লগ ইন করতে পারছি না......
গত প্রায় ২ মাস http://www.amrabondhu.com/ তে লগ ইন করতে পারছি না । মন খারাপ । সবাই কত কিছু লেখা-লেখি করে ফেলল, পড়তে পারলাম না। ভাই মোডু সমস্যা কি আমার, নাকি অন্য কোন সমস্যা হইসে.....?? আজ ক্যাফে থেকে অনেক কষ্টে ঢুকতে পারলাম।
জানিনা আবার কবে লগ ইন করতে পারব।
আশা করি ব্লগ এর সবাই ভাল আছেন । শুভেচ্ছা সবাইকে।
ছুটির ২তম!! দিন
ছুটি চলছে। বাসায় এসেছি তাই একা লাগছে না মোটেও বরং কাজ ছাড়া লাগছে। আম, জাম কাঠাল খাওয়াও শেষ। ঘুরতে ইচ্ছে হচ্ছে খুব। আবহাওয়াও ভালনা। কি যে করব বুঝতে পারছিনা।গতকাল সারাদিন ঘুমিয়ে কাটিয়েছি, তাই আজ আর ঘুমোতেও ইচছে করছেনা। ঠিক করলাম ঘুরতে বের হব, সেটাও আর হবে কিভাবে? আকাশ থেকে ঝমঝমিয়ে বৃস্টি ঝরতে লাগলো। দিনটা একরকম মাটিই হয়ে গেল। দেখি নতুন কোন আইডিয়া মাথায় আসে কিনা।

বিড়ম্বনা
বাবা হওয়ার সবচেয়ে বড় যন্ত্রনা প্রতিমুহূর্তেই একটা না একটা সিদ্ধান্ত নিতে হয়, সার্বক্ষণিক সংশয়ে থাকতে হয় সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়ে, পরবর্তী মুহূর্তে সে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলো কি না সেটাও যাচাই করতে হয় এবং এই সম্পূর্ণ বিষয়টা অনেক সময়ই বোঝার মতো মনে হয়, আমাদের শৈশবে এত বেশী সিদ্ধান্তের প্রয়োজন ছিলো না, আমাদের চাহিদা ছিলো কম, আমাদের বিধিনিষেধও ছিলো কম। সিদ্ধান্তগুলো ছিলো খুব সাদামাটা, দুপুরে ঘুমাবে না খেলবে? খেললে কোথায় গিয়ে খেলবে, কার সাথে মেশা যাবে কার সাথে মেশা যাবে না সিদ্ধান্তগুলোও হয়তো ছিলো তবে সেসব সিদ্ধান্ত দৈনন্দিন নিতে হতো না।
কাছের মানুষ
রাসেলের “বাবার পোশাক” লেখাটা পড়ে মনটা খুব বিষন্ন হলো। অনেকদিন এমন মন ভিজিয়ে দেয়া ব্লগ পড়িনি। লেখাটা মাথায় ঘুরছিলো থেকে থেকে। হঠাৎ ইচ্ছে করলো আমার বাবাকে নিয়ে কিছু লিখতে। না, আমার বাবা আমার দূরের কোন মানুষ নন। খুব কাছের মানুষ, বন্ধু। মায়ের হাত থেকে বহুবার বাঁচিয়েছেন বাবা আমায়, বহু আবদার পূরন করেছেন, এখনো করেন হাসিমুখে। বাবার সাথে সারাবেলা খেলেছি এমনকি খেলতে খেলতে রেগে গিয়ে মারামারিও করেছি কখনো কখনো। ক্যারাম, ব্যাডমিন্টন, তাস খেলা সবকিছুর হাতেখড়ি বাবার কাছে। বানিজ্যমেলা, বইমেলার পরিচয় বাবার কাছ থেকে। সত্যজিত – মৃনাল সেন জেনেছি বাবার কাছ থেকে। কিন্তু আজকাল কেমন যেনো একটা নাম না জানা দূরত্ব তৈরী হচ্ছে। ফোনে কেমন আছেন, কি করছেন জিজ্ঞেস করে, এটা কেনো হলো না, সেটা কেনো হয় না, দু / একটা ঝাড়ি মারার পর আর কথা খুঁজে পাই না। যে জায়গায় মায়ের সাথে, বোনদের সাথে ঘন্টায়ও কথা ফুরায় না, সে জায়গায় পাঁচ মিনিট
