বিজয় দিবস ও পাকি কুত্তার ঘেউ ঘেউ
তুমি শরৎ প্রভাতে সবুজ ঘাসের
উপর জমে থাকা শিশির বিন্দু
নাকি শিশির বিন্দুর উপর সূর্যের কিরন
পড়ে চিক চিক করা মুক্তা সদৃশ, মুক্তা
তুমি তিমির বিদারী আলোয় ভাসানো
পূর্ণিমা শশী
যা প্রকৃতির সাথে মনের আঁধার ঘুচিয়ে দেয়।
নাকি অমাবর্ষার নিকষ
কালো অন্দকার
যা আমাকে জেগেও স্বপ্ন দেখায়,
তুমি অন্ধকারে দিশাহীন পথে
জোনাকির আলো
যার মিটি মিটি প্রিদিম পথ চলতে
সাহায্য করে।
নাকি তুমি দিগন্ত বিস্তৃত
সোনালী ধানের ক্ষেতে
হিন্দোল তুলে
বয়ে যায় মৃদু মন্দ শীতল হাওয়া,
কোথাও গমের ভুই
কোথাও নয়ন জুড়ানো
হলুদাভ সরিষার ক্ষেত।
আরও আরও কত কি!
তুমি কিশোর প্রেমের
অবাধ্য আবেগ
নাকি পড়ন্ত জীবনে
স্মৃতি কাতরতার সুখস্মৃতি।
তুমি আধো আধো বোল
শিশুর প্রতি মা বাবার অকৃত্রিম ভাল বাসা
নাকি শেষ বয়সে যোগ্য সন্তানের প্রতি
তাকিয়ে গর্ব বোধ করে শুকরিয়া জ্ঞাপন করা।
তুমি সুউচ্চ পর্বত হতে বিচ্ছুরিত
অধোগামী শ্বেত শুভ্র জলরাশি
যাকে আমরা ঝর্ণা বলি
নাকি অথৈই সমুদ্রে ভাসমান
দুঃসাহসী মাঝি, মণি মোক্তা আহরনকারী।
তুমি মোর পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের সকল
ভাল লাগা- মন্দ লাগা
তুমি সৃষ্টি কর্তার প্রদত্ত
যখন যা মনে হয়
বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম এতো রাজনৈতিক স্ট্যাটাস কেন দেয়? তারা খুব সমাজ সচেতন সেজন্যে? তাই যদি হবে আশেপাশে এতো অপকর্ম ঘটছে কী করে? নাকি ছাত্র – পেশাগত জীবনের ব্যর্থতা, স্বপ্নভঙ্গের গ্লানি, প্রেমিকার উপেক্ষা, ক্ষয়ে চলা জীবনের সব ক্ষোভ এক পাত্রে রেখে ঢেলে দেয়ার এটাই সর্বত্তোম উপায়?
দাড়ি থাকলেই রবীন্দ্রনাথ হওয়া যায় না। শফি সাহেব রবীন্দ্রনাথ হতে চেষ্টা করে ধরা খেলেন। রবি ঠাকুর মেয়েদের বহু কিছুর সাথে তুলনা করেছেন, সবাই ধন্য ধন্য করেছে আটকে গেছে বেচারা শফী। সরাসরি তেঁতুল না বলে ঘুরাইয়া ঘুরাইয়া কাব্য করে এর থেকে বহু বেশী কিছু হয়তো বলা যায়, কবিরা তাই করেন।
রবি ঠাকুরের জন্যে কিছু লিখতে পারি না। চাকরী বাকরী কিছু করেন নাই, সারাদিন বজরায় বসে লেখালেখি করে অর্ধেক বাংলা সাহিত্য তিনি একাই লিখে ফেলেছেন। ভাগ্যিস তখন ফেবু ছিল না। কী করতেন কে জানে। এক লক্ষ ফলোয়ার পেতেনতো বটেই আর মুহুর্মুহু স্ট্যাটাস আপডেট দিতেন। (ফীলিং রাইটার্স ব্লক)
সকালে যখন কেউ কাউকে “সুপ্রভাত” লিখে শুভেচ্ছা পাঠায়, এটার মানে শুধু শুভ সকাল নয়। “আমার ঘুম ভাঙ্গার পর আমি তোমাকে ভেবেছি” এটাও জানানো হয় তাকে। (ভাষান্তর)
নাম্ব সময়ের দিনলিপি
