অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ২০ জন অতিথি অনলাইন

একাত্তরের বিদেশী বন্ধুগণঃ আমাদের দুঃসময়ের সূর্যসারথি (পর্ব-১৪)

জ্যোতি বসু

Jyoti_Basu.jpg

কমরেড জ্যোতি বসু শুধু ভারতে নয় এই উপমহাদেশের একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র। ভারতের মার্কসবাদী কমিউনিস্ট পার্টির এই নেতা ১৯১৪ সালের ৮ই জুলাই কলকাতার হ্যারিসন রোডের একটি শিক্ষিত উচ্চবিত্ত পরিবারে জন্ম জন্মগ্রহন করেন। তার বাবা নিশিকান্ত বসু ছিলেন একজন চিকিৎসক। ইংরেজী সাহিত্যে অনার্স শেষে বিলাত থেকে ব্যরিস্টার হয়ে দেশে ফিরে ব্যরিস্টারী না করে যোগ দিলেন কমিউনিস্ট পার্টিতে। মানুষের প্রতি তাঁর কর্তব্যবোধ, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও বর্নাঢ্য কর্মজীবন তাঁকে এক অনন্য স্থানে অধিষ্ঠিত করেছে।

………………মা……………….

কোন আকাশে, কোন সমুদ্দুর
কোন তেপান্তরের পারে
কোথায় আছ কেমন আছ
জানতে ইচ্ছা করে
মাগো-
জানতে ইচ্ছা করে।।

তোমায় যখন কবরে রাখি
কি করে বলি আমি
ঐশী রূপে সেজেছিল
কেউ তো দেখেনি
মাগো-
কেউ তো দেখেনি।
উত্তর শিয়ান পশ্চিম কাতে
যখন শোয়াই তোমাকে
এ কোন রূপে দেখলাম মাগো
সদাই মনে পড়ে,
কোন আকাশে, কোন সমুদ্দুর
কোন তেপান্তরের পারে
কোথায় আছ কেমন আছ
জানতে ইচ্ছা করে
মাগো-
জানতে ইচ্ছা করে।।

যত হুকুম করেছেন খোদা
পালন করতে চেয়েছ তুমি
গভীর রাতে ঘুম ভাংলে দেখতাম
নামজ নয়ত কোরান পড়ছ তুমি
যার ধ্যানে, যার আহবানে
সকলকে গেলে ছাড়ি
কেমন আছ তাঁর কাছে
জানতে ইচ্ছা করে
মাগো
জানতে ইচ্ছা করে

কোন আকাশে, কোন সমুদ্দুর
কোন তেপান্তরের পারে
কোথায় আছ কেমন আছ
জানতে ইচ্ছা করে
মাগো-
জানতে ইচ্ছা করে।।
সেপ্টেম্বর,২৯,২০১৩
সিরাজগঞ্জ

যে কথাটা ওই পক্ষের জানা থাকা দরকার

জামাত-শিবিরের ভক্ত-অনুসারী-সমর্থকরা ছড়িয়ে আছে চারপাশে। বিশেষ করে দেশের গণমাধ্যমগুলোতে এদের সংখ্যা অনেক বেশি। যে কারণে গণজাগরণ মঞ্চ নিয়ে গণমাধ্যমে কাজ করার বিষয়টা কঠিন হয়ে উঠছে ধীরে ধীরে। এরা প্রথম থেকেই কাদের মোল্লা ফাঁসির দাবিতে গড়ে ওঠা গণআন্দোলনের সংবাদ যাতে গণমাধ্যমে খুব বেশি গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ না হয়, সে ব্যপারে সচেষ্ট ছিলো। কোনো কোনো পর্যায়ে সফল হয়েছে। সে সময় গণজাগরণ মঞ্চের সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত সাংবাদিকদের কাজ করাটা কঠিন করে তুলতে এ গোষ্ঠী খুব চেষ্টা করেছে। পরবর্তীতে এরা হেফাজতের পক্ষ নিয়ে গণমাধ্যমে গরম গরম প্রতিবেদন তৈরি করেছে। এসব ঘটনাক্রমের মধ্য দিয়ে অধিকাংশ গণমাধ্যমে স্বাধীনতার পক্ষে-বিপক্ষে এক ধরনের মেরুকরণও হয়ে গেছে।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র: আন্তর্জাতিক দায় ও দায়িত্ব

