এম্নিই ...
সোনার দাম হু হু করে বাড়ছে, মেয়েটারও বিবিএ ফাইনাল সেমিস্টার চলছে, হাতে আছে বেশ ভালো কয়েকটা প্রস্তাব। সব ভেবেচিন্তে পরিকল্পনা করেই এগুচ্ছিলেন স্বামী-স্ত্রী। ঘরের নতুন ফার্নিচার তৈরী করা, গয়না গড়িয়ে রাখা আর দুজন ছেলের পরিবারের সাথে জানাশোনা করা শুরু করলেন, পরীক্ষা শেষ হতেই মেয়ে বিয়ে দেবেন। এতোকিছুর শরীরটা যে বেশ খারাপ হতে শুরু করছিলো আমলেই আনেননি বাবাটা। কিন্তু জানুয়ারীর ঢাকা এসে গেলেন মোটেই চেনাজানা নয় শুধুই বারডেমের মতো বড় জায়গার গ্যাস্ট্রোলজির বড়ো ডাক্তারের কাছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা, এন্ডোস্কপি কতো কি করে জানা গেলো কিচ্ছু নয়, শুধু গ্যাস্টিকের সমস্যা, ভালো হয়ে যেতে সময় নেবে না।
মোটা কাহিনী
সুমন পাটোয়ারী আমাদের কমন বন্ধু। সুমন একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে কাজ করে। সপ্তাহে একদিন প্রথম আলোতে লেখে। সেটা নতুন কোনো কম্পিউটার গেম নিয়ে। সুমন কে চিনতে পারছেনতো ? বেশ কটি নাটকে অভিনয় করেছে। অনেকগুলো বিজ্ঞাপণে কাজ করেছে। ওর সবচেয়ে আলোচিত বিজ্ঞাপণ হচ্ছে- গায়িকা মমতাজের সাথে একটি টেলিফোন কোম্পানির বিজ্ঞাপণ সেটা। এরপর একটি মডেম কোম্পানির বিজ্ঞাপণে নির্মাতা ওকে রশি দিয়ে ঝুলিয়ে দিয়েছে বাড়ির ছাদের সাথে। সে এক দেখার মত দৃশ্য !
২০৩৬ - এ ব্লগ স্টোরি (১৯)
টাপুরের মায়ের চলনশক্তি ফিরে এলে আমরা ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ড থেকে অবহরোহন করি। ঘুম থেকে জেগেই তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরলেন, চলো এবার একটা সাবমিশন করি। তুমি ধর্মকর্ম একেবারে ভুলে গেছো! মেনে নিলাম। ধর্মে অনাসক্তি আমার বরাবরের। প্রথম টেকপ্রফেটের অনুসারী হয়েও যে হারে রিচুয়াল অমান্য করে যাচ্ছি, রীতিমত আতঙ্কজনক। যেকোনো সময় আমার ভার্চু-অস্তিত্ব ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। টাপুরের মা বললো, গতরাতেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, যদি এমাসের বিগ রিকভারী ঘটে তবে সফটওয়ারম্যানের ওয়েবক্যামের সামনে বসে দশ হাজার টেট্রা ডাটা সরাসরি সার্ভারে যুক্ত করে দেবো। আমার কাছে বিরক্তিকর মনে হয়। এইসব টেকধর্মগুরুদের বুজরুকি হাড়ে হাড়ে টের পাই। কিন্তু প্রচলিত বিশ্বাসের বাইরে কিছু করতে গেলে অস্তিত্ব রীতিমত বিপন্ন হয়ে পড়বে। প্রেয়সী আমার তার পার্সোনাল ম্যাটারের সাবমিশন করুক, তুমুল বিরক্তি নিয়েও হয়তো আমার পাশে বসে থাকতে হবে।
নিতান্তই সহজ-সরল ::: ১
আসলেই কি সরল?
রবীন্দ্রনাথ ভদ্রলোক ছোট গল্পের যে সংজ্ঞা দিয়েছিলেন, তার মধ্যে ক্ষুধিত পাষাণ পড়ে?
