অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

খেরোখাতা (২)

ঈদের ছুটির ৯ দিন কিভাবে কেটে গেলো টেরই পেলাম না Sad । রবিবার থেকে আবার কাজ শুরু। ভাবতেই একটা বিরক্তি বোধ হয় Stare । ২০১০ এর পর সবাই চারিদিকে ছড়িয়ে পরার পর প্রায় সব ঈদ ছিলো ছন্ন ছাড়ার মত। এবারের ঈদে একরকম সবাই একসাথে হলাম অনেক দিন পর শুধু একজন বন্ধু ছাড়া। আমাদের কাছে শুনে সেও খোমাখাতায় দুঃখ প্রকাশ করে গেলো। ঈদের পর দিন আবার যে যার জায়গায় ফেরত। আমি একলা বসে বসে ভাবলাম আর এইভাবে হয়ত একসাথে ঈদ করা হবে না। জীবিকা মানুষকে আমৃত্যু তাড়া করে বেড়াবে। হয়ত মাঝে মাঝে এইভাবে ২/৩ জনের সাথে দেখা হবে কথা হবে। সবাই একসাথে সম্ভাবনা খুব কম। এখন মনে হয় ছাত্র জীবন অনেক ভালো ছিলো Big smile । খুব মিস করি।

ছায়াবাজির পুতুল (৩)

১.
‘বাম চোখ লাফালে খারাপ খবর পাওয়া যায়। ডান চোখ লাফানো ভালো’। ছোটবেলা থেকে অনেক শুনসি এই কথাটা। এই কথার ভিত্তি কতটুকু আর যুক্তি কি জানি না। কিন্তু গত প্রায় এক মাসেরও বেশি হবে আমার বাম চোখ অনবরত লাফায়। সারাদিনে এক মূহুর্তের জন্যও যেন থামে না। ঈদের আগে ভাইয়া একটা বড় দূর্ঘটনা থেকে ফিরে আসছে। আল্লাহই জানেন আর কি অপেক্ষা করতিসে। মাঝে মাঝে অবশ্য ডান চোখও লাফায়। এই লাফালাফির কারণে কেমন কোরবানির গরুর মতো একটা ফিলিংস হচ্ছে। কোরবানির পর মাংস পিস করে বাসায় আনার পরও পিস গুলা যেমন কাঁপতে থাকে তেমন লাগতিসে।

২.

ফেরার গল্প (দুইখন্ড একত্রে)

_________( পাঠকের সুবিধার্থে দুই খন্ডকে একসাথে করে দিলাম)___________

এখানে একটা সত্যিকারের পুকুর ছিলো। আর কেউ না মনে রাখলেও আমি সেটা মনে রেখেছি। সেই পুকুর পাড়ে কত শত উদাসী দুপুর যে কাটিয়েছি ভাবলেই এই খড়খড়ে রোদের দুপুরটাও বেশ মায়াময় হয়ে ওঠে। আমি অনেকদিন পরে এই রাস্তায় ফিরছি। ঐ যে ওখানে একটা বিষণ্ণ আতাগাছ দেখছেন, ওটার পাশের গলিটা দিয়ে পঞ্চাশ গজ মত গেলেই আমার বাড়ী। কিংবা বলতে পারেন আমার বাড়ী ছিলো। এখন কেউ আছে কি না, সেটা জানা নেই।

একবিন্দুও বাড়িয়ে বলছিনা, আমি আসলেই ফিরে এসেছি। যদিও চেনা রাস্তাটা আর আগের মতো চেনা নেই। কালাম মামার চা সিগারেটের দোকানটা যেখানে ছিলো, সেখানে একটা কিম্ভুত আকৃতির হাইরাইজ দেখছি। কে জানে, কালাম মামাই এটার মালিক কি না।

আমার নবজাতিকা মেয়েও তার নাম সমাচার...

গত ২৫ জুলাই তারিখ আমার ২য় কন্যা সন্তান জন্ম নিয়েছে। আজ ১ মাস পূর্ণ হলো তার। কিন্তু এখনো এই বাবুটির জন্য আমরা কোনো নাম ঠিক করিনি। কারণ আমি এখনো এই মেয়েটির জন্য কোনো নামই খুজে পাচ্ছিনা; তাই আপনাদের শরনাপন্ন হলাম।

আমি আরবী নাম চাচ্ছি। আসলে আমি না বলে বলা উচিৎ আমার অভিভাবক-কুল (মানে ছোট্ট খুকীর নানু-দাদু) তা চাচ্ছেন এবং এই বিষয়ে আমাকে তারা সতর্কও করে দিয়েছেন।

আমার প্রথমা কন্যার নামঃ জাওয়াতা আফনান (অর্থঃ বেহেশতের দুটি উদ্যানের অধিশ্বর। সুরা আল রহমান-এর আয়াত হতে নেয়া)।

আশা করি আপনাদের সহযোগীতা পাবো।

ও; ভালো কথা, বাবুটার কিছু ছবি লোড করে দিলামঃ

a1.JPG

a2.JPG

a3.JPG

a4.JPG

এলোমেলো ৪

আজকে নিচে নামতে গিয়ে পাশের ফ্ল্যাটের সিনিয়র হস্তির সাথে দেখা, সালাম দিলাম, মুরুব্বি আমাকে দেখেই এমন ভাবে কথা শুরু করলেন, যেন আমি তার জামাই, হাতের কাছে অনেক দিন পরে পেলেন, জামাই এর পালিয়ে বেড়ানো স্বভাবের জন্যই হয়তো প্রথম প্রশ্ন ,“আরে বাবা, তুমি থাকো কোথায়, দেখাই যায় না”।

মনে মনে বললাম, দেখলাম আপনাকে আজকে নিয়ে দুবার, তাতেই এই অবস্থা! আমাকে কল্পনার জগত থেকে টেনে আনলেন এভাবে “ তুমি সারাদিন কি সব গান শোনো ঘরে বসে, তোমাদের বয়সে আমরা বাসাতেই থাকতাম না, সারাদিন বাইরে বাইরে থাকতাম, একটা সময় ছিল যখন লোহা চিবায় খেয়েছি”।

“লোহা চিবায় খাওয়া যায় নাকি?” প্রশ্নটা করা আর কুড়ালে পা ফেলা একই মনে হলো ঠিক তার পরেই।

“আরে তুমি বাসায় আসো একদিন, তোমাকে দেখায় দেই, আজকেই আসো।”

“আসবো চাচা, আরেকদিন”

“আরে তোমাদের ইয়াং ম্যান দের নিয়ে এই এক প্রব্লেম, যখনকার কাজ তখন করো না, অলস কেন তোমাদের জেনারেশন এত? তোমাদের বয়সে পকেটে লোহা নিয়ে মাইলের পর মাইল হাঁটতাম”।

নীলপদ্মের অপেক্ষা

আমি নীলপদ্ম। একটি বালি হাঁস। শরের আঘাতে ওড়ার ক্ষমতা হারিয়েছি। হারিয়ে আপনাদের হাওড়ের বিলে আমার হাঁসজীবনের শেষ বাসাটি বানিয়েছি। সেখানে বসে বসে অনেক মজার ঘটনার সাক্ষী আম হই। মাঝে মাঝে মনে হয় কথাগুলো কাউকে জানাই। এই সেদিনই যেমন এক মুহূর্তের ব্যাবধানে সময় পরিভ্রমণ করে আসলাম।

স্বপ্ন, আমার পথচলা.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]

যাক চুরি নয় স্বপ্ন কিছু..

নেই তো বাধা;
দেখতে কিছু স্বপন আবার,
চলার পথে..।

হতাশা; দুঃখ কিছু মিলবে,
এতো-
সবার জানা..

সময়ে;
সুখের ক্ষনে -
হৃদয়ে শান্তি এসে,
করবে জীবন স্বর্গসম..।

ক্ষতি কি?
রাখতে আশা, এমনতর..

চাওয়া এ নয়তো বেশি,
'এট্টুখানি'..।

'ভাল আছি' এমন ভেবে,
থাকলে 'ভাল'..

নীলাকাশ বুকের মাঝে;
নিজের করে,
মেললে ডানা..।

স্বপনে;
আশার ভেলায়,
দারুন সুখে ভাসতে..

জেনো,
নেইকো মানা..। Smile

[ আমার খুব খুব খুব প্রিয় কিছু বন্ধু;
মীর ভাই, শান্ত ভাই, তানবীরা আপু, মায়াবতী আপু, প্রিয় আপু আর লাবনী আপুর জন্য!

আপনাদের সব্বাইরে একটু বেশি বেশি ভালু পাই, অনেক অনেক ভালুবাসা আপনাদের জন্য।
ভাল থাকেন, অনেক অনেক ভাল। সবসময়। প্রতিটি দিন, প্রতিটি ক্ষন। আনন্দম! ]

অফ-সিজনে পর্যটন

বছরকয়েক আগে এক তুমুল বর্ষার দিনে কয়েকজন বন্ধুবান্ধব মিলে হাজির হয়েছিলাম কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে। প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যে তুলনামূলকভাবে নতুন কলাতলী বিচে নামি যখন, সেখানে তখন আমরা ছাড়া আর মাত্র ৫-৬ জন পর্যটক উপস্থিত ছিলেন। অফ-সিজনে কক্সবাজারে বেড়ানোর ওই স্মৃতি এখনও আমাদের মনে পড়ে। বেড়াতে ও অন্যান্য কাজে বেশ কয়েকবার কক্সবাজার যাওয়া হয়েছে, কিন্তু সেই ভ্রমণে যে আনন্দ করেছিলাম আমরা, তার সঙ্গে অন্য ভ্রমণগুলোর তুলনা করা দায়। সেই স্মৃতির কথা মনে রেখে এবারও দিন কয়েক আগে ঘুরে এলাম কক্সবাজার থেকে। বলতে দ্বিধা নেই, অফ-সিজনে কক্সবাজারে বেড়ানোর আনন্দ একেবারেই অন্যরকম। অন-সিজনে পাওয়া সুযোগ-সুবিধার সঙ্গে তুলনা করলে অফ-সিজনে বেড়ানো রীতিমতো ঈর্ষণীয়।

দেশকে জানো দেশকে জানাও..

সাম্প্রতিককালে ভারতভ্রমণ থেকে পাওয়া কিছু আলাপ বাংলায় তুলে দিচ্ছি হুবুহু। বিশ্বাস করুন এক ফোঁটাও বানোয়াট নয়।

কথোপত্থন-১
রাজধানী ট্রেন।দিল্লী থেকে জম্মু। আমি, আমার বর। মুখোমুখি জম্মুবাসী সোনালি কৌড় আর আকাশ। সোনালি আইটি প্রফেশনাল। ব্যাঙ্গালোরে পড়ালেখা করে মৌসুরিতে চাকরী করছে। এই আলাপ সেই আলাপে বললাম আমরা বাংলাদেশি। শুরু হলো আলাপ। আলাপের একাংশ-
সোনালি: আপনারা মুসলিম?
আমরা: হ্যা..
সোনালি: তাহলে তো আপনাদের ভাষা উর্দু .. তাই না?
আমরা: ক্যানো? নোপ আমাদের ভাষা বাংলা..
সোনালি: মজা করছেন? ক্যানো বাংলা হবে? আপনারা মুসলিম, উর্দুই হওয়া উচিৎ..মানে পাকিস্তানেও তো ভাষা উর্দু...
আমরা: মানে সোনালি, আমরা তো পাকিস্তানের সাখে যুক্ত না..আমাদের দেশে বাংলাভাষা নিয়ে ভাষা আন্দোলন পযর্ন্ত হয়েছে..আমাদের দেশের নাম আমাদের ভাষার নামে.. সো উর্দু হওয়ার কোন কারণ নাই..
সোনালি: ও তোমরা বাঙালি তাহলে!! নিশ্চয়ই দূর্গা পূজা করো সবাই মিলে?
আমরা: আমরা সবাই সবার ধর্মীয় অনুষ্টানে অংশ নেই..কিন্তু মুসলিমরা পূজা করেনা..
সোনালি: না, আমি তো জানি বাঙালিরা সবাই দূর্গা পূজা করে...

আমার ঈদ পর্যবেক্ষণ

সবাইকে ঈদ মোবারক। যদিও বৃষ্টির কারণে একটু প‌্যাঁচপ্যাঁচে অবস্থা ছিলো আজকে চারিদিকে, তাও সবাই ছাতি মাথায়, ভাঁজ করা প‌্যান্টে ঠিকই ঘর থেকে বেরিয়ে যার যার মত করে ঈদের আনন্দ ষোলআনা উপভোগ করেছেন। আর, এখন এই অবেলায় জনশূণ্য রাত্রিতে ক্লান্ত দেহে বিছানায় গা এলিয়ে ধৈর্য্যের চরমতম পরীক্ষা দিয়ে উপভোগ করছেন বিজ্ঞাপনের ফাঁকে ফাঁকে নাটক। আর, যারা পরীক্ষায় উতরাতে পারেননি, তাদের জন্যেও আছে চিকিতসা!! ভিন দেশী চ‌্যানেল তৈরি হাজারো পসরা সাজিয়ে!

যাই হোক, যে যাই করতেছেন, করতে থাকেন, যদি কোন ফাঁকে- ঝুঁকে ব্লগে ঢুকে থাকেন, আর অন‌্যান্য ব্লগ পড়তে পড়তে তারো কোন চিপা দিয়ে এইখানে চলে আসেন, তাইলে আমার আজকের পর্যবেক্ষণ পইড়া ফেলান এক দমে। কথা দিলাম, বেশিক্ষণ লাগবে না। যদি এইটুকু পড়ার পর আর ধৈর্য্যে না কুলায়, কী-বোর্ডের end বোতামে ক্লিক করে তলায় গিয়া জানান দিয়ে আসেন, "টায়ার্ড। খালি উপস্থিতি জানান দিতে আইলাম!!" আরো যদি টায়ার্ড হইয়া থাকেন, তাইলে এখনই ব্রাউজারের এই ট‌্যাবটার ডান কোণায় ক্রস বোতামে ক্লিক কইরা নিশ্চিন্ত মনে ঘুমাইতে যান..

এলোমেলো ৩

সবাই বলছে এত বৃষ্টি, ঈদ টাই এইবার মাটি, আমার মতামত ভিন্ন। যে ৫ জিনিসে আমার অস্বাভাবিক দুর্বলতা, বৃষ্টি তার একটা। জ্বর নিয়ে প্রায় সময় ভিজি, আবার জ্বর বাধাই, সারাবছর এভাবেই চলে কম বেশী। ওষুধ হলো মাঝখানে নীল পরীর বাড়তি কিছু বকা।

সারাদিন বাইরেই ছিলাম, আজিমপুর গেলাম বিকেলে বাবার কবর জিয়ারত করতে, ১০ বছর বাবাকে ছাড়া ঈদ করলাম, কিভাবে এতগুলো সময় পার হলো বলতে পারি না, কেবল জানি বাবা প্রায়ই ডাকে, বলে তাঁর কাছে যেতে। গিয়েই তাঁর একটা পোর্টেট করে চমকে দিলে কেমন হয়? অনেক অবাক হবে? যে ছেলেকে আঙ্গুল ধরে ছবি তুলাতে নিয়ে যেতেন, এখন সেই তাঁরই ছবি তুলছে?

বৃষ্টির সব থেকে বড় সুবিধা,এটা যেমন সব কিছু মুছে দেয়, অনেক কিছু ঢেকেও দেয়, বৃষ্টির পানিতে চোখের পানি আলাদা করা যায় না, আজকেও যায়নি......

ঈদ আনন্দের সেকাল-একাল

ছোটবেলার ঈদের দিনগুলো একেবারে অন্যরকম ছিল। ঈদের পোষাক কেনার পর থেকেই শুরু হত উত্তেজনা। নতুন জামা-কাপড়, জুতা-স্যান্ডেল সব আলমারীতে লুকিয়ে রাখতাম পুরনো হয়ে যাবে এই ভেবে Wink Wink Wink । ২৯ রোজার পর থেকে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতাম চাঁদ দেখার জন্য। চাঁদ দেখা গেলেই খুশীতে আটখানা হয়ে পড়তাম আর পরেরদিন অর্থাৎ ঈদের দিনের প্ল্যান-প্রোগ্রাম চিন্তা করতাম। ২৯ রোজা না হয়ে যদি ৩০টা হতো, তখন খুব মন খারাপ হত, ইস!

এলোমেলো ২

রাত ৩ টা, সকালে ছবি তুলতে যাবো। মাঝে বেশ কিছু দিন ছবি তুলিনি , ক্যামেরা দেখলেই কেমন জানি ভয় লাগে এখন।ঘুমের ঔষধ নিলাম, জানা কথা কাজ হবে না, তাও নিলাম....ভোতা একটা ব্যাথা মাথায় কয়দিন ধরেই, বুঝতে পারছি না।

মোবাইল বাজছে, বাইরের নাম্বার ,এতো রাতে কে করল বাইরে থেকে? ধরতে ইচ্ছা করছেনা... ব্যাথা টা বেড়েই যাচ্ছে। ছবির হাটে অনেক দিন পরে আড্ডাটা জমে উঠছিলো আজকে, সবাই ছিল। গান গুল ভালই লাগছিল শুনতে, গুড়ের চা সাথে ...আহ, জীবনের আরেক রূপ......

আজকে চাঁদ রাত, আসলেও কি চাঁদ দেখা যাবে? গতবার পাইছিলাম। গাড়িতে ছিলাম, চলন্ত গাড়ি থেকেই তুল্লাম। প্রত্যেকটা পূর্ণিমায় নীল পরীর জন্য ছবি তুলতাম, ওর যে কয়টা ছোটখাটো জিনিস পছন্দ, তার মধ্যে পূর্ণিমা একটা। ছবি দেখার পরে চুপ থেকে কিছুক্ষন বলতো "আমার দিকে তাকাতে সময় পাও না, চাঁদের দিকে তো ঠিকই তাকাও" ।

হাই তুলছি ঠিকই, কিন্তু ঘুম নাই......ঘুমানো দরকার

উপোষের দিন রাত্রী এই বছরের শেষ কিস্তি!

রোজা ৩০ টাই হলো কপাল ভালো একত্রিশটা হবার কোনো চান্স নাই এইটাই একমাত্র শুকরিয়া। ৩০ বা ২৯ যাই হোক রাখা কোনো ঘটনা না। তবে ২৯টা হলে একটা মনে শান্তি লাগে। একটা রোজা থেকে তো বেচে গেলাম। প্রকৃত মুমিন রা অবশ্য তা নিয়ে ভাবে না কিন্তু আমি সেরকম না। সকালে চা না খেতে পারার আমি প্রতিটা দিন হাড়ে হাড়ে বুঝি। এই কষ্টটা এড়ানোর জন্যই সকালে ঘুমাই একটায় উঠি। তাতে আমার আব্বু নাখোশ। বলে এই জীবনে খালি যারা ওয়াচকিপারের ডিউটি করে তাদেরকেই এরকম দিনে ঘুমাতে দেখছি তুই তো তাও না তাইলে এতো ঘুমাস কেন? উত্তর দেই না মনে মনে বলি আমি হইলাম ফ্রিল্যান্স বুদ্ধিজীবি মানুষ রাতে ঘুমালে চলে?

এলোমেলো

পাশের ফ্ল্যাট একদল হস্তি ভাড়া নিসে মনে হয়, সারাদিন দুপদাপ আওয়াজ লেগেই থাকে, দরজা খুল্লেও ধড়াম করে শব্দ, সিঁড়ি দিয়ে নামলে কি হয়, তা আর না বলি।

ঘুমটা ঠিক মত হলোনা, ঘরের পরেই সিঁড়ি, হস্তির নেমে যাওয়ার শব্দে কাঁথার নিচ থেকে উকি মারলাম “নাস্তা বানাও মা, আজকে সকাল সকাল খাব", মা একবার তাকিয়েই বেরিয়ে গেল ঘর থেকে। কাহিনী কি বুঝলাম না কিছুই।

এত বয়স হলো, চা বানাতে শিখতে পারলাম না, যতবার ভাবি শিখবো, ততবার মনে হয় পাত্তি আগে দেয় না চিনি? দোকানে মামারা কত সহজেই না বানায়, আমি কেন পারব না তাহলে? নীল পরীকে যতবারই এটা বলছি নগদে ধমক “তোমাকে দিয়ে হইছে আজ পর্যন্ত কিছু?” ...... বলার মত কিছু নাই, কথা সত্য/মিথ্যা যাচাই করার সময় ওইটা না, নীল পরীর সামনে কথার পিঠে কথা বলা মানে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ।

জোরে বৃষ্টির শব্দ আসছে, জানালা খুলেই অন্ধকার। তারমানে ইফতারি করে কখন ঘুমাইসি টেরই পাইনি, মা’র ওইভাবে চলে যাওয়ার কারণ পরিস্কার হলো। জ্বর আসছে আবার, ইদানিং একটু বেশীই হচ্ছে। ম্যাক বলে তোর বাচ্চাদের মত জ্বর লাইগা থাকে কেন অল টাইম? ডক দেখা তাড়াতাড়ি। খেক করে একটা হাসি দেই আমি।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা