অসমাপ্ত প্রেম কাহী্নি (শেষ থেকে শুরু)
(এক)
দুজনে মিলে লিখেছিলাম প্রেম কাহীনি,
শুদু আমি জানি তুমি জানো আর কেউ জানেনি,
শুরু করেছিলে তুমি শেষ করে যাওনি,
অসমাপ্ত তাই প্রেম কাহীনি ।
জীবন পাতায় লেখা গুলো রয়েছে আজও আগের মতো,
শুধু বদলছে স্বপ্নের রঙ,
রঙ্গিন থেকে হয়েছে ধূসর,
তার বিরহে ভেঙ্গেছে হৃদয়,
জমছে মৃত্যু খেলার আসর ।।।
তুমি থেমেছো আমি থামিনি,
জীবন...
জীবনের অর্থ কী? জিজ্ঞেস করেছিলাম অনেককে......বুঝেছিলাম কারো কাছেই পাবোনা এর সঠিক উত্তর....অবশেষে যার কাছে উত্তর পাবো বলে ব্যাকুল হয়ে জানতে চেয়েছিলাম, সে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলেছিলো, জীবন মানে নাকি লাইফ....আর লাইফটা জীবন.... এমনটাই নাকি জীবন। কী অদ্ভূত উত্তর!
এরপর আর কখনো কোনদিন কারো কাছে জানতে চাইনা, জীবনের মানে। জীবনের মাঝে জীবনকে বন্দী করে বেচেঁ থাকা! এটাও তো জীবন। একটা সময় ছিল, আমিই কতজনকে বলেছি জীবনের অর্থ। কত তত্ত্ব-জ্ঞান, কত ভারী-ভারী বাক্য, শক্ত শব্দ দিয়ে বুঝিয়েছি। সেই আমিই কিনা বুঝতে পারিনা জীবনের নিগুঢ় অর্থ কী? এ যেন নিয়তির নির্মম উপহাস!
প্রারম্ভিক...
যার দ্বারা উদ্বুদ্ধ হলাম! ঠিক উদ্বুদ্ধ বলব কি না জানিনা, তাড়িত হলাম....ব্লগে লেখালেখি! কখনো বিষয়টিকে মনযোগের সাথে নেইনি। যাক, যেদিন আমরা বন্ধু ব্লগে যেদিন প্রবেশের অনুমোদন পেলাম, সেদিন তাঁর কোন লেখা ছিলনা, পুরনো গুলোই দেখছিলাম।
সত্যি কথা বলতে, আমি বুঝতে পারছিনা কি লিখব, কি লিখতে হয়। তবে হ্যা, যদি আমার মন-মননের, প্রত্যাহিক ভাবনা জগতের বিষয়গুলো নির্বিঘ্নে প্রকাশ করতে পারি, হয়তো কিছুটা স্বস্তি পাবো। কে আমাকে একটু জায়গা দেবে কথা বলার.............
আমার জীবনে ‘স’ আর ‘শ’
আমার জন্মই হয়েছে ‘স’ থেকে। মায়ের নাম- সমিরন নেসা (পরবাসী)। সংসার জীবনের শুরু ‘শ’ দিয়ে স্ত্রী- শাহানাজ। এছাড়া শিক্ষাজীবনে যাদের পেয়েছি- সিরাজ, শহিদুল হক, শামসুদ্দীন, শের ইসলাম, সোহেল, সানোয়ার, শামীম। ছেলেবেলার আড্ডায়- সামাদ, স্বপন, সাহিদ, শহিদুল ইসলাম। কর্মজীবনে- সালাউদ্দিন, শওকত, সামসু, শাহীন, শাহাদত, সঞ্জিত, সুজন। গানের কলি- ‘ফুলে বসন্ত আসে যে বারবার, জীবনে প্রেম আসে শুধুই একবার....’ মজার ব্যাপার হচ্ছে আমার জীবনেও প্রেম একবারই এসেছিল তার নাম- সুলতানা (শিমুল)। আমার জীবনে ‘স’ আর ‘শ’-এর এমন মিল বা আধিক্য কাকতালীয়। ‘স’ আমাকে স্বপ্ন দেখিয়েছে আর ‘শ’ বানিয়েছে শৈল্পিক। তাইতো ‘স’ আর ‘শ’-এর সঙ্গে বসবাসেই যেন আমি ধন্য।
ফেলে আসা দিনগুলো ...
