অরাজনৈতিক স্ট্যাটাস - দুই
আওয়ামীলীগ সাংবিধানিক শূন্যতার অজুহাতে হোক, অথবা ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করে রাখার অজুহাতেই হোক ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন করে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে।
আর বিএনপি সরকার বিরোধী আন্দোলনে অগণতান্ত্রিক নির্বাচন ঠেকাতে ব্যর্থ হয়ে এবং নির্বাচন বর্জন করে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে।
অতএব বাংলাদেশের বড় দুই জোটই গণতন্ত্র রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে। তবে কি সিকিমের মত বাংলাদেশকে পুরোপরি ভারতের হাতে তুলে দেবো? ওটা তো বিশাল জনসংখ্যার কারণে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশ।।
[বি: দ্র: আমার গত পোষ্টটা মুছে দেবার কোন কারণ ব্লগ কর্তৃপক্ষের কাজ থেকে পাওয়া গেল না। পোষ্টটা সরানোর পর অন্ততঃ কারণ জানানোর প্রয়োজন মনে করছি। অথচ অন্য এক ব্লগে এই পোস্টটাতে ৯ জনের মন্তব্য পেয়েছি, যাতে পোস্টটাতে কোন সমস্যা আছে বলে কেউ বলেন নি। "আমরা বন্ধু"-র কর্তৃপক্ষের আচরণে মর্মাহত।]
হাজি সেলিম ফঠিকছড়িতে
১।
উদ্ভিগ্ন ছিলাম খুব ! দু’মেয়েই সরকারি চাকুরে । নির্বাচনে ডিউটি পড়েছে । পুরো রাত প্রায় নির্ঘুম কেটেছে, চোখ লেগেছিল ভোরের দিকে । ঘুম ভাংতে ভাংতে তাই সকাল দশটা । দেশে বারটা । মেয়েরা আগের দিন বলে দিয়েছিল ফোন নীরব থাকবে বেলা২টা পর্যন্ত । এখনো পুরো দু’ ঘন্টা বাকি । টি ভি অন করলাম । নির্বাচন লাইভ দেখাচ্ছে । ভোটার উপস্থিতি নগণ্য । সহিংসতার কিছু কিছু ঘটনা লাইভ দেখাচ্ছে । একজনকে কয়েকজনে মিলে পেটাচ্ছে, কিছু নির্বাচনিী সামগ্রী জ্বলছে, বেশক’টা নির্বাচন কেন্দ্রও । টেলপের দিকে চোখ দিলাম । হতভাগ্য একজন নির্বাচন-কর্মকর্তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা । একজন সহকারীর কব্জি কেটে নিয়েছে । বুক ধক্ করে উঠল । কম্পিত হাতে বড় মেয়েকে রিং দিলাম । আমার আশার বিপরীতে ফোন ধরলো মেয়ে ।
-হ্যলো ।
-হ্যালো আব্বু, সালাম আলায়কুম ।
-ওয়ালায়কুম, কেমন আছো মামণি ?
-ভালো আব্বু ! তুমি তোমরা ?
-আল্লা্ রহমতে ভাল । ফোন সাইলেন্স থাকবে বলেছিলে !
রিস্টকাটার্স: আ লাভ স্টোরি
মৃত্যুর পরের জগতটা কেমন হতে পারে?
এটা আলোচনার বিষয় হিসাবে আকর্ষণীয় কিন্তু অনেক বড়। তারচেয়ে স্বেচ্ছামৃত্যুর কথা ভাবি। সেই মৃত্যুর পরের জগতটা কেমন হতে পারে? সেদিন রাজধানীর হাতিরঝিলে আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে ঝাপ দিয়েছিলো একটি যুগল। তাদের মাঝে ছেলেটা মারা গেছে। সাঁতার জানতো না কেউই। প্রেমে বাঁধা পেয়ে স্বেচ্ছামৃত্যুর পথ বেছে নিয়েছিলো দু'জন। নিশ্চই খুব কষ্ট হচ্ছিলো তাদের। প্রেমিকার বাগদান হয়ে গেলে প্রেমিকদের কি এমন কষ্টই হয়? পৃথিবীর সব কষ্ট কি তখন তুচ্ছ মনে হয়? কোথায় যেন পড়েছিলাম, সবচেয়ে কষ্টের মৃত্যু হলো আগুনে পুড়ে মরা। শরীরের প্রতিটি কোষ পুড়তে থাকে এবং আলাদা আলাদা যন্ত্রণার জন্ম দেয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভিকটিম কয়েকদিন যন্ত্রণা ভোগের পর মরে। দ্বিতীয় কষ্টের মৃত্যু হচ্ছে পানিতে ডুবে মরা। ফুসফুস পানিপূর্ণ হয়ে যাবার পর সেটা ফেটে যায়। সেই কষ্ট বুকের মধ্যে নিয়ে মানুষ বাধ্য হয় মারা যেতে, কেননা একবার পানিতে তলিয়ে গেলে আর ফিরে আসার উপায় থাকে না। এসব জানা আজকাল কঠিন কোনো বিষয় না। কঠিন হচ্ছে এসব জানার পরও স্বেচ্ছামৃত্যুকে আহ্বান করা। বুঝে হোক বা না বুঝে, সেই কঠিন কাজটি মানুষ কখন করে? কতটা নিরূপায় হলে?
