই স্থলে
ভারী বর্ষণে জলজট
গাড়ি চলে জলেতে।

দেশ দেশ দেশ
ডিজিটাল বাংলাদেশ
জ্বালানির দাম বেড়েছে
চলে গাড়ি সিটিংয়ে।

রোজ আসে রোজ যায়
যাত্রী ওঠে লোকালে
ভাড়া যদি দেয় কম
চৌদ্দগোষ্ঠীকে ঝালে।

সারাদিন ঝর ঝর
আষাঢ়ের বৃষ্টি
ডিজিটাল বাংলাদেশে
জলজটের সৃষ্টি।

দেশ দেশ দেশ
ডিজিটাল বাংলাদেশ
জনগণের নাভিশ্বাস
মন্ত্রী-এমপিরা আছে বেশ।

দাম বাড়ে নিত্যপণ্যের
বাড়ে দাম জ্বালানির
দিন আনে দিন খায়
জীবন গেলো ফালানীর।

অশ্লীলতা ছাড়া ভালবাসা আছে কোথায়, বল ?

তুমি অচল হয়ে গেছ ভেবে কষ্ট পাচ্ছ অহর্নিশ কিংবা
বাতিল ভেবে কষ্ট দিচ্ছ নিজেকে,
লাল কিংবা নীল, যা ইচ্ছা- দিয়ে
সাজাতে চেষ্টা করছো তোমার পরিধি, বর্তমান,
যা অনেকেরই সুগত অতীত হয়ে প্রাঞ্জল
ভেসে বেড়াচ্ছে অদৃশ্যে অহরহ।

বন্ধুরা তোমাকে “৬৯ মডেল বলে নির্মম বাক্য ব্যয় করে- আর তুমি
চোখে কৌতূহল জাগিয়ে বিশ্বাস্য হাসিতে মৃদু প্রতিবাদ ক’র।
অথচ, এই তোমাকেই তুলনীয় করে অনেকেই তো হয়েছে (হচ্ছে)সুখ্যাত নায়ক,
পার্শ্ব চরিত্রে তুমি অভিনয় করে যাচ্ছ চমৎকার,
ভেবেছ, এ তোমার সর্বশেষ প্রাপ্য অঢেল।
প্রায়শই এ হাট থেকে ও হাটে বিক্রি হচ্ছো তুমি, আর
অসংখ্য প্রতিবিম্ব হয়ে ভোগ্য হয়ে উঠছো প্রতিনিয়ত,
ভেবেছ, যদি নাই পার নিস্বার্থের আগুনে সবাইকে ছিন্ন ভিন্ন করতে, তবে,
তোমাকেই তুমি পুড়ে ছাই করতে থাকবে এবং
সবার উপর প্রতিশোধ নেয়া হয়েছে ভেবে,
দুচোখে কান্নার ঝড় তুলবে।

তোমাকে দেখে সত্যই হাসি পায়, ভীষণ !

বাংলা মা

যখন এ কবিতাটি লিখছি তখন জ্বলছিলো খাগড়াছড়ি ও বাঘাই ছড়ির আদিবাসীদের গ্রাম।না খেয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে কোন রকম বেচে আছেন আদিবাসীরা।খবরের কাগজে ছাপা হচ্ছিলো তাদের দুর্বিসহজীবনের কথা।যত দেখছিলাম তত খারাপ লাগছিল।যতজন পরিচিত ছিল সবাইকে কল করেছি কিন্তু কাউকে পাইনি।দুচ্ছিন্তায় যাচ্ছিল প্রতিটি মুহূর্ত।এমন সময়ে একটি রাতে লিখেছিলাম এ কবিতাটি।জানিনা আপনাদের ভাল লাগবে কিনা।তবুও লিখলাম।

মাগো তুমি কি শুনতে পাও তোমার সন্তানদের আর্তনাদ,হাহাকার আর কান্নার ধ্বনি?
মাগো তুমি কি জানে তোমার সন্তানদের হত্যা করছে নিষ্টুর খুনি?