সূচনা
সূচনা দিয়ে শুরু করব বলেই ভাবলাম। সব কিছুরই একটা শুরু আর শুরুতে সূচনা থকতে হয় :)। আমি দুই সাগরের এপাড় বসে ৪ ঘন্টার এগিয়ে থাকা পৃথিবী থেকে লিখছি। সাগড় পাড়েই বাস আমার। সাগড়ের এপাড়ে বসে ভাবি আমি ওপাড়ে আমাদের সবুজ দেশের সবুজ মানুষ গুলোর কথা, ভাবি ওপাড়ের নীল আকাশ আর সরলতার কথা।
সেই এক সবুজ বন্ধুর উদার ও ভালবাসার চোখে পরেই এই ব্লগকে জানা। ইচ্ছে শেয়ার করব সাগড়ের এপারের কথা আর জানবো সাগড়ের ওপাড়ের ছোট ছোট সুখ দুঃখ, ভাললাগা ভালবাসা এই আশা নিয়ে আমার এই পথে হাটা শুরু। মনে আশা আমার গাং চিল আর শিতের পাখিরা ঠোটে করে নিয়ে যাবে আমার বার্তা ওপাড়ে আর পায়ে বঁেধে নিয়ে আসবে গুচ্ছ গুচ্ছ ভালবাসা আর বন্ধুতা এ পাড়ে।
সবাই কে জানার ও সবার লেখা পড়বার আগ্রহ নিয়ে পড়া শুরু ও লেখা শুরু।
চ্যুত
প্রথম সঙ্গমের পুলকে
আমরা বিদিক,
বিয়ে ফিলিপের।
লাদেন শহীদ!
শ্রদ্ধাশ্রুতে সিক্ত
আমাদের চোখ,
অন্তর, এমনকি অন্তর্বাস।
.
আমাদের আবর্তচ্যুত
আমরা দুজন শুধু
পরস্পরে-
মিশে আছি,
ভিজে আছি,
মেতে আছি।
৫০ ওয়ার্ড না হলে নাকি পোস্ট হবে না, তাই আরো একটা পিচ্চি কবিতা পোস্টিলাম।
মধুর পিছে ঘুরে আমার
ফুরিয়ে গ্যাছে দিন।
সব পতঙ্গ পায় কী মধু?
পেলাম নিকোটিন।
হরি! হরি! তাও নাকি ৫০ ওয়ার্ড হয়নি! সুতরাং, আরো একবার আরো একটি কবিতা প্রচেষ্টা
এই প্রণয়রসিক অন্ধকারে
তোমার সবগুলো জলাধার
খুলে দাও।
ঈশ্বর মারার আগেই
স্নানে পানে
একটি বার শুধু
প্রাণ ভরে মরতে চাই।
আমার না লেখা গল্পগুলো
আমি বিভিন্ন সময়ে গল্প লিখতে চেয়েছি, সুযোগ পেলে উপন্যাসও লিখতে চেয়েছি কিন্তু দীর্ঘ সময় কোনো নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে লেখার ধৈর্য্য না থাকায় কোনো পরিকল্পনাই বাস্তবায়িত হয় নি, দুইটা উপন্যাস ভুলে শুরু করে এত দিন পর উপলব্ধি করেছি সেসব উপন্যাস শেষ করবার মতো ধৈর্য্য আমার হবে না। লেখালেখি করবার মতো নিমগ্নতা আমার নেই। উপন্যাস লেখার মতো কষ্টকর কোনো প্রয়াসে যাওয়া আমার জন্য নয়।
এলোমেলো
পুরো তোমাকে পাওয়াটা বেশ সহজলভ্য
কিন্তু তোমার ঠোঁটের ঐ তিলটা
যেখানে দিনমান ঘুরপাক খায় আমার মনটা
সেটা এই বাজারে ব্শে দুষ্প্রাপ্য।
নজর ফেরাই যদি কানের ঐ দুলটায়
দেখি মরচে পরে গেছে তার ঝঙ্কারে
জানিনা কি আছে তোমার ঐ নাক ফুলটায়
তারও নাকি বরাদ্দ শেষ আজ ভোরে?
তোমার দৈর্ঘ্য-প্রস্থ জানা নেই
আমার নাদাবি হলফনামা
তোমার কাছে পৌছে গেছে
কেবল পৌঁছেনি রুলজারীর বার্তাটা
যেখানে বলা আছে -কেন তোমার ঐ
তিলটার একক মালিকানা হবে না আমার?
নোটিশ হাতে পেয়ে জবাব দিতে হবে চট জলদি
না হলে নতজানু হয়ে দাড়াঁতে হবে
ভালবাসার মুখোমুখি!