সিনেমার নামঃ ভালোবাসা জিন্দাবাদ
দেবাশীষ সাহেবরে আমার আগে খারাপ লাগতো না। সেই একুশে টিভির আমলে পথের পাচালী নামের এক অনুষ্ঠান যা আদতে বিদেশী স্ট্রিট শো থেকে মেরে দেয়া তা খুব গিলেছি এইট নাইনে যখন পড়ি। সেই অনুষ্ঠানের একটা সেগমেন্ট মজার ছিল- তা হলো গান গাইতে বলতো যা খুশী। বিস্তর হিন্দি বাংলা গান শোনা যেত মানুষের মুখে, মানুষকে বোকা বানিয়ে প্যাচালী মদন কনসেপ্টটাও খারাপ না। সেই অশ্লীলতার যুগে হিন্দি সিনেমার গল্প নিয়ে তিনি বানিয়ে ফেলেছিলেন 'শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ'। ভালোই নাকি চলেছিল সিনেমাটা। বিখ্যাত পরিচালক দিলীপ বিশ্বাসের ছেলে সে। তার বাবা বানিজ্যিক সিনেমার পরিচালক হলেও মানসম্মত সিনেমা বানাতেন। কিন্তু বিখ্যাত ব্যাক্তিদের ছেলেগুলো দুই রকমের হয়- এক হয় বাবার চেয়ে বেশী মেধাবী, আরেক হয় বলদের শিরোমনি। তার তিনটি সিনেমা দেখার কপাল আমার হয়েছিল-- এক। শ্বশুরবাড়ী জিন্দাবাদ, দুই। শুভ বিবাহ, তিন। ভালোবাসা জিন্দাবাদ! সবগুলোই লেইম বলে খারিজ করে দেয়া যায়, শেষ নামের সিনেমাটা হলে গিয়ে দেখার কথা ছিল, কিন্তু আমার আর পুলকের সময় হয় নি বলাকায় যাবার, তাই আজ ইউটিউবে একটা মোটের উপর ভালো প্রিন্ট আসছে তা দেখেই লিখতে হচ্ছে এই পোষ্ট।
বন্ধুত্বের পরিসমাপ্তি
ক্লাস ৩তে নতুন স্কুলে ভতি হওয়া সদ্য নতুন
ছাত্র সাদাত ৷ পথম দিনে বন্ধুত্ব হয়ে গেল মৌন
নামে এক ছেলের সাথে ৷ সেও আজ নতুন ৷
যাইহোক দুজনের বন্ধুত্ব গারো হতে থাকলো ৷
একদিন তো তুমুল ঝগড়া মৌন নাকি সাদাতের
কলম নিছে এই নিয়ে ৷ স্বাভাবিক নিয়মেই
আরি হয়ে গেল ৷ আবার ভাবো হয়ে কয়েকদিনের
মধ্যে ৷ এখন ওরা বেস্ট ফেন্ড ৷
দেখতে দেখতে ৩ বছর কেটে গেলো ৷ দুজনেই এখন ৬
এ ৷ নতুন দামী একটা জেল কলম গিফট
পেয়েছে মৌন তার বাবার কাছ থেকে ৷
স্কুলে আসার পর সাদাত বললো কলম
টা তো জোস কত নিছিস দোস্ত ? মৌন
বললো কেনো দোস্ত
ভালো লাগছে নিয়ে নে আমি আরেকটা নিবো বাব
কাছ থেকে ৷
২ বছর পরের কথা নাইনেও ওরা বেস্ট ফেন্ড ৷
সেদিন সাদাতের পেকটিকাল খাতা হারায়
গেলো অথচ কাল পরীক্ষা ৷ মৌনকে বললো ৷ পচন্ড
জোরাজোরি করে নিজের
খাতাটা সাদাতকে দিয়ে দিলো মৌন ৷ আর
নিজে সারের সই নকল করে পেকটিকাল
জমা দেওয়ায় অনেক মাইরো খেলো ৷
এখন ওরা আর ঝগড়া করে না কারণ এখন
ওরা দশম শেণীতে ৷ হঠাৎ একদিন সাদাত
বললো দোস্ত ঐ মেয়েটকে আমার খুব
ভালো লাগে মনে হয় পেমে পরে গেছি ৷ কিশোর
বয়সে এইটা অস্বাভাবিক কিছু নয় ৷ তারপর মৌন
বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি
গৌতম গতকাল লিখেছে "জগতের কোনো বিষয়ে তোমার কোনো ক্ষোভ আছে বন্ধু? এসো, তাহলে, আমাকে মেরে যাও; পুড়িয়ে দিয়ে যাও আমার ঘরখানি। আমরা জ্বালানি শুধু তোমার উল্লাসের আগুনের, বাকি পরিচয়টুকু না হয় চিতার আগুনেই ধ্বংস হোক!"
৬ বছরের বেশী সময় ধরে গৌতমকে আমি চিনি। নিজস্ব উদ্যোগে বাংলাদেশের শিক্ষা বিষয়ক একটি ওয়েবসাইট দীর্ঘ সময় পরিচালনা করেছে। বাংলাদেশের এই জোড়াতালি দেওয়া শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারে করনীয় বিষয়গুলো নিয়ে ভেবেছে, লিখছে, গবেষণা করছে ও। দীর্ঘ দিনের পরিচিত একজন মানুষ যখন হুট করে এমন একটা কিছু লিখে, সেখানে লুকিয়ে থাকা খেদ আর শ্লেষ আমাকে আহত করে।
আমাদের রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী সমাজে "বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিবোধ" এর ভ্রান্তিবিলাস আমাদের গণমাধ্যমে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবেদন প্রকাশে অন্তরায় ছিলো। নিতান্ত অবহেলায় সাম্প্রদায়িক হামলাগুলোর সংবাদ প্রকাশিত হতো ভেতরের পাতায়।
এখানে আর ভালো লাগার মতো কিছুই পাবে না, সহজে!
আইলসা ভাইদের জীবন চলে যাচ্ছে আগের মতোই, ওহ তার আগে বলে নেই আইলসা ভাইদের গল্প। এক গ্রামে ছিল এক আইলসা ভাই, তাকে জিগেষ করা হয়েছিল 'কলা খাইবা নি? তার উত্তরে সে বলেছিলো ছিল্লা দিলে খাইতাম, নয়তো ইচ্ছা নাই কষ্ট করে খাবার । আমার দিন যাপনও এখন সেরকমই যাচ্ছে, অবরোধ হরতালে একগেয়ে বসে থাকার অলস জীবন। ঘুমাই খাই দাই, ভার্সিটি নাই, বেলায় বেলায় চায়ের দোকানে যাই, কেউ ডাকলে লাজ শরমের বালাই ভুলে বাসায় চলে যাই, এই করেই চলছে। আগে হরতালে একান্তই কাজ না থাকলে, কেউ না আসলে চলে যেতাম পাবলিক লাইব্রেরীতে। এখন প্রানভয় আর পুলিশের ভয়ে কোথাও যাওয়া হয় না মন চাইলেও। তার ভেতরে মুখে ১০-১৫ দিনের দাড়ি আর পড়নে পাঞ্জাবী থাকলে খুব হুশ নিয়ে চলতে হয় এই শহরে। কোন সময় কে বাটি চালান দিয়ে দেয় তাই নিয়ে ভাবি! মানুষ নাকি এখন অনেক ব্যস্ত শুনি সামান্য মোবাইলে গেইম খেলারই সময় নাই, বই পড়ার সময় নাই, দেখা করার সময় নাই, খালি সময় স্বল্পতার ফিরিস্থি শুনি চারিদিকে। আমার জীবনে দেখি খালি সময় আর সময়, অফুরন্ত সময়!
সংখ্যালঘু বিতারনের (Elimination of Minorities) রাজনীতি ২:স্বাধীনতা উত্তর পর্ব
দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী মহাকাব্যিক স্বাধীনতা সংগ্রামের পর হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরা নতুন দেশে সম-অধিকার নিয়ে বাচার স্বপ্ন দেখে। এই স্বপ্ন দেখাটা খুবই যৌক্তিক ছিল। দেশটাকে স্বাধীন করতে হিন্দুদেরকে সবচেয়ে বেশী মূল্য দিতে হয়েছে । ১৯৪৭ সালের পর যখনই পূর্ব বাংলার জনগণ পাকিস্তানের উগ্র শাসক গোষ্ঠীর অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে, তখনই পাকশাসকেরা ধর্মের নামে সাম্প্রদায়িক বিষবাস্প ছড়িয়ে দিয়ে হত্যা করেছে হিন্দুদের । ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে, রাষ্ট যন্ত্রকে ব্যবহার করে হিন্দুদের কে শত্রু বানিয়ে তাদের চাষাবাদ ও বসতবাড়ির জমিজমা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ১৯৭১ সালের ১ নভেম্বর এডওয়ার্ড কেনেডি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর সিনেট কমিটিকে দেওয়া এক রিপোর্টে লিখেছিলেন “"Hardest hit have been members of the Hindu community who have been robbed of their lands and shops, systematically slaughtered, and in some places, painted with yellow patches marked "H". All of this has been officially sanctioned, ordered and implemented under martial law from Islamabad"
দুই নেত্রী বলবেন কি?
গতকাল(০৫/০১/২০১৪খ্রীঃ) দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন আমার উত্তরার বাসার সামনের রাস্তায় ৩/৪ টি ককটেল ফুটেছে। তাঁর আধ ঘণ্টা আগে আমার স্ত্রী হাসপাতালে যাবার জন্য বের হয়ে গেছে। নইলে কি হতো তা আল্লাই জানেন। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ও যখন বাসা থেকে বের হয় হাসপাতালে না পৌঁছা পর্যন্ত এত টেনশনে থাকি যে বলতে গেলে ক্ষনিক পর পর ফোনে কন্টাক্ট করি। আসার সময় এ্যাম্বুলেন্স ওকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেয় তাই এত টেনশন করি না।
মেয়ের বিশ্ববিদ্যালয় পুরো সময়টাই বন্ধ, মাথাও নাই মাথার ব্যথাও নাই, তাই আমি ওকে নিয়ে স্বস্থিতেই থাকি।
রূপকথা
-ধুর!
-কি?
-ভালো লাগতেছে না। প্রেমের কথা আর কত লিখা যায় বল! প্রেম একদম মাথায় উঠে গেছে।
কথাটা শুনে রূপকথা প্রচন্ডভাবে হেসে উঠল।
-সেকিরে! প্রেম মাথায় উঠে কীভাবে?
-কেন! গ্যাস্ট্রিক যেভাবে মাথায় উঠে!
-গ্যাস্ট্রিক মাথায় উঠে!!!!
কথাটা বলে রূপকথা আমার দিকে বড় বড় চোখ করে চেয়ে রইল। মায়াকাড়া চোখ। নিমিষেই প্রেমে পড়া যায়।
-একটা কথা কি জানিস। অন্য কিছু দিয়ে না হোক তোর এই চোখ দুটোর দিকে তাকিয়ে হাজার বার প্রেমে পড়া যায়।
-তাই!
-হুম।
-তুই কতবার পড়েছিস?
-এখানে বসে আছি কতক্ষণ?
-প্রায় ১ ঘন্টা।
-তাহলে প্রায় ৩৬০০ বার তোর প্রেমে পড়েছি
-কি?
-হ্যা। সেকেন্ডে ১ বার করে।
-প্রপোজ করলেই ত পারিস!
-তারপর ধরে তুই আমারে ট্যাঙ্গানি দে। প্রেম কারা করে জানিস?
-কারা?
