অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১০ জন অতিথি অনলাইন

প্রিয়তমেষু - ২

"এই বরফপথ, এই কঠিন রাত ,
তোমার পুরোনো অজুহাত...
এই আলোর নিচে কাঁপতে থাকা
ছায়ার শিকড় ছিঁড়তে চাই!
এই উল্কাপাত, এই বিশ্রী রাত,
আচমকা এই গোপন আঁতাত...
সব ধ্বংস হওয়ার আগেই আমি
তোমার চোখে ভিজতে চাই!
আর কেউ তোমার ভাষাতে,
সমুদ্রের ভালোবাসাতে
ফিরিয়ে নিয়ে গেলো তোমায়,
আহত ঝিনুক সৈকতে।
আর চিরাচরিত জীর্ণতায়,
আবার প্রেমের তীক্ষ্ণতায়....
সব রেকর্ড করা থাকবে তোমার
অন্তর্বর্তী শূণ্যতায় !!
যদি এক মুহূর্তের জন্যেও আমায় চাও,
সেটাই সত্যি ....
যদি এক মুহূর্তের জন্যেও আমায় চাও,
সেটাই সত্যি!!"

প্রিয়তমেষু ,
ভালো আছো তো? আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখে লাভ নেই
অবশ্য। ওই নামে এখানে কেউ থাকে না। তুমি বরং দুপুরের
খটখটে রোদের কাছে চিঠি লিখতে পারতে।
অথবা .. তুলসী তলে জ্বালানো সাঁঝবাতির কাছে।
ডাকপিয়নদের আলসেমির কল্যাণে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েই নাহয়
পৌঁছে যেতো আমার কাছে!

স্বপ্ন

কথা ছিলো থাকবে সাথে
যে ক’টা দিন দেহে আছে প্রাণ বায়ু
কথা তুমি রাখোনি তোমার,
তাই দিনে দিনে কমে যায় আয়ু?

কথা দিয়েছিলে জীবনে এনে দিবে সূখ,
এনে দিবে শান্তির সুবাতাস,
বিপরীতে দিয়ে গেলে যাতনা,
তবে কেন করো আমায় উপহাস?

যত ভাবি ভূলে যাবো,
আরো বেশি মনে পরে যায়,
গোপনে কি যাদু করেছো আমায়?
তবে কেন এমন হয়?
উতলা হয়ে যায় মন,
দুচোখের কোণে অশ্রু জমে,
চঞ্চল হয় মন,
এই বুঝি ভালবাসা
এই বুঝি আপন জন।

দুচোখে ঘুম নেই,
পেটে নেই খিঁদে,
দিন রাত্রি কেটে যায়
তোমার অপেক্ষাই।

কবে তুমি দেখা দিবে?
কবে তুমি কল্পনা থেকে বাস্তব হয়ে ধরা দিবে?
স্বপ্ন আমি তোমারই অপেক্ষাই,
দিনকে করেছি রাত আর রাতকে করেছি দিন।
গুণেছি শত অপেক্ষার প্রহর।
তোমার অপেক্ষাই জেগেছি রাত ভর
তুমি আসোনি।
আমি শুধু শুধু পথ চেয়ে থেকেছি,
তুমি আসবে বলে।
ভাঙা মন আরো ভেঙেছে
তবুও আমি তোমারি অপেক্ষাই
তুমি ঠিক আসবেই।

দিন প্রতিদিন বইমেলায়-- (৪)

থমথমে এই শহরে বের হওয়াটাই এখন দুশ্চিন্তার। আমি আমাকে নিয়ে চিন্তা করি না, আমাকে নিয়ে যারা চিন্তা করে- তাঁদের চিন্তায় চিন্তিত হয়ে নিজেকে চিন্তার গভীরে আবদ্ধ রাখি। কাল সেই চিন্তায় মেলাই যাইনি, ভাবলাম ফাইনাল খেলাটা দেখি বঙ্গবন্ধু কাপের, বাসায় বসে আরাম আয়েশে। কিন্তু সত্যিকারে কুফা মাষ্টার যে আমি তা আরেকবার প্রমান মিললো। খেলা দেখতে বসলাম, ফার্ষ্ট হাফেই গোল খেলো দুটো। মেজাজটা এত খারাপ। তাঁর ভেতরে আশেপাশে কোনো বিহারী ছেলে বাংলাদেশ গোল খেলেই চিল্লান দিয়ে বলে, গোওওওল!

হালচাল ১

ঘরের মোলায়েম উষ্ণতায় মুছে যায় পোশাকের তুষারের স্মৃতি-
গতপরশু চমৎকার রৌদ্রোজ্জ্বল দিন ছিলো, এপার্টমেন্টের সামনে দাঁড়িয়ে দুপুরে সিগারেট হাঁটে সুর্যের আলো মাখছিলাম গায়ে, প্রতিবেশী ফিজিয়ান যুবক- রাজ বললো ফেব্রুয়ারী মাসটাই এখানকার সবচেয়ে বাজে মাস তবে এ বছর যেহেতু ডিসেম্বরের শুরুতেই শীত চলে এসেছে সম্ভবত এবার ফেব্রুয়ারীর করাল শীত হানা দিবে না।

মুক্তিযুদ্ধের প্রতিদিন মার্চ-ডিসেম্বর ১৯৭১

সেই অনেক দিন ধরে... একটা দীর্ঘ সময় আমরা ব্লগের পেছনে ব্যয় করেছি। কবিতা, গল্প, উপন্যাস, মুক্তিযুদ্ধ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ব্লগাররা লিখে গেছে নিরলস ভাবে। প্রতি বছর ফেব্রুয়ারীতে শুরু হওয়া বাঙালীর প্রাণের মেলা "একুশের বই মেলা"য় ব্লগারদের পদচারণায় মুখরিত থাকে বই মেলা চত্বর।

নুরুজ্জামান মানিক... যাকে আসলে আলাদা করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার প্রয়েজন হয়তো নেই... তবুও একটু বলি। মানিক ভাই দীর্ঘ দিন ধরে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লিখে গেছেন নতুন প্রজন্মের জন্য। সেই লেখালেখি গুলো নিয়েই আপনাদের জন্য একটি মোড়কে হাজির করেছেন আমাদেরই অনুরোধে।

মানিক ভাইয়ের কথা:

হালচাল

বছরের এই সময়টা বই মেলার মৌসুম। ঢাকায় বসবাসের গত দুই যুগে বই কেনা হোক আর নাই হোক নিয়মিতই বই মেলায় হানা দিয়েছি, কখনও একা কখনও বন্ধুদের সাথে। সময়ের সাথে পছন্দের বইয়ের ধরণ বদলেছে, গত কয়েক বছরে খুব বেশী উপন্যাস কবিতার বই কেনা হয় নি। ফেসবুকে দেখলাম একজনের বই প্রকাশিত হয়েছে, খুব উৎসাহ নিয়ে তাকে বললাম
ভাই তোর বই প্রকাশিত হইলো, বইয়ের একটা সফট কপি মেইলে না পাঠায় বই প্রকাশ করে ফেললি এইটা কোনো কথা হইলো

বইয়ের সফট কপি পাঠানোর কোনো কথা ছিলো না কি? এমন পালটা প্রশ্ন দেখে আর কথা বাড়ানোর সাহস পাইলাম না।

বই মেলার প্রথম সপ্তাহ শেষ। হরতাল অবরোধে পর্যুদস্ত শহরে বই মেলার ভীড় কমবে না, কিন্তু যেকোনো প্রকাশককে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেই বলবে গত বইমেলার চেয়েও বিক্রী এখনও ডাউন-

ছাদের উপরে কে - কে ওখানে????

বছর দুয়েক আগের ঘটনা। ক্যাম্পাস অনির্দিষ্ট কালের বন্ধ। তাই ভাবলাম বাসা থেকে ঘুরে আসা যাক। রাজশাহী থেকে টংগী তে আসলাম । অনেক পর বাসায় আসলে যা হয় আর কি? স্বাস্থ্য হাজার ভাল থাকলেও মায়ের চোখে মুখে শুধুই হতাশার কথা।
কি করস তুই? না খাইয়া খাইয়া শরীরটারে কি বানাইছোস !! ৭৪ এর দুর্ভিক্ষ থেকে আইলি নাকি, এই রকম কত কথা।
তারপর মায়ের কথা শেষ হইলে বলতাম, মা আমার ওজন দশ কেজি বাড়ছে জানো?

ক্যাম্পাসের বন্ধু বান্ধব ছেড়ে বাসায় প্রথম দুই তিনদিন ভালই লাগে কিন্তু পরের সময়টা কাটতেই চায় না। টংগী তে ফ্রেন্ড সার্কেল তেমন একটা বেশি নাই যেও বা আছে তাদের বাসা আমার বাসা থেকে বেশ দুরে। অবশ্য কাছের কিছু ছোট আর বড় ভাই আছে যাদের সাথে আড্ডা ভালই জমে। কাম কাজ নাই কবে ক্যাম্পাস খুলবে তারো ঠিক নাই।

দিন প্রতিদিন বইমেলায়-- (৩)

আজই প্রথম বইমেলা থেকে মোটামুটি মানের কেনাকাটা করলাম। কেনাকাটা ও রিকশা ভাড়াতেই টাকা শেষ। কি এক জামানা আসলো, বইয়ের যে দাম তা দিয়ে বারেক সাহেবের দোকানে ১ মাস প্রতিদিন দু চার কাপ চা খেলেও সমান হবে না। তাও বই তো বই, টাকা পয়সা অজুহাতে বইকেনা কি আর থেমে থাকে? দুখানা বাংলা একাডেমীর অভিধান, ছফার: হারানো লেখা, ও সুস্মিতা ইসলামের আত্মজীবনী মুলক একটা বই কিনে ফেললাম। কিনবো আরো কিছু বই, যেমন কর্নেল নুরুজ্জামানের একটা নির্বাচিত রচনাবলী বের করলো সংহতি সেটা, সাহিত্য প্রকাশের দু চারটা বই, জাদুঘরে একটা বই দেখলাম ঢাকা নিয়ে, পাঞ্জেরীর একটা পকেট বাংলা ব্যাকরন ডিকশেনারী সহ কিছু চমৎকার চেহারার বই দেখলাম, কিনে উপহার দিতে ইচ্ছে হচ্ছে কাউকে। মেলার শুরুতেই নান্দনিকে জিগ্যেস করেছিলাম, কামাল ভাইয়ের কোনো বই আসবে কিনা?

দিন প্রতিদিন বইমেলায়-- (২)

আমাদের জীবনে কত কি ঘটে, দেশে দুর্যোগ দুর্বিপাক কত কি ঘটে যায় প্রতিনিয়ত তাও মানুষ উৎসব করে আনন্দ ফুর্তি করে। কিন্তু এখন দেশে যা অবস্থা সামান্য হাসতে গেলেও, অন্তরে গিয়ে এক বেদনাই জমে উঠে। আমরা হো হো হাহা করছি, আর সমগ্র দেশজুড়ে কত কান্না হল্লাহাটি দুঃখের গল্প। নিউজপেপার তো পড়ি না, সকাল বেলা যখন এক বন্ধুর মুখে শুনলাম সাতজন নিহত হবার খবর। তখন কিছুদিন আগে আমার নিজের বাসযাত্রার কথা মনে পড়লো। কি আর বলবো, সেই কুমিল্লা থেকেই উঠেছি, সন্ধ্যার সময়। প্রায় অন্ধকার সব কিছু ভুলে আমি নিশ্চিন্তে ঘুমিয়েছে। জীবনকে আমার কাছে খুব প্রেশাস কিছু মনে হয় না, কাটাতে হয় কাটাচ্ছি। যদি এভাবেই মরি, মরলাম। কিন্তু বাকী সবাই তো জীবনকে অনেক দামী মনে করে। তাঁদেরকে টপটপ করে আগুনে পুড়িয়ে মারলো, কতজনকে আশিভাগ পুড়িয়ে নির্মম বেঁচে থাকা উপহার দিলো, এ কেমন রাজনীতি তা আমার জানা নাই। মাঝেমধ্যে চুলায় কলসীতে পানি সিদ্ধ দেই। পিসিতে বসলে

নীল তারা

মাঝে মাঝে ভাবতে ইচ্ছে করে যদি ঐ আকাশের নীল তারাটা খসে পড়ে কোনদিন তবে এই মর্তবাসীদের মধ্যে কোন বিচলতা দেখা যাবে কী না? আমার মনে হয় হবে না, বরং অথযা কেউ যদি লক্ষ্য করেই ফেলে তবে বিশ্বলোক হয়ত তাকে পাগল বলে ধিক্কার দিতে দিতে ছুটে চলবে অলীক পানে। আর ঐ বেচারা হয়ত বিশ্ববাসীর দিকে ভ্রু কুচকে তাকিয়ে থাকবে আর ভাববে, 'বোকা লোকগুলো সময়ের মহাশূন্যে দিব্যি ঝাঁপিয়ে পড়ে মন নামক বস্তুটার আত্নহনন করছে। অথচ দিগন্তের ওপারে তাকিয়ে নীল তারাময় এই মধুক্ষণটা দেখার এক মুর্হূত অবকাশ করতে পারল না। কিন্তু ঘড়ির কাটা যদি মিনিট দশেকের জন্য থেমে যায় তো তারাই দুনিয়া জুড়ে হুলস্থুল ফেলে দেবে। কী ব্যস্ততা! তাদের জন্য একফোঁটা আফসোস।

রেশমি চুড়ি

পতিতালয়ে বেড়ে ওঠা ইয়াসমিন কাল ১৩বছরে পা দেবে।সে এখনো বুঝতে পারে নি খুব শীগ্রই তাকে পৃথিবীর নিকৃষ্টতম কাজের সাথে জড়িয়ে পরতে হবে।হয়তো সে বোঝে,না বোঝার ভান করে যতদিন পর্যন্ত পারা যায়।

দিন প্রতিদিন বইমেলায়-- (১)

দেখতে দেখতে বছর শুরু হয়ে শেষ হয়ে গেল জানুয়ারী। আবার ফেব্রুয়ারী মাসের প্রথম দিনও শেষ। এই অবরোধ আর দাঙ্গা হাঙ্গামার থমথমে দেশে সময়ই শুধু কেটে যায় এত দ্রুত। আর কিছুই কাটেনা। সময়কে যদি অবরোধ দিয়ে আটকে রাখা যেত তাহলে দারুন হতো। কিন্তু দেশের ক্রান্তিকাল হোক আর স্বর্নালী দিন হোক সময় যায় এক ভাবেই। দ্রুতগামী ট্রেনের মতোই ছুটে চলছে, আর জানিয়ে দেয় আমরা ট্রেন মিস করেছি কতবার, দুনিয়াটা কত বদলে যাচ্ছে। ট্রেন নিয়ে কথা বললেই এখন শুধু আওয়ামীলীগ বিএনপির বাগবিতণ্ডার কথা মনে আসে। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন একবার, 'বিএনপি ইলেকশন ট্রেন মিস করেছে, আবার ট্রেন আসলেই পাবে উঠার সুযোগ, তাঁর আগে ট্রেনে আসার মতো পরিস্থিতি নাই'। বিএনপির কোন বড় নেতা জানি বললেন, 'টিকেট ছাড়া যেই লোকাল ট্রেনে ভ্রমন হয়, সেই ট্রেনে বিএনপি উঠে না। আর আমরা আপসোস করবো, একটা ট্রেনে উঠা নিয়ে যে দেশে পলিটিক্যাল আন্ডারস্ট্যান্ডিং নাই, সেই দেশ শুধু ট্রেন

পশুর সম্মানহানি

মানুষ পৃথিবীর শ্রেষ্ট জীব। তবে ডারউইন-এর বিবর্তনবাদ আসার ফলে মানুষ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জীব কিনা তা নিয়ে সন্দেহ ও সংশয়ের সৃষ্টি হয়। যাই হোক মানুষ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ নাকি অশ্রেষ্ঠ সেই বির্তকে না যাই। আজকে আমাদের বিষয় পশুর সম্মান অসম্মান নিয়ে। পৃথিবীর সকল কিছুর ধর্ম আছে। মানুষের যেমন আছে তেমনি পশুও আছে, আছে জড় বস্তুরও। তবে মানুষই একমাত্র প্রাণী যে কিনা নিজের স্বার্থের প্রয়োজনে তার নিয়ম-নীতিতে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন আনে। যেমন- মিথ্যা বলা মহাপাপ কিন্তু অসুস্থ ব্যক্তি বা মৃত্যুর পথ যাত্রী ব্যক্তির কাছে সবসময় সত্য বলতে নেই। সেই যাই হোক, কীভাবে সত্যবাদী যুধিষ্ঠি হবো তা নিয়েও আজকের বিষয় নয়। আজকের বিষয় পশুর সম্মান অসম্মান নিয়ে। আমরা প্রতিনিয়ত এক জন আরেকজনকে নিচে নামাতে গিয়ে অহেতুক পশুদের টেনে আনি। সাথে তাদের সন্তানদেরও নিয়ে আসি! আজকের বিষয় গালি বিশেষ করে সেই গালি যেগুলোতে পশুরা যুক্ত থাকে!

তুমি বিনে অজানাই হৃদি মোর..

পরিবর্তন জিনিসটা অনেক সময়ই সুফল বয়ে আনে জানি। কিন্তু মাঝে মাঝে অপেক্ষার সময়গুলো একটু বেশিই ধিরস্থির মনে হয়। আবহাওয়া বদলাচ্ছে প্রতিনিয়ত, ফলে ঠাণ্ডা জ্বর লেগেই আছে। শরীর সব কিছু সইতে পারে না সবসময়। তবে চারপাশের বিভিন্ন মুখোসের নিচের মুখের ক্রমাগত বদল খুব একটা অবাক করে না আর আজকাল, সয়ে যায় নি যদিও। আসলে ভাবতেও ক্লান্তি লাগে মাঝে মাঝে।

আর কাছের দুরের যত কাছের মানুষগুলো, তাদের মন ভালো না থাকাটাও আসলে বেশ খারাপ জিনিস। আর নিজের এ ব্যাপারে যখন হাত পা বাধা মনে হয়, অস্থির লাগে খুব। হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে, কিন্তু হেরে যেতে নেই বলে পারি না।

সবকিছু মিলিয়েই মন ভালো যাচ্ছে না। একদিন পরেই খুব প্রিয় সময় জানার পরও, খুব প্রিয় কিছু মানুষ অথবা সময়ের অভাব হয়তো কিছুতেই ঘুচবার নয়।

দিন হতে দিন, আসিবে কঠিন!

পেপার পড়া ছেড়ে দিয়েছি। ফেসবুকে মাঝে মধ্যে লিংক আসে শুধু দেখি, টিভিতে স্ক্রল দেখি, অনলাইনে নানান পত্রিকায় মুলত দেখি বিনোদনের খবর। ফাওয়াদ আফজাল খান- কারিনার সাথে 'উড়তা পাঞ্জাব' সিনেমায় নাই, অক্ষয়ের 'বেবি' কেমন করছে ব্যাবসা, কারিনা শহীদ নতুন এক সিনেমা আবার করছে এক সাথে, শাহরুখ খান হ্যাপি নিউ ইয়ার নিয়ে বিব্রত, ফিল্মফেয়ারের নমিনেশন পেল কি কি সিনেমা, অস্কার কাদের পাওয়ার চান্স বেশী, বয়হুড কিংবা গ্রান্ড বুদাপেষ্ট হোটেল দেখা হলো না, রনবীর কাপুর এতবেশী কেন গেইম খেলে, বাংলার শাকিব খান কি ইন্টারভিউ দিলো এসব পড়েই কাটাই। আর বই পড়ি, নানান বই নিয়ে বসি। শখ করে একজনের কাছ থেকে এনে অমিয়ভূষণ মজুমদার ধরেছি, বিখ্যাত লেখক। কিন্তু বোর হয়ে যাই। পড়ার আরেকটা সমস্যা হলো কনসেনট্রেশন হারাই। মোবাইলের দিকে তাকাই, সময় দেখি, চা বানাই, টিভিটা একটু চালাই, হাবিজাবি কাজ করি। ইচ্ছে করে না টানা পড়ে যেতে। আগে টানা পড়তে পারতাম, এখ

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