অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১১ জন অতিথি অনলাইন

আগে কি সোন্দর দিন কাটাইতাম!

প্রকৃতির পাঠশালায় পড়ে থাকি…
সবুজ প্রান্তর ছাপিয়ে বিস্তৃতি তার কতই অবাধ
সবুজ পাতাকে পড়ি, ঘাসফুল তুলে নিই হাতে,
দু'পায়ে মেখে নিই দূর্বাদলে লেগে থাকা ভোরের শিশির,
শৈশবের 'সবুজ-সাথী' দুলে উঠে স্মৃতির ঝালরে।

খুঁজে-খুঁটে দেখি বৃক্ষ-লতা-পাতা,
বয়সী বটের মতো আমিও সুস্থিত হই, শেকড় ছড়াই।
বৃক্ষের বাকলে খুঁজি প্রপিতামহীর মুখের ভাঁজ
নীড়ে ফেরা পাখিদের ঝুমঝুমি কোলাহলে ভারী হয়ে আসে
গোধুলির গোলাপী আকাশ।

অতঃপর সন্ধ্যা হলে ঝিঁ ঝিঁ ঢাকে
মন্ত্রের মতো প্রাচীন সংগীত এক, মস্তিস্কের কোষে কোষে
ধ্যানী হয়; থেকে থেকে সন্ধ্যের সুরেলা আযান ভেসে আসে
রাত্রিতে পুঁথি পাঠ গানের আসর
রহমান বয়াতির ধরণে আমাকে জানান দেয়
"আগে কি সোন্দর দিন কাটাইতাম!"

বিধি বাম!
তোমার সবুজ প্রান্তরে বিষাক্ত সীসার মতো
কে যেন ছড়ায় সন্ত্রাস, ভাঙ্গে নীড়,
ঘর-মন-গেরস্থালি তছনছ, পোড়ামাটি, বিধ্বস্ত মন্দির
কে যেন নিমেষে গুঁড়িয়ে দেয় স্বপ্নসাধ, আমাদের সম্প্রীতি অবাধ।
প্রতিমার ভাঙা হাত, দেহের বিচ্ছিন্ন অংশ চারিদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে…
এ কোন 'রক্তাক্ত প্রান্তর' দেখি আজ?

হে প্রিয় মাতৃভূমি, জননী আমার!

এক মাহাথিরের সন্ধানে

সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় অনুষ্ঠিত ০৫ জানুয়ারীর বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটবিহীন একতরফা নির্বা চনের মাধ্যমে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নবগঠিত সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই৤ তিনি তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বা চিত হয়েছেন৤ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একজন ক্রীড়াপ্রেমী৤ ১৯৯৬-২০০১ এবং ২০০৮-২০১৩ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন উল্লেখ্যযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন৤ সুযোগ পেলেই তিনি মাঠে গিয়ে লাইভ খেলা দেখেছেন৤ খেলোয়াড়দের উত্সাহ জুগিয়েছেন৤ অনেক অনেক পুরস্কার ও প্রণোদনা দিয়েছেন৤ তারই শাসনামলে বাংলাদেশ সহযোগী আয়োজক হিসাবে সফলভাবে বিশ্বকাপ ক্রিকেট আয়োজন করেছে৤

সুন্দরবন ভ্রমন ২০১৩ (পর্ব ৪)

সকালের নাস্তা খেয়ে উঠতে না উঠতেই সবাইকে ট্রলারে চাপিয়ে আবারো বেড়িয়ে পড়া হলো কটকা বীচের উদ্দেশ্যে। কাদা, শ্বাসমূল এড়িয়ে চলার জন্যে কাঠের ব্রিজ তৈরী করা, কিছুদূর যেতেই কয়েকটা দেখা মিলে বনবিভাগের তৈরী করা কিছু কটেজ, লাল-শাপলায় পরিপূর্ন পুকুর। কয়েকগ্রুপে ভাগ হয়ে কেউ কটেজের দিকে, কেউ বাঘের আশায়, কেউ বীচের দিকে আগাতে থাকলাম। হাল্কা গাছের সারি পেরিয়ে গেলে গোলপাতা আর আরো নানান গাছেরসারির মাঝে দেখা মেলে সার সার হরিণের দল। চারদিনের ট্যুরে যত হরিণ দেখেছি এখানকার হরিণের পাল দেখতে বেশি আকর্ষনীয় লেগেছে। চঞ্চল নয় অপেক্ষাকৃত শান্ত, ছোটবড় অবাক হয়ে চেয়ে থাকা প্রানীগুলোর সৌন্দর্য্যতা মুগ্ধতা এনে দিবে যে কাউকেই নিঃসন্দেহে।

1_4.jpg

বুক পকেট

-------- বুক পকেট
আমার একটা আকাশ আছে ৷
যখন সবাই ঘুমিয়ে পরে তারাগুলো জেগে উঠে ৷
ছোট্ট করে ভাজ করে,আকাশটাকে বুক
পকেটে ডুবিয়ে রাখি আলতো করে ৷
পকেটে তো স্বপ্নগুলো দিনের বেলায় করে খেলা ৷
স্বপ্নগুলোর জোসনা দিয়ে আকাশটাকে রাঙিয়ে তুলি ৷
সবাই যখন ঘুমিয়ে পরে মাঝরাতে নিজ নিরে ,
জোসনাগুলো মেখে নিতাম শরীরটাও ডুবিয়ে নিতাম ৷
কেউ জানেনা বুক পকেটে আরো কিছু কষ্ট ছিলো ৷
কষ্টগুলো নিজ মনে জলত সে যে ক্ষণে ক্ষনে ৷
ছোট্ট একটা নদীও ছিল বুকপকেটের মাঝখানটে ৷
কষ্টগুলো জ্বলত যখন নদীর পানি আপন ধারায় ছুটতে তখন আবেগ হারায়
৷
সাথে কিছু দুঃখ ছিল চুপটি করে বুক পকেটে থাকত সেতো নীরব
মনে ৷
নদীর পানি শুকিয়ে গেলেই দুঃখ তাকে ভরিয়ে তোলে ৷
লোনা পানির আপন ধারায় ছুটত নদী নিজ গতিতে ৷
আকাশটা আজ অনেক বর ৷ পুব আকাশে মেঘ জমেছে ৷ তারাগুলোও
হারিয়ে গেলো ৷ আকাশের
পানে তাকিয়ে দেখি জোসনাগুলোও নেই সেখানে ৷ আবার
কবে ভরবে আকাশ ?
জোসনাগুলো করবে খেলা ৷
আমি তখন সুখের ধারায় গুনবো আকাশে কয়টি তারা ৷

অতঃপর বহুদিন পর

বহুদিন পর লিখতে বসলাম। বহুদিন পর মনে হলো আমি ঠিক যে বিন্দু থেকে হাটতে শুরু করেছিলাম ঠিক সে বিন্দুতে ফিরে আসলাম। তখন বুক ভরা স্বপ্ন ছিলো, এখন স্বপ্ন ভাঙ্গা বেদনা। স্বপ্ন ভাঙ্গা গড়ার আঘাতটা বাহ্যিক নয় বলেই আমরা আবার শুরু করতে পারি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমরা কিছু একটা গড়ার জন্য ছুটতে থাকি। মৃত্যুর শীতল পরশ যখন চুমু দিয়ে যায়, তখন এক লহমায় ফিরে দেখি অতীতের ক্ষনগুলো। জন্মের পর হুট করে আধার থেকে প্রচন্ড আলোয় কান্না জুড়ে দিলাম, মৃত্যুর পর সেই অন্ধকারে ফিরে গেলাম চোখের শুকনো অশ্রু নিয়ে।

যখন যা মনে হয় ২

প্লেনে আর বিমানবন্দরে ধূমপান নিষিদ্ধ কিন্তু ডিসকাউন্টে সিগ্রেট বিক্রি আইনসিদ্ধ।

কিছু বিখ্যাত লোকের সংস্পর্শে এসে অনুভূতি হয়েছে, আরমানী গুচ্চি বাহিরে কেবল, ভিতরে সবাই সমান নাঙা

প্রতিদিন সকালে অফিস যাওয়ার আগে কাবার্ড খুললে খুঁজে পাই না কোন কাপড় পরবো। সবগুলোইতো কতোবার পরা। আবার সপ্তাহান্তে কাবার্ড গুছাতে গেলে মনে হয়, একী অবস্থা, কি করেছি, জায়গা হয় না। বাহান্ন সপ্তাহই একী অনুভূতির মধ্যে দিয়ে যাই। কোন অনুভূতিটা সত্যি নাকি আমি অস্বাভাবিক?

ভালবাসা একটা বায়বীয় পর্দাথের নাম, যেটা অনুভব করতে পারায় আর না পারায় দৈনন্দিন জীবনে অনেক পার্থক্য হয়ে যায়।

মদ খাওয়া হারাম কিন্তু ঘুষ খাওয়া হালাল।

সংসার হলো কারগিল সীমান্ত যেখানে ইন্ডিয়া পাকিস্তানের শান্তিপূর্ন সহাবস্থান। বর্ডার লাইন ক্রস করলেই গোলাগুলি।

অনুপ্রেরণামূলক কিছু কথা

যখন একা থাকার
অভ্যাস হয়ে যায়,
ঠিক তখনি স্রষ্টা কিছু মানুষের
সন্ধান দেন ।
যখন তাদেরকে নিয়ে ভাল
থাকার অভ্যাস হয়ে যায়,
ঠিক তখনি আবার
একা হয়ে যেতে হয় |
________জর্জ বার্নাড

অভিমান হল হৃদয়ের অতি গোপন
প্রকোষ্ঠের ব্যাপার,যে কেউ
সেখানে হাত
ছোঁয়াতে পারে না
.........সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

ছোট্ট বেলায় অভিমান
করলে অনেক কিছু পেতাম,
আর এখন অভিমান করলে অনেক কিছু
হারাই..
কারণ তখন ভালবাসায় ছিল পূর্ণতা,
আর এখন ভালবাসা পায় শূন্যতা !
অপ্রিয় হলেও সত্য !
__হুমায়ুন আহমেদ

প্রায় প্রত্যেক মানুষেরই
প্রেম করার আগ্রহ থাকে,
কিন্তু এর বাস্তবায়ন
খুব কম মানুষই করতে পারে|
আর যারা করতে পারে
তারা আসলেই ভাগ্যবান|
_____পি.এইচ.রুপক

দুঃখ কখনো একা আসে না- দল
বেধে আসে
- সেক্সপিয়ার

"আজকালকার মেয়েদের
ডায়েরি লেখার মত
সময় নেই। নিজেদের কথা তারা শুধূ
গোপন
করতে চায়। লিখতে চায় না"
---হুমায়ূন আহমেদ

"মানুষের জীবনটা হচ্ছে একটা সরল
অংক। যতই দিন যাচ্ছে,ততই
আমরা তার সমাধানের
দিকে যাচ্ছি।"
হুমায়ূন_আহমেদ

প্রত্যেকেই বিশ্ব বদলে দেয়ার
চিন্তা করে কিন্তু
নিজেকে বদলানোর চেষ্টা কেউ

ধূসর গোধূলিঃ ২৬ - মেলা...

image_1379_339689.gif.jpg

সকালে উঠে চারটা মুখে দিয়েই কাজের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যাচ্ছিলো বিভা। পিছন থেকে প্রভার কথা শুনে ফিরে তাকায়। প্রভা বলে,
-মা, কাইল রাইতে তোমারে যা কইছিলাম মনে আছে?
বিভা কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে। মন খারাপ হয়। মেয়ের ছোট খাট আবদার পূরণ করারও সামর্থ্য ওর নেই। কাল রাতে মেলা থেকে চুড়ি, ফিতা কিনে দেবার জন্য আবদার করেছে প্রভা। বিভা ঘর থেকে বেরিয়ে যাবার সময় অনেকটা দায়সায়রাভাবেই বলে,
-দেহি, টাকা পাইলে আনুমনে
-তোমার কাছে কিছু চাইলেই খালি এমন কর, প্রভা অভিমানের সুরে বলে।
-এত্তবড় মাইয়া, তুমি বুঝনা এইগুলান কিনতে টাকা লাগে। ভাতই জোডেনা, তায় আবার সখ পূরণ!
-থাউক, লাগবে না
-কইছি না টাকা পাইলে আনুমনে, বলে বাজারের উদ্দেশ্যে হাঁটতে থাকে বিভা।

অরাজনৈতিক স্ট্যাটাস - দুই

আওয়ামীলীগ সাংবিধানিক শূন্যতার অজুহাতে হোক, অথবা ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করে রাখার অজুহাতেই হোক ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন করে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে।

আর বিএনপি সরকার বিরোধী আন্দোলনে অগণতান্ত্রিক নির্বাচন ঠেকাতে ব্যর্থ হয়ে এবং নির্বাচন বর্জন করে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে।

অতএব বাংলাদেশের বড় দুই জোটই গণতন্ত্র রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে। তবে কি সিকিমের মত বাংলাদেশকে পুরোপরি ভারতের হাতে তুলে দেবো? ওটা তো বিশাল জনসংখ্যার কারণে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশ।।

[বি: দ্র: আমার গত পোষ্টটা মুছে দেবার কোন কারণ ব্লগ কর্তৃপক্ষের কাজ থেকে পাওয়া গেল না। পোষ্টটা সরানোর পর অন্ততঃ কারণ জানানোর প্রয়োজন মনে করছি। অথচ অন্য এক ব্লগে এই পোস্টটাতে ৯ জনের মন্তব্য পেয়েছি, যাতে পোস্টটাতে কোন সমস্যা আছে বলে কেউ বলেন নি। "আমরা বন্ধু"-র কর্তৃপক্ষের আচরণে মর্মাহত।]

হাজি সেলিম ফঠিকছড়িতে

১।

উদ্ভিগ্ন ছিলাম খুব ! দু’মেয়েই সরকারি চাকুরে । নির্বাচনে ডিউটি পড়েছে । পুরো রাত প্রায় নির্ঘুম কেটেছে, চোখ লেগেছিল ভোরের দিকে । ঘুম ভাংতে ভাংতে তাই সকাল দশটা । দেশে বারটা । মেয়েরা আগের দিন বলে দিয়েছিল ফোন নীরব থাকবে বেলা২টা পর্যন্ত । এখনো পুরো দু’ ঘন্টা বাকি । টি ভি অন করলাম । নির্বাচন লাইভ দেখাচ্ছে । ভোটার উপস্থিতি নগণ্য । সহিংসতার কিছু কিছু ঘটনা লাইভ দেখাচ্ছে । একজনকে কয়েকজনে মিলে পেটাচ্ছে, কিছু নির্বাচনিী সামগ্রী জ্বলছে, বেশক’টা নির্বাচন কেন্দ্রও । টেলপের দিকে চোখ দিলাম । হতভাগ্য একজন নির্বাচন-কর্মকর্তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা । একজন সহকারীর কব্জি কেটে নিয়েছে । বুক ধক্ করে উঠল । কম্পিত হাতে বড় মেয়েকে রিং দিলাম । আমার আশার বিপরীতে ফোন ধরলো মেয়ে ।
-হ্যলো ।
-হ্যালো আব্বু, সালাম আলায়কুম ।
-ওয়ালায়কুম, কেমন আছো মামণি ?
-ভালো আব্বু ! তুমি তোমরা ?
-আল্লা্ রহমতে ভাল । ফোন সাইলেন্স থাকবে বলেছিলে !

রিস্টকাটার্স: আ লাভ স্টোরি

মৃত্যুর পরের জগতটা কেমন হতে পারে?

এটা আলোচনার বিষয় হিসাবে আকর্ষণীয় কিন্তু অনেক বড়। তারচেয়ে স্বেচ্ছামৃত্যুর কথা ভাবি। সেই মৃত্যুর পরের জগতটা কেমন হতে পারে? সেদিন রাজধানীর হাতিরঝিলে আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে ঝাপ দিয়েছিলো একটি যুগল। তাদের মাঝে ছেলেটা মারা গেছে। সাঁতার জানতো না কেউই। প্রেমে বাঁধা পেয়ে স্বেচ্ছামৃত্যুর পথ বেছে নিয়েছিলো দু'জন। নিশ্চই খুব কষ্ট হচ্ছিলো তাদের। প্রেমিকার বাগদান হয়ে গেলে প্রেমিকদের কি এমন কষ্টই হয়? পৃথিবীর সব কষ্ট কি তখন তুচ্ছ মনে হয়? কোথায় যেন পড়েছিলাম, সবচেয়ে কষ্টের মৃত্যু হলো আগুনে পুড়ে মরা। শরীরের প্রতিটি কোষ পুড়তে থাকে এবং আলাদা আলাদা যন্ত্রণার জন্ম দেয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভিকটিম কয়েকদিন যন্ত্রণা ভোগের পর মরে। দ্বিতীয় কষ্টের মৃত্যু হচ্ছে পানিতে ডুবে মরা। ফুসফুস পানিপূর্ণ হয়ে যাবার পর সেটা ফেটে যায়। সেই কষ্ট বুকের মধ্যে নিয়ে মানুষ বাধ্য হয় মারা যেতে, কেননা একবার পানিতে তলিয়ে গেলে আর ফিরে আসার উপায় থাকে না। এসব জানা আজকাল কঠিন কোনো বিষয় না। কঠিন হচ্ছে এসব জানার পরও স্বেচ্ছামৃত্যুকে আহ্বান করা। বুঝে হোক বা না বুঝে, সেই কঠিন কাজটি মানুষ কখন করে? কতটা নিরূপায় হলে?

