অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৯ জন অতিথি অনলাইন

ব্লগর ব্লগর............

অনেকদিন ধরেই ভাবছি কিছু লিখবো কিন্তু কি লিখবো বুঝতে পারছি না। ঠিক কাগজে কলমে লেখা না, টাইপ করা। ব্লগ খুলি, লেখা পড়ি , লিখতে বসি, মাথায় কিছু আসে না , বন্ধ করে দেই ব্লগের খাতা।

কি লিখবো ? কি নিয়ে লিখবো ? রাজনীতি ? পঁচা দুর্গন্ধযুক্ত নিয়ে কিছু লিখতে ইচ্ছা করেনা। মেধা, সময় ও শ্রমের অযথা নষ্ট ।

আহা, আজি এ বসন্তে

এক ঝড়ের রাতের কথা।

পলাশীর মোড়ে আগে একটা ছাপড়া মতো বাজার ছিল। বুয়েটের টিচারদের ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন থেকে একটা বহুতল মার্কেট বানাবে, তাই বাজারটা উঠায় দেয়া হল। পাশেই বুয়েটের নতুন ক্যাম্পাস। সাময়িক ভাবে তার পেছনে একটা জায়গায় বাজার তৈরি করে দেয়া হয়েছে। আধাপাকা দালান আছে কিছু। উপরে টিন, দেয়াল ইট-সিমেন্টের মিশেলে গড়া। পলাশীর সেই পুরনো ফটোকপি মেশিনগুলো রাখা সেখানে, বুয়েটের বিখ্যাত চোথাশিল্পের সূতিকাগার বলা যায়।

যাই হোক, যা বলছিলাম...এক ঝড়ের রাতের কথা।

শুভ জন্মদিন রন !

"রনি" অরফে “রন”- এই ছেলেটাকে এই ব্লগের কম বেশি সবার-ই চেনা’র কথা।

আজ যে নাম এর বদৌলতে আমরা এই ব্লগ দুনিয়া’য় দাপোটের সাথে চলি, এই “আমরা বন্ধু” নামটি যে ছেলেটির মাথা থেকে এসেছে, আমি তার কথা বলছি।

ভেতর-বাহির (দ্বাদশ পর্ব)

ঐ নাটকটা সবার দেখা উচিৎ ছিল, এমনই মনে হয়েছিল নাট্যশালা থেকে বের হতে হতে। কিন্তু ভুলটা পরক্ষণেই বুছতে পারি...ওটা মানে গন্ডার তুল্য আমরা সকলে এমনেতেই হযে উঠেছি, দেখেও তাই কোন ভাবগত লাভ হবে না। গতসন্ধ্যায় বউ আর আমি শিল্পকলায় ফরাসী নাট্য উৎসবের ”গন্ডার” (a translation of “The Rhinoceros” by Eugene Ionesco, http://www.levity.com/corduroy/ionesco.htm) নাটকটি দেখতে গিয়েছিলাম। অসাধারন। প্রাচ্য নাট্যদলের

ফুটবল: খেলার চেয়ে লেখা উত্তম

ফুটবল হইলো গরীবদের খেলা।
বাইশজন বেকুব, লগে আবার তিন রাম বেকুব মাঠে দৌড়ায় মাত্র একটা বল নিয়া। সেইটা দেখনের লাইগ্গা স্টেডিয়ামে যায় আবার হাজার হাজার বেকুবে।
কোনো মানে হয়?
শুনতেছি কয়দিন পরে নাকি বিশ্বকাপ ফুটবল। সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ সামান্য একটা বল দখলের জন্য কত্তো পেরেশান। বেকুবগুলা আমগো দেশের নেতাগো দেইখাও শিখে না কিছু। নেতারা জমি দখল করে, নদী দখল করে, চর দখল করে... তারপর খায় ধরা।

যা দেখছি, যা পড়ছি, যা শুনছি (ভার্সন মে '১০)

যা দেখছি-
অনেক বছর আগে "The Fabulous Destiny of Amelie Poulain" সিনেমাটা দেখে অবাক হয়ে চিন্তায় বসে ভেবেছিলাম, এমন শৈল্পিক ভাবে পর্যায়ক্রমে দৃশ্যপট এনে এত সুন্দর উপস্থাপনা কিভাবে সম্ভব!!!!
সেই দুর্দান্ত অভিনেত্রী Audrey Tautou, সেই দুর্দান্ত পরিচালক Jean-Pierre Jeunet এর আরেক সিনেমা 'A Very Long Engagement' নেট থেকে নামিয়ে দেখা শুরু করেছি।

obosthar poriborton chai...

আবজাব

প্রিয় ঈশ্বর
বহুদিন তোমাকে ডাকি না। এইসব বয়ে চলা জীবনের ব্যস্ততায় পাশের মানুষটির মৃতদেহ মাড়িয়ে চলে যাই, পিছন ফিরে একটু দীর্ঘশ্বাস ফেলার সময় মেলে না। আর তুমিতো রয়েছো কত দূরে, সাত আকাশের ওপাশের অদেখা স্বর্গে, যেখানে আমাদেরও থাকার কথা ছিল, যেখান থেকে আমাদের তাড়িয়ে দিয়েছ।

আমি, তুমি, সে

২০০৬ সালের শুরুতে যখন রইন্যা আমরা বন্ধু তে ঢুকালো, তখন ভাবতেই পারিনি আমার জীবনের মোড় কোনদিকে যাবে কিনবা আমার জীবনটা আদৌ আমার থাকবে কিনা। আমরা বন্ধু তে ঢুকতেই এক চরম ফাউল লোক আমারে স্বাগতম জানালো। যাইহোক তখন আমার স্নাতক পরীক্ষা শেষ। হাতে অফুরন্ত সময়।সারা দিনরাত নেটেই পইরা থাকি। এখানে অইখানে উকিঝুকি মারি আর এবির হাজার হাজার মেইল পড়ি। খুব অল্প সময়েই নিজেকে মানিয়ে নিলাম এবির হাজারো মেইলের সাথে, আমি এব

আবার 'কাগু'

খামাকা গুগলে সার্চ দিলাম - 'কাগু'। এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে 63,500 results আসলো। প্রথম দশটা দেখেন-

পাইরেটেড কাগু | Facebook
কাগু মহান! কাগু আমাদের কান্ডারী
যাকে তাকে কাগু বলা যাবেনা-
আমাদের ফনেটিক ভীতির কারন : অভ্র বনাম
সন্ন্যাসী কাগু'গুপ্ত | সচলায়তন
গল্প, গল্প-না অথবা কল্পনা: সন্ন্যাসী
ওয়েব ভ্রমন বিনোদন, বিফলে মূল্য ফেরত
কাগু | চতুর্মাত্রিক - বাংলা ব্লগ
কাগু ফ্রন্ট

লিখতাম মন চায় :(

লিখতাম মন চায়, কি লিখুম জানিনা। মানুষ মিশ্র অনুভূতির সময় কি লিখে আমার জানা নেই। তবে যাহা আমার ভেতরে আছে তাহা উগলাইয়া দেওনের ক্ষমতা আপাতত নেই। মনে হইতাছে দুনিয়াতে আইছিতো অনেকগুলান দিন হইয়া গেল, আর ভাল্লাগে না। এইবার নতুন কিছু দরকার। ইহা মনে হয় মানুষের স্বভাব যে আমরা সবসময় পুরোনোটা ফেলে নতুনের পেছনে ধাবিত হই।

এখনো প্রতিক্ষায়

প্রতিক্ষায় রয়েছি আমি এখনও যেন মুখোমুখি তোমার
একটি পলকও না ফেলে যেন সরে যাবে
জারুলের পাঁপড়ির মত ঠোঁট তোমার
আর আকন্ঠ তৃষ্ণা নিয়ে আমি অপেক্ষায়
গাংচীলের মত সুতিক্ষ্ণ চোখে তাকিয়ে নদীর গভীরে
অতলান্তিকের জন্য বসে আছি।

বসে আছি রোদেলা টেরাসে যেটুকু সময় অবশিষ্ট
এই ব্যাস্ততার নাগরিক জীবনে সময় দ্রুতই বয়ে যায়,
রাত আসে আবার ও রাত আসে,
দিনের শুরু কলাহলময় ক্লান্তিবিহীন

পুরানো সেই দিনের কথা-১

দেশ লেজেহোমো এরশাদ থেকে রক্ষা পায়ছে আর আমি পাইছি নজরুল স্যার এর অকারনে বেতের বাড়ি থেকে নাজিমুদ্দিন স্যার এর নীলডাউন থেকে প্রাইমারী থেকে ক্লাস সিক্স এ উঠেছি আমার বাড়ির আমিই এক মাত্র ফাইভ পাস পোলা।ভাবে মাটিতে পা পড়েনা।হাইস্কুলে যাই সারাদিন ক্লাসে টিচার দের জালাই স্কুলে স্যারের টেবিলে পেন খেলি।এই করতে করতে ১ম সাময়িকী পরীক্ষা চলে আসলো পড়াশুনা শুরু করলাম মনোযোগ দিয়ে।প্রথম কয়টা দিলাম ভালোই হলো কিন্তু সমস্যাই পরলাম অংক পরীক্ষা দিতে গিয়ে।

আমাদের মা আজো টলমল করে

মধুর আমার মায়ের হাসি
চাঁদের মুখে ঝরে
মাকে মনে পড়ে আমার
মাকে মনে পড়ে।
১

২৮ দিনের অন্য রকম জিন্দেগী (আখেরী পর্ব)

নাইট কোচে করে রাত ১ টার দিকে এসে মিলনদের বাড়িতে পৌঁছলাম। খালাম্মারে কৈলাম, ভাত দিতে। বাসায় যা ছিলো তা দিয়া খালাম্মা ভাত দিলেন। খাইতে বইসা টের পাইলাম, ম্যালা ক্ষিধা পাইছে। বিয়া করুম এই টেনশনে সারাদিন বিড়ি ছাড়া আর কিছু খাই নাই। হায়রে বিয়া...। মাইয়াটা এইভাবে আমারে ধোকা দিতে পারলো ?

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