-বোকারা। আমি যেহেতু বোকা না তাই প্রেমে পড়াও আমার দ্বারা হবে না।
-এই না বললি তুই আমার প্রেমে পড়েছিস
-আসলে তোকে দেখলে আমার মাঝেমধ্যে খুব বোকা হতে ইচ্ছে হয়। তুইও তো একটু বোকা হতে পারিস।
আকাশের দিকে চেয়ে বলে উঠলাম-
-“বস, এই মেয়েটাকে কেন বোকা বানালে না? তাইলে তো আমারে আর এত চিন্তা করতে হয়না”
পরবতর্ী সরকারের করণীয় কি ???
বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির জনাব সেলিম ০৫ জানুয়ারী, ২০১৪ এর সাধারণ নির্বা চনকে পোকা খাওয়া নির্বা চন বলে অভিহিত করেছেন প্রধান বিরোধীদল বিএনপি এই নির্বা চনকে প্রহসনের নির্বা চন বলেছেন বিশিষ্ট বৃদ্ধিজীবি এই নির্বা চনকে স্নেহের নির্বাচন বলেও অভিহিত করেছেন আর ক্ষমতাশীন আওয়ামীলীগ এটাকে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখার নির্বা চন বলতেই আগ্রহী গতকাল ০৬ জানুয়ারী, ২০১৪ নির্বা চনের পরদিন গণভবনে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে বক্তব্য রেখেছেন তাতে মনে হয়েছে তিনি এই নির্বা চন এবং এর ফলাফল নিয়ে বেশ খুশি যদিও পরবর্তী নির্বা চন ব্যবস্থা নিয়ে সমঝোতা ও আলোচনার জন্য বর্ত মান প্রধান বিরোধীদল বিএনপি এর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, কিন্তু তার বডি ল্যাংগুয়েজে মনে হয়েছে যে, তিনি নবগঠিত সরকারের মেয়াদ দীর্ঘা য়িত করবেন এজন্য তিনি পরবর্তী নির্বা চনের জন্য বিরোধীদলকে ধৈর্য্য ধরার পরামর্শ দিয়েছেন অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে যে, নবগঠিত সরকার তার মেয়াদ পূর্ণ করার চেষ্টা করবে পাশাপাশি রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে সমঝোতার সংলাপ চালিয়ে যাবারও চেষ্
আগা নাও যে ডুব ডুব ----- ভাওয়াইয়া
এই গানটা বছর তিনেক আগে ক্লোজআপ ওয়ান অনুষ্ঠানের বাছাই পর্বে সাজু নামের এক প্রতিযোগি গেয়েছিলো। এই গানটা সে যখন গাচ্ছিলো আমি তখন আমাদের এক আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে গেছি সেখানে ড্রয়িংরুমে টিভিতে গাটা হচ্ছে। গানটা শুনে শরীরে রোমকূম সব দাড়িয়ে গেল আমার। মনে হচ্ছিলো আগের জন্মের অসংখ্যবার শোনা গান এক জন্ম পরে শুনছি।
আমার খুব ছোটবেলায় শোনা গান এটা। ছোটবেলায় মানে একেবারেই শিশুকালের। তখনো মনে হয় আমি মাত্র স্কুলে ভর্তি হয়েছি বা হইনি। আমাদের বাসায় আব্বাস উদ্দিনের কিছু ক্যাসেট ছিলো যেটা সম্ভবত আমার দাদী অথবা আমার মা অথবা আমার ফুপুরা শুনতো। সেই ক্যাসেটের মাঝে এই গানটা ছিলো। জানি না গানটা কার এত প্রিয় ছিলো, নিয়মিত গানটা চলতো ক্যাসেটে। আমার শুধু সুরটা মনের মধ্যে গেঁথে গিয়েছিলো সেই সময়। কথাগুলো কিছুই বুঝতাম না মনেও ছিলো না। আজ রাতে গানটা আবার মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছে। নেটে লিরিক নেই। সুতরাং দায় থেকে অন্তর্জালে এই কঠিন লিরিকটা শুনে শুনে টুকে রাখলাম যারা গানটা খুঁজবে তাদের জন্য।
ওরে আগা নাও যে ডুব ডুব
পাছা নাওয়ে বইসো
ঢোঙায় ঢোঙায় ছ্যাকঙ জল রে
ও কইন্যা পাছা নাওয়ে বইসো
ওরে জল ছেঁকিতে জল ছেঁকিতে
