শাড়ি
শহরের সুন্দরতম ছাদে সকাল, দুপুর, রাত তিন বেলাতেই আড্ডার ঝড় তুলতাম। কখনো দলে-বলে, আবার কখনো একা। সাধারনত ভর দুপুরেই নিজের সংগে আড্ডাটা জমতে ভাল। নিঝুম ছাদে নি:সংগ আমি। নি:সংগ বলাটা ঠিক হচ্ছে কিনা, এ নিয়ে তর্ক হতে পারে। কারন ঐ সময়টাতে দোপাটির বুকে বসা প্রজাপতি, ফাকা চেয়ারে অবকাশে থাকা কাক, ছাদের উপর এসে থেমে যাওয়া মেঘের সংগে কথোপকথোন তো হতোই। আর কথা হতো শাড়ির সংগে। একেকদিন একেক রংয়ের শাড়ি হতো আমার সংগি। ছাদের দক্ষিন দিকটায় বসতাম আমি। কার্নিশ ছুয়ে থাকা মহুয়ার ডাল। তারপর একচিলতে সবুজ উঠোন। তার পাশেই আরেকটি ছয়তলা দালান। ঐ ছয়তলা দালানের একমাত্র তিন তলা থেকেই একটা ঝুল বারান্দা বেরিয়েছে। সেই বারান্দায় কাউকে এসে দাড়াতে দেখিনি কখনো। বারান্দায় অন্য কোন কাপড়ও শুকোতে দেখা যায়নি। কেবল প্রতিদিন একটা করে শাড়ি নেমে আসতো বারান্দার রেলিঙ থেকে।
আজতো অন্য জায়গায় চলে এসেছি ভাইয়া... কাল না হয় ফোন করবেন...
মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ের ঘটনা। কোনো এক শুক্রবার। বিকালের দিকে ছবির হাটে গেলাম। তারপর বন্ধুরা মিলে ম্যালা সময় ধরে আড্ডা দিলাম। চা- পিঁয়াজু- মাশরুম- বিড়ি এই সব খেলাম। রাত দশটার দিকে আমাদের আড্ডা শেষ হল্। যে যার মত বাসায় ফেরার জন্য বেরিয়ে পড়লাম। ছবির হাটের সামনে মেইন রোডে আমার মোটর সাইকেল রাখা। বরাবরই সেখানে রাখি।
তো, মোটর সাইকেল স্টার্ট করতে যেয়ে দেখলাম- চাবি লাগানোর যায়গাতে একটা ছোট কাগজ ভাঁজ করে রাখা আছে। কাগজটা হাতে নিয়ে খুললাম। তাতে দুটো লাইন লেখা আছে। একটা নাম আর একটা মোবাইল নং। নামটা সুন্দর। হাতের লেখাও মুন্দর। কাগজটা হাতে নিয়ে কয়েক মিনিট ভাবলাম- ছোঁয়া নামের কাউকে কি আমি চিনি !
একটা বিড়ি টানা পর্যন্ত ভাবলাম।
তারপর আল্লার নাম নিয়ে কাগজের ফোন নাম্বারটিতে কল করলাম।
২০৭১ - এ ব্লগ স্টোরি (২২)
একসময় আমাদের দেশে অনেক ধরণের কাব্য-সাহিত্যের ছড়াছড়ি ছিলো। এখন যা সাধারণত উর্বুদ্ধিজীবিদের ঝুলিতে পাওয়া যায়। ইলিশ আহমেদ একজন উদীয়মান উর্বুদ্ধিজীবিও বটে। আমার সাথে মূলত যোগাযোগ ছিল আন্ডারগ্রাউন্ড লিটারেওয়ার কেন্দ্রিক। প্রাগৈতিহাসিক সাহিত্যিকদের স্টাইল মৌলিকভাবে অনুকরণ করার লিটারেওয়ার তৈরীর নামে আসলে যে মেধাস্বত্ব চুরি হচ্ছে এ বিষয়ে এক ক্যাম্পেইনে তার সাথে পরিচয় ঘটে। এরপর থেকে বকশলামের নানাবিধ প্রচারণায় আমাকে গোপনীয়ভাবে প্রলুব্ধ করে। মাঝে মাঝে আমিও নিউরনাল মেসেজ বিতরণ করি। শাকরি থেকে নেমে আমাকে দেখে সে যেন আকাশের চাঁদ হাতে পেলো। বললো, আমিও আশা করেছিলাম আপনি হয়তো ইঙ্গিতটা ধরতে পারবেন!
ফুলে গন্ধ নেই...... এ তো ভাবতেও পারি না
অবশেষে পেয়ে গেলাম আমরা ফুল বিক্রির স্বীকৃতি। যদিও একটু দেরীতে পেলাম। তবে বেশ ঘটা করেই হলো সে আয়োজন। আমরা এখন সার্টিফায়েড ফুলওয়ালা।

একদিন ফুল বিক্রি করলাম বলে আমাদের নিয়ে কি বিশাল ব্যাপার-স্যাপার!!!

