অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১০ জন অতিথি অনলাইন

ফেরানো গেল না কিছুতেই

বহুকালের পরিচিত সেই জটিল মুখটি দেখার জন্যে পাশে মুখ ফেরালাম। সেই একই ভঙ্গী! কোনকিছু মনমতো না হলে দু’ঠোঁট চেপে রাখা ওর সবসময়ের অভ্যাস।ভেবে ভেবে দিশেহারা হওয়া মনে হয় একেই বলে! কিভাবে আমি ওকে আজ বিয়ের কথা বলব! বললে প্রতিক্রিয়াই বা কী হবে!ভ্রু থেকে ঘাম গড়িয়ে পড়লো;আমার পাগলপারা দশাকে ওর কাছে একেবারে উন্মুক্ত করে দেবার জন্য যে এটা যথেষ্ট হবে আমি জানতাম।
ও আমার দিকে মুখ ফেরালো, স্বাভাবিক প্রশ্নটাই ছুড়েঁ দিলো – তুমি এভাবে ঘামছো কেন?
বোকার মতো হেসে বললাম, “এখানে আজকে খুব গরম, না কি বলো? দাঁড়াও গাড়ির জানালার কাঁচ নামিয়ে দেই।”
কাঁচ নামানোর সুইচে হাত দিতে গিয়েই দেখলাম ও সিট বেল্ট বাধেঁনি, নিশ্চয়ই প্র্যাগন্যান্সির এমন অ্যাডভান্স স্টেজে বেচারার সামনের সিটে সিটবেল্ট বেঁধে অনেক সময় ধরে বসতে খুবই কষ্ট হবে!পরক্ষণেই মনে হলো ও সামনের সিটে, সিট বেল্ট ছাড়া বসাটা বিপদজনক তো বটেই, বিশেষ করে হাইওয়েতে।

২০৭১ - এ ব্লগ স্টোরি (২০)

সেদিন পাশের বাড়ীতে একটা বড়সড় ডাকাতি হয়ে গেলো। তিনটা সিকিউরিটি এজেন্সি আগে থেকে বিষয়টা জানতো। টাপুরের মা যে মহিলার সাথে এন্টি-সুইসাইডাল থেরাপি নিতো তার বাসা। সিকিউরিটি এজেন্সি থেকে এলার্ট করা হয়েছিলো। এমনকি ডাকাত গ্যাং প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন লাইভ কভারেজ ট্রান্সমিট করেছিলো তাদের বাসার সবকটি লেজার স্ক্রিন, সেলফোন, এমনকি যেকোন অপটিকাল সারফেসে। অদ্ভুত বিষয় হলো বাসার লোকজন নাকি বলেছে ডাকাতি ঠেকাবার সময় নেই। ছেলেমেয়েদের গেট টুগেদার হচ্ছে বারো বছরে প্রথমবারের মত, রাষ্ট্র যদি চায় তবে যেন ডাকাতদের ধরে। সমস্যা হলো সংবাদটা কোনো বখাটে ওয়েবার একটা ফান টিভিতে জানিয়ে দিয়েছে। যারা মুহূর্তে বিষয়টাকে রাষ্ট্রীয় তাৎপর্যময় সংকট হিসাবে উপস্থাপন করলো। বিশাল ডিবেট শুরু হয়ে গেলো রাষ্ট্র কেনো জনগণের মাইক্রো নিরাপত্তার দায়ভার নেবে – এসব নিয়ে। আমার পাশের বাড়ির ঘটনা আর আমি ডাকাতির সংবাদ পেয়ে হাত-পা গুটিয়ে ডিবেটে অংশ নেবো

মোটা বন্ধুগো ফটুক

আমগো দুই মোটা বন্ধু ,
সুমন পাটোয়ারী ও মাসুদ পারভেজ;।
তাগোরে নিয়া একটা পোস্ট দিছিলাম। শিরোনাম আছিল
মোটা কাহিনী ।

মাগার জনগনের দাবীর কারণে দুই জনের দুইটা ছবি পোস্ট দিলাম।
আরো অনেক ছবি আছিল। খুঁইজা পাইতেছিনা।

Patwari.jpg
এই ছবিটা বন্ধু স্বপনের বিয়ার, এক পোলা আর এক মাইয়ারে সুমন পাটোয়ারী
পেটের মধ্যে ধইরা আদর করতাছে।
Masud.jpg
আরেকটা মাসুদ পারভেজের। হের দোস্ত হাতির লগে তুলছে...দেখেন মাসুদের সামনে হাতিও কত ছুডো দেখায়..