জ্বলছে গ্রামের পর গ্রাম শতশত বাড়ি,
প্রাণে বাচার তরে মানুষ ছেড়ে যাচ্ছে প্রিয় বাড়ি,
কালো ধোঁয়া মিশে গেছে আকাশে,
কান্নার ধ্বনি মিশে গেছে বাতাসে,
চারদিকে ছুটাছুটি চারিদিকে খোজাখুজি কোথায় আপন জন,
মাতা হারিয়ে ছৌট ছেলেটা কাঁদতে কাঁদতে অচেতন,
মা তুমি কোথায় আমাদের ও সাথে নিয়ে যাও,

জীবন বহে নদীর মতো

এক.
বসন্তকাল- চৈত্রের শেষভাগ, রোদের তেজ যথেষ্ট। সকালেই সূর্য পূর্ণ তেজে পৃথিবীকে উত্তপ্ত করে চলছে। গতকাল একচোট ঝড়বৃষ্টি হয়েগেছে। আজ অবশ্য আকাশ পরিষ্কার। আকাশের দক্ষিণ পশ্চিম কোণে কেবল তুলার মতো হালকা একখণ্ড মেঘ ভেসে আছে। শুভ্র মেঘের ফাঁক গলে নীল আকাশ দেখা যায়।
সকালে জমিতে হাল দিয়েছে সাদেক আলী। সাদেক আলীর বয়স আনুমানিক বিশ। তার নাম রাখা হয়েছিল সাদিক আহমেদ। জন্ম হয়েছিল সুবেহ-সাদিকের সময়; তাই ঢাকায় পড়ুয়া বড়বাড়ির মেয়ে তার নাম রেখেছিল সাদিক আহমেদ। বড়বাড়ির মেয়ের সেই সখের নাম অশিক্ষিত বাবামায়ের ঘরে ক্ষণকাল থেকে হাফিয়ে উঠল। সাদিক আহমেদ পরিবর্তিত হয়ে বাবা-মায়ের কাছে হলো সাদেক আলী আর পাড়া-প্রতিবেশীর কাছে হলো ‌'সাদেইক্যা'। সাদেক আলী ছোট সময় যদিও শ্যাম বর্ণের ছিল কিন্তু রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে এখন হয়েছে কৃষ্ণবর্ণের। খাটোমতো ছেলেটি। বুকের পাটা যথেষ্ট চেপ্টা, চওড়া কপাল, মাথাবর্তি লালচে-কালো চুল।

নাম দর্শনের মাজেজা:চার

অর্জুণ নামটির কথা চিন্তা করুন,তিনি যদি কিছু অর্জন না করেন তা হলে কী ভাবে তার নাম অর্জুন হয়? কী অর্জণ করেছিলেন অর্জুন?কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে তিনি ধর্মার্থ অর্জন করেছিলেন। ।।তিনি বলছেন:আমরা রাজার ঘরে জন্মেছি,অমানুষিক ক্ষমতায় এই রাজ্য জয় করেছি,সেখানে ধর্মার্থ ত্যাগ করে মূর্খের মতো বনে যাব কেন?(মহাভারত,১২.৮.৯)।অন্যত্র দেখছি তিনি আবার বলছেন,‌‌‍‍ এতদিনে শত্রু বধ করে এই পৃথিবীর অধিকার লাভ করলাম ,সেখানে সব ছেড়ে চলে যাবার কথা ভাবাটা যে একেবারেই বুদ্ধিহীনতা হবে(মহাভারত ১২.৮.৫)।তার মানে আমরা দেখতে পেলাম যে,কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে অর্জুন ‌‍'পৃথিবীর অধিকার' এবং ‌'ধমার্থ' নামক বস্তু দুটি অর্জন করেছেন ।েস কারনেই তিনি অর্জুন। অর্জুন নামে যথাযোগ্য হয়েছেন।। ।। এই যে আমরা এতক্ষণ যা বললাম, এতো কেবল নামের কারণ হলো মাজেজা নয়, মাজেজাটা আমরা একটু পরেই আলোচনা করতে চাই।। ।। কীভাবে করতে চাই?

