অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ২৩ জন অতিথি অনলাইন

কেন একা থাকতে চাই???

আমার ১২ বছরের সংসার জীবনে সবসময় আমার একা থাকতে ইচ্ছা করেছে৤ আমি বিশ্ববিদ্যালয় জীবন সমাপ্ত করে চাকুরীতে যোগদান করার ১১ দিনের মাথায় বিয়ে করি৤ বিয়েটা আমার পছন্দের মেয়েকেই করেছি৤ কিন্তু বিয়ের পরদিন থেকেই সংসারে সুখ আসেনি৤ ছোট খাটো বিষয় নিয়ে আমাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ লেগেই থাকতো৤ তারপরও সমাজের দিকে তাকিয়ে আমরা ছাড়াছাড়ি করতে পারি নাই৤ ইদানিং আমাদের দাম্পত্য কলহ জটিল আকার ধারণ করেছে৤ দু'জন দু'জনকে একটুও সহ্য করতে পারছি না৤ গত শুক্রবার আমাদের মধ্যে রফা হয় দুজন আলাদা থাকবো৤ সেই থেকে আমরা আলাদা আছি৤ আমার স্ত্রী এলিফ্যান্ট রোডে তার বড় ভাইয়ের বাসায় আর আমি আমার ভাড়া করা বাসায় আছি৤

আমার একা থাকতে ভালোই লাগছে৤ এই ক'দিনে একবারের জন্যও আমার স্ত্রীর জন্য খারাপ লাগেনি৤ আমি আমার মনের মাঝে আমার স্ত্রীকে খুঁজে পাচ্ছি না৤ তার জন্য বরং অনেক ঘৃণা জন্ম নিচ্ছে৤ কারণ গত ১২ (বার) বছরে চেষ্টা করেছি সবকিছু ম্যানেজ করে সংসার করার জন্য৤ কিন্তু বার বার ফেল করেছি৤

বড়দিনে ‘টপ সিক্রেট’

মনে পড়ে আজ থেকে পঁচিশ বছর আগে। ১৯৮৮ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশের একজন সুনাগরিকের সরকারি বাসায় গিয়েছিলাম। উদ্দেশ্য পরস্পরকে কাছ থেকে চেনা বা জানা। আমি তখন জগন্নাথ কলেজের ছাত্র। স্কুলজীবন থেকেই আমার লেখালেখির অভ্যাস। স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত বিভিন্ন দেয়ালিকা, সাপ্তাহিক স্বদেশ খবর, সাপ্তাহিক সন্দ্বীপ, দৈনিক খবর, আজাদ এবং ইত্তেফাকসহ বিভিন্ন পত্রিকায় নানা সমস্যা-সম্ভাবনা, অনিয়ম-দুর্নীতি, সামাজিক অনাচার-অবক্ষয় নিয়ে লিখতাম। এর মাঝে ১৯৮৭ সালের দিকে বাজারে এলো দৈনিক ইনকিলাব নামে একটি পত্রিকা। এ পত্রিকায় ’৮৮ সালে যৌতুকবিরোধী আমার একটি লেখা প্রকাশিত হয়। এ লেখার জন্য একটি অভিনন্দন চিঠি আসে অফিসের ঠিকানায়। সে সময় লেখালেখির সুবাদেই ইনকিলাবে যাওয়া হতো। এখান থেকেই ইনকিলাবের তৎকালীন সহকারী সম্পাদক শ্রদ্ধেয় মফিজ ভাইয়ের (মরহুম মফিজ উদ্দিন আহমদ) সাথে আমার এক রকম হৃদ্যতা গড়ে ওঠে। তিনি আমাকে যারপরনাই স্নেহ করতেন। আমার ভালো-মন্দ খোঁজ-খবর করতেন। আমার প্রতি তার দাবি ছিল- আমি যাতে অন্তত সপ্তাহে একবার তার স্নেহধন্য আতিথেয়তা গ্রহণ করি। তার দেয়া রুটিন মতো তার অফিসকক্ষে ঢুকতেই বললেন, ‘তোমার একটি চিঠি আছে, যাওয়ার সময় নিয়ে য

