অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

দ্রুতগামী সময়, মায়ার খেলা!

অনেক কিছু লিখতে ইচ্ছে করে। কিন্তু লিখবো লিখবো করেও আর হয়ে উঠে না। আর যখন লেখার জন্য বসি তখন মনে হয় জমে থাক কথা, সব লিখে লাভ কি। কিন্তু আজ আমি লিখবোই। একটা বিশাল পোষ্ট লেখার ইচ্ছে। কারন আমার কত বন্ধু আছে যারা এক লেখাই সাতদিন ধরে লিখে, ড্রাফট করে, শেষে আর লেখাটা ব্লগে তো থাক কোথাও আলোর মুখ দেখে না। আমি অবশ্য সেরকম না। আমি তাৎক্ষনিক স্বকীয়তায় বিশ্বাসী। যা যখন ভাবি, তাই নিয়ে লিখতে ইচ্ছে করে। সেই ভাবনা শেষ, লেখার তেমন ইচ্ছেও থাকে না। তবে এখন সেই অবস্থার সামান্য চেঞ্জ আনার চেষ্টায় আছি, কিছু লেখার বিষয় জমিয়ে রেখে, এক সাথে এক পোষ্টে তা লিখে দেয়া। দেখা যাক কত দূর কি হয়!

সুন্দর পৃথিবী অসুন্দর মানুষ...

আমার একমাত্র মেয়েটা ধর্ষিত হয়েছে আজ ৪দিন।হাসপাতালের বেডে শুয়ে সে তার আঠারো বছরের জীবনের সব সুন্দর মুহূর্তগুলো স্মৃতিচারণ করছে,আমার খেয়াল সেদিকে ছিলো না।মেয়ের বিছানার সাদা চাদরের দিকে তাকিয়ে ছিলাম,দেখছিলাম কিভাবে সাদা চাদর রক্তে লাল হয় আপন মনেই ভাবছিলাম হাসপাতালের বিছানার চাদরগুলোর রঙ সাদা হওয়ার কি খুব প্রয়োজন ছিলো??

মেয়ের মা বেঁচে থাকলে এইরকম বিব্রতকর অবস্থায় আমাকে পরতে হত না।আমি সামনে থাকায় ডাক্তারের কোনো প্রশ্নের উত্তরই মেয়ে দিতে পারছে না।

৫ম দিন রাতে আমার মেয়ে হঠাৎ করে আমাকে জিজ্ঞেস করলো "আচ্ছা বাবা পৃথিবীটা এতো কুৎছিত কেনো'??

সে উত্তরের অপেক্ষা না করেই কুৎছিত পৃথিবীকে বিদায় জানালো।

লেট নাইট কুকিং

দরজা জানালা বন্ধ করা। তারপরও মনে হচ্ছে বেড়ার ফুটো দিয়ে শির শির করে বাতাস ঢুকছে ঘরে। রাত প্রায় শেষ। একটু পরেই মাইকে আজান দেবে। ঘণ্টা কয়েক ধরে ইন্টারনেটে বার্তাচালাচালি করে যখন খুব খিদে লেগেছে তখন একটু ফেসবুকে ঢুকে পড়লাম। আর দেখি একটু আগেই সুফিয়া কামাল হলের একটি রুমে "লেট নাইট কুকিং'' শেষে খাবার দাবারগুলো সযত্নে পরিবেশন করে রাখা হয়েছে।

থালার মাঝখানে একবাটি ভাত উল্টো করে রাখা, চাইনিজদের মত করে। তার পাশে চিংড়ি মাছের কি একটা তরকারি। ভাতের উপরে একটু ধনে পাতা। আর গোলাপ ফুলের মত করে কাঁটা একটা টমেটো। ছবির ক্যাপশনে লিখেছে ''লেট নাইট কুকিং। শ্রিম্প উইথ সবজি, আর কি চাই? কার কার খিদে পেয়েছে??''

