অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

আকাশ বাবুর রাগের কারনে (প্রথম পর্ব)

আকাশ বাবুর রাগের কারনে (প্রথম পর্ব)
বিকেলে আকাশ বাবু হঠাত ভীষন রেগে গেল। এমনই রেগে গেলেন, যে চিল্লাচিল্লি হাত পা ছুড়াছুড়ি করতে আরম্ভ করলেন। সামনে যাকে পাচ্ছেন তাকেই তুলোধুনো করছেন । তারই জেড়ে গাছপালা পত্রপল্লবের দোলাদুলি, শুকনা পাতা, ছেড়া কাগজের টুকড়া, পাকপাখালি, ঘড়ের বাইরের মানুষের আরম্ভ হল ছুটাছূটি। কোথায় গেলে আকাশ বাবুর এই সংহার মূর্তি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
সুন্দরী মেয়ে সুবর্ণ এক্সপ্রেস তিনটার সময় ঢাকা থেকে চিটাগাং যাবার জন্য বের হয়েছিল। কিসের চিটাগাং যাওয়া, আকাশ বাবুর মেজাজ দেখে সেই যে পণ্ডিত মশাইয়ের দেশ ব্রাহ্মণ বাড়িয়ার ছোট পণ্ডিতের ঢেড়ায় আশ্রয় নিয়েছে, কখন বাবুর রাগ পড়বে আর কখন বের হবে, ভবিতব্যই জানেন।

সীমাহীন নির্লিপ্ততা!

কোরিয়ান থ্রিলার ঘরনার মুভিগুলা খুব ভালো হয়। টানটান উত্তেজনা। তবে শিউর থাকবেন বড় চরিত্রের কেউ না কেউ মরছে, কারন জীবিত রেখে থ্রিলার শেষ করার মতো আইডিয়া তাঁদের এখনো মাথায় আসে না। ওয়াশিকুর রহমান বাবুকে জবাই করার তিনদিন পর আমার খালি মনে- পথের পাশে অনেক আগে যে পোষ্টার দেখতাম, ডিপজল বিশাল রাম দা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, রক্তাক্ত পাঞ্জাবী লুঙ্গি। এমন একটা ভাব- সবাইকে কোপানোর জন্যই তাঁর এই সিনেমায় অংশগ্রহন। আমার এখন শুধু মনে হয়, এরকম কোনো ডিপজল, কোরিয়ান থ্রিলারের মতো নিখুঁত ভাবে, তামিল সিনেমার রগরগে খুনের দৃশ্যের মতোই আমাদের সবার সামনে উপস্থিত। কেউ দেখছি, কেউ দেখছি না, আর বেশীর ভাগ ভাবছি আমার কিছু হবে না। এখন এই যুগে আমার কিছু হবে না এইটা ভাবা কত বড় অন্যায় তা আরেকবার প্রমান দিলেন ওয়াশিকুর রহমান বাবু। তিনি আমার আপনার মতো সাধারণ, সাধারন লেখা লিখতেন, কিছু তর্ক করতেন ধর্ম নিয়ে, আশেপাশের কেউ জানতেনই না তিনি ব

ওয়াশিকুরের খুনীদের ফাঁসি চাই

এ বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি অভিজিৎ রায় ও বন্যা আহমেদের ওপর আক্রমণের পর আজ ৩০শে মার্চ ২০১৫ সকালে ধর্মীয় মৌলবাদিদের হামলায় ব্লগার মোঃ ওয়াশিকুর রহমান বাবু নিহত হলেন। ওয়াশিকুর রহমান অনলাইনে বেশি কিছুদিন ধরেই লেখালেখি করছিলেন।

বাংলা কমিউনিটি ব্লগ অ্যালায়েন্সের পক্ষ থেকে আমরা এই খুনের তীব্র নিন্দা জানাই ও খুনীদের ফাঁসি দাবি করি।

আমরা আরো আশা করি, সরকার লেখালেখির পরিবেশ নিশ্চিত করাসহ জননিরাপত্তা বিষয়ে আরো দৃশ্যমান ও জোরদার পদক্ষেপ নেবে। ইতিপূর্বে একই ধরনের হামলায় নিহতদের বিচারপ্রক্রিয়া মন্থর গতিতে চলার কারণে এবং এ যাবত আটক হামলাকারীদের শাস্তি দৃশ্যমান না হওয়ার কারণে এ ধরনের হামলা চালানোতে মৌলবাদি জঙ্গিরা উৎসাহ পাচ্ছে বলেও আমরা মনে করি।

মাইনক্যা চিপা

বছর দশেক আগে যখন শহরের কেন্দ্র থেকে শহরের পরিধিতে জায়গা বদলের সিদ্ধান্ত নিলো শহর কতৃপক্ষ তখন এখানে ছোটো ছোটো টিলা আর জঙ্গলের বাইরে কোনো জনবসতি ছিলো না। জঙ্গল পরিস্কার করে টিলা ছেঁটে বিশ্ববিদ্যালয় জায়গা বদলে করে এখানে স্থিতু হলেও শহরের কেন্দ্রে এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ের অবশিষ্টাংশ রয়ে গেছে। জনবসতিবিহীন এই জঙ্গলের কোনো নাম ছিলো না, বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ জায়গার নাম ঠিক করেছে "কোণার মাঝখানে বসতি" আমি কিছুটা বদল বদল করে খাঁটি বাংলায় ডাকছি " মাইনক্যা চিপায়"। জায়গাটা দুটো আলাদা শাসনাঞ্চলের সংযোগস্থলে। সম্ভবত দুটো আলাদা শাসনাঞ্চলকে সংযুক্ত করা সড়কের বাইরে এখানে দীর্ঘদিন তেমন জনসমাগম ছিলো না। টিলা ছেঁটে বানানো বিশ্ববিদ্যালইয়ের ভবনগুলো বিভিন্ন মাপের ওভারব্রীজে সংযুক্ত। উত্তর ক্যাম্পাসে কলা ভবন, দক্ষিণ ক্যাম্পাসে বিজ্ঞান ভবন আর দুটোর মাঝের পাহাড়গুলোতে এডমিনিস্ট্রেশন ভবন। পাহাড়ের গা ঘেষে যাওয়া রাস্তা দ

আমি আকাশ যাব( দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব)

আমি আকাশ যাব
দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব

জোকটাকে ছাড়ানোর জন্য ধরছি তো পিছলে যাচ্ছে।শালার বেটা এত শক্ত করে কামড়ে ধরছে যেন ওর বাবার পৈতৃক সম্পত্তি, কিছুতেই ছাড়বে না। হাত দুটা মাটিতে ঘসে নিয়ে ধরলামতো বেটা কুপোকাত। হেচকা টানে জোকটাকে ছাড়ালাম,কিন্তু অনেক রক্ত ঝড়ছে। দেখে কান্না পেল। মনকে শক্ত করলাম। পেন্টটা দিয়ে রক্ত পড়ার জায়গাটা চেপে ধরলাম।
আবার হাটতে লাগলাম। রক্ত এখন ও ঝড়ছে। হঠাত ওয়াহাব ভাই, আমাদের বছর মারি কাজের ছেলেটার কথা মনে পড়ল। তাকে দেখেছি কোথাও কেটে গেলে দুর্বাঘাস চিবিয়ে কাটা জায়গায় লাগিয়ে দিত। এক সময় ভাল হয়ে যেত।
আমিও কিছু দুর্বাঘাস তুলে চিবিয়ে লাগিয়ে দিলাম।চিবানোর সময় কেমন যেন লাগছিল,মনে হচ্ছিল বমি করে দিব।

গ্রন্থালোচনাঃ আমি বীরাঙ্গনা বলছি ঃ নীলিমা ইব্রাহিম

যুদ্ধের সবচেয়ে বড় শিকার হয় নারী ও শিশু। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধও এর ব্যতিক্রম কিছু নয়। বহুদিন ধরে পড়তে চাওয়া নীলিমা ইব্রাহিমের লেখা “আমি বীরাঙ্গনা বলছি” বইটি পড়ে শেষ করলাম। খুব সহজ ভাষায় সাতটি মেয়ের বীরত্বের কাহিনী এতে লেখা আছে। একশো ষাট পৃষ্ঠার এই বইটি পড়তে খুব বেশী সময় লাগার কথা নয়। কিন্তু আমার অনেক সময় লেগেছে। আমি পাঁচ দিনে সাত জনের গল্প পড়লাম কারণ আমি হজম করতে পারতাম না। অনেকক্ষণ ধরে ভাবতে হয়, থমকে থাকতে হয়। কীসের মধ্যে দিয়ে গেছেন তাঁরা। কিছু লিখবো না লিখবো না ভেবেও শেষ পর্যন্ত লিখছি। তাদের নাম-পরিচয়, পুর্নবাসন, তাদের সংগ্রাম নিয়ে, তথ্য উপাত্ত ভিত্তিক পূর্নাঙ্গ কোন বই আছে কীনা, তাও জানা নেই। আমি বাংলাদেশের অনেক মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক সিনেমা দেখেছি কিন্তু শুধু তাদের ওপর করা অত্যাচার এবং যুদ্ধ পরবর্তী তাদের মানসিক কষ্টের ওপর কারো কোন কাজ দেখেছি বলে মনে করতে পারছি না। তাদের পুর্নবাসনের কার্যক

আহমদ ছফার কালজয়ী স্মৃতিকথা- ঢাকায় যা দেখেছি যা শুনেছি।

এই প্রবন্ধটা আমার সর্বপ্রথম পড়া হয় মুক্তধারার এক বইতে। বইটার নাম ভুলে গেছি। গুগলে সার্চ দিলে যে নাম আসে, সেই নামে না, আরেকটা নাম ছিল। তারপর এই লেখাটি শেষ যে বইয়ে ছাপা হয়েছিল- সেই বইয়ের নাম ‌'আহমদ ছফা সঞ্জীবনী' লেখক সলিমুল্লাহ খান। সম্পাদক আবুল খায়ের মোহাম্মদ আতিকুজ্জামান। আগামী প্রকাশনী। প্রকাশ কাল: ফাল্গুন ১৪১৬, ফেব্রুয়ারি ২০১০। বইটা আমার শেলফে এখনো ঝলঝল করে। আমার দেখা ১৯৭১ সালের মার্চের শেষ সপ্তাহের নারকীয় গনহত্যা নিয়ে লেখা দেশীয় কোন লেখকের সেরা প্রবন্ধ। ঢাকায় কিভাবে গনহত্যা চলেছে- মানুষ মারা হয়েছে- শুরুর দিকে তার মর্মস্পর্শী বিবরন পাওয়া যাবে এতে। আমি এই প্রবন্ধটা অনেকদিন আগেই নিজে টাইপ করে লিখে রেখেছিলাম। পিসি নষ্ট হয়ে তা হারিয়ে যায় পরে একজনের নোট থেকেও সেইভ করে রেখেছিলাম বছর দুয়েক আগে। আজ হুট করেই আহমদ ছফার এই মেলায় প্রকাশিত, 'হারানো লেখা' বইটা রিভাইস দিতে বসলাম। ভাবলাম এই প্রবন্ধ থেকে

আমি আকাশ যাব

আমি আকাশ যাব
প্রথম পর্ব
ছোটবেলায় যখন দুর আকাশকে দেখতাম বাকা ও গোল হয়ে মাটির নিচে ঢুকে যাচ্ছে,ভাবতাম অই তো এক্টু দুরে গেলেই আকাশটাকে ছুতে পারব। আমার পিঠাপিঠি ছোট বোনটি যেদিন আমাদের ছেড়ে চলে গেল শুন্য আকাশে না ফেরার দেশে,আমার বুকের ভিতর যে দুটা কলিজা আছে, তা যে কত শত, হাজা্র, কোটি টুকরা হয়েছিল, কচি বুক তার হিসেব রাখতে পারেনি, তবে ওই বয়সেই আকাশের মালিককে প্রশ্ন করেছিলাম,কেন তুমি আমার খেলার সাথি ঝগড়ার পাখিকে আমার কাছ থেকে আকাশে নিয়ে গেলে। তোমার ওই আকাশে আমি আসব, আমাকে এক্টু তার সাথে দেখা করতে দিও।

আমি এখন চাটগায়ে (প্রথম পর্ব)