বাংলাদেশের আভ্যুদয়

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল ১৯৭১ সালে সংঘটিত তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের সশস্ত্র সংগ্রাম, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে পৃথিবীর মানচিত্র আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি নিধনে ঝাঁপিয়ে পড়লে একটি জনযুদ্ধের আদলে মুক্তিযুদ্ধ তথা স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা ঘটে। পঁচিশে মার্চের কালো রাতে পাকিস্তানী সামরিক জান্তা ঢাকায় অজস্র সাধারণ নাগরিক, ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, পুলিশ হত্যা করে। গ্রেফতার করা হয় ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাপ্রাপ্ত দল আওয়ামী লীগ প্রধান বাঙ্গালীর তৎকালীন প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। গ্রেফতারের পূর্বে ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন । পরিকল্গপিত গণহত্যার মুখে সারাদেশে শুরু হয়ে যায় প্রতিরোধযুদ্ধ; জীবন বাঁচাতে প্রায় ১ কোটি মানুষ পার্শ্ববর্তী ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে। পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর), ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ, সামরিক বাহিনীর বাঙ্গালী সদস্য

বড়দিন-ছোটদিন-মাঝারি দিন!

কলকাতার জয়তীর গান ছিল একখান, যার শিরোনাম হলো- 'দিন শুধু দিন গেল'। আমারো নিজের জীবনে তাই মনে হয় যে দিনগুলো সব চলেই গেল অবহেলা আর অনাদরে। মাঝে মাঝে সালের হিসেব গুলিয়ে ফেলি, মনে হয় এখনো ২০১০-১১ই চলছে। বেকাররাই এইভাবে সময় নিয়ে হেলাফেলা করে, ১৮ মাসে বছর বাগধারাটা তো আর হুট করে আসে নি! আমাদের জন্যেই এসেছে। দিন গুলো যে নিমিষে হারিয়ে যাচ্ছে তা টেরই পাচ্ছি না। শুধু দেখছি হারাচ্ছে আর চলে যাচ্ছে এরই ফাকে মানুষ কত কি করছে। বাংলাদেশটার অবস্থাও তাই দুনিয়া উলটে পালটে গেল, কত কি ঘটে গেল, কত দেশে কত প্রগতি উন্নতির চমক, আমরা পড়ে রইলাম সেই পুরোনো প্রশ্নেই, ক্ষমতা পালাবদলের শান্তিপুর্ন উপায় খুজতে খুজতেই আমাদের দিনগুলো সব চলে গেল, একদিনের যে গনতন্ত্র ভোটাধিকার তা নিশ্চিত করতেই আমাদের জান দফারফা, ৩৬৫ দিনের এক গনতান্ত্রিক বাংলাদেশ পেতে এখনো কত দেরী তাই ভাবি বসে!

৫ই জানুয়ারীর নির্বাচন এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর

আমার মনে হয়, ৫ই জানুয়ারীর নির্বাচনটা একটা দিক থেকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। '৯০-এর পর এই পর্যন্ত যতগুলো নির্বাচন হয়েছে ('৯৬-এর তামাশার নির্বাচন ছাড়া) তাতে দেখা গেছে, ক্ষমতাসীন দলের দুর্নীতিই তাদের পরাজয়ের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবারও যদি সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হতো, তবে আওয়ামীলীগ হয়তো পরাজিত হতো। কিন্তু তার পরে ঘটনা কী হতো। ১৮ দলীয় জোট নির্বাচিত হলে, বিএনপির ঘনিষ্ঠ সহযোগী জামায়াতের কারণে পাকিস্তান ইন্টিলিজেন্স আইএসআই-র নির্দেশে যুদ্ধাপরাধীদের 'শূয়রের খোয়াড়' থেকে মুক্ত করে দেবেন বেগম খালেদা জিয়া । (আইএসআই-এর তৎকালীন প্রধান সেদেশের সুপ্রীম কোর্টে বলেছেন, ১৯৯১-এর নির্বাচনে তারা খালেদা জিয়ার বিএনপি-কে এক কোটি টাকার উপর দিয়েছে।)

