যদি আর বাঁশী না বাজে

প্রেমের কবি, বিরহের কবি, বিদ্রোহের কবি, সাম্যবাদের কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিন আজ।
তাঁকে দেয়া এক সম্বর্ধনার জবাবে তিনি যে কথা গুলো বলেছিলেন সেটা দিয়েই আজ তাঁকে স্মরন করছি।
মুভি রিভিউ: দুইটা কোরিয়ান মুভি
সিনেমা দেখার কর্মশালা শুরু হৈতে যাইতাছে। পুরাপুরি শুরু হবার আগে আমার দুইটা অলটাইম ফেভারিট ম্যুভি সম্পর্কে কিছু লেইখা কর্মযগ্ঞে যোগ দিলাম। মানে, ইংরেজী ম্যুভির বাইরে বেশি কোনো সাজেসন তো পাওয়া যায়না, কিন্তু এশিয়ান অনেক ম্যুভি আমার খুব পছন্দ, মানে জাপানীজ-কোরিয়ান। আজকে দুইটা কোরিয়ান ম্যুভি রিভি্উ টাইপ দেয়ার চেষ্টা করলাম, আরেকদিন জাপানীজ দুইটা সম্পর্কে দেয়ার ইচ্ছা রৈলো।
ধন্যবাদ মাইক্রোসফট...মডুরা বিশেষ ভাবে খেয়াল কইরেন...
আজ অনেক দিন হলো...শুধু আসি আর ব্লগ পড়ি , তার পর চলে যাই কমেন্ট ও তেমন একটা করা হয় না। আজ মনে হলো কিছু একটা লিখি। আর যাই হোক কারো যদি সামান্যতম উপকারে আসে ...আমার এই তথ্য টুকু...তাহলেই সার্থক হবে লিখা।
মুসা ইব্রাহীমকে রাষ্ট্রীয় পদকে সম্মানিত করা হোক
ক্রিকেট বিশ্বকাপে সুযোগ পেলেই আমরা পুরো জাতি আনন্দে মেতে উঠি। আমাদের জুটেছে একটামাত্র নোবেল প্রাইজ। তাই নিয়ে আমাদের আনন্দের সীমা নেই। এরকম আরো অনেক উদাহরণ দেওয়া যাবে।
কিন্তু আজ আমাদের এক গর্বিত সন্তান পৃথিবীর সর্বোচ্চ উচ্চতায় উড়িয়েছেন জাতির পতাকা। মুসা ইব্রাহীমের প্রতি শ্রদ্ধা।
যতদূর খবর পেয়েছি, মুসার এই প্রচেষ্ঠা এবং উদ্যোগ সম্পূর্নই নিজ ব্যবস্থাপনায়। সরকার এখানে কোনো ভূমিকা পালন করেননি।
কক্সবাজার ও নারিকেল জিঞ্জিরা ভ্রমন ৩ : দারুচিনি দ্বীপে
সকালে, খুব ভোরে উঠে তৈরী হতে হয়। গন্তব্য সেন্ট মার্টিনস। হোটেল থেকে ব্যাবস্থা করা হয়েছে। সেখানে একদিন এক রাত থেকে তারপর আবার কক্সবাজার। এটা অবশ্য ঢাকা থেকে ঠিক করা হয়েছে। আমাদের কলিগ মারিয়া সব পাকা ব্যাবস্থা করেছে। এই সব অরগানাইজিংয়ে সে তুখোড়। মাইক্রো চলে এসেছে। সেটাতে করে টেকনাফ সেখান থেকে লঞ্চে সেন্ট মার্টিন। আমরা কিছু মালপত্র হোটেলে রেখে এসেছি। ফিরে এখানেই উঠবো। এত তাড়াহুড়া করে সকালে তৈরি হলাম
এভারেস্টের সর্বোচ্চ চূড়ায় মুসা ইব্রাহীম, বাংলাদেশের পতাকা

এভারেস্ট বিজয়, এরচেয়ে সুখকর কী হতে পারে আর? পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গে উঠে দাঁড়ানো বীরদর্পে? মনে হয় না যে সমস্ত পৃথিবীটাই এখন পায়ের তলায়?
মুসার কি এরকম মনে হয়েছিলো?
অহনার অজানা যাত্রা (চার)
চারদিকের নীরবতা এ পর্যায়ের যে একটি পিন পড়লেও তার শব্দ শোনা যাবে। কোথাও কেউ নেই। সাপ্তাহিক ছুটির দিন বলে পার্কিং লট আরো ঠান্ডা। অবাক চোখে অহনা দেখছিল তার নতুন জীবন কোথায় শুরু হতে যাচ্ছে। অর্ন টেনে টেনে স্যুটকেস আর অন্যান্য জিনিসপত্র গাড়ি থেকে লিফটে ওপরে নিচ্ছিল। অর্নের পাশে পাশে সে হাটছে কিছুটা বিহ্বল হয়ে। বাইশ তলা এ্যাপার্টমেন্টের বারো তলায় অহনাদের ঠিকানা। ঢুকে দেখল ও আসবে উপলক্ষ্যে অর্ন আর তার বন্ধুরা এ্যাপার্টমেন্টের লিভিং রুম বেশ সুন্দর করে সাজিয়ে রেখেছে। সাথে ফ্রিজে কেকও আছে "Welcome to Holland'। কিন্তু সেটা এখন ধরতে না করলো অর্ন, সবাই শখ করে এনেছে, রাতে কাটা হবে সবার সাথে। বউকে কাছে পেয়ে উচ্ছাসে ঝলমল অর্ন কোম্পানী থেকে পাওয়া মোটামুটি আধুনিক সরঞ্জামে সজ্জিত ফ্ল্যাটটি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখাচ্ছিল। কিন্তু ফ্ল্যাট ঘুরে দেখে অহনা বেশ দমে গেলো মনে মনে। যতই আধুনিক জিনিসপত্র থাকুক এই মাত্র বারো’শ
সিনেমা দেখচক্র : ইন দ্য হিট অব দ্য নাইট ও সিডনি পয়েটিয়র
নজরুলের প্রস্তাবটা মানলাম। অনেকে দেখলাম সমর্থনও করেছে। সিনেমা দেখচক্র। আসুন, তাহলে শুরু করি।
আর্জেন্টিনা না ব্রাজিল?
