অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

নদীর বুকে বৃষ্টি ঝরে পাহাড় তারে সয় না

আজকাল খারাপভাবে টিকে থাকাই মনে হয় জীবন। ভালো থাকা কি সম্ভব? আর কখনো? আমি মাঝে মাঝে বিষয়টা ভাবি। আমার ভেতরে বেঁচে থাকার একটা প্রবল তৃষ্ণা সবসময় কাজ করে। যে কারণে কথাটা ভাবতে হয়।
সেদিন দেখলাম এক বন্ধু ইমেইল ঠিকানা লিখেছে নোহয়্যার অ্যাট গার্ল। নোহয়্যার? কোথাও না। আমার মনে পড়ে গেল নোহয়্যার ইন আফ্রিকা'র কথা। সিনেমাটায় ওবুয়া চরিত্রটা ছাড়া আরেকটি চরিত্র মনে নাড়া দিয়ে গিয়েছিলো। ছোট্ট মেয়েটি- আদর করে যার বাবা ওকে 'ছোট্ট পরী' ডাকতো। সে যখন প্রথমবার জামার্নি থেকে সুদূর কেনিয়ায় বাবার খামারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়, তার মা মাত্র একবার তাকে সাহসী হতে বলে দিয়েছিলো। আমি পুরো সিনেমায় মেয়েটিকে সাহসীই পেয়েছি।

নাম দর্শনের মাজেজা: তিন

কারো কারো নাম বা সেই নামের অর্থ তেমন বিশেষ কিছু নয়।তার কাজই তার নামটাকে বিশেষত্ব দিয়েছে। আবার কিছু নাম আছে যে নামের সাথে তার কাজের সম্পর্ক রয়েছে, নামের অর্থও যা তার কাজও তাই। তার কাজ যেমন থাকছে তেমনি তার নামটাও থাকছে।এই যেমন ধরুন আমাদের বাংলার দার্শনিক লালন ফকিরের নামটি। এই নামটির মধ্যে সাঁইজীর যে ধর্ম সেই ধর্মের অর্থাৎ তাঁর দর্শনের সবটুকু পাওয়া যাবে। যেমন পাওয়া যায় দেবতা রুদ্র নামের তাৎপর্য। জন্মাবার পর এই দেবতা রোদন করে উঠেছিলেন, এই জন্যে তাঁর নাম রুদ্র। আপনারা শুনলে আশ্চর্যবোধ করবেন যে এই দেবতা জন্মাবার পর তাঁর নাম চেয়ে অর্থাৎ তাঁর একটি নাম দেয়া হোক এই জন্যে কেঁদেছিলেন। কেঁদেছিলেন বারবার কারণ কোন নামই তাঁর পছন্দ হচ্ছিলনা।

ধারাবাহিক

ফোনালাপ

অনেক রাত। প্রায় আড়াইটা তিনটা হবে। পরিশ্রান্ত নায়ক গভীর ঘুমের রাজ্যে। উনি শুধু এই গল্পেরই নায়ক নন, উনি টিভি বা চলচ্চিত্রেরও নামকরা একজন অভিনেতা। তার বেড সাইড টেবিলে রাখা ফোন গুলোর একটা বেশ সুরেলা ভাবে গেয়ে উঠলো। রাতের শীতল নীরবতায় সুরেলা শব্দটাকে কর্কশ শোনালো। ঘুম ঘুম চোখে নায়ক ফোনটা হাতে নিলেন। কলারের নামটা দেখে নিমেষেই চোখ থেকে ঘুম ঘুম ভাবটা দূর হয়ে গেলো। শরীর ঢেকে রাখা কম্বলটা সরিয়ে তিনি সন্তর্পনে নেমে আসলেন বিছানা থেকে। পায়ের কাছে পড়ে থাকা গাউনটাকে জড়িয়ে চলে আসলেন পাশের ঘরে। আবছা আলোতে ঢেকে থাকা সোফাটাকে এড়িয়ে গেলেন বেড়ালের মত।

রিসিভ বাটনে চাপ দিতেই অপর পাশ থেকে ভেসে আসলো নায়লার অস্থির কণ্ঠ-

- হ্যালো। হ্যালো। কি হলো, কথা বলছো না কেনো? হ্যালো?
= কি হয়েছে জান? এখন কয়টা বাজে খেয়াল করেছো?
- কিজানি কয়টা বাজে, তুমি কি করছিলে? ঘুমাচ্ছিলে?
= অন্য কি করবো? তুমি কি পাশে আছো?

