শিরোনামহীন ২
দুই বছর ধইরা লন্ডনে থাকার পরও এখন নাকি আবার ইংরেজী জানি কিনা তার পরীক্ষা দেওন লাগবো
তাই দিয়া আসলাম আই ই এল টি এস পরীক্ষা
সকাল বেলার আরামের ঘুম হারাম কইরা গেলাম তবে গিয়া লাভ হয় নাই .................ঘুমাইতে ঘুমাইতে পরীক্ষা দেয়ার ফলসরূপ লিসেনিংয়ের প্রথম কয়টা প্রশ্ন উত্তর হাওয়া
লাভের মধ্যে লাভ হইলো স্পিকিং এ মহিলা এক্সামিনারের লগে ভালোই গেজাইলাম
ফাউয়ের উপর পিজা হাটের দাওয়াত দিয়া দিলাম
দেশের খবরাখবর জানি নিয়মিত পত্রিকা আর ব্লগ পড়ার কারনে আর বন্ধুদের যত হতাশা যানজট ( ওরা যদি লন্ডনের চিপা রাস্তার যানজট দেখত ) নিয়া
নেটের স্পিড নাকি বাড়ছে তবে এইখানে ৭ mbps পাওয়ার পরও যখন কল সেন্টারে স্পিড নিয়া আজাইরা গেজাই তখন মনে হয় কূয়ার ব্যাঙ সমুদ্রে পড়লে নাকি কয় সাগরের পানি লোনা কেন

মধ্যবিত্তের গালিবিষয়ক রোমাঞ্চ
মধ্যবিত্তের গালি বিষয়ক রোমাঞ্চ অসস্তিকর ভাবনার করুণ প্রকাশ, তাদের অসস্তিকর যৌন অবদমন এবং অবৈধ যৌনকোল্পনার সবটুকু হাস্যকর ভাবে প্রকাশিত হয় তাদের গালি বিষয়ক প্রক্রিয়াটিতে।
কাউকে গালি দেওয়া তেমন বাজে কোনো বিষয় না, গালি দেওয়া স্বাভাবিক অনুভুতির প্রকাশ, ক্ষোভ প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে গালি নিজের উচ্চকিত আবেগ প্রশমনে সহায়ক ভুমিকা পালন করে, কিন্তু গালি দিয়ে নিজের ঝাল ঝারবার প্রক্রিয়াটিতে অবধারিত ভাবেই নিজের কাছে অসস্তিকর সঙ্গম ভাবনাগুলোর উপস্থিতি দৃষ্টিকটু, সে ভীতি তাড়া করতে থাকে তাদের, নিজের উচ্চারণে নিজের দুর্বলতাই প্রকাশ পায়।
পুড়বো বলে.....
পুড়ে যাবো তাই
ঊননের খোজ নিচ্ছিলাম
লাকড়ি, হিটার নাকি সিলিন্ডার গ্যাস
কে স্বযত্নে পোড়াবে?
নেমিছিলাম বাজার জরীপে
লাকড়িটা নাকি পোড়াই বেশি
লোডশেডিং এ হিটারে ঝুকি থেকে যায়
সিলিন্ডারে ক্ষত- বিক্ষত হবার সম্ভাবনাটাই বেশি।
যখন ছাই হবার শতভাগ নিশ্চয়তা চাইলাম
জরীপে উঠে এলো তোমার নাম
পোড়াতে তোমার চেয়ে কার্যকর জ্বালানী
এই মূহুর্তে পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই।
জমানো কথা-কাব্য
১.
ছল করে যে চলে গেলো,
সে কি হারালো? নাকি হেরে গেলো?
আমি হলাম ব্যাথিত তবু হয়তো জিতে গেলাম.....
"ছলনায় বাচার চেয়ে নিশব হয়ে বাচাই শ্রেয়"
২
সময়ের অর্জনে আমাদের ভুল ছিলো।
বর্তমানে তার দাম চুকাই, চোখের জলে....
সময় করেছে প্রতারিত!!!
হায়,মানুষ চীরকাল অসহায় সময়ের কাছে
৩
গ্রহন যোগ্যতা নেই যেনেও, আকড়ে থাকি
তোমার জীবনের আশে পাশে....
সভ্যতার দোহই দিয়ে আপন করেছো পর...
তবু্ আপনের খোজে বেচে রই অননত বছর।
অন্ধকারের উৎস থেকে
১.
জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন জীবনে কবে প্রথম পড়েছিলাম মনে নেই। ক্যাডেট কলেজে একবার আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় বনলতা সেনকে ঠিক করা হয়েছিল। ক্যাডেট কলেজের নিয়ম হচ্ছে একটা কবিতাই নির্ধারণ করে দেয়া হতো। প্রতি হাউজ থেকে দুজন করে মোট ৬ জন একই কবিতা আবৃত্তি করতো। মনে আছে সেবার আমরা প্রায় সবাই বনলতা সেন মুখস্ত করেছিলাম। একটা অসাধারণ প্রেমের কবিতা হয়েই রয়েছে বনলতা সেন। স্বীকার করছি কবিতার প্রতিটি লাইন বোঝার চেষ্টা আমি কখনো করিনি।
ড. আকবর আলী খান মূলত আমলা। ইতিহাসের ছাত্র। পরবর্তীতে অর্থনীতিতেও উচ্চতর লেখাপড়া করেছেন। তাঁর একটা সাক্ষাৎকার পড়েছিলাম। অনেক বিষয়ের মধ্যে বনলতা সেনও ছিল। তিনি বনলতা সেনের একটি ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়েছেন। সেটাই জানালেন। বলেছিলাম বিস্তারিত নিয়ে একটা বই লিখবেন।
বনলতা সেন
হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে,
কৈফিয়ত
আমার ব্লগটা ওপেন করতেই চোখে পড়লো ‘লেখালেখি ছাড়াই বের হয়ে গেলেন’। বিষয়টি আমার কাছেও ভালো মনে হয়নি। প্রথম দিনেই শূন্যব্লগে বিদায় নিলাম। কৈফিয়ত হিসেবে বলবো- একজন কর্মজীবী একটা কাজেই সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে বিষয়টি মোটেও প্রযোজ্য নয়। কারণ, সংসারের জুট ঝামেলার পরও আমাকে কর্ম করতে হয় ৩টি- সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা এবং বিকাল ৫টা থেকে রাত ১০টা। মাঝখানে এক ঘণ্টা আরেকটি কাজে ঢুঁ মারতে হয়। কাজেই ইচ্ছা থাকলেও ‘ধর মুরগি, কর জবাই’ প্রবাদটি আমার ক্ষেত্রে হয়ে ওঠে না। তবে অঙ্গীকার করছি- নিয়মিত এবং ভালো কিছু লিখার।
"যাত্রা "
অদ্ভূত সব বর্ণিল বিস্মৃতি..
স্মৃতির বিষন্ন কারাগারে,
আধখানা সুখের আধময়লা অনুভুতি..
আর নির্মম বাস্তব ;
চেনা পথজুড়ে অচেনা ঝাপসা চোখ
কলের গাড়ির তীক্ষ্ণ হুইসেল ..
পুরনো আকাশ , পুরনো মেঘ ..
একলা রাত্তিরে বর্ণিল আকাশে
একলা তারা গোনা প্রহর..
হাতে পুরনো কাব্য ,উপন্যাস ...
কিংবা খবরের কাগজের
প্রথম পাতা ,
আধো ঘুম আর জেগে থাকার মাঝে
পুরনো শৈশবে হেঁটে যাওয়া ,
কোনো পুরনো স্মৃতি ...
রোমন্থন করে
আনমনে হেসে ওঠা ,
বিস্তীর্ণ জনসমুদ্র পিছে পড়ে...
পড়ে থাকুক নদী - পাহাড় আর
কষ্টময় বর্তমান ..
কতদিন পর
শিকল ভেঙে,
আজ মুক্ত হলাম পাখির মত ..
ভাসলাম সাদা মেঘের ভেলায়..
ধুলোমাখা রাজপথ..
অস্থির কোলাহল.. আর ..
কলের আওয়াজ আস্তাকুঁড়ে ছুঁড়ে ফেলে..
রং ভরা কিছু অতীতকে মুঠোয় পুরে...
একরাশ স্বপ্নকে সঙ্গী বানিয়ে ...
আজ আবার পথিক হলাম..
আমি চললাম..
