অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

আমাদের ভবিষ্যত

শেখার সাথে মেধার সম্পর্কহীন শিক্ষাচর্চায় বিদ্যালয় নেহায়েত একটা যন্ত্র যার সদর দরজা দিয়ে উজ্জ্বল, উচ্ছ্বল শিক্ষার্থী প্রবেশ করে বিদ্যায়াতনে আর খিড়কি দুয়ার দিয়ে সার্টিফিকেটধারী মুর্খ জীবিকার সন্ধানে শ্রমবাজারে নেমে যায়। মুখস্তবিদ্যার উপরে অধিকতর নির্ভরতা বিদ্যার্জনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটিকেই যান্ত্রিক করে ফেলেছে। শিক্ষার্থীরা না বুঝে মুখস্ত করে নিজেদের বিদ্যা উগড়ে দিচ্ছে পরীক্ষায় খাতায়। এই প্রবনতা কি খুবই সাম্প্রতিক কোনো প্রবনতা?

অল দা বেস্ট ফর ইউ

দেখ তুমি কতদুর এগিয়েছো-
পাওয়া হয়নি নিশ্চয়ই অনেক কিছু-
খুঁজতে থাকো
জীবনের হীরে মুক্ত।

আমি বহু দিন ধরে ওসব খুঁজে খুঁজে ক্লান্ত হয়েছি;
জেনে গেছি- সব বিলুপ্ত হয়ে গেছে কচ্ছপের মত নিঃশব্দে
তবু আমি কিছুই বলতে যাবো না-
বলতে যাবো না যে তুমি বহু আগেই পথ হারিয়েছ
পথ হারিয়েছে তোমার সাথীরাও
পথ হারিয়েছে তোমার সাজসজ্জা
বেশভূষা, অঙ্গভঙ্গি, মস্তিস্ক।

সহস্র দালানের ইট আর প্রেমিকার হাত
উল্টে পাল্টে সর্বস্বান্ত হয়েছি-
খুঁজে পাইনি এক ফোঁটা শীতল শান্তি;
তবু তোমাকে কিছুই বলার নেই- খুঁজতে থাকো
যা যা এখনো মহামূল্যবান-
জৌলুশ, আয়েশ, সুসন্তান
আমি বলতে আসবো না যে বহু আগে তোমার রক্ত নষ্ট হয়েছে
তাই ভ্রষ্ট হয়েছে তোমার সন্তান।

বলতে আসবো না যে এই অন্ধকারে
অর্থহীন তোমার জ্ঞান ও গনতন্ত্রচর্চা,
পেপার পড়া, টিভি দেখা, বেড়াতে যাওয়া এবং ছবি তোলা;
তুমি বরং এগিয়ে যাও-

কোথা হে মহাকাল

a1c4300e6850faf26649ac3cbec59614-01.png তোমার সৃষ্টি তোমারে পুজিতে সেজদায় পড়িছে লুটি
রক্তের বন্যায় প্রাণ বায়ু উবে যায় দেহ হয় কুটিকুটি।।
দেহ কোথা দেহ কোথা এ যে রক্ত মাংসের পুটলি
বাঘ ভাল্লুক নয়রে হতভাগা, ভাইয়ের পাপ মেটাতে
ভাই মেরেছে ভাইকে ছড়রা গুলি।।
মানব সৃষ্টি করেছ তুমি তব ইবাদতের আশে
তব দুনিয়ায় জায়গা নাহি তার সাগরে সাগরে ভাসে।
অনিদ্রা অনাহার দিন যায় মাস যায় সাগরে চলে ফেরাফেরি
যেমন বেড়াল ঈদুর ধরিছে মারব তো জানি, খানিক খেলা করি।।
যেথায় যার জোড় বেশী সেথায় সে ধর্ম বড়
হয় মান, নয়ত দেখেছ দা ছুড়ি তলোয়ার জাহান্নামের পথ ধর।
কেউ গনিমতের মাল, কেউ রাজ্যহীনা এই কি অপরাধ
স্বামী সন্তান সমুখে ইজ্জত নেয় লুটে, লুটেরা অট্টহাসিতে উন্মাদ।

