উপলব্ধি
অনেকদিন পর লিখছি।
অনেকদিন পর লিখছি।
কিন্তু ফাঁকে ফাঁকে ব্লগ পড়তে ভুলিনি।
ভুলিনি পছন্দের লেখাগুলোকে বুক মার্ক দিতে।
"আমরা বন্ধু"র ব্লগারদের মিস করেছি খুব। এই পোস্টটা তাই ব্লগার এবং ব্লগ নিয়ে।
-----------------------
"আমরা বন্ধু" ব্লগ দিয়েই আমার ব্লগিং জীবনের সূচনা। কেন এই ব্লগ বেছে নিলাম তা নিয়ে হা-বিতং করে বলার কিছু দেখি না। এখানকার পরিবেশ আমাকে যে স্বাচ্ছন্দ্য দেয় তা দুর্লভ।
আমার পোস্টে আমি এমন কিছু লিখি নাই। এই ব্লগে উপচে পড়ে ভালো লেখার ঢল।
এমন কোন ছবি পোস্ট দেই নাই যা সাধারণের সীমা অতিক্রম করতে পারে। এবি'র ফটুগফুরদের তুলনায় নস্যি।
আত্মকথন.. পর্ব ২
ভেবেছিলাম আমার লেখা কেউ পড়বে না,নিজের লেখা নিজেই লাইকাইতে হবে কিনা ভাবছিলাম
।সকালে ফেসবুক চেক করতে গিয়ে দেখি আমার ভাই এর মেসেজ,'আপু লেখা ভাল হয়েছে,তবে একটু কষ্ট করে বাংলা লেখাটা শিখে ফেল"..তখন ভাবলাম দেখি আজকে নতুন কিছু লেখা যায় কিনা।ব্লগ এসে দেখি সবার উষ্ণ স্বাগতম,আর সাথে বাংলা শেখার উৎসাহ।কউশিক এর করা আমার লেখার অনুবাদ দেখে তো আমি প্রথমে চিন্তেই পারিনি।তাই আহ্লাদে গদগদ হয়ে পর্ব২ লিখতে বসলাম।
ব্যথা ভারাক্রান্ত ঘুঙুরের মতো রাতভর বেজে যাওয়া এক দুঃখবিলাস!
এখন বাহিরে রাত
দূর হতে ভেসে আসে রাতজাগা বিহগের
বিষন্ন আর্তরব।
কেউ কোনোদিন জানবে না
কিসের বিরহে তার নির্ঘুম রাত কাটে;
দু’চোখের পাতায় অস্থির কাপন।
জানো কি তুমি,
কি হারানোর বেদনায়
কতো গভীর দুঃখ যাতনায়
পাথরেরও বুক ভাঙে!
দেখেছো কি তুমি,
পাহাড়ের কোল বেয়ে সে কান্নার
ঝর্ণা হয়ে অবিশ্রান্ত বয়ে যাওয়া!
তুমি শুনতে পাও কি,
ক্লান্ত দুপুরে রাখালীয়া বাঁশীতে
বাদকের বোবা যন্ত্রণার
সুর হয়ে ঝরে পড়া!
কিংবা,
ঝিঁ-ঝিঁ পোকার জমানো অনেক দুঃখের
অবোধ্য স্বরে
ব্যথা ভারাক্রান্ত ঘুঙুরের মতো
রাতভর বেজে যাওয়া!
পাও কি শুনতে তুমি?
আনমনা হয়ে ভাবো কি কোন অপূর্ণতার কথা?
মনে পড়ে কি আবছা হয়ে আসা অতীতের কোন মুখ?
আমি জেগে আছি।
আমার পৃথিবীজুড়ে এখন শুধুই
অসহ্য অন্ধকার;
মনের গল্প

