অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ২৪ জন অতিথি অনলাইন

শহীদ বুদ্ধিজীবিদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি - পর্ব এক

জহির রায়হান

জহির রায়হান

বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং লেখক জহির রায়হান ১৯শে আগষ্ট ১৯৩৫ সালে ফেনী জেলার একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫০ সালে আমিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মেট্রিকুলেশন পাশ করে ঢাকা কলেজে ভর্তি হন যেখান থেকে তিনি পরবর্তীতে আই এস সি পাস করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রী অর্জন করেন।

প্রথম জীবনে তিনি কমিউনিস্টদের আন্দোলনের প্রতি ঝুঁকে পড়েন। পরবর্তীতে যখন কমিউনিস্টদের রাজনীতি নিষিদ্ধ হয় তিনি তখন আত্মগোপনে চলে যাওয়া নেতাদের বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করতেন। মজার তথ্য হলো তার নামের শেষাংশ "রায়হান" আত্মগোপনে যাওয়া নেতাদের দেয়া। জহির রায়হানের প্রকৃত নাম জহিরুল্লাহ।

মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা শেষ পর্ব

তাদের ১০ জনের ৮ জন বিশ্বাস করে নাগরিকের মৌলিক চাহিদা পুরণের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। তারা বিশ্বাস করে সকল নাগরিকের অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা, শিক্ষার দায়িত্ব গ্রহন করার রাষ্ট্রের কর্তব্য। তারা মনে করে রাষ্ট্রের খাস জমি দরিদ্রদের সমবন্টন করতে হবে। তাদের ১০ জনের ৯জন বিশ্বাস করেন ভোট দেওয়া নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার। তাদের ১০ জনের ৫ জন বিশ্বাস করে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে নারীদের তুলনায় পুরুষেরা বেশী যোগ্য, দক্ষ।

টু হানড্রেড!

শাহবাগের উত্তাল দিনগুলোতেও ব্লগে সিরিজ ধরে পোষ্ট লিখে ছিলাম, গাল ভরা নাম ছিল 'নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময়'। সেই সিরিজের সম্ভবত দুই হালির উপর পর্ব ছিল। অনেকে প্রশ্ন করতো শ্রেষ্ঠ সময় কিভাবে ফলবিহীন হবে?

ধূসর গোধূলিঃ খেলা...

dhusor godhuli-19_0.jpg

বটতলার হাটের ইজারা নিয়ে হাঙ্গামা আজ নতুন নয়। গত কয়েক মাস ধরেই ঘাটের মাঝি কিংবা হাটের দোকানদারদের সাথে বাদলের বাক-বিতণ্ডা যেন নিত্য নৈমত্তিক ব্যাপার। বিনা নোটিশে ঘাটের টোল বাড়ানোর প্রতিবাদে খেয়া নৌকার মাঝি, মাছ ধরার নৌকার মাঝিরা কয়েক দফায় নৌকা বাওয়া বন্ধ রেখেছিল। এই নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে ইজারাদার বাদল আর হারু মেম্বরের ভাই মজনুর রেষারেষি লেগেই আছে। ঘাটের মাঝিরা তাদের দাবীতে অনড়, তারা বাড়তি টোল দিবে না। দরকার হলে তারা নৌকা বাওয়া ছেড়ে দিবে। বাদলের অভিযোগ মজনু নেপথ্যে থেকে কলকাঠি নাড়ছে।

অনেকদিন ধরে জমাটবাধা বরফ গলাতে আজ দুই পক্ষকে একসাথে বসানো হয়েছে। চেয়ারম্যান বশিরুল্লাহ পাটোয়ারীকে আনা হয়েছে একটা শান্তিপূর্ণ ফয়সালা করতে। নৌকার মাঝিদের অভিযোগ জানতে চাইলে কাজেম মাঝি বলে ওঠে,

অমুসলিমরা কোথায় যাব?