সংখ্যালঘু বিতারনের (Elimination of Minorities) রাজনীতি ১: স্বাধীনতাপূর্ব পর্ব।
১৯৪৭ সালে যখন দ্বি-জাতি ( Dual Nation Theory) তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ভাগ হয় তখন পূর্বপাকিস্তানে হিন্দুদের সংখ্যা ছিল মোট জনসংখ্যায় ৩১%। সাম্প্রদায়িক রাজনীতির পথ পরিক্রমায় ১৯৫২ সালে ২২ %, ১৯৬১ সালে এর সংখ্যা দাড়ায় ১৮ % (সুত্র: আবুল বারাখাত, লিভিং উইথ ভেস্টেড প্রপার্টি) । স্বাভাবিক ভাবে প্রশ্ন আসে কেন হিন্দুদের সংখ্যা সময়ের সাথে সাথে কমে গেল। তখনকার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট মৌলিকভাবে বিশ্লেষণে করলে যে মূল কারণ পাওয়া যায় তা হল পূর্বপাকিস্তানের জনগণকে শোষণ করার জন্য পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলগুলির ও সামরিক শাসকদের ধর্মীয় উগ্রবাদের অপব্যবহার । রাষ্ট্রীয়ভাবে ধর্মকে অপব্যবহার করে দেশ থেকে হিন্দুদের বিতারনের (elimination) কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। এখানে উল্লেখ্য যে স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের ফলে সংখ্যালঘু বিতারনের (elimination) রাজনীতি নতুন ধর্মীয় মোড়কে বাজারজাত করা হয়েছে (পড়ুন এই লেখার ২য় অংশে)।
মাছির মারার নির্বাচন!!!
গত ২১ ডিসেম্বর থেকে বাসায় একা একা বাস করছি আমার গিন্নী মেয়েকে নিয়ে তার বড়ভাইয়ের বাসায় থাকছে আমি মনেশ্বর রোডের ভাড়া বাসায় বাস করছি ইদানিং দু'জনের মধ্যে বনিবনা হচ্ছিল না তাই পারিবারিক সিদ্ধান্ত মোতাবেক দু'জন আলাদা থাকছি একা একা থাকার সুবাদে যথেষ্ট সময় পাচ্ছি কখনো একাডেমিক প্রবন্ধ পড়ে, কখনো পত্রিকা পড়ে আবার টিভি দেখে সময় পার করছি আমি অবশ্য রান্নাও করতে পারি গত ২ বছর জাপানে থাকার সুবাদে আমি রান্নাটা শিখেছি অবশ্য আমার রান্না আমি ছাড়া অন্য কেউ খেতে পারবে বলে আমার মনে হয় না যাহোক ছুটির দিনে সারাদিন রান্না বারি, বইপড়া, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, টিভি দেখেই সময় পাড় করছি
ইলেকশন, সিলেকশন, অভজারবেশন এন্ড ফ্রাসটেসন!
যা হবার ছিল তা হয়ে গেল। কোনো উত্তাপ ছিল না, ছিল না কোনো টানটান উত্তেজনা জামাত শিবিরের অব্যহত আক্রমনের শিকার হয়েছে সাধারন মানুষ ও স্কুল কলেজ, পুড়ছে প্রকৃতি শত সহস্র গাছপালা এত কিছুর ভেতরেই সরকারের সংবিধান রক্ষার ইলেকশনটা হয়ে গেল। গাছাগাছালি কাটা নিয়ে আবীরের কথাটা খুব মনে পড়ে- গাছ কাটে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে শিবির বিএনপির লোকেরা আর তা সুন্দর মত বেচে দেয় ছাত্রলীগের পোলাপান, এই করেই চলছে বাংলাদেশ। আরেকটা গল্প মনে পড়লো ইলেকশন নিয়ে- আমার এক পরিচিত লোকের ফ্যামিলী আওয়ামীলীগ করে, তার বাবা বাড়ী থেকে নিষেধ করে দিলো মিরপুরে ভোট না দিতে, কেন? জীবনের ঝুকি নিয়ে খালি মাঠে গোল দেয়ার মানে নাই, জীবন অনেক মুল্যবান! আমার এক ভাই আছে এনসিসি ব্যাংকের কর্মকর্তা উনার বাড়ী থেকে ফোন আসছে,-- ভাইস্তা তোমরা তো আসলা না, তোমাদের সব ভোট দিয়া দিছি। দুর্দান্ত সব ঘটনা আরো জানি সব বলা যাবে না!