আশা করি সবতের আগ্রহ মিটবো...

ওড টু মাই ফ্যামিলি-৪

নিজের বাড়ির লোকগুলোই কি শুধু আপন? ভাবছি গত ২-৩ দিন ধরে।

চিত্রগ্রাফী...

বেশ কিছুদিন ধইরা একটা ছবিব্লগ দিবো ভাবতেছিলাম। আজকা দিয়াই ফেল্লাম। ছবি ব্লগে কিছু লিখতে ইচ্ছা করে না। তারপরও, ছবিগুলার টাইটেল তো দিতেই হইবো। সো...
সাথে কোথায় তোলা সেইটাও দিয়া দিলাম...

IMG_4575_.jpg

ফাগুনের আহ্বান
স্থান:- জংগলছড়া চা বাগান, শ্রীমঙ্গল

IMG_4791_.jpg

নীলিমা যাত্রার প্রতীক্ষায়
স্থান:- জাফলং

IMG_4049.jpg

Togetherness / যুদ্ধ ও ভালোবাসায়
স্থান:- বলধা গার্ডেন, ঢাকা

একাকীকথন ২

ইচ্ছে ছিলো দক্ষিনমুখী একটা বারান্দা হবে, আয়েশ করে সকালের চায়ের ওম নিতে নিতে পারিপার্শিক খবরাদি জানা যাবে, অলস কোন দুপুরে বারান্দা পেরিয়ে রোদেলা হুটহাট এসে পড়বে শোবার ঘরটায়। সাধসাধ্য দু’টাই থাকা স্বত্তেও বাড়ির গা ঘেষে দরদর করে দালানকোঠা উঠে পড়ায় সেই আশায় গুড়ে বালি। নিজে যেমন এতটুকু জায়গায়ও না ছেড়ে ফ্লাট তুলেছেন ঠিক তেমনি পাশের প্লটের জনও, তাও স্বস্তি এটুকুই যে পূর্বদিকটা রাস্তা বিধায় তাতে বারান্দা করে বসার যোগার হয়েছে।

নানান ভাবনার রৌদ্রজ্জ্বল সকালটা বিষাদে ছেয়ে দিলো দিনের পত্রিকাটা। দু’টা ভিন্ন ধাচেঁর খবর “মুক্তিযুদ্ধকালীন ঘটা নারী নির্যাতনের বিচারের দাবীতে সোচ্চার জনতা” আর “গণধর্ষনের শিকার জনৈকা”। কিছুপর বিষাদ ছাপিয়েও অবাক লাগল এই আশ্চর্য মিল এতো দিন পর উপলব্ধি হলো বলে, এটা সম্ভব হয়েছে ঐ খবর দু’টো পাশাপাশি কলামে ছিলো বলেই।

খুচরা পোস্ট ৩ :জেন্স পাঞ্জাবী

jens
প্রায়ই রিক্সায় অন্যের সাথে শেয়ারে যেতে হয়। এতে লাভ আছে যেমন আবার ঝামেলাও আছে। লাভ, রিক্সা ভাড়া অর্ধেক লাগে। কিন্তু সাথের লোকটা যদি ফাউল হয় ঝামেলা হয়। আর যদি দলীয় সমর্থক হয় তাইলেতো কথাই নাই। একবার এক লোকের সাথে দৈনিক বাংলা যাচ্ছি। আগের দিনের রাজনীতিকদের নিয়া কথা হচ্ছে। সোরাওয়ার্দির খুব গুণগান গাওয়া শুরু করলে আমি খালি জিজ্ঞাস করলাম সে দেশের কী উপকারটা করছে? সাথে সাথে টিপিক্যাল আওয়ামী সমর্থকদের মত হাউকাউ শুরু করল জোরে জোরে। মহান নেতাদের স্বীকার করিনা। বেটারে থামাইতেই পারিনা। আশেপাশে রিক্সার লোকজন কৌতুহল নিয়া তাকাচ্ছে। আপনার সাথে কথা বলতে ইচ্ছা করছেনা বলে মুখ অন্যদিকে ঘুরায় রাখলাম। তারপর থেকে শেয়ারের লোকজনদের সাথে কথা বার্তা খুব খিয়াল করে বলি।