সুন্দরবন ভ্রমন ২০১৩ (পর্ব ১)

ভোরের আলো না ফোঁটা মেঘবিহীন বৈশিষ্ট্যহীন আকাশ, শীতের আবছা কুয়াশার চাদর কেটে ট্রলার নীলচে-সবুজ পানির উপর দিয়ে ধীরগতিতে এগিয়ে যাচ্ছিল, দু’ধার জুড়ে গোলপাতাসহ নাম না জানা হরেক গাছের সারি ঘন থেকে আরো ঘন হতে হতেই সামনের দূরে এগিয়ে আসা বাঁকটা যেন হারিয়ে যাওয়া কাউকে যেন তীর খুজেঁ পাবার আশায় উদ্বেল হবার হাতছানি দিয়ে যায়! টলটলে পানি, নির্মল বাতাস, গাছেরসারি, থমকে যাওয়া একঘেয়ে আকাশ, সবকিছুর মাঝ দিয়ে চলছি আমরা সমান তালে সাথে যাচ্ছে কেবল থোক থোক কুয়াশার দল! চারপাশে পাখি ডাকারও শব্দটি নেই, অভিযাত্রীদের কেবল শ্বাসের শব্দে উপস্থিতি জানান দিয়ে যায় সুন্দরবনের এই অপার সৌন্দর্যতার।

অপরুপ এই দৃশ্যটি ছিল, সুন্দরবন ভ্রমনের প্রথম প্রহরের। কোন ছবিতেই এই ভ্রমনে দেখা সৌন্দর্য্য তুলে আনা যাবে না, সে কেবলি উপভোগের একান্ত অনুভূতি।

1_3.jpg

কঠিন সময় আমাদের মা-মেয়ের

আমার মেয়েটা কাঁদছে।আমি পাশের রুমে বসে আছি।হোসনা ওকে কোলে নিয়ে হেঁটে হেঁটে নানান কথা বলে যাচ্ছে।দুধের ফিডারে দুধ বানিয়ে খাওয়ানোর চেষ্টা করছে। মেয়ের সেদিকে কোনো খেয়াল নেই।সে অনবরত কেঁদেই যাচ্ছে।
তার কান্নার শব্দটা আমাকে অস্থির করে তুলছে কিন্তু আমি নিজেকে শক্ত রাখার কঠিন চেষ্টা করে যাচ্ছি।মেয়ের কান্না থামছে না।এবং ওর কান্নার আকুতিতে একটা সময় আমি খেয়াল করি আমার সারা শরীর কেঁপে কান্না চলে এসেছে।আমি অনেক চেষ্টা করেও নিজেকে সংযত রাখতে পারিনি।
হোসনা যেন আমার কান্না না দেখে সেজন্য দৌড়ে আমি বাথরুমের ভেতর ঢুকে যাই।পানির ট্যাপ ছেড়ে দিই যেন কোনোভাবেই আমার কান্নার ফোঁসফোঁস শব্দে হোসনা ঘাবড়ে না যায়।
মেয়ের কান্না এতক্ষণেও থামেনি দেখে আমি চোখে মুখে পানি দিয়ে বাথরুম থেকে বেরিয়ে হোসনার কোল থেকে মেয়েকে বুকে টেনে নিই। আমার কোলে আসার সাথে সাথে মেয়ে কান্না থামিয়ে অবাক চোখে আমার দিকে তাকিয়ে থাকে।কি জানি আমার ৪মাস ১০ দিন বয়সী মেয়েটা বোধহয় বিশ্বাস করতে পারছে না তার মা তাকে কেন এত কষ্ট দিচ্ছে।মেয়ের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতেই আমার চোখ ঝাপসা হয়ে আসে।নিজেকে সামলানো বেশ কঠিন হয়ে পড়ে আমার জন্য।

ব্লগর ব্লগর

দেশের অগ্রগতী নিয়া বিস্তর আলোচনা শুনি বিভিন্ন ফোরামে... পত্রিকায়... রিপোর্টে... বৈদেশিক গবেষণায়। দেখে পুলকিত হই। ভালোলাগায় বুকটা ৩ ফুট উচা হইয়া যায়। আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি।