এই আমার একলা পথ ,
টুকরো সংবাদ টুকরো ভাবনা
যদে দেওয়ার মতো কোনো সংবাদ থাকে তাহলে সে সংবাদ হলো অনেক দিন পর কিবোর্ড কেনা হলো, কিংবা অন্যভাবে বলা যায় কিবোর্ড কিনতে বাধ্য হলাম। নিতান্ত বাধ্য না হলে কোনো পরিবর্তনে যেতে আগ্রহী না আমি, এতদিন অনেক কৌশলে কাজ চললেও সকালে বন্ধুর সাথে কথা বলার সময় বুঝলাম কিবোর্ডের ম্যাল ফাংশন গুরুতর, এখন 'এম' কাজ করছে না। আমার শব্দভান্ডার সীমিত, সুতরাং 'এম' কিংবা 'ম' নেই এমন শব্দ বাছাই করে দীর্ঘ সময় আলোচনা করা রীতিমতো অসম্ভব, নতুন কিবোর্ডে নতুন লেখা বলা যায় এটা।
[১ ]
আমাদের জাতীয় চরিত্র উপলব্ধিতে হাইকোর্ট যে বিভ্রান্তিতে ছিলো গতকাল সেটা সংশোধন করেছে সুপ্রীম কোর্ট, তারা ফতোয়া বিষয়ে ফতোয়া জারী করেছে, বলেছে ফতোয়া জায়েজ কিন্তু কাউকেই মানসিক কিংবা শাররিক শাস্তি প্রদান করা যাবে না।
উদার আবদার
আবদার ছিল দেখা দেয়ার।প্রথমে খুনসুটি লগ্ন নিয়ে। কোন সময়টিতে দেখা হতে পারে।
ভাত দুপুরে, যখন সবাই একটু বেসামাল?
না অসম্ভব। অপর্ণাদের বাড়ির বুড়িটা এসময় শাক তুলতে বেরোয়। বুড়ি কখন কোথায় ঢুঁ দিয়ে বসে।
তাহলে ভোরে, লোকে আড়মোড়া ভাঙ্গার আগে।
বাহ খুব উত্তম প্রস্তাব, তবে জনাব আমার আড়মোড়া ভাঙ্গাবে কে ?
অতএব মধ্যরাতে। আলগোছে দরজার খিল থুলে..।
বোকা কোথাকার। বাইরে তখন জোনাকি আছে না।
আচ্ছা লগ্নের কথা আপাতত শিকেয় তোলা থাক। আগে ঠিক হোক কোথায় হচ্ছে দেখা।
ওমা, এনিয়ে আর বাছ-বিচারের কি আছে। চলে এসো স্কুল ঘরের পেছনের কল তলায়। বড়ই গাছের আড়ালে।
হা হা তাহলে তুমি গাছ তলে আর আমি মগডালে।
তামাশা ছাড় আসবে কিনা বলো।?
বড়ই গাছে কাটা। পায়ে কাটা বিধঁতে পারে। অন্য কোথাও।
তাহলে নৌকা ঘাটে আসো।
সেইতো একই হলো...পায়ে ভাঙ্গা শামুক বিধঁবে যে!
কথিত "বাম দূর্গের পতন" বিষয়ে একটি রাজনৈতিক পর্যালোচনা প্রচেষ্টা...
পশ্চিমবঙ্গে বাম দূর্গে ধস। এই হইলো একটা সংবাদ সংস্থা পরিবেশিত সংবাদের শিরোনাম। দুই বছর আগে একই এলাকার লোকসভা নির্বাচনে একইরকম ফলাফলের পর সামহোয়্যারে আমি এই বিষয়ে একটা স্বল্পায়তন পোস্ট দিলে সেই পোস্টে বেশ কিছু তর্ক-বিতর্কমূলক আলোচনা হইছিলো। সেই পোস্টে আমার সাথে আলোচনায় অংশ নেয়া দুইজন ব্লগার আমরা বন্ধুতেও সক্রিয় আছেন। তাই বাম জাতির এই ক্রান্তিকালীন সময়ে (?) আরেকটা পোস্ট দেয়ার লোভ সামলাইতে পারলাম না।
আমার যাদুমনি (১৪)

ঋহানের নতুন গাড়ি 

দুই ধাক্কাতেই গাড়ি ভেঙ্গে চৌচির 

ঋহানঃ আমাল গালি'টা ভেঙ্গে গেল? আমাল মন খালাপ 

পাঙ্কু ঋহান
বউ ঋহান 
কি খুশি, মাশাল্লাহ!