রোদ-নাট্যম

আজ রোদের বুকে ঝাঁপ দেব
নিজেই নিজেকে শাপ দেব
পুড়ে যাক যাক
খাক হয়ে যাক
মাটির দেহে চৌচির চির
ইঞ্চি ইঞ্চি মাপ নেব
হাপর শ্বাসে দমে দমে
পোড়া মাটির ভাপ নেব
ধূসর চোখে ঠুলি মেরে
খুলির ভেতর ধূলি ঝড়ে
আলগা বাতাস হলকা হলে
মগ্ন ধ্যানে তাপ নেব
রোদের সাথে যুক্তি করে
কারাগারে মুক্তি পুড়ে
ভাগাভাগি পাপ নেব
খান্নাসের বিলোপ হলে
সন্তাপ আর বিলাপ ফেলে
নিংড়ে নিয়ে সূর্য ছটা
সূর্য স্নানের আলাপ হব
রোদের ভেতর ঝাঁপ দেব
রোদের বুকেই ঝাঁপ দেব

***
২৪শে এপ্রিল ২০১১/২৫শে এপ্রিল ২০১১

একটি কৌতুক ও আমাদের মিডিয়া।

একজন ফাদার চার্চের জন্য কিছু টাকা তুলতে চান। তিনি বিশপকে জিজ্ঞেস করলেন, কিভাবে কিছু টাকা আয় করা যায় বলুন ত! চার্চে কিছু সংস্কার কাজ করা হবে। কিন্তু ফান্ডে যথেষ্ট টাকা নাই।

বিশপ বুদ্ধি দিলেন, শহরে ঘোড়ার রেস হয় প্রতি সপ্তাহে। একটা ঘোড়া কিনে সেখানে অংশ নাও।

পরের সপ্তাহেই ফাদার গেলেন ঘোড়া কিনতে। কিন্তু ঘোড়ার দাম শুনে তার চক্ষু চড়ক গাছে। বেচারা আর কিছু কিনতে না পেরে একটা গাধা কিনে নিয়ে চলে এলেন।

শহরে এসে ভাবলেন, কিনছি যখন গাধা, সেটাকেই রেসে লাগাই। কি আর এমন হবে যদি হেরে যাই।

রেসের ময়দানের সবাইকে অবাক করে দিয়ে গাধাটা ঘোড়ার রেসেই তৃতীয় হয়ে বসল। শহর জুড়ে গাধার প্রশংসা আর তার কীর্তির আলাপ হচ্ছে। পত্রিকাগুলাও পরদিন ফলাও করে খবর ছাপাল, Father'S ASS SHOWS!!!

আজাইরা দিনপঞ্জী... ১৮

বেশ কদিন ধরে শরীরটা একটু বেগরবাঁই করছিলো, রোজ এখন তাই নিয়ম করে পারলে বারোটায় ঘুমুতে যাই, মাঝে মাঝে আগের অনিয়মনের অভ্যাসে ২/৩টা বেজে যায়। কাল রাতে দেড়টার দিকে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, ঘুম ভাংগলো ভোর সাতটায়, তাও ভীষণ এলোমেলো অদ্ভুত এক স্বপ্ন দেখে। স্বপ্নে আমি আর আমার ছোট বোন মাকে নিয়ে কোন একটা দেশে গিয়েছি, স্বপ্নের স্হাপত্য ইউরোপীয়ান ছিলো, কিন্তু যেভাবে দৌড়ে রাস্তা পার হলাম তার নিদর্শন ইউরোপীয়ান ছিলো না। ঝাঁকে ঝাঁকে সাদা চামড়ার মানুষ ছিলো আশেপাশে। স্বপ্নে মনে হলো আমরা কোন একটা দুর্গমতো এলাকায় যাচ্ছি একজন সাইকেল মেকানিকের সাথে দেখা করতে, ব্যাপারটা অদ্ভুত...

কাবজাব - ৭

প্রিয় আয়েশা,
কেমন আছিস তুই? কতো দিন হয় তোর সাথে আমার কথা হয় না? ভুলেই গেছিস না? এই ছয় বছর মানে জানিসরে তুই? অর্ধযুগ মানে জানিস তুই? ছয় বছর। আচ্ছা তুই আমার সাথে ঝগড়া করে কখনই তো ২ দিনের বেশি রাগ করে থাকতি না। আমার দোষ থাকলেও তুই এসে স্যরি বলতি। সেই তুই আমার সাথে এমন করে রাগ করলি?

আমার যাদুমনি (৯)

গত ৫ই এপ্রিল আমরা বন্ধু'র অনেক বন্ধু এসেছিলেন ঋহানের নতুন দাঁত ওঠা উপলক্ষ্যে ঋহানকে শুভেচ্ছা জানাতে। নানা কারনে এতদিন ঐদিনের ছবি গুলো হাতে পাইনি। কিছুদিন আগে পেলাম। কিন্তু টার্ম ফাইনাল নিয়ে এই কয়দিন ব্যস্ত ছিলাম। আজ একটু ফ্রি হলাম। চলুন দেখি ঐদিনের কিছু মুহুর্ত।

মুহুর্ত গুলো'কে এত সুন্দর ভাবে ক্যামেরাবন্দি করার জন্য মৌসুম আপুকে অসংখ্য ধন্যবাদ!