রিপোষ্ট " শ্রীজাতের সঙ্গে কাতিউশার গল্প"

এবার চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ছিলো শ্রীজাতকে খুঁজে পাওয়া।

কবিতার মানচিত্র বদলাচ্ছে ধীরে ধীরে, বাংলা কবিতায় যুগের হাওয়া হানা দিচ্ছে, অস্থির সময় আমাদের ভাবনাগুলোও বিক্ষিপ্ত দিন দিন, একটা কিছুতে দীর্ঘ সময় মনোনিবেশ কষ্টকর খুব। ব্যস্ত হাতে চ্যানেল বদলাতে বদলাতে আমাদের অবসর কেটে যায় আর সেইসব নির্লিপ্ত অবসরে শ্রীজাতের কবিতা চলে আসে,

আমাকে দ্যাখে টিভি
চোখ রাঙায়, চোখ নামায়,হাসে।

রাত বাড়লে, রোজ
আমার ঘরে দেয়াল থেকে ঝাঁপায় টিকটিকি

টিভিও তাকে কপাৎ ক'রে খায়

রিমোট হাতে সামনে বসে মুগ্ধ আমি দেখি
কীভাবে ঐ একরত্তি প্রানী
ডাইনো হয়ে যায়

কোথা যাই, কেনই বা যাই?

কোথা যাই, কেনই বা যাই?
ধুর ছাই, মন বসে না শিল্পকলায়
ভোগ-রোগ, হা হা বেশ জমেছে ...
অন্যজনে বিলাই আলো, আমার ঘরেই শিখা নাই
সুখী সেজে ধোকা পাকাই
নিজেই নিজের কানটা মলে
ছি ছি আর যাবো না ঢলের জলে

তো করছিটা কি? লম্ফ-ঝম্প! গোপনে আছে হৃদকম্প
করবি কি আর সেইটা গেলে?
তবু ভেসেই আছি বানের জলে ...
বেশতো ভালো ঘুমিয়ে থাকা, গায়ে ঘামের গন্ধ মাখা
ভাবি আমার বুদ্ধি পাকা
হি, হি, বুঝ~ এমন হদ্দ আর কোথাও নাই

খুচরা পোস্ট ২

এক.
ট্রয়ের রাজপুত্র প্যারিস স্পার্টার রাজা মেনেলাউসের বাসায় আতিথ্য নেয়। মেনেলাউস অতিথিকে রাজকীয় আদর আপ্যায়ন করেন। কিন্তু এক রাতে তার স্ত্রী হেলেন প্যারিসের সাথে পালিয়ে যায়, যদিও দেবরাজ জিউস কন্যা অনিন্দ্য সুন্দরী হেলেন স্বয়ংবর অনুস্ঠানের মাধ্যমে নিজের পছন্দে মেনেলাউসকে বিয়ে করেছিলো। এইভাবেই শুরু গ্রিস আর ট্রয়ের ভিতর যুগ ব্যাপী মহাযুদ্ধের।

আসলে মানুষের চেয়ে দেবতারাই ছিল দায়ী এই রক্তক্ষয়ী অধ্যায়ের। ঘটনার শুরু যখন ঝগড়ার দেবী দেবতাদের কোনো এক অনুষ্ঠানে দাওয়াত না পেয়ে ক্যাচাল লাগানোর জন্য দেব দেবীর আসরে একটা সোনার আপেল আড়াল থেকে ছুড়ে মারে। সেখানে লেখা ছিল সেরা সুন্দরীর জন্য। তারপর শুরু হয় ঝামেলা। কোনো দেবতাই কোন দেবী সবচেয়ে সুন্দরী এই কথা বলার সাহস পায় নাই অন্য দেবীদের ভয়ে। তখন দেবরাজ জিউস দেবীদের পাঠান ট্রয়ের রাজপুত্র প্যারিসের কাছে।

