অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

অহনার অজানা যাত্রা (ছয়)

এক দেড় সপ্তাহ সাইকেল নিয়ে কোস্তাকুস্তি ধস্তাধ্বস্তি, সাইকেল থেকে পরে হাত পা থ্যাতলানো শেষ করে অহনা সাইকেল মোটামুটি আয়ত্ব করে ফেললো। সাইকেল শিখে ফেলা তাকে এক ধরনের স্বাধীনতা এনে দিলো। বৃষ্টি না থাকলে ঝকঝকে রোদে সে প্রায়ই তার পছন্দমতো ড্রেসআপ করে সানগ্লাস চোখে কখনো কখনো মাথায় ম্যাচিং কিংবা স্পোর্টস টুপি পরে তার সেকেন্ডহ্যান্ড পঙ্খীরাজ নিয়ে এদিকে সেদিকে মনের আনন্দে ঘুরতে লাগলো। সাইকেল হল্যান্ডের প্রধান বাহন। পুরো হল্যান্ডে সাইকেল চালানোর জন্য আলাদা রাস্তা আছে, লাল রঙের কার্পেটিং করা। যেগুলো রিঙ রোড (শহরের প্রধান সড়ক) সেখানে সাইকেল চালকদের জন্য রোডের সাইড থেকে সাইকেল চিহ্ন দিয়ে রাস্তা নির্দিষ্ট করে দেয়া আছে। অনেক বেপোরোয়া না হলে এক্সিডেন্ট হওয়ার সুযোগ খুব কম। আর এক্সিডেন্ট হলেও একশত বারের মধ্যে নিরানব্বই বার সময় দোষী হন গাড়ি চালক। নেদারল্যান্ডসের গঠনই দুর্বলকে রক্ষা করা তাই যে পরিস্থিতিই হোক ন

এক নবজাতকের জন্য নাম আবশ্যক

ছোটবেলায় বাবার কাছে অনেক গল্প শুনেছি। অনেক গল্পের মধ্যে সবচেয়ে বেশী শুনেছি টোনাটুনির গল্প। এক দেশে ছিলো এক টোনা, আর এক টুনি। টোনা বললো "টুনি পিঠা খাব.............."।

খেলা দেখুন বিশ্বকাপে, ঝড় তুলুন চায়ের কাপে! ৪

নেদারল্যান্ড বনাম ডেনমার্ক

প্রকাশিত হল ফুটবল উৎসবে ইপুস্তক : ফুটবলানন্দ

footbalanondo.jpg

লাল মনিরহাটের প্রথম যুদ্ধ

মুক্তিযুদ্ধ বাংলার মানুষের এক অহংকার।আমরা আমাদের অস্তিত্বের সাথে এক রকম মিশিয়ে দিতে চাই মুক্তিযুদ্ধকে-যেন স্মৃতিতে অটুট থাকে তাদের কথা যাদের আত্মত্যাগের কারনে আজ আমরা লাল সবুজের এই পতাকা নিয়ে নির্বিবাদে হেটে চলি, যাদের কারনে বলতে পারি আমার একটা দেশ নাম বাংলাদেশ।সে সব মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা আমার সারা জীবনের যাদের কারণে আমরা এদেশের সবকিছু আমাদের বলতে পারি।আর মুক্তিযুদ্ধ শুধুই একটা যুদ্ধ নয়।এটা এক অন

বিশ্বকাপ শর্টনোট (২)

জাপানীরা জার্মানদের সম্পর্কে একটা টার্ম ব্যবহার করা হয়, "গেরমান-দামাশি", যেটার অর্থ ইংরেজীতে দাঁড়ায় জার্মান-হার্ট বা জার্মান-সোল; বাংলায় বলা যায়, জার্মান-বুকের-পাটা। এই জার্মান-দামাশির যে বৈশিষ্ট্যটায় জাপানীরা মুগ্ধ সেটা হলো, "কোন অবস্থাতেই হাল না ছাড়া।" অবশ্য গতকালের ম্যাচে হাল ছাড়া বা না ছাড়ার কোন পরিস্থিতি হয়নি। তারপরও প্রসঙ্গটা টানি, বিশ্বকাপে সবচাইতে দৃঢ় এ্যাটিচিউড নিয়ে খেলে জার্মানী। সেটার প

ফুটবল ফুটবল দুরন্ত ফুটবল (২)

বিরাশি'র বিশ্বকাপের সময় আমি নিতান্ত'ই বালক আর ছিয়াশি সালে উত্তুঙ্গ কিশোর। বিরাশিতে আমার সুনির্দিষ্ট দলের প্রতি সমর্থন ছিলো না আর ছিয়াশিতে জার্মানি-জার্মানি বইলা আমি গলা কাঁপাই। এই পছন্দের বিষয়টা আমি অকপট কইতে পারি অন্যগো চাইতে আলাদা হওনের চেষ্টা থেইকা হইছিলো। বাঙালিরা তখন আর্জেন্টিনা ব্রাজিল শিবিরে বিভক্ত হইয়া গেছে অলরেডি। মধ্যবিত্ত শহুইরা হিসাবে পপ্যুলার চয়েসের বিরোধী হওনের যেই ভন্ডামির স্বভাব আত

মধ্যবিত্তের ছবি "দহণ"

মধ্যবিত্ত সমাজ যুদ্ধ করে বাস্তবতার সঙ্গে। পৃথিবীর সমস্ত কঠিন বাস্তবতা যেন তাদের ঘিরেই তৈরী হয়। এক অদৃশ্য দেয়াল ঘিরে থাকে তাদের। তারা না পারে হার মানতে না পারে জয়ী হতে। মধ্যবিত্তরা রয়ে যায় হার-জিতের ঠিক মাঝখানটাতে। ভাগ্য যেন তাদের জালের মধ্যেই রেখে দেয়। এমনই বাস্তবতার; বলতে হয় ঢাকার মধ্যবিত্তদের এমনই টানাপড়নের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে শেখ নিয়ামত আলী রচিত এবং পরিচালিত “দহণ” ছবিটিতে।

খেলা দেখুন বিশ্বকাপে, ঝড় তুলুন চায়ের কাপে! ৩

আজ সরাসরি আলোচনায় চলে যাই।

আলজেরিয়া বনাম স্লোভেনিয়া:

বিশ্বকাপ শর্টনোট

বলপায়ে মেসির দ্রুতগতির দৌড়টা খুবই উপভোগ্য। কিন্তু এখানে একটা বড় সমস্যা আছে। বলপায়ে তার দৌড়ের ডিরেকশনটা প্রায়ই মাঠের প্রস্থ বরাবর হয়, যেদিকে ফাঁকা পাওয়া যায় সেদিকে দৌড়ানোর একটা টেন্ডেন্সী তার আছে। সেজন্য সাথে সাথে মার্ক করে দৌড়াতে থাকা ডিফেন্ডারও তাকে চার্জ করেনা, গার্ডে রাখে শুধু, শেষ "মাইর"টা না দিতে দিলেই তো হয়!

নাম দেই নি

কোথায় কখন দেখেছিলেম
মনে নেই

হয়তো হেমন্তের শিশিরের চিক চিক করা
সূর্যালোকে ক্ষনিকের তরে ঘাষের নরম ডগায়
বুঁনোহাঁসের পালকের নরম উষ্ণতায় কিংবা
ফেলে যাওয়া চড়ুইয়ের খড় কুটোর মত
স্বপ্ন বোনার মত নীড়ে

মেঘনায় ঢেউয়ে ডুবে যাওয়া সূর্যের মত লাল টিপ
আঁকা তোমার কপালের ভাজে
রক্তিম আকাশের প্রতিচ্ছবি বুকে নিয়ে
লাল হওয়া স্রোতের মত তোমার কপোলে
বয়ে চলা ভাবনার ঢেউ

বাদল রহমান, এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী

বাদল রহমান

খুব ছোটবেলায় দেখছিলাম এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী সিনেমাটা। এখন অনেক কিছুই মনে নাই, কিন্তু তখন যে দারুণ ভালো লাগছিলো, তা মনে আছে স্পষ্ট। নায়ক নায়িকার প্রেম নির্ভর ছবির ভীড়ে এমিলের গোয়েন্দা বাহিনীর মতো সিনেমা বানাতে কইলজা লাগে। সেই কইলজাটা ছিলো বাদল রহমানের, এজন্যই বানাইতে পারছিলেন।

খেলা দেখুন বিশ্বকাপে, ঝড় তুলুন চায়ের কাপে ২

আমরা বন্ধু বিশ্বকাপ পাতার কল্যাণে নিশ্চই জেনে গেছেন আজকের খেলার সূচী। আজ ১২ জুন বিশ্বকাপে তিনটি খেলা অনুষ্ঠিত হবে। গ্রুপ বি'এর দুটি এবং সি গ্রুপের একটি খেলা।

দঃ কোরিয়া বনাম গ্রীস
আর্জেন্টিনা বনাম নাইজেরিয়া
ইংল্যান্ড বনাম যুক্তরাষ্ট্র্র

দঃ কোরিয়া বনাম গ্রীস

World Cup 2010 এর কোন ম্যাচ একসাথে সবাই মিলে কি দেখা সম্ভব ?

আমরাবন্ধু'র সবাই মিলে কোথাও কি এই World Cup'2010 এর ম্যাচ দেখার আয়োজন করা যায় ??

কারো বাসায় প্রজেক্টর থাকলে, বড স্ক্রীন'এর টিভি থাকলে অথবা কোন সমস্যা না থাকলে সবাই মিলে মনে হয় এক/দুইটা ম্যাচ দেখা যায়...

সেটাও সম্ভব না হইলে কোন ক্যাফে'তেও সবাই মিলে দেখতে পারি..

আমার ফিফা বিশ্বকাপ দেখা - ১

হারলেও আমরা ভালো খেলেছি। ইত্তেফাকে ১৯৭৮ সালে হল্যান্ডের অধিনায়কের এই কথা দিয়ে একটা রিপোর্ট ছিল বিশ্বকাপের ফাইনালের। তখন বিশ্বকাপ কি বুঝিনা। কোথায় খেলা হচ্ছে না হচ্ছে জানিনা। বাসায় টিভিও ছিলনা। আমার বিশ্বকাপ ফুটবল সম্মন্ধে সেই প্রথম কোনো ধারণা পাওয়া। তবে আজ এত বছর পরও মনে আছে সেই রিপোর্টের কথা, আর্জেন্টিনা তিন এক গোলে হল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