এই দেশ স্বাধীন করতে কে কী করেছে তা সবারই জানা। একটি স্বাধীন দেশ পাওয়ার জন্য সবাই মুক্তি সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়েছিল। বাঙালি কী আর অবাঙালি কী। সবাই পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। সেই ইতিহাসে না যাই। কারণ সেসব ইতিহাস সবার জানা আর না জানা থাকলেও কোন ক্ষতি নেই। কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তাহীনতায় আছে অমুসলিমরা। সুতরাং তাদের অতীতের ইতিহাস জেনে কী লাভ। সময় নিয়ে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে অনেক ঘোরা যাবে কিন্তু বর্তমানে বাস্তবতায় ফিরে আসা সবচেয়ে জরুরী।

কাহি তুমি কার?

কাহি তুমি কার?
(আঞ্চলিক)

কাহি মোদের রওশেন
একবার ভেবে কওছেন
দোষটা কী কাহার
তার এতো কষ্টে
লাভ কি তোঁয়ার।

সুখের একি সংসার
ভেঙে ক্যান ছারখার
কাহারে করলা তুমি
বড়ই অপমান
যায় বুঝি তার জান।

কাহা মোদের এরশাদ
বুঝবে তুমি এর স্বাদ
মান করে তাই খর্ব
ভাবছো বুঝি গর্ব
ভাঙবে অহঙ্কার।

সত্য করে বল কাহি
তুমি কি কাহার?
সর্বদলে কাহা নেই
তোঁয়ারই বাহার!
তয় জাপা কার?

নোট: কাহি-কাকি, মোদের-আমাদের, রওশেন-রওশন, কাহার-কাকার, তোঁয়ার-তোমার, ক্যান-কেন,
জান-জীবন বা প্রাণ, তয়-তবে, জাপা-জাতীয় পার্টি।

১২.১২.১৩

ষোল কোটি টিয়া পাখির আত্মকাহীনি

পূবাকাশে সামান্য রক্তিম রেখা ফুটে উঠেছে। সূর্যটা উঠি উঠি করছে। রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙ্গে অসংখ্য কাক কা কা করেই চলেছে। বারান্দায় রাখা খাঁচার ভিতরে বন্দী টিয়া পাখিটা আড়মোড়া ভেঙ্গে নিল। তার সঙ্গীর ঘুম এখনো ভাঙ্গেনি।

“আরে ওঠো ওঠো। ভোর যে হয়ে এল।”

“তোমার আমার কি এমন কাজ আছে যে আমরা সকাল সকাল না উঠলে মহাভারত অশুদ্ধ হবে?”

“তবুও কেমন জানি অপরাধ বোধ হয়।”

“যাদের অপরাধ বোধ হওয়া দরকার তাদের তো হয়না। তোমার হয়ে লাভটা কি?”

“দেশের যা অবস্থা তাতে কি আর শান্তিতে বসে থাকা যায়?”

“যারা দেশের স্টিয়ারিং হুইল ধরে আছে তারা তো দিব্যি নরম গদির বিছানায় লেপ গায়ে নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে। তোমার কেন দেশ নিয়ে এতো মাথা ব্যথা বুঝিনা বাপু।”

“আহা দেশের প্রতি একটা দায়িত্ব আছে তো। এই মাটিতে আমাদের জন্ম, তার ঋণ কি মরেও শোধ করা যাবে!”

মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা ৩য় পর্ব

বাংলাদেশে মাদ্রাসা সম্প্রসারণের হার বাড়ছে। এমপিওভুক্তির তুলনা করলে দেখা যাবে প্রতিবছর যে পরিমাণ মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত হচ্ছে অন্যান্য পাবলিক স্কুলের এমপিওভুক্তির পরিমাণ তার তুলনায় নগন্য। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর বেশ অনেকদিন পর অনেকগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে কিন্তু প্রতিবছরই কোনো না কোনো মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত হয়। এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন এবং ক্ষমতাসীন ব্যক্তিদের সুপারিশ গুরুত্বপূর্ণ এবং একটি পাবলিক স্কুল নির্মানের বদলে স্থানীয় ধনাঢ্য ব্যক্তিরা মাদ্রাসা নির্মাণ এবং মাদ্রাসা অর্থায়নে আগ্রহী। এই নবগঠিত আলীয়া মাদ্রাসাগুলো দ্রুতই এমপিওভুক্ত হয়। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশের মাদ্রাসা সম্প্রসারণের ঘটনাকে "রাষ্ট্রের অর্থায়নে জঙ্গীবাদ সম্প্রসারণ উদ্যোগ" না কি রাষ্ট্রের অনীহায় বর্ধিত শিক্ষার্থীদের বিকল্প হিসেবে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা বেছে নেওয়ার বাধ্যবাধকতা হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।

