স্মৃতিকাতরতা আমার কর্ম না!
আজ দুপুরেই এসএসসির রেজাল্ট দিবে। টিভি চ্যানেলগুলা পত্রিকা গুলা সব ঝাপিয়ে পড়বে মেধাবীদের ছবি তুলতে তাদের সফলতার গভীরতা নির্নয়ে। আমি এসএসসি দিলাম ২০০৩ মানে ৯ বছর আগে তাহলে কতগুলো সময় ভেতর দিয়ে চলে গেলো। কিন্তু পাবলিকের মতো স্মৃতির ডানা ঝাপটানো আমার ভাল লাগে না কোনো কালেই। কারন এতো খারাপ ছাত্র ছিলাম বাবা মা কোনোদিন ভাবে নাই যে ম্যাট্রিক পরীক্ষা কোনও বাধা ছাড়া এগিয়ে যাবো। তাই যখন এসএসসি দিলাম তখন সবার চোখে মুখে বিস্ময়। পরীক্ষার সিট ছিলো আগ্রাবাদ বয়েজে। নেভীর বাসে করে চলে যেতাম চিল্লাপাল্লা গান গাইতে গাইতে তখন কিসের পড়া কিসের টেনশন। কিন্তু আমি গেঞ্জামটা করতাম গোল্লা পুরন করে যে ফর্মটা পুরন করতে হয় সেখানে যেয়ে। হয় রোল নাম্বারের জায়গায় রেজিস্ট্রেশন নাম্বার লিখছি কিংবা প্রশ্নের সেটে ভুল করছি গোটা চারেক বার। আমাদের সাথে বাসে যাইতো দিদার স্যার উনি আমারে বলতো সারাদিন তো দেখি ব্যাপক ফড়ফড় করো বন্ধুদে
তুচ্ছ পাতাটিও বাঁশি হয়ে উঠে তোমার খেয়ালে
সেই তো পথ। উড়ে যাও হলুদ বিকেল! শৈশবের ঘুড়ি। সন্ধ্যা হলে ঘুমিয়ে যাবে গ্রাম, শহরে প্রথমা তুমি থাকো- তোমার বাড়ী জ্যোৎস্না নামে। আমার ঘরে জোনাকি ঢুকে রবীন্দ্র রূপে।
শীত-বসন্তের গান আজ আর হয় না গাওয়া। ঝাপসা হয়ে আসে চোখ; দৃশ্য পুড়ার শোকে। অনেকগুলো রাত চলে গেছে বাতাসের হাত ধরে। অনেক অসহ্য চাঁদ নিভে গেছে তার মতোই করে। কেউ কারো খেয়ালে শিস কাটিনি আমরা। জেগে উঠিনি কেউ চেনা ধ্যান ভাঙা সুরে... অথচ তুচ্ছ পাতাটিও বাঁশি হয়ে উঠে তোমার খেয়ালে।
একটি প্রজাপতি জানে মন কোণে অভিমানে কে কত হয়েছে নীল। আমরা কেউ জানি না। না নদী না আমি না তুমি। আমরা শুধু দূরত্ব নিয়ে এসেছি নিকটে। কত নিকটে ছিলেম দূরত্ব ছাড়া এই সত্য আজ জানে না আর কোন দূত। ফিরে না আসা পথে ভেসে যায় মেঘ, মাটির টান নেই, বুকে ধরেছে পাথর...
ফ্রেমবন্দী অনুভব: ২
ক. প্রফেসর ব্রায়ানের সাথে যাচ্ছি কিছু ইন্টারভিউ নিতে, সুনামগঞ্জের কোনো এক জেলেপাড়ায়। তিনি একজন নৃতাত্ত্বিক, সম্প্রতি বাংলাদেশের সাক্ষরতার উন্নতি এবং এর সাথে মোবাইল ফোনের বিস্তৃতি তাঁর মনোযোগ কেড়েছে। একজন নিরক্ষর মানুষ কীভাবে প্রচলিত অক্ষর কিংবা সংখ্যার সাথে পরিচিত না হয়েও সাবলীলভাবে মোবাইল ব্যবহার করে যাচ্ছে- এটি তার বিস্ময়ের অন্যতম উৎস! গাড়িতে তিনি একের পর এক প্রশ্ন করে চলেছেন, আমি যথাসম্ভব উত্তর দিচ্ছি নিজের মতো করে এবং যেহেতু ছবি তোলার চেয়ে তাঁর প্রশ্ন করায় উৎসাহ বেশি এবং উল্টোদিকে আমার উত্তর দেয়ার চেয়ে ছবি তোলায় উৎসাহ বেশি- সুতরাং তাঁর ক্যামেরা এবারো আমার হাতে। তবে ব্রায়ানের ক্যামেরায় আমার ছবি তোলার এটাই শেষ