এনাএনাদ্দার অতীন্দ্রীয় প্রতুত্তরাধুনিক কাইব্য
ভুমিকাটাঃ-
আইচ্ছা, পিরে আসার্পর আবার্ফের চৈলাগেস্লাম। শাবাগে ডাক দিসিলো যেডি এরাইতে পারিনাই। হাজার্হৌক, দেশের্ডাক এরানি যায়না। পৈলা পৈলা পতিদিং গেসি, এক্সপ্তা পরেত্থে যাউয়া কোমাইয়া দিসি। প্যাটের্ধান্দায় থাক্তে হৈলে এট্টুহিসাব কর্তেই হৈ। যাউজ্ঞা এলা, যা কৈতেসিলাম- শাবাগের আন্দুলুন আমার্ভিত্রে জোশাইনা দিসিলো। কিন্তুক রিসেং কামকার্বারে হাল্কিশ ঝাস্পা হৈয়া যাইতেচি আর্কি। অবৈশ্য আমার্ঝাস্পা হোউয়ায় আস্লে কিছু যায়াসে না। ত্য হাচা কৈতেছি বেলুঙ্গের কতা হুনলেই কেরাম কন্ডম কন্ডম চিন্তা মাতায় হান্দায় যায়, কিকর্মু? মনৈ পাপ। আমি হ্লায় সুবিদাবাদির *ট, হেল্লিগা আমার্কতায় কান্দিয়েন্না। পোলাপাইনে কস্ট কর্তেছে অবৈশ্যৈ সফল হৈবো। যত দুয়া কালামজানি পর্তেছি সবার্সাফল্যের লাইগ্যা।
আইজারা আবার্ফের হাজির্হৈসি আরেআরেক্কান প্রতুত্তরাধুনিক কাইব্য হাতেরাঙ্গুলের ডঘায় লৈয়া। আপ্নেগোর খিদ্মতে প্যাশকর্তেচি এইবেলা
এনাএনাদ্দার অতীন্দ্রীয় প্রতুত্তরাধুনিক কাইব্য
আম্রার পুতলা আম্রারে কয় মেও
তুম্রার পুতলা কেম্মে চুম্মা দেও
তুমার চৌক্ষে যকন রাকি চৌক্ষ
পাংখা মেইল্ল্যা উইরা যায়গা দুক্ষ
প্রজন্ম চত্বরের আন্দোলন এবং জামায়াত শিবিরের অপপ্রচার
আজকের (১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৩) দৈনিক ইনকিলাবের ইন্টারনেট সংস্করণে “ফুঁসে উঠেছে তৌহিদী জনতা” শিরোনামের রিপোর্টটি পড়লাম। রিপোর্টটির মূল বক্তব্য হচ্ছে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বর আমাদের পবিত্র ধর্ম ইসলাম, আমাদের প্রিয় নবী (সাং), ইসলামী অনুশাসন ইত্যাদির বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করছে। শাহবাগ আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারীদের ইসলামের শত্রু হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। জামায়াত শিবির এবং বিএনপি যখন রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশের জনগণের আন্দোলনকে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়েছে, তখন তারা আমাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বাংলাদেশের নিরপেক্ষ ধর্মপ্রাণ মুসলমান ভাইদেরকে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি শাহবাগের আন্দোলনের সাথে ধর্মের কোন বিরোধিতা নেই। ইসলাম আমাদের প্রাণের ধর্ম। বাংলাদেশের অধিকাংশ মুসলমান খুবই খোদাভীরু, ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যেই আমাদের বেড়ে ওঠা। শাহবাগের প্রজন্ম চত্বর থেকে ধর্মীয় অনুভূতির সাথে সাংঘর্ষিক কোন বক্তৃতা বা বিবৃতি দেয়া হয়নি। আপনারা একটা জিনিস লক্ষ্য করবেন, গত দুই সপ্তাহ যাবৎ কোনপ্রকার অঘটন ছাড়াই শাহবাগের আন্দোলন এগিয়ে যাচ্ছে। এখানে হাজার হাজার ছেলে মেয়ে হাতে হাত ক
