অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৯ জন অতিথি অনলাইন

রাজনীতিবিদ বিশুদ্ধকরণ প্রকল্প

অবশেষে নোমান মামা দিব্যজ্ঞান লাভ করলেন। জ্ঞানলাভের জন্য বনে-বাদাড়ে ঘুরতে হয়নি, বিশেষ গাছের নিচেও বসতে হয়নি_ দেশপ্রেমের দীক্ষাটুকুই যথেষ্ট। দিব্যজ্ঞানালোকের সঠিক প্রয়োগে সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন_দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় রাজনীতি নয়, রাজনীতিবিদদেরই সংস্কার আবশ্যক! রাজনীতিবিদ পরিশুদ্ধ হলে আপনাআপনি রাজনীতিও মূলধারায় ফিরবে!
রাজনীতিবিদ বিশুদ্ধকরণ প্রকল্প হাতে নিয়ে কোমরে গামছা বেঁধে নামলেন মামা। প্রথমে দড়িই বাঁধতে চেয়েছেন। গামছায় রাজনীতির গন্ধ আছে।
দড়ি না পাওয়ায় আক্ষরিক অর্থেই গামছা বাঁধলেন! জনসেবামূলক কাজে মেরুদণ্ড সোজা রাখা জরুরি। মেরুদণ্ডের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক কোমরের!
নিজ এলাকায় পরিপূর্ণ সংস্কারের পরই বাংলাদেশের সব অঞ্চলে নজর দিতে হবে। প্রথমে তিনি সাক্ষাতের চেষ্টা করলেন আওয়ামী লীগের স্থানীয় এমপির সঙ্গে। এমপি দুরস্ত, তার পিয়নের নাগাল পেতে গলদঘর্ম হতে হয়েছে টানা ৪ মাস! অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে ১১ মাস পর পাওয়া গেল এমপি সাহেবকে। যারপরনাই বিরক্ত তিনি_'কী ব্যাপার, অসময়ে ডিসটার্ব করছেন কেন?'
মামা হাসিমুখে বললেন, 'স্যার, সময়মতোই এসেছিলাম। আপনার দেখা না পাওয়ায় ...!'

নষ্ট ভালবাসা

এ কি বাস্তবতা
নাকি
দুঃস্বপ্নের পাশাখেলা।
কতদিন তোমাকে দেখি না
কতদিন দেখতে পাব না
জানিনা।
আজ ভিন্ন ছাদের নিচে তুমি
পেতেছ তোমার কল্পিত স্বপ্নের
বাস্তব চাদর,
আমিও তথৈবচ।
এমনটি কি হবার কথা ছিল।

মনে পড়ে
সেদিন গুলোর কথা।
অশোক পাপড়ি ভেবে ,
তব
লিপিষ্টক বিহীন রক্তাব অধরের
সুগন্ধে।
ভ্রমরকে হার মানিয়ে তোমাকে
নিষ্পেষণ করার কথা।
ফুলের গন্ধের বিলীনতা
বা সৌন্দর্যের সমাপ্তি
আমি দেখেছি
কিন্তু তোমার ভেজা ঠোটের
রূপ রস গন্ধের কমতি
কি যে বলব,
বেড়েছে বই
কল্পনাতেও ফুরোয় নি।
তাই তো আমার পাগলামো বল
বা তোমার রগে রগে
মম বিচরণের স্মৃতিকাতরতা বল
আজও বেড়েছে বই
কমেনি,
কখনো বাইসাইকেল,
কখনো মটর সাইকেল,
কখনও মার্সিডিসের গতিতে
আবার কখনও হাওয়াই জাহাজ
বা কখনও মহাশুন্য যানের গতিকেও
হাড় মানিয়ে
পাহাড়, নদী, জল
এমনকি কত শত
তারা, নীহারিকাকে ভ্রুকুটি করে
উর্ধশ্বাসে হয়েছে মম বিচরণ।
কতদিন,
বিধাতার দেয়া পা দুটোতে না চলে
চলেছি,
তোমার রক্তে আমি,
আমার রক্তে তুমি,
তোমার কি রক্ত চলাচলের
শিরা উপশিরা গুলোর
কথা মনে পড়ে
নাকি ঢাকা শহরের