আবারো চোখ টিপ 
শিরোনামহীন
সারাদিন বিছানায় , মাথায় অসহ্য যন্ত্রনা , ভদ্র ভাষায় মাইগ্রেন পেইন। দামী ডাক্তারের দেয়া ফ্রি প্রেশক্রিপসনের আনন্দ মুহূর্তে উরে গেছে দামী ঔষুধের কারনে
। আগে ঔষুধ কাজ করতো এখন তাও করে না মনে হয় হার মেনে গেছে। ক্লাশ , এসাইনমেন্ট , কাজ আরো অনেক ঝামেলার ভীড়ে মাথা ব্যাথা অনেকদিন আসার সুযোগ পায় নাই তবে আজকে তার শক্তির কাছে হেরে গেছি।
সারাদিন বিছানায় শুয়ে রেস্ট নিতে ভালোই লাগে তবে যখন ২০ ঘন্টা কাজের পারমিট থেকে ৭ ঘন্টা চলে যায় আজকের সিক কলে সাথে ডেলিভারী শপের বিরিয়ানী বিল যায় ১০ পাউন্ড তখন মাথার সাথে সাথে ওয়ালেটেও কিন্চিৎ প্রেশার পড়ে।
আধো ঘুম আধো জাগ্রত , ল্যাপটপে চলা গান সাথে ছোট ব্যালকনিতে বসে সিগারেট কেমন জানি নষ্টালজিক ব্যাপার স্যাপার , ভালোই একদিনের জন্য ভাবের জগতে হারায় যাওয়া খারাপ না।
রেসিপিঃ বিফ তেহারী [ইন রাইস কুকার!]
আনাড়ি হোন আর সুপার-কুক, ঝটপট নিমেষেই রান্নায় সহজে তেহারীইইইইই! তাও আবার যে সে তেহারী না! সরিষা তেলে বিফ তেহারী! 
উপকরনঃ
এর মাঝে পেতে একটু ঝামেলা হতে পারে মাত্র দুইটা জিনিষ কিন্তু সেইগুলা দেয়া মাস্ট! [* চিহ্নিত]
চাল – ৫ কাপ, তাহলে একই কাপে ৭ কাপ পানি, চাল পানিতে ধুয়ে ভিজিয়ে রাখতে হবে আগে।
মাংস – ৬০০ গ্রাম+ [যত বেশী তত মজা]
এলাচ + দারচিনি – আন্দাজ মতো!
টক দই – ৩০০ মিলিলিটার, মাংস সুন্দর ভাবে মাখাতে যতোটুকু দরকার মনে হয়।
আদা + রসুন বাটা – ১ চা চামচ করে
পিয়াজ কুঁচি – এক কাপ
সরষের তেল – আধা কাপ
গরম মশলা গুড়া – আন্দাজ মতো
শুকনা মরিচ গুড়া – ইচ্ছামতো
লবণ – যেটুকু খেতে চান
কেওড়ার পানি – তিন চার ফোঁটা *
শাহী জিরা – দুই চা চামচ *
এইবার চলেন ঝাঁপায় পড়ি রান্নাবান্নায়!
গ্রহণে বাষ্ফ নেই!
মেঘের কাছে হাত বাড়াই
মেঘ বলে-তোমার কাছে প্রত্যাখ্যান আছে?
বললাম না, আছে গ্রহণ।
মেঘ জানায়- গ্রহণে বাস্প নেই।
তাই ঝরতে বারণ!
মেঘ শিরিষকে বলি-
তোমার ঝরা পাতা দাও করি পবিত্র স্নান।
উত্তরে শুনতে হয়- দীর্ঘ শ্বাস ফুরিয়ে গেছে
বল তোমায় ভেজাবে কে?
অবশেষে মেঘবতী তোমার কাছে-
এক ফোটা নোনা জল দেবে?
তুমি শোনালে-কাজল দীঘিতে চর পড়েছে
চরাচরে কোথায় জল পাবে?
দায়হীন বন্ধুতা
রোদ্দূর জল কাদা মাখা
তোমার হাত আমাদের আনন্দ মেহেদী রাঙা,
অবাক বালিকার বাউল-দেউল হওয়া -
রুদ্ধ করলে যখন,
অভিমানের প্রতি স্তর গলতে লাগলো
স্নেহে পূর্ণ করলে জখম।
ব্রীড়ায়-আড্ডায়-ক্ষোভে, লাজে কার্তুজ আগুনে
প্রশ্ন করেছি যতবার, বলেছো এ প্রেম নয়-
তোমার একান্ত প্রকাশ হয়তো বা ভালোবাসার;
অমীমাংসিত বাস্তবে,
আকাশ পেরোনো স্বপ্নের সীমায়
জেনেছি প্রথমত-শেষ পযর্ন্ত আমরা "বন্ধু"
যেখানে নেই আর কোন দায়।
কবিতা লিখার পর বলে আমার লিখার দৈর্ঘ্য খুবই কম, নূনতম ৫০ শব্দ লাগবে । কি করি এখন??
এটা কেমন বিচার?? তাহলে হেলাল হাফিজের "পারমাণবিক বোমা বোঝ, মানুষ বোঝ না" এই লিখা তো আমরাবন্ধু তে জীবনেও পোস্ট হতো না 