অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

১০ বছর আগে ও আজ

১০ বছর আগের কথা

ঠিক ১০ বছর আগের কথা। হিসেব করে দেখলাম ১০ বছর আগের কথাই। তখন ইত্তেফাকে কাজ করি। আমার এক সোর্সের বাসা ছিল উয়ারিতে। ইত্তেফাক থেকে কাছে, হেঁটেই যাওয়া যায়। আমার সেই সোর্স কিছু কাগজ পত্র বাসায় নিয়ে যেতেন, আমি বাসা থেকে সংগ্রহ করতাম। অনেকদিন এজন্য বাসায় গিয়েছি।
সেইদিনও অফিস থেকে বের হয়েছিলাম। আমার মনে আছে উয়ারিতে ঢুকেই ডান দিকের রাস্তায় যেতে হয়। কিন্তু সেদিন যে কী হল! আমি ডান দিকে ঢুকতেই পথ হারিয়ে ফেললাম। আমার মাথা পুরোপুরি শূন্য হয়ে গেল। কিছুতেই রাস্তা চিনতে পারলাম না। আমি কেবল উদভ্রান্তের মতো হাঁটছি তো হাঁটছিই। কিন্তু রাস্তা খুঁজে পাচ্ছি না। এভাবে মনে হয় আমি একঘন্টার মতো হেঁটেছি। ঘামছিলাম, কোনো রাস্তাই চিনতে পারছিলাম না। আমার মাথা পুরো ফাঁকা, খালি হাঁটছিই।
তারপর হঠাৎ দেখি সেই ডানের রাস্তা, একটু এগোলেই সেই বাসা। সহজ রাস্তা।

নতুন বন্ধু...নতুন যাত্রা !

আমি রিফাত।ঢাকা ভার্সিটি থেকে বিবিএ করার পর এখন সুইডেন এর গোটেবর্গ ইউনিভার্সিটি তে মাস্টার্স করতেছি।
ব্লগে লেখালেখির অভিজ্ঞতা আমার একেবারেই নাই। শুধু পড়ার অভিজ্ঞতা আছে।কয়েকটা ব্লগ এ ঘুরছি, পরিবেশ ভাল লাগে নাই। AmraBondhu তে চোখ রাখতেছি বেশ কিছু দিন ধরেই।আমার চিন্তা ভাবনার সাথে এই ব্লগের সদস্যদের চিন্তা ভাবনার মিল পাই, বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধাপরাধ এবং সমসাময়িক অন্য বিষয়গুলোতে ও। আলোকনিকেতন পড়তে প্রথমবার আসছিলাম AmraBondhu তে, এখন অনেক সিরিজ ই ভাল লাগে।
ভাল বন্ধু হওয়ার জন্য আশাকরি সবার সহযোগিতা পাব।
<সারাজীবনের প্রথম পোস্ট এইটা। আতলামি, ভুলত্রুটি ধরায়ে দিয়েন...>
Smile

মা

মা...প্রতিটি সকালের সূর্যের হাসি
ভোরের সবুজ ঘাসে শিশিরের রাশি
মা...এক জলক মমতা আর একটু কঠোরতা
মনের মধ্যে নব পুষ্পের আবহগতা

মা...এক মধুর বানি,প্রশান্তির আবেশ
তুমি যাই বল,লাগে বড় বেশ
মা...রুক্ষ চোখে তাকিয়ে বল ,করবি না এটা বাছা
তোমার কঠোরতার মাঝেই মমতার ছায়ায় আমাদের বাঁচা

মা... জীবন তুমি চিন্তে শিখাও জীবনের মত করে
বাঁচতে তুমি শিখাও মোদের মমতার ডরে
মা... ভালবাসতে শিখাও তুমি নিষ্ঠুর জীবনটাকে
মমতা দিয়ে ঢেকে ফেলো সকল বর্বরতাকে

মা...তুমি আমার জীবনে সবচেয়ে বড় পাওয়া
তুমি না থাকলে হতনা এই জীবনটা পাওয়া
মা..তোমার কথা বলতে গিয়ে শেষ হয় না বলা
শব্দ গুলো একত্র হয়ে গাথে সুরের মালা

মা... তোমার কথা বলে আমি পারবনা করতে শেষ
তুমি মোদের জীবনে সুখের আবেশ
মা...তুমি জীবনের শুরু, জীবন তোমাতে শেষ