দৃশ্যপট ১ :
বেশ ক'বছর আগের ঘটনা -
মাত্র কিছুক্ষণ আগেই সকাল হয়েছে | কিন্তু রোদের অসহনীয় তীব্রতা দেখে সে কথা বোঝার উপায় নেই | ঘরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে চার-পাঁচ বছরের ছোট্ট একটি ছেলে তাকিয়ে আছে দূরে- ছেলেটির
মন কিছুটা খারাপ | আজ তাকে প্রথম বারের মত স্কুলে যেতে হবে | কিন্তু সে এটা চাইছে না |তার মধ্যে একটা ভয় লাগা কাজ করছে | এর মূল কারণ -কয়েকদিন আগেই সে তার বন্ধুর কাছে শুনেছে স্কুল নাকি ভালো জায়গা না - ওখানে গেলেই শুধু বই পড়তে হবে , খেলতেও দিবে না , আর
আবারও এলেমেলো
ইন টু দ্যা ওয়াইল্ড ছবির ভবঘুরে নায়কের জন্য কিংবা তার এমন নিশ্চিত মৃত্যুর জন্য কিছুটা কষ্টবোধ ছিলো, জীবনের অপচয় মনে হতে পারে বিষয়টাকে, কিন্তু সে নিজেই এই জীবনযাপনের ধারা বেছে নিয়েছিলো। সে চাইলেই অন্য রকম একটা জীবন যাপন করতে পারতো, তার নিজের আগ্রহেই সে নিজের মৃত্যুর পথ বেছে নিয়েছে, সে নেশাসক্ত ছিলো না, কিংবা অন্য কোনো ভাবনার ব্যধি তার ছিলো না, কিন্তু তারপরও সে এমন ঠান্ডা কষ্টকর মৃত্যুর পথটা নিজেই বেছে নিয়েছিলো।
যেভাবে আমি মায়াবতী
ফেসবুকে নিয়মিত একজন আমারে মায়াবতী ডাকে। আমার স্ট্যাটাসে সে যত কমেন্ট করে, সে বলে আমি নাকি মায়াবতী। আমারে নিয়ে যদি সে কোনো পোস্ট দেয় সেখানেও বলে আমারে আমি মায়াবতী। আমার জন্মদিনে সে আমারে উইশ করে তখনও ডাকে মায়াবতী।
আমার জন্মের পরে বহুজনে বহু নাম বের করলো। যার যা মনে ধরলো ডাকলো, এখনও ডাকে। কিন্তু যে নামটা কাগজপত্রে ফাইনাল হলো সেই নামটা শুনছি তারই দেয়া। তো সেই মহীয়সী ব্যাক্তি যখন আমারে মায়াবতী ডাকলো আমি ভাবলাম ভালোই তো!!
এরপর যখন ব্লগ দুনিয়ায় নাম লিখাতে আসলাম তখন ভাবলাম দেই নাম মায়াবতী। কি আছে জীবনে!! সেই কারণে এবি'তে এ্যাকাউন্ট খোলার সময় নিক দিলাম একজন মায়াবতী।
আবোল-তাবোল
সমুদ্র দেখতে মন চায়
কেউ কেউ যায়, জানিয়ে যায়। সাথে নেয়না।
যেতে চাইলে এটা সেটা অজুহাত দেখায়।
স্টারের কাচ্চি বিরিয়ানী ! আহা কী মজা যে খেতে
আমারও খেতে মন চায়
যেতে পারিনা তাই খাওয়া হয় না।
ময়মনসিংহ রাজু-সাজু-মুন্নারা আছে
পেদির মা আছে। মাসীমা আছেন, মাসীমার হাতের
রান্না বার পদের খাবারের প্রলোভন আছে...
সে কতদিন আগে একবার খেয়েছিলাম। আহা, আজও
ভুলিনি তা !
ইথারে রাজুর স্বর ভেসে আসে- চলে আসুন দাদা, যেকোন দিন...
যাবার ইচ্ছে হয় যেতে পারিনা। এবার ভেবেছি যাবোই যাব।
আগামী মাসের প্রথম দিকে। হয়ত এবারও যাওয়া হবেনা
কিংবা হয়ত যাব...
আর গেলে মাসীমার বার পদের খাবারের পাশাপাশি
এবার অন্য আরেকটা খাবারের আয়োজনও আছে ময়মনসিংহ
আমাদের শ্রেয়ার জন্মদিন। গেলে কি আর এমনিই ফিরিয়ে দেবে ?
ভাল-মন্দ কপালে না জোটারতো কারন দেখছিনা...
তাহলে ওই কথাই রইলো !!