আগুন পাখি এবং স্বপ্ন

আজকাল স্বপ্ন দেখাটা অভ্যাস হয়ে গেছে।দেখতে না চাইলেও জোর করে স্বপ্ন দেখায় চোখ জোড়া।বিছানায় শুলেই স্বপ্ন দেখি।পাবলিক বাসে বসে স্বপ্ন দেখি।জেগে থেকে স্বপ্ন দেখি।দেখতে চাই না,তবু দেখি.....

শুয়ে থেকেই আকাশ ছোঁয়া যায়, স্বপ্নগুলোর কালার
প্রিন্ট-আউট নেয়া যায়, তারপর
সেগুলো দুমড়ে মুচড়ে ছুঁড়ে ফেলা যায় বাস্তবতার
ওয়েইস্ট বক্সের পাকস্থলীতে।
শুয়ে থেকেই আকাশ দেখা যায়। মাথার ওপর হাহাকার,পায়ের
পাতায় অবসন্নতা।

আকাশ ছুঁই শুয়ে থেকেই।বাস্তবতা নাড়া দেয়।ঘরে ১৮ বছরের ছেলে।বেকার।কোথাও চান্স হয় নি।স্বপ্ন গুলো কালার প্রিন্ট আউট থেকে সাদাকালো হতে সময় নেয় না মোটেও। উ হু,সাদাকালো না।ধূসর। মরুভূমির মরিচীকার মতন।এক পা এগুলেই ভাবি এই তো আর কিছুদূর। বৃদ্ধ, ক্লান্ত,পরিশ্রান্ত দেহটাকে টেনে নিয়ে যাই স্বপ্নের কাছে।গন্তব্যে আবিষ্কার করি সবই মিছে,প্রতারণা। আর কিছু দূর.....

যুদ্ধের খেরোপাতা!

ছোটবেলা বাবা শোনাত অদ্ভুত সব গল্প। তার গল্পের ঝুড়ি থেকে ছড়িয়ে শব্দমালাগুলো আমার শৈশব কৈশোরের বড় একটা সময় মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছে। কখনো মনে হতো যদি আমি হতেম দিগ্বীজয়ী হালাকু খাঁ তাহলে আমার পতাকা চীন ছাড়িয়ে আরও দক্ষিনে সম্প্রসারিত করতাম। যে আলেকজান্ডার ভারতবর্ষে এসে তার বিজয় রথ থামিয়ে দেয় আমি সেই ভারতবর্ষকে আমার রাজধানী। অথবা যদি হতেম সেই এলেন কোয়ার্টারমাইন, তাহলে তাহলে প্রেইরী অঞ্চলের সবুজ বুক চীড়ে জেগে উঠা পাহাড়ের গোপন গূহ্যদ্বার পেরিয়ে চলে যেতাম সেই চিরযৌবনের দেশে যেখানে মৃত্যু জরা ব্যাধী কখনো কাউকে ছিনিয়ে নেবে না।

গ্রন্থালোচনাঃ বোবাকাহিনী

ক্রীসমাসের ছুটিতে কিছুটা কাউচ পটেটো হয়ে বাইরের তুষারপাত দেখেছি আর হাতে ছিলো গরমা গরম সবুজ চায়ের সাথে পড়া না পড়া কয়েকটি বই আর কিছু দুর্দান্ত সিনেমা। ছোটবেলা থেকে পল্লীকবি জসীমউদ্দিনের কবিতা পড়েছি তবে সেগুলো বেশীরভাগই টেক্সট বইয়ে। সহজ সরল জীবন কথা, গ্রামীন রুপ এই তার লেখার প্রধান উপজীব্য বলে ধারনা ছিলো। নিজেদের শহুরে জীবনের সাথে অনেক সময় রিলেট করতে পারিনি বলে বেশীর ভাগ সময় আগের যুগে গ্রামে এমন হতো এই মনোভাব নিয়ে পড়ে গেছি।

আমার বাড়ি যাইও ভোমর, বসতে দেব পিঁড়ে,
জলপান যে করতে দেব শালি ধানের চিঁড়ে।
শালি ধানের চিঁড়ে দেব, বিন্নি ধানের খই,
বাড়ির গাছের কবরী কলা গামছা বাঁধা দই।

কিংবা

আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও,
রহিমদ্দির ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও।
বাড়ি তো নয় পাখির বাসা ভেন্না পাতার ছানি,
একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি।
একটুখানি হাওয়া দিলেই ঘর নড়বড় করে,

অপেক্ষা !!!

অপেক্ষা!!!

ব্যস্ত মানুষ, ব্যস্ত গাড়ী
রাস্তায় দাঁড়িয়ে একলা আমি।

ব্যস্ত রাস্তায় খুজি তাকে
হারিয়েছি যাকে অনেক আগে।

ভোরের শিশির হয়ে আসবে সে
হয়তো কোন সবুজ মাঠে,
বলাকা বাসের জানালা দিয়ে
হয়তো সে ডাকবে আমাকে।

ক্লান্ত দুপুর কিংবা পড়ন্ত বিকেলে
আসবে সে নদীর জলে।
কোন এক গোধূলি লগ্নে
আসবে সে চায়ের কাপে।

মাঝ রাতে সপ্নের ঘোরে
হয়তো আসবে সে গল্প শোনাতে,
কোন এক ছুটির সকালে
হয়তো আসবে সে চিলেকোঠার কোনে।

আসবে যখনি পাবে আমায়
আছি শুধু তোমারি অপেক্ষায়!!!

দিনপঞ্জিকা

ক্ষমা চেয়ে নিলাম।কাল লিখা প্রকাশ করার পরও কোন অজ্ঞাত কারনে সরিয়ে নিয়েছিলাম।তার জন্য ক্ষমা করবেন।

গুরুজন, আমার ছোট,বড় ভাই,বোন সবাই মাফ করবেন। এই ধরনের লিখার জন্য। ছোট ভাই হিসাবে মাফ করবেন।

আমার সিগারেট খাওয়ার কথা যখন বাসায়
জানলো,তখন আম্মার যে হাউ কাউ,
এখনো সেটা থামেনি, এবং আমার ধুমপানের অভ্যাশ
নিয়ে তার কান্ডকলাপ জোড়া লাগিয়ে একটা বেশ
বই লেখা যায়।

যাই হোক, সেটা অন্য আলাপ, এখন বাবার কথা।
বাবার রিএকশন কিছু ছিলো না। তবে সে বোধ হয়
একটু কষ্ট পাইছিল।

আমাকে একদিন বললো, "রৌদ , যে সিগারেটই
খাও, ভালোটা খাবে। কমদামী না "

তখন মেজাজা খারাপ হইছিল খুব।

আম্মা বিড়ি খাওয়ার কথা জানার পর আমার
অর্থনৈতিক অবস্থার যে ধ্বস নামছিল,
তা থেকে আজো পরিপুর্ণভাবে উঠতে পারি নাই।

তারপর আরেকদিন সে কিঞ্চিত বিরক্ত হয়েই

কি বিষ রেখেছ ঢেলে...

কখনও কি ভালোবাসা জীবনের কানাগলি দিয়ে
ভুল করে হেঁটে যাবে পথ?
কোথাও ধুসর দূরে...
ঝাঁক বেঁধে নামে যদি
নম্র-নীল আলোর কপোত!

অবকাশ নামক ফাঁকিবাজি

ক্যামন আছি সত্তি জানি না। সময় দরকার। পড়াশোনা, কাজ কর্ম সারা এবং গুছিয়ে চিন্তা করার জন্য। হয়ত পিছিয়ে পড়ছি। কিন্তু অবকাশটাও দরকার বলে মনে হচ্ছে।

আমার আসলে একটা অবকাশ দরকার। অন্তত একটা বছর। হয়ত তাই হতে যাচ্ছে। তাই যদি হয় তবে জীবনের পরবর্তী বছরগুলোর একটা পরিকল্পনা ও দিক নির্দেশনা প্রস্তুত করে ফেলতে হবে এর ভিতরেই।