বাস্তবতা আসলে কি?
৮৯'এ ডিফরেন্টাচ নামের একটা ব্যান্ডের প্রথম এলবাম বের হয়। সুপার হিট সেই এলবামে তখনকার রাজনীতি নিয়ে একটা গান ছিলো। আজ ২০১৪ থেকে মাত্র সপ্তাহ খানেক আগে দাড়াইয়া অবস্থার কোন পরিবর্তন পেলামনা Sad

জনগণের ভোটাধিকার এবং গণতন্ত্র রক্ষায় দুই নেত্রীতো বলতে বলতে মুখে ফ্যানা তুইলা ফেলতেছে। সেই ফেনিল বুদ্বুবুদে আমাদের নি:শ্বাস যে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হইছে... সেদিকে খেয়াল নেই কারোই।

আজ হাটে মাঠে ঘাটে সর্বত্রই আলোচ্য বিষয় হচ্ছে নির্বাচনী প্রার্থীদের সম্পদের বিবরণী। হয়তো এটাই আমাদের একমাত্র বিনোদন। আরতো কিছু করার নাই আমাদের। শুধু দেখেই যাব। আর হিসাব করবো কোন দল কার চাইতে কত বেশীতে জিতল।
======================

একটু দেখেন ৮৯এ ডিফরেন্টাচের সেই গানটা এখনো কতটা ঠিক
===========
হাল জামানার রাজনীতি ভাই, করতাছি যে আমরা সবাই
পেছন পকেট সদাই গরম , গলা বাজির আছে যে সায়।।
এ মন হায়,

ধূসর গোধূলিঃ ২২ - তারুণ্যের জয়গান...

dhusor godhuli-22.jpg
কলাবতী বাজারের ক্লাবঘরটিতে তরুণদের আনাগোনা শুরু হয় বিকাল থেকেই। বিজয় দিবসের খুব বেশী দেরী নেই। ওরা প্রত্যেকেই বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নেবার জন্য তাড়া অনুভব করে। শ্যামল আর তাপসের গ্রামে আসার খবর পেয়ে আজ একটু আগেই ক্লাবে এসেছে আসাদ আর সজল। ক্লাবের সব অনুষ্ঠানের মধ্যমণি হল শ্যামল। ও না থাকলে কোনকিছুই যেন জমে না ঠিকমত।

দৈনন্দিন সুখ দুঃখ!

দেশের অবস্থা খুব একটা যুতের কিছুতে না, পঞ্চম কিস্তির অবরোধ চলছে কিন্তু মনে হচ্ছে কেয়ামত পর্যন্ত এইভাবেই অবরোধ চলবে। এক বন্ধুর মুখে শুনলাম আস্তে আস্তে নাকি মানুষ অবরোধ মানিয়ে নিচ্ছে, মনে মনে ভাবছিলাম মানানোর আর জিনিস নাই দেশে শেষমেষ অবরোধ দাঙ্গা হাঙ্গামা এইসবও মানিয়ে চলতে হবে। মানাতে মানাতে আর সবুর করতে করতে জানা নাই আর কত? এদিকে তো আমাদের পিঠের চামড়ার আর কিছুই বাকী নাই, তবুও আমরা ঝিনুকের মত নীরবে সয়ে যাচ্ছি। এর বাইরে মনে হয় না আমাদের তেমন কিছু করার আছে! আমার দোড় সমন্ধে আমি অবশ্য সচেতন- ল্যাপটপে বসে ফেসবুকে জ্বালাময়ী স্টেটাস লেখা আর চায়ের দোকানে বসে চাপা পিটানো। তার ভেতরে আব্বু খালি ফোন দিবে আর জিগেষ করে বলবে বাসায় যা-বাসায় থাক- এত বাইরে কি? ঢাকায় গন্ডগোল, জামালপুরে এসে পড়!