আমার পুলাপান বেলা ২.২

আমরা যখন নিচের দিকের ক্লাসে পড়তাম সাইফুদ্দিন স্যারকে দেখতাম শুধু বড়দের ক্লাস নিতো। সেই ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি স্যারকে। ছোটখাট রুগ্ন শরীর, ফর্সা চামড়া তার নিচে নীল নীল রগ দেখা যেত। স্যার পাঞ্জাবী, পায়জামা, নেহেরু টুপি পড়তেন সাথে কালো চামড়ার স্যান্ডেল। টুপি পড়া অবস্থায় কেউ বুঝতেও পারবে না সেই টুপির নিচে যে মস্ত টাক। স্যার যখন অজু করতেন তখন মাথা মাসেহ করার সময় সেই টাক দেখা যেত। বড় ভাইদের দেখতাম সেই ছোটখাট মানুষটাকে বেশ সমিহ করে চলতো, যদিও সাইফুদ্দিন স্যারকে কখনো বেত হাতে দেখি নাই।

এক সময় আমরা উপরের ক্লাসে উঠলাম এবং সাইফুদ্দিন স্যারকে পেলাম। সেই রুগ্ন শরীর সেই চামড়ার ভাঁজ সেই নীল রগ সব আগের মতই। স্যারের ক্লাসগুলো ছিলো বেশ মজার, মাঝে মাঝেই স্যার পড়া থামিয়ে গল্প জুড়ে দিতেন। এত মজার করে গল্প বলতেন যে ক্লাসের সবচাইতে দুষ্টু ছেলেরাও চুপ করে শুনতো। স্যারের একটা গল্প এই মুহূর্তে মনে পড়ছে -

ধূসর গোধূলিঃ চেনা পথের গল্প...

dhusor godhuli-12.jpg

ব্রিজ থেকে নেমে তিন ভাইবোনে হরিপদর বাড়ির দিকে এগোতে থাকে। মূল ফটক দিয়ে বাড়িতে ঢুকতেই শিউলি দেখতে পায় বিজয়া কাকী বাড়ির উঠানে নানান ধরনের আচার শুকাতে ব্যস্ত। ওকে দেখে কাকী অবাক হয়ে অনেকক্ষণ ধরে ওর দিকে তাকিয়ে থাকে, মুখে চিরচেনা সেই স্বভাবসুলভ হাসি। কাছাকাছি যেতেই ওকে উদ্দেশ্য করে বলে,
-আরে, এ কারে দ্যখতাছি! নতুন মানুষ আমগো বাড়ি?
-আমি নতুন মানুষ কাকী? আমারে এতো তাড়াতাড়ি পর কইরা দিলা?
-আমরা পর করুম ক্যান? বিয়ার পর মাইয়ারা আর নিজেগো থাহে না রে মা! শ্বশুরবাড়িই তার আপন হইয়া ওডে। এই দ্যাখ, আমি তো বাপের বাড়ির কতা ভুইলাই গ্যাছি। একটা সত্যি কতা কমু?
-কও! শিউলি হাসতে হাসতে বলে
-তুই আগের চাইতে অনেক সুন্দর অইয়া গ্যাছোস
শিউলি যেন কিছুটা লজ্জা পেল। বিজয়া এগিয়ে এসে কানে কানে কিছু একটা বলতেই শিউলীর গাল দু’টো ক্রমশ লাল হয়ে উঠলো। কিছুটা কপট রাগের ছলে হাসতে হাসতে বলে, যাও কাকী, তুমি যে কি না! তারপর চারদিকে তাকিয়ে বলল, আইচ্ছা মালতি কই?

আলোক উৎসব

সরকারের ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদুৎ উৎপাদনের সাফল্য উপলক্ষ্যে হাতির ঝিলে আলোক উৎসব

লেজার শো : ০১
Pic_01

লেজার শো : ০২
Pic_02

লেজার শো : ০৩
Pic_03

লেজার শো : ০৪
Pic_04

আতশবাজী : ০৫
Pic_05

আতশবাজী : ০৬
Pic_06

লেজার শো এবং আতশবাজী দেখার পর মানুষের ফিরে যাওয়া: ০৭
Pic_07

আমার রাজকন্যার গল্প

আজ ১৪ নভেম্বর।আমার রাজকন্যার বয়স তিন মাস পূর্ণ হলো।সময় কত দ্রুত যায়! এই তো সেদিন ১৪ আগষ্ট,২০১৩ বুধবার দুপুর ২টা ৪০মিনিটে গগনবিদারী চিৎকার করে আমার রাজকন্যা এলো এই কঠিন পৃথিবীতে।এরপর থেকে এই তিন মাস সময় যেন চোখের অলক্ষ্যেই কেটে গেছে।রাতের ঠিক নেই,দিনের ঠিক নেই।রাত-দিন যেন মিলেমিশে একাকার।
রাতে ঘুমানোর আয়োজন করছে সবাই,অথচ আমার রাজকন্যা কেঁদে অস্থির।সারাটা রাত থেমে থেমে কান্না দিয়েই শেষ করেছে প্রথম এক মাস।
দ্বিতীয় মাসে রাজকন্যা একটু বড় হলো।তাই দ্বিতীয় মাসের রাতগুলো সে কাটিয়েছে বিরামহীন কান্নায়।তার কান্নায় পাড়া প্রতিবেশীর ঘুমের বারটা বেজে যেত।আর তাই সকালবেলা রাজকন্যার নানুমনিকে মুখোমুখি হতে হতো একগাদা প্রশ্নের,নাতনী এত কাঁদে কেন?ডাক্তার দেখান।হুজুরের কাছ থেকে তাবিজ আনুন। মনে হয় কারো নজর লেগেছে।এরকম হাবিজাবি আরও অনেক কথা।
তৃতীয় মাসে রাজকন্যা তার দাদাভাইয়ার বাসা থেকে বেড়িয়ে এসে বেশ লক্ষীটি হয়ে গেছে।এখন সে মাঝে মাঝে রাতে জেগে থাকে।তবে আমার রাজকন্যা একা রাত জাগতে পছন্দ করে না বলে ইদানীং তার মার পাশাপাশি তার বাবাকেও রাতটা জেগেই পার করতে হয়।

থ্যালাসেমিয়াঃ ভয় নয়, প্রয়োজন সচেতনতা, পর্যাপ্ত প্রচারণা। (শেষ পর্ব)

হিমোগ্লোবিন-ই ডিসঅর্ডারঃ
বিটা থ্যালাসেমিয়ার মত হিমোগ্লোবিন-ই ও আমাদের দেশে বেশ দেখা যায়। এটাও এক ধরনের হিমোগ্লোবিন ডিসঅর্ডার এবং বংশগত রোগ। এই হিমোগ্লোবিন-ই ডিসঅর্ডার দুই ধরনের হয়ে থাকে। ১. হিমোগ্লোবিন-ই ট্রেইট ২. হিমোগ্লোবিন-ই ডিজিজ। যে সন্তানের পিতা-মাতার যে কোন একজন থেকে হিমোগ্লোবিন-ই এর জিন পায়, তাদেরকে হিমোগ্লোবিন-ই এর বাহক (Hemoglobin E-Trait) বলা হয় আর যারা বাবা-মা দু’জনের কাছ থেকেই উত্তরাধিকারসূত্রে এই জিন পায় তারা হিমোগ্লোবিন-ই ডিজিজে আক্রান্ত হয়।

