অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

ত্যানা পেচানো অথবা আজাইরা ছাইপাস।

আবার সেই মনের এলোমেলো ভাব। অপেক্ষা করে বসেছিলাম এইরকম ভাবটা আসার জন্যে। রীতিমত উপভোগ করছি এখন এটা। এটাকে এক্সাইটমেন্ট নাম দেয়া যায় কি না সে নিয়ে আমি শতভাগ নি:সন্দেহ নই। অনেকদিন পরে দেশে আসার আগের কঘন্টায় মনের আলোরিত অবস্থাটার নাম হিসেবে 'এলোমেলো'ই বেশী মানান সই। গতদুইতিনদিন রীতিমত মন খারাপ অবস্থা গেছে। আজব মনের আজব ব্যাপার স্যাপার।

এবার দীর্ঘদিনের বিরতীর পর দেশে আসা হচ্ছে আমার। চৌদ্দমাস পরে। এর দিন ধরে একটানা দেশে না এসে থাকিনি। সাত আট মাসে একবার আসা হয়েছে তাই এক প্রকার সহজ স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে গিয়েছিল, অনুভুতিগুলো পরিচিত ছিল। এবার একটুখানি অচেনা ঠেকছে।

লেবার মার্কেট


মানুষের ভিড় দেখে ভেতরে ভেতরে ক্লান্ত হয়ে পড়ে আব্দুল মজিদ। এত মানুষ শহরে করে কি? থাকেই বা কোথায়? আর তার মতো সব হা-ভাতে অভাবী মানুষগুলো কি ঢাকা শহর ছাড়া আর কোনো শহর দেখে না? একটা সময় নৌকা বেয়ে তার সংসার চলেছে। স্ত্রী সন্তানদের ভরণ-পোষণ শেষে উদ্বৃত্ত কিছু থাকলে নানা পার্বণে ভালো মন্দ কিছু হয়ে যেতো। কিন্তু ব্রহ্মপুত্র শুকিয়ে যাওয়াতে তার ভাগ্য বলতে গেলে খরায় পুড়ছে তখন থেকে। তার ওপর ছেলেরা যার যার সুবিধা মতো আলাদা হয়ে যে যেদিক পারলো চলে গেল। নয়তো এই বয়সে তাকে এখন কাজ খুঁজতে হতো না। সে শুনেছে, লেবার মার্কেট বলে শহরের বাজার বা স্টেশনের পাশেই গরু-ছাগলের হাটের মতো জন-কামলাদের হাট বসে। লোকজন এসে দেখে শুনে নিজেদের পছন্দ মতো লোকজন নিয়ে যায় প্রয়োজনীয় কাজ করাতে।

এলোমেলো সত্য কথা...

আমি ঘুরপাক খাইতেছি শুন্যসময়ের চক্করে...এইখানে বহুকাল আগে একবার আইছিলাম, আর তাই বলে পরিচিত লাগে সব দেয়াল, মেঝে আর স্যুইচবোর্ড।

আর এই খানে আমি যা ভাবতে পারি সব আছে
বরফ, বৃষ্টি আর সান্টা ক্লজ।
এইখানে তুমিও আছো আমার সকল অপরাধ মেনে।
অপরাধ মেনে নিতে তোমাকে যতোটা ছোট হতে হয়
তারে আমি ভালোবাসা বলে জানি...

ভালোবাসায় অসহায়ত্ব থাকে কিম্বা নাই
কিন্তু আমারে অসহায়ত্বের শেকল আষ্টেপৃষ্টে বাধে
এইখানে আমার আমি অনেক মূখ্য হতে থাকি
এই আমারে অনেক ছোট মনে হয়...অনেক ছোট
ঠিক যতোটা ছোট হয় পথের ধুলোকনা
আহা ধুলিকনা! তার প্রবেশাধিকার থাকে সকলখানে!

এইবার তবে নদী হই শুন্যতায়
এইখানে নদী বয়ে যাবে তার নিজস্ব গতিময়তায়
কোন এককালে তুমিও এসে মেলে দেবে বেগুনি নৌকার পাল...