পহেলা বৈশাখ আর একুশে ফেব্রুয়ারিতে রাত ১০টার আগে ক্যাম্পাসে যেতে ভালো লাগে না। গিজগিজে ভিড় আর ধাক্কাধাক্কি-ঠেলাঠেলি। বিজয় দিবসে কখনো এত মানুষ ক্যাম্পাসে আসে না। তাই বিজয়ের দিনে আমার ক্যাম্পাসে টো টো করতে খুব ভালো লাগে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এবার বিজয় দিবসে (গতকাল) কয়েক লাখ মানুষ ক্যাম্পাসে হাজির হয়েছিলো কিন্তু সেই ভিড় দেখে খারাপ লাগে নি। কারণ কালকের ভিড়টা আজগুবি ছিলো না।
বিকেলের মাঝামাঝি সময়ে লাল আর সবুজ রং দেখতে দেখতে মাথা খারাপ হয়ে যাবার মুহুর্তে একবার আকাশী নীল রং চোখে পড়েছিলো। বহুদিন পর প্রিয় রংয়ের শাড়ি চোখে পড়লো। আবারও সেই ছিপছিপে লম্বা মেয়েটি। উবায়েদ ভাইয়ের দোকানে যাকে দেখেছিলাম। আমি ভেবেছিলাম এবার ওর সাথে কয়েকটা কথা বলবো। অথচ ভিড় আমাদের দু'জনকে কাছাকাছি হতে দিলো না।
হাতিরপুলের সেকাল-একাল!
সেকাল:
হাতিরপুলে হাতি ছিল
মাঝখানে সড়ক আর
দুই ধারে বিল ছিল।
হাতিরপুলে পুল ছিল
মাঝখানের সড়কে
রেললাইনও ছিল।
হাতিরপুলের খুব
নামডাক ছিল
গা ছমছম ভয় ছিল।
হাতিশালায় হাতি আর
বিলঝিলে দস্যুদের
রামরাজত্ব ছিল।
পুলের ধারে মাহুত আর
ছিন্নমূলের বাস ছিল
হাতি পালন কাজ ছিল।
এককালে অনেক জমি ছিল
জমিতে ধান আর পাটের
ভালো চাষ ছিল।
তেজি রোদে মাথলা মাথায়
ফসল বোনা আর নিড়ানি
কৃষকের কাজ ছিল।
একাল :
হাতিরপুলে হাতি নেই
বিল নেই ঝিল নেই
পুল নেই রেল নেই।
গা ছমছম ভয় নেই
দস্যু নেই মাহুত নেই
জমি নেই ফসল নেই।
উঁচু কাঁচা সড়ক নেই
ছিন্নমূলের বাস নেই
ঘাস নেই গাছ নেই।
কৃষক নেই মাথলা নেই
ফসল বোনা নিড়ানি নেই
নামটি আছে সেই।
হাতিরপুল, ঢাকা
১৭.১২.২০১৩
সরকারের এখন কি করা উচিত্
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এখন ২টি অপশনঃ (১) জামায়াত-শিবিরের তান্ডব বন্ধ করার জন্য হার্ডলাইনে যাওয়া; (২) অন্তর্বতী কোন সরকারের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেয়া ২ নং অপশন গ্রহণ করলে আওয়ামীলীগের জন্য তা ক্ষতির কারণ হতে পারে ক্ষমতা ছাড়ার সাথে সাথে জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা আওয়ামীলীগের নেতাকমর্ীদের উপর বেপোয়ারাভাবে আক্রমণ করার সুযোগ পাবে এছাড়া বিএনপি ক্ষমতায় এলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আর হবে না সেক্ষেত্রে আওয়ামীলীগের সাংগঠিক কাঠামো দূর্বল হতে পারে নেতাকমর্ীরা অনেকটা নিষ্কিয় হতে পারে সুতরাং দেশ-বিদেশের যতই চাপ থাকুক না কেন, দেশের স্বার্থে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আমাদের বর্তমান দাবী জামাত-শিবিরের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড কঠোরহস্তে দমন করতে হবে অন্যথায় লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের প্রাণের স্বাধীনতা আজ বিপন্ন প্লিজ একটা কিছু করেন প্লিজ প্লিজ প্লিজ!!!