আসলে কি এত আয়োজনের দরকার ছিল?
একরত্তি ছেলেটার জন্য মন খারাপ
২৩ বছরের আলেক্জান্ডার সুপারট্রাম্পের জন্য মনটা খারাপ লাগছে। অসাধারণ একটা ছেলে ছিলো। গ্রাজুয়েশন শেষ করে বেরিয়ে পড়েছিলো পৃথিবীর পথে। নিজের উপার্জিত প্রায় ২৪ হাজার ইউএস ডলার দান করে দিয়েছিলো অক্সফামে।
সেই ছেলেটাকে পছন্দ হয়ে গিয়েছিলো। মুভিটা (ইনটু দ্য ওয়াইল্ড) অনেকে হয়তো বান্ধবীকে নিয়ে কম্বলের নিচে শুয়ে শুয়ে দেখতে খুব একটা পছন্দ করবে না। কিন্তু আমি নিশ্চিত, বন্ধু-বান্ধব নিয়ে একটা সেইরকম পরিবেশে এই মুভিটা শেষ করে বেশ কিছুক্ষণ হতবাক হয়ে বসে থাকা যায়। এ প্রসঙ্গে নাম নাই'কে কি একটা ধন্যবাদ দেবো? কেননা দুই ঘন্টা ২৮ মিনিটের মুভিটা একবার অর্ধেক দেখে, কেন যেন রেখে দিয়েছিলাম। অন্যান্য মুভি দেখছিলাম, কিন্তু ওটা শেষ করছিলাম না। সে একদিন তাগাদা দিলো!
আমার যাদুমনি (১৩)
আজ কিছু লেখবো না, কেবল ক্যাপশন দিয়ে গেলাম।
এবি'র রংবাজ 
চানগ্লাস ঋহান
গ্লাস খোলার জন্য হাত ছুটানোর আপ্রান চেষ্টা!
অতঃপর গ্লাস খুলতে সফল
গ্লাস খুলে খুশি 

আবার পেচ্ছাপেচ্ছি
১.
এই অংশটুকু যারা কেবল ইস্মাট ও নম্ম্র তাদের জন্য।
সবার আগে ছবিটা দেখে নেই

আমার মেয়ের স্কুলের সামনের দেয়াল থেকে তোলা এই বিজ্ঞাপনের ছবিটা। আপনাদের কারো ড্রাইভার লাগলে আওয়াজ দিয়েন। ইস্মাট ও নম্ম্র ড্রাইভার চাইলে এই সুযোগ হেলায় হারাইবেন না।
এই সুযোগে জানাইয়া রাখি শিক্ষিত (মাস্টার্স পাশ অর্থনীতিতে) ড্রাইভার চাইলেও আওয়াজ দিয়েন। দেওয়া যাবে
২.
সুযোগ সুযোগ সুযোগ
একটা মেইল পেলাম আজ। মনে হয়েছিল ভাগ কাউকে না দেই। পরে ভেবে দেখলাম, আমার এই উপকারী মনটা তাতে খুশী হবে না। বরং সবাইকে জানানোই ভাল। সবাই মানে এই ধরেন, রায়হান ভাই, মেজবাহ ভাই, টুটুল, নজরুল, বাফড়া, মুক্ত, বীমা, বৃত্ত কিংবা বিলাই এই সুযোগ নিতে পারে।
আজ কিছু লিখতে ইচ্ছে করছে না
বন্ধুরা আজ কিছু লিখতে ইচ্ছে করছে না। কারণ, মেঘের কোলে রোদ উঠেছে বাদল গেছে টুটি। আজ আমাদের ছুটি ও ভাই ...। আজ সবাই সংবিধান নিয়ে ব্যস্ত। সংবিধান সংশোধনে প্রধান বিরোধী দলকে সম্পৃক্ত করতে হবে, মনে করেন আমাদের গুরুজনেরা। কিন্তু এটা যে মুসা ইব্রিহিমের পর্বত বিজয়ের চেয়েও অনেক বেশি কঠিন কাজ, এটা সাধারণ সবাই জানে। বন্ধুরা এই অসাধ্য সাধন করতে হলে এই মুহুর্তে কী করতে হবে এই বিষয়ে আজ আমার কিছু লিখতে হচ্ছে...। তোমরা জানাও
অহেতুক বিতর্কের পরের ভাবনা
বিডিনিউজ২৪ ব্লগে জনৈকা পুষ্পিতার সাথে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিষয়ে অহেতুক অপ্রয়োজনীয় একটা বিতর্কে লিপ্ত হওয়ার পর প্রথমত পুরোনো বন্ধুদের অভাব অনুভব করলাম। দ্বিতীয়ত মনে হলো আমাদের একটা অন লাইন আর্কাইভ প্রয়োজন, যেকোনো রেফারেন্সের জন্য কিংবা যেকোনো মূহুর্তে প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে আনবার জন্য একটা অন লাইন আর্কাইভ থাকা জরুরী। ডিজিটাল আর্কাইভের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু সেটা উপলব্ধি করলাম এই বিতর্কের সবটুকু সময় জুড়েই।
মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর যেভাবে জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের হাস্যকর এবং ভিত্তিহীন একটি মামলায় আটক করা হয়েছিলো সেটার পেছনে রাজনৈতিক হয়রানির নোংরা গন্ধটা লুকানো সম্ভব হয় নি। আমার এ অভিমত সে সময় অনেকের পছন্দ হয় নি সে সময় এখনও যে এই অভিমত জনপ্রিয় হয়ে উঠবে এমন ভাববার কোনো কারণ নেই।
আমার দেশ
নীল সমুদ্রের রং মেখে তাই আকাশ হল নীল
তাকিয়ে দেখ নদীর তালে নাচছে যেন বিল
তাকিয়ে দেখ মাছরাঙ্গাটা মেলছে রঙের পাখা
এসব বলে ,আমার দেশটা ছবির মতন আঁকা।
হরিন দেখ তিড়িং বিরিং লাফিয়ে লাফিয়ে চলে
ময়না যেন কণ্ঠ ছেড়ে দেশের কথা বলে
মাঝি দেখ দাড় বেয়ে গায়, ভাটিয়ালি গান
এসব যেন প্রকাশ করে দেশের জন্য টান।
রোদে পুড়ে কৃষক দেখ কাটছে সোনার ধান
নকশি কাথা গাইছে যেন দেশের জয়গান
বিলের দেখ পানকৌড়ি নাচছে মনের সুখে
দেশের নামটি ভাসছে যেন সবার মুখে মু...
বাদল দিনে আমটি কুড়ে যখন ঘরে আসা
বারান্দা পেতে মায়ের হাতের গরম খিচুরি নিয়ে বসা
সাথে থাকে টিনের চালে রিমঝিমঝিম শব্দ
ঠাণ্ডা হওয়ায়ে আমের চাটনি...আহা !! মনটা করে জব্দ।
রোজ সন্ধ্যায় আসর বসে,গাজির পালা গান
ঘরে ঘরে জাগে যেন আনুন্দেরই বান
আরও আছে সবুজ মাঠ আর শান বাধানো ঘাট
এসব নয়ত রুপকথা, নয় কোন প্রবাদ।
দেশের কথা বলব কি আর, বলব তোমায়ে কিতা
না আমি লাদেন নিয়ে লিখবো না
মার্কিনিরা আবার একবার লাদেন খেলায় মেতেছে। দশ বছর আগে শুরু হওয়া ইদুঁর বিড়াল খেলার আবার একটি নতুন মোড় নিল। আর এজন্যই তো সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি জনাব ওবামা সাহেব দম্ভের সঙ্গে বলছে তার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার কথা। এজন্যই বলছি, তাদের ঠিক করে দেয়া বিষয়ে উপর চিন্তা করা বন্ধ করতে হবে। কারণ বিশ্ববাসীর কাছে এক সময়ের অচেনা রোগ 'সন্ত্রাসবাদ' আজ পুরো পৃথিবীর চিন্তার বিষয় হয়ে গেছে। কাদের জন্য (?) জানি এই উত্তর ব্লগার বন্ধুদের অজানা নয়। এই এক অদ্ভুত 'রাক্ষসের গল্পের' মতো। রাজার যখন যেখানে প্রয়োজন সেখানে হানা দেয় তাকে ধরার জন্য। কেউ রাজার এই কাজের বিরোধীতা করলে তাকে বানানো হয় রাক্ষসের বন্ধৃ। এই অবস্থায় সবাই খুব চিন্তিত, রাজা কবে কাকে রাক্ষসের বন্ধু বলে প্রচার করে তার বাড়িতে এসে হানা দেয়। আবার রাজার সাথে বন্ধুত্ব করলেও বিপদ কারণ, সবচেয়ে মৃল্যবান জিনিসটা না চাইতেই উপহার দিয়ে দিতে হবে
বৃষ্টিজলে ধুঁয়ে যাওয়া অক্ষর
১))
প্রায় দশ বছর পর বাবাকে দেখলাম। শেষবার যখন দেখি, আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম দোতলা বাড়ির বারান্দায় নিশ্চুপ দেয়ালের মতো। দেয়ালের কান আছে এমন কথা মাঝে মাঝে শোনা যায়, আমিও সেদিন সেই শোনা কথার আদর্শ ধরে রাখার জন্য কিছু কথা শুনে ফেলেছিলাম। নিচে দাঁড়িয়ে বাবা বলছিল, নামবি না খোকা?
