সবার জন্যে নয়
আবেগাক্রান্ত এবং যারা ব্যক্তিগতভাবে রুমানা মঞ্জুরের সাথে সম্পর্কিত তারা অনুগ্রহ করে এ লেখাটা পড়বেন না, তাহলে সাঈদের প্রতি ঘৃণার একটা অংশ আমার উপরেও বর্ষিত হতে পারে। আবেগাক্রান্ত সময়ে এমনটাই স্বাভাবিক আর চলমান ঘটনার ভেতরে থেকে ব্যক্তিগত সম্পর্কের জায়গা থেকে নিরাবেগ হতে পারাটা কঠিন এবং মানবিকতার জন্য অপ্রয়োজনীয়।
বৌ পিটিয়ে পৌরুষ জাহির করার প্রবনতা সব সমাজেই আছে, সভ্যতার একপর্যায়ে সম্পদ হিসেবে নারীর ভুক্তি নারীকে শুধুমাত্র পণ্য করেছে, মানুষ হিসেবে তার স্বীকৃতি সীমিত , গেরোস্থালী আসবাব কিংবা নিছক গৃহসজ্জ্বা এবং রমণ ও সন্তান উৎপাদনে প্রয়োজনীয় যন্ত্রের বাইরে পৃথক মানুষ হিসেবে তার অস্তিত্বের স্বীকৃতি মেলে নি এখনও।
প্রিয়া তুমি কার?
যদি জীবন মৃত্যুর মাঝ পথে দাড়িয়ে,
জীবনের সব কিছু হারিয়ে,
তোমার কাছে এসে যদি বলি প্রিয়া তুমি কার?
বলবে কি আমি শুধু তোমার।
যদি দুরারোগ্য কোন রোগে প্রহর গুনি মৃত্যুর দুয়ারে,
তবে কি বলবে আমায় সত্যি করে?
আমি শুধু তোমার,
আপন করে নাও আমাকে,
ভালবেসে জায়গা করে দাও তোমার বুকে,
আজীবন থাকবো পাশে সূখে আর দুঃখে।
তবে;
আমি হয়ে যাবো ভাষাহীন,
তোমার দুচোখে যাবো হারিয়ে,
অপলক নয়নে শুধু দেখবো তোমাকে মনের যন্ত্রনা সড়িয়ে,
দুচোখে বয়ে যাবে অশ্রুর বন্যা,
সেই অশ্রু ধারা বলবে আমার মনের ভাষা,
বলবে মনের আকুতি,
খুশিতে হবো আত্মহারা।
যদি মানষিক ভারসাম্য হারিয়ে পাগল হয়ে যায়,
তবুকি চিনবে আমায়?
আমি যদি তোমাকেও না চিনি,
তবুও কি চিনবে আমায়?
পাগল বলে ধিক্কারে তাড়িয়ে দেবে নাতো?
তখন কি বলবে ও পাগল নয় ও আমার প্রিয়?
যদি চিন্ন বস্ত্র,অগোছালো চুলে তোমার সামনে এসে দাড়ায়,
যদি তোমায় দেখে স্মৃতি ফিরে পায়,
বরষার প্রথম দিনে ছবি ব্লগ
ঘুমানোর আগে রোজই মোবাইলে এলার্ম দিয়ে রাখি। আর সকালে এলার্ম বাজতে শুরু করলেই বন্ধ করে দিয়ে আরাম করে ঘুম দেই। আর যখন চোখ মেলে তাকাই তখন ঘড়ির দিকে একবার চোখ পড়তেই লাফ দিয়ে উঠে মোটামুটি দৌড়াদৌড়ি করে অফিসের জন্য রওনা দেই। প্রতিদিনের এই রুটিনের আজই ব্যতিক্রম হলো। ভোরবেলায় ঘুম ভাঙ্গতেই বিছানা ছেড়ে দরজা খুলে বারান্দায় দাঁড়ালাম। কি মিষ্টি একটা সকাল! অনেকগুলো চড়ুই পাখি কিচিরমিচির করছে, বারান্দার সামনে নীচের খোলা জায়গায় অনেক ফুল ফুটে আছে। মনটা স্নিগ্ধতায় ভরে গেলো। ভালো ছবি তুলতে পারি না তবু কিছু ছবি তোলার চেষ্টা করলাম। সাহস করে ছবিগুলো সবার সাথে শেয়ার করলাম।
আমরা লজ্জা পাই !!!