অরাজনৈতিক স্ট্যাটাস - এক
ফরহাদ মজহারের পক্ষের ছাগু, তথাকথিত বাম দলের ভেতরের ছাগু, বিএনপি-র ছুপা ছাগু, আর জামায়াত-শিবিরী ছাগু তো আছেই - এরা সবাই এখন তাদের রাজনৈতিক দর্শনে হাহাকার, হতাশায় ভুগছেন। #যুদ্ধাপরাধী কসাই মোল্লার ফাঁসিতে তাদের রাজনৈতিক দর্শনে ভয়ানক এক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এমন ভয়াবহ রকম মানসিক বৈকল্য দেখা দেবে, তা আগে বোধ হয় ধারণা করা যায় নি। কেননা, তারা হলেন সর্বজানা এবং রাজনৈতিক সবকিছুতেই আগে থেকে নিশ্চিত ভবিষ্যত গণন করা গোষ্ঠী।
তবে তাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, #যুদ্ধাপরাধীদের রায় সবে কার্যকর শুরু হয়েছে। আমি আশাবাদী আরো রায় কার্যকর হবে। এবং শেষমেশ যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াতও প্রকৃত অর্থে, নিষিদ্ধ হবে। সেই সাথে আপনাদের রাজনৈতিক দর্শন চিন্তায় ধ্বস নামা শুরু হবে, প্রচন্ড হোঁচট খাবেন আপনারা। কারণ, বাংলাদেশ নামক ভূখন্ডে সরকার এবং বিরোধীদল উভয়কেই হতে হবে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বস্ত, দেশ মাতার প্রতি অনুগত। এর অন্যথা হবার সম্ভাবনা একাত্তরের শহীদানরা রেখে যান নি।
আমরা অসুস্থ সরকার চাই না
দু’সপ্তাহ আগে একদিন অবরোধের দিন জরুরি কাজে আগ্রাবাদে যেতে হয়েছিল।অনেকদিন পর একা একা বাসার বাইরে যেতে কেমন যেন লাগছিল।মনে হচ্ছিল সব কেমন অন্যরকম। বাসা থেকে অন্যরা বলে দিয়েছিল,সাবধানে যাস।ভাবখানা এমন যে আমি বোধহয় নতুন পথ চলতে শিখেছি।
বাসা থেকে বের না হলেও টিভি চ্যানেল আর পত্রিকার কল্যানে দেশের অস্থির পরিস্থিতির খবর ঠিকই জানতাম।কিন্তু সেদিন আগ্রাবাদে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বেরিয়ে দেখি রাস্তা অনেক বেশি ফাঁকা।সাধারণত অবরোধ হলে দূর পাল্লার গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকে বা চললেও খুব কম চলে।কিন্তু অবস্থা তো দেখি হরতালের চেয়েও খারাপ।
যাক অনেক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর একটা সিএনজি পেলাম।অন্যসময় সিএনজি ড্রাইভাররা যা ভাড়া তার চেয়ে অনেক বেশি চায়।দরদাম করতে হয় ।এদিনের সিএনজি ড্রাইভার দেখলাম যা ভাড়া তাই চাইল। সিএনজিতে বসে জিজ্ঞেস করলাম,আজ সিএনজি এত কম কেন? গন্ডগোল হচ্ছে নাকি।
তিনি বললেন, হ্যাঁ ,হঠাৎ হঠাৎ করে ককটেল মারে।আগুন লাগাইয়া দেয়।তাই ভয়ে কেউ বাইর হইতে চায় না।
তখন বেআক্কেলের মতো প্রশ্ন করে বসলাম, আপনি বের হলেন কেন?