বাংলাগ্যালারী ডট কম

http://www.banglagallery.com/ - এ ওয়েবসাইটটিতে রয়েছে ইতিহাস নিয়ে এক বিশাল আয়োজন। বাংলা সৃষ্টির সম্পূর্ণ ইতিহাস। আছে খ্রিস্টপূর্ব ১২০২ হতে ব্রিটিশরাজের শাসন, পাক-ভারত সৃষ্টির ইতিহাস, বাংলা ভাষার দাবিতে আন্দোলনরত একুশে ফেব্রুয়ারির বর্ণনা, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বাংলাদেশের জন্মকথা, একাত্তর পরবর্তী স্বাধীন দেশের শাসন ব্যবস্থা, ১৯৭৫-এর আগস্টের কথা।

বাংলাগ্যালারী সম্পর্কে এভাবেই লিখেছিলো দৈনিক যুগান্তর

বাংলাগ্যালারী’র যাত্রা শুরু ১৯৯৮ সালে, যখন বাংলাদেশের মানুষ অন্তর্জালের সাথে কেবল পরিচিত হওয়া শুরু করেছে, তখন। তাওহিদ হাবিব নিজের শখের বশে এই বাংলাগ্যালারী’র যাত্রা শুরুর উদ্যোগ গ্রহন করেন।

অহনার অজানা যাত্রা (বারো)

অনেকদিন পর কোন একটা বড় অনুষ্ঠানে যাবে, এ নিয়ে অহনা মানসিকভাবে খুব উত্তেজিত। দিদির সাথে কি পড়ে যাবে প্রবাসীতে, কিভাবে সাজবে তা নিয়ে আলোচনা করে সেভাবে সে প্রস্তূত হল। লম্বা প্রতীক্ষার পর এলো সেদিন। অনেক লোকজনে গমগম করা হলে তারা ঢুকল। দেশ ছেড়ে আসার পর এ প্রথম প্রায় দেড়শ বাঙ্গালীর সমাগমে ভর্তি কোন জায়গায় অহনা পা রাখল। সুন্দর শাড়ি, সুবেশী সাজগোজ, চুড়ি গয়নার টুংটাং, হাসি উচ্ছাস এ পরিবেশে মুহূর্তেই মন ভাল হয়ে গেলো তার। অনেকের সাথে টুকটাক আলাপ হল। বাংলাদেশি কোলকাতা দুজায়গার বাঙ্গালীরাই আছেন। তবে কোলকাতার বাঙ্গালীর সংখ্যাই সেখানে বেশি। কিছু বাংলাদেশি পরিবারের সাথে আলাপ হলো। কিন্তু আন্তরিকতা বেশি পেলো কোলকাতার লোকদের কাছ থেকেই। বয়সে কাছাকাছি হওয়ার কারণেও হয়তো বন্ধুত্ব জমে উঠলো তাদের সাথে বেশি। সুন্দর অনুষ্ঠান দেখে, ভালো খাবার পেট পুরে খেয়ে অত্যন্ত আনন্দ চিত্তে বাড়ি ফিরলো তারা। তার কিছুদিন পর থেকেই “

৩ জুলাই হরতালের লিফলেট: জাতীয় সম্পদে জনগণের মালিকানা ও কর্তৃত্ব চাই, দেশের জন্য সর্বনাশা চুক্তি ঠেকাতে ঐক্যবদ্ধ হোন............


সময়ের দাবীতে এ লেখাটি হুবহু কপি করে দিতে বাধ্য হলাম। এভাবে কপিপেষ্ট নীতিমালা বিরুধী হলেও প্রথম পাতায় তুলে দেয়া জরুরী বলে মনে করছি।

দেশের জন্য সর্বনাশা চুক্তি ঠেকাতে ঐক্যবদ্ধ হোন। নীরবতা দেশের ধ্বংস ডেকে আনবে।

দেশ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে ৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ১২ টা ঢাকা মহানগরীতে


হরতাল পালন করুন।

একই দিন জেলা শহরগুলোতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ। দেশের সর্বত্র, থানা ও ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নারী-পুরুষ-শিশু-বৃদ্ধ ৩ জুলাই সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করবেন। এবং দেশবিরোধী চুক্তি বাতিল, জাতীয় সম্পদ রক্ষা, ও জনগণের স্বার্থে তার সর্বোত্তম ব্যবহারের দাবিতে নিজ নিজ উদ্যোগে প্ল্যাকার্ড-ফেস্টুন-ব্যানার হাতে প্রধান সড়কে দাঁড়াবেন।

চিঠি: আত্বার সাথে বেঈমানী

...করোনা তুমি, দোহাই লাগে তোমার... আর যাই করো বেঈমানী করোনা, তোমার আত্বার সাথে। তোমার মন কি চায়, আগে জিজ্ঞেস করো, খুব ঠান্ডা মাথায় ভেবে তুমি ঠিক করো। যা তুমি করছো, তা কি তুমি চাও? তোমার আত্বা যেটা চায়, সেটা যদি করো, তাহলে তুমি ঠিকই আছো। আর যদি তোমার আত্বা যা চাইছে, তুমি নানা অজুহাতে, বিভ্রান্তি কিংবা শংকায় ভুগে করতে পারছো না, করছো না; তাহলে প্লিজ তুমি এখনই নতুন করে ভাবো, সাহস সঞ্চার করো। তোমার চারপাশের সবাই তোমাকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেবে। দোহাই লাগে, ছলনা করোনা, ছলচাতুরী করোনা, মিথ্যার আশ্রয় নিওনা। এই জগতের আর কেউ না হোক, তোমার নিজের কাছে তো জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা থাকা চাই। যদি আমি সেই স্বচ্ছতা তোমার কাছ থেকে আশা করে থাকি কিংবা দাবি, আর তা যদি আমার ভুল হয়, আমি ক্ষমাপ্রার্থী।

তিন ফোটা জলের বিরহ

চোখ মেলতেই উপহার! তিন ফোটা জল। আমার করতলে। তিনটি ফোটাকে এক করে নিলাম। ফোটা জলে মুছে নিলাম চোখ। বাইরে আধো অন্ধকার আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। এমনদিনে তাকে- অলস সকাল বলা যায়, নাকি বিরহ সকাল? আলসেমিটা হয়তো কাজকে ফাকি দেয়ার জন্য। আর বিরহটা?কার কথা বলি আর কে বেজার হবে। প্রিয়জন প্রীতি কার পক্ষে করি!

বৃষ্টি বারান্দা

আমার একটি বৃষ্টি বারান্দা ছিল। বারান্দাই বলবো কারন এর দুই দিক জুড়ে ছিল অর্ধ দেয়াল। অর্ধ ঠিক নয় তার চেয়ে নিচু । আর এর অর্ধেকটায় ছিল ছাদ। সবুজ টিনের ছাদ। একে আমি জোৎস্না বারান্দাও বলতাম। কারন এখানেই আমি জোৎস্নার জলে গা ভেজাতাম। পাশে নিম গাছের ঝিরঝিরে পাতাগুলি অপূর্ব ছন্দ তুলে গুনগুনাতো যখন বাতাস বইতো।

যখন প্রচন্ড বৃষ্টিতে চরাচর ভিজে একাকার তখন আমি বারান্দায় আমার পা ভেজাচ্ছি বৃষ্টির জলে। কারন বাগানে ঘুরে ভিজে ভিজে এক সময় তো ঘরে ফিরতেই হয়। তখন যদি মন মাতানো বৃষ্টি থাকে আমি কেমন করে রইব ঘরে। গভীর রাতে যখন আকাশ ভেঙ্গে নামে তখন আমার মন চলে যায় বারান্দায়, ধীরে ধীরে আমি নিজেই চলে যেতাম সেই বারান্দায়।

বিবর্ণ গোধূলি

ম্লান আলোয় মিশিয়েছি আজ রোদের গন্ধ
ফিনফিনে হাওয়ার ঝরণা বইছিল তখন
তুমি এলে চুপ করে ঠোঁটে বোঁটে কাঁপুনি তুলে
স্নিগ্ধ আলো হাসিতে মিলায়
আমিও চুপি চুপি কথা কই মৌণস্বরে হৃদি জানালায়

লম্বা ঝোঁপের ঘাসের ফাঁকে উঁকি দিলে
সুরন্বিত সুরভিত হয়ে
কাত হলে
তারপর চলে গেলে পেছন ফিরে
গভীর অতলে মিলিয়ে।।

[এই কবিতায় ৫০ শব্দ-ই আছে। কিন্তু এটা পোস্ট হচ্ছিল না। তাই এই কথাগুলো লিখে কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দিচ্ছি যে, পোস্ট না হওয়াতে সমস্যা কোথায় ছিল, জানাবেন কি? ধন্যবাদ।]

স্বপ্নধরার জন্মদিন

দেখতে দেখতে পাঁচ বছর হয়ে গেল স্বপ্নধরার। ২০০৬ ৭ জুলাই যাত্রা শুরু করে মাত্র ১৩ জন শিশু নিয়ে। এখন তা দাঁড়িয়েছে ৭০জনে। স্বপ্ন ধরার এই সাত তরুণ মিলেই ছোট্ট একটি রুমে এখনও চালিয়ে যাচ্ছে । আগামী ৭ জুলাই ২০১১ এই প্রতিষ্ঠানের জন্ম দিন। এই ব্লগের সব বন্ধুদের আমাদের এই ক্ষুদ্র পাঠশালায় আমন্ত্রণ। সবাই মিলে কেক কাটবো।

মুক্তগদ্যঃ আমার পা'য়ে পা'য়ে জড়ায় ঘাসে জমা মেঘেদের অশ্রু

*

আমার পা'য়ে পা'য়ে জড়ায় ঘাসে জমা মেঘেদের অশ্রু।

**

তুমি অবাক তাকিয়েছিলে জানালার শিক ধরে। মেঘেদের ঘনকালো ছায়া পড়েছিলো তোমার চোখে। বিষণ্ণ আকাশের শোকে, তোমার চোখের কোলেও জমেছিলো জল। ছিটে ফোঁটা বৃষ্টিরা, ঠিকানা খুঁজে খুঁজে হয়রান। দু' দণ্ড বিশ্রামে তোমার গালের শ্যামলা মাঠে নিয়েছিলো আশ্রয়য়। আমি অপেক্ষায় ছিলাম, গাঢ় বৃষ্টির কিংবা তোমার জানালা ছেড়ে চলে যাবার।

কে বলবে, পাওয়াতে বেশী সুখ? না কি হারানোতে?