সিনেমার নামঃ ভালোবাসা জিন্দাবাদ

দেবাশীষ সাহেবরে আমার আগে খারাপ লাগতো না। সেই একুশে টিভির আমলে পথের পাচালী নামের এক অনুষ্ঠান যা আদতে বিদেশী স্ট্রিট শো থেকে মেরে দেয়া তা খুব গিলেছি এইট নাইনে যখন পড়ি। সেই অনুষ্ঠানের একটা সেগমেন্ট মজার ছিল- তা হলো গান গাইতে বলতো যা খুশী। বিস্তর হিন্দি বাংলা গান শোনা যেত মানুষের মুখে, মানুষকে বোকা বানিয়ে প্যাচালী মদন কনসেপ্টটাও খারাপ না। সেই অশ্লীলতার যুগে হিন্দি সিনেমার গল্প নিয়ে তিনি বানিয়ে ফেলেছিলেন 'শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ'। ভালোই নাকি চলেছিল সিনেমাটা। বিখ্যাত পরিচালক দিলীপ বিশ্বাসের ছেলে সে। তার বাবা বানিজ্যিক সিনেমার পরিচালক হলেও মানসম্মত সিনেমা বানাতেন। কিন্তু বিখ্যাত ব্যাক্তিদের ছেলেগুলো দুই রকমের হয়- এক হয় বাবার চেয়ে বেশী মেধাবী, আরেক হয় বলদের শিরোমনি। তার তিনটি সিনেমা দেখার কপাল আমার হয়েছিল-- এক। শ্বশুরবাড়ী জিন্দাবাদ, দুই। শুভ বিবাহ, তিন। ভালোবাসা জিন্দাবাদ! সবগুলোই লেইম বলে খারিজ করে দেয়া যায়, শেষ নামের সিনেমাটা হলে গিয়ে দেখার কথা ছিল, কিন্তু আমার আর পুলকের সময় হয় নি বলাকায় যাবার, তাই আজ ইউটিউবে একটা মোটের উপর ভালো প্রিন্ট আসছে তা দেখেই লিখতে হচ্ছে এই পোষ্ট।

বন্ধুত্বের পরিসমাপ্তি

ক্লাস ৩তে নতুন স্কুলে ভতি হওয়া সদ্য নতুন
ছাত্র সাদাত ৷ পথম দিনে বন্ধুত্ব হয়ে গেল মৌন
নামে এক ছেলের সাথে ৷ সেও আজ নতুন ৷
যাইহোক দুজনের বন্ধুত্ব গারো হতে থাকলো ৷
একদিন তো তুমুল ঝগড়া মৌন নাকি সাদাতের
কলম নিছে এই নিয়ে ৷ স্বাভাবিক নিয়মেই
আরি হয়ে গেল ৷ আবার ভাবো হয়ে কয়েকদিনের
মধ্যে ৷ এখন ওরা বেস্ট ফেন্ড ৷
দেখতে দেখতে ৩ বছর কেটে গেলো ৷ দুজনেই এখন ৬
এ ৷ নতুন দামী একটা জেল কলম গিফট
পেয়েছে মৌন তার বাবার কাছ থেকে ৷
স্কুলে আসার পর সাদাত বললো কলম
টা তো জোস কত নিছিস দোস্ত ? মৌন
বললো কেনো দোস্ত
ভালো লাগছে নিয়ে নে আমি আরেকটা নিবো বাব
কাছ থেকে ৷
২ বছর পরের কথা নাইনেও ওরা বেস্ট ফেন্ড ৷
সেদিন সাদাতের পেকটিকাল খাতা হারায়
গেলো অথচ কাল পরীক্ষা ৷ মৌনকে বললো ৷ পচন্ড
জোরাজোরি করে নিজের
খাতাটা সাদাতকে দিয়ে দিলো মৌন ৷ আর
নিজে সারের সই নকল করে পেকটিকাল
জমা দেওয়ায় অনেক মাইরো খেলো ৷
এখন ওরা আর ঝগড়া করে না কারণ এখন
ওরা দশম শেণীতে ৷ হঠাৎ একদিন সাদাত
বললো দোস্ত ঐ মেয়েটকে আমার খুব
ভালো লাগে মনে হয় পেমে পরে গেছি ৷ কিশোর
বয়সে এইটা অস্বাভাবিক কিছু নয় ৷ তারপর মৌন

বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি

গৌতম গতকাল লিখেছে "জগতের কোনো বিষয়ে তোমার কোনো ক্ষোভ আছে বন্ধু? এসো, তাহলে, আমাকে মেরে যাও; পুড়িয়ে দিয়ে যাও আমার ঘরখানি। আমরা জ্বালানি শুধু তোমার উল্লাসের আগুনের, বাকি পরিচয়টুকু না হয় চিতার আগুনেই ধ্বংস হোক!"

৬ বছরের বেশী সময় ধরে গৌতমকে আমি চিনি। নিজস্ব উদ্যোগে বাংলাদেশের শিক্ষা বিষয়ক একটি ওয়েবসাইট দীর্ঘ সময় পরিচালনা করেছে। বাংলাদেশের এই জোড়াতালি দেওয়া শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারে করনীয় বিষয়গুলো নিয়ে ভেবেছে, লিখছে, গবেষণা করছে ও। দীর্ঘ দিনের পরিচিত একজন মানুষ যখন হুট করে এমন একটা কিছু লিখে, সেখানে লুকিয়ে থাকা খেদ আর শ্লেষ আমাকে আহত করে।

আমাদের রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী সমাজে "বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিবোধ" এর ভ্রান্তিবিলাস আমাদের গণমাধ্যমে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবেদন প্রকাশে অন্তরায় ছিলো। নিতান্ত অবহেলায় সাম্প্রদায়িক হামলাগুলোর সংবাদ প্রকাশিত হতো ভেতরের পাতায়।

এখানে আর ভালো লাগার মতো কিছুই পাবে না, সহজে!

আইলসা ভাইদের জীবন চলে যাচ্ছে আগের মতোই, ওহ তার আগে বলে নেই আইলসা ভাইদের গল্প। এক গ্রামে ছিল এক আইলসা ভাই, তাকে জিগেষ করা হয়েছিল 'কলা খাইবা নি? তার উত্তরে সে বলেছিলো ছিল্লা দিলে খাইতাম, নয়তো ইচ্ছা নাই কষ্ট করে খাবার । আমার দিন যাপনও এখন সেরকমই যাচ্ছে, অবরোধ হরতালে একগেয়ে বসে থাকার অলস জীবন। ঘুমাই খাই দাই, ভার্সিটি নাই, বেলায় বেলায় চায়ের দোকানে যাই, কেউ ডাকলে লাজ শরমের বালাই ভুলে বাসায় চলে যাই, এই করেই চলছে। আগে হরতালে একান্তই কাজ না থাকলে, কেউ না আসলে চলে যেতাম পাবলিক লাইব্রেরীতে। এখন প্রানভয় আর পুলিশের ভয়ে কোথাও যাওয়া হয় না মন চাইলেও। তার ভেতরে মুখে ১০-১৫ দিনের দাড়ি আর পড়নে পাঞ্জাবী থাকলে খুব হুশ নিয়ে চলতে হয় এই শহরে। কোন সময় কে বাটি চালান দিয়ে দেয় তাই নিয়ে ভাবি! মানুষ নাকি এখন অনেক ব্যস্ত শুনি সামান্য মোবাইলে গেইম খেলারই সময় নাই, বই পড়ার সময় নাই, দেখা করার সময় নাই, খালি সময় স্বল্পতার ফিরিস্থি শুনি চারিদিকে। আমার জীবনে দেখি খালি সময় আর সময়, অফুরন্ত সময়!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