'কক্ষে ঢুকেই পিছন থেকে হামলা চালায় ও। চুলের মুঠি ধরে দুই চোখে আঙুল ঢুকিয়ে দেয়। কামড়ে নাক-মুখ ক্ষত-বিক্ষত করে। রক্তে পুরো শরীর ভরে যায়। এক পর্যায়ে মেঝেতে পিছলে পড়ি নিজের রক্তের উপর।' কথাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক 'রুমানা মনজুরে'র। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠের একজন শিক্ষিকার যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে সমগ্র দেশের চিত্রটা আসলে কি?
ভাবতে অবাক লাগে আমরা এত সুন্দর সভ্য সমাজের মানুষ! যে সভ্য সমাজে একবিংশ শতাব্দিতে এসেও আমাদেরকে মৌলিক শিক্ষাগুলো গলধঃকরণ করতে হয়। সারাদিন রাত ভেবে ভেবে অনেক বড় মাপের মানুষ হয়েও ভুলে যায় আমাদের নৈতিকতাকে। বা, কি চমত্কার! যেন সিংহের মত আমি পুরুষ, নারীদের চোঁখ উপড়ে নিতে পারি। এটাই মনে আসল নৈতিকতা!
রুমানা মঞ্জুর :: প্রতিদিন ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার প্রকাশ মাত্র
দুই/তিন হলো সংবাদটা একটু চেপে চেপেই প্রকাশ হচ্ছে। কেউ ঠিকমতো মুখ খুলছিল না। হয়তো আমাদের সামাজিক অবস্থার কারণেই মধ্যবিত্তের কাছে বিষয়টা খুবই লজ্জার। ঘটনা প্রকাশ পেলে যে ঘটনা ঘটাল তার কিছু হয় না... বরং যারা ঘটনার শিকার তাদের লজ্জাটাই বেশী হয়ে দাঁড়ায়। চারিদিক্ থেকে বিভিন্ন প্রশ্নের বান ছুড়ে আসে.... মামলা কোর্টে উঠলে তো আরো বিব্রতকর অবস্থা করে ছাড়েন প্রতিপক্ষের আইনজীবী
... এরম একটা সামাজিক অবস্থায় আসলে কেউ ঠিক মত প্রকাশ করতেও চায় না....
প্রায় সকল প্রিন্ট মিডিয়া এবং স্যাটেলাইট চ্যানলগুলো অবশেষে সময় পেল ঘটনাটি জনসম্মুখে আনার। গতকাল থেকে প্রায় সকল পত্রিকায় প্রথম পাতায় ... সকল নিউজ মিডিয়ায় বারবার সংবাদ এবং এর পর্যালোচনা... কিন্তু ঘটনাটি ঘটে জুনের ৫ তারিখে...
কাঁঠাল
জাপানি সহকর্মী হঠাৎ করেই গ্রুপ-ইমেইল ছুঁড়ে বসলেন। তিনি জানতে চান, বাংলাদেশের জাতীয় ফল হিসেবে কাঁঠাল নির্বাচিত হওয়ার কারণ কী?
আমরা পড়লাম বিপাকে। এই প্রশ্নের উত্তর তো আমরাও জানি না। কয়েকজন দেখলাম ইন্টারনেটে সার্চ দেওয়া শুরু করেছেন। কারণ বিষয়টি অতীব জন-জাপানি-গুরুত্বসম্পন্ন। তাঁকে এই সপ্তাহের মধ্যেই এই ইনফরমেশনটা দিতে হবে। জাপানের সরকারি টিভি চ্যানেল এনএইচকে এই বিষয়টার ওপর একটা ডকুমেন্টারি তৈরি করবে। শুধু তাই নয়; কাঁঠাল দিয়ে তৈরি করা কোনো খাবার বা তরকারির ছবিও লাগবে। তাছাড়া কেউ কাঁঠাল ভেঙ্গে খাচ্ছে- তেমন একটা ছবি হলে জুৎসই হয়।
ক্যাপশন: আর কী ক্যাপশন দিমু?