আমার বর্ণমালা, আমার পাঠশালা ।
তখন আমাদের কতো বয়স, আমরা জানিনা । কতোইবা হবে...চার কী পাঁচ । কী দিন ছিলো আমাদের । নাওয়া নেই, খাওয়া নেই সারাদিন খেলাধুলা আর হৈ হুল্লোড় । অজপাড়াগাঁয়ের সেই সোনালি দিনগুলি আজ আর নেই । বছর পাঁচেক আগেও এই ভাঁটির গ্রামে কোনো বৈদ্যুতিক আলো ছিলোনা । কিন্তু আজ ঘরে ঘরে সৌরবিদ্যুৎ । এমন কী এই বৈদ্যুতিক ক্রাইসিসের মধ্যেও এই ভাঁটির গ্রামে বিদ্যুৎ আসার সব বন্দোবস্থ প্রায় হয়ে গেছে । বিদুতের খুঁটিও ঘরের দ্বারে দ্বারে ফেলে রাখা হয়েছে । হঠাৎ করে গ্রামটা যেনো এক অজানা শিহরণে শিহরিত হয়ে উঠলো । চোখের সামনে পুরো গ্রামটা কেমন জানি বদলে গেলো ।
নন্দ ঘোষের ভাই
কোথায় রে ভাই নন্দ ঘোষ ?
সব কিছুতে আমার দোষ !
যেই খানেতে যাই ঘটে
শুধুই আমার নাম রটে
ব্যাঙের হলে সর্দি জ্বর
ভাঙলে কারো পুরান ঘর
আগাম যদি বৃষ্টি হয়
ঢাকায় জ্যামের সৃষ্টি হয়
বাড়ায় যদি তেলের দাম
কাকরা জপে বেলের নাম
গাড়ীর তলে মরলে কেউ
সাগর জলে উঠলে ঢেউ
কেউ যদি হয় ভোটেই ফেল
সবাই দেখে দারুন খেল
চোখ বুজেঁ সব হাত তুলে
আমার নামে রব তুলে
জানায় সারা বিশ্বকে
চেনায় অধম নিঃস্বকে
এই ব্যাটাই ডোবায় সব
এর মাথাতেই ভাঙ্গো টব
যাচাই বাছাই বিচার নাই
এই ব্যাটাটার কল্লা চাই
কেউ শোনে না আমার স্বর
শাপ হয়ে যায় আমার বর
নন্দ দাদা, আয় না ভাই
তোর বুকেতে মুখ লুকাই
তুই ছাড়া কেউ নেই আপন
তাই জানালাম নিমন্ত্রন
খেলা শেখা---
বিলিয়ার্ড আমি কখনওই খেলিনি। যখন খেলা শেখার সময় ছিল তখন বিলিয়ার্ড খেলবার জায়গা পাইনি। বিলিয়ার্ড সম্পর্কে আমার জ্ঞান এই টিভির পর্দা পর্যন্তই। মঝে মাঝে ইচ্ছা করেছে খেলাটা শিখতে কিন্তু তেমন আগ্রহবোধ করিনি।
একদিন লনটেনিস খেলে ফিরে এসে চা এর কাপটা নিয়ে বিলিয়ার্ড রুমে চলে এলাম। দুই জন খেলছে কয়েকজন দেখছে। হেল্প বয় রেস্টার হাতে দাড়িঁয়ে আছে। একজন পয়েন্ট বোর্ডের কাছে পয়েন্ট কাউন্ট করছে। বেশ রাজকীয় খেলা। সবুজ বোর্ড , ঠিক মাঝাখানে মাথার দুই হাত উপরে চারটি নিয়ন বাতি। বোর্ডের উপর হলুদ ও লাল বল। খেলোয়াররা ঘুরে ঘুরে খেলছে। প্রত্যেকের হাতে একটি করে কিউ (যে স্টিকটি দিয়ে খেলা হয় তাকে কিউ বলে)। খুব গম্ভীর গম্ভীর সবাই। আমার বেশ মজাই লাগলো।
ও বৈশাখী
সেদিন পয়লা বৈশাখ ছিল। দিনটি আমার জীবনে নতুন কোনো রং নিয়ে কখনো আসেনি। তার ওপর সেদিন আমার জ্বর ছিল। বিছানায় শুয়ে শুয়ে কাতরাচ্ছি। জ্বর বাড়ে। একশ এক, একশ দুই। একটা ঘোর। তন্দ্রা। ছটফটানি। ঘুম, ঘোর, তন্দ্রা মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। এক অন্য রকম জগতে হাবুডুবু খাওয়ার মতো। যেন অনেকগুলো অন্ধকার দলা পাকিয়ে ধেয়ে আসছে আমার দিকে। বাঁচাও! বাঁচাও! কখনো যেন বা পড়ে যাচ্ছি। মাটিতে। মাটি ভেদ করে পাতালে। পতন! পতন! আবার কখনো যেন উড়ছি আকাশে। উড়তে উড়তে একেবারে সূর্যের কাছাকাছি। উফ, কত উষ্ণতা, কত আলো! চোখ ধাঁধিয়ে যায়, শরীর পুড়ে যায়। পানি চাই, পানি!...
টুংটাং। এটা কি পানির শব্দ? না তো!
সহন আছেন?
দেশপ্রেম
প্রতিবেশী দেশ ভারতে ইঁদুর হত্যার জন্য ৫ বছর করাদণ্ডের আইন করা হয়েছে। অথচ, আমাদের দেশে মানুষ হত্যা করেও অধিকাংশ খুনি কোনো রকম দণ্ডের আওতায় আসে না। আমার এমন মন্তব্যে প্রতিবাদী সুরে সহকর্মী ‘রশীদা আপা’ বলে উঠলেন, ‘নিজের দেশকে এতোটা অবহেলা করবেন না। দেশকে ভালোবাসুন।’ নিজের দেশ, নিজের সংস্কৃতিকে কে না ভালোবাসে। আমার মধ্যেও এর কমতি নেই। তবে এর ঘাটতি আছে আমাদের রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীদের। তাইতো প্রতিবেশী দেশের কাছ থেকে তাদের শিক্ষা নেয়া উচিত। অন্যায় কাজের স্বীকৃতি দেয়া মানে দেশপ্রেম নয়। অন্য দেশের ভালো কাজের প্রশংসা করলে নিজের দেশকে খাটো করা হয়- এমনটি ভাবার অবকাশ নেই। বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়ে ন্যায় প্রতিষ্ঠাই হচ্ছে প্রকৃত দেশপ্রেম। যা দেশকে মনে-প্রাণে ভালোবাসার শামিল। তাই অন্যায়কে ‘না’ এবং শাস্তিকে ‘হ্যাঁ’ বলুন।
উৎসর্গ
আমারও কষ্ট আছে,
অনুভূতি আছে, বুঝতে পারি
পৃথিবীর সমস্ত কার্যাবলী, কিন্তু
কেবল বলতে পারিনা, কারণ
আমার সে ক্ষমতা নেই, স্রষ্টা আমাকে
তা দান করেননি, তোমাদের মতো করে
কষ্ঠগুলো, অনুভূতিগুলো ব্যক্ত করবার।
আমার তখন খুব কষ্ট হয়
যখন দেখি, তোমরা সভ্য বলে
দাবী কর, অথচ কাজ কর
অসভ্যের মতো করে, তারপরও দাবী
করো আমরা সভ্য !
আমার খুব লজ্জা হয়, যখন দেখি
সর্বশ্রেষ্ঠ হয়েও জানোয়ারের মতো
জঘন্য আচরণ কর!
তোমাদের এ আচরণ জানোয়ারগণকে
হার মানায়!
আমি কারো
সন্তান, কারো পুত্র কিংবা কন্যা,
কারো জনক কিংবা জননী,
কারো না কারো স্বামী বা স্ত্রী,
কিংবা কারো প্রেমিক-প্রেমিকা।
তবুও স্রষ্টা আমাদের সৃষ্টি করেছেন,
তোমাদের খুশী করবার জন্য।
আমার এই প্রাণের বিনিময়ে হে
সভ্যতা সৃষ্টিকারী, সর্বশ্রেষ্ঠ জীব
তোমার মনের পশুত্বকে যদি কবর দিতে পার,
তবেই আমার এই প্রাণকে উৎসর্গ করা, স্বার্থক হবে।
গরুর খাঁটি দুধ
বাজার থেকে আনছি কিনে খাঁটি গরুর দুধ !
আসল কথা গরুই খাঁটি নয় তো খাঁটি দুধ !
আগের দিনে দুধের সাথে মিশেল দিতো পানি।
দুধটা ভেজাল সত্যি ছিলো বিষাক্ত নয় জানি
দিন বদলের পরে
বদলে গেলো ভেজাল দেয়া আপন নিয়ম ধরে
খাঁটি গরুর দুধ কিনে নেয়, মিশায় পানি খাঁটি
তার পরে যে দেয় ডুবিয়ে ফরমালিনের বাটি
ফরমালিনে ভেজাল আছে বলছি না তা আমি
সস্তা জিনিস মিশাচ্ছে না সকল কিছুই দামী
সকল খাঁটির মিশেল নিয়ে দুধের প্যাকেট আসে।
স্বাস্থ্য বানাই আপন মনে দুধ খেয়ে সব হাসে !