আমাদের আবেগ আমাদের বিশ্বাস
আমরা আদতে ছিলাম মুর্তিপূজারী, আমাদের রক্তে এখনও সেই মুক্তিপূজারী জীন, মাদল শুনলেই ভক্তিরসে টইটুম্বর হয় হৃদয় আর আদ্র হয়ে যায় চোখ, আমরা শ্রদ্ধাস্পদ পূণ্যবান মানুষ খুঁজি চতুস্পদের মতো আর যার তার উপরে অহেতুক মাহত্ব্য আরোপ করি। আমরা যাদের উপরে ভক্তি শ্রদ্ধা এবং মাহত্ব্যআরোপ করি তাদের মৃত্যুর জন্য আমরা অপেক্ষা করি প্রতিদিনই। আমাদের ভক্তিরসের চুড়ান্ত প্রকাশ ওরসে।
চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ি-৫
১.
আর একটা সেমিস্টার শেষ করলাম। দেখতে দেখতে তিনটা সেমিস্টার শেষ করে ফেললাম। সময় অনেক দ্রুত যায় কিন্তু প্রথমদিকে মনে হতো যেতেই চাইতো না। প্রথম সেমিস্টারে আমাকে মেইন ক্যাম্পাসে গিয়ে ক্লাস করতে হতো। আমার এখান থেকে ঘন্টা খানেকের পথ বাসে তারপর দৌড়ায় পাহাড়ে উঠে ক্লাসরুমে যেতে যেতে হাঁপিয়ে যেতাম আমার সাথের রাজেশ আমাকে দেখে হাসতো। ক্লাসে গিয়ে দেখতাম প্রফেসর আমাদের জন্য বসে আছেন আমরা গেলেই ক্লাস শুরু করতেন। অপটিকস পড়াতেন যার একবর্নও আমি বুঝতাম না এমনিতেই ফিজিক্স পড়া ছেড়েছি ইন্টারমিডিয়েটের পর তারপরে মা মাটি দেশের জন্য সেই সময় সারাদিন বালিশ ভিজাতাম।
ন্যাড়া বার বার বেল তলায় যায়
আমার জানের জান জানুর সব কিছু হাতের কাছে বেড় করে দিলেও সে কিছুই খুঁজে পাবে না যতক্ষন না পর্যন্ত সেই জিনিস তার চোখের সামনে ঝুলানো না হয়। কথাটা একটু বুঝিয়েই বলি। জানু অফিসে যাবে। সে জানে তার কোন জিনিস কোথায় আছে। সেই সব ড্রয়ার সে তন্ন তন্ন করে খুঁজবে এবং যথারীতি কিছু খুঁজে না পেয়ে চিৎকার করে আমাকে ডাকবে। এই কাজ তার সারা জীবনেই চলে আসছে। আল্লাই জানে যখন আমি ছিলাম না তখন সে কাকে ডাকতো? তাই বলে ভাবার কোন কারন নাই যে, সে মায়ের আদরের দুলাল। সেই ক্লাশ সেভেন থেকেই উনি হোস্টেলে থাকেন।
আমারও কাজ থাকে। অফিস আছে , বাচ্চাদের স্কুল আছে , বাড়িতে সারাদিনে কী কী করতে হবে তা কাজের লোকদের বুঝিয়ে দেয়া আছে। উনি তো সকালে ঘুম থেকে উঠে তার কাজটুকু সেরে অফিসে যাবে। বাড়ির আর কোন খবরে বা কাজে তিনি নাই।
স্মৃতির ফুলে বৃষ্টি ছুঁলে পরে, আমার ঘরে গন্ধ টলোমলো-৩
একজন মায়াবতীর গল্প...
পৃথিবীতে কারো সময় যখন ফুরিয়ে আসে তখন সে স্মৃতিকে অবলম্বন করে বিদায়ের শঙ্কা কাটানোর চেষ্টা করে । কিন্তু আমি তো এখনো বুড়ো হয়ে যাইনি, এমন কি বিয়ে করে বাচ্চা কাচ্চার বাপও হয়ে পড়িনি, তবুও ইদানিং এত নস্টালজিয়ায় ভুগছি ক্যানো? শৈশব কেন্দ্রিক নস্টালজিয়া।
লেভি মেয়েটার কথা মাঝে মাঝে খুব মনে পড়ে, নিখুঁত চেহারার মায়াবতী একটা মেয়ে ছিল সে। আমি যতক্ষণ স্কুলে থাকতাম ততক্ষন আমার সাথে লেগে থাকতো। সঙ্গী হিসেবে আমি কোনদিনই সুবিধার ছিলাম না। মুখে কুলুপ এটে অদ্ভুত অদ্ভুত ভাবনা চিন্তা করা ছাড়া যে আর বিশেষ কিছু পারে না তার সাথে এতো আন্তরিক ভাবে মিশে মেয়েটা কি পেত কে জানে?
