অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

রৌদ্রস্নাত একটি দুপুর

রৌদ্রস্নানে ফুরফুরে দুপুরের আগমন , কোথাও বৃষ্টি নেই , তারপরও কাকগুলো ডানা মেলে ধরেছে ,
ছিপছিপে গড়নের গাছগুলোতে যৌবন ঠিকরে পড়ে পল্লবের দীপ্ত ভাঁজে ভাঁজে ,
কবুতরও একপায়ে খাড়া ;
সবাই প্রশান্তির আঁচ নিয়ে বৈশাখের হাওয়া মাখে গায়ে ,
পিঠ পুড়ে যদিবা অজান্তে ।
পুকুরটায় জল নেই , কাঁদা আছে , আরো আছে রোদের ঝলকানি ,
পাড় ধরে দাড়িয়েছে কলাগাছ সারি সারি অতন্ত্র প্রহরী ,
এদিকে সবুজ ক্ষেতে ধানে ধানে আলোর নাচন ,
কোথাও শব্দ নেই , নিশ্চুপ কর্মকোলাহল ,
কোথাও বৃষ্টি নেই তারপরও ভিজছে সবই ,
মৃদু প্রেমে ভিজে যায় রৌদ্রস্নাত একটি দুপুর ।

হারিয়ে যাওয়া খেলা।

আজ এক কাজে গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলাম। সেখানে আমার সাত বছরের ভাতিজা কে দেখলাম একটা লাঠি নিয়ে খেলছে। জিজ্ঞেশ করলাম, কি খেলছিস রে? বলে, “কিছু না। এমনি।‘ চেষ্টা করলাম খেলাটা বোঝার জন্য। কেমন খেলা, কি নিয়ম মেনে খেলা হছে । দেখলাম, শুধুমাত্র একটা লাঠি মাটিতে গাড়ার চেষ্টা। কে কতটুকু মাটিতে গাড়তে পারে। ভাতিজা একবার গাড়ছে, মাপ নেবার পর আরেকজন আবার মাটিতে গাড়ছে। তারপর জয় পরাজয়। গ্রামের বাড়িতে মাটি পেয়ে নতুন একটা খেলা তৈরি করেছে।

Spring, Summer, Fall, Winter... and Spring কিংবা শাশ্বত জীবন-চক্র

spring summer fall winter and spring 2003.jpg

জীবন-চক্র শাশ্বত, অহেতুক ব্যস্ত মানুষ হিসেবে আমরা অধিকাংশ সময় সেটা খেয়াল করতে ভুলে যাই। আধুনিক জীবনের সুবিধা, কাজের তাড়াহুড়া এবং ছুটাছুটি সর্বদা চলমান পৃথিবী থেকে আমাদের দৃষ্টি এড়িয়ে রাখে। ভাগ্যিস Spring, Summer, Fall, Winter … and Spring এর মত কিছু ছবি আছে যা আমাদের আবার শিকড়ে তাকাতে বাধ্য করে।

কোরিয়ান কিম কি-দুক এর এই ছবিতে চরিত্র হাতে গোনা, পুরো ছবির সংলাপ হয়তো সাকুল্যে এক পাতা হবে, ছবির লোকেশন বলতে গেলে এক জায়গাতেই! তারপরও ছবিটা দেখার পরে স্তব্ধ হয়ে হয়ে বসেছিলাম। এটা এতই গভীর মর্মস্পর্শী যে ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।

বর্ষার ই-বুকের জন্য লেখা আহবান

প্রতীতি থেকে আমরা আগামী পহেলা আষাঢ় প্রকাশ করতে যাচ্ছি বর্ষা বিষয়ক ই-বুক ‘বৃষ্টির দিনে’। প্রথম প্রতীতির সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিই।