বাতাসে ককটেলের গন্ধ

কুড়ি পেড়িয়েছি সেই যুগল বৎসর হল,
শতাব্দীর সঙ্গীত বোদ্ধারা তখন একত্র আমার মাটিতে ।
হয়তো আমি খুঁজে ফিরছি অন্য কোন পথ,
তবু সে পথ আমার বেঁকে এসে পরে এই উঠোনে ।
বিনিদ্র রজনী আর সুরের মূর্ছনা,
হেঁটে চলছি আমি এক অন্য পথের পথিক ।
বিদ্রোহী মন চায় একলা ছুটে যাই
উৎসবের অন্তরালে,দূষিত ফুসফুসের স্পর্শে,
পারিনা,আমি পারিনা,
শত চেষ্টায়ও আমি ব্যর্থ,হয়তো সুপ্ত ইচ্ছায় !
খ্রিস্টাব্দে সময়টা তখন স্থিমিত সূর্য,
আমি ব্যস্ত অপরিচিত আঙ্গিনার মুগ্ধতায়,
হঠাৎ শুনি শ্রবণরুদ্ধ এক ধ্বনি ।
না,এ কোন ধ্বনি না,এ তো অশ্রাব্য অপসংস্কৃতি
যেখানে সঙ্গীত অপমানিত,বাকরুদ্ধ সংস্কৃতি,
এরই মাঝে ভেসে আসে,নাস্তিকতা রোগাক্রান্ত ।
তবে কি বন্ধু তুমি দেখোনা ?
তোমার ধর্মবাদীরা আজ ককটেল আক্রান্ত ।
আর তথাকথিত নাস্তিকরাই সেখানে অসহিংস ।
আমি তো এক নির্জন পথের বিদীর্ন পথিক
ফুসফুসটা বিশুদ্ধ না হলেও তো চলছে,
নিঃশ্বাসের সাথে তবে আজ এই কিসের গন্ধ পাই ?
এ কি সপ্তম আসমান পেড়োতে পারেনি ?
তুমি এখনও নিশ্চুপ,এ কি করে সম্ভব ?
আমার শুদ্ধ মাটির সুগন্ধ যে ক্রমেই দুর্গন্ধময় হচ্ছে,
বাতাসের অক্সিজেন ভারি হয়ে আসছে

বাংলাদেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন

রাষ্ট্রভাষা হিশেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত পূর্ব বাংলায় ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদের ভিত্তি শক্ত করেছে কিন্তু পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা তাদের বাঙালি মুসলিম পরিচয়ে গর্বিত ছিলো এবং শিল্পী সাহিত্যিকদের ভেতরেও পশ্চিম বাংলার অধিবাসীদের সাথে নিজেদের পৃথক করার তীব্র আগ্রহও ছিলো। বাঙালী মুসলমানদের পৃথক বাংলা ভাষা চর্চার মাধ্যমে যা বিকশিত হচ্ছিলো। ১৯৫৬ সালে রাষ্ট্র ভাষা হিশেবে বাংলার স্বীকৃতি পূর্ব বাংলার অধিবাসীদের ভেতরে ভাষাভিত্তিক বঞ্চনাবোধ কিছুটা হলেও প্রশমিত করেছিলো। তাই শুধুমাত্র উর্দু ভাষা চাপিয়ে দেওয়ার কারণে পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিভাজন ঘটেছে এমনটা বলা যাবে না। পাকিস্তান রাষ্ট্র হিশেবে তার নাগরিকের প্রত্যাশা পুরণে ব্যর্থ হয়েছিলো, পাঞ্জাবী শাসিতকেন্দ্রে অপরাপর ভাষাভাষি নাগরিকদের দুর্দশা অনুধাবনের আগ্রহ ছিলো না, ফলে সিন্ধে কিংবা বেলুচস্তানে আঞ্চলিক বঞ্চনাজনিত বিক্ষোভ বাড়ছিলো। জয় হিন্দ, জয় সিন্ধ ঘুরে জয় বাংলা শ্লোগান এসেছে পূর্ব বাংলায়।

এলোমেলো

আমার এলোমেলো লেখার খাতা,
কখনো গান কখনোবা কবিতা।
মন মেঘের আড়ালে উঁকি দেয়া স্বপ্নগুলো,
আজ পেয়েছে প্রাণ নির্বাক শব্দগুলো।
হাজারো কাজের ভিড়ে, ইচ্ছেগুলোর সমাধিতে,
জ্বলছে আমার স্বপ্ন প্রদীপসম।
ঠিকানা আমার সাড়ে তিন হাত মাটি
চিহ্ন শুধু কাফনের কাপড়খানি,
তবুও এ পথ চলা
গানের খাতা ভর্তি করে লেখা।
ছড়ানো ছিটানো কাগজ যত্রতত্র,
পড়ে আছে কলমের মুখটা হতভম্ব।
অজস্র কাটাকুটি আর অনিয়মের ভিড়ে,
আমার নিরর্থ এ গান লেখা জীবনকে ঘিরে।

ধূসর গোধূলিঃ ২১ - আজ গাশ্বীর রাত...

dhusor godhuli-21.jpg

শিউলির শহরে যাওয়ার দিন ঠিক হয়ে গেছে। আর মাত্র এক সপ্তাহ, তারপর সবাইকে ছেড়ে ও চলে যাবে বহুদূরে। চলে যাবার আগে কয়েকটা দিন মা-বাবার সাথে কাটাবে ও। মেয়েটা চলে যাবে তাই মষ্টারসাব আর সালমা বেগমের মনটা খুব খারাপ। এতদিন শ্বশুরবাড়িতে ছিল, ইচ্ছে হলেই গিয়ে দেখে আসতে পারত। দূরে চলে গেলে মনটা বড় কাঁদবে।
অয়ন বড়দি আসার পর থেকেই বলে আসছে, ওকে সাথে নিয়ে যেতে হবে। শহর সম্পর্কে ওর কথার উত্তর দিতে গিয়ে শিউলিকে হিমসিম খেতে হচ্ছে।
-বড়দি, তুমি কবে শহরে যাবা?
-এই তো আগামী সপ্তায়
-তুমি একলা যাবা শহরে?
-না, কাইল তোর ভাইয়া আইব। আমারে লগে কইরা নিয়া যাইব
-আমারেও কিন্তু তোমগো লগে নিতে অইব
ভাইয়ের আবদার শুনে শিউলি হাসে। তারপর বলে- বাবা, মা, বকুলরে ছাইড়া তুই থাকতে পারবি অনু?
-আমি তো শহরে ঘুইরা আবার চইলা আমু
-ও আইচ্ছা, শুধু শহর দেখতে যাবি, আমার লইগা তোর কোন মায়া নাই, তাইনা?
-আমি কি তাই কইছি? তোমার কাছে কয়দিন থাইক্যা বাড়ি চইলা আমু, আমার স্কুল আছে না?

কে সফল ???

২০০৮ সালের জাতীয় নিব‍র্াচনে আওয়ামীলীগের অন্যতম প্রধান নিব‍র্াচনী ইস্তেহার ছিল '৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের মানবতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধীর বিচার করা৤ ২০০৮-২০১৩ এর সময়কালে আওয়ামীলীগ সরকার মানবতাবিরোধী/যুদ্ধাপরাধীর বিচার শেষ করতে না পারলেও তারা ২০১০ সালে বিচার শুরু করে৤ তারই ধারাবাহিকতায় ১২ ডিসেম্বর, ২০১৩ '৭১ এ মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধী কসাই কাদের নামে খ্যাত আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কা‍র্যকর হয়েছে৤ কাদের মোল্লাকে ফাঁসি না দেওয়ার জন্য বিশ্বের প্রভাবশালী দেশ ও আন্তজ‍র্াতিক সংস্থার পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সরকার প্রধানকে টেলিফোনে অনুরোধ করা হয়৤ কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি আইনের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন৤ আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসি আইনগতভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছে, যদিও যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে দেশে বিদেশে আপত্তি উঠেছে৤ বিশেষ করে ২০১২ সাল থেকে জামায়াত শিবির যুদ্ধাপরাধের বিচার বানচাল করার জন্য দেশে সহিংস আন্দোলন শুরু করে৤ দেশের বিভিন্নস্থানে জ্বালাও পোড়াওসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপর প্রকাশ্য হামলা চালায়৤

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