আমি তখন দেয়ালের মতো অনঢ়। বাবা যখন দৃষ্টিসীমার বাইরে চলে গেল, তখন কিছুটা সচল হয়ে উৎসুক চোখ নিয়ে বাইরে এদিক-সেদিক তাকিয়েছিলাম।
এই দশ বছরে বাবা কত বদলে গেছে। বয়স যেন বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। মাস্ক মুখে, সারা হাত-পায়ে কিসব জানি লাগানো। বাবাকে মনে হচ্ছে বৃদ্ধ কেউ। আমি পাশে গিয়ে তাকালাম কিন্তু বাবা দেখল না। পাশে মনিটরে অদ্ভুত কিছু চিহ্ন ওঠানামা করছে।
তোমার বাবা, এখন কোমায়। এজন্য আসতে বলেছিলাম।
পেছনে তাকিয়ে দেখি বয়স্ক মতো এক লোক। মলিন একটা শার্ট পড়নে। চোখে-মুখে রাজ্যের আধাঁর।
হট যোগ হট সমান কোল্ড
আজ থেকে প্রায় দুই বছর আগে জুন মাসে আমরা সাত জন রওয়ানা হলাম হানিফ এন্টারপ্রাইজের বাসে। আমি, রোদ্দুর, রোদ্দুরের মা, গিয়াস, শিপলু, অন্যতমা আর বর্ণমালা। বাস কল্যানপুর থেকে ছাড়লো বিকাল চারটায়। সব ভাল হলে রাত নয়টার ভেতরে পৌঁছে যাবার কথা গন্তব্যে। আমাদের বাস যখন যমুনা সেতুর কাছাকাছি অর্থাৎ টাঙ্গাইলের অ্যালেঙ্গা বাজার পার হবার পরই শুরু হলো- ঝুম বৃষ্টি। সন্ধ্যা হবে হবে। কী অসাধারন সে বৃষ্টি ! বৃষ্টির মধ্যেই যমুনা সেতু পার হলাম। কাকতালীয়ভাবে সেতুর অর্ধেকটা পার হবার পর বিপরীত দিক থেকে একটা ট্রেনও এল। হোকনা লোকাল ট্রেন ! তাতেও ছেলে মেয়েরা যা আনন্দ পেলো !
মনটা ভালো হয়ে যায়
প্রায়ই মনটা খুব খারাপ থাকত...কিন্তু বন্ধু ব্লগে আসার পর থেকে মনটা খারাপ থাকলেও বন্ধুদের অসাধারন সব লেখা পড়ে মনের অজান্তেই মনটা খুব ভালো হয়ে যায় ... আমি বন্ধু ব্লগে এসে আসলেই ধন্য.।তাই বন্ধুদের জন্য কিছু লেখার চেষ্টা করছি...
বন্ধু মোদের চির সাথী বন্ধু মনের টান
কাছে দূরে যেখানেই থাকি ,বন্ধু অনির্বাণ
বন্ধু মোদের খুশির সাথী,আনুন্দের বান
জীবন ভর থাকবে এই বন্ধুত্তের টান......
কুসংস্কার লইয়া ভাবনা চিন্তা-২
কুসংস্কারঃ- পরীক্ষা দিতে যাওনের আগে আণ্ডা খাওয়া বারণ, তাইলে নিকি পরীক্ষায় আণ্ডা পাওন লাগে।
সাম্ভাব্য ব্যাখ্যাঃ- আণ্ডার একটু গুরুপাক দোষ বা গুন, যেইটাই কন, আছে। মানে টাইমলি আণ্ডা হজম না হইলে প্যাটের ভিতর ভুটভুটায়। আবার লুজ মোশান শুরু হইয়া যাওয়াও অস্বাভাবিক কিছু না। আর পরীক্ষার হলে বইসা বারবার টাট্টিখানায় দৌড়াইলে সাধারণ ভাবেই আণ্ডা পাইয়া যাওনের চান্স থাকে।
কুসংস্কারঃ- রাইতের বেলা সুই / চুন বিক্রিতে অনিচ্ছা।
সাম্ভাব্য ব্যাখ্যাঃ- এইখানে মনেহয় নিরাপত্তার। স্পেসিফিক ভাবে কইতে গেলে ব্যাক্তিগত নিরাপত্তার কথাই চিন্তা করা হইছে।
যেই লোক সুই লইবো এক হইতে পারে সূক্ষ্ম জিনিস বইলা সেডি হারাইয়া যাওনের সম্ভাবনা থাকে, আবার এই জিনিস ভুইলা বিছানা বা পাটিতে ফালাইয়া থুইলে শরিলে বিঁধা আহত হওনের ব্যাপারটারেও ফালায়া দেওন যায় না।