নিজের সুরতহাল নিজের পঠনের তলে

মনোযোগহীনতা আমার সব ব্যর্থতার পেছনে ঘাপটি মেরে থাকে। কোন কাজেই আমি পূর্ণ মনঃসংযোগ করতে পারি না সেই পনেরো বছর বয়স থেকে। গত একমাসের উপর বাসায় আছি। নিজেকে খুব কাছ থেকে অবলোকন করার এমন দীর্ঘ সুযোগ কর্মজীবনে প্রবেশের পর থেকে আর পাইনি। প্রতি দশ মিনিট ও নয়, বরঞ্চ প্রতি মিনিটে আমার চিন্তার বিষয় পরিবর্তিত হচ্ছে। ধীরে ধীরে মানুষের প্রতি আস্থা কমেছে।একমাত্র ভালোবাসার মানুষ ছাড়া আর কারও কাছে নিজেকে উন্মুক্ত করি না, আবেগের প্রবাহ অনেকটাই স্তিমিত।সংযুক্তদের প্রতি প্রত্যাশার কোটা শূন্য; ফলাফল - মানসিকভাবে দুঃখভারাক্রান্ত হবার সম্ভাবনা কম। সময়, বয়স, পেশা, ক্ষমতার উপযুক্ত ব্যবহার, সামাজিক অবস্থান, পরিচয়, অর্থ মানুষকে কিভাবে পরিবর্তন করতে পারে তা নিজেকে দিয়ে খুব ভালোভাবে বুঝতে পারছি।

২০৩৬ - এ ব্লগ স্টোরি (১৫)

সুপ্রাচীন জায়গাটায় অর্বাচীনের মত শুয়ে আছি। ইন্টারভ্যু নামক আপদখানি কখন কার উপরে নাজিল হবে বলা মুশকিল। গতকাল প্রচন্ড চেস্ট-পেন নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হবার পরে যন্ত্রণার শুরু। হসপিটালের একটা কমার্শিয়ালের লাইভ টেলিকাস্ট হচ্ছে। আমাকে একজন সুন্দরী ডাক্তার কাম উপস্থাপিকা জিজ্ঞেস করলো, পেইনটা কোথায় হচ্ছে? বুকের একটা অংশ দেখালে, তিনি ধমকে উঠলেন, কই আপনার মুখে তো এক্সপ্রেশন নাই! বুকে ব্যাথা হলে মুখ একটু কুচকে বলতে হবে না, নইলে দর্শক কিভাবে বুঝবে আপনি রিয়েল প্যাশেন্ট?

কুসংস্কার লইয়া ভাবনা চিন্তা-১

আম্রা সবাই মোটামুটি বড় হইয়া উঠছি নানা রকম কুসংস্কাররে আশ-পাশে সঙ্গী কৈরা। ফলো করছি কিনা সেইটা মূল কথা না, মূল কথাটা হইলো আমাদের বাইড়া উঠনের একখান অইন্যতম অনুষঙ্গ আছিলো কুসংস্কার। ছোটকালে সেগুলারে লইয়া ভাবনা চিন্তা করতাম না, ময়-মুরুব্বিতে কইছে বইলা মাইনা নিতাম। এই বয়সে আইসা হাতে পায়ে কাজকাম কম থাক্লে এগ্লা নিয়া চিন্তা ভাবনা করনের চেষ্টা চালাই। সেইখান থিকাই আসলে এই লেখাটা আইছে। লেখার উদ্দেশ্য কুসংস্কার গুলারে সুসংস্কারে রূপান্তর বা অইরাম কিছু না, জাস্ট নিজের মনের ভিত্রের ভাবনা গুলারে শেয়ার করন।

কুসংস্কারঃ- ঘরের ভিতরে স্যান্ডেল বা জুতা উলটাইয়া থাক্লে ঝগড়া হয়।

আবার বিশেষ ঘোষনা

ভাই ও বোনেরা

আজ অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। Sad Sad আপনারা সবাই সব জানেন ও বুঝেন। জিমেইল মামা কিছুক্ষন আগে একটা মেইল দিয়ে জানিয়েছে তার খুব মন খারাপ তার কাছে এই পর্যন্ত কোন মেইল আসে নাই। কেও কথা রাখে নি কেও না...... Sad Sad

রুনা আপা ধন্যবাদ দিয়ে আর কোন খবর নাই। লীনাদির এখনো সময় হয়নি।টূটুল ভাই রাতে বাসায় দিনে অফিসে এমনকি মানুষের বাড়ি গিয়ে দাওয়াত খেতে গিয়ে ঘুমায় কাটায়তেছে।কামাল ভাইয়ের জন্য খেলার মাঠ রেডি কিন্তু তিনি খেলতে নামতেছে না।