বিরল মৌতাতে সাহসী ভোরের একজন
হুলোর ছোঁকছোঁক
উঁকি দিয়ে পাহারা দেয় বিড়াল চোখ
সহানুভূতির আশায় করে ছোঁকছোঁক
হুলোভাবে ছানা তার, গিন্নীকে এখন
তাই দেয় অনেক মনোযোগ।
লোক দেখানো এসব অভিনয়
নয় তো অজানা
অনতিক্রম্য সেই ব্যবধান নিজ হাতে হুলো
টেনেছে যার সীমানা
করাল অক্ষিতে গোলাপের নিশানও
মাপি ভীষন সতর্কতায়
ফুটো করে জল প্রবেশ হবে না তো
আর আমার নায়।
সাঁতার জানি, হয়েছি তো মাঝি মাল্লার
হারাব না হাল, সবটা জানি এখন নিশানার।
(০৪.০৪.১১)
বিরল মৌতাতে সাহসী ভোরের একজন
শেষ বসন্তের এলোমেলো বৃষ্টিতে তোমাকে
অনায়াসে গুঁজে দিতে পারতাম আমি!
একবার ঝড়ো ঘূর্ণিতে পড়লেই তুমি জানো
কেমন নিস্পৃহতায় আমি ভুলে যেতে পারি
এ নষ্ট শহরের ধর্মব্যবসায়ীদের ছল,
তোমার স্মৃতি,
তা আমি করিনি ইসাবেলা।
এক্বাদোক্বা খেলার মতো আছি, আছি, নাই, নাই
করতে করতে খরচোখে আমি সব দেখি
আষাঢ়ে স্বপ্ন!
তুমি আষাঢ়ে। আমি শ্রাবনে। দুজনে মিলে আমাদের নাম হয়েছিল বরষা। তোমার অনেক দিন দেখা নাই, ক্যাম্পাস সরব হতো বরষা কই? আমি লাপাত্তা দীর্ঘ দিন। ক্যাম্পাস উদ্বিগ্ন কই বরষা? আর আমরা নিজেদের নাম ভাগ করে নিয়েছিলাম- তোমাকে ডাকতাম কচুরী ফুল। আর তুমি ডাকতে আমাকে হিজল।ঈষান কোনে মেঘ জমলে যতো দূরেই থাকিনো কেনো, আমরা এক হয়ে ঝরোবোই। প্রখর রোদ। তাপদহে প্রান যায়। ডাক পড়ে আমাদের। কোথায় বরষা? যেনো আমাদের দেখলেই তৃষ্ণা মিটবে। বইবে জলধারা। কিন্তু আমরা দু্জনে কি তুলতে পেরেছিলাম কোন মেঘ-মল্লারের সুর?
সূর্যের সমুদ্র স্নান
বিকেলের ডাকে আসাদের চিঠি এসেছে। চিঠির মুল বক্তব্য : "ইদানিং কালের অবিবাহিত মুসলিম বাঙালি মেয়েদের বোরকা প্রিয়তা এতই বেড়েছে যে, উপলক্ষ্য লক্ষ্যকে ছাড়িয়ে গেছে। যাতে মূখ্য হয়ে উঠেছে গৌণ আর গৌণ হয়ে গেছে মূখ্য। বোরকা মূলতঃ মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে তৈরি মেয়েদের জন্য এক প্রকার বিশেষ পোশাক। যা পরিধানের উদ্দেশ্যে নারীকে আচ্ছাদিত রাখা, সহজ কথায় নারীদের পরপুরুষের চোখের আড়াল রাখা। এটি হচ্ছে তাদের স্টাইল। আবহমান কাল ধরে ধর্মভীরু মুসলিম নারীরা নিজেদের একটু অবরোধ করে রাখতে পছন্দ করে আসছেন এবং এখনও করেন। তাই তারা এই বোরকার অভ্রুতে নিজেদের মুড়িয়ে রেখে বেশ সাচ্ছন্দ বোধ করেন। কিন্তু বর্তমান কালের অবিবাহিত বাঙালি মুসলিম নারীগোষ্ঠী বোরকাকে ফ্যাশন হিসেবেই গ্রহণ করেছে। তাদের পর্দা প্রথা মেনে চলা লক্ষ্য নয়, লক্ষ্য হচ্ছে নিজেদের আর একটু কামনাময়ী করে তোলা। মেয়েদের চোখের আর্ট সর্বদাই চমৎকার। কুৎসিৎ
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি-৩