হুমায়ূন আহমেদ
সেদিন বাসে আসার সময় হুমায়ূন আহমেদের “হাবলংগের বাজারে” দেখছিলাম। সাধারণত অখাদ্য-সুড়সুড়ি নাটকগুলো এসিবাসের ঘুমন্ত ভদ্রলোকদের দেখানো হয়। বরাবরের মতোই এটাও অখাদ্য। কিন্তু একটা জায়গায় এসে আটকে গেলাম।
একজন বলছ: হুজুর (তিনি স্থানীয় জমিদার বা এই টাইপের), ভয় বলবো না নির্ভয়ে বলবো?
হুজুর: (ধমক দিয়ে) ভয় বল। আমার সামনে নির্ভয়ে আবার কী কথা?
ভদ্রলোকের সাম্প্রতিক লেখালেখি পছন্দ না হলেও তাঁর হিউমার সেন্স বরাবরই পছন্দের। সেই ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি, এ জাতীয় প্রশ্নের উত্তরে সবাই বলে, নির্ভয়ে বল। এর উল্টোটা যে কেউ বলতে পারে তা কখনো মাথায় আসে নাই।
হিন্দি সিনেমা
-----স্বাধীনতা সে আমার স্বজন হারিয়ে পাওয়া একমাত্র স্বজন------------।
এই ভদ্রলোকটিকে কি কেউ চেনেন?---- এর নাম আবদুর রশিদ।
এর কথা আমি কিভাবে লিখব, কোথা থেকে শুরু করব? ভাবতে ভাবতেই দিন চলে যাচ্ছে। শুধু এটুকু বলতে পারি আবদুর রশিদ বেঁচে আছেন। স্বাধীনতার ৪০ বছর পরও মুক্তিযোদ্ধাদের খুঁজে ফেরেন--যেন তাদের মাঝেই তিনি খুঁজে পান তার দাদা, বাবা, চাচা, বড়ভাই, মেজভাই, ছোটভাই, বড় বোন, ছোটবোন, মা ও দাদীকে।
১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসের এক বৃহষ্পতিবার সে এক রক্তাক্ত দিন রক্তাক্ত সময়। -------কে আমার ঘর ভেঙ্গেছে স্মরন আছে? সে আমার রক্তে ভেজা দিন।? চেতনায় হানছে আঘাত------------------
“আপা সরকার যে বলে ৩০ লক্ষ লোক শহীদ হয়েছেন সেই ৩০ লক্ষের মাঝে কি আমারা আছি? যদি থাকি তবে কোথায়? আর যদি না থাকি তবে বলে না কেন ওরা ছাড়া ২০ লক্ষ , আমরা ১০ লক্ষ নিজেদের নিজেরাই লালন করব।“
খোলা চিঠি
প্রিয় নানুআপা,
ছোট বেলায় ভোররাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে অন্ধকার ঘরে শুনতাম মিষ্টি সুরে ‘কোরআন শরিফ’ পড়ার ধ্বনি। আমি এমন দরদ মাখা সুরেলা কণ্ঠ আজ পর্যন্ত আর শুনি নাই। সেই সময় অবাক হয়ে ভাবতাম নানুআপা অন্ধকারে দেখতে পান কী করে! তারপর কত দিন,মাস,বছর পেরিয়ে গেছে- তোমার ছায়ায় অনেকটা সময় কাটিয়ে আজ আমি অনেক বড়। জীবনের যত শিক্ষা, যত দীক্ষা তার অর্ধেক তোমার দান। তুমি খাইয়ে না দিলে অনেক বড় হয়েও নিজ হাতে ভাত খাইনি,তোমার ভয়ে ঠকঠক কেঁপেছি;আবার তোমাতেই নির্ভর ছিলাম। শিউলি ফুল কুরানোর জন্য কোনও সকালে তুমি ডাকতে ভুলে গেলে কিরকম রাগ হয়ে থাকতাম, সত্যি নানুআপা ছোট থেকে বড় - সব বেলাতেই তোমার সঙ্গে কত রাগ-অভিমান যে করেছি। তুমি তো দুঃখও পেয়েছ কত। জান নানুআপা এখন মেয়েকে যখন পড়তে বসাই,মনে পড়ে যায় দুপুরে তুমি শুয়ে থাকতে আমি তোমার পাশে বসে হোমওয়ার্ক করতাম। স্কুলে যাওয়ার সময় কেঁদে বুক ভাসাতাম, ইশ কত জ্বালিয়েছি তোমায়।
একটি সেফ হোমের আত্নকাহীনি (সকল বিবেকবান ব্লগার ভাই বোনের কাছে সেফ হোমের আকুল মিনতি !)
আমি একটি সেফ হোম । মানে নিরাপদ বাসা । আগে অনেকে মজা করে “ লিটনের ফ্লাট” বলেও ডাকত । আমি আধুনিক মনের আধিকারি । মানুষের প্রাইভেসি কঠর ভাবে নিয়ন্ত্রন করি । অনেক লেখক/কবি/রাজনিতিবিদের উত্থান আমার সেফ হোম থেকেই ।ব্ড়লকের উঠতি বয়সের মাইয়া পোলারা আমার বাসায় নিরাপদে আরাম আয়েশে গা ভাসিয়েছে । ডি জে পার্টিও হয় মাঝে মধ্যে । মধ্যরাত পর্যন্ত নাচানাচি/খানাপিনা কত মজা । তার পর কি হয় তা আমার নীতিগত কারনে বলতে পারছিনা । আমি অনেক গোপন রাজনৈতিক মিটিং এর স্বাক্ষি । কত কিছিমের লোকজন যে আছে দুনিয়ায় । এরা দিনের বেলায় একে অপরকে গালাগালি করে আর রাতে একসাথে সুরা পান করে । অনেকেই আমার নাম প্রথম শুনলেন , কিন্তু আমি অনেক আগে থেকেই বিখ্যাত । সন্ধ্যার সময় উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা এখানে মিটিং করেন । ডেভলপাররা তাদের বাড়ির ডিজাইন এখান থেকেই পাশ করিয়ে নেয় । অনেক কাস্টম ক্লিয়ারেস্ন এখান থেকেই ইস্যু হয় । অনেক ছুড ছুড মাইয়া
যদি অনামিকা বড় হয় তাহলে
পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে কোনো বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব প্রণয়ন করতে হলে স্যাম্পলিং এর হার কি রকম হওয়া উচিত, ঠিক কতজনকে নিয়ন্ত্রিত ভাবে ডাটা হিসেবে গ্রহন করলে সেটা প্রতিষ্ঠিত হয়ে উঠবে বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব হিসেবে এটার কোনো নির্ধারিত সীমা না থাকায় প্রায় নিয়মিতই বেশ অদ্ভুত অদ্ভুত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব পত্রিকায় ছাপা হয়। সেসব ফাজলামি প্রশ্রয় দেওয়ার কারণ আমি জানি না কিন্তু যেকোনো কিছুকে বিজ্ঞানসম্মত কওরে তুলবার এই দুর্বুদ্ধি আমার ভেতরে বিব্রতকর অনুভুতির জন্ম দেয়। বিজ্ঞান ও বৈজ্ঞানিক কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে আমার নিজস্ব ভাবনা আহত হয় ভীষণ ভাবে।
শ্রাবন্তীর মায়েরে সেলাম
নির্দিষ্ট করে টেলিভিশন দেখা হয়না প্রায়ই। ঈদ বা বিশেষ দিনগুলোর কথা আলাদা।
সম্প্রতি তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরতে পারলে আইপিএলের খেলাগুলো দেখার চেষ্টা করি।
এর মধ্যে আমাদের সাকিবতো মাশাল্লাহ খুবই ভাল খেলছে। প্রথম খেলাতে ২, দ্বিতীয়টায়ও
২ এবং গতরাতে ৩ উইকেট নিয়েছে। দেখা যাক, ভবিষ্যতে কী করে !
