অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

যা দেখছি, যা পড়ছি, যা শুনছি (ভার্সন মে '১০)

যা দেখছি-
অনেক বছর আগে "The Fabulous Destiny of Amelie Poulain" সিনেমাটা দেখে অবাক হয়ে চিন্তায় বসে ভেবেছিলাম, এমন শৈল্পিক ভাবে পর্যায়ক্রমে দৃশ্যপট এনে এত সুন্দর উপস্থাপনা কিভাবে সম্ভব!!!!
সেই দুর্দান্ত অভিনেত্রী Audrey Tautou, সেই দুর্দান্ত পরিচালক Jean-Pierre Jeunet এর আরেক সিনেমা 'A Very Long Engagement' নেট থেকে নামিয়ে দেখা শুরু করেছি।

obosthar poriborton chai...

আবজাব

প্রিয় ঈশ্বর
বহুদিন তোমাকে ডাকি না। এইসব বয়ে চলা জীবনের ব্যস্ততায় পাশের মানুষটির মৃতদেহ মাড়িয়ে চলে যাই, পিছন ফিরে একটু দীর্ঘশ্বাস ফেলার সময় মেলে না। আর তুমিতো রয়েছো কত দূরে, সাত আকাশের ওপাশের অদেখা স্বর্গে, যেখানে আমাদেরও থাকার কথা ছিল, যেখান থেকে আমাদের তাড়িয়ে দিয়েছ।

আমি, তুমি, সে

২০০৬ সালের শুরুতে যখন রইন্যা আমরা বন্ধু তে ঢুকালো, তখন ভাবতেই পারিনি আমার জীবনের মোড় কোনদিকে যাবে কিনবা আমার জীবনটা আদৌ আমার থাকবে কিনা। আমরা বন্ধু তে ঢুকতেই এক চরম ফাউল লোক আমারে স্বাগতম জানালো। যাইহোক তখন আমার স্নাতক পরীক্ষা শেষ। হাতে অফুরন্ত সময়।সারা দিনরাত নেটেই পইরা থাকি। এখানে অইখানে উকিঝুকি মারি আর এবির হাজার হাজার মেইল পড়ি। খুব অল্প সময়েই নিজেকে মানিয়ে নিলাম এবির হাজারো মেইলের সাথে, আমি এব

আবার 'কাগু'

খামাকা গুগলে সার্চ দিলাম - 'কাগু'। এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে 63,500 results আসলো। প্রথম দশটা দেখেন-

পাইরেটেড কাগু | Facebook
কাগু মহান! কাগু আমাদের কান্ডারী
যাকে তাকে কাগু বলা যাবেনা-
আমাদের ফনেটিক ভীতির কারন : অভ্র বনাম
সন্ন্যাসী কাগু'গুপ্ত | সচলায়তন
গল্প, গল্প-না অথবা কল্পনা: সন্ন্যাসী
ওয়েব ভ্রমন বিনোদন, বিফলে মূল্য ফেরত
কাগু | চতুর্মাত্রিক - বাংলা ব্লগ
কাগু ফ্রন্ট

লিখতাম মন চায় :(

লিখতাম মন চায়, কি লিখুম জানিনা। মানুষ মিশ্র অনুভূতির সময় কি লিখে আমার জানা নেই। তবে যাহা আমার ভেতরে আছে তাহা উগলাইয়া দেওনের ক্ষমতা আপাতত নেই। মনে হইতাছে দুনিয়াতে আইছিতো অনেকগুলান দিন হইয়া গেল, আর ভাল্লাগে না। এইবার নতুন কিছু দরকার। ইহা মনে হয় মানুষের স্বভাব যে আমরা সবসময় পুরোনোটা ফেলে নতুনের পেছনে ধাবিত হই।

এখনো প্রতিক্ষায়

প্রতিক্ষায় রয়েছি আমি এখনও যেন মুখোমুখি তোমার
একটি পলকও না ফেলে যেন সরে যাবে
জারুলের পাঁপড়ির মত ঠোঁট তোমার
আর আকন্ঠ তৃষ্ণা নিয়ে আমি অপেক্ষায়
গাংচীলের মত সুতিক্ষ্ণ চোখে তাকিয়ে নদীর গভীরে
অতলান্তিকের জন্য বসে আছি।

বসে আছি রোদেলা টেরাসে যেটুকু সময় অবশিষ্ট
এই ব্যাস্ততার নাগরিক জীবনে সময় দ্রুতই বয়ে যায়,
রাত আসে আবার ও রাত আসে,
দিনের শুরু কলাহলময় ক্লান্তিবিহীন

পুরানো সেই দিনের কথা-১

দেশ লেজেহোমো এরশাদ থেকে রক্ষা পায়ছে আর আমি পাইছি নজরুল স্যার এর অকারনে বেতের বাড়ি থেকে নাজিমুদ্দিন স্যার এর নীলডাউন থেকে প্রাইমারী থেকে ক্লাস সিক্স এ উঠেছি আমার বাড়ির আমিই এক মাত্র ফাইভ পাস পোলা।ভাবে মাটিতে পা পড়েনা।হাইস্কুলে যাই সারাদিন ক্লাসে টিচার দের জালাই স্কুলে স্যারের টেবিলে পেন খেলি।এই করতে করতে ১ম সাময়িকী পরীক্ষা চলে আসলো পড়াশুনা শুরু করলাম মনোযোগ দিয়ে।প্রথম কয়টা দিলাম ভালোই হলো কিন্তু সমস্যাই পরলাম অংক পরীক্ষা দিতে গিয়ে।

আমাদের মা আজো টলমল করে

মধুর আমার মায়ের হাসি
চাঁদের মুখে ঝরে
মাকে মনে পড়ে আমার
মাকে মনে পড়ে।

২৮ দিনের অন্য রকম জিন্দেগী (আখেরী পর্ব)

নাইট কোচে করে রাত ১ টার দিকে এসে মিলনদের বাড়িতে পৌঁছলাম। খালাম্মারে কৈলাম, ভাত দিতে। বাসায় যা ছিলো তা দিয়া খালাম্মা ভাত দিলেন। খাইতে বইসা টের পাইলাম, ম্যালা ক্ষিধা পাইছে। বিয়া করুম এই টেনশনে সারাদিন বিড়ি ছাড়া আর কিছু খাই নাই। হায়রে বিয়া...। মাইয়াটা এইভাবে আমারে ধোকা দিতে পারলো ?

আত্মজা ও একটি করবী গাছ- তেতো গল্পের স্বাদ।

এই গল্পের শিরোনামটা মাথায় করে বয়ে নিয়ে যেতে হবে শেষ পর্যন্ত। আর সেই বয়ে নিয়ে যাওয়ার পথটা কন্টকময়, ঘটনাময়, বিচিত্র স্বভাবের মানবগল্পের গলী ঘুপচি অন্ধকার পেরিয়ে সেই যাওয়া।  শিরোনামের আত্মজা এর অর্থ উদ্ধারে গভীর অন্ধকারে হাতড়ে বেড়ানো কঠিন হবে। কিন্তু করবী গাছের মানে বুঝা যায়। এই গাছের বীজে বিষ হয়। জীবন বিনাশি বিষ। তেতো। হাসান আজিজুল হক এই করবী গাছ নিয়েই গল্প লিখতে গিয়ে কতো

ঈশ্বরের পিঠাগাছ

অল্প একটু আকাশ তার
রুটিনমাফিক নেমে আসে রোদের সারস,
ব্যক্তিগত উঠোনজুড়ে কুয়াশার বিপরীতে
সম্পূর্ণ একা দাঁড়িয়ে সে
ছিঁড়তে থাকে কল্পনার নিষিদ্ধ গন্ধে
গর্ভধারণ করা স্বপ্নের ফুলগুলো,
উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত বৈষয়িকতাটুকু নিংড়ে
যেটুকু জল, তা বিকোয় নিজের কাছেই
বাণিজ্যিক বাতাসের প্ররোচনায়
সে ছুঁতে চায় অপেক্ষাকৃত উঁচুর অধিবাসী
উচ্চবিত্ত মেঘ,
তার অনুভূতির ঝিল টলোমল,
কেননা অসংখ্য উরু

অহনার অজানা যাত্রা (তিন)

বিশাল এয়ারপোর্টের এদিক থেকে ওদিক দেখা যায় না। চারধারে আলোর খেলা। বড় বড় গ্লাস দিয়ে আটকানো পুরো বিল্ডিং এর গ্লাসের মধ্যে দিয়ে বিশাল বিশাল পেট মোটা প্লেনগুলোকে দেখা যাচ্ছে যারা অলস পায়ে দাঁড়িয়ে আছে। হয়তো ক্লান্ত হয়েছে নেমেছে নতুবা জিরিয়ে আবার ওড়ার অপেক্ষায় রয়েছে। কোনদিক দিয়ে কোথায় যাচ্ছে সে তার কোন ধারনা নেই। ইউনিফর্ম পরা এক অফিসারের পাশে পাশে হেটে চলছে তারা। অফিসারটি অহনার সাথে টুকটাক হাসির আর মজার কথা বলে যাচ্ছে, অহনা তার কথা কিছু শুনছে কিছু না। কিছু বুঝতে পারছে আবার কিছু না। ইউরোপীয়ান ইংরেজী উচ্চারন তার জন্য নতুন। তারপরও কিছু সামান্য ছোটখাটো কথার জবাব সে দিয়েছে চেষ্টা করে।। অনেকক্ষন হেটে একটি মোটামুটি বেশ বড় ঘরে উপস্থিত হলো, যেখানে আরো বেশ কজন ভিনদেশী লোক দাঁড়িয়ে ও বসে আছে। অহনাকেও বসতে বলা হলো সেখানে, সে অফিসারটি এসে ইঙ্গিত করতেই অন্য আর একজন অফিসার এসে অহনাদের পাসপোর্ট নিয়ে ভিতরে আর একটা

অলীক

রাত যত বাড়ে, হাস্নুহেনার সৌরভ তত ছড়াতে থাকে। ঘোর লাগা সেই নির্জনতার মাঝে হঠাৎ কোথাও বেজে ওঠে মৃদু পায়েলের আওয়াজ।

২৮ দিনের অন্যরকম জিন্দেগী (পহেলা পর্ব)

ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিয়া ফালাইছি। কোন টেনশন নাই। ফলাফল কী হৈবো, সেইটাতো আমি জানিই। অন্তত ৩ মাস পড়ালেখার টেনশন দুর হৈলো। এই আনন্দ নিয়া রাইতে ঘুমাইতে যাই। সকাল ১১ টায় ঘুম থেকে উঠি। মা দয়া কৈরা নাস্তা খাইতে দেয়। খাইয়া বাইর হই। আড্ডা-টাড্ডা মাইরা ২-৩ টার দিকে বাসায় আসি। আবার খাওন দেয় মা। আহারে, দরদী মা আমার !

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