কোলকাতায় প্রথম ভ্রমণ এবং দাদাবাবুদের কীর্তিকাহিনী ।

আমার অনেক দিনের শখ ছিল কোলকাতায় যাবার।শখটা একটু বেশি পরিমাণেই পূর্ণ হয়েছিল।তবে প্রথম বারের কথা এখন ভুলিনি ।কারন প্রতিটি পদে পদে তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছিল ।তারই কিছু আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম । যারা প্রথম বারের মত যাবেন তাদের কিছুটা সহায়ক হতে পারে।

আমার যাদুমনি (১২)

ঋহান বেশ কিছুদিন যাবৎ নাকে কামড় দেয়া শিখেছে। ইদানিং আবার নাক থেকে আস্তে আস্তে নিচের দিকে নেমে আমার ঠোটেও কামড় লাগিয়ে দেয়। এবং মজার ব্যাপার হলো, ঠোটে কামড় শুধু আমাকেই দেয়, তার বাপ'রে দেয় না। Puzzled
এই দেখে তার বাপ সেদিন বললো, "পোলায় দেখি এখনই প্রেক্টিস শুরু কইরা দিছে। সে কি ভাবছে আমরা কিছুই বুঝি না? আরে এখন মা'রে দিয়া সেইফ সাইডে থাকতেছে আর কি, কয়দিন পর তো না জানি আর কারে কারে দেয়"।
আমি বললাম, "হু! অসুবিধা কি? সবাই যে বলে 'পুরা বাপ কা বেটা', এটা মনে হয় সেইটার আসল নমুনা" Stare

DSC06386_0.JPG
বিছানা পেলেই ঋহানের চিৎপটাং হয়ে যেতে ইচ্ছে করে Big smile

DSC06393.JPG
এই পুতুলের চেয়ে পুতুলের পা টা ঋহানের অনেক পছন্দ Tongue

আশা

আশা আচ্ছাদিত এক গুচ্ছ কল্পনার রাশি
বারে বারে সেই বিন্দুতেই ফিরে আসি
কতগুলো মুহূর্তের অবণ্টিত শাখা
উরন্ত পাখির আচ্ছাদিত পাখা

ভালো আর মন্দের নাই কোন মত বিরোধ
এ যেন একাকীত্ব মনের কিছু ক্ষোভ
গুঞ্জরিত মনের অপ্রকাশিত বানী
কল্পনার অংকিত ইচ্ছের রানী

আশা সেতো কণ্ঠনালীর অপ্রকাশিত শব্দ
জীবনকে করে এক গণ্ডীর মধ্যে জব্দ
আশা যেন কুলকুল রবে বয়ে যাওয়া এক নদী
মনকে তৃপ্ত করে,বাস্তব হয় যদি

আশা যেন নিঃশেষিত ভালবাসার এক প্রবাহমান ধারা
মন ও কল্পনার মিলনের অলংকিত বারা
আশা সেতো জীবনেরই এক অংশ
আশা সেতো ভালোবাসার বংশ......।

একালের পিকুদের ডাইরি ১

ছেলেকে স্কুলে পৌঁছে দিতে যাচ্ছি, সামনেই বংগবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মদিন, খুব ঘটাপটা করে নানা রকম ছবি, ব্যানার এ সাজান হয়েছে পথ-ঘাট। সারাদিন মাইকে ৭ই মার্চ এর ভাষণ বাজান হচ্ছে । আমার পাঁচ বছর বয়সী ছেলে, তার পৃথিবীকে জানার আকুল আগ্রহ ও সেই পরিমাণের বিপুল প্রশ্নবাণ নিয়ে জানতে চাইল এটা কার ছবি আম্মু, কেন সব জায়গায় এই ছবি টানান হল। বললাম আমাদের দেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট, আমাদের দেশের যুদ্ধেরর গল্প। এবার আমার ছেলের জিজ্ঞাসা তাহলে উনি এখন কোথায় আছেন, তাকে কি দেখা যাবে? আমি আমার ছেলেকে বুঝিয়ে বললাম, তিনি মারা গেছেন; পরবর্তী‍‌ এটম বোমা গুলো হল...
-মারা গেলে এভাবে ছবি সাজান হয়? আমারটাও সাজানো হবে, সবার?
-না বাবা, সবার ছবি সাজান হয়না। উনি একজন অনেক বড় মানুষ।
-অনেক লম্বা? ও অনেক দুধ আর হরলিকস খায়, আর সগজি (সবজি) ও খায়? কী ভাবে মারা গেল?
-বললাম ওনাকে দুষ্টু লোকেরা মেরে ফেলেছে।

২০৭১ - এ ব্লগ স্টোরি (২১)

সাতসকালে আগন্তুক মানে অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনার হাতছানি। আমরা খুব সাধারণ জীবন যাপন করি। বাড়তি প্রযুক্তি এড়িয়ে। ঘরে কেউ আসতে চাচ্ছে শুনলে ভিডিও কানেক্টরগুলো অন করতে হবে, কমপক্ষে তিনটা ইয়োলো এলার্ট সেন্ড করতে হবে। কিছু স্যোশ্যাল উদ্যোগের সাথে ইদানিং আমরা জড়িত, ফলে তাদেরকে জানাতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা একটা গবেষণা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন যাবত পর্যবেক্ষণ করছে আমাদের বাসায় আগত অতিথিদের শ্রেণীবিন্যাস। আমরা যে কোন অভিশাপে তাদের গবেষণার গিনিপিগে পরিণত হয়েছিলাম জানি না, তবে এখন আর বের হবার উপায় নেই। কত ফ্রিকোয়েন্সিতে অতিথি আসে, তাদের বয়স, আগমনের উদ্দেশ্য, হিডেন, কমার্শিয়াল নাকি মেকানিক্যাল এমনতরো হাজারো বিষয় অনুসন্ধানে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আজ সকালে আগন্তুক এলার্ট পাবার পরে টাপুরের মা যথারীতি ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েছে। যেসব বিষয়ে আমি বিরক্ত হবো, সেটাতেই তার ততোধিক উৎসাহ। যূথবদ্ধতার এই অমোঘ সূত্র অনুযায়ী বিশ্ব চলছে, আমিও

জোৎস্না ধরার গল্প

মানুষ দিন বদলের সাথে বদলে যায়। কথাটা সত্যি জেনেও কেন যেন বিশ্বাস হতো না। কিন্তু সময়ের প্রয়োজনে আজ আমিও বদলে গেছি। সেই বদলে যাওয়া আমার কথাই বলব এখন...

আবার ৩০ এপ্রিল..

১.
বিষয়টি একদিন বিজয় দিবস বা স্বাধীনতা দিবস পালনের মতো নয়..এ অভ্যাস প্রতিদিনের। যেকোন ভালো সময়ে বা খারাপ সময়ে.. না থাকার অভিযোগ..না পাওয়ার কষ্ট ..অথবা কেনো করতে পারা-এই সুক্ষ্ম বোঝা মাথার উপর..অনেক গুলো বছর ধরে..
২.
যখনই মজার কোন খাবার সামনে আসে, তখন কষ্ট হয়..ভদ্রলোক খেতে ভালোবাসতেন। প্রায় বছর তিনেক তিনি খেতে পারেননি। স্বপ্নের মাঝে একবার বলেছিলেন, পিঁয়াজ দিয়া মরিচ দিয়া ডইল্যা আহ!..সেটা নিয়ে আমরা অনেক মজাই করেছি..তখন.. ঝাল বাপের বেশ পছন্দ ছিল। আজো এই খাবারটা আমার বড্ড ঝাল লাগে..খেতে গেলে চোখে পানি চলে আসে।
৩.

বৃষ্টিকথা

মনস্তত্ত্ব নিয়ে আমার পড়াশোনা খুবই সীমিত। কিন্তু তা বলে আগ্রহ সীমিত এমন ভাবা যাবে না। বরং মনস্তত্ত্ব বুঝতে চেষ্টা করাটা আমার একটা শখ বলা যেতে পারে। মানুষের মধ্যে বিভিন্ন রকম মজার বিষয় আছে। লেখক হুমায়ুন আহমেদ নেত্রকোণার কুতুবপুর গ্রামে তার বাবার বাড়িতে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন। শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ। কি মনে হলো, একদিন তিনি ঘুরে দেখতে গেলেন সেই স্কুল। সঙ্গে নিয়ে গেলেন কিছু চাবি।
সেসব চাবি দিয়ে তাঁর দরজা খুলে দেয়ার ইচ্ছে ছিলো। শিশুদের জন্য সৌভাগ্যের দরজা। তিনি শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাকে সেখানে দেখলাম সবসময় বেশ ব্যস্ত। মাইকে একটা কথাও বলার শুরুতে ‘অ্যাই শোনো আমি কিন্তু আজ কথা বলতে আসি নি’ বলে শুরু করছেন। অ্যাই শব্দ দিয়ে একটি জনগোষ্ঠীকে তিনি সম্বোধন করছেন। তারা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ।