নপূংসক দেশ
আমি ক্ষুব্ধ, ভীষণ ক্ষুব্ধ !
মনে হচ্ছে বাংলাদেশ নপুংশক হয়ে গেছে !
কাপুরুষ হয়ে গেছে সবাই !
স্বদেশ,স্বজাতির প্রতি কারো দায় নাই,
কর্তব্য নাই ।
বিশ্বাস ঘাতক হয়ে গেছে পুরো জাতি ?
একজন সৎ মানুষও অবশিষ্ট নাই আর ?
সবাই জাহান্নামে চলে গেছে?
দেশটাকেই নরক বানিয়ে রেখে ?
কোথায় রফিক আজাদ আজ?
'ভাত দে হারামজাদা' বলে
জনককেও চ্যালেন্জ ছুড়েছিলেন যিনি !
কিংবা নেয়ামত হোসেন ?
" রক্ত দিয়ে কিনলাম শালার এমন স্বাধীনতা "
লিখে আলোড়ণ তুলেছিল যার কলম !
দেশতো আজ সে দিনের অজাচার থেকেও
লক্ষ গুণ কদাচারের করাল গ্রাসে !
রাহু-কেতু গিলে খাচ্ছে সব ।
মানুষের রক্তে ভেসে যাচ্ছে দেশ,
ঘৃণার আগুনে পুড়েৃ যাচ্ছে জননী ।
কেউ জাগবেনা তবু ?
নপুংশক রয়ে যাবে ?
স্বেচ্ছায় নামবেনা কেউ ওরা
চূড়া থেকে । কেউ নামেনা ।
জনক নামেনি, ঘোষক স্বৈরাচার কেউনা ।
ওদের নামাতে হয় , প্রয়োজনে ঘাড় ধরে ।
আমি ক্ষুব্ধ, ভীষণ ক্ষুব্ধ !
ক্ষুব্ধ চিত্তে কামনা করছি..
কেউ একজন আসুক ....
দুই হন্তারককে হটিয়ে দিক !
স্মৃতিতে অম্লান ময়ূরপঙ্ক্ষী নৌকা
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালীন আমার বয়স তেমন বেশি নয়। তবে অনেক কিছুই স্মৃতির আয়নায় মাঝে মধ্যে উঁকি দেয়, এই যা। দিনক্ষণ মনে না পড়লেও স্পষ্টই মনে পড়ে, যুদ্ধ-উত্তর বাংলাদেশে রমনা রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আগমনে বিশাল একটি আয়োজন হয়েছিল। আর এ উপলক্ষে তৈরি করা হয়েছিল বিশাল একটি মঞ্চ, যা ছিল ময়ূর আকৃতির। তাই ময়ূরপঙ্ক্ষী নৌকা হিসেবেই এটি পরিচিতি পেয়েছিল। নদীমাতৃক বাংলাদেশে ময়ূরপঙ্ক্ষী নৌকা নিয়ে আছে নানা কল্পকাহিনী, আছে বাস্তব ঘটনাও। ময়ূরপঙ্ক্ষী নৌকা আমাদের সংস্কৃতিতে মিশে আছে। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে বাঙালি জাতির জনককে বাংলার ঐতিহ্যে বরণ করা হয়েছিল খুব সম্ভব এ কারণেই। সে সময়ে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন অনেকের মধ্যে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। কারণ স্বাধীনতাযুদ্ধকালীন ভারত বাংলাদেশের মিত্র হিসেবে কাজ করেছে।
শহীদ বুদ্ধিজীবিদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি - পর্ব এক
জহির রায়হান

বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং লেখক জহির রায়হান ১৯শে আগষ্ট ১৯৩৫ সালে ফেনী জেলার একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫০ সালে আমিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মেট্রিকুলেশন পাশ করে ঢাকা কলেজে ভর্তি হন যেখান থেকে তিনি পরবর্তীতে আই এস সি পাস করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রী অর্জন করেন।
