প্রতিদিনের বেঁচে থাকায় কেটে গেল এই জীবন!
আমাদের স্কুলে অথবা কলেজে কোনোদিন স্বরসতী পুজো হয় নি। তাই আমার জানা নাই তা কেমন হয়। তবে আজ রাস্তায় প্রচুর শাড়ী পরিধান করা উর্বশীদের দেখে মনটা কেমন জানি করলো। অনেক জায়গাতেই ঢাকায় আজ আয়োজন ছিল। ভালোই, দেশে অসাম্প্রদায়িকতার বাতাস আমাকে আলোড়িত করে। কিন্তু আজ পত্রিকাতেই দেখলাম সংসদ প্লাজায় পূজা যখন হয়েও হয় না, দিনাজপুরে আদিবাসীদের ঘর জ্বালিয়ে দেয় বাঙ্গালী মুসলমানের বংশ, বিচারপতি অন্য ধর্মালম্বী হওয়ার কারনে আওয়ামীলীগের ইসলামিক উইং ওলামা লীগ যখন মিছিল সমাবেশ করে। তখন মনে হয় অসাম্প্রদায়িকতা আর ধর্মনিরপেক্ষতা বিশাল বিশাল একেকটা ঠুনকো মুখোশ। যা প্রয়োজনে পড়তে হয়, সব সময় খুলে রাখতে হয়। আমাদের সবার জীবনেই এইসব ভেক ধরতে হয়। ভান করতে হয় অসাম্প্রদায়িকতার, নিজেকে উদার ও সভ্য মানুষ হিসেবে প্রমান দিতে হয়। বস্তুত সবই সুযোগের অপেক্ষা, সামান্য সুযোগই আমাদের সব মুখোশকে পেট্রোল বোমার মতো পুড়িয়ে দেয়, বের করে আনে ল
ক্ষমাহীন প্রান্তর জুড়ে আমাদের বেঁচে থাকা!
এইসব জন্মদিন টন্মদিন আমার মোটেও ভালো লাগে না। খুব একটা ইঞ্জয়ও করিনা। তাও বছর ঘুরে আসে এসব দিন, আমার যেমন আসে ২০ শে জানুয়ারী, নিজেকে সেইসব দিনে কেমন জানি অযথা অযথা লাগে। আর বয়স নিয়ে ভাবলে হতাশ হয়ে যাই। বয়স একটা বোঝার নাম, হিসেবে আসবে আমার বয়স সাতাশ, আমার সবসময় মনে হয় আমার বয়স ১৭-১৮। অঞ্জন দত্ত কি আর এমনিতেই গানটা গাইছে, 'আমার বয়স বাড়ে, আমি বাড়ি না'। আমি আসলেই বুঝে উঠি না বয়সের লীলাখেলা। আমার এক কাছের বন্ধু বললো, এখনি এই দশা, সামনে কি করবো। আসলেই সামনে যে কি করবো তা ভাবতে বসলে মন খারাপ হয়। আসলেই তারুন্য কিংবা কিশোর কাল এক অসাধারণ জিনিস। তখন মনে হতো বড় হবো কবে? আর এখন মনে হয় বড় হয়ে হলোটা কি?
প্রিয়তমেষু
পুরোনো বইয়ের পাতার
ভাঁজে উঁইপোকাকে ফাঁকি দিয়ে
বেঁচে থাকা একটা-দু'টো কালচে হলুদ কাগজে কিছু
বাক্সবন্দি স্মৃতিরা আনন্দেই দিন কাটাচ্ছিলো।
আচমকাই আমার অবাঞ্ছিত আগমনে তাদের
বিরক্তির যথেষ্ট কারণ ছিল।
তবু নির্লজ্জের মতো বেশ কিছুক্ষণ সেই অনাঘ্রাত
বুনোফুলের ঘ্রাণ নিতে ঐ কয়েকটা পাতায় ঠায়
দাঁড়িয়ে থাকা, অযৌক্তিক মনে হলো না আমার
কেন জানি।
আমি বরাবরই স্বার্থপরের দলে ছিলাম। সম্প্রদান
কারকের ব্যাকরণ বোঝার
বাড়াবাড়িতে যাইনি বলেই হয়তো ভালোবাসার
ভাষ্কর্যে দেবার মতো যথেষ্ট সম্মানজনক নৈবেদ্য
ছিলো না আমার কাছে।
প্রাপ্তিযোগ বলতে যা কিছু ছিল, তার আস্ফালন
নেহায়েতই ঐ অচল আধুলির মতো! ভিক্ষুকের কাছেও
মূল্যছাড় চলে তার!