কদিন পরেই শুরু হয়ে যাচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবল। সারাবিশ্বে বিশ্বকাপ ফুটবলের মতো জনপ্রিয় ইভেন্ট আর একটাও নাই। এমনকি অলিম্পিকও না।
ইতিমধ্যেই বিশ্বকাপ ভাইরাস হানা দিয়েছে মানুষের মনে মনে। পত্রিকার খেলার পাতাগুলো এখন বিশ্বকাপময়। দর্জির সেলাই করছে নানান দেশের পতাকা। আড্ডাগুলো এখন বিতর্ক হয়ে গেছে।
ব্রাজিল না আর্জেন্টিনা? মেসি না রোনালদো? এই নিয়ে তর্ক চলছেই।
ব্লগর ব্লগর............
অনেকদিন ধরেই ভাবছি কিছু লিখবো কিন্তু কি লিখবো বুঝতে পারছি না। ঠিক কাগজে কলমে লেখা না, টাইপ করা। ব্লগ খুলি, লেখা পড়ি , লিখতে বসি, মাথায় কিছু আসে না , বন্ধ করে দেই ব্লগের খাতা।
কি লিখবো ? কি নিয়ে লিখবো ? রাজনীতি ? পঁচা দুর্গন্ধযুক্ত নিয়ে কিছু লিখতে ইচ্ছা করেনা। মেধা, সময় ও শ্রমের অযথা নষ্ট ।
আহা, আজি এ বসন্তে
এক ঝড়ের রাতের কথা।
পলাশীর মোড়ে আগে একটা ছাপড়া মতো বাজার ছিল। বুয়েটের টিচারদের ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন থেকে একটা বহুতল মার্কেট বানাবে, তাই বাজারটা উঠায় দেয়া হল। পাশেই বুয়েটের নতুন ক্যাম্পাস। সাময়িক ভাবে তার পেছনে একটা জায়গায় বাজার তৈরি করে দেয়া হয়েছে। আধাপাকা দালান আছে কিছু। উপরে টিন, দেয়াল ইট-সিমেন্টের মিশেলে গড়া। পলাশীর সেই পুরনো ফটোকপি মেশিনগুলো রাখা সেখানে, বুয়েটের বিখ্যাত চোথাশিল্পের সূতিকাগার বলা যায়।
যাই হোক, যা বলছিলাম...এক ঝড়ের রাতের কথা।
শুভ জন্মদিন রন !
"রনি" অরফে “রন”- এই ছেলেটাকে এই ব্লগের কম বেশি সবার-ই চেনা’র কথা।
আজ যে নাম এর বদৌলতে আমরা এই ব্লগ দুনিয়া’য় দাপোটের সাথে চলি, এই “আমরা বন্ধু” নামটি যে ছেলেটির মাথা থেকে এসেছে, আমি তার কথা বলছি।
ভেতর-বাহির (দ্বাদশ পর্ব)
ঐ নাটকটা সবার দেখা উচিৎ ছিল, এমনই মনে হয়েছিল নাট্যশালা থেকে বের হতে হতে। কিন্তু ভুলটা পরক্ষণেই বুছতে পারি...ওটা মানে গন্ডার তুল্য আমরা সকলে এমনেতেই হযে উঠেছি, দেখেও তাই কোন ভাবগত লাভ হবে না। গতসন্ধ্যায় বউ আর আমি শিল্পকলায় ফরাসী নাট্য উৎসবের ”গন্ডার” (a translation of “The Rhinoceros” by Eugene Ionesco, http://www.levity.com/corduroy/ionesco.htm) নাটকটি দেখতে গিয়েছিলাম। অসাধারন। প্রাচ্য নাট্যদলের
ফুটবল: খেলার চেয়ে লেখা উত্তম
ফুটবল হইলো গরীবদের খেলা।
বাইশজন বেকুব, লগে আবার তিন রাম বেকুব মাঠে দৌড়ায় মাত্র একটা বল নিয়া। সেইটা দেখনের লাইগ্গা স্টেডিয়ামে যায় আবার হাজার হাজার বেকুবে।
কোনো মানে হয়?
শুনতেছি কয়দিন পরে নাকি বিশ্বকাপ ফুটবল। সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ সামান্য একটা বল দখলের জন্য কত্তো পেরেশান। বেকুবগুলা আমগো দেশের নেতাগো দেইখাও শিখে না কিছু। নেতারা জমি দখল করে, নদী দখল করে, চর দখল করে... তারপর খায় ধরা।