আমার দেহ আমার এ মন
একলা আমি ওরা দুজন !
ঠিক তাই ! প্রকৃতির মত ক্ষণে ক্ষণে বদলে যাওয়া আমার এ অবুঝ মন, কখন যে তার কি হয় বোঝা মুশকিল। কখন যে তার বয়স বাড়ে আর কখন যে কমে তা আমি একদমই বুঝতে পারিনা। তার সাথে তাল মেলাতে যেয়ে আমি মাঝে মাঝে বেতাল হয়ে যাই।
এইতো ধর সেদিন পরিবারের এক গাদা পিচ্চি নিয়ে গেলাম ফ্যান্টাসী কিংডম। টিকেট কেটে চড়ে বসলাম রাইডগুলিতে, পিচ্চিগুলির সাথে মনটাও আমার পিচ্চি হয়ে গেল। আমার এই দেহটা কি আর সব সময় সে ধাক্কা সামলাতে পারে। সারাদিন মাস্তি করে গায়ে হল ভিষণ ব্যাথা, কিন্ত মন ! সে তো ওই পিচ্চিদের মত নির্মল আর সতেজ থাকল!
আমার যাদুমনি (১১)
দেখতে দেখতে দিন গুলো চলে যাচ্ছে। কাল হঠাৎ মনে পড়লো ঋহান এর নিউমনিয়া কালীন সময়ে হসপিটালে পার করা ভয়াবহ দিন গুলোর কথা। ঋহানকে নিয়ে যখন ডাক্তার আই.সি.ইউ তে ঢুকলো, আমার ঋহান ভেতর থেকে সজোড়ে চিৎকার করে কাঁদছে আর এদিকে আমি বাইরে দাঁড়িয়ে অঝরে কাঁদছি। তারপর এক এক করে ৭টা দিন এভাবেই পার করা আমার জন্য মুখের কথা ছিলো না। তাও পার করে আসতে পেরেছি সেই ভয়াবহ ৭দিন। তারপর হাসি-কান্না্, সুখ-দুঃখ মিলে একে একে ৯টা মাস পার হয়ে গেলো। আমার ঋহান এখন বড় হয়ে যাচ্ছে। এখন ও বসতে পারে, একটু একটু দাঁড়ানোরও চেষ্টা করে। সারাদিন ওকে ঘিরে আমার কত শত মূহুর্ত! ও কি জানে, ওর প্রতিটা কাঁন্না আমার মন খারাপ করে দেয়? ও কি জানে ওর প্রতিটা হাসি আমার মন ভালো করে দেয়? ও কি জানে, ও নিজের মুখ থেকে সারাদিন যেসব অর্থহীন শব্দ উচ্চারন করে সেই প্রতিটি শব্দতে আমি এক একটা অর্থ খুঁজে পাই?
attokothon
sobak kache khoma cheye nichi..amrabondhu te registered howar po onekbar chestakorechibanglay likhar..bt avro phonetics er help niye jotokhone akta line likhi..tokhone bodh hoy enrejite..thukkuengilsh e banglar 20ta line lekha hoye jeto..ki kotrbo bhai..prothom prothom to...keu abar bhebe bosben na jeno..ami english medium e porua lass one er pichir mayeder moto bolchi.."janen bhabi amar chele to bangla akkebarei bolte pare na..ma dak to kono motei mukh diye ber kortei parlam na...amake MOm r or abbu k Dad ble..dekhen na bhabi..amra ki otoshoto bujhi.. 
হটল্যান্ড থেকে ফ্রিজল্যান্ড ২ : দুবাই
রাতের ফাঁকা রাস্তায় একশ কিমিতে গাড়ি চালিয়ে মাইক্রোর ড্রাইভার বিশ মিনিটেই বিমানবন্দরে পৌছে দিল। এই প্রথম বিদেশ যাত্রা, মনের ভিতর টেনশন। বোর্ডিং এ ফরম পূরণ করে লাইনে দাঁড়াতেই এক যাত্রী অনুরোধ তার ফরম লিখে দেওয়ার। এই লোককে দেখে আমার মনের ভয় সবটাই নাই হয়ে গেল, সম্পূর্ণ নিরক্ষর একজন পাঁচ বছর সৌদিতে কাজ করতে পারে, যাওয়া আশা করতে পারে তবে আমার ভয় কী?
সবক-দ্য লেসন
আমি অনেক অলস একজন মানুষ। আমার সম্পর্কে যারা উচ্চ ধারণা পোষণ করেন, অনেকদিন ধরে তাঁদের আব্দার একটা কিছু সুন্দর করে যেন লিখি। তাই ভাবলাম নাইবা হলাম মুহম্মদ জাফর ইকবালের মত কেউ, অথবা নুশেরা আপু, মীর ভাই বা তাতাপু (আমি সব ব্লগার কে চিনিনা, যারা লেখেন তাঁদের সবার লেখার প্রতি আমার শ্রদ্ধা রইল); তবে মোদ্দা কথা হল এই, এবিতে আমিও পেচ্চাপেচ্চি করে বিমল আনন্দ পেতে চাই। তাই আমার নিজের ও আমার খুব কাছের কিছু ঘটনা দিয়ে শুরু করছি-
নববর্ষের সকালে সবাই বাড়িতে সব্বাইকে শুভেচছা জানাচ্ছি, আমার ছেলে জানতে চাইল শুভ (ওর বাবার নাম)নববর্ষ হল এবার আরভিন বর্ষ কবে হবে?
আমার যাদুমনি (১০)

এই বাবা, খবরদার! আমার ছবি তুলবা না 

এই বয়সেই শুরু। একেই বলে বাপ-কা বেটা

মা এগুলি কি পঁচা কথা বলে, আমি কিন্তু এখনি কান্না কলে দিবো

নিশি-নবনী-ঋহান (ঋহানের ফুপুতো বোনরা)

আনন্দ বাতাসে উড়ে বেরায়, বাবা-ছেলে সেটা ধরতে চায়

হতবাক!

ঋহানের উকিঝুকি

নোরা-ঋহান এর হামাগুড়ি
জীবন যে রকম
১.
এক উঠতি আঁতেল কবিকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কেমন আছেন?
ভাব নিয়ে সেই কবি বলেছিল, 'রবীন্দ্রনাথ নেই, নজরুলও মারা গেছে। আমার শরীরটাও ভাল যাচ্ছে না'।
নানা ঝামেলায় অনেকদিন পর ব্লগে ঢুকলাম। কেউ আবার জানতে চাইয়েন না, কেমন আছি।
২.
শচীনদেব বর্মন ত্রিপুরার রাজবংশের ছেলে ছিলেন। সে সময়ের ত্রিপুরা মানেই তো কুমিল্লা। শচীনকর্তা দীর্ঘদিন কুমিল্লায় ছিলেন। তাই সেসময়ের পূর্ব বাংলা নিয়ে শচীনকর্তার বিশেষ ভালবাসা ছিল। আর তাই তিন ইস্ট বেঙ্গলের কঠিন সমর্থক ছিলেন। দলটির খেলার নিয়মিত দর্শক ছিলেন। আর চরম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল মোহনবাগান।
শেষ বয়সটা ভাল যায়নি শচীনকর্তার। অসুস্থ ছিলেন। বলতে গেলে দীর্ঘদিন প্রায় কোমার মধ্যে ছিলেন। কিছু চিনতেন না, কথা বলতে পারতেন না, কোনো ধরণের সাড়াশব্দ ছিল না।
ইদানিং জীবনযাপন
খুব ঘন ঘন মৃত্যু সংবাদ পেতে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়ার বয়েসে পৌঁছেছি এখন, এতদিন শুধু জন্মদিবস উদযাপন করেছি, এখন সময় এসেছে মৃত্যুদিন উদযাপনের, নতুন জন্মসংবাদ এখনও আহ্লাদিত করে কিন্তু একই সাথে মৃত্যু সংবাদ শুনবার ভীতিও সমান ভাবে প্রবল। গত এক মাসে চারজন পরিচিত মানুষের মৃত্যু সংবাদ শুনলাম, যাদের সাথে গত দুই দশক বেশ আনন্দে, আড্ডায় কেটেছে সেসব বন্ধুদের বাসায় আমাদের নিয়মিত আড্ডা বসতো, সেইসব পরিচিত মানুষের মৃত্যুর সংবাদ হুট করে পেলে খানিকটা বিষন্ন লাগে কিন্তু এ বয়েসে হারানোর শোক ততটা তীব্র নয়, এই ব্যাথ্যা ততটা তীব্র হয়ে অবশ করে ফেলে না, বরং পরবর্তী মৃত্যু সংবাদ শুনবার প্রস্তুতি নিয়ে রাখি, জানি না কখন কার মৃত্যু সংবাদ ভেসে আসবে মুঠোফোনে।
হটল্যান্ড থেকে ফ্রিজল্যান্ড ১ : প্রস্তুতি
প্রায় অর্ধযুগ হয়ে গেল বিদেশ ঘুরে আসার। কতবার ভাবছি এইটা নিয়ে লিখব কিন্তু আজ না কাল করে করে লেখা হয়ে উঠে না। দেড় মাসের জন্য হল্যান্ডের খুব খুবই ছোট এক শহরে থাকার আনন্দের স্মৃতি এতদিন না লেখার অন্যতম কারণ সেই চমৎকার সময়ের ভিজুয়াল স্মৃতি উপকরণ হারিয়ে ফেলা। সেখানে আমি আমার আশেপাশের যত ছবি তুলিছেলিাম একটা সিডিতে কপি করা ছিল। সেই সিডিটা হারিয়ে ফেলার দুঃখে লেখা আর হয়ে উঠেনা। এইবার ঠিক করেছি লিখেই ফেলব, নাহলে আর হয়ত আমার জীবনের প্রথম বিদেশ ভ্রমনের কথা লেখা হবে না।