ডিজিটাল পোলাপাইন

dui futi.jpg
ফুল সে যার বাগানেই ফুটুক না কেন,সেটা বড় কথা নয়। বড় কথা হল ভাল লাগার,এর প্রতি ভালবাসা আমার মনে হয় সৃষ্টি কর্তার থেকেই ঐশী দান হিসেবে প্রদত্ত। কি ফুল নাম জানি বা না জানি সেটা বড় কথা না। তার রুপ ও গন্ধ চক্ষুস্মান তো বটেই একজন অন্ধকেও আকর্ষন করে।
আমার পাশের ফ্লাটের ভাড়াটে। দিন দশেক হল উঠেছেন। ভদ্রলোক, ভদ্রমহিলা আর দুটি ছোট্ট ফুটফুটে ছেলেসহ এই হিন্দু পরিবারটি এসেছেন চিটাগাং থেকে। ভদ্রমহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং ভদ্রলোক গার্মেন্টস ব্যবসায়ী।
আমি গত তিন বছর এই ফ্লাটে আছি কিন্তু এই বিল্ডিংয়ের কোন ফ্লাটের কারো সাথে পরিচয় হয় নি।তবে আমার বউ বাচ্চাদের সবাই চেনে।শুধু চেনেই না। খাবার দাবার ও প্রয়োজনে নিত্য ব্যবহার্য অনেক কিছুই রিতিমত আদান প্রদান হয়।

পুষ্টি কি জিনিস

পুষ্টি হল পরিবেশ থেকে প্রয়োজনীয় খাদ্যবস্তু আহরন করে খাদ্যবস্তুকে পরিপাক ও শোষণ করা এবং আত্তীকরন দ্বারা দেহের শক্তির চাহিদা পূরণ , রোগ প্রতিরোধ , বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ করা ৷ অর্থ্যাৎ দেহ সুস্থ ও সবল রাখার প্রক্রিয়াকে পুষ্টি বলে৷ পুষ্টির ইংরেজি শব্দ (Nutrition)। অপরদিকে খাদ্যের যেসব জৈব অথবা অজৈব উপাদান জীবের জীবনীশক্তির যোগান দেয় , তাদের একসঙ্গে পরিপেষক বা নিউট্রিয়েন্টস (Nutrients) বলে ৷ যেমন :— গ্লুকোজ , খনিজ লবণ , ভিটামিন ইত্যাদি ৷

সূত্র : উইকিপিডিয়া

সমুদ্দুরের গ্রাম দেখা

অনেকদিন গ্রামের বাড়ি যাওয়া হয় না। শেষ গিয়েছিলাম তাও বছর খানেক আগে। সমুদ্দুরের বয়স এখন ৫ বছর ৩ মাস। বেশ কিছুদিন ধরে জ্বালাচ্ছিলো, গ্রামে যাবার জন্য। যদিও এর পেছনে তার মায়ের ইন্দন ছিলো স্পষ্টত। তাই প্ল্যান ছিলো রোজার ঈদের পরদিন বাড়ি যাবো। সপ্তাহ খানেকের জন্য।

আকাশে বাতাসে প্রচন্ড গরম। তারপরও হঠাৎ করে গ্রামে যেতে হলো। ২৪ তারিখ বাড়ি থেকে খবর এলো, একমাত্র ফুপুর অবস্থা খারাপ। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম, বাড়ি যাবো। ২৪ তারিখ বিকাল ৫টা ১৫ মিনিটের বাসে চড়লাম। সায়েদাবাদ থেকে বাস। মাঝে কুমিল্লায় চা বিরতি ৪৫ মিনিট। তেল নিলো বাসে, আরো ১৫ মিনিট। ঢাকা থেকে বাড়ি যেতে সময় লাগে ৬ ঘন্টার মত। যদি যানজটে না পড়ে।

ভালোবাসার এক অদ্ভুত কাহিনী!

-কাল বিকেলে আমার সাথে যেতে পারবি?
-কোথায় ?
-আগে বল পারবি কিনা ?
-হ্যা পারবো ।
ভার্সিটি থেকে ফেরার পথে সাবিহা প্রায়ই এমন বায়না ঘরে ।তানিম কখনো না বলতে পারে না হয়ত পারবেও না ।সাবিহাকে সে ভালবাসে তবে বলতে পারে না ।সেই কলেজ থেকে তারা একে অপরের বন্ধু ।
.
তানিম জানে কোথায় দেখা করতে হবে ।তাই পরদিন সেই বকুল গাছের নিচে সাবিহার সাথে দেখা করে ।
.
সাজলে তাকে বেশ সুন্দর লাগে, কিন্তু মুখ ফুটে প্রশংসাটা করতে পারেনা তানিম ।
তারা যখন একসাথে থাকে তখন সাবিহার হাসিখুশি মুখের দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে তানিম।
এভাবে যেন হাজার বছর কাটিয়ে দেয়া যায় ।
তবে আজ পরিবেশটা কেমন যেন থমথমে ।দেশের পরিস্থিতি ভালো না তাই তারা দুজন সেদিন বাড়ি ফিরে যায় ।
.
.
.
বেশ কিছুদিন হল ভার্সিটি বন্ধ, সেই রাতের পর থেকে দেশটা যেন কেমন হয়ে গেছে ।সন্ধ্যা হলেই মিছিলের আওয়াজ শোনে সাবিহা ।অনেকদিন তানিমের সাথেও দেখা নেই ।
.

চোখের নয় মনের হ্যালুসিনে’শন (দ্বিতীয় পর্ব )

চোখের নয় মনের হ্যালুসিনে’শন (দ্বিতীয় পর্ব )
রিক্সা চলছে, এই এলাকার রিক্সা ওয়ালারা প্রায় সকলেই বিহার থেকে আগত।কেন কি জন্য তারা নিজ দেশ জন্মভুমি ছেড়ে বাংলাদেশে এসেছিল তা আমার থেকে আপনারা সকলেই ভাল জানেন। আমি রাজনীতিবিদ নই তবুও মাঝে মাঝে আমি ভাবি এই পৃথিবীটা যত না তছনছ হয়েছে বেঁচে থাকার অবলম্বনের জন্য (অন্ন, বস্ত্র,বাসস্থান) তার চেয়ে অনেক অনেক বেশি তছনছ হয়েছি ধর্মীয় কারনে।
যে এলাকায় যে ধর্মের অনুসারী বেশী সেখানে সেই ধর্মই বড় বা সঠিক বলে মনে করে নিজ নিজ ধর্মের অনুসারীরা। আর চলে নিজের ধর্মে ধর্মান্তরিত করার নিলজ্জ বেহায়া ও বেআইনি জোড় জবরদস্তি। কিন্তু আপনার ধর্ম আপনার কাছে, আমার ধর্ম আমার কাছে। ধর্মের এই সার্বজনীন শ্বাশত বানী সেখানে কেউ মানে না। আধুনিক সভ্য জগতে কোথায় এর পরিসমাপ্তি ঘটবে আমার তো মনে হয় তা দিনকে দিন বেড়েই চলেছে।

শুধু মাঝে মাঝে মন খারাপ লাগে

আজ খুব সকালে ঘুম ভেঙ্গে যাবার পর জানালার পর্দা সরিয়ে দেখি ঝকঝকে রোদ উঠেছে। আর তাপমাত্রার কাঁটাটা প্রায় ১৩ ছুঁইছুঁই করছে। হাতছানি দিয়ে ডাকছে দোয়েল, ফিঙে, চড়ুই, বকুল এবং সুবজ পাতারা। জানালার ফাঁক গলে ঝিরঝিরে বাতাস প্রবেশ করছে ঘরে। আর মাঝে মাঝে আলতো টোকা দিয়ে যাচ্ছে লোমের গোঁড়ায়। হালকা শিরশিরে অনুভূতি। কফি মেশিন তাকিয়েছিল ড্যাবড্যাব করে। তাড়াতাড়ি ওটায় পানি আর কফি ভরে সুইচ অন করে দিলাম। প্রায় সাথে সাথেই খুটুর-মুটুর শব্দ শুরু করে দিলো সেটা। জিজ্ঞেস করেছিলাম, তুমি কি আমার সঙ্গে কথা বলছো কফিমেশিন? কোনো উত্তর দেয় নি যন্ত্রটা।

দু'টো কথা

কি নিয়ে দাঁড়াবো এসে তোমার সামনে
শক্তি-ইচ্ছে সবইতো হারিয়ে ফেলেছি

নির্বুদ্ধিতার চাষাবাদ করে করে
অপচয় করেছি
ক্ষয় করেছি সবটুকু উর্বরতা

এখানে এখন আর একটা বীজও জন্মাবে না
কোন স্পর্ধায় তোমাকে ডাকবো
এরকম প্রাণহীন পৃথিবীতে?


এই দেখ- যে ভালোবাসা প্রয়োজন তোমার
তার সবটা এখানেই আছে
এই যে এই চোখের কোনায়- নাকের ডগায়-
চুলের প্রান্ত থেকে ঝরে যাচ্ছে সব
তুমিই তো বলেছিলে
এসব তোমার চাই
এই দেখ- সব এখানে
এই দেখ সবুজ বন- সমুদ্র- ঢেউ
তুমিই তো চেয়েছিলে
এই নাও- কুয়াশা- শালিখ- রোদের পরশ।

দিনলিপি (পোকা সমাচার)

আমার রুমটা এমন একটা রুম যে রুমের ভিতর বসে থাকলে
বাহিরে রাত নাকি দিন তাহা বুঝা গবেষণা মূলক কাজ!বহুত ভাবনা
চিন্তা করে ডিসিশন নিতে হয় বাহিরে কি এখন রাত নাকি মধ্য
দুপুর!

দুইটা জানালা আছে!এখন আবধি বুঝে পাই নাই জানালা দুইটার
কাম কি!মাইনকার চিপার মত দুই বিল্ডিং এর মাঝে জানালা!জানালা
দুইটা দিয়া না আসে এক ফোটা বাতাস,না আসে এক ফোটা
রৌদ!তবে মাঝে মাঝে দু এক ফোটা বৃষ্টির জল আসে!
কেম্নে আসে তাহা বুঝা আমার কম্য নহে!

যেহেতু আমি পাক্কায় ঘুমাই!(লালন অনেক জোর করছে
খাট কিনতে!বেচারার পাক্কায় ঘুমাইতে ভাল লাগে না! :3)
সেহেতু আমার ঘরে পোকামাকড়ের অভাব নাই!
কি নাই ঘরে!তেলাপোকা, বিছা,বিচ্ছু,কেঁচো,
পিঁপড়ার আস্তানা!প্রত্যেক দিনই তাদের কেউ না
কেউ পক্ষাঘাতে মারা যায়! কখনো বা ঝাড়ুর আঘাতে!!
তবে এরা ভদ্র স্বভাবের!কামড়ায় নাহ! চলে যাচ্ছে দিন
তাদের সাথে করেই.....

আমার ঘরের অর্থনৈতিক গল্প

জন্মেছি তো অনেক অনেক বছর আগে প্রায় ৩৫ -৪০ বছর হতে চলল। দাদা ছিলেন জাত চাষা। তার ভাই বেরাদার পাড়া প্রতিবেশি সবাই চাষা। কোন স্কুল ছিল না ঐ ইউনিয়ন এ। চার দিকে মেঘনা র থৈ থৈ পানি। বর্ষায় চলার একমাত্র বাহন নৌকা বা সাতার। এই পাড়া ঐ পাড়া যাও তো হয় নৌকা ছাড় ঘাট থেকে না হয় এক সাতারে ঐ পার চলে যাও। সবার ই পেশা কৃষি। গোলা ভরা ধান, গোয়াল ভরা গরু। এটা কোন উপন্যাসের গল্প নয়। সুদূর কোন অতীত ইতিহাস নয়। এটা আমার গল্প, আমাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির গল্প। কোন নারী ব্লাউজ পড়তো না। ঘরে কখনও দরজা লাগিয়ে ঘুমাতো না কেউ। প্রত্যেকের কানে কান পাশা বা বালি, হাতে সোনা রুপার চুরি, গলায় রুপার হাঁসুলি বা সোনার মাদুলি, হাতে বাজু বন্ধ। ঈদে যখন বাড়ি যেতাম দাদীর এই সব গয়না পরে আমরা ও ঘুরতে বের হয়ে যেতাম। কেউ কখন ও ভাবে নি যে চুরি হয়ে যাবে, বা কেউ ছিনিয়ে নিবে। কোরবানি ঈদে করবানির মাংস বিতরণের জন্য গরিব পাওয়া যেত না। এই এলাকার মান

রাষ্ট্র

আমাদের মাথার উপরে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার খাঁড়া ঝুলছে। ২০১৩ সালের সংশোধনীর পর হীরক রাজার দেশের এই অদ্ভুতুরে আইন আরও বেশী নির্মম, আরো বেশী কণ্ঠরোধী। নতুন সংশোধনীর পর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ব্যবহার কিংবা অপব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ উত্থাপনের প্রয়োজন নেই। রাষ্ট্রীয় আইন শৃঙ্খলা রক্ষীবাহিনী যদি মনে করে অন্তর্জালিক পরিসরে কোনো ব্যক্তি " রাষ্ট্রের ভাবমুর্তি ধ্বংসের চক্রান্ত করছে", " মিথ্যা তথ্য উত্থাপন করছে", মানী ব্যক্তির মানহানী করছে কিংবা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকান্ড করছে- আদালত কিংবা কতৃপক্ষের লিখিত আদেশ ছাড়াই তারা সে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবে।

Now i am a mother

Dear all,

I hope every human being are very fine. I am extremely sorry for written in English Language. Because at present Bijoy front is not available. Really all, after 2 year, i am writing something, Now i am mother, have a daughter Joyeeta, she is eight month old. Thnaks to Amra bondhu.com for did not delete my account no. Take care everybody.

Shagorika Das

দাহকাল বলে যায় কালের খবর, বিষমাখা তীর থাকে বিষের ভেতর!

কাল প্রায় মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিলাম, মৃত্যু না হলেও দু চারটা হাড্ডি পাউডার হওয়াটা অস্বাভাবিক ছিল না। কিন্তু আল্লাহর বিশেষ রহমতে, বিস্তৃত বন্ধু বান্ধবদের ভালোবাসায় ও মায়ের দোয়ায় কিছুই হয় নাই। শুধু মাথায় আর হাতে ব্যথা পেয়েছি যা প্যারাসিটামলেই নিরাময়ের পথে। এখন মনে হচ্ছে ব্যাপারটা তেমন কিছু না, তবে যখন হলো সেইসময় কিছুটা হতভম্ব হয়ে বসে ছিলাম। কাল দুপুরে বাসায় ফিরছি এমন সময় নামলো বৃষ্টি রিমঝিম করে। বৃষ্টিতে ভিজতে তো হবেই। যত কম ভিজে বাসায় চলে যাওয়া যায়। এমন সময় পিসিকালচার হাউজিংয়ের চার নাম্বার রোডের ওখানে আছে, সরাইখানা সুইটস, তাঁদের দোকানের ট্রে রাখা ফুটপাথে, তার সাথে বারি খেয়ে পিছলে আমি রাস্তায় পড়ে যাই চিটপটাং হয়ে। আশেপাশে মানুষের ধারনা ছিল আমার মাথা ফেটেছে ও এবং হাত ভাঙছে। আমি মাথায় হাত দিয়ে দেখলাম রক্ত নেই, গা ঝাঁরা দিয়ে উঠে গেলাম, দেখি পুরো শরীর টনটন করছে ব্যথায়। সিনক্রিয়েট হবে অযথা তাই আল

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