অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

এলোমেলো ভাবনাগুলো

পর্ব একঃ
মানুষ যখন থেকে ইতিহাস লেখা শুরু করেছে তারও অনেক আগেই মানুষ বিশেষত সামাজিক মানুষ খাদ্য নিরাপত্তা এবং শাররীক নিরাপত্তার গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলো, এটা আমার একটা সাধারণ অনুমাণ, ইতিহাস রচিত হওয়ার আগে থেকেই মানুষ স্থানীয় নেতা ও সম্ভবত আদিম গণতান্ত্রিক পন্থায় নিজেদের রাজন্যবর্গও নির্বাচন করতে শুরু করেছিলো, অনুমাণ করে নেওয়া যায় শাররীক দক্ষতা ও শিকারের যোগ্যতা নেতা নির্বাচনে বিশেষ ভুমিকা রাখতো। যুথবদ্ধতার শর্ত মেনেই গোত্রভিত্তিক মূল্যবোধ এবং ক্রমশঃ সংস্কৃতি বিকশিত হচ্ছিলো, এরই কোনো এক পর্যায়ে মানুষ ভাষা আবিস্কার করে এবং তারও পরবর্তী সময়ে ভাষার চিহ্ন আবিস্কার করে ভাষা ও ঐতিহ্যকে লিপিবদ্ধ করতে শুরু করে।

বিদিকে পথ চলা

অনন্তকাল ধরে আমি হেটে চলছি শত শত অলোকবর্ষ দূরের অনন্ত নক্ষত্রের মায়াভরা পথে
আমার চলার পথ আঁধারের নিষ্ঠুরতায় মোড়ানো- কিন্তু আমি চলছি আলোর পথে
নক্ষত্রের রূপালি রাত , শিশিরের কোমল স্পর্শ , মৃদুমন্দ বাতাস আমার ক্লান্তিকে শুষে নেয়- আমি জড়া-মৃত্যুহীন অনন্ত যৌবনা ২২ বছরের তরুণ যুবক। আমার জন্ম হয়েছে সেই সে আদিম যুগে । পৃথিবীর বয়স আমার বয়স সমান । আমার পথের কোনো শেষ নেই - আমি পথ দিয়ে চলি না ; আমার পায়ের তলায় পথের জন্ম হয় ।
নক্ষত্রের মায়াভরা রাত সুদূরে জ্বলছে সপ্তর্ষিমণ্ডল , পৃথিবীর তাবৎ বৃক্ষ উর্ধ্বপানে আপন গতিতে চলছে , নিরবিচ্ছিন্ন গতির মায়ায় অনন্তের পথে ওদের অবিরাম ছুটে চলা ।
পরিব্রাজকের পথ চলা আর আমার পথ চলায় পার্থক্য যোজন যোজন; আবিষ্কারের নেশা আমাকে কখনও টানে না- আমি বেখেয়ালে চলি বিদিকে ।

ঠোঁটের ব্যায়াম - ৩

smile1.jpg

১।
: নেতা আর চোরের পার্থক্য কি?
: চোর চুরি করে জেলে যায় আর নেতা জেল থেকে বেরিয়ে চুরি শুরু করে।

২।
চার জন যাত্রী নিয়ে উড়ন্ত এক প্লেনে সহসা পাইলটের ঘোষণা শোনা গেলো,“সম্মানিত যাত্রীগণ, প্লেনে আগুন ধরে গেছে, কয়েক মিনিটের মধ্যেই প্লেনটি বিস্ফোরিত হবে। আপনারা দ্রুত প্যারাসুট দিয়ে নেমে পড়ুন।”

এই ঘোষণা দিয়েই পাইলট প্যারাসুট নিয়ে ঝাপ দিলেন।

প্লেনে তখন যাত্রী চার জন - একজন আমলা, দুইজন রাজনীতিক - একজন আওয়ামী নেতা, অপর জন বিএনপি নেতা এবং এক স্কুল ছাত্র। কিন্তু, দেখা গেলো প্যারাসুট মাত্র তিনটি।

আর একটা আজাইরা জোকস... ১৮+ কিনা জানিনা কিন্তু PG+

ফেসবুক পাওয়া একটা জোকস শেয়ার করলাম->

বাঘ বাঘিনিকে kiss করতে চাচ্ছিলো...
বাঘিনি অতি সন্তর্পনে এদিক ও দিক তাকাচ্ছিলো...
বাঘ জিজ্ঞেস করলো, " কি খুঁজছ?"...
বাঘিনিঃ "দেখতেছি, Discovery Channel আছে কিনা...
শালারা একটুও Privacy রাখে না....
Big smile

জোকস... ১৮+ কিনা জানিনা কিন্তু PG+

ঘোলাপানি

বি.দ্রঃ ৫০ শব্দের পোষ্ট না হইলে নাকি আপলোড হবে না। এইডা কিছু হইল?

হক এবং তালুকদার সাহেবের বিয়ে বৃত্তান্ত

হক সাহেব পাখী ভালবাসেন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রজাতীর পাখী সম্পর্কে জানা, তাদের ছবি সংগ্রহ করা তার জীবনের অন্যতম নেশা। বয়স সত্তরের কাছাকাছি। দেখতে এখনও নেহায়েত সামর্থবান। পত্রিকায় লেখালেখি করেন পাখী নিয়ে। থাকেন ডিওএইচএস এলাকায়। তো হক সাহেবের জীবনের এক কাহিনী সম্প্রতি জেনেছি। ৭০ সালের শেষ নাগাদ হক সাহেব বিয়ে করেন। বিয়ের ৩/৪ মাসের মাথায় আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। স্ত্রীকে বাড়িতে রেখে ভদ্রলোক ৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। কাজ করতেন বিমান বাহিনীতে। সেসময় তিনি বন্দী হন। তাকে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেয়া হয়। কয়েক মাস কেটে যায়। প্রথম দিকে তার বাসার সাথে যোগাযোগ হত। পরে তাও বন্ধ হয়ে যায়। অনেক মাস কেটে যায় কিন্তু তিনি আর ছাড়া পান না। এক সময় তার পরিবারের কাছে খবর আসে- তিনি নিহত হয়েছেন মানে তাকে পাকিস্তানে হত্যা করা হয়েছে। ঘরে তার সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী। এক সময় দু পরিবারের সিদ্ধান্তে হক সাহেবের ছো

অন্ধকার কাব্য

“ প্রতিদিন সন্ধ্যায়
সবার অলক্ষ্যে নিঃশব্দে
একটি পথহারা প্রজাপতির সুন্দর ডানা দুটো আচমকাই ভেঙ্গে ফেলি।
সে সারারাত ব্যথিত থেকে
ডানা দুটো নিঁখুত জোড়া লাগায়
পরের সন্ধ্যায় আবার ডানা ভাংগি।
সারাদিন ব্যর্থতারই প্রতিশোধ নেই, বারবার।“ দাবি পৌরুষের।

নারীত্ত্বেও কি শুদ্ধতা উপযুক্ত ?
কর্ষণের সন্ধানে বেহাত হওনি কেউ?
চেপে যাওনি কান্না পেতে অন্ধকার? ভাবনি গল্প, সাদা-কালোর কিংবা রঙ্গীন ফিসফাস? কখনই?
শুননি কোথাও, ” তুমি ভালবাসি নামধারী এক প্রকাশ্য পতিতা”।

এখানে ওখানে, সর্বত্রই
আশংকা, ধ্বংস করার অদম্য ইচ্ছা
আর সুখ বোধ
এবং মৃত্যু।

চিকেন ফ্রাই

উপকরনঃ
লবন = পরিমান মত
মুরগির মাংস = ৪ টুকরা
চিনি = ১/২ চা চামুচ
গুড়া মরিচ = ১/২ চা চামচ
আদা, রসুন বাটা = ১ চা চামচ
টক দই = ১ টেবিল চামচ
টেঁসটি সল্ট = সামান্য
তৈল = পরমান মত
তৈল ছাড়া সব উপকরন এক সাথে মাংসের সাথে মাখাতে হবে, মসল্লা মিশ্রিত মাংস ১০ মিনিট রেখে দিতে হবে, চুলায়ে তেল গরম হলে মাংসের টুকরা গুলো তেলে আলত করে ছেড়ে দিতে হবে( অবশ্যই ডুবো তেলে মাংস ভাজতে হবে), প্রথম ৫ মিনিট চুলার আগুন কমিয়ে মাংসগুলো ভাজতে হবে, তারপর চুলার আগুন বাড়িয়ে মাংসের হাল্কা বাদামি রং না আসা পর্যন্ত ভাজতে হবে( এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে মাংস যাতে পুড়ে না যায়ে)...।।
চটপট তৈরি হয়ে গেল চিকেন ফ্রাই... খেয়ে জানাবেন কেমন হলও...।

আকাশ থেকে ফেলছে ছায়া মেঘের ভেসে যাওয়া

একাগ্র চিত্তে তিতলি ডুবে গেলো নিজের মধ্যে। লাষ্ট সেমিষ্টারে নিজের রেজাল্ট দেখে নিজেই অবাক হয়ে গেলো। রেজাল্ট ভালো হওয়াতে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ অনেক বেড়ে গেলো। মন্দ লাগে না পড়াশোনা করতে বরং বেশ ভালো সময় কেটে যায় তার পড়ার মধ্যে ডুবে থেকে। মাঝে মাঝে এক মনে ইজেলে তুলি ঘষতে থাকে। নানা রঙ এক সাথে মিলিয়ে নিজে একটা আলাদা রঙ তৈরি করে। কল্পনা তার সীমাহীন বিস্তৃত। একদিন ভাবল আকাশটাকে লেমন ইয়েলো করে দিলে কেমন হয়? আকাশকে সবসময় আকাশি রঙের হতে হবে কেন? লেমন ইয়েলো আকাশ একে তার নীচে পিঠ ভর্তি খোলা চুলের ম্যাজেন্টা শাড়ি পড়া এক মেয়ে আঁকলো। বড় বড় চোখের কাজল পড়া সেই মেয়ে হাতে হালকা বেগুনী রঙের ছাতা ধরে রেখে ছাই রঙা বৃষ্টিতে ভিজে যাচ্ছে। নিজের সৃষ্টির প্রতি নিজেই অনেকক্ষণ মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে রইলো। আর কি করবে?

অন্য এক গুরুর সান্নিধ্যে...

তার জীবনের প্রথম সেমিনারে নাকি একজন মাত্র দর্শক ছিলেন। তা সত্বেও তিনি বেশ যত্ন করে বক্তৃতা দেবার পরে যখন চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তখন সেই একমাত্র শ্রোতা বলে উঠেছিলেন যে তাকে থাকতে হবে কারণ তিনিই পরের বক্তা! সেই লোকটাই ৮১ বছর বয়সে অর্ধেকটা পৃথিবী দূরে এসে প্রায় ১৩০০ লোককে সারাদিন মাতিয়ে গেলেন। আমি নিজে তাকে কাছ থেকে দেখার আগে ঠিক বিশ্বাস করতে পারছিলাম না যে আসলেও তিনি বাংলাদেশে এসেছেন আর আমাদের সৌভাগ্য হচ্ছে তার কাছ থেকে কিছু জানার।

kotler_0.jpg

স্পেশাল রেসিপিঃ ট্রাই না করলে মিস

মেঘের দেশে ভাই যেদিন থেকে "এবি" তে আসলেন একের পর এক রান্না-বান্নার পোস্ট দিয়ে যাইতেসেন। অনেকেই আবার তার চেয়েও বেশী উৎসাহের সাথে সেগুলো ট্রাই মারতেছেন।

ঘটনা হইলো মেঘের দেশের ভাই দেশ ছাইড়া বিদেশ আছেন। আর কি সেই জে ডি না জ্যাঠীরে রান্না করে খাওয়াইতে খাওয়াইতে তিনি টায়ার্ড। তাই মনের দুঃখ বুকে চাপা দিয়ে তার থেকে সুখ বের করার জন্য তিনি আমাদের সাথে রেসিপি শেয়ার করেন।

এইসব রান্না আর খানা-পিনার পোস্ট দেখে আমারও একটা রেসিপি দিতে মন চাইতেছে। তাই এবি র সকল রন্ধন এবং ভোজন প্রিয় বন্ধুদের জন্য দিলাম আমার স্পেশাল এই রেসিপি।

করলার হালুয়াঃ Tongue

করলাঃ ১/২ কেজি
বাদামঃ যত খুশী
চিনিঃ যত খুশী
কনডেন্সড মিল্ক ১ কৌটা
এসেন্স ২ বোতল (সুগন্ধের জন্য)
ঘি পরিমাণ মতো
দুধ ১ লিঃ
গুড়া দুধ ৫ টেঃ চাঃ
দারুচিনি, এলাচ, জাফরান, কিসমিস, মাওয়া, নারকেল ইত্যাদি।

ডরাইসি

সকালবেলা বন্ধু স্বপন ফোন করে বললো, দুপুরের পরে ফ্যন্টাসি কিংডমে যাবে। বিকালে আড্ডানো ছাড়া তেমন কাজ ছিল না। ফ্যান্টাসিতে যেহেতু অনেক বন্ধুরা যাবে, তাই আড্ডানোর জন্য যাওয়ার মনস্থির করলাম। ৩ টার পরে আমরা তিন গাড়ীতে রওয়ানা হলাম। আমি, স্বপন, জুয়েল, তানিয়া, সিমু, কিমি, নওরোজ আর স্বর্ণা। ওখানে গিয়ে আরো অনেককে পেলাম। কাল ফ্যাস্টাসিতে ছিল বাংলালিংক প্রথম আলো মাদক বিরোধী কনসার্ট। বিনে পয়সায় পাস পেলাম। পাসের সাথে হেরিটেজ পার্ক এবং ফ্যান্টাসি কিংডমের সব রাইডে চড়ার টিকেটও পেলাম। কনসার্ট শুরু হতে আরো দেরি হবে।

জীবন থেকে নেয়া ------ (ফালতু)

বহুদিন কিছু লেখার সময়, শক্তি, ইচ্ছে, বিষয় কিছুই পাচ্ছি না। আজকে কোন এক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কিছু অন্য ঘটনা মনে পড়ে গেল, ভাবলাম তাই ব্লগাই। হল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে কোন ডাইরেক্ট ফ্লাইট নেই। দূরত্বও মন্দ না। আগের মতো এক টিকেটে দুই সীটের ব্যাপারও নাই। তাই পা ঝুলিয়ে ঝুলিয়ে দশ বারো ঘন্টা বসে দেশে যেতে যেতে দেখা যায় পায়ে পানি এসে পা ফুলে গেছে। কোন এক অজানা কারণে এশিয়ান হিউমিডিটি বা অন্য ব্যাপারে প্লেন থেকে নামার আগেই ফুলে যাই। একবার একটু বেশিই হলো। পা পুরা হাতির পা। কোন স্যান্ডেল পায়ে ঢুকে না। এমনকি আব্বুর জুতাও না। আম্মি অনেক চিন্তিত আমাকে নিয়ে। আমি যতই বলি কিছু না, ততোই তিনি গোস্বান। দেশের ডাক্তারের চেম্বার দেখলে আমার মৃত্যুভয় লাগতে থাকে। আমি এগুলো এড়াতে চাই। কিন্তু আমার মায়ের ধারনা আমি নিজের কোন যত্ন নেই না, বিদেশে পইড়া থাকি আর গাবাই। তাই তিনি আমাকে ধরে বেঁধে তার পোষা বারডেমের ডাক্তারের কাছে নি

শিশুবার্তা ইজ ব্যাক!

কেমন আছেন সবাই? অনেকদিন নানা ঝামেলায় এদিকে আসা হয় না। আগে নিয়মিত বাচ্চাদের ছবি নিয়ে পোস্ট দিতাম সেটাও অনেক দিন ধরে বন্ধ। ইন্টারনেটে বাচ্চাদের ছবি পোস্টানো নিয়ে অনেকে ভয়ধরানো সব সাবধানবাণী শোনায়, যার কারণে ফেসবুকে ছবি আপ্লোডানোও আগের মতো নিয়মিত না। তবুও এবির বন্ধুরা আয়লা-এষার সেই জন্মলগ্ন থেকেই সাথে আছেন, তাঁদেরকে মাঝেমধ্যে আপডেট না জানালে বড় ধরনের বেয়াদবি হবে। তাই বেশ কয়েকমাস বন্ধ থাকার পরে আবারও শিশুবার্তা নিয়ে হাজিত হলাম আপনাদের সামনে।

আয়লা-এষা এখন বেশ বড় হয়ে গেছে। হাঁটাচলা তো হাতের ময়লা, মাঝেমধ্যে প্রায় স্প্রিন্টারের গতিতে ছুট লাগায়। এদের দৌড়-ঝাপ আর দুষ্টমির দৌড়াত্মে আমার জান ঝালাপালা, তবে বড় মধুর সে যন্ত্রণা। বাপ-মা যারা তাঁরা ঠিকই জানেন।

সম্পর্কের টানাপোড়েন

সেদিন রাতে ঘরে ফেরার পর আমার স্ত্রী যখন রাতের খাবারের জন্যে ডাকলো, আমি তার হাত ধরে বললাম, “কিছু বলার ছিলো তোমায়”। ও কিছু না বলে চুপ করে খাবার খাওয়া শেষ করলো। আমি আবারো ওর চোখের কষ্টের ছোয়াঁ লক্ষ্য করলাম। কি ভাবে কি বলবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না, কিন্তু আমাকে যে বলতেই হবে যা আমার মনে চলছে।

“আমি তালাক চাইছি” - মনস্থির করে কথাটা তুললাম। অবাক হলাম যখন দেখলাম রেগে উঠার পরিবর্তে ও মৃদুস্বরে জিজ্ঞেস করলো, “কেন?” প্রশ্নটা না শোনার ভান করে এড়িয়ে যেতে চাইতেই রেগে অগ্নিশর্মা হয়ে হাতের চামচ ছুড়েঁ চিৎকার করে বলে উঠলো “তুমি মানুষ নও!”

পৃথিবীর প্রতি ভালবাসা

জীবন নদীর মত। বিভিন্নভাবেই। নদী শুরুতে নদী থাকেনা; অন্তেও নয়। জীবনও এরকমই মাতৃঝর্ণায় শুরু হওয়া এক আকষ্মিক প্রবাহের নাম যা অনিবার্যভাবেই অকরুণ মৃত্যুসাগরে বিলীন হয়ে যায়। হ্যাঁ, আমাদের জীবন আমাদের নদীগুলোর মতই। নির্দৃষ্ট্যভাবে বললে ১৭০ টন ফর্নেস অয়েল বুকে নিয়ে শোকের মত বয়ে চলা কর্ণফুলী নদীর মত। বিবর্তনবাদ বলে, জলই জীবনদাত্রী। সে হিসেবে আমরাও নদী থেকে উঠে এসেছি। খুব অল্পকাল আগে। এখনো শরীর থেকে শুকিয়ে যায়নি জলের রেখা। আর এরই মধ্যেই আমরা পৃথিবীকে হত্যায় উদ্যত হয়েছি। আমরা মনে হয় অভিষপ্ত, একিলিসের মত। ব্রিসেইস একিলিসকে বলেছিল, Killing is your only talent is your curse. হ্যাঁ, হত্যাই আমাদের একমাত্র প্রতিভা, আমাদের অভিষাপও।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