প্রতীতি হচ্ছে একটি আন্তর্জালভিত্তিক ই-বুক প্রকাশনা সংস্থা। প্রতীতির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ তারিখে। যাত্রার কিছুদিন পরে ২০শে মার্চ, ২০১১ তারিখে সামু, আমার ব্লগ, চতুর্মাত্রিক, শব্দনীড়, মুক্তব্লগসহ অনেকগুলো বাংলা ব্হলগে একযোগে প্রকজাশিত হয়য় প্রতীতির প্রথম ই-বুক 'এক মুঠ চলোচ্ছবি'

এক মুঠো চলচ্ছবির প্রচ্ছদ

অংক মিলে যায়, তবুও অপেক্ষা থাকে

তারপর মিলে গেলো অংক,
ফাঁস হয়ে গেলো সকল সংখ্যার জারিজুরি।
আমরাও তাকাই ফিরে সবুজ বনের দিকে,
তার পাজর জুড়ে থাকা কাঠবিড়ালীরা
ক্রমশঃ কেমন ঘোলা চোখে
তাকিয়ে সুরুৎ করে গর্তে ঢুকে যায়
যেন নেউলের বাচ্চা! আর শীত ঘুম থেকে
উঠে আসা সাপগুলো ফোশ করে
ফনা তুলে মনিটাকে খুঁজতে বেরোয়।
অংকটা যেহেতু মিলে গেছে তাই
সবকিছু ওলোট-পালোট হলেও যেনোবা
কারো কিছু আসবে অথবা যাবে না।
বিকেলের রাতজাগা চোখে ধুলো দিয়ে
চলে গেছে রোদ্দুর ও তাহার দল
সময়ের আগেই নেমেছে সন্ধ্যা,
রান্না থামিয়ে উঠোনে নেমে আসে মা, শিঙায় মুখ
রেখে উলুধ্বনি! গর্ত থেকে সাপ আর নেউলেরা উঁকি দেয়
তাদের দুপাশে রেখে মাঝখানে জাকিয়ে বসেছে অসুখি অ্যালিস...
বিস্ময় জগতে ভ্রমণ তখনো শেষ হয়নি!

আসলে ধারণা ছিলো অংক মিলে গেলে
কারো কোনো কাজ থাকবে না আর
সবাই অলস বসে থাকবে মৃত্যুর আশায়
সবকিছু চুরি করে এনে কপালে সাজিয়ে রাখা যায়

এমনও হয় মাঝে মাঝে

আমি বেশ বিরক্ত হলাম
একটা লেখার জন্য প্রায় ২ ঘন্টা নষ্ট করে যখন শেষ পর্যন্ত প্রকাশ করুন বাটনে চাপ দিলাম

এক্সেস ডিনাইড
লেখাটা পুনরায় আগের মতো লেখা সম্ভব না, অবশ্য সাইটে এর আগেও এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে, বেশ আয়োজন করে সময় নিয়ে লিখলে দুটো সমস্যা হয়

অটো লগ আউট করে দেয় সিস্টেম- সিস্টেমের কোনো সমস্যা থাকতেই পারে

কিংবা লেখাটা ফাঁকে ফোঁকরে হারিয়ে যায়। কোনো অটো সেভ অপশন নাই- একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর লেখা নিজের মতো সংরক্ষণ হওয়ার সুবিধাটা নাই।

এইখানে ড্রাফটের সুযোগ নাই- লেখা অপ্রকাশিত রাখার সুবিধা আছে- প্রাইভেট করে রাখার সুবিধা আছে-

কিন্তু সেসব দিয়ে তেমন সমস্যার সমাধান হয় না।

হয়তো পরবর্তী কোনো দিন এই বিষয়ে লেখাটা আবার লিখবো- আজকে আবার সেই পরিশ্রম করার ক্ষমতা নাই আমার।

শুক্রবার

শুক্রবারেই মানেই সবার আনন্দের দিন। লম্বা ঘুম দিয়ে নামায পড়ার জন্য ইস্তেরী করা ধোয়া উঠা পাঞ্জাবী পড়ে ভাব নেয়ার দিন। আমার কাছেও শুক্রবার গুলান আগে অনেক আয়েশের ছিলো। আয়েশী চালে সকালে উঠেই টিভি দেখার তাড়া ছিলো। ভার্সিটির পড়াশুনার টেনসন উড়িয়ে দিয়ে নিপাট একটা সকালের দিন ছিলো শুক্রবার। কিন্তু এক দেড় বছরে সেমি বেকার থাকা অবস্থায় শুক্রবার মানেই বোরিং। শুক্রবার মানেই সকাল বেলা গোসল করো কারন দুপুরে জুম্মার নামাযের আগে বাসায় ফিরবা কিনা তার কোনো ঠিক নাই। শুক্রবার মানেই এখন চাকরীওয়ালা বন্ধুদের আবদার মিটাতে সকাল বেলা তাদের ফোন দেওয়া যে ফ্রি থাকলে চায়ের দোকানে আয়। তারা দৌড়াতে দৌড়াতে তাদের চাকরী জীবনের নিদারুন বাশ খাওয়ার গল্প আমার হজম করতে হবে। শেষে তাদেরকে উপদেশের সুরে বলতে হবে দোস্ত চাকরী ছাড়িস না ইহা মুল্যবান জিনিস। এখন আবার আমার নতুন বাতিক নিজেদের একটা ক্রিকেট টীম আছে সেই টীম হারতে হারতে পর্যবসিত তাদের

‌ভাল বাবা হওয়ার ১০১টি উপায়

১.
আমার বাবাকে আজকাল আমি প্রায়ই স্বপ্নে দেখি। স্বপ্ন দেখে আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়। মনে হয় একটু ছুঁয়ে দেখি।
বাবা যখন বেঁচে ছিলেন আমি তাঁকে স্বপ্ন দেখেছি বলে মনে পড়ছে না। তখন বাবাকে প্রচন্ড ভয় পেতাম। বড় বেলায়ও সেই ভয় আমার যায়নি। যাকে ভয় পাই তাকে নিয়ে নিশ্চই স্বপ্ন দেখা যায় না।
তখন মাকে যে প্রচন্ড ভালবাসতাম তা বুঝতাম। বাবাকে ভালবাসার কথা কখনো ভেবেছি বলে মনে পড়ে না। বাবা অফিস করবে, বাসায় ফিরলে আমাদের টিভি বন্ধ করে পড়তে হবে, বেশি শব্দ করা যাবে না, এক রুমে থাকলে অন্য রুমে চলে যেতে হবে-এই আমাদের সম্পর্ক।
এখন বাবা নেই। আমি এখন জানি বাবাকে কতটা ভালবাসতাম। কিন্তু এই কথা বাবাকে আর কখনো বলা হবে না।

২.
‌'আমার বাবা আমাকে পৃথিবীর সেরা উপহারটি দিয়ে গেছিলেন। আর সেটি হলো আমার উপর তাঁর আস্থা ছিল, আমার উপর তিনি বিশ্বাস স্থাপন করেছিলেন।'

৩.
Your children are not your children.

আমার প্রথম প্রেম (পর্ব দুই)- প্রেমের আবেদন পত্র

ফ্ল্যাশ ব্যাকঃ
পড়ার টেবিল, ছাত্র জীবনের প্রথম হার্ডেল-এর প্রস্তুতি, শিশির ভেজা সাদা আর গেরুয়া রঙ আর মাতাল ঘ্রাণের শিউলি ফুলের গালিচাময় উঠুনে আমার হৃদয় চারিণীর আগমন তারপর আমাকে প্রেম বাণে বিদ্ধ করে সমান্তরাল ধাতব পাতদ্বয়ের উপরে দিয়ে চালিত ধাতব যানে করে তার প্রস্থান আমার শহর থেকে।

অতঃপর ------

মুক্তগদ্যঃ বর্ষানগর

*
বর্ষানগরের কৃষ্ণচুড়ারা একে একে ফুটে চলেছে।

**
দুপুরের ঝলমলে রোদ ভেঙ্গে ছুটে যাওয়া রিকশার টুনটুন শুনে বুকের ভেতর চাপচাপ ব্যাথা জমা হতে থাকে। এমনই টুনটুন রিকশা ছুটে গিয়েছিলো যেদিন তুমি চলে গিয়েছিলে শহর থেকে। আমার নিজস্ব নগর থেকে। ভাঙা চুড়ির মত ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিলো শব্দগুলো এসফল্টের রাস্তা জুড়ে।

***
দূর আকাশের কোনে, একপাল কাফ্রী মেঘের মিটিং জমায়েত ছিলো সেদিন। তাই বুঝি বিদ্যুতের চাবুক হাতে নেমেছিলো সোনালী সন্ধ্যা। নিঃশব্দ চাবুক চমকাচ্ছিলো সুর্যকে ঘিরতে উদ্যত মেঘেদের পিঠে। নির্যাতনে অভ্যস্ত কাফ্রী মেঘেরা আনন্দে খলখল হেসে উঠছিলো থেকে থেকেই। আর বেড়ে চলছিলো সংখ্যায়।

****

একটু আত্নপ্রসাদ...

লেখালেখিটা আসলে আমার ধাতে আসেনা।এই একটা প্রেস্ক্রিপ্সন,দুই একটা রোগীর হিস্ট্রি ওইটুক পর্যন্তই।কিন্তু সেদিনের কথাগুলো আমি না লিখে পারিনি।মাঝমাঝেই লাল খাতাটা খুলে বার করে একপলক দেখি লেখাগুলো।অপ্টু হাতের লেখা,কিন্তু অনুভুতিটা ষোল আনা খাঁটি।
অন্য সব দিনগুলোর মতনই ছিলো।নিজের নিয়মে চরে বেড়ানো নির্মল সকাল,কাঠফাঁটা রৌদ্রের দুপুর,দক্ষিনা বাতাসে ভরপুর হেলে ওঠা সূর্যের বিকেল।কিন্তু কিছুই আমার মনকে স্পর্শ করছিলো না।ঘুর্ণাক্ষরেও টের পাইনি,ওইদিনটি আমার জন্যে এক অন্যরকম দিন।
এ বছরের শুরুর দিকের ঘটনা।প্রচন্ড মানসিক অশান্তিতে ঘুরে বেরাচ্ছি।কোঙ্কিছুতেই থই খুঁজে পাচ্ছিনা।কাউকে বলার নেই,বুঝানোর নেই,শুধু স্বস্তি খুঁজে বেড়ানো।এর জন্যে যা অনাবশ্যক ছিলো তার সবটাই পূর্ণ করে ফেলেছি।শুধু আবশ্যকটাই খাতার শেষ পৃষ্ঠার মতো রয়ে গেছিলো।

সোহেল ভাই ০১৮

আচমকাই মঙ্গলবার দুপুরে দেখলাম সোহেল ভাইকে গটগট করে হাঁটছেন গলিতে- এমন সময় তো সোহেল ভাইয়ের থাকবার কথা না, সোহেল ভাই অনেক কিছুই করেন কিন্তু তার পাঙ্কচুয়ালিটির কদর আছে, তিনি সময়ের কাজ সময়ে করেন, গাফিলতি করেন না তেমন। মঙ্গলবারের আশেপাশে কোনো সরকারী ছুটি নেই- হতে পারে সোহেল ভাইয়ের মতো অন্য কাউকে দেখলাম। তেমন পাত্তা না দিয়ে চলে গেলাম বাসায়।

ইদানিং বিকেলগুলোতে নিয়মিত আড্ডা হচ্ছে না, অফিসপাড়ায়- বিভিন্ন অফিসের রিসেপশনে, চাকুরি নিয়োগ পরীক্ষার পড়া পড়তে পড়তে দিন যাচ্ছে। সন্ধ্যায় গা ম্যাজম্যাজ করলে একটু ময়না ভাইয়ের দোকানে এসে এলাকার হাওয়া বুঝে ঘরের পাখী ঘরে ফিরে যাই। ময়না ভাইকে একটা চায়ের কথা বলে বেঞ্চের দিকে তাকিয়ে দেখলাম সোহেল ভাইকে

আররে সোহেল ভাই আপনি এই সময়ে?