আমার তবু অতোটুকুনই যক্ষের ধন, ওতেই আমার
সবটা অহংকার!
প্রিয়তমেষু,
তুমি আমার কাছে শীতের রাতের উষ্ণতার
মতো তীব্র আকাঙ্খিত ছিলে না কখনোই!
মনের মানুষ
আজকাল আমি অনেক ব্যস্ত ধরণের ম্যাড় ম্যাড়ে দিন কাটাচ্ছি। বিষয়টা এমন দাড়িয়েছে যে, রাত দিন মিলে আমার দম ফেলার ফুরসত নেই আবার কোন কাজ আছে বলেও মনে করতে পারি না। কী অদ্ভুত যন্ত্রণা!
প্রাত্যাহিক
সকাল সকাল বাইরে বেরোই রোজ,
দিন কেটে যায়, আবার ফিরি রাতে,
দিন কেটে দিন এমন দিনও আসে,
হয় না দেখা ঘরের সবার সাথে।
ব্যস্ত ভারি, দিনের কাজের ভীড়ে,
হয় না কথা, আড়াল খোঁজে মনও,
দিন কেটে যায় এমন দিনও আসে,
বেদম ভুলি বিশেষ কোন ক্ষণও।
হঠাত যদি কিছু'র অজুহাতে
মুঠোফোনে কন্ঠ শুনি কারো,
দিন কেটে যায় এমন দিনও আসে,
খুব চেনাদের অচিন লাগে আরো।
চলুক যেমন, যন্ত্রসম 'আমি',
কিংবা আমায় হজম করা 'তাঁরা'-
দিন কেটে যায় এমন দিনও আসে
একের ডাকে দেয় না আরেক সাড়া।
তাও তো ফিরি, নিজের ঠিকানাতে,
আশায় বাঁচি দেখব কেবল ভাল,
জানব সবাই শান্তি নিয়ে আছে,
খুশির চাদর ঢাকছে যত কাল।
অমনি করে হয়ত 'তাঁরা'ও ভাবেন,
দিন প্রতিদিন অপেক্ষাতেই পার,
"সুস্থ থাকুক, ফিরুক নিরাপদে,
এর চে বেশি চাই না কিছু আর।"
লক্ষ মানুষ, হয় 'আমি' বা 'তাঁরা',
এইটুকুনই হয়ত দিনে চাওয়া,
দিন প্রতিদিন এমন দিনও আসে,
শর্টপিচ
টানা অবরোধের দিনগুলো কাটছে এই ক্রিকেট নামের কলংক 'শর্টপিচ' খেলে খেলে। মাঠ মোহাম্মদপুরে সংখ্যায় কম না, কিন্তু পাওয়া যায় না খালি, আর যা খালি পাওয়া যায় তা টাকা দিয়ে ভাড়া নিতে হয় নয়তো ক্ষমতাসীনদের লবিংয়ে পেতে হয়। তাই সোসাইটি ১১র প্লটে আমার নিজেরা নিজেদের মতো খেলি, ছোট সীমানায়, ছয় মারলে আউট, চার পাঁচ ম্যাচ খেলা যায়, হাত না ঘুরিয়ে বল করার শর্ট পিচ। খেলতে নেহায়েত মন্দ না। মাঝে মাঝে ম্যাচ খেলি ক্লাস নাইন টেনের ছেলেদের সাথে। আমাদের মতো এমেচার বড় ভাইদের সাথে তারা পেরে উঠে না। আমি- পুলক- আবির- শারান- অনিক- রাসেল, দারুন টিম। যত বার ক্রিকেট খেলে গায়ে একগাদা ধুলো নিয়ে বাসায় ফিরি, ততবার মনে হয় বয়স সেই ষোলো সতেরোতেই আটকে আছে, মাঝখান দিয়ে ১০ বছর কোন পথ দিয়ে নিমিষে হারিয়ে গেল টেরই পাই না। বিএনপির অবরোধে দেশ পুড়ছে, আমাদের কাজ একটাই সকাল বিকাল খেলা আর সন্ধায় বারেকের দোকান চাপা পিটানো।
শীত আসে বাবার গন্ধ নিয়ে
শীতকাল মানেই দেশে অন্যরকম একটা উৎসব উৎসব ভাব।
দেরি করে সকাল হয়, সূর্যের তাপ তখন আর খরখরে দজ্জাল রমণী নয় বরং মিষ্টি লাজুক কিশোরী। গায়ে এলিয়ে পড়লে কী ভালোটাই না লাগে! বিকেলে আকাশটা লাল হতে না-হতেই টুপ করে সন্ধ্যায় মিলিয়ে যাবে। সকালে ভাপ-ওঠা ভাপাপিঠে কিংবা চিতই, পুলি নইলে ছিটারুটি, মানে ঘুরেফিরে এমন কিছু যা সচরাচর হয় না। খেজুরের রস আর গুড়তো আছেই।
প্রিয়তমা কলেজ
আজকে রাতে আমি একেবারেই জড়ো পদার্থে পরিণত হয়েছি। প্রাণহীন, কি যে করি। সব ছেঁড়ে ছুঁড়ে বহুদুরে ছুটে যেতে না পারার গ্লানি আঁকড়ে ধরেছে মনটাকে। নিঃসঙ্গতা ঘিরে ধরছে। আমার পাশে কেউ নেই। এই বিশাল শুন্যতা ভাগাভাগি করলেও কি আর এমন কম হোতো?
শুন্যতা শুরু হয়েছে অনেক আগেই। যেদিন ছেলেপেলে কলেজে গেছে রি-ইউনিয়ন করতে। আর আমি যেতে পারিনি। আজকে দুপুরটায় যখন নিজের সঙ্গে অন্তরঙ্গ সময় কাটাচ্ছি হলের ফুল বাগানে তখন থেকেই টের পাচ্ছি যে নিজেকে ধরে রাখতে পারছি না আর এক মুহূর্তও। কলেজের করিডোরগুলোকে ডেকে এনে পাশে বসিয়ে দেখাতে ইচ্ছে করছে আমার জানালা, মাঘের দুপুর আর বুকের ভেতরের শুন্যতা। প্যারেড গ্রাউন্ড আর একাডেমিক ভবনের সিঁড়িগুলোকে শোনাতে ইচ্ছে করছে আজ আমি কতোটা বদলে ফেলেছি নিজেকে। আর ফাইনাল পরীক্ষার ষড়যন্ত্রে আটকা পড়ে কি করে দিন কাটাচ্ছি।
ময়লা
অফিস যাওয়ার জন্য বাস ধরতে আমি যেখানে অপেক্ষা করি তার পাশেই একটা বড় ড্রেন । ছেলেটা একটা লম্বা বাঁশের আগায় টিনের হাতল বেঁধে সেই ড্রেন থেকে নোংরা পরিস্কার করে জমা করে । একটু পরেই ঠেলা গাড়ি করে আর একজন সেগুলো তুলে নিয়ে যায় । তাতে কত সব দেখি । কি নেই ?
রাস্তাঘাটে ঘরে বাইরে যা দেখি সবই থাকে এর মধ্যে । পচা গন্ধ ছাড়ে কুকুর টানাটানি করে । ছেলেটি তাদেরকে তাড়ায় ।
আমি প্রায়ই দেখি । বাস আসতে দেরি । নাকে হাত চাপা দিয়ে কিছু বাক্যালাপ করি - আজকে যে আরো বেশি গন্ধ ছাড়ছে !
ছেলেটি দাঁড়িয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল - কাল রবিবার গেছে । রাস্তার ধারের মাংস দোকানের সমস্ত পড়েছে ।
- কেন ? ওরা কি এ সব ?
হা হা করে হেসে ফেলল - এখানে ফেলার লাইসেন্স আছে যে । সবাই ফেলবে বলেই না আমরা কাজ পাই ।
আমি ভাবি তাই তো একজনের বেহিসেবী রাস্তা আর অন্যজনের হয়তো সাংসারিক হিসেব ।
অতঃপর অভিমানী আঁখি পল্লব !!!!!
সেই ভোরবেলা উঠেছি শুধু তোমার কারনে, তোমার যে কি হয়েছে কিছুই বুঝে আসে না আমার। আমাকে কি তুমি একটুও বিশ্রাম নিতে দিবে না, হ্যাঁ কি শুরু করছো, বলবা আমায় প্লিজ!!!!
ঘুম থেকে উঠে দাত ব্রাশ করবা ভাল কথা, আমাকে কেন সংগে নিবা? আমাকে ছাড়া চলতে পার না তুমি?
আচ্ছা মানলাম রাতে ভাল ঘুম হয় নাই,তাই তুমি টায়ার্ড। কিন্তু নাস্তার টেবিলে একা একা খেতে পার না, তা না আমাকে ছাড়া একফোটা জলও খাবে না। তোমার এইসব ঢং আমার আর সহ্য হয় না। যখন দরকার হয় তখন ভালবাসা উতলাইয়া পড়ে......
তারপর খাওয়া শেষে রেডি হতে গেলেও আমাকে লাগবে। শার্টের কোথায় ময়লা আছে কিনা তা আমাকেই দেখতে হবে।
দ্রূতগামী অতীত
কেউ ক্যালেন্ডারের পাতাগুলো জমিয়ে রাখে না। ডায়েরীর মতো মূল্যবান নয় বলেই, তবে যারা ডায়েরী লেখে না, তারাও কি জমিয়ে রাখে? আমাদের স্মৃতিগুলো জমা হয় ঝাপসা সেলুলয়েডের মতো। মাঝে মাঝে কিছু স্বপ্নে স্মৃতিগুলো ফিরে আসে। ঘুমের মধ্যে অনুভব করতে থাকি এই বুঝি সেই সোনালী দিনে ফিরে গিয়েছি। টাইম মেশিন সত্যি কেউ বানিয়েছে, যদি তাকে কাছে পেতাম, বড্ড করে জড়িয়ে ধরে বলতাম,"তুমি আমার স্বপ্ন পূরন করেছো।" মাঝে মাঝে স্বপ্নের মাঝে এসব ভাবতে ভাবতে স্মৃতিমাখা আসল স্বপ্নটা দেখা হয় না। ঘুম ভাংতেই ভর করে এক শূন্য হাহাকার।
তুমি এলেনা
তুমি এলেনা
তোমার জন্য আমি অপেক্ষার প্রহর গুণে চলছি,
ভালোবাসার পসরা সাজিয়ে গাঁথছি নকশি কাঁথার বুনন,
আমার চোখের জলে হাসছে সুতোয় আঁকা জলকন্যা।
তুমি এলেনা
তোমার পথ ভিজে পথ ভিজে আছে শিশিরের কান্নায়,
রোজ রাতে জেগে থাকে বাগানের চারাগাছগুলি,
ওদের কান্নার শব্দে আমার চোখের পাতা মেলেনা,
তুমি এলেনা।
তোমার জন্য নিষ্ঠুর আকাশ আর আবির মাখেনা,
বিমুগ্ধ বাতাস কনকনে জল নিয়ে ফিরে আসে
মলিন সন্নাসী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে রাধাচূড়ার মাতৃগর্ভ।
তবু তুমি এলেনা
তোমার অপেক্ষায় বিনিদ্র রজনী কাটছেনা আমার,
তোমার স্পর্শ ফিরে আসছেনা বরফশীতল হয়ে,
চিবুক গড়িয়েও ঝরছেনা এক বিন্দু নোনা জল।
একটু একটু করে শুধু চির ধরছে ধমনী, শিরা, উপশিরায়।
তুমি আসবেও না, জানি।
হাঁটবে না আমার পাথরে গড়া হাত ধরে,
তোমার ছোঁয়ায়ও আর থামবেনা আমার চুলের উড্ডয়ন,
নিঃশব্দ চুম্বনে কাটবেনা কোন পুর্ণিমা,
ক্যাপ্টেন হায়দার
রুমীর মৃত্যুর পরের ঘটনা। একদিন কয়েকজন
সহকর্মী নিয়ে জাহানারা ইমামের বাসায় এসে হাজির হলেন
ক্যাপ্টেন হায়দার্। জাহানারা ইমাম তখন স্বামী আর
ছেলে হারিয়ে শোকার্ত অবস্থায়। কোথাও
সমবেদনা জানাবে তা না। ক্যাপ্টেন হায়দার করে বসলেন
অন্য কাজ। জাহানারা ইমাম কে বললেন,
- আমার একজন বডিগার্ড দরকার্।
আমি কি জামী কে কিছুদিনের জন্য আমার
কাছে রাখতে পারি
বুঝতে হবে ,ক্যাপ্টেম হায়দার বলে কথা। কনভেনশাল
ওয়েতে শোক জ্ঞ্যাপনের আনুষ্ঠানিকতা তার সাথে যায়না।
বরং উল্টো এক কথায় প্রিয়জন হারানো বাড়িতে নতুন এক
বিশ্বাস ফিরিয়ে আনলেন।
এমনি ক্যারিজম্যাটিক ছিলেন হায়দার
মেলাঘরের প্রশিক্ষনে প্রথম দিন যখন ১৮-১৯ বছরের
সদ্য কৌশোর পেরোনো আপাত
বাচ্চা ছেলেগুলো কে দেখে আর্মির অন্যরা মুখ
টিপে হাসছিল।
খালেদ মোশাররফ এনে দাড় করিয়ে দিলেন
পাকিস্তান আর্মির স্পেশাল কমান্ডো ব্যাটিলিয়নের ক্যাপ্টেন
আশা
শুধু একটাই আশা
সুখ নয়, চাই শান্তি,
হোক না সে এক চিমটি
স্রষ্টার কাছে এই মোর মিনতি।
শুধু একটাই আশা
সরকারী কিংবা প্রাইভেট, হোক না সে একটা চাকুরী
যেন করতে পারি শুধু হালাল রুজি।
শুধু একটাই আশা
সুন্দর চেহেরা নয়,চাই সুন্দর মন
হোক না সে কৃষঙ্কলির মতন।
শুধু একটাই আশা
অট্টলিকা নয়, চাই একটা কুঁড়েঘর
যেখানে হবে মোর স্বপ্নের বাসর।
শুধু একটাই আশা
ছেলে কিংবা মেয়ে নয়,চাই সুসন্তান
যে করবে মা –বাবায় সম্মান।
শুধু একটাই আশা
মরুভুমি নয়,চাই সবুজে ঘেরা গ্রাম
যা দেখলে জুড়াবে মন ও প্রান।
শুধু একটাই আশা
এ প্লাস নয়, চাই শিক্ষার আলো
যা দিয়ে শিশুরা ঘুচাবে সমাজের কালো।
শুধু একটাই আশা
ইডেন গার্ডেন চাই না, চাই ছোট একটা মাঠ
যেখানে খেলবে শিশুরা এক ঝাক।
শুধু একটাই আশা
ঝগড়া কিংবা বিবাদ নয়, চাই শান্তির বার্তা
মিলেমিশে থাকবে প্রজা আর কর্তা।
শুধু একটাই আশা