DSC_4507.JPG
জনগনের উদ্দেশ্যে ঋহানের ভাষন Wink

DSC_4505.JPG
জেবিন ফুপ্পির সাথে কি হাসি

DSC_4492.JPG

এই ভোরের প্রতীক্ষায় থাকি

মৃত্যুর পরেও কারো কারো চোখ খোলা থাকে এই সুন্দর পৃথিবীটাকে আরো অতিরিক্ত কিছুটা সময় দেখে নেবার জন্য।

ভোরের আকাশের আয়নায় চোখ রাখতেই মন ভাল হয়ে গেল।বিগত ঘুমহীন রাতের যন্ত্রণা,কালো কালো ছায়াগুলো অথবা পাঁজর বিদীর্ণ করা ছুরিকার দগদগে ক্ষতগুলোর কথা একবারও মনে পড়লনা।আমি বরং দেখি কি উন্মাতাল উল্লাসে ঘাসের উপর উড়ে বেড়ায় কমলা রঙ প্রজাপতি। কি গভীর অভিনিবেশে লাল কলাবতীর ঝাড়ে , সবুজ ঘাসের বুকে মেখে দেয় প্রেমের পরাগ।ডানায় সাদা-কালোর মিশেলে অপূর্ব ছবি এঁকে নিয়ে গাছের ডাল থেকে ডালে কখনো শ্যামল ঘাসের চাদরে নেমে আসে দু'টো দুরন্ত পাখী।চঞ্চল-বিহঙ্গ কি নাম তোমার? আমার বন্ধু হবে? প্রতিটি সকালের বারান্দায় আমি ছড়িয়ে দেবো ভালবাসার শস্যকণা।।অপার মুগ্ধতায় চেয়ে চেয়ে দেখবো দানা খুঁটে খুঁটে তোলার টুকটুকে আনন্দটুকু।

এটাও টেস্ট পোষ্ট !!

happy-rain-cloud.png
কিছুদিন ধরে ব্লগটার উপরে রাগ জমছিল । কি জানি কি পব্লেম হইছিল, লেখা পোস্ট হচ্ছিল না । তাই শুধু সবার ব্লগ পড়েই দিন কাটছিল । অবশ্য এতো সুন্দর সব লেখা পড়ে না লিখতে পারার দুঃখ ভুলে গেছিলাম । মাঝে মাঝে বিরতিহীন দক্ষিনা হাওয়ার মত অজস্র ব্লগ আসে প্রথম পাতায় । কোনটা রেখে কোনটা পড়ব । তাই শুরু করি প্রথম পাতার একদম নিচের ব্লগটা থেকে ।

যাই হোক, আজকের আমার এই ব্লগটাও একটা টেস্ট ব্লগ । এর আগেরটার? মত ।
walk-in-rain.jpg

ই-বুক বিষয়ক ঘোষণা(আপডেট)

বন্ধুদের বিশেষ অনুরোধে লেখা জমা দেয়ার সময় আগামী ০৯ ই মে পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো
==========================================================

জানালার শিক ধরে বৃষ্টি দেখার দিন এলো আবার।
শহরে টিনের বাড়ি নেই, ঝমঝম শব্দ নেই, তবু বৃষ্টি ভালো লাগে।
অফিস ফেরতা ক্লান্ত শরীর, জল কাদায় নাস্তানাবুদ, তবু বৃষ্টির শান্তি।
প্রেমের দিনে ছাতাটা উড়ে যাবে হাওয়ায়, ভিজবো তুমি আমি- সেই বৃষ্টি।
জলডোবা হয়ে বাড়ি ফেরা, সরিষা তেলে মুড়ি মাখিয়ে স্মৃতির ভেলায় ভেসে যাওয়ার বৃষ্টি এসেছে শহরে।

বৃষ্টি কেবল একলা আসে না, সঙ্গে নিয়ে আসে স্মৃতির ঝাঁপি। মনে পড়ে যায় সেই কতকালের পুরনো সব কথা।

আর মনে হয়, এমন দিনে তারে বলা যায়।

এমন দিনেই তো বলা যায়। বলে ফেলুন তাহলে আপনার বৃষ্টিবিলাসের গল্প। বৃষ্টি নিয়ে আনন্দ বেদনার গল্প।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