আমি এখন চাটগায়ে
আব্দুল মোনেম লিঃ,কন্সট্রাকশন কোম্পানি গুলোর মাধ্যে এই মহুর্তে আমার মনে হয় সবচেয়ে বড় কোম্পানি। এই কোম্পানিতে যোগ্যতা সম্পন্ন চাকরি হলে খুশি হবারই কথা আমিও খুশী।আমি একটু বেশীই খুশী, কারন সৌম্য চেহেরার আমার যে বস(ডাইরেক্টার, আক্তারুজ্জামান বাবু)তিনি যে প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রাজুয়েট ডিগ্রী অর্জন করেছেন, আমিও সে প্রতিষ্ঠান থেকেই গ্রজুয়েশন করেছি।একে তো সৌম্য চেহেরা। তদুপরি অমায়িক ব্যবহার, আমাকে এতটুকুই মোহাবিষ্ট করল যা আর একবার ছাত্রবস্থায় হয়েছিলাম, বর্তমানে জেলবাসি জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব জনাব ফকরুল ইসলাম আলমগীর স্যারকে কলেজে দেখে।

সৌরকেন্দ্রীক মহাবিশ্ব

বিজ্ঞান মোটা দাগে সভ্যতার সামষ্টিক অর্জন। যোগাযোগের দুর্গমতায় দুই হাজার বছর আগের ভিন্ন ভিন্ন সভ্যতার মানুষের নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণের সংবাদগুলো পরস্পরের অজানাই রয়ে যেতো অধিকাংশ সময় কিন্তু যন্ত্রযুগে ছাপাখানা এবং ইন্টারনেটের কল্যানে আমাদের যোগাযোগ অনেক বেশী সাবলীল। মধ্যযুগের ইউরোপে অনুবাদকদের কল্যানে গ্রীক সভ্যতার দার্শণিক বিজ্ঞানিদের অবদানের কথা সবাই জানতো, সে তুলনায় মিশরীয়, ব্যাবিলনীয় কিংবা অসীরিয় সভ্যতার অবদান খুব বেশী প্রকাশিত কিংবা প্রচারিত নয়। The Adaptation of Babylonian Methods in Greek Numerical Astronomy নিবন্ধটা দুটো ভিন্ন সভ্যতার দার্শণিক পর্যবেক্ষকদের বৈজ্ঞানিক তথ্য বিনিময়ের সম্ভাবনা প্রকাশ করেছে। নিবন্ধটা অন্য একটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ, পরস্পরবিচ্ছিন্ন দুটো ভিন্ন সভ্যতার দার্শণিক বিজ্

hudai 2

শিক্ষার প্রায়োগিক উপযোগিতা বেড়ে যাওয়ায় গত এক শতাব্দীতে পৃথিবীতে পেশাদার গবেষকের পরিমাণ বেড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণাগারে প্রচুর জ্ঞান উৎপাদিত হচ্ছে, প্রতিদিনই আমাদের জ্ঞানভান্ডার সমৃদ্ধ হচ্ছে। গত এক শতাব্দীর পরিসরে পৃথিবীর জ্ঞানের ভান্ডারে এত বেশী বৈচিত্র এসেছে নির্দিষ্ট একজন ব্যক্তির পক্ষে সেসবের মর্ম অনুধাবন করার কোনো প্রশ্নই নেই বরং সকল জ্ঞানের সন্ধান তার জন্যে নিতান্তই অসম্ভব। শাখা প্রশাখা ছড়িয়ে প্রফেশন্যাল সায়েন্টিস্ট এর যুগে বিজ্ঞানের যেকোনো একটি শাখায় কাজ করছেন এমন মানুষের সংখ্যা খুব বেশী হাজারখানেক হবে। তবে এমন পরস্পরের সাথে সম্পর্কিত শাখার সংখ্যা এবং নিজের অর্জিত জ্ঞানের প্রয়োগক্ষেত্র নির্ধারণ করে একাডেমিশিয়ান এবং প্রফেশন্যাল সায়েন্টিস্টদের গবেষণাক্ষেত্র খুবই সুনির্দিষ্ট। তারা একই সময়ে একাধিক শিক্ষার্থীর সহযোগিতায় ৫ থেকে ৬টি ক্ষেত্রে গবেষণা করতে পারেন। তারা যে জ্ঞান উৎপাদন করছে

hudai 1

দেশের সরকারী বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রকৌশল বিষয়ের শিক্ষার্থীর পরিমাণ বাড়ছে, প্রচুর মেধাবী শিক্ষার্থী জিপিএ ৫, গোল্ডেন জিপিএ ৫ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এসে বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে পড়ছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিজ্ঞান বিষয়ে বিভ্রান্ত। আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষের বিজ্ঞান মানসিকতার অপরিনত অপুষ্ট বিকাশের কারণে এখানে ধর্ম এবং বিজ্ঞানের লড়াইটা কদর্য কলহে পরিণত হয়েছে।

ধারাবাহিক নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ এবং পর্যবেক্ষণের ফলাফলের পরিশীলিত বিশ্লেষণের পথ ধরে তাত্ত্বিক বিমূর্তায়নের পর্যায় অতিক্রম করে বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফলগুলো খুব সীমিত সংখ্যক মানুষের বোধগম্য ভাষায় উপস্থাপন করা হচ্ছে। বর্তমানের বিজ্ঞানের কোনো একটি বিকাশমান ধারায় গবেষকের সংখ্যা ১০০ থেকে ১০০০ জন। এই সীমিত সংখ্য পাঠকের জন্যে লেখা কোনো গবেষণাপত্র বিজ্ঞান বিষয়ে পড়াশোনা করা অধিকাংশ ব্যক্তির জন্যেই অনুধাবন করা কঠিন।

You Paid For It

# They changed the venue for their own advantage.
# They doubtedly appointed the stupid jokers as umpires.
# They evidently staged the Match.
# They drew the result-scatch long before it was to be held.
# They do not have gutts to face the fair challange.
.
and yet, they call themselves WORLD CHAMPION ... !
FUNNY !
Isn't it ?

মাহমুদুল্লারে দুইবার চোখ পিট পিট করেই আউট দিয়ে
দিলো ! কোন জুমিং নাই, বেনিফিট অব ডাউট নাই !
আজব ... ! ! ! বিশ্বকাপটারেও এরা IPL-এর মতো হালাল
জুয়া-সার্কাসের আসর বানাইতে নামছে।

Shameless circus from so-called ICC (Indian Cricket
Council) !

India,the cup is yours cz you "paid" for it...

গার্হস্থ্য জীবনযাপন!

চারিদিকে এখন ক্রিকেট। এত ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা সবাই করছে, কদিন পরে আমাদের গায়েই ট্যাগ লাগবে-- বাঙ্গালী ইট ক্রিকেট, ড্রিম ক্রিকেট, লাভ ক্রিকেট। যেখানে যাই, যার মুখের দিকেই তাকাই, ব্যস্ত আড্ডায় উকি মারি, ক্রিকেট ছাড়া আলোচনা নাই কোনো। ক্রিকেটের আলোচনা সবাই করে সে রিকশা চালক আইনুল হোক আর ড্রাইভার জসিম হোক, নর্দানের ছাত্র বাবু হোক আর কোটিপতি শান্ত ভাই হোক কিংবা বন্ধু আদনানের বঊ রুমু ভাবীই হোক না কেন, মুক্তি নাই। আমাকেও করতে হয়। আমি খারাপ করি না। ক্রিকেট নিয়ে আমার জানাশোনাও কম না। কিন্তু প্যাচাল পারতে ইচ্ছে করে না সবসময়। এক কালে ক্রিকেট অনেক আবেগের জায়গা ছিল, যার খেলাই হোক টিভিতে মিস হতো না, এখনো তা আছে, তবে মাত্রা কমেছে। দিনশেষে ক্রিকেট একটা খেলাই। ক্রিকেটে ওয়ার্ল্ডকাপ পেলেও বাংলাদেশ, বাংলাদেশই থাকবে, ইংল্যান্ড হবে না। তবুও বাংলাদেশের বেলায় আমার আর এইসব এত মনে থাকে না। বাংলাদেশের পরাজয় দিনশেষে আম

ধর্ম এবং সামাজিক সংহতি

ধর্ম মানে বিশ্বাস। বর্তমানে নাস্তিক শব্দটি বহুল প্রচলিত হওয়া সত্ত্বেও পৃথিবীতে ধর্ম ব্যাতিত কোন মানবসমাজ আজও লক্ষ্য করা যায়নি। তবে হ্যাঁ,পৃথিবী ব্যাপী একাধিক ধর্ম পরিলক্ষিত হয়েছে । কোনটি একেশ্বর বা কোনটি বহুঈশ্বরবাদী ।
ধর্ম এবং সামাজিক সংহতি: এক্ষেত্রে দুই ধরনের মতামত রয়েছে । কেউ কেউ বলেছেন ধর্ম সামাজিক সংহতির অনুকূল, আবার কেউ কেউ বলেছেন ধর্ম অনুকূলে নয় বরং প্রতিকূল।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