হু ইজ দ্য বাস্টার্ড

"উকিল সাব,স্লামালিকুম"
আশরাফ সাহেব দ্রুত হেঁটে যাচ্ছিলেন।রাত দুপুরে অচেনা কন্ঠের সালাম তাঁর জন্য নতুন কিছুনা।হয়ত নতুন কোন নাইট গার্ড।তিনি হাঁটতে হাঁটতেই সালামের উত্তর দিলেন।অচেনা কন্ঠ বলে উঠল,"উকিল সাব কি ব্যস্ত?এই রাইত দুপুরে আবার কিসের ব্যস্ততা?"
আশরাফ সাহেব লক্ষ্য করলেন কেউ তাঁর পিছে পিছে আসছে।এত রাতে এই রাস্তায় আর কারো থাকার কথা না।তাছাড়া কোন নাইট গার্ড ডিউটি ছেড়ে তাঁর পিছে আসবেনা।তিনি ভয়ে ভয়ে দাঁড়ালেন।পিছু নেয়া লোকটি তাঁর সামনে এসে দাঁড়ালো।আশরাফ সাহেব অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলেন।লোকটি এবার বলল,
"উকিল সাব মনেহয় আমারে চিনতে পারেন নাই"
"না,কে তুমি?" আশরাফ সাহেব ভয়ে ভয়ে উত্তর দিলেন।
"আমি কসাই কাদের।দাড়ি-গোঁফ বড় হয়ে গেছে,তাই হয়তো চিনতে পারেন নাই"
আশরাফ সাহেব অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলেন।তিন বছর আগে জোড়া খুনের মামলায় কসাই কাদেরের ফাঁসির আদেশ হয়েছে,তিনি নিজে বাদী পক্ষের উকিল ছিলেন।তাঁর মুখ থেকে কোন শব্দ বের হল না।কসাই কাদের তার কোন অপেক্ষা না করে বলতে লাগল,
"উকিল সাব,ভয় পাইবেন না।আমি আপনারে মারতে আসি নাই।আমি দোষ করছি,শাস্তি হয়েছে।আপনি আমার শাস্তি দেয়ার ওসিলা মাত্র"

নাম তার মোস্তাক

নামটি তার মোস্তাক
নেই কোনো রাখঢাক
আসে যখন অফিসে
পা মোছে পাপোসে।

বসে যখন চেয়ারে
কেউ নেই কেয়ারে
হাসে বসে মুচকি
প্রিয় মাছ কাচকি।

সারা দিন আপলোড
মনে রাখে নিউজ কোড
ডেস্কটপ নয় ল্যাপটপ
তার আছে জানা সব।

যায় কখনো চ্যাটিংয়ে
স্বপ্ন আঁকে ব্যাটিংয়ে
যায় না তবু মিটিংয়ে
মাঝে মধ্যে ডেটিংয়ে।