অনেক কাজ করা দরকার। প্রধানত শিক্ষামূলক। বই পড়া এবং ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করা। পরিস্থিতি যথেষ্ট ঘোলাটে হয়ে আছে বলে জীবন নিয়ে এখন কিছু ভাবাও প্রায় অসম্ভব। ফাইনাল পরীক্ষার পর চাকরি খোঁজার সুযোগ আছে হয়ত, কিন্তু সেটা করা ঠিক হবে না বলে কেউ কেউ বলছে। আমারও সেটাই মনে হচ্ছে। কেননা তাতে আমি এই অবকাশটা পাবো না।

কেন ভয়ে ভয়ে কেটে যাবে একটা জীবন?

সময় গুলো কেমন নির্বিকার ভঙ্গিতে কেটে যাচ্ছে। বয়স বেড়ে যাচ্ছে প্রতিদিন।শীতের ঝরা পাতার মধ্যে ঝরে পড়ার দিকেই হয়তো এগিয়ে চলছি। অথচ জীবনে যে কিছুই করা হলো না এখনো। না ব্যক্তি জীবনে, না সামাজিক জীবনে। এমন কোনো কাজই তো করলাম না যে কাজটার কারণে জীবনের কোনো না কোনো সময় মনে হবে আমি অন্তত চেষ্টা করেছি ভালো কিছু করার।চেষ্টা সার্থক হয়েছে না কি বৃথা গেল সেটা পরের ব্যাপার।
বাইরে কাজ করতে গেলে বুঝা যায় নারী জীবনের চলার পথটা কত বেশি অমসৃণ। পায়ে পায়ে যেন কাঁটা বিছানো থাকে। তার মানে এই নয় যে ঘরে থাকা নারীদের জীবন পুরোপুরি ভীতিহীন কিংবা সীমাহীন আনন্দময়।
আমার এক বস একদিন কথা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ওনার সারা জীবনের চেষ্টা ছিল ওনাকে যেন কেউ কোনোদিন ভয় না পায়। আমরা ক’জন সহকর্মী একসাথে জিজ্ঞেস করলাম কেন স্যার।

নিরানন্দ নিউ ইয়ার

mpwgp7k4tzs28g93ddzm.jpg

মন খারাপ করে নিজের রুমে চুপচাপ বসে আছে ফারদিন । গতকাল নিউ ইয়ার গিয়েছে । সেই হিসেবে মন ভাল থাকার কথা । এনজয় সে ঠিকই করেছে তার বন্ধুদের সাথে । কিন্তু ওর মনটি খারাপ অন্য কারনে । কাল সকালে উঠেই সাদিয়াকে নিউ ইয়ারের শুভেচ্ছা দিয়েছিল মেসেজে । কিন্তু সাদিয়া এখনও মেসেজের কোন উত্তর দেয়নি । ফারদিন ওকে কয়েকবার কলও দিয়েছিল ওর ফোন নাম্বারে । কলব্যাক করা তো দূরে থাক একটা কল এখন পর্যন্ত রিসিভডও করেনি সাদিয়া । সে কারনেই মন আরও বেশি খারাপ । নিউ ইয়ার টাই গেল নিরানন্দ ।
মেয়েটি ওরই ক্লাসের । ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের ভিতরে একজন । মেয়েটিকে সে অসম্ভব ভালবাসে । কিন্তু মেয়েটি ওকে ভালবাসে কিনা আজও সে তা বুঝতে পারেনি ।

ক্যালেন্ডারে বাঁধা দিনরাত্রীর অযথা হিসাব নিকাশ!

প্রায় গোটা বিশেক দিন পর পিসির সামনে লিখতে বসলাম। পিসিটা নষ্ট ছিল আজ ঠিক করে আনলাম, ভালোই টাকা চলে গেল- তবে খুব আনন্দ পাচ্ছি, কেন তা জানি না। কারন হতে পারে, ব্লগ লিখতে ভালো লাগে। লেখা শেষ করে অনলাইনে প্রকাশ করার একটা আনন্দ আছে। সেই আনন্দ আগেও পেতাম এখনও পাই। বন্ধুরা পড়ে, কেউ কেউ অভিমত জানায়। এতোটুকুই তো। পত্রিকায় ঢাউস ঢাউস সম্পাদকীয় লিখেও তো মানুষ সেই লেখা পড়ে না। কোনো মহান সাহিত্য কর্ম তো আর ব্লগ লিখে সম্ভব না, আর গল্প কবিতা লেখার মতো প্রতিভাও আমার নাই। তবে গত দু চার মাস ধরে আমার সচলায়তনের ফরমেটে অনুগল্প লিখতে ইচ্ছে করে খুব। কয়েকটা লিখেছিও, কিন্তু বই পড়ার নিদারুন অভ্যাস থাকার দরুন, কোনটা কেমন লেখা তা নিয়ে ধারনা করতে পারি। নিতান্তই অখাদ্য কয়েকটি গল্প হয়েছে, তাও আমি অবশ্য আশাবাদী যে খাতা কলম নিয়ে লিখতে তো বসছি। একদিন না একদিন, একটা না একটা পাঠযোগ্য লেখা লিখেই ছাড়বো।

ভাঙাচোরা দিনকাল ৪

প্রবাসে জীবন মানে মেনে নেওয়া আর মানিয়ে নেওয়া। কিছু অভ্যস্ততা, কিছু ভালো লাগার সাথে সমঝোতা করে ভিন্ন একটি সংস্কৃতিতে ভালো থাকার প্রয়াস। টং এর দোকানের চা, সস্তা বিস্কুট আর দোকানের শিশু কর্মচারীর কাছে বাড়তি সালামের বিনিময়ে সস্তা দোকানে সেলফসার্ভিস কফি-ডোনাটের দিনগুলো অনেকটা ভিউকার্ডে বসবাসের মতো মনে হয়। আমাদের বেড়ে ওঠার সময় খুব ভিউকার্ডের চল ছিলো। সুইজারল্যান্ড, সুইডেন, লেক জেনেভা, এল্পাইন, টিউলিপ বাগান, আমীর খান, মাধুরী শ্রীদেবীর ৪ বাই ৬ ছবি। আমাদের অনেকেই ভিউকার্ড জমাতো, বিদেশের অনুকরণে আমাদের মফঃস্বলে অঞ্জু ঘোষ, চম্পা ববিতার ভিউকার্ড বিক্রী হতো সিনেমা হলের সামনের দোকানে। লুকিয়ে সিগারেট টানার সময় দেখতাম নায়িকার স্ফীতস্তনের দিকে তাকিয়ে কেউ বলছে মালটা সেই রকম।

ভাঙাচোরা দিনকাল ৪

এর আগে যেখানে ছিলাম, সেখানে অক্টোবরেই বাংলাদেশের মাঘমাসের শীত। কাগজে কলমে মার্চের প্রথম সপ্তাহে বসন্তবরন হলেও এপ্রিলের মাঝ পর্যন্ত বরফ পরার সম্ভাবনা ছিলো প্রবল। পহেলা বৈশাখে সবাই যখন ক্যাম্পাসে পাঞ্জাবীর হাতা দিয়ে ঘাম মুচছে আমি তখন একটা সোয়েটারের উপরে হালকা জ্যাকেট পরে বন্ধুর সাথে গল্প করছি, বন্ধু বলছে গরমে প্রাণ যায় যায় অবস্থা। ডিসেম্বরের শেষ থেকে জানুয়ারীর প্রায় সম্পূর্ণটা জুড়েই গভীর রাতে তাপমাত্রা -২ থেকে -১৫তে ঘোরাফেরা করতো। এই প্রচন্ড শীতের ভেতরেও এতটা শীত কাতর হই নি, যতটা ভয়ংকর মনে হচ্ছে জাপানের শীত।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