আমি তখন একটা ডাচ-বাংলাদেশি কোম্পানিতে কাজ করতাম। কয়েকদিন ধরে কথা হচ্ছিল আমার ও আরেকজন সিনিওর কলিগের নেদারল্যান্ড যাওয়ার। তবে যাওয়া যে হবে নিশ্চিত ছিলনা। কিন্তু যখন নিশ্চিত হল তখন হাতে সময় নাই। এক সপ্তাহের মধ্যে যেতে হবে। এবং একা। এদিকে আমার কোনো প্রস্তুতি ছিলনা। এমনকি পাসপোর্টও ছিলনা।
গল্প: পানকৌড়ি বা ঘাসফড়িঙ না দেখেই কেটে গেছে প্রায় ছয়টি বছর
খেলার কাজটি ভালো পারতাম জন্মের পর থেকেই। আব্বু-আম্মু কিংবা আর সবার কোলে কত যে খেলেছি, তার কোনো ইয়ত্তা নেই। তখন সবাই কোলে নিয়ে আমার খেলা দেখতেও মজা পেতো। আমিও সবার কোলে উঠে অনেক মজা পেতাম। এর কিছুকাল পর যখন একটু দৌড়াতে শিখেছি তখন জীবনের প্রথম সত্যিকারের খেলার সরঞ্জাম উপহার পেলাম। সে সময় স্কুলে যাওয়ার কোনো বালাই ছিলো না বলে দৌড়-ঝাপেরও কোনো সীমা-পরিসীমা ছিলো না। দিনের যখন খুশি, যেখানে খুশি শুরু হয়ে যেতাম। শুধু আম্মুজানের চোখের আড়াল হওয়ার পারমিশনটুকু ছিলো না। তাতে কোনো অসুবিধা হতো না। বাবা’র সরকারী চাকুরীর সুবাদের প্রাপ্ত বিশাল বাড়িটিতে অনেকখানি জায়গা জুড়ে ছিলো হাত-পা দুইদিকে যতদূর যায় ততদূর ছড়িয়ে দৌড়ানোর সুযোগ। আজ-কালকার ঈশ্বরের আশীর্বাদেরা সে সুযোগ কতটুকু পায়, জানি না।
শেয়ার বাজার ধস ! সরকারের উদাসীনতা !! প্রধানমন্ত্রীর নিরাবতা !!!
বেশ কিছুদিন ধরে মনটা অনেক খারাপ । শেয়ার বাজার ধসের পর ধস হচ্ছে । মূলধন প্রায় নাই হয়ে যাচ্ছে । তবে মনটা খারাপ অন্য কারনে । সেটা হল সরকারের উদাসীনতা । সরকারের কোন মহলই মনে হয় না বেপারটা সিরিয়াসলি নিচ্ছে । একটি তদন্ত করে তার রিপোর্ট নিয়ে লুকচুরি করছে । এ যেন মজার একটা বিষয় । অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে কেলেঙ্কারির মহা নায়কদের সরকার শক্তি অর্জন করার সময় দিচ্ছে ।আওয়ামিলিগের আমলে(১৯৭৪) একবার দুর্ভিক্ষ হয়ে ছিল এবং সেই বদনাম তাদেরকে অনেক দিন বয়ে বেরাতে হয়েছে । সবাই বলত আওমীলিগ মানেই দুর্ভিক্ষ । আওমী বিরোধিদের এই কথা থেকে বের হতে তাদের বেশ কস্ট করতে হয়েছিল । অনেক আগের হলেও আবার কথাটি আবার মনে পরল তাদের সমসাময়িক কিছু কার্যকলাপ থেকে । ৯৬ সালের শেয়ার বাজার কেলেংকারীর কথা আশাকরি সবার মনে আছে । কত মানুষ যে নিস্ব হয়েছিল সব কিছু হারিয়ে !