বাবা গ্রামের বাড়িতে আমাদের রেখে পর দিন ঢাকায় চলে গেলেন। মেজ ভাই ছিলেন ঢাকায়। গ্রামের বাড়িতে যুদ্ধের প্রভাব তেমন একটা বুঝতে পারলাম না। তবে রেডিও অন করলে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত খবরে যুদ্ধ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানা যেতো। মনে আছে এম আর আখতার মুকুলের কণ্ঠে উচ্চারিত ‘কি পোলারে বাঘে খাইলো....’। যুদ্ধে পর্যুদস্ত পাক হানাদারদের নানা কর্মকাণ্ড এভাবে রম্যরসিকতার মাধ্যমে তুলে ধরে এম আর আখতার মুকুল মুক্তিযোদ্ধাদের উৎসাহ-প্রেরণা জোগাতেন এবং দেশের মানুষকে প্রবোধ দিতেন। সন্ধ্যার পর রেডিওতে বিবিসির খবর শোনার জন্য রীতিমতো ছেলে-বুড়োদের ভিড় জমতো। মুক্তিযুদ্ধের সময় বিবিসির খবর বেশ প্রাধান্য দেয়া হতো। এ খবরের মাধ্যমে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতো। তাই রেডিওতে বিবিসির খবর শোনার জন্য কাজকর্ম সেরে সন্ধ্যার সাথে সাথে সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়তো। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গ্রামের লোকজন খোঁজ
নিরন্তর জীবন
একটা পালতোলা নৌকো নিঃশব্দে হারিয়ে যায়
দূরে আরও দূরে যেখানে নদীটাও হারায়
কিংবা কিছুই হারায় না সব আড়াল হয়ে যায়
স্মৃতি বিসৃত হয় অনেক চেষ্টায়ও পড়ে না মনে আর
উদাস মনটাকে বিক্ষিপ্ত ভাবনায় পেয়ে বসে
যা মনে করতে পারছি না তা যেন মনে করা কতটা দরকার
নয়তো জীবনের বড় একটা ক্ষতির আশঙ্কা থেকে যায়
কিন্তু মন!
নিয়ন্ত্রণহীন!!
সে মনে করতে পারে না
তারও অনেক দিন পর একদিন স্বপ্নের ঘোরে অতীত স্মৃতি হানা দেয়
আমি বুঝতে পারি-
খুব অপ্রয়োজনীয় কিছু হারিয়েছিল যা না পেলেও চলত।
পাল তোলা নৌকার হারিয়ে যাওয়া
নদীর বয়ে যাওয়া
শীতের রিক্ততায় গাছদের পাতাঝড়া বা বসন্তে সজীব হওয়া
বর্ষা টুপ-টাপ জল পড়া
এমন সহজ বিষয়গুলো মন থেকে আড়াল হয়
কিন্তু হারিয়ে যায় না
হারায় না হাটু পর্যন্ত নগ্ন পায়ের মেয়েটি
যার পায়ে কাদার জুতো ছিল যে বলেছিল
শাপলা ফুল তার পছন্দ না- শাপলা রাতে ফোটা ফুল
সৃষ্টির ধ্বংস এবং একটি পানকৌড়ীর মৃত্যু
(১)
সৃষ্টিকর্তা ধ্বংস করে তার সৃষ্টি দিয়েই
কে তুমি?
বলতে পার তুমি ধ্বংসের নও?
আমি তো রাত দিন শুধু ধ্বংসের উন্মত্ততা দেখি, শুনি রণবাদ্য।
দেখি আহাজারি নাগাসাকির বুকে,
দেখি শুন্য স্তনে বসনিয়া মুখ গুঁজে থাকে,
রক্তাক্ত নির্যাসে ভরে উঠে স্তন শীর্ষ।
ভালবাসা হয় শত খন্ডিত,
প্রেমিক তার প্রেমের পবিত্রতায় হয় পতিত।
বাহ্যত স্বতী স্বাধ্বী,
স্বামীর অগোচরে খুলে আঁচল।
সম্পদ, ক্ষমতার উত্তাপ পেতে নিহত হয় আমার ভাই, নূর হোসেন,
আমার মা ধর্ষিতা হয় আমারই সামনে।
আহ…..