বিবর্ণ ক্রান্তিকালের চিত্রভাষ্য 'কাঁটাতার ' ও 'দ্যা প্যাশন অফ দ্যা খ্রাইস্ট'

নব্বই পরবরতী কিংবা তারও পরে সিনেমায় কেমন জানি একটা স্থিরতা স্থিরতা ভাব এসে সিনেমাকে আচ্ছন্ন করে দিলো । বিশেষ করে বাংলা সিনেমায় কেমন জানি একটা নতুন পাকে মোড় নিলো । দেশীয় ঘটনাপ্রবাহ ছেড়ে বাংলা সিনেমা আন্তর্জাতিকতার গলিগুজি দিয়ে প্রবেশেধীকার চাইলো আন্তর্জাতিকতার । এমনি এক সিনেমা thumb_2011-04-15-17-05-34-080429900-3_0.jpg' কাঁটাতার ' পরিচালক বাপ্পাদিত্য বন্দ্যেপাধ্যায় । ' এপারের হাওয়া এপারেও যায় , এপারের মেঘ অপারেও ভেসে বেড়ায় , এপারের আকাশ অপারেও এক , এপারের টাকা অপারে চলে তেমনি অপারেরটাও শুধু এই কাঁটাতারটাই বারবার মনে করিয়ে দেয় এই ভূখণ্ড আলাদা !

কবিতারা

১.
আজকাল এবিতে অনেক বেশি কবিতার পোস্ট দেখা যায়। মানুষজন শুনছি কব্তিা নিয়ে ব্লগ থিসিসও করা শুরু করেছে। তাই ভাবলাম, আমিও বাদ যাই কেন? তাই কবিতা একটা লিখেই ফেললাম।
ভাবছিলাম কি নিয়ে কবিতা লেখা যায়। রবীন্দ্রনাথ প্রেম, প্রকৃতি, পূজা ও স্বদেশ নিয়ে বেশি কবিতা লিখেছেন। আমি স্বদেশ দিয়েই শুরু করলাম। আমি আবার অর্থনীতি নিয়ে কাজ করি। তাই স্বদেশ চিন্তায় অর্থনীতিও চলে আসলো।

আমরা নিরন্তর কাজ করে চলেছি
এগিয়ে চলেছি রূপকল্পের
স্বপ্ন পূরণের দিকে।

এগিয়ে চলেছি
সাহসী ও পরিশ্রমী মানুষকে সাথে নিয়ে
অর্থনৈতিক মুক্তির পথে,
সুন্দর ও আলোকিত এক আগামির পথে।

যেখানে আমরা দেখবো উন্নয়ন,
গণতন্ত্র
শান্তি
প্রগতির
অনন্য এক সহাবস্থান।

এ পথ কুসুমাস্তীর্ণ নয়,
বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে
কাঙ্খিত গন্তব্যে পৌঁছাবোই।

কোনো অপশক্তির কাছে
কখনও পরাভব
মানিনি,
মানবো না।

আমাদের মিলিত শক্তি

হুদাই প্যাচাল... (১)

এক.
(ক)
রুমানা মঞ্জুররে তার জামাই হাসান সাঈদ পিটানোতে বেশ হয়। আমরা আবার নারী নীতি নিয়া সোচ্চার হওয়ার কথা ভাবতে পারি। আওয়ামি আর আমিনীর শঠতার আড়ালে চইলা যাওয়া নারী নীতি নিয়া আবার ভাববার সময় বের করতে পারুম আমরা মধ্যবিত্তরা। রুমানা মঞ্জুরের চোখ নষ্ট হওয়াতে বেশ ভালো হইলো, সাঈদ সাহেব যদি কেবল চর থাপ্পরে ছাইড়া দিতো তাইলে তো আর টেলিভিশন চ্যানেল আর পত্রিকাগুলি নিউজ করতো না। এমন চর থাপ্পরতো সাংসারিকতায় স্বাভাবিক আচরণ। দুইটা মানুষ এতোদিন ধইরা একলগে আছে, এইরম ঝগড়াঝাটি খুবই নিয়মিত প্রত্যাশিত আচরণ।

(খ)

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