হে শাহবাগ--দোখো, সৃষ্টির সুরে হবে গান একদিন
শাহবাগের গণ আন্দোলন নিয়ে আমার অনেক বন্ধু, স্বজন ও পরিচিতরা অনেকে অনেক কথা বলেন। কেউ বলছেন এই আন্দোলন সফল, কেউ বলছেন এই আন্দোলন এখন আওয়ামীকরণ হয়ে গেছে, কেউবা এটিকে তারুণ্যের জন্য এক রাজনৈতিক গোলকধাঁধা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
অনেকেই এখন প্রশ্ন করছেন, এই আন্দোলনের আসলে গোলটা কী? শুধুই রাজাকারদের ফাঁসি? কাদের মোল্লার ফাঁসি দিলে কিংবা জামায়াত নিষিদ্ধ করলেই যদি আন্দোলন থেমে যায়, তাহলে এই উত্তাল প্রজন্মের উত্তরাধীকার দেশের আর কোন কাজে লাগবে? এই আন্দোলনের আসলে মূল শিক্ষা কী?
কেউ বলছেন, ‘আরে সব সাজানো, আওয়ামী লীগই বিরোধী দরকে ট্রিট করতে এই তরুণদের আবেগকে এখন কাজে লাগাচ্ছে। সরকার যদি না চাইতো তাহলে এই আন্দোলন কখনও সফলই হতে পারতো না।’
আমার ওইসব বন্ধুকে বলি, শাহবাগের আন্দোলন এমনি এমনি একটি জাতিকে নাড়িয়ে দিয়ে যায়নি। ১৯৯০ সালের পর থেকে রাজনীতির যে দুষ্টচক্র বাংলাদেশটাকে খুবলে খামচে খেয়েছে সেই যন্ত্রণার চাক্ষুস সাক্ষী আমরা তরুণেরা।
শাহবাগের চলমান আন্দোলন নিয়ে এক ফেসবুক ব্যবহারকারীর ভ্রান্ত ধারণা এবং আমার প্রতিউত্তর
গত পরশু সকালে প্রাক্তন একজন সহকর্মীর কাছ থেকে একটা লেখা পেলাম, লেখাটি লিখেছেন তাঁর ফেসবুকের একজন বন্ধু। লেখাটি নিচে হুবহু তুলে দিলাম, তার লেখার নিচে আমার প্রতিউত্তরও আমার ঐ সহকর্মীকে পাঠিয়েছি, আমার উত্তরটা তিনি ঐ লেখকের ফেসবুকে পোষ্ট করবেন। এবি ব্লগের সকল বন্ধুদের জ্ঞাতার্থে দুটি লেখাই নিচে দিলামঃ
মূল লেখাঃ-
দয়া করে যুদ্ধঅপরাধীদের ‘রাজাকার’ বলে সম্বোধন করবেন না। ‘রাজাকার’ একটি উর্দু শব্দ যার অর্থ সাহায্যকারী। এর উৎপত্তি আরবী ভাষা থেকে যেখানে আল্লাহ্র সাহায্যকারীদের এই নামে ডাকা হত। তাই যেসব মুসলিম ভাইবোনরা দিনরাত ‘রাজাকার’ শব্দটি গালি হিসেবে ব্যবহার করছেন এবং সব রাজাকারদের মৃত্যু ও ধ্বংস কামনা করছেন তারা মূলত আল্লাহ্র সকল সাহায্যকারীদের গালি দিচ্ছেন। এর মধ্যে সকল নবী-রাসুল ও সাহাবীরাও পরে। আল্লাহ্ আমাদের সকলের জানা-অজানা গুনাহসমূহ যেন মাফ করেন।
ফড়িংয়ের ডানাতেও এই জীবন দেয় ডাক!