একটা কোশ্চেন ও একটি কবিতার জন্ম
মাসুম ভাইয়ের একটা প্রশ্ন,
“ডিকশনারি সামনে নিয়া কবিতা লিখতে হয়? নাকি এসব কঠিন কঠিন শব্দ এমনিতেই কবিরা জানেন ?” মাসুম ভাইয়ের এই কথাটা নিয়েই মজার একটা রেসিপির কথা মনে পড়ে গেল (আজকাল রেসিপি নিয়াও বেজায় হুল্লোর)।
কবিতা লেখার রেসিপি:
একটি বাংলা ডিকশনারি, একটি বড় পেরেক, একটি হাতুরী, একটি কলম ও
কাগজ (পরিমানমত)
লিখন প্রনালী:
প্রথমে ডিকশনারিটি টেবিলে রাখুন, কেউ কিছু মনে না করলে মেঝেতে রাখলেও চলবে।
পেরেকটি সুবিধামত ডিকশনারিটির যেকোন জায়গায় ধরুন যেন সূচালো মাথাটা ডিকশনারিটির সাথে লাগানো থাকে।
এবার হাতুরী দিয়ে পেরেকটির অপর মাথায় সজোরে বাড়ি দিন (আঘাত অর্থে), দিতেই থাকুন যতক্ষন না ডিকশনারিটি এফোড়-ওফোড় হয়ে যায়।
এবার পেরেকটি উঠিয়ে ফেলুন।
ডিকশনারিটির যে অংশে ছিদ্র হয়েছে সেই অংশের (ছিদ্রাংশের) শব্দগুলো নির্বাচন করুন।
এক একদিন
এক একদিন ভীষণ বাঁচতে ইচ্ছে করে
প্রেম পুরাণ লিখব বলে
প্রেম পোড়ানো কালি
নিজের গায়ে মাখতে ইচ্ছে করে ।
এক একদিন তোমার কথা ভেবে
আমি রাধি না, চুল বাঁধিনা,
নাই না, খাই না
বৃষ্টিরা নেচে চলে চোখের পাতায়
জলের দ্যোতনা ছুঁয়ে ভাবি
একটুও কি আমায় ভালবাস না!
এক একদিন খুব ভালবাসতে ইচ্ছে হয়
শঙ্খ ডানায় রোদ হয়ে ভাসতে ইচ্ছে হয়
রোদ এসে ছুঁয়ে গেলে
আমি মেঘ হয়ে যাই
মেঘ-রোদ সন্তরণে
মেঘ লীনা হতে ইচ্ছে হয়।
এক একদিন খুব মরতে ইচ্ছে করে
শ্মশান চিতায় জ্বলতে ইচ্ছে করে
ময়ূখী মন পেখম পোড়ায়
আগুনের ফাগে হোলীর পরব
অনেক সুখে তোমাকে পোড়াতে ইচ্ছে করে।
একটি শিরোনামহীন প্রেমের কবিতা
কবিতাটির শিরোনাম দিয়ে দিন তো
তোমার সাথে প্রেম চলেনি,
আমি আর ফুল ছুঁই না তাই।
অথচ তুমি কি নির্বোধ!
প্রেমদগ্ধ দুএক ছত্র লেখা দূরে থাক,
নিয়ত অপ্রেমে ঠুকে যাচ্ছ
আদিম দিয়াশলাই।
তোমাকে ঠেকানো উচিত ছিল,
যদিও ঝরঝরে প্রেমের বারুদে
তোমার শুদ্ধ আগুন পেতে ব্যার্থ হয়েছি।
ব্যর্থ না বঞ্চিত?
তুমি তো বেশ পানি ঝরাতে পারো চোখ দিয়ে,
দেহ থেকে অপ্রেমের লেহন ধুয়ে ফেলো।
তোমাকে কিনে দেব এক যৌবন প্রেম,
সত্যিই দেবো।
দুর্বল মানুষ কিছুই না পারুক,
নির্লজ্জ ভাবে অশ্রুগ্রন্থিতে
বাতিল প্রেম পুষতে পারে।