ডার্টি পিপল

ডার্টি পিপল

- গত ২৬শে কিছু লেখা হয়নি । ২৬, ১৬; স্বাধীনতা, বিজয় এসব এখন আর তেমন নাড়া দেয়না ! রক্তে খলবল ঝড় তোলেনা ! ’৭১ এ ছিলাম তারুণ্য ছুঁই ছুঁই দুরন্ত কিশোর ! শিরায় ছিল আগুনের ফুলকি ! শত্রু চিহ্নিত ছিল, লক্ষ্য ছিল স্থির ! দ্বিধা, সংশয় ছিলনা । থাকার কথাও ছিলনা । তখন বিদেশীরা লুঠচ্ছিল মা-বোনের ইজ্জ্বত, খুন বহাচ্ছিল বাপ ভাইয়ের । মা-মাটি-মাতৃভুমি ধর্ষিতা হচ্ছিল । আগুন লেগেছিল রক্তে – আমার, আমার মতো লাখো কিশোর, তরুণ, যুবকের । কোটি প্রাণ এক হয়েছিল সেদিন । ’৭১ সবাইকে এক করেছিল । সে মিলিত একতার কাছে নত হয়েছিল দানবের শির ।
- আজ ৪০ বছর পর কারা মা-বোনের ইজ্জ্বত চাখে ? বাপ-ভাইয়ের খুন ঝড়ায় ? এরা কি বিদেশী কেউ ?

- সে দিন একজন ডাক দিয়েছিলেন, বিদ্রোহের অনল জ্বেলেছিলেন একজন । জেগে উঠেছিল জাতি । সে মহাজাগরণের তোড়ে খড় কুটোর মতো উড়ে গিয়েছিল শত্রু ।

শান্তি অশান্তির বিভ্রান্তি কাটে না

সকাল, বিকেল, সন্ধ্যা, রাত, যায় মিছে যায়, মার্বেলের মতো গড়িয়ে গড়িয়ে যায়। তোমার খোলা হাওয়া লাগিয়ে আমার ডুবে যাওয়া হয় না। পাশ কাটিয়ে উড়ে যায় শিমুলের মেঘ; সেই মেঘকে জানা হয় না। তবু জানতে চাই। জানতে চাইলেই কি জানা যায়? জানতে কি পেরেছি শশী ডাক্তারের সাথে কুসুমের নৌকার দূরত্ব কেনো বেড়েই গেছে? পেরেছিলো কি জানতে ছবি'দি, আর কোনদিন মণি ভাইজান ডাকবে না থাকে? শুধু জেনেছিলাম বা জেনেছি বলে গোপন করে রেখেছিলাম যে, অমল আসলেই বকুল'দি সাজে। চুল বেণী করে...। অমল-বকুল'দি একদিন পালিয়ে যায়, সমুদ্রে যায় বা সমুদ্র ছুটে আসে তাদের কাছে। ঢেউগুলো ডিগবাজি খায় । ভালোবাসায়!
এতো এতো জানার ইচ্ছে তবু শেষমেষ অজানাটাই সম্বল। জানবো বলে মেঘ, স্বপ্নঘুম, দীর্ঘপথ, তারপর অনেককিছু বা কিছুই না অথবা গভীর রাত্রে বৃথা প্রশ্নের হয়রানি।

সমুদ্র আর আমি আসলে একইজন...

.........................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................

সমুদ্র নিয়েছে কেড়ে পুরোন চশমা,
স্মৃতির টংকার, দৃষ্টি সীমানা অথবা
যতোটুকু দেখে নেয়ার সামর্থ্য ছিলো
তার অধিকার। সমুদ্রকে গালি দিতে গিয়ে

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