নজরুল ভাই রান্ধাকামেলের রান্ধা বাদে বান্দরবন ঘুরে বেরাচ্ছে। মুক্ত আজ বন্দী কিন্তু কার জালে তা জানা হয়নি আজও।জেবীন শুকনার অভাবে লিখতে পারছে না।এদিকে মীরে কোন হাতাপাতা নাই। বৃত্ত ভাইজান মাথা বেল কইরা কই কই যেন ঘুরে বেরাচ্ছে.........

আমার দিনকাল

সোমবার
সোমবার মধ্যরাতে ছোট ভাইয়ের (রেজা য়ারিফ) স্ত্রীর একটি পুত্র সন্তান হল। অনেকদিন থেকেই বেশ শারীরিক জটিলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। তাছাড়া বাচ্চাটা পৃথিবীতে আসার পূর্ণ মেয়াদ হয়নি। তবু বাধ্য হয়ে অপারেশন করতে হল। প্রথমে বাচ্চাটাকে রাখা হল ইনকিউবিটরে। অক্সিজেন সাপোর্ট দিয়ে। ফুসফুসের কার্যক্ষমতা পুরো না হবার কারনে শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল পিচ্চি বাবুটার। একদিন অপেক্ষার পর ছোট বাচ্চাটাকে ভেল্টিলেটরের সাপোর্ট দিতে হল। মা এক জায়গায়, আর বাচ্চাটা এক জায়গায় ! সোমবার থেকে মা আর ছেলেটা হাসপাতালে। গতকাল ডাক্তার বললেন, অবস্থা আগের চেয়ে ভাল। আশা করছেন, আগামী ৫/৭ দিনের মধ্যে মা আর সন্তানকে ছেড়ে দিতে পারবেন। গতকালই বিলের খবর নিতে যেয়ে আমি হার্টবিট মিস করে ফেলেছি। ভুল শুনেছি মনে করে আবার জেনে নিশ্চিত হলাম যে, ৫ দিনে বিল এসেছে ২ লাখ ৭০ হাজারের কিছু কম বেশি...

মঙ্গলবার

তাকে যত তাড়াই দুরে ----- [মহীনের ঘোড়াগুলি]

..

মহীনের ঘোড়াগুলি ব্যান্ডের সবগুলো গান আমার কাছে ছিলো না, ক'দিন আগে অনেক খোঁজার পর সবগুলো গান জোগাড় করলাম। পুরনো শোনা গানগুলো আবারো শুনলাম, একেবারে না শোনা গানগুলো বারবার শুনলাম।

আজ নিস্তব্ধ ভরদুপুরে একা একা রুমে বসে পুরনো শোনা গানটা শুনতে শুনতে মনে হলো ঠিক এই মুহুর্তটার জন্যই যেন গানটা তৈরী করা হয়েছে .....

বারবার শুনছি.............

তাকে যত তাড়াই দুরে
তবু সে আসে মেঘলা চোখে ঘুরে ফিরে
তাকে আমি হারাই দুরে দুরে
যদি সে গেয়ে ওঠে অন্য কোন সুরে

আজকাল বা পরশু
যদি সে এসে দাড়ায়
ছায়ার মত আমার ছায়ায়

ছায়ারও ছায়াতে সে অন্যজন
ভরদুপুরে একলা রাতে অন্যমন

সে অবুঝ খেয়ালি
সে ভিষন একাকী
আবেগ সবই তার তো ফাঁকি

এখনো ভাবে সে ফুটবে পলাশ
ডাকবে কোকিল
বিছানায় সে ফিরবে পাশ

গল্প: মাঝে মাঝে মানুষের অক্ষমতা পুষিয়ে দিই নীরবে


চার ক্যান ডেডিকেটেডলী ব্রু'ড ব্যরন্স সদ্ব্যবহার করার পরও সেদিন রাতে শরীরটা ম্যাজম্যাজ করছিলো। তাই চুলগুলো একটু টানিয়ে নেবার বাসনায় মহল্লার ছেলেটার ডেরায় গিয়ে উঠলাম। এত রাতে ওর খদ্দের খুব বেশি ছিলো না। সে পাকা হাতে পানি মেখে, নিপুণ কারিগরের মতো আমার চুল টেনে দিল। আরামে চোখ মুদে আসছিলো। আয়নায় দেখছিলাম চোখের কোণে লাল একটা আভা তৈরী হচ্ছে। নিজেকে ডিমওয়ালা মাছের মতো লাগছিলো। যে মাছ গভীর পানিতে থাকে। জেলেদের জালে বন্দী হওয়ার দুশ্চিন্তা যাকে ছুঁতে পারে না। অনাগত দিনের কোনো এক অদৃশ্য সুখের স্বপ্ন আমার নিমিলীত চোখে ঝিলিক দিচ্ছিলো। এই বিন্দাস মনোভাবের উৎপত্তি কোথায় ঠিক ধরতে পারছিলাম না। তবে কি ইলোরা ভাবী?

কাল বৈশাখী

আকাশ জুড়ে ধুসর মেঘ ভোর থেকেই। মাঝে মাঝে অভিমান ভেঙ্গে উজ্জ্বল হচ্ছিল আকাশটা। বৈশাখে প্রথমদিনেই সূর্যের সাথে তার দারুন অভিমান। সূর্য হঠাৎ করেই হেসে উঠলো। বাতাসেরা যে সব আসা যাওয়া করছে। আকাশকে ছেড়ে সূর্য বাতাসদের নিয়েই বুঝি বেশি ব্যাস্ত। সূর্যে অবহেলায় আকাশ গুমরে উঠলো। অভিমানে আকাশ হয়ে উঠলো ঘনকালো। বেজে উঠলো রণডংকা । ভয়ে বাতাসেরা শুরু করলো মাতম।

ঝড় যেন প্রচন্ড হুংকার তুলে ডাকছে --সীমাহীন গতিতে নাচ আর ছন্দে তুমি এসো। আমার রক্তের নাচন সব রক্ত চক্ষুকে কটাক্ষ করে আমায় নিয়ে যায় তার কাছে। ঘর থেকে ছুটে বেড় হয়ে এলাম।
আমার চারিদিকের গাছগুলি নেচে উঠলো। ডালিয়া ফুলের গাছগুলি বাতাসের তালে নাচতে না পেরে শুয়ে পড়ল মাটিতে। গাছেদের মাথা আছড়ে আছড়ে ঝড়ের কাছে অবনত আকুতি যেন এক অপূর্ব নৃত্য। গাছের পাতার উড়াউড়ি তার সাথে পাখিদের উড়াউড়ি।

গাছ না হবার গল্প

পয়লা বৈশাখে সারাদিন টোটো কোম্পানীর ম্যানেজারি করার ইচ্ছা থাকলেও শরীরটা এখনো ইংল্যান্ডের টাইম টেবিল ফলো করে চলেছে। ফলে সারা রাত না ঘুমিয়ে ঘুম থেকে উঠলাম বেলা একটায়। সূর্যোদয় দেখার যে ক্ষীণ একটা আশা ছিল মনে সেটা মাঝ আকাশে গিয়ে ঠেকেছে ততক্ষণে। তীব্র এই দাবদাহে বাইরে বের হবার কোন মানে হয় না তাই ঘরেই বসে থেকে বন্ধুদের একে একে ফোন দিলাম। বেশির ভাগকেই পাওয়া গেল না। সব্বাই নিজ নিজ কর্মস্থলে ব্যস্ত। রাসেল দেখলাম সিরাজগঞ্জেই আছে। সে সম্প্রতি বিয়ে করেছে সুতরাং বিগত দিনগুলোর মতো সময়-অসময় না মানার সময় ফুরিয়েছে। ক্ষীণ একটু ঈর্ষার স্রোত যেন বয়ে গেল। বন্ধুতার চেয়েও তীব্র কিছু বন্ধুকে অধিকার করে নিয়েছে। রনিকেও পেলাম সিরাজগঞ্জেই। আজকাল সে অর্থনৈতিকভাবে ভিসন স্বচ্ছল। ইতমধ্যেই আস্ত একটা গাড়ির মালিক নাকি হয়ে গেছে সে। বাড়ি এবং নারীও নিশ্চয় বেশি দূরে নেই, সুখেই আছে ... থাকুক নাহয় সুখে।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