অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৭ জন অতিথি অনলাইন

ব্যালেন্স- মাইনাস

ইচ্ছে করে নিজেকে নিয়ে একটা আনন্দের ব্লগ লিখি, নিজের আনন্দের কথা সবাইকে বলি। শিশুদের মত চোখ ভিজিয়ে, ঠোঁট উল্টিয়ে প্রায়ই নিজেকে নিজে বলি, একদিন ঠিক পারব, একদিন ঈশ্বর অনেক আনন্দে জীবন ভরিয়ে দিবে। সেই একদিন আর আসে না। জীবন থেকে সময়গুলো চলেই যাচ্ছে। তবে অবস্থা কিছুটা বদলেছে। যেটুকুও নিজস্বতা ছিলো, কোথাও একটুকুও ভালোলাগা ছিলো বছর ঘুরে এসে দেখলাম সেটুকুও আর নেই। ব্যর্থ জীবনের কাসুন্দি গাইতে গিয়ে দেখেছি কাছের মানুষগুলোও দূরের হয়ে গেছে অথবা কাছের ভেবে যে অনুভূতিটা টের পেতাম সেটা হারিয়ে ফেলেছি। ব্যস্ত জীবনে সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত। ব্যর্থ মানুষদের কাসুন্দি শুনে সময় নষ্ট করার মত সময় কারো নেই। তবে জীবনের এই এক বছরে শিখেছি অনেক কিছু। আবেগ সর্বস্ব একজনের জন্য কঠিন বাস্তবতা বোঝার প্রয়োজন ছিলো ত অবশ্যই। কঠিন বিপদে মানুষ নাকি খড় কুটো আঁকড়ে ধরতে চায় কিন্তু সেই খড়কুটোটাও যখন পায় না তখন এটাই হয়ত সত্যি যে, ঈশ্

নামহীন কবিতা "শিলা"

শিলা,
চুপটি করে বস , কথাটা আমার শোন,
মূখটা কেন গোমরা তোমার ,
বলেছি বলে শিলা।

নামটি যে তোমার নাহার ,
জানতাম না আমি কিছুই তাহার,
জানতাম তুমি শিলা, সকাল সাঝের বেলা,
বসাতে শুধু ফেইসবুকেতে বন্ধুত্বেরই মেলা ।

রাগ করেনা লক্ষী সোনা ,
বলছি আবার,
শিলা নামটা তোমার ,
বলব না আমি আর

কি রাগ ভেঙ্গেছে,
তাই বলে কি হাসি পাচ্ছে,
হাসো তাহলে,
বাংলার পাচ থেকে মুখটাকে বানাও আকাশের ই চাঁদ।

এই তো কি সুন্দর যাচ্ছে দেখা তোমায়,
ঠিক যেন সুন্দরী ঐ পূর্ণীমার ই চাঁদ।

এই বার বলছি তোমায় শোন,
যাহাই বল আর তাহাই বল ,
বলবো না আমি নাহার,
শিলাই বলবো আমি আবার

শিলা শিলা শিলা
আফরিন নাহার শিলা ।
.
.
বন্ধু তোকে অনেক মিস করি । ।যেখানে থাকিস ভাল থাকিস আর আমাদের মনে রাখিস ।

নারী

তোমার কাজল কেশ
যত ধরি লাগে বেশ,
যেন কাজল দীঘির জল
হাওয়ায় টলমল।

তোমার হরিন দু নয়ন
সেথা রাখা মোর স্বপন,
ভুলি, তবু বারেবার
দেখি, স্বপন হারাবার।

তোমার গোলাভ অধর
আমায় ভাবায় অসষ্টপ্রহর,
বাড়ায় হৃদ স্পন্দন
তৃষিত সব চুম্বন।

তোমার ও দু হাতে
দিয়েছি সব পেতে
রেখো আস্ট পিস্টে ধরি
শুধু তোমাতেই যেন হারি।

তোমার চরন যুগল
আমার চিত্ত করে চঞ্চল,
এই বুঝি তব এলে
ভালোবাসা পেখম মে্লে।

_____________________________
অনেক কষ্ট করি
প্রসবিনু এই ছড়া ,
ভালো যদি নাহি লাগে
যাবেনাকো কিছু করা। Smile

অযথা

...........
জীবনগাথা
জীবনে গাঁথা
আশার দোলাচোলে
দিনভর হাতে মুক্তো-মণি
নিঃস্ব অস্তকালে
তীর হারা নদে
ক্ষণ গৎ বাঁধে
রুদ্ধ গভীর জালে
আসিয়াছে কাল
দেখিয়াছি কাল
"এখন" হারায় "কাল-এ"
অসীম ক্লান্তি
শ্রান্ত করিলে
ফিরিবো প্রাণের টােন
বিসজর্নে, সমর্পণে
ছন্দত্যাগী তালে
-------------------------------------------------------------------
(ভুল ত্রুটি মাফ ..এমনিতেই লিখলাম Crazy ..)

কবিতা : বউচি খেলা

সময় পাচ্ছি না, সময় পাচ্ছি না
তোমার জন্য ফুল কিনেছি
দেবো কবে বুঝতে পারছি না,
হাজার কথার উল বুনেছি
বলবো কবে-বলতে পারছি না,
মিলিয়ে দেখার ছবি এঁকেছি
তোমার সঙ্গে বসতে পারছি না।
সময় পাচ্ছি না, সময় পাচ্ছি না।

মহাকাল তোমায় দেখতে দিচ্ছে না
মনের চোখেও দ্বন্দ, তোমার জন্য
মিলাবো বলে ভেবে রেখেছি ছন্দ।
আর তোমার কথা ভাবছি যখন
ঘুমাচ্ছি আর জাগছি, তোমায় নিয়েই মাতছি
যখন থাকছি কিংবা যাচ্ছি।

শুধু সময় পাচ্ছি না বলে তোমার সঙ্গে
দেখা হচ্ছে না, তুমি ভেবো না তোমায় ভুলেছি;
সুযোগাভাবে ঠেসে-ঠুসে
সুখ বুনছি না, তুমি যেও না খেলতে বউচি।
---

এবি'র জন্য ভালোবাসা : কিছু প্রস্তাব ও কথকতা

আমার ভার্চুয়াল জীবনের খুব প্রিয় অংশ আমাদের এই ব্লগ।
শুনতেই কি ভাল লাগে, আমরা বন্ধু।

নেটে ঘুরাঘুরি করি কম দিন হয় নি, ৬/৭ বছর তো হবেই।
তবে বাংলা ব্লগের কথা শুনি এবং ঘুরে দেখার শুরু বছর দুয়েক হবে।

প্রথম দিকে অনেকটা সময় কাটত সচলে ঘুরে, পরে অন্যান্য ব্লগ ঘুরে ফিরে এই এবি তে এসে একটু অন্যরকম ভাল লাগায় এখানেই থিতু হওয়া।
হঠাত্‍ করেই গালাগালি বা ঝগড়া নেই, কারো কথা পছন্দ না হলেই সবাই মিলে এক হয়ে তুলোধুনা করা নেই। যে যার মত করে বলছে, শুনছে।
ব্লগিং এর জন্য এরকম সুষ্ঠু পরিবেশ যে থাকা সম্ভব, এবি তে না এলে হয়তো জানাই হতো না কখনো।
নেই নেই করেও প্রায় বছর খানেক হয়ে আসছে আমার এই ভালবাসার ব্লগে।

শুরু থেকেই একটা জিনিস দেখে খারাপ লাগতো, এখানে যে পরিমান ব্লগবন্ধু রয়েছে সে তুলনায় লেখা খুবই কম আসে। অনেকেই অনেক সময় এ বিষয়ে এক আধটু লিখেছেন, তা হয়তো কিছু সময়ের জন্য কিছুটা কাজেও লেগেছে।

বন্ধুবেশী শত্রু

নিজেকে গরু গরু মনে হচ্ছে সাঈদের।গরু বলাটা ভুল হবে। গরু বললে গরুকেও অপমান করা হয়। গরুরাও এত বড় ভুল করে না। হাসানের দাঁত বের করা হাসি দেখে মেজাজটা আরো খারাপ হয়ে গেল। চিবিয়ে চিবিয়ে সাঈদ বলল, "বাছা, ঘুঘু দেখেছে, কিন্তু ফাঁদ দেখ নাই।এই কথা কাউকে বলা যাবে না? মান সম্মান ধুলোতে মেশালে তাও বলা যেত, মান সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে,হাসানের মত একটা ছাত্র আমাকে সবার সামনে বলল যে ও আমার গ্রুপে কাজ করবেনা ,আর সবাই তখন হেসে দিল ।আমাকে সবার সামনে কমেডিয়ান বনাল । এর প্রতিশোধ সুদে আসলে উসুল করা হবে।" হাসান দাঁত বের করেই জবাব দিল, "মোল্লার দৌড় জানা আছে।" শুনে মেজাজটা আরও
বিগড়ে গেল সাঈদের । কোন ক্লাসেই মন বসাতে পারছে না সাঈদ।" যে করেই হোক শোধ তুলতে হবে" ভাবছে সাঈদ ,"সুমনার সাথে প্যাচ লাগাইয়া দিবে নাকি?"

আজ মঙ্গলবার,৩ এপ্রিল ২০১২, ২০ চৈত্র ১৪১৮, ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৩

সোম থেকে শুক্র মোবাইলে এলার্ম দেয়া থাকে সকাল সাড়ে আটটায়। কিন্তু কেন জানি আমি কোনদিনও মোবাইলের এলার্ম শুনে ঘুম থেকে উঠতে পারি না। তার আগে ধরফর করে ঘুম থেকে উঠি দিয়ে দেখবো এলার্ম বাজতে এখনো অনেক সময় বাকী। সেইরকম আজকেও উঠলাম। উঠে দেখি ৮.১২ বাজে। স্বভাবমতো ল্যাপটপ খুলে বসলাম আর প্রথমেই ফেসবুক। একজন স্ট্যাটাস দিয়েছে ‘’shall be named as ADVOCATE FUAD HUSSAIN ANANDA from today... :D’’ খুব ভাল লাগলো মানুষের অর্জন দেখলে আসলেই অনেক ভাল লাগে।ভাবলাম ল্যাবে গিয়ে আয়েশ করে চা খেতে খেতে উইশ করবো। স্বভাবমতো পেপারগুলোতে একনজর চোখ বুলিয়ে ল্যাবের উদ্দ্যেশে রেডী হয়ে বাসা থেকে বের হলাম।

কাল রাতে প্রচন্ড বৃষ্টি হয়েছে কিন্তু আজ আকাশ খুব মেঘলা আবার সুর্য্যের আলোও আছে।
20120403_093904.jpg

গোপন ভালবাসা

গোপন ভালবাসা

সুমনা, একটি সিডির দোকানে কাজ করে। Sales-girl হিসেবে। একদিন মুনিম নামের একটি ছেলে সেই দোকানে সিডি কিনতে আসে। প্রথম দেখাতেই ভালো লেগে যায় মেয়েটিকে তার। শুধুমাত্র মেয়েটিকে দেখার জন্যই সে সেই দোকানে সিডি কিনতে আসতো। বাসায় গিয়ে সিডি এর প্যাকেট খুলেও দেখত না।

........এভাবে কেটে গেল বহুদিন।
মুনিমের বাড়ি সিডি তে ভরে যাওয়া শর্তেও সে নিয়মিত দোকানে যেত এবং সুমনার কাছ থেকে নতুন সিডি নিয়ে আসতো...

একদিন দোকানে গিয়ে দেখল মেয়েটি নেই। দোকানের অন্য কর্মচারীর সাথে কথা বলে সে জানতে পারল মেয়েটি সড়ক র্দূঘটনায় মারা গিয়েছে। নিজেকে সামলাতে পারলোনা মুনিম। সে বাড়িতে গিয়ে একমাত্র স্মৃতি ,সিডির প্যাকেট গুলো বের করল। বের করে দেখল ,

মেয়েটি প্রতিদিন প্যাকেট এর ভিতর একটি করে চিঠি দিয়েছে। কিন্তু মুনিম খুলেও দেখেনি ।

আমরা বন্ধু স্মৃতিগাঁথা - ২

123.jpg

আমরা বন্ধু স্মৃতিগাঁথা - ১

আজ বলবো সেদিনের সেই আড্ডা থেকে ফিরে আসার পরের অনুভুতির কথা। সেদিন আড্ডা থেকে ফিরে গ্রুপে একটি মেইল করেছিলাম। বোঝার সুবিধার্থে সেদিন যেই ইমেইলটি করেছিলাম তার অনুবাদ করার চেষ্টা করছি।

ইমেইলের বিষয়ঃ আজকের আড্ডা
তারিখঃ ৮ই এপ্রিল ২০০৬, শনিবার, সময়ঃ রাত ১০টা ১৮ মিনিট

ইমেইলের বিষয় বস্তুঃ

আমার প্রথম "প্রেম"

খুব একটা ভালো ছাত্র ছিলাম না কখনোই। টেনে টুনে পাস করাটাই ছিলো মুখ্য। দশম শ্রেণীর ফাইনাল পরীক্ষায় স্যার ডেকে বলেছিলেন “ দয়া হলো তাই পাশ করেছিস। নাহয় যাহান্নামে বসে অংক করতি। এই হলো আমার পড়ালেখা নিয়ে স্যারের দেওয়া সার্টিফিকেট। যা হোক আজ আর কোন পড়ালেখা নয় প্রেম বিষয়ে কথা বলব। বিশুদ্ধ প্রেম। আমার প্রথম প্রেম।

মুঘলে আযম - শেষ পর্ব

আগের পর্ব দেখুন

অষ্টম দৃশ্যঃ

সম্রাট আকবর পকেট থেকে বের করা স্বর্নের চেইন টা আনারকলির দিকে বাড়াইয়া ধরিলেন।
সম্রাট আকবরঃ তোমার নাচের জন্য ইনাম । আর এই চেইন নিয়ে এক্ষুনি বের হয়ে যাও রাজপ্রাসাদ থেকে। নর্তকি হয়ে তুমি শাহজাদার দিকে হাত বাড়ায়েছো !! সাহস কম তো কম না তোমার।

আনারকলিঃ চৌধূরী সাহেব !!! টাকা দিয়ে ভালোবাসা কেনা যায়না। আমরা গরীব হতে পারি কিন্তু ফকির না। ভুলে যাবেন না চৌধূরী সাহেব, রাজা-প্রজা গরূ ছাগল সবার রক্ত লাল। লাগবে না আপনার স্বর্নের চেইন। চৌধূরী সাহেব , আকাশ বাতাস সাক্ষী রেখে সেলিম কে আমি ভালোবেসেছি । দেহ মন সব দিয়ে দিয়েছি তাঁকে । সেলিম ছাড়া আমি একদিন বাঁচবো না । Sad(

সম্রাট আকবরঃ খামোশ। সম্রাট কে তুমি চৌধূরী সাহেব বলো !!! Crazy

আমগো রনি ফাস্ট হৈছে... কী আনন্দ !

শরীরটা শুক্রবার থেকে খারাপ। জুম্মার নামাজের অজু করতে গিয়া কোমরে টান পড়ছে। তারপর থেকে আর সোজা হৈয়া দাঁড়াইতে পারতেছিনা। চিন চিন করে ব্যথা করে। সটান শুয়ে রইলাম পুরাদিন। শনিবার কষ্ট কৈরা অফিসে আইলাম। দাঁড়াইতে পারিনা। বসতেও পারিনা। বস আমার কষ্ট দেইখা কৈলেন- বাসায় গিয়া রেস্ট নিতে। বাসায় আইসা পড়লাম। রেস্ট আর নেয়া হয়না। ছোট পোলাটায় আমারে পাইয়া খালি গায়ে গড়ায়। আমি ব্যথায় চিৎকার দিয়া উঠি। আমার চিৎকারে পোলা ভয় পায়। কান্দে। এইভাবে শনিবার গেল। রবিবারে সকালে আর বিছানা ছাড়তে পারতেছিনা। অফিসে যাই নাই...। হিতে বিপরীত হৈলো। ছোট পোলার লাফালাফি বাড়লো। দম খিচে পড়ে থাকি। উহ আহ ও করতে পারিনা। পোলায় ভয় পায়...। কাঁহাতক আর শুয়ে থাকা যায় ?

দুঃখের কাছে পরাজিত

কাল এইচ এস সি পরীক্ষার বাংলা পরীক্ষা দিয়া আসলাম। ভাইরে নৈর্ব্যক্তিক যা কঠিন হইছে, বুঝাইতে পারব না। দোয়া রাইখেন। এ প্লাস এর আশা ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হইয়া যাইতেছে। একটু দোয়া কইরেন যেন এ প্লাস থাকে। বিদায়॥

আবোল তাবোল - ৯

#

প্রায় সপ্তাহখানেক ঢাকার বাইরে থেকে আজ রাতে বাসায় ফিরলাম। ঘরোয়া একটা কাজে সিলেট গিয়েছিলাম। ছিলাম সিলেট সদর থেকে প্রায় ৩০/৪০ কিমি দুরে। গ্যাস ফিল্ডের কোয়ার্টারে, ওখানে ২৪ ঘন্টাই নিজস্ব জেনারেটর স্বারম্বরে কাজ করে যাচ্ছে তাই ওখানে কারেন্ট বলতে গেলে যায় ই না!

তা সেই গ্যাসফিল্ডের সীমানা প্রাচীরের চারিদিকে চা বাগান আর দুরে বিশুদ্ধ গাওগেরাম। দিনে দুপুরেই ঝিঝির ডাকে মাথা ধরে. আর মাঝে মাঝেই আশেপাশের পাহাড় থেকে বানরেরা নেমে আসে। দুয়েকটা পুরাই বাঘা বাঙালি; ঘরে ঢুকে পায়চারী করে, এটা ওটা খেয়ে যায়।

ওদিকে আবার ইলেকট্রিসিটি যায়নি এখনো, আশেপাশে কোথাও লোকজনের বসতি নাই। তাই সন্ধ্যা পেরুতেই ওখানে নিঝুম অন্ধকার। এ কারনেই হয়তো, ওদিকে সবাই ১১ টার মাঝেই দেখা যায় ঘুমিয়ে কাদা হয়ে গেছে!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা