কেউ চায় না দলছুট শূন্য হোক, এই বাস্তব সব্বাই আঁকড়ে থাক!
খোশমেজাজেই ছিলাম। মামা নেই বাসায়, নেটের স্পিড নেই, ওলোর প্যাকেজ নাই, পকেটে টাকা নাই, তাই টিভি ভরসা। কিন্তু সবকিছুকে স্পয়েল করে দিতে ফেসবুকের কোনো বিকল্প নাই। সেখান থেকেই জানলাম, খুলনা নেভী স্কুলের সন্ধ্যা ম্যাডাম মারা গেছেন। মনটা উদাস হলো। টাইম ট্রাভেলে চলে গেলাম সতেরো- আঠারো বছর আগের দুপুর গুলোয়। ক্লাস ফোরের পরিবেশ পরিচিতি সমাজের মতো নিরীহ বিষয়কে আমাদের জন্য দুর্বোধ্য করে তুলতেন তিনি। লাইন বাই লাইন পড়া ধরতেন, এবং পড়া না পারলে শাস্তি বেঞ্চের উপরে কানে ধরে দাঁড়িয়ে থাকো। সে এক কঠিন সময়, ম্যাডাম খাতায় কত কি ঠিক লিখেও নাম্বার দিতেন ৬৫-৬৬, কাউকে বা করাতেন ফেইল। আমাদের প্রথম স্থানের অধিকারী বর্তমানে ফ্লোরিডার এক ভার্সিটির টিচার শাহারিয়ারের নোট পাবার জন্য সবার তখন কি আকুলতা!
না লেখার মতো লেখা
অনেক দিন ধরেই লেখার চেষ্টা করছি কিন্তু লেখা হচ্ছে না। প্রায় ঘন্টাখানেক সময় লাগিয়ে একটা কিছু লিখেছিলাম, লেখাটা শেষ হওয়ার আগেই উবে গেলো, ব্যাকস্পেস, ফ্রন্টপেজ সব কিছু ঘুরে দেখলাম এক ঘন্টার মানসিক পরিশ্রম শেষ পর্যন্ত বৃথা গেলো। ল্যাপটপে যারা দুর্ঘটনা না ঘটিয়ে লিখতে পারে তারা ভীষণ দক্ষ মানুষ, আমার মোটা মোটা আঙ্গুল তার থ্যাবড়ানো তালুতে কষে থাপ্পর দেওয়া যায় হয়তো কিন্তু ল্যাপটপের কোমল স্পর্শ্বকাতর পরিসরে দুর্ঘটনা না ঘটিয়ে কিছু লেখা সম্ভব না। ল্যাপটপে লেখাটা অনেকটা অফিসটাইমে ভুল করে ভীড় লেডিস বাসে বিশাল ট্রাভেল ব্যাগ নিয়ে উঠে পরার মতো, একটা অঘটন ঘটবেই- সেই অঘটনের সময় গুণে সময় কাটানো।
সম্পর্ক
আজকে অফিসে যখন প্রচণ্ড ব্যস্ততায় খাওয়ার সময়টুকুও পাচ্ছিলাম না ঠিক তখন তিথির ফোন এলো। এতদিন বাদে হঠাত করে ও কি মনে করে ফোন করলো চিন্তা করতে করতেই ফোনটা ধরে বুঝতে পারলাম যে মেয়েটা কাঁদছে। হ্যালো বলতেই ওপাশ থেকে ভেসে এলো,
- আপু, সামির না বিয়ে করে ফেলেছে।
- মানে কি?
- হুম, সত্যিই সামির গতকাল বিয়ে করেছে। আমার ভীষণ কষ্ট হচ্ছে।
ক্ষয়ে যায় চোখ রঙপেন্সিল হয়ে, বুকে জমে অভিমান!
বরবারের মতো এবারও শিরোনামের সাথে লেখার কোনো মিল নাই। এইটা একটা গানের লাইন। গানটা আমার অসম্ভব প্রিয়। এই গানের আরেক লাইনও আমার একবার পোষ্টের শিরোনাম হয়েছিল- অলিখিত সব স্বপ্নগুলো ভেঙ্গেচুড়ে খানখান। গুগলে সার্চ দিয়ে জানলাম তা গত বছরের জুলাই মাসের। আমি আমার পোষ্ট কখনোই আর ফিরে ফিরে দেখি না। কিছু মনে আসলে গুগল করি, পেয়ে যাই। আর আমার লেখা ঘুরে ফিরে তো সব একই টাইপের। তাই নিজের লেখা দেখে বিগলিত হবার কিছু নাই। আহমদ ছফা প্রথম লেখা ছাপিয়েছিল, ইসলামী একাডেমির পত্রিকায়- সাথে পেয়েছিলেন ৩০ টাকা নগদ। তিনি পাঁচ ছয়বার ডাবলডেকার বাসে সারা শহর ঘুরেছিলেন। নিজের লেখা ছাপানো ও নিজের নাম ছাপার অক্ষরে দেখার এই থ্রিল আমরা সারাজীবনেও পাবো না। কত ব্লগ- পেপারেই না আমাদের লেখা ছাপা হয়, আমাদের কোনো উচ্ছাস থাকে না । শুধু মনে হয় বালের এক লেখা তাও ছাপিয়ে দিলো এরা, ফ্রি লেখা কি আর পায় না!
আলস্যের দিনলিপি
বিকেলটা দেখতে দেখতে চলে গেল। চোখের সামনে। ভাবসিলাম ছাদে যাব, জানালা দিয়ে দূরের সবুজ দেখতে পাচ্ছিলাম একটু আগেও। গাছপালার পাতায় সোনালি রোদ পড়লে কেমন দেখতে হয় তাই ভাবছিলাম। কিন্তু ছাদে ওঠা হল না।
এই শহরের এত মানুষ, কতজনার কত চাওয়া। আমার মত অনেকেরি নিশ্চয়ই অনেক কিছু করা হয়ে ওঠে না। চোখের সামনে বিকেলগুলো পার হয়ে কোথায় যায় কে জানে।
আমারও অনেক কিছু করার কথা ছিল। পড়াশুনার হিসেব নিকেশ, আরও অনেক কিছু। সব ফেলে রেখেছি অনেক দিন ধরে। অদ্ভুত এক আলস্য জড়িয়ে আছে আমার মনে। কোথায় যাওয়া যায়? কি করা যায়?
দেয়ালে পোষ্টার সাঁটাতে ইচ্ছে করে না, সিনেমা দেখতে ইচ্ছে করে না, শেষ রাতে নুডুলস সেদ্ধ করতে ইচ্ছে করে না। লিখতে পড়তে ইচ্ছে করে না, মানুষের সাথে কথা বলতেও ইচ্ছা করে না।
রুমমেটরা ফুল হাতা জামা পরে চুল আঁচড়িয়ে বাইরে বেরচ্ছে। আমি ক্রমশ অন্ধকার হতে থাকা বিকেলের দিকে তাকিয়ে আছি এখনো।
এখনো তাই... আমরা বেঁচে থাকি!
আবার পড়ে শেষ করলাম বদরুদ্দীন ওমরের নির্বাচিত প্রবন্ধ- দুই খন্ড। অনেকেই বদরুদ্দীন ওমরকে সহ্য করতে পারেন না, অনেকে তাঁর হিপোক্রেসী নিয়ে ব্যাখা বিশ্লেষন করেন। কিন্তু আমার উনাকে ভালো লাগে কারন উনার সমাসাময়িকতার জন্য। দীর্ঘ জীবনে অনেকদিন ধরে পত্রিকায় কলাম লেখার কারনে নানান কিছু নিয়েই উনার একই কথা ও চর্বিত চর্বণ লেখা পড়তে পড়তে মনে হলো, বাংলাদেশের সব সমস্যাই ঐতিহাসিক। মানে অতীতেও এমন ছিল, এখনও হচ্ছে, সামনেও হবে। বাহাত্তর সালে উনি যে দুর্নীতি নিয়ে লিখছেন তা ২০১৪তেও প্রায় একইরকম, সাতাত্তরেও তিনি শিক্ষার মান নিয়ে লিখছেন, এখনো আমরা তাই নিয়ে মাথা ঘাবড়াচ্ছি, আশি সালে উনি জামাতের উত্থান নিয়ে প্রশ্ন করছেন এখন সেই উত্থানের বড় রূপ আমাদের সামনে। শুধু এসবে না সব ক্ষেত্রেই আমাদের সমস্যাগুলো ঐতিহাসিক ভাবেই জটিল, যা ভবিষ্যতেও শাখা প্রশাখা নিয়ে অব্যাহত থাকবে। এর মধ্যেই আমরা সবাই বলবো, আমাদের সময়ে ঐটা ভালো ছিল, ত
রুপালী ছায়াপথ (সমাপ্তি পর্ব)
একঘেয়ে কর্মমূখর দিনগুলোর চাপে অতিষ্ট হয়ে উঠেছিলো অনিরুদ্ধ; তারপর এখানে এই ভাবনাবিহীন সময়গুলো দারুণভাবে উপভোগ করছিলো। সকাল-দুপুর-বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা আসে। একেকটা ক্ষণ যেন উড়ে চলে যায়।
এখানে জীবন কোন এক অদৃশ্য সূতোয় বাঁধা। ছোট্ট ছোট্ট স্বপ্ন, হাসি-কান্নার বাঁকে হারিয়ে যায় ক্ষুদ্র স্বত্ত্বার চাওয়া পাওয়াগুলো। আজ সারাদিন চা বাগানেই পার করেছে অনিরুদ্ধ। চা শ্রমিকদের সাথে। বাগানের নারী শ্রমিকদের কচি পাতা উত্তোলনের দৃশ্যের কথা এর আগে বিভিন্ন লেখা পড়ে জেনেছে, লোকমুখে শুনেছে। আজ নিজেই দেখছিলো। ক্লান্তিকর সারাদিনের পর কত সামান্যই প্রাপ্তি ওদের! সারাদিন কিভাবে যেন কেটে গেল। দুপুর গড়িয়ে বিকেল নেমে আসে।
যে গল্পের কোন নাম থাকে না
ওয়াজ মাহফিল চলছে-
“নারী তুমি থাকবা খালি পর্দার আড়ালে
কামড়াইয়া দেবে লোকে বাইরে বেরোলে।”
দয়াল বাবা ক্যাবলা কাবা আয়নার কারিগর- গানের সুরে গাওয়া হচ্ছে। আমার বারান্দার ঠিক সামনে একটা মাইক লাগানো হয়েছে। মেজাজ ভীষণ খারাপ হচ্ছে।
রুপালী ছায়াপথ (প্রথম পর্ব)
দিনগুলো একেকটা এমনি করেই ফুরিয়ে যায়।
কাজের চাপে পিষ্ট হওয়া একঘেয়ে ক্লান্তিকর বলয় থেকে বেরিয়ে একটু অবসর খোঁজে উদভ্রান্ত মন। তারপর একদিন হঠাৎ অবসর মিলেও যায়। তখন কেবল মনে হয় দূরে কোথাও ঘুরে এলে নেহায়েত মন্দ হয় না!
বসন্তের শেষ বিকেলে অনিরুদ্ধ যখন শ্রীমঙ্গল ষ্টেশনে নামলো ঘড়িতে তখন পাঁচটা বাজে। ততক্ষণে চা বাগানের ফাঁকে ফাঁকে দাঁড়িয়ে থাকা শেডট্রিগুলোর ছায়ারা পূবদিকে হেলে পড়েছে। আর, নতুন গজিয়ে ওঠা কচি চা-পাতাগুলো বিকেলের সোনালী আলোয় ঝলমল করছিলো। পাহাড়ের ঢালে চা বাগানগুলোতে অদ্ভুত আলো ছায়ার খেলাটা জমে উঠেছিল বেশ।
কিছুটা ভাবনার খোড়াক...
সোবাহান সাহেব, তার স্ত্রী, দুই কন্যা, অবিবাহিত এক শ্যালক, ভাড়াটিয়া বিপত্নীক ভদ্রলোক এবং তার দুই সন্তান, আর ঘরের দুজন কাজের লোক নিয়ে একটি পাগলাটে পরিবার। যে সমাজে ঘরে বিবাহযোগ্যতো দূরের কথা, কন্যা সন্তান থাকলে সে পরিবারের পুত্র সন্তানের বয়স যাই হোক আগে মেয়ের বিয়ে দিতে হবে তার পরেই ছেলের বিয়ে এবং কন্যা সন্তান মানেই যেন এক ধরণের দায়, এমন মতবাদের সমাজে বড় মেয়ে রেখে ছোট মেয়ের বিয়ে দেয়ার মত দৃষ্টান্ত স্থাপণ করে এই পরিবার তাও আবার নব্বইয়ের দশকে। এই সমাজে পুরুষদের যতই বয়স হোক না কেন বিয়ের বাজারে তারা সব সময়ই দামী। অপরদিকে মেয়েদের বয়স বিশ পার হলেই সমাজে তথা আত্মীয় স্বজনদের মাঝে শুরু হয় কানা ঘুষা। কিন্তু এই পরিবার ব্যতিক্রম, তারা এমনটি ভাবেন না।
তিশানের চলে যাওয়া
১.
তিশানের ভাল নাম ইশমাম। দুটোই আমার রাখা। তিশানের জন্ম ১৯৯২ সালে, ১২ জুলাই। তথন খুব ইউরোপীয় চিত্রকলা নিয়ে পড়তাম। ইতালীর এক বড় শিল্পীর নাম তিশিয়ান বা তিশান।আমার বড় বোনের ছেলে হল, নাম রাখলাম তিশান।
তিশান আমাদের চার ভাই–বোনের পরিবারের প্রথম সন্তান। সেই যে পিজি হাসপাতাল থেকে ওকে নিয়ে আসলাম সেটা এখনও চোখে ভাসে।তিশান ছিল সবচেয়ে আদরের। চোখ দুটি ছিল অসাধারণ।কখনো রাগ হতে দেখিনি। কিছু বললে কেবল হাসতো।
সেই তিশানের জীবন থেমে গেছে ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর। আমার ভাইবারে তিশানের প্রোফাইলে দেখা যাচ্ছে ‘লাস্ট অনলাইন অন অক্টোবর ১৫’।
কিস্তিমাতের ককটেল কিস্তি কিংবা হুবহু কপি ব্যাং ব্যাং!
আজ সারাদিন বসে বসে বই পড়ছিলাম। বই তেমন কিছু না বদরুদ্দীন ওমরের প্রবন্ধ সংকলন আর একটা ইংরেজি ম্যাগাজিন, যেখানে ইন্ডিয়ান অচেনা সব গল্পকারদের ইংরেজি ভাষায় লিখিত গল্প। কাভার নাই। তাই নাম জানি না। সম্ভবত নীলক্ষেতের কোনো পুরানো ম্যাগাজিনের দোকান থেকে কিনেছিলাম। আমার ইংরেজী সাহিত্য পড়তে মোটেও ভালো লাগে না। ভালো লাগে শুধু এই উপমহাদেশের কারো ইংরেজীতে লেখা ভালো উপন্যাস পড়তে। ইংরেজী বই পড়লেই মনে হয় টেক্সট বুক পড়ছি । অচেনা শব্দ পেন্সিল দিয়ে দাগাচ্ছি, তারপর কম্পিঊটারে বসে তা নিয়ে সার্চ দিচ্ছি। এমবিএ এডমিশন টেষ্টের সময় অনেক নতুন শব্দ শিখেছিলাম, তাই ভরসা। নয়তো টিভিতে সিরিয়ালে সব জায়গাতেই সহজ ইংরেজী, যখনই বই পড়তে যাই তখনই দেখি মাথা ব্যাথা করা সব শব্দ আর আজব সেন্টেন্স প্যাটার্ন। এত কষ্ট করে বই পড়াও খুব কষ্টের। দিগন্ত দুটো ইবুক দিয়েছিল, লিওনার্ড কোহেনের আত্মজীবিনী মুলক। তাঁর গান কিংবা তাঁর জীবন নিয়ে। তা শেষ
ভাবনা পড়ে আছে খুচরো হয়ে, কুড়িয়ে নেবে সময়
শরীরটা কিছুদিন যাবৎ ভাল না। পিঠের ব্যাথাটা বড্ড ভোগাচ্ছে। মেরুদণ্ডের ভেতর চিনচিনে এই ব্যাথাটা আমার সবসময়ের সংগী। কখনো কম কখনো বা বেশী। ইদানীং ব্যাথা বেশী। তাই শারীরিক কষ্ট থেকে আক্রান্ত হচ্ছে মন আর মন থেকে মস্তিষ্ক। “মন” বলে কোন কিছুর অস্তিত্ব মানব শরীরে নাই, “মন” নামক যন্ত্রের সব কাজ করে মস্তিষ্ক। অথচ এই অস্তিত্বহীন বস্তুটির কাছেই আমরা সবসময় পরাজিত হই। কোন কারণে কষ্ট পেলে মনে হয় বুকের ভেতরে কেউ মন নামক বস্তুটিকে চিপড়ে ধরে আছে যার কারণে শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। মন ভাল না থাকলে মানুষ বিষণ্ণতায় ভোগে আর খুব বেশিদিন এই বিষণ্ণতা চলতে থাকলে অনেক সময় জীবনের কাছে আত্নসমর্পণ করে। সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি নামী- দামী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান থেকে “জেণ্ডার কো-অর্ডিনেটর” হিসেবে আমার নামে অফার লেটার এসেছে। তারা চাচ্ছে, আমি আগামী ছয় বছর তাদের সাথে কাজ করি। নিঃসন্দেহে লোভনীয় একটি প্রস্তাব এবং আমি আগ-পাশ কিছু
ফিরে ফিরে আসি, তোমাদের এই নগরে!
ঢাকা শহরের সুখ এখন ইন্টারনেট স্পিডে। ওলোতে ব্যাপক ভালো সার্ভিস দিচ্ছে। এক উইকের প্যাকেজ নিয়েছিলাম অর্ধেক একদিনেই শেষ। কাল বাসায় এসেই ব্যাপক উৎসাহে ডেক্সটপে বসে পড়লাম। কিসের জার্নির ক্লান্তি- কিসের কি? গত দুই সপ্তাহের ব্লগ- পত্রিকা- লিংক- ইউটিউব যা বাকী ছিল সব দেখলাম। দেখতে দেখতে বাজালাম দুটো। তাও আমার ঘুম আসে না। মামার সেট দিয়ে গেম খেললাম তিনটা অবধি। তারপর আমার এক স্কুল বান্ধবী আমেরিকা থেকে ফোন দিল। কি সব আনকমন শহরের নাম বলে, যেখানে বেড়াতে গিয়েছিল, নামই শুনি নাই। ফেসবুকে এড রিকোয়েষ্ট এক্সেপ্ট করতে বললো, আমি বললাম করবো না, বড়লোক বন্ধু বান্ধবের থেকে আমি দূরে থাকি। মন চাইলে ফোন দিবা, কথা বলবো। কথা হতে হতে চারটা। জানতে চাইলো আমার দেবর যাবে দেশে কিছু পাঠাবো তোমার জন্য?