ছুটির দিনে গুলশানে
কাটে সময় জলপানে
পছন্দ তার মাছ-ভাত
ভয়টি শুধু বজ্রপাত।

***পুনশ্চ : মোস্তাকের অনুরোধে ঢেঁকি গেলা

@হাতিরপুল, ঢাকা-১১.১২.১৩

পাহাড় আর নদীর গল্প

ছোট্ট একটি গল্প শোনাবো আজ, নদী আর সবুজ পাহাড়ের গল্প।
এই পাহাড়ের বুক চিঁড়ে , কতকাল ধরে ধেয়ে চলেছে
খরস্রোতা দুরন্ত এক নদী।
নদী আর পাহাড়ে কতো দিনের সখ্য
দুটিতে কত ভাব, কী গভীর বন্ধুত্ব।
তবুও জানো পাহাড়টা পারলো না, পারলো না নদীকে ধরে রাখতে।
আর পারবেই বা কিভাবে বলো?
নদীর যে ধর্মই ছুটে চলা।
গ্রাম থেকে শহরে, দেশ দেশান্তরে;
কালের স্রোতে সে গিয়ে পড়ল সাগরে।
শত তপস্যার বৃষ্টি যখন ঝরে, তপ্ত ধু ধু মরুপ্রান্তরে,
সে সুখ, সে তৃপ্তি শুধু মরুভুমিই জানে।
বাঁধ ভাঙ্গা নদীকে তাই আজ আর কে পায়!
সে কি আর বারণ মানে?
যারে পাবার আশায় এতকাল বয়ে চলেছে,
পাহাড়কেও ফেলে আসেছে দূর বহু দূরে।

পাহাড়ের আজ বড্ড মন খারাপ।
আজ নাকি নদীর বিয়ে, সাগরের সাথে।
পাহাড়ের চোখের জল যে নদী হয়েই বয়ে চলে, নদীতেই মিশে একাকার হয়।
তাই পাহাড়ের কান্না প্রকৃতি দেখতে পায় না।
মনের গভীরে, স্মৃতির কোন গহীন কুঠরিতে আজও যে নদী বেঁচে আছে,
বেঁচে আছে সেই আদিম ভালবাসা, তার হদিশ কে রাখে?
পাহাড়ের কী বা ক্ষমতা যে মহাকালের লেখা রীতি সে বদলাবে?
নদীকে যে সাগর পানেই ছুটে যেতে হবে,
নদী কখনো উল্টো দিকে বহমান নয়,

সেই পরিণতির অপেক্ষায়

সিগারেটের প্যাকেটে লিখে রেখেছে- ধূমপান হৃদরোগের কারণ। সাদা জমিনে কালো কালিতে বড় বড় হরফে কথাটা লিখে রাখা হয়েছে। আমি বুঝি না, যারা হৃদরোগ নিয়ে এত চিন্তিত; তারা ধূম্রশলাকা উৎপাদন করে কেন? পৃথিবীতে তামাশা ছাড়া আর কিছু হয় না নাকি?

সবসময় যানজটপূর্ণ রাস্তায় চলাচল করে অভ্যস্ত বলেই হয়তো যানবাহনমুক্ত রাস্তায় আজকাল আতঙ্ক অনুভব করি। মনে হয় রাস্তাটা নিরিবিলিতে আমাকে পেলেই গিলে ফেলবে। আগে একবার আশপাশে সতর্ক দৃষ্টিতে তাকাবে। যদি দেখে ধারেকাছে কেউ নেই, তাহলেই সাথে সাথে কোনো একটা অদৃশ্য মুখগহ্বর দৃশ্যমান হয়ে আমাকে উদরস্থ করে ফেলবে। পৃথিবীর কেউ জানবে না সেই ঘটনাটা।

বিলীন হয়ে যাওয়ার আতঙ্কে কখনোই আক্রান্ত হই নি। জানি খুব দ্রুত বিলীন হয়ে যাওয়ার নিমিত্তেই আবির্ভূত হতে হয়েছিলো আমাকে। তারপরও মাঝে মাঝে হিম নামের মেয়েটির কথা ভেবে খারাপ লাগে। আমি যখন থাকবো না তখনও হিম বার বার ফিরে আসবে। মানুষ ঝরাপাতা আর শুকনো কাঠ কুড়িয়ে আগুন জ্বালবে। সেই আগুনের চারপাশে গোল হয়ে বসবে এবং হাসাহাসি করবে। আমি আশপাশেই থাকবো কিন্তু প্রচ্ছন্নতার আবরণ ভেদ করে দৃশ্যমান হতে পারবো না।

মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা ২য় পর্ব

ঘোড়ায় চেপে যতদুর যাওয়া যায়, খ্রীষ্টীয় সপ্তম-অষ্টম শতাব্দীতেই ইসলাম ধর্মাবলম্বী শাসকেরা ততটুকু ভূখন্ডই দখল করে ফেলেছিলেন এমন কি সমুদ্র অভিযান চাপিয়ে তারা স্পেনও দখল করে নেন। দখলকৃত ভূখন্ডগুলোর ভেতরে প্রাচীন সভ্যতার ঐতিহ্যধারী ইরাক এবং ইরান। রোমান সম্রাজ্যের অধীনস্ত সিরিয়া, মিশর, প্যালেস্টাইন, মরোক্কোর মতো দেশগুলোও ছিলো। নববিজিত রাষ্ট্রের শাসনক্ষমতা দখলে সমর্থ হলেও এই বিপূল সম্রাজ্যের সবাইকে ইসলাম গ্রহনে বাধ্য করানোর সামর্থ্য কিংবা উদ্যোগ মুসলিম শাসকদের ছিলো না। আসমানী কেতাবধারী নাগরিকদের সাথে সাথে বিজিত দেশে মুর্তি ও অগ্নিপূজারী নাগরিকদের অস্তিত্বও মেনে নিতে হয়েছে মুসলিম শাসকদের। ধর্মের ভিত্তিতে শাসক এবং শাসিতের সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিৎ এই প্রশ্নে ইসলামী চিন্তাবিদদের ভেতরে মতপার্থক্য এমন কি বৈরিতাও ছিলো। এমন মত পার্থক্য শাস্ত্রনিষ্ট বিতর্ক থেকে অস্ত্রনির্ভর সংঘাতে সমাপ্ত হয়েছে।

একাত্তরের বিদেশী বন্ধুগণঃ আমাদের দুঃসময়ের সূর্যসারথি (পর্ব-১৫)

মার্শাল জোসিপ ব্রজ টিটো, সাবেক যুগোস্লাভিয়া

Josip Tito.jpg

সাবেক যুগোস্লাভিয়ার অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিত্ব মার্শাল জোসিপ ব্রজ টিটো ১৮৯২ সালের ৭ মে জন্মগ্রহন করেন। তিনি একাধারে তিনি যুগোস্লাভিয়ার প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি ছিলেন। ১৯৪৫ থেকে মৃত্যু-পূর্ব পর্যন্ত দুর্দণ্ড প্রতাপে দেশ পরিচালনা করেন। কমিউনিস্ট নামীয় রাজনৈতিক দলের তিনি সদস্য ছিলেন। তাঁর অন্যতম কৃতিত্ব হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের বলয়ে অবস্থান করে যুগোস্লাভিয়া সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র গঠন করা। পরবর্তীতে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনে নেতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া। যুগোস্লাভিয়ার বিবাদমান বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠীকে একত্রিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর এক দশকের মধ্যে তা গৃহযুদ্ধের রূপান্তরিত হয়ে দেশটি ভেঙ্গে যায়।

আমাদের হেলাফেলায় তোমার ছেলেবেলা

আগেই বলেছি আমার ছোটবেলা- বড়বেলার একাংশ পর্যন্ত কেটেছে অসম্ভব অভাবি অবস্থায়। একারণেই চোখের সামনে ঘটে যাওয়া অনেক বৈষম্য এখনও ছবির মতো দৃশ্যমান। গরীব হওয়ার - সুযোগের অভাব থাকার কারণে আত্মীয় স্বজনের কাছে নিগৃহীত হওয়া - একদমই গা-সওয়া ব্যাপার একদম। কিন্তু কখনোই কেন যেন অন্য বাচ্চাদের মাঝে কোন বৈষম্য মনোভাব গড়ে উঠছে দেখলে সহ্য হয় না। মনে হয়- বাবা মকে ডেকে বলি - শিশুদের শিশু হয়েই শিশুকাল পর করতে দিন। এক্ষেত্রে অবধারিত কথা- আপনার বাচ্চা কয়টা। উত্তর- একটাও না। কিন্তু শিশুর মনোবিকাশে সহনশীল এবং সংবেদনশীল হতে নিজের বাচ্চা নয়- কমন সেন্স এবং একটু সচেতনতা প্রয়োজন। আজও আমি আমার পরিবার এককালে ”গরীব” হওয়ার কারণে যা সহ্য করেছে -করছে তা অন্য কোন শিশু করুক এটা একজন সংবেদনশীল মানুষ চাইতে পারে না। কারণ আপনিও জানেন না- আপনার ছুড়ে ফেলা একজন কোমলমতি শিশু যেকোন দিন কঠোর হাতে চেপে ধরতে পারে আপনার ঘাড় ।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