প্রথম জীবনে তিনি কমিউনিস্টদের আন্দোলনের প্রতি ঝুঁকে পড়েন। পরবর্তীতে যখন কমিউনিস্টদের রাজনীতি নিষিদ্ধ হয় তিনি তখন আত্মগোপনে চলে যাওয়া নেতাদের বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করতেন। মজার তথ্য হলো তার নামের শেষাংশ "রায়হান" আত্মগোপনে যাওয়া নেতাদের দেয়া। জহির রায়হানের প্রকৃত নাম জহিরুল্লাহ।
মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা শেষ পর্ব
তাদের ১০ জনের ৮ জন বিশ্বাস করে নাগরিকের মৌলিক চাহিদা পুরণের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। তারা বিশ্বাস করে সকল নাগরিকের অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা, শিক্ষার দায়িত্ব গ্রহন করার রাষ্ট্রের কর্তব্য। তারা মনে করে রাষ্ট্রের খাস জমি দরিদ্রদের সমবন্টন করতে হবে। তাদের ১০ জনের ৯জন বিশ্বাস করেন ভোট দেওয়া নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার। তাদের ১০ জনের ৫ জন বিশ্বাস করে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে নারীদের তুলনায় পুরুষেরা বেশী যোগ্য, দক্ষ।
টু হানড্রেড!
শাহবাগের উত্তাল দিনগুলোতেও ব্লগে সিরিজ ধরে পোষ্ট লিখে ছিলাম, গাল ভরা নাম ছিল 'নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময়'। সেই সিরিজের সম্ভবত দুই হালির উপর পর্ব ছিল। অনেকে প্রশ্ন করতো শ্রেষ্ঠ সময় কিভাবে ফলবিহীন হবে?
ধূসর গোধূলিঃ খেলা...

বটতলার হাটের ইজারা নিয়ে হাঙ্গামা আজ নতুন নয়। গত কয়েক মাস ধরেই ঘাটের মাঝি কিংবা হাটের দোকানদারদের সাথে বাদলের বাক-বিতণ্ডা যেন নিত্য নৈমত্তিক ব্যাপার। বিনা নোটিশে ঘাটের টোল বাড়ানোর প্রতিবাদে খেয়া নৌকার মাঝি, মাছ ধরার নৌকার মাঝিরা কয়েক দফায় নৌকা বাওয়া বন্ধ রেখেছিল। এই নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে ইজারাদার বাদল আর হারু মেম্বরের ভাই মজনুর রেষারেষি লেগেই আছে। ঘাটের মাঝিরা তাদের দাবীতে অনড়, তারা বাড়তি টোল দিবে না। দরকার হলে তারা নৌকা বাওয়া ছেড়ে দিবে। বাদলের অভিযোগ মজনু নেপথ্যে থেকে কলকাঠি নাড়ছে।
অনেকদিন ধরে জমাটবাধা বরফ গলাতে আজ দুই পক্ষকে একসাথে বসানো হয়েছে। চেয়ারম্যান বশিরুল্লাহ পাটোয়ারীকে আনা হয়েছে একটা শান্তিপূর্ণ ফয়সালা করতে। নৌকার মাঝিদের অভিযোগ জানতে চাইলে কাজেম মাঝি বলে ওঠে,
অমুসলিমরা কোথায় যাব?
এই দেশ স্বাধীন করতে কে কী করেছে তা সবারই জানা। একটি স্বাধীন দেশ পাওয়ার জন্য সবাই মুক্তি সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়েছিল। বাঙালি কী আর অবাঙালি কী। সবাই পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। সেই ইতিহাসে না যাই। কারণ সেসব ইতিহাস সবার জানা আর না জানা থাকলেও কোন ক্ষতি নেই। কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তাহীনতায় আছে অমুসলিমরা। সুতরাং তাদের অতীতের ইতিহাস জেনে কী লাভ। সময় নিয়ে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে অনেক ঘোরা যাবে কিন্তু বর্তমানে বাস্তবতায় ফিরে আসা সবচেয়ে জরুরী।