***

দুরের বটগাছটাতে উথাল পাঠাল বাতাসের ঢেউ এসে আছড়ে পড়ছে। তরুণ গাছটার বুড়োটে হলুদ পাতাগুলো এলোমেলো ছুটছে মুক্তির আনন্দে। পিচ ঢালা পথটা যেন নদী। বর্ষায় ভরভরন্ত যৌবন। ওই বাঁকে, এলোমেলো ওড়না নিয়ে ব্যাস্ত কিশোরী। আমি হেঁটে চলেছি... না... না... আমি নৌকা বেয়ে চলেছি পিচ ঢালা নদীতে। বাতাসের মাতলামিতে বারবার নিভে যাচ্ছে হাতের ম্যাচ, তবুও চেষ্টা করে চলেছি।

****

ব্লগবাকুম-১

১.
কদিন আগে (১৯ জুন) বিএনপি সমর্থকদের নিয়ে তৈরি বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ শেয়ারবাজার নিয়ে একটি সেমিনার করলো। খালেদা জিয়া সেই সেমিনারে কথা বলেননি, কিন্তু উপস্থিত ছিলেন। সেখানে একজন আলোচক ছিলেন ফরহাদ মজহার। তাঁর বাণীটা একটু পড়ি প্রথমেই। তিনি বলেছিলেন, ‘সেমিনারে বেগম খালেদা জিয়ার উপস্থিতিই দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর নীতিগত অবস্থান প্রমাণ করছে।’
ফরহাদ মজহার খালেদা জিয়ার এই নীতিগত অবস্থান কবে আবিস্কার করলেন জানতে একটু মন চাচ্ছিল।

২.

বর্ষার ই-পুস্তক ''মেঘবন্দী''

অবশেষে প্রকাশিত হলো বর্ষার পুস্তক "মেঘবন্দী''

আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমরা ব্ন্ধুর ব্লগাররা লিখেছেন বৃষ্টি বিষয়ক দারুণ সব রচনা।

অবশেষে মহাসমারোহে প্রকাশিত হলো ই-পুস্তক... কিছু সমস্যা হয়তো থেকে গেছে তবু। নিজগুনে ক্ষমা করবেন এই প্রত্যাশায়...

ই-পুস্তকটি সম্পাদনা করেছেন- রাসেল আশরাফ, টুটুল এবং নজরুল ইসলাম

প্রচ্ছদ আর অলঙ্করণ করেছেন নজরুল ইসলাম

প্রচ্ছদের জন্য সুন্দর একটি ছবি তুলে দিয়েছেন সাইফ তাহসিন

সুন্দর একটি নাম দিয়েছেন একলব্যের পুনর্জন্ম

অলঙ্করণের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে আইরিন সুলতানার করা অসম্ভব সুন্দর ব্যানার "কৃষ্ণচূড়া"

অবশেষে যারা যারা লেখা দিয়েছেন, যারা ইচ্ছে থাকা সত্বেও লেখা দিতে পারেননি আর যারা পড়ছেন... সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ

cover copy.jpg

ডুবোচর

ভাঙ্গনের শ্লোগান আসছে দশদিক থেকে
যমুনা ছোবল দিচ্ছে সিরাজগঞ্জে
পদ্মা চোখ রাঙাচ্ছে মুন্সিগঞ্জে
বরিশালে পায়রা দিচ্ছে হায়নার ইশারা
ধরলা, তিস্তা'র ক্ষুধাও তীব্র হচ্ছে
সবার গন্তব্য নতুন জনপদ।

আচ্ছা তোমার কণ্ঠেও কেনো
ভাঙনের জয়গান
নি:স্ব করার হিংস্র আনন্দে
কেনো মেতে উঠো তুমি
এই অশ্রু সংগীতে কেনো
ভাসাও প্রেমের বীনা?

আমিও হতে পারি তোমার
ভাঙ্গনের ক্ষুদ্র পলি কনা,
যদি প্রতিশ্রুতি থাকে
তোমার সফেদ জলরাশির
অতলে হয়ে থাকতে পারি
ডুবোচর, যেখানে দিনমান
পাবো তোমার নজর!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