গত ৪/৫ দিন আগে টেলিভিশনের রিমোর্ট ঘুরাতে গিয়ে দেখলাম, ভারতীয় চ্যানেল
জি বাংলাতে ছোটদের গানের অনুষ্ঠান সারেগামা লিটল চ্যাম্প হচ্ছে। একটু থামলাম
এই চ্যানেলে। বেশ ভালোই গাইছে বাচ্চা বাচ্চা ছেলে মেয়েরা। ২/৩ জনের গান শুনলাম।
এরপর চ্যানেল ঘুরাতে যেয়ে উপস্থাপকের কথায় থমকে গেলাম। এরপর যে গাইতে আসছে-
সে বাংলাদেশের মেয়ে শ্রাবন্তী। আগ্রহ নিয়ে নড়েচড়ে বসলাম। এতটুকুন ছোট একটা মেয়ে।
ছোট করে চুল ছাঁটা। মাথায় একটা ক্লিপ লাগানো। বয়স মাত্র ৬ বছর। বেচারি হাতে
২০৩৬ - এ ব্লগ স্টোরি (১৮)
টাপুরের মা এবং আমি ভার্চুয়াল জীবনে বন্দী। একই ঘরে, একই শয্যায় – তারপরেও যোগাযোগের জন্য আশ্রয় নিতে হয় ওয়েবে। বডিরিড নামক শারিরীক যোগাযোগ মিডিয়ার এখন দাপুটে বিচরণ। আমরা হচ্ছি ফেসবুক জেনারেশন, অনেক বেশী সেকেলে, নতুন কোনো ভার্চুয়াল জগতে পা রাখতে ভয় পাই। কিন্তু টাপুরের মা দিনের একটা বড় অংশই থাকে অচল, হাইপার সেন্সসুয়্যাল সেন্সরের কারণে তার কেবল বডিরিডের সাথে সংযুক্ত থাকা সম্ভব। বিষয়টা সম্বন্ধে আগে তেমন ভালো ধারণা পোষণ করতাম না। বরঞ্চ ইদানিংকালের ছেলেছোকরাদের বডিরিড আষক্তি দেখে প্রচন্ড বিক্ষুব্ধ ছিলাম। সোমালিয়ান এই শারিরীক যোগাযোগ মাধ্যমটির এখন প্রচন্ড বাড় বেড়েছে। যেকেউ তার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের শিরা-উপশিরায় অনুভূতি প্রদান ও অনুসরণকারীর মধ্যে সরবরাহ করতে পারে। বডিরিড অন্তর্ভূক্ত কমিউনিটি এসবের স্পর্শ ও দৃশ্য পেয়ে থাকে। আজকে সকাল থেকেই টাপুরের মা’ টিজিং করে যাচ্ছে। একটু আগে বডিরিডে ভেসে ওঠা তার ঠোঁটের ই
ক্রী একবার তার এক বন্ধুকে এনে বসিয়েছিলো ঝাকড়া লেবু গাছটাতে
১
হাউজ অভ ফ্লাইং ড্যাগার্স দেখতে সাজেস্ট করার জন্য বাফড়া বস্'কে মাইকে ধন্যবাদ। বর্ণ আল্টিমেটামের অনেকদিন পর একটা এ্যকশন মুভি দেখে ভালো লাগলো। অবশ্য ভালো হলিউডি এ্যকশন এখনো চোখে পড়ে নাই। ইদানীং মুভির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যগুলোর মেকিং খুব খেয়াল করে দেখার চেষ্টা করি। এইটার লাস্ট সীনে ময়নাপাখি নায়িকাটির জন্য খুব খারাপ লেগেছে। তবে পুরা সিনেমাটা সর্বোচ্চ জোস্। জ্যাকি চ্যান-জেট লী'র ফরবিডেন কিংডমের চেয়েও ভালো।
২
ভয়ংকর চাপ অনুভব করছি। এটা রক্তে হতে পারে। মজ্জায় বা নিউরণে হতে পারে। হাত কিংবা পায়ের নখেও হতে পারে। ঠিক ধরতে পারছি না কোথায়। কিন্তু অনুভব করছি। প্রেশার রিলিজ বাটন না টেপা পর্যন্ত এটা চলতে থাকবে। খুঁজে পাচ্ছি না বাটনটা কোথায়।
৩
আদ্যিকালে দেখা একটা স্বপ্নে আমি বিমান চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলাম। সেটা যদি স্বপ্ন না হতো, তাহলে ভালো হতো। অন্তত নতুন একটা কাজ শেখা হতো। পুরোনো কাজগুলোকে পুরোনো ছালের মতো লাগছে।
৪
একটি জানালার গল্প (দুই)
প্রায় একবছর এই চাকরীটা আমি চালিয়ে গিয়েছি। তখন আমার বয়স মাত্র বাইশ বছর।
প্রতিমাসেই আমি দুই হাজার ইয়েনের বিনিময়ে মাসে ত্রিশ বা তার চাইতে বেশি এমন চিঠি লিখে দিতাম লিদাবাশি জেলার ছোট্ট এক অদ্ভুত কোম্পানীর জন্য, যারা নিজেদের কলম সমবায় নামে ডাকতো।
ছায়াবাজির পুতুল
বেশ কিছুদিন থেকে মনটা খুবই খারাপ। কিছুতেই কিছু ভালো লাগছে না। সেমিস্টারটা ও যেন শেষ হতে চাচ্ছে না। সপ্তাহের শুরুতে রাশিতে লেখা ছিল ফ্যান্টাসটিক পজিশনে থাকবো সপ্তাহ জুড়ে। খুব খুশী হয়ে গিয়েছিলাম দেখে। কিন্তু কই কি! পাঁচদিন চলে গেলো সপ্তাহের, ফ্যান্টাসটিক পজিশনের ছিটে-ফোঁটাও দেখলাম না কোথাও।
হিন্দি সিনেমায় দেখায় বিপদে পড়লে ভগবানের সামনে এসে চিৎকার করে যদি বলা হয় “আজ যদি ভগবান তুমি সব ঠিক করে না দাও তাহলে আর কোন দিন তোমার উপর বিশ্বাস করব না”। সাথে সাথে বজ্রপাত হয়ে সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। ইস! সিনেমার ভগবানরা কতো ভয়ে ভয়ে থাকে!! বাস্তবে যদি এমন হতো?? কিন্তু বাস্তবে কোন কিছু চেয়ে যখন আমরা পাই না বলি, ভগবান বা আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন!!
এখন মনে হয় এটা শুধুই হেরে যাওয়া মানুষের স্বান্তনা!!
চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ি-৩
১।
সেদিন মেঘকন্যাদি আমাদের রাজশাহীর পোলাপাইনরে ধুয়ে দিলো আমরা ঠিক মতো ইংরেজী পারি না বলে। উনি মনে হয় ভুলে গেছেন কবিগুরু বলেছেন ‘’আগে চাই বাংলাভাষার গাথুঁনি..................’’
২।
কোরিয়ানরা কবিগুরুর এইকথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে। মাস্টার্স পাশ লোকজন ইংরেজী বুঝে না এই রকম লোক এখানে হাটেঁ মাঠে ঘাটে সব জায়গাতে দেখা যায়। আর যে বনে বাঘ নাই সেই বনে শিয়াল রাজা আমাদের হয়ছে সেই দশা।লোকজন আমাদের ইংরেজী বলা দেখে হাঁ হয়ে থাকে? ডিপার্টমেন্ট ফরেনার স্টুডেন্টদের মিটিংয়ে ডিন জিজ্ঞাসা করে তোমরা এতো ভালো ইংরেজী কি ভাবে পারো? আর কারো কথা জানি না আমি আমারটা জানি আর ঢোকঁ গিলি। যে কিনা কোনমতে পাশ করে এসেছে এসএসসি এবং এইচএসসিতে

পিন আপ পত্রিকা
সকালে যেখানে দাঁড়িয়ে চা সিগারেট টানি কাজে যাওয়ার আগে, সেটার সাথেই একটা পত্রিকাস্ট্যান্ড, কখনও সেখানে মনোযোগ দিয়ে দেখা হয় নি আগে, আজ খেয়াল করে দেখলাম সেখানে বেশ কিছু পত্রিকা রাখা " শুধুমাত্র প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য", এমন শিরোণাম দেওয়া পত্রিকা বাংলাদেশে কয়টা ছাপা হয় আমার জানা নেই, বাংলাদেশের "প্রেস পাব্লিকেশন সংস্থা" কিংবা তথ্য অধিদপ্তর এমন পত্রিকা প্রকাশের অনুমতি দেয় কি না এটাও আমার জানা নেই, কিন্তু পত্রিকা স্ট্যান্ডে জায়গা করে নেওয়ার মতো পাঁচ থেকে ছয়টি পত্রিকা কিংবা বই দেখে বুঝলাম যৌনতা বিষয়ে আমাদের সামাজিক গ্রহনযোগ্যতার মাত্রা বদলেছে।