ট্যুর দ্যা বার্সেলোনা

গত বছর দেশ থেকে ফিরে এসে অবধি কোথাও যাই নাই। চাকরী বাকরী নাই কই যাবো। পয়সা নাই মানে স্বপ্ন পরিকল্পনা কিছুই নাই। রোজ রাঁধি, খাই, ব্লগাই, ফেসবুকাই। আমার মতো পাড়াবেড়ানি মানুষের জন্যে চরম কষ্টের দিনরাত পার করা। কিছুদিন আগে একটা অনুষ্ঠানে পুরনো বন্ধু শ্যামার সাথে দেখা হলো। প্রবাসী থাকতে সপ্তাহে সপ্তাহে দেখা হতো, প্রবাসী ভেঙ্গে এখন হয়েছে সীমানা পেরিয়ে সাথে বন্ধু বান্ধবের মুখও বদলে গেছে। সপ্তাহে সপ্তাহে এখন অন্য মুখ। গান –বাজনা, খাওয়া – দাওয়া, আড্ডা সব প্রায় একই আছে শুধু মুখগুলো বদলে গেছে। শ্যামা এখন বার্সেলোনা আছে, রয়টার্সে চাকরী নিয়ে, খুব ধরলো একবার যেতে।

অস্ত্র

মগের বেটি কিক বক্সিং শিখছে। এই অসিলায় তার সাথে হেবি ফাইট হল। ফাইটটা কথার( যে ফাইটে প্রেমিকরা সবসময় হারে)। তো, অস্ত্র, আত্নরক্ষা, ইত্যাদি বিষয়ে আমার হেরে যাওয়া আর্গুমেন্টগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্যই এ লেখা।

My father never raised his hand to any one of his children, except in self-defense.
Fred Allen

কুকুরায়ন:

জীবন

জীবন একটি আলংকরিক পাতা
জীবন সেতো হিসেবের খাতা
জীবন একটি সদ্য ফোটা ফুল
জীবন যেন ঘটে যাওয়া ভুল

জীবন সেতো রহসসের জাল
জীবন কতো সৃতির পাল
জীবন যেন আঁকা কোন ছবি
জীবন সেতো জীবনেরই কবি

জীবন তুমি তোমার মত চল
জীবন তুমি কার কথা বল?
জীবন তুমি একি আনুন্দ মহীয়সী
জীবন তুমি রং ধনু্র ঋষি

জীবন ...সেতো আমাদেরই গল্প
জীবন... সেতো সুখের সাথে দুঃখ অল্প
জীবন... কিছু আশার বনবাস
জীবন... সবার সাথে সবার বন্ধুত্তের আভাস......। Smile

ছাগল জাতির কেচ্ছা

অনেক আগে "ইত্যাদি"র একটা সেগমেন্টে দেখাইছিলো যে পল্টনের ফুটপাথে বইয়ের পসরা সাজায়া বসে আছে দোকানীরা। পথ চলতে চলতে মানুষজন সেই বইয়ের পসরার সামনে দাঁড়ায় পড়তাছে। প্রতিটা বইয়ের ঝাঁপির সামনে ভিড়। ইত্যাদির সেগমেন্টটার সারমর্ম ছিল এই যে, ঢাকার মানুষের খেয়ে দেয়ে কাজ নাই, কোন কারণ ছাড়াই তামশা দেখতে ভিড় জমায়। এই আলসেমির কনটেক্সটে বই ঘেঁটে দেখা কিভাবে আসে তা হানিফ সংকেত ভাল বলতে পারবেন, তবে সারমর্মের কথাটুকু পুরাপুরি মিথ্যাও না। শাহজাহানপুরে যখন দেশের প্রথম ফ্লাইওভার বানানো হচ্ছিল, মানুষ গর্ত দেখতে গোল হয়ে জমা হতো। ফ্লাইওভারের কাজ চালায় যাবার জন্য পরে নির্মাতাদের মানুষ খেদানোর জন্য গার্ড ভাড়া করতে হইছে। একই ঘটনা ঘটতাছে এখন যাত্রবাড়ি-গুলিস্তান ফ্লাইওভারের বেলায়ও। ওইখানকার স্থানীয় এক বন্ধুর ফেসবুক স্ট্যাটাসঃ

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