হিমোগ্লোবিন-ই ট্রেইট কিংবা হিমোগ্লোবিন-ই ডিজিজে আক্রান্ত ব্যক্তি যদিও হিমোগ্লোবিন-ই জিন সারাজীবনের জন্য বহন করে, তবুও এদের ক্ষেত্রে তেমন কোন উপসর্গ দেখা দেয় না। এরা অনেকটা বিটা থ্যালাসেমিয়ার বাহকের মতই, সামান্য রক্তশূন্যতায় ভুগতে পারে। তবে দুর্ভাগ্যক্রমে যদি এদের কারো সাথে বিটা থ্যালাসেমিয়ার বাহকের সাথে বিবাহ হয়, তবে তাদের শিশুর হিমোগ্লোবিন-ই বিটা থ্যালাসেমিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

a1_0.jpg

গল্প: এক শীতে হারানো সুখের গল্প

আবার শীতকাল চলে এসেছে। অথচ এখনো চলছে কার্তিক মাস। তারপরও বুধবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দিনাজপুরে।

শীতকালটা আমার খুব বেশি প্রিয় ঋতু না। আবার অপ্রিয়ও না। শীতের ভোরে ঘুম থেকে উঠতে ভালো লাগে। বারান্দায় দাঁড়িয়ে কুয়াশার উড়ে বেড়ানো দেখতে ভালো লাগে। জিন্স-জ্যাকেট-কেডস্ ইত্যাদিতে নিজেকে আগাগোড়া মুড়িয়ে ধূমায়িত চায়ের কাপে চুমুক দিতে ভালো লাগে। এরকম কয়েকটা বিষয় আছে যেগুলো ভালো না লাগার কোনো কারণ নেই। তবে খারাপ যেটা লাগে সেটা হচ্ছে- অসহ্য ঠান্ডার কারণে পানিতে হাত দিতে না পারা। যেসব কাজে পানির সংস্পর্শে যেতে হয়, সেসব কাজ করতে না পারা। বরফের মতো ঠান্ডা শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে সাইকেল চালিয়ে গভীর রাতে বাড়ি ফেরা। এ কাজগুলো শীতকালে করতে খুব বিরক্ত লাগে কিন্তু না করলেও চলে না। সব মিলিয়ে এ ঋতুটি একটি মিশ্র ঋতু।

থ্যালাসেমিয়াঃ ভয় নয়, প্রয়োজন সচেতনতা, পর্যাপ্ত প্রচারণা। (প্রথম পর্ব)

Thalasemia-1.jpg

এইচআইভি কিংবা হেপাটাইটিস নিয়ে মানুষের মাঝে যতটা সচেতনতা আছে থ্যালাসেমিয়া নিয়ে তেমনটা এখনও গড়ে ওঠেনি। একমাত্র যারা ভুক্তভোগী তারাই এই রোগ সম্পর্কে জানেন। থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার হারটা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। একটি পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় দেশে আনুমানিক ৫০ হাজার থ্যালাসেমিয়া রোগী প্রতিনিয়ত মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ারের সংখ্যা এক কোটি ২০ লাখ এবং বছরে প্রায় ছয় হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ার হয়ে জন্মগ্রহণ করছে। থ্যালাসেমিয়ার চিকিৎসার তুলনায় প্রতিরোধই শ্রেয়। আর এই রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজন মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা।

শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার অপ্রকাশিত ফোনালাপ

দেশের সর্বত্রই বর্তমানে একটাই আলোচনা- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার ফোনালাপ। সাধারণ, অসাধারণ সব মানুষের আগ্রহ, কৌতূহলের পরিধি এতটাই ব্যাপক- সূর্য পশ্চিমে উঠলেও আরো কম ‘পাত্তা’ পেতো। ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া ফোনালাপটি গুরুত্বের সাথে প্রচার প্রকাশ করেছে। কিন্তু তা খণ্ডিত, ভগ্নাংশমাত্র। শুধু ৩৭ মিনিট নয়, তারা আলাপ করেছেন আরো বেশি সময় ধরে। মিডিয়ার অগোচরে। কথোপকথনের বাদ পড়া অংশটুকু স্বপ্নলোক থেকে জানাচ্ছেন কল্পলোকের বাসিন্দা শফিক হাসান

শেখ হাসিনা : হ্যালো! কেমন আছেন?
খালেদা জিয়া : আবার হেলানোর ফন্দি! হেলাতে হেলাতে আমার পীঠ দেয়ালে ঠেকিয়ে দিলেন। আর কত হেলাবেন?

শেখ হাসিনা : ছি ছি, এভাবে বলছেন কেন? হাজার হলেও আপনি আমার বন্ধু মানুষ।
খালেদা জিয়া : বন্ধুত্বের দরজায় আপনি খিল লাগিয়ে রেখেছেন। নইলে এডিসিকে দিয়ে ফোন করাতেন না। নিজেই করতেন!

শেখ হাসিনা : এডিসি আপনার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের ফোনে...।

বিস্রস্ত জর্নাল থেকে কিছু জার্নাল- শেষ পর্ব

কিছু লিখতে ইচ্ছা করছে, সপ্তাহ খানেক ধরে লিখি না কিছুই। মামার বিয়ে কিংবা দিনলিপি বা হরতাল নিয়ে পোষ্ট লেখা যেত কিন্তু মাথা খাটাতে ইচ্ছা করছে না। পুরানো এক পোষ্ট খুজতে গিয়ে হঠাৎ এই সিরিজটার কথা মনে পড়ে গেল। ভাবলাম আরো কিছু লেখা যায় বিস্রস্ত জর্নাল বই থেকে। কিন্তু সমস্যা হলো বই পাচ্ছিলাম না। বইয়ের হজবরল অবস্থা দেখে মামা সব বই কার্টুন বন্দি করেছে আমার এবসেন্সেই। তাই জমিয়ে রাখা বই ছাড়া সব গুলাই বাক্সবন্ধি। তবে কিভাবে জানি এই বইটা খুজে পেলাম বিনা পেরেশানীতেই, তাই লিখতে বসলাম আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বিস্রস্ত জর্নাল থেকে টুকে নেয়া কিছু লাইন!

২২৭। আমার কোনো এক বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে একজন বক্তা সহৃদয় আক্ষেপের সঙ্গে বলেছিলেন, টেলিভিশনে গিয়ে আমি আমার জীবনের মুল্যবান সময়ের অপব্যায় করেছি।
আমি তাঁর সঙ্গে একমত নই।
আন্তরিক ভাবে মানুষ যা করে তা কোনোকিছুই নষ্ট হয় নয়।
কেন অপচয় বলব? শরীর নির্ভর শিল্প পৃথিবী থেকে মরে যায় এই জন্যে? শিল্পমুল্য ছোট তাই?
কিন্তু আমি কি করতে পারি। আমার ভেতরে আছে যে ব্যাপারটা। সাহিত্যের বা সামাজিক বেদনার মতো এইরকম অত্যাচারীভাবেই যে আছে!

ধূসর গোধূলিঃ হারানো দিনের ডাক...

harano diner dak.jpg

আমি কখনো স্বৈরশাসক এরশাদকে পছন্দ করতে পারি না...

আমি কখনো স্বৈরশাসক এরশাদকে পছন্দ করতে পারি না...
কারণ
তখন বুঝতে শিখেছিলাম দেশের মানুষের হাহাকার...
তখন নুর হোসেনের পরিবারের কান্না আমাকে স্পর্শ করেছিলো....
তখন দেখেছি একটা দেশকে কীভাবে বিপর্যস্ত করে ধ্বংসের শেষ সীমায় নেয়া যায়...

আমি আস্থা রেখেছিলাম দুই নেত্রীর উপর
কারণ
তারা স্বৈরাচার এরশাদ হটানোর আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিল
জেল জুলুম অত্যাচার সয়ে দেশের মঙ্গলে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছিল

আর আমি এখন দেখছি
দুই নেত্রী এরশাদকে আসলে ত্যাগ করতে পারে নাই Sad
যখন যার প্রয়োজন হয় সেই ডেকে নেয় Sad

.......................................... আমি স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি... আমি নব্বই দেখেছি... আমি এরশাদের পুনর্বাসন দেখে বুঝতে পারছি রাজাকারের পুনর্বাসনের প্রক্রিয়া...

আমি কাউকে দোষ দেই না... "যখন কেউ বলে ৪২ বছর আগের গণ্ডগোল নিয়ে এত লাফানির কি আছে" তখন মনে হয় দোষ অন্যের না দোষ আমার রক্তে...

নুর হোসেন

এবং আমরা পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছি

অকুপাই ওয়ালস্ট্রীট আন্দোলনটা খুব দ্রুতই সারা বিশ্বে ছড়িয়ে গেলো, পূঁজিবাদী ব্যবস্থার আভ্যন্তরীণ দুর্বলতায় ভোক্তা-ব্যবসায়ী-রাষ্ট্র- আইন এবং অর্থনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েনে সাধারণ মানুষের জীবনযাপনের মাণ অক্ষুন্ন রাখার ন্যুনতম নিশ্চয়তা নেই, অর্থের পরিমাপে মানুষের মূল্য নির্ধারিত হলে, প্রয়োজনীয় সেবাগুলোর প্রাপ্যতা এবং মাণ অর্থে নির্ধারিত হলে শুধুমাত্র গুটিকয়েক মানুষ সকল ধরণের সুযোগ সুবিধা কিনে ফেলতে পারে এবং গণমাধ্যম অশ্লীল ভাবে সেগুলোকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে প্রচার করে সবার ভেতরে তেমন জীবনযাপনের স্বপ্ন তৈরি করতে পারলেও সে পথে সবার সহজ গতায়ত নেই। অর্থনীতি এবং প্রোডাক্টিভিটির ইঁদুর দৌড়ে শুধুমাত্র কয়েকজন সফল হবে, বাকীরা সেই সাফল্যের আশায় পূঁজিবাদী অর্থনীতের যাতাকলে পিষ্ট হবে। তবে অকুপাই ওয়ালস্ট্রীট আন্দোলনটা এই সহজ প্রতিযোগিতামূলক বাস্তবতার বিরুদ্ধে ছিলো না বরং বিদ্যমান ব্যবস্থায় ন্যায্যতার অভাবে আন্দোলনটা শুরু হয়েছিলো।

স্বপ্নালু অশ্রু

সেদিন বিশাল পার্টি ছিলো গ্রান্ড হোটেলে। প্রচুর লোক, ব্লন্ড চুলের অপরুপ সুন্দরী, কমপ্লিট স্যুটের কর্পোরেট, রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বের ছড়াছড়ি। ওয়াইন সার্ভ করার দায়িত্ব আমার ওপর পড়েছে আর আমার সাথে সিন্থিয়া আর জোবিহা। জোবিহা ইসরাইলের। প্রথম যেদিন দেখা হলো বেশ ভড়কে গিয়েছিলাম। শেভ করা ছিলাম না, চোখ দুটো লাল। ভোর বেলা আধ ঘুমে ড্রেস রুমে জামা চেন্জ্ঞ করে যখন টেবিলের বিশাল বিশাল সাদা কাপড় লন্ড্রিতে নিয়ে যাচ্ছিলাম তখন হঠাৎ পেছন থেকে আমাকে একটা মেয়ে ডাকলো।

পেছনে তাকিয়ে দেখি অপরুপ সুন্দর কালো চুলও মেয়ে। মেয়েটির চেহারার সবচেয়ে আকর্ষনীয় হলো চোখ আর তার মোটা ভ্রু। বিশাল বিশাল চোখে চোখা চোয়াল আর নাকের সাথে অদ্ভুত ভাবে মিলিয়ে গেছে। ডোরা কাটা সুন্দরী যাকে বলা যায়।
: (সুইডীশে) তুমি কি এখানে নতুন?
: এই তো কিছুদিন।
: যাই হোক, ওয়াইনের বোতল গুলো কার দায়িত্বে? একটাও সাজানো নেই। ফ্রেন্ঞ্চ ওয়াইনের সাথে লেবানীজ। হোয়াইটের সাথে রেড। কাল কি নতুন কেউ কাজ করেছে এখানে?
: তা তো বলতে পারবো না। তবে কোথায় এরকম হয়েছে বলতে পারো?

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