সুন্দরবন যেমন ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ তেমনি এটি একটি রামসার সাইট। তাই বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ এই বনকে রক্ষা করা যেমন দেশের প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব তেমনি এর প্রতি দায় রয়েছে বিশ্বের সকল সচেতন মানুষের। তবু এই বন উজাড় ও পরিবেশ দূষণের হুমকি উপেক্ষা করে ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে সুন্দরবন এলাকায় প্রস্তাবিত কয়লাভিত্তিক রামপাল তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

অথচ ইআইএ () প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রস্তাবিত রামপাল কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পটি সুন্দরবন থেকে মাত্র ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। যদিও সরকার নির্ধারিত সুন্দরবনের চারপাশের ১০ কিলোমিটার পরিবেশগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ (ইসিএ) থেকে চার কিলোমিটার বাইরে বলে নিরাপদ হিসেবে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু জিআইএস সফটওয়্যার দিয়ে মেপে দেখা যায়, এই দূরত্ব সর্বনিম্ন ৯ কিলোমিটার হতে সর্বোচ্চ ১৩ কিলোমিটার।

আবছায়া বিকেলে

শেষ বিকেলের আলো-আঁধারের কাঁধে মাথা রাখবে বলে
ঝুঁকছে রাতের দিকে।
কেউ বাঁধছে খোঁপা, কেউ জুতোর ফিতে
ছুটির দিনের উৎসবে যোগ দেবে বলে;
মগ্ন নিদ্রায় কি বিনোদনের খোঁজে সবাই ব্যস্ত
শুধু আমার কোন কাজ নেই-
ঝলসে ওঠা আড্ডার সলতে নেই;
তোমাদের মন খারাপে আমি উপশম
তোমাদের যে কোন বিপদে আমি বন্ধু পরম,
আমারও মনের পর্দা ছিঁড়ে যায়,
আমারও কখনো কখনো অশ্রুজল্ ই সহায়,
আমাকে খই-রঙা সকাল কি সর্ষে বিকেল
উপহার দেবার কেউ নেই - আমার আশ্রয়
আজ আধফোটা বোলের একমাত্র আত্মজাই।

২৭.০৯.১৩ [৫:৫৫ বিকেল, শুক্রবার]

আমাদের না লেখা ইতিহাস

বাংলাদেশের ইতিহাসের ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ খুব সচেতন ভাবেই অনুচ্চারিত রয়ে গেছে, যারা প্রত্যক্ষদর্শী, রাজনীতিতে নিমজ্জিত ছিলেন তারাও এই সময়কালের রাজনীতি বিষয়ে খুব বেশী আলোচনা করতে অনাগ্রহী, একটি স্বাধীন দেশের সূচনার সাড়ে তিন বছর যেনো হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে, আমাদের সচেতন বুদ্ধিজীবীগণ এই হারানো সময়ের রাজনৈতিক আবর্তে প্রতিনিয়ত ঘুরপাক খা্চ্ছেন, বিভিন্ন ধরণের তথ্য উপস্থাপন করছেন, রাজনৈতিক বিরাগ থেকে কিংবা রাজনৈতিক সুবিধা অর্জনের লোভে তারা যেসব তথ্য উপস্থাপন করছেন সেখান থেকে বাস্তবতা অনুধাবন করা দুরহ।

আমার ব্যক্তিগত স্মৃতি নেই, সুতরাং অপরাপর ব্যক্তিদের স্মৃতিচারণ সম্বল করে এই সময়ের অস্পষ্ট একটা ছবি নিজের ভেতরে তৈরি হয়েছে। রওনক জাহানের বাংলাদেশ পলিটিক্স প্রবলেমস এন্ড প্রমিজেস কিংবা তালুকদার মনিরুজ্জামানের রেভ্যুলেশোন এন্ড আফটারম্যাথের একাডেমিক বিশ্লেষণের সাথে সে সময়ের বিভিন্ন ব্যক্তির স্মৃতিচারণ কিংবা দিনলিপি এক ধরণের সহায়তা করেছে।

ধূসর গোধূলিঃ কাকতাড়ুয়া

scarecrows.jpg

যেভাবে হেঁটে চলছি এই শহরে!

আবার লিখতে বসলাম। কি লিখবো কিছুই ভাবি নাই এখনো। তাও লিখতে বসা অযথাই। শুয়ে শুয়ে বই পড়ছিলাম। আজ তেমন গরম নেই, নেই শরীরে কোনো ক্লান্তি তাই বই পড়ছিলাম। কিন্তু আমার মতো গরীব মানুষের সুখ কারোই সহ্য হয় না। তাই কারেন্ট চলে গেল। শুয়ে শুয়ে মশার কামড় খাবার চেয়ে বসে বসে মশার কামড় খাওয়া ভালো। তাই আবার যথারীতি অন্ধকারে বসে লেখা শুরু করলাম। ব্লগে লেখতে হলে ইচ্ছাই যথেষ্ট। তাই ইচ্ছে হলেই লেখতে বসি। তবে লেখার আগে ভেবে লেখতে বসা উচিত, কিন্তু আমার চিন্তা ভাবনার কোনো বালাই নাই। মনে কিছু কথা আসে তাই না সাজিয়ে গুছিয়ে লিখে দেই। আমার মামা বলে 'তোমার লেখা ওতো পড়ি না আর, খালি কমেন্ট দেখি লোকজনের।' আমি জিগেষ করলাম কেন? মামা বলে একই ধরনের কথাই ইনিয়ে বিনিয়ে বারবার বলো, তা আর পড়ার কি?' আমি মনে মনে ভাবি আহারে কত বড় অপমান। নান্নু মামা থাকলে বলতো 'সবার সামনে অপমান/ মৃত্যুর সমান'।

কবে যাব বন্ধুর বাড়ি

বন্ধুর বাড়িত ঢোলক বাজে
বন্ধুর বোনের বিয়া
আমার বিয়া কবে হবে
যাব টিকলি মাথায় দিয়া।
বন্ধু টিকলি মাথায় দিয়া।

রং বেরংগের গেট সাজাইছে
খাবার নাকছে ধুম
উচা স্বরে গান বাজাইচ্ছে
কাইরা নিছে ঘূম,
হায়রে কাইরা নিছে ঘূম।
বন্ধু আমার মন কাড়িছে
কি জনি কি কি দিয়া।
কবে যাব বন্ধুর বাড়ী
টিকলি মাথায় দিয়া।

বন্ধু হামার কলেজ যায় গো
সাইকেলত চড়িয়া
আমিও স্কুলে যাই গো
রিক্সা ভ্যান করিয়া
হায়রে রিক্সা ভ্যান করিয়া
সাই সাই করি সাইকেল খানা
যায় যে ভ্যানক ছাড়ি।
কেন জানি বন্ধু আবার
আইসে বার বার ঘুড়ি
হায়রে, আইসে বার বার ঘুড়ি
এইনা দেইখ্যা হজ্ঞলে মোক
খেপায় খোটা দিয়া
কবে যাব বন্ধুর বাড়ি
টিকলি মাথায় দিয়া।
বন্ধু টিকলি মাথায় দিয়া।
২৪/০৯/২০১৩
সিরাজগঞ্জ
বাংলাদেশ

যেভাবে যাচ্ছে দিন, যা দেখছি।

মন মেজাজের হাল সুবিধার না বিশেষ। সারাদিন বেহুদা দোড় ঝাপ করলাম তাতে আরো বেশী টায়ার্ড লাগছে। অন্য কেউ হলে শুয়ে থাকতো। কিন্তু আমি তো অনন্ত জলিলের ফ্যান তাই অসম্ভবকে সম্ভব করাই আমার কাজ না হলেও তাঁর কাছাকাছি কিছু করা তো যায়ই। তাই প্রচন্ড ক্লান্ত শরীর নিয়ে পোষ্টটা লিখছি অন্ধকারে। আজ কারেন্ট কত শত বার গেছে তার হিসেব জানা নেই। জানি না কতদুর লিখতে পারি। বাবাখোরদের শুনছিলাম নাকি তাদের এমন দশা হয়ে যায় আসক্তিতে যে খাবারে টেবিলেই ঘুমিয়ে পড়ে ঠাস করে। আমি বাবা না খেয়েই পিসিতে ঘুমিয়ে পড়তে পারি যেকোনো সময় এই ব্লগ লিখতে লিখতে। তবে শরীর থেকে কম চে কম দুই তিন লিটার খালি ঘামলাম সারাদিনে। তাই ঘুমানোর আশা দুরাশা!

৪ টাকা = একটি ছেলের জীবন

চন্দ্রমুখী চলে গেলো। তার যাওয়ার সাথে সাথে জননীর আত্মহননের চেষ্টা―খুব মনোপীড়ায় কেটেছে কিছুদিন। কোনো কিছুই আজকাল আমার, আমাদের টনক নাড়ায় না। কিন্তু এ ঘটনায় স্বাভাবিক থাকতে পারিনি।
নাজনীন আখতার শুধু সাধারণ একজন মা নন, একজন সাংবাদিকও। সাংবাদিককে সবসময় 'কঠিন' হতে হয়। এই কঠিন মানুষই যখন চরম 'আবেগী'র মতো আচরণ করে বসেন, বুঝতে হয় ব্যথার গভীরতা আসলে কতটা।

এই ক্ষতের ভেতর দিয়ে আমার ভাবি চলে গেলেন বাড়িতে। ভাবি চলে গেলে শুধু ঢাকা শহরই ফাঁকা হয়ে যায় না, মনটাও ফাঁকা হয়ে যায়। চারদিকে কেমন এক শূন্যতা বিরাজ করে।

মন খারাপের মধ্যে গত পরশু আরেকটা বড় খবর। প্রথম আলোর অনলাইলে পড়া। (কেন যে তারা পরদিন মূল সংস্করণে খবরটা দেয়নি)।
কুষ্টিয়ায় এক বাবা তার ছেলেকে বাজারে পাঠালেন। ছেলে সওদা নিয়ে এলো। বাবা হিসাব চাইলে ছেলে অবশিষ্ট ৪ টাকা ফেরত দিলো না। বললো, 'চানাচুর কিনে খেয়েছি।'
দরিদ্র বাবা সইতে পারলেন না এ ‌'অপচয়'। রাগে থাপ্পড় দিলেন ছেলের গালে। এক থাপ্পড়েই মৃত্যু হলো ছেলের। হাসপাতালে নিয়েও কোনো লাভ হলো না।
৪ টাকা = একটি ছেলের জীবন। কী কঠিন সমীকরণ।

শিয়ালেক সাজা দেও।

মধ্যি রাইতে বন্ধুর বাড়ির
মুরগা করছে চেও।
কোনঠে গেলেন বাহে সগাই
শিয়ালেক তাড়া দেও।
তোমরা শিয়ালেক সাজা দেও।

মুরগা সেতো চেও করেনি,
এযে মোর মনের ভূল
বন্ধুর চিন্তায় সদায় দেখ
চোখত শইর্ষা ফুল।
দেখ চোখত শইর্ষা ফুল।
জানলার খুলি, বেড়ার ফাঁকত
সদাই বন্ধুক দেখবার চাও।
কোনঠে গেলেন বাহে সগাই
শিয়ালেক তাড়া দেও।
তোমরা শিয়ালেক সাজা দেও।

বন্ধুর ভাল হামার ভাল
বন্ধুর সুখে সুখী-২
মা বাপেরে বুঝাতে নারি
সদাই শুনি ঝাড়ি
হামি সদাই শুনি ঝাড়ি
ঝাড়ি ঝুড়ির খেতা পুড়ি-২
বন্ধু তোমাক শুধু চাও
হামি তোমাক চাও।
কোনঠে গেলেন বাহে সগাই
শিয়ালেক তাড়া দেও।
তোমরা শিয়ালেক সাজা দেও।
২৪/০৯/২০১৩ খ্রীঃ
সিরাজগঞ্জ, ২২৫ মে, ওয়াট পাঃ প্লান্ট।

উড়ে যাওয়া হাওয়াগুলো

ঠান্ডা জাকিয়ে বসছে ইদানিং। রাত যত গভীর হয় কন কনে ঠান্ডা হাওয়া গাছের পাতাগুলো ঝরতে থাকে। দিগন্তজোড়া সবুজের উৎসব ফিকে হয়ে হলদেটে রং এ রূপ নিচ্ছে। চোখ ধাধিয়ে থাকা রূপ নির্জীবতায় বিলীন হয়ে যায়।

বিকেল গড়ালে পার্কগুলো জনমানবহীন হয়ে পড়ে। নিয়নের আলোতে নিজেকেই অদ্ভূত গীরগিটি মনে হয়। ক্যাম্পে পড়ে আছে কতদিন হলো এখন আর হিসেব নেই। উকিলের কোনো খোঁজ নেই, ইমিগ্রেশন ব্যাস্ত এখন সিরিয়ানদের নিয়ে। আমার অলস সময়গুলো কেটে যায় মানুষ দেখতে দেখতে। ল্যাপটপটা বিগড়ে গেছে কিছু দিন আগে। আইফোন দিয়ে গান শুনতে ভালো লাগলেও ল্যাপটপের কাজ করা যায় না। হাতে তেমন কিছু নেই যে একটা ল্যাপটপ কেনার বিলাসিতাটা করতে পারি।

শুধু একটা সোয়েটার আর মা এর কিনে দেয়া লেদার জ্যাকেটটা গায়ে দিয়ে গান শুনছিলাম। ঠান্ডা বাড়ছিলো আধার গ্রাস করছিলো পুরোটা আকাশ। হাটতে থাকলে গামলাস্তনের দিকে। ঠান্ডায় পিপাষা বাড়ে, পানশালাতে আড্ডায় ভরপুর হতে থাকে পিপাসার্ত মানুষের। প্রেসবিরন থেকে একটা ক্যান কিনে গলা ভিজাচ্ছিলাম এমন সময় একজন বাংলায় বলে বসলো পেছন থেকে,"ভাই, লাইটার আছে?"

যা শুনছি!

অন্ধকারে বসে পোস্টটা লিখছি। এই অসম্ভবকে সম্ভব অনন্ত জলিল করে নাই, করেছে ল্যাপটপ। সিটিসেলের এডের ভাষাতেই বলি এমন যে হবে তা কেউ ভাবে নি আগে। অবশ্য প্রচন্ড গরম পড়ছে দরদর করে ঘামছি, তার ভেতরেই লেট নাইট ব্লগ লেখা শুরু করলাম। জানি তেমন কেউ পড়বে না চেনা জানা মানুষ ছাড়া, তাও নিজেকেই নিজে অনুপ্রেরনা দিয়ে লিখতে বসি। কেউ কেউ তো এসে পড়ে যাবে তাদের জন্য লেখা আর নিজের জন্য তো বটেই! মামা বাসায় নাই। হবিগঞ্জে অফিসের কাজে। মামা না থাকলে আমি ঘুমাই অনেক দেরীতে। কারন জানি বকা দেয়ার কেউ নাই। অবশ্য মামা থাকলেও রাত জাগা হয় যথারীতি। তিনটা পর্যন্ত বসে থেকে ফেসবুকের শ্রাদ্ধ করি, কি আর করা যাবে! কিছুদিন সকালে হাটলাম এই গরমে তা আর ইচ্ছা করে না! আর আবার লোডশেডিং ফুল ফর্মে ফিরছে। পাচ ছয় ঘন্টা থাকেনা ইলেকট্রিসিটি। বিকেলের দিকে হুট করে বৃষ্টি নামে তাতে জ্যাম বাড়ে আর গরমটাও হয় ঝাঝালো। গরম আমার খারাপ লাগে না। কিন্তু এত ঘামতে ঘামতে খালি ক্লান্ত লাগে!

নাগরিক বতুতা

আপ্তবাক্য-নাগরিক জীবনে বিনোদনের অভাব, ঘোরার জায়গা নেই, নিরাপত্তা নেই, অর্থের অভাব; এ কথাগুলো আমি মানুষের মুখে ঘুরবার ব্যাপারে হরহামেশা অভিযোগ হিসেবে শুনতে পাই। ক্ষুদ্রজীবনে ঘুরবার জায়গার কখনো কোন অভাব বোধ করিনি। নিরাপত্তাকে থোড়াই কেয়ার করেছি, টাকা কস্মিনকালেও ছিল না। শুধু পায়ে হেঁটে ঢাকা শহরের কত জায়গায় যে গিয়েছি - কি এক দ্রষ্টব্য বস্তু ছিলাম মানুষের চোখে- হাড় জিরজিরে একটা মেয়ে জিন্স আর পাঞ্জাবী পরে, কোমর ছাপানো চুল নিয়ে ভয়াবহ রোদে হাঁটছে কিংবা রিকশায় হুড ফেলে বৃষ্টিতে ভিজছে-কখনো ভাবিনি এগুলো খুব আহামরি কোন কাজ, কেউ কিছু বললে বা ক্ষরচোখে তাকালে আমি দৃষ্টি ফেরত দিয়েছি।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