কী গভীর তোমার ধৈর্য্য।
ধৈর্য্য নাকি স্থবির তোমার চেতনা?
তুমি জান সবই, নাকি কর ভান।(আমি ক্ষমাপ্রার্থী)
সৃষ্টিকর্তা,
তুমি কি ধ্বংস হও না তোমার সৃষ্টির ধ্বংসে?
(২)
পানকৌড়ীর মৃত্যু হয়
কুয়াশা জড়ানো ঈষদোষ্ণ রাত্রী শেষের
খোলা রাজপথে
নগ্ন আমি হাটি।
পাপ-পুণ্য
জলি তার ছেলের বিয়ে নিয়ে ভীষন ব্যস্ত।। ছেলেরা বড় হবার পর জলির অনেক অবসর । ও একা হয়ে পড়েছে। তাকে দেবার মত সময় কারোরই নেই। এটা জলির অভিমানের কথা নয় এটা বাস্তবতা। জলির স্বামী রফিকুল ইসলাম ব্যাবসা নিয়ে ব্যস্ত। বড় ছেলে চলে গেছে নিউ ইয়র্ক এ পড়াশুনা করতে , ওখানেই থেকে যাবে । ফেরার কোন তাগিদ বা ইচ্ছে নেই। ছোট ছেলেটিও ভার্সিটিতে। তার জগৎ তৈরী হয়েছে আলাদা। সেখানে জলির কোন প্রবেশাধিকার নেই।
এত দিনে জলি কাজ পেয়েছে। তার ছেলে বিয়ে করবে বলে জানিয়েছে। মেয়ে সে নিজেই পছন্দ করেছে। একই ইউনিভার্সিটিতে পড়াশুনা করে। মেয়ের বাবা- মা সবাই নিউ ইয়র্কেই থাকে। তারা মেয়ের বিয়ে দিতে দেশে এসেছেন । সামনের শুক্রবারে মেয়েদের বাড়িতে যেয়ে ছেলের বাবা-মা ও মেয়ের বাবা-মা পরিচিত হবেন এবং বিয়ের দিনক্ষন ঠিক করা হবে। সম্ভবত সামনের মাসেই বিয়ের দিন ঠিক হবে।
বুঝতে চেষ্টা করি না
তারপর কী হলো-
কী আবার হবে যে দিক দুচোখ যায় শুধু চেয়ে থাকল ও
এক সময় আমার মনে হলো ও শুধুই তাকিয়ে নেই হয়তো কাউকে খুজছে
জিজ্ঞেস করলাম কী খুজছস
ভালোবাসা, নেহা বলল
কী! পাগল হলি নাকি
হ্যা পাগলই বলতে পারিস, তুই কি বলতে পারবি যখন
কোনো মায়ের গর্ভে ভ্রুণ আস্তে আস্তে বড় হয় তখন তার
কী অনুভব হয়, পারবি না কারণ সে স্বাধ কখনও
পাস নি এরপর যখন কোনো দূঘটনায় সেই ভ্রুণ
নষ্ট হয়ে যায়, তখন সে মায়ের যে অবস্থা হয় চারদিক
কিছু খুজে কী খুজে কউকে বলতে পারে না।
আমি নেহার দিকে কতক্ষণ তাকিয়ে ছিলাম বলতে
পারব না দেখলাম ওর দু গালে আশ্রুধারা, এমন
পরিস্থিতিতে কী করতে হয় আমার জানা
ছিল না তবে এটুকু বুঝতে পারলাম আমি
একটা অথর্ব।
আমরা শুধু শুধু জীবনের প্রতি মায়া/ ভালোবাসা
দেখাই কোনো কর্যকারণ থাক বা না থাক অথচ
বুঝতে পারি না কেন এমন করি কিসে
আমাদের ভালোবাসা কখনও বুঝি
কখনও বুঝি না হয়তো বুঝতে চেষ্টা করি না।