শিরোনামটা কবীর সুমনের গান থেকে ধার করা। আমার মাথায় এতো কাব্য কিংবা উপমা আসে না কখনো তাই এ ধার ও ধার করেই চলি! আর এখন যে অস্থিরতার ভেতরে আছি তাতে কাব্য আসার কোনো সম্ভাবনাই তাই। তাও এই পোষ্টটা লিখছি স্রেফ মন মেজাজ হালকা করার জন্য সাথে হালকা থাকার জন্যে। কাল মামা সেই মাঝ রাতে বাসায় ফিরলো। আমি কামাল ভাইয়ের বই পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়লাম। ভাগ্যিস দরজা খোলার গেঞ্জামে পড়তে হয় নাই। নয়তো সাড়ে তিনটায় উঠে নীচের তালা যেয়ে চাবি নিয়ে দেনদরবার করতে হতো। আমাদের বাসাটা এদিক দিয়ে অসাধারন। রাত যতই বাজুক গেট নিয়ে টেনশন নাই। তারপর বাসাটা ছাদের উপরে। মানুষ যে ধরনের বাসায় থাকার স্বপ্ন থাকে আমার বাসাটা ঠিক তেমনি। সব দিক থেকেই দারুন। খালি ডিশের লাইন নিয়ে একটা গেঞ্জাম তাই চার মাস ধরে টিভি দেখতে পারি না আর বাসা থেকে টাকা নিয়ে চলতে হয় ইহাই বড় সংকট। তা না ছাড়া স্বর্গে আছি। বাবা মা কে খুব মিস করি কিন্তু কি আর করা সেই মিস সবাই করে। বাবা মায়ের সাথে থেকেও তা করে এই যা।
আসুন সুশিলতা ফুটাই, কামেল হয়ে যাই
অনেককেই দেখেছিলাম শাহবাগ আন্দোলনের শুরু থেকেই চুপ করেছিল। এই উত্তাল আন্দোলনের মাঝেও তারা স্বাভাবিক পোষ্ট দিচ্ছিল, কবিতা হান্দাইতেছিল। এখন দেখি পরিস্থিতির বদল হইছে। তারাও এখন সরব। এখানে সব সরকারী দলের হাত, সব চক্রান্ত। এইসব করতেছে আবার ক্ষমতায় আসার জন্য। এরা থাবা বাবা ইস্যু দেখে এখন অনেক বড় ধার্মিক। এত দিন নাকি সাপোর্ট দিচ্ছিল, শাহবাগ যাচ্ছিল। কিন্তু একটা নাস্তিকের জানাজা দেখেই তাদের মেজাজ সপ্তমে। তাদের আর লাগবে না এই সব আন্দোলন। জামাত ধর্মব্যবসায়ী হতে পারে তাই বলে জামাতের জন্য ধর্মের রাজনীতি তারা বিসর্জন দিতেও পারবে না। ধর্ম ব্যবসা আর ধর্মের রাজনীতির মধ্যে কতটুকু তফাৎ আছে নাই সেটা যারা বুঝতে পারে না তাদের আবার কিসের আন্দোলন। বরং তারা মুখোশ খুলে ভালই করেছে। হিপোক্রেট হওয়া তো ঠিক না। এইসব ধার্মিকের কাছে আমার প্রশ্ন- জামায়াত কেন এভাবে বিস্তার লাভ করছে বলতে পারবেন?
কাপ্তাই থেকে বইমেলায়
আমার একটা বই বেরিয়েছে। বইমেলায় যেতে হবে। শুধু কি নিজের বইয়ের টানে ঢাকায় যাওয়া? কাপ্তাই থেকে ১২ ঘণ্টার জার্নি। না, অন্য কিছু টানও ছিল। শাহবাগের গণজাগরণে অংশ না নিয়ে কি থাকা যায়? তাই যেতে হলো প্রাণের টানে।
এবার কাকলী থেকে বেরিয়েছি আমার উপন্যাস 'অংক স্যার+একদল দুষ্টু ছেলে'। সৌজন্য কপি এখনো পাইনি বলে বইটা কিনতে হয়েছে। কিনেছি আরো কিছু বই। বেশিরভাগই বন্ধু-পরিচিতজনদের (বর্ণক্রমে সাজানো):
১. আখতার হুসেন: সমুদ্র অনেক বড়-প্রথমা
২. আনিসুল হক Anisul Hoque: উষার দুয়ারে-প্রথমা
৩. আনিসুল হক: যারা ভোর এনেছিল-প্রথমা
৪. আহমাদ মোস্তফা কামাল Ahmad Mostofa Kamal: অন্ধকারে কিছুই দেখা যাচ্ছে না বলে- শুদ্ধস্বর
৫. আহসান হাবীব: একটি প্রায় ভয়ঙ্কর গল্প-তাম্রলিপি
৬. ইকবাল খন্দকার Iqbal Khondokar: তরুণী তখন ঘরে একা-রোদেলা
৭. ইমন চৌধুরী Emon Chowdhury: শুভ্রা আজ বাসায় একা-অনুপম
৮. এবিএম মূসা: মুজিব ভাই-প্রথমা
৯. জয়দীপ দে Joydip Dey Shaplu: হারকিউলিসের পাখা-শুদ্ধস্বর
১০. ফারজানা ঊর্মি Farzana Urmee: স্বপ্নসখা-কাকলী
১১. মুহম্মদ জাফর ইকবাল: ইস্টিশন-তাম্রলিপি
জল!নাকি ছিল অশ্রু
নিজের মনটিকে সাজাতে গিয়ে আমি কোথায় হারিয়ে যাচ্ছি ।তা কিভাবে হচ্ছে জানিনা ,কিন্তু কিছু বুঝলাম কোথাও হইতো ভুল হলো।
আয়নার সামনে দাড়াতে সে বলে উঠে,আর কত দিন এই ব্যস্থতা? স্বাভাবিক মুহুর্ত টুকু মাঝেমধ্যে অস্বাভাবিক ভাবে টেনে হেচড়ে নিয়ে যায় কঠিন বাস্তবতার দিকে।মানুষের জীবনটা কেন কাঁদে করুন সুরে ? পাল্টাই তার ভিতর যতটুকু ছিল সে।কখনও অভাবের দ্বারপাল বন্ধি করে রাখতে চায়,নিজেকে ধরে রাখার শেষ কোথায় গিয়ে থামায় নিজের অজান্তে হইতো বাধ্যগত ভাবে ।। শক্তি খুব সীমিত তাই যুদ্ধশেষ হওয়া পর্যন্ত হইতো থাকবোনা।
আজকের সুসংবাদ গুলো
সারা দেশে যে গণজাগরণ তৈরী হয়েছে তার কিছু ধারাবাহিক সুসংবাদ।
১.
ফরিদ্পুর মেডিকাল কলেজ হাসপাতাল এ জামাত এর মালিকানাধীন ঔষুধ কম্পানী বর্জন করা হয়েছে। এবং আজ থেকে প্রতিটি ডিসচার্জ পেপার এ 'রাজাকারের ফাসী চাই' শিরনামে সীল বাবহার করা হচ্ছে।
২.
আজ থেকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ জামাত শিবির এর ওষুধ কোম্পানি ইবনে সিনা এবং বায়োফার্মা কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে । আশা করব অন্যান্য মেডিকেলও অচিরেই এই কাজটা করবে ।
৩.
গনজাগরনের ধাক্কাটা কতো তীব্র সেটা উপলব্দি করতে হলে এখন আরো গভীরে চলে যেতে হবে, শাহবাগ এবং বিভাগীয় শহরগুলো পেরিয়ে। সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের বিদ্যালয়ে আজ শাহবাগ থেকে ঘোষিত কর্মসূচী পালিত হয়েছে, শহীদ রাজিব হত্যার বিচারের দাবিতে গ্রামের বাজারে মিছিল হয়েছে। ঐখানকার এক বন্ধু জানালেন দুএকদিনের ভেতর তারা ও গনজাগরন মঞ্চ তৈরী করে লাগাতার কর্মসূচী পালন করবেন, ঐ এলাকায় যারা জামাত করে তাদেরকে সংশোধনের একটা আলটিমেটাম দিয়ে সামাজিকভাবে বর্জনের ঘোষনা দেয়া হবে।
৪.
জামাত-শিবিরের হরতাল প্রতিরোধে আমার কর্মসূচী
এইটা বলিনা যে আমি এর আগে হরতালের বিপক্ষে ছিলাম বা সমর্থন করসি! পূর্বের হরতালে আমার অবস্থান নিরপেক্ষ ছিলো! তবে আগামী কালের হরতাল আমি মানছিনা এবং আমি স্পষ্ট ভাবেই এর বিপক্ষে, রুখে দেবার জন্য যা করার তাই করবো আমার অবস্থান থেকে!
যা করমু ভাবতেসিঃ
# বাসায় বাজার নাই, আম্মু কইলো বাজারে যাইতে...পরিস্কার জানায় দিসি, কালকেই যাবো! আজকে না খাওয়ায়ে রাখো ব্যাপার না! কালকেই বাজার কৈরা আমি হরতাল প্রতিরোধ করমু!
# বাসায় ইলেক্ট্রিশিয়ান দিয়ে কিছু কাজ করানো দরকার! এত্তদিন ধরে বাসা থেকে বলা হইতেসে করাইতে, আমার টাইম হয়না ওই কাজ গুলো করানোর! ঠিক করসি কালকেই করুম! কালকে করায়ে আমি হরতাল প্রতিরোধ করুম!
# ক্লায়েন্ট বলসে গিয়ে পেইমেন্ট নিয়ে আসতে! কইলাম ব্যাংকে জমা দিতে , আইতে পারুম না! তোহ আজকে ফোন দিয়ে বললাম, ব্যাংকে দিতে হবেনা, আমি কালকে আস্তেসি স-শরীরে, পেইমেন্ট নিতে! কালকে গিয়ে পেইমেন্ট কালেক্ট কৈরা আমি হরতাল প্রতিরোধ করুম!
মন খারাপের ভিতর বাহির!
ইতিমধ্যেই রাজীবের নির্মম জবাই পরবর্তি শোক আমরা কাটিয়ে উঠছি। বরং সে নাস্তিক নাকি আস্তিক? তার জানাযা পড়া উচিত নাকি অনুচিত? শেষ মেষ কেনো একজন নাস্তিক কেনো পলিটিক্যাল জানাযাতেই আশ্রয় নিতে হলো এর মানে কি? সে যে সমস্ত পোস্ট লিখছে সেগুলো তার লেখা নাকি? আর লেখা পড়েই কেউ তাকে মেরেছে নাকি? জামাত শিবিরের উপর দোষ চাপিয়ে অন্য কেউ করলো নাকি কাজটা? হাবিজাবি নানান প্রশ্নে ফেসবুক ব্লগে খাবি খাচ্ছে জনতা। আমি খালি একখান কথাই বলবো ফেসবুক ছাড়া যারা দিন কাটায় তারাই আছে সুখে। নয়তো বাংলাদেশে ফেসবুক এমন এক পরিস্থিতিতে যাচ্ছে যে অসুস্থ লোকেরাই শুধু যাবে। একাউন্ট ডিএক্টিভেট করলে ভালো হতো কিন্তু তা আর করছি কই? ঘুরে ফিরে এই ফেসবুক। আর সেইখানে বসে বসে আজাইরা মানুষের বস্তাপচা প্রশ্ন আর দোহাই দেখতে আর ভালো লাগে না!
কামনারে রাখিসনে বেঁধে
মানুষের ঘরে ঢুকে ছিল এক চোর ,চোরটি এসেছিল ভিক্ষার ঝুলি হাতে, সেই ঝুলিতে কি জানি ছিল-কিছুতেই পূর্ণ হয় না, মানুষ দিতে থাকে কিন্তু পূর্ণ হয়না, একদিন যখন মানুষটির সম্পদ আর বাকি থাকল না। শেষ সেই পরিনতি তার বিবেক,বুদ্ধি,সততা,নিষ্ঠা, সবি তাকেই দিতে হল।।
আমাদের মনে যে কামনা নামের চোরটি বসবাস করে তার অভিসন্ধি কেউ বুঝতে পারিনা। যদি তার অভিসন্ধি বুঝা যেত তবে কেউ রাজনীতি করত না।।
ঘৃণ্য চক্রান্তের জাল বিছানো হচ্ছে, সাবধান থাকা খুব জরুরি
থাবা বাবা'কে নিয়ে ঘৃণ্য চক্রান্ত ফাঁদছে জামায়াত। যেটা আমরা সবাই জানি। নাস্তিকতাবাদের ধুয়া তুলে আন্দোলনকারীদের চিন্তাকে ঘুরিয়ে দেয়া। অনলাইনে এখন একটা তুমুল আস্তিক-নাস্তিক লড়াই বাঁধানোর পাঁয়তারা করছে ছাগুরা। যাতে অনলাইন অ্যাকটিভিস্টদের একটা অংশ সেটা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। ফেসবুকে, ব্লগে শফিউল আলম ফারাবি নামে এক ছাগু নানারকম বায়বীয় হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে। ফাপড়বাজি আর কাকে বলে। ওকে একটা আখেরি গদাম দিয়ে বসিয়ে দেয়া দরকার। এইসব মশা-মাছি ভ্যান ভ্যান করে শুধু মানুষকে বিরক্ত করার কাজটিই পারে, আর কিছু পারে না।
যাক সোনার বাংলাদেশ ব্লগ বন্ধ হয়েছে, এটা আপাতত একটা ভালো খবর। ওদের ওপর এই সরকারি আঘাতটা জরুরি ছিলো। আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে সব ষড়যন্ত্র, সব চক্রান্ত, নোংরামি, কুটিলতা, অমানবিকতা সফলভাবে মোকাবেলা করা সম্ভব। কেউ কাউকে কখনো ব্যাকফুটে যেতে দেখলে, সঙ্গে সঙ্গে ডিসহার্টেড হয়ে পড়া চলবে না। স্ট্যাটেজিক্যাল পয়েন্ট অব ভিউ থেকে সবকিছু চিন্তা করতে হবে। বিশ্বস্তদের ওপর অকারণে সন্দেহ করা যাবে না। নতুন কাউকে হুট করে বিশ্বাস করা শুরুও করা যাবে না।
আমাদের প্রজন্ম চত্বর
১৯৭১ সাল। ২/৩ বছরের কোলের শিশু। একাত্তরের কথা মনে নেই আমার। ৯০ এর সৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের কথা মনে আছে। সেসময় আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। এরশাদ বিরোধী সেই উত্তাল দিনগুলোতে সরাসরি অংশ নেয়া একজন আমি।
আবার এক আন্দোলন। ২০১৩ সাল। ভাষার মাস। আবারো এক গণজোয়ার। এবারের দাবী- যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি। যুদ্ধাপরাধী, মানবতার শত্রু, খুনি, রাজাকার কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রায় হলো। সেই রায়- কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন কারাদন্ড! মানিনা সে রায়। কেনো মানবো ? প্রত্যক্ষভাবে মানুষ খুন করা কাদের মোল্লা জেলে যাবে, ভি চিহৃ দেখাবে- আর পত্রিকার পাতায় সে ছবি আমাদের দেখতে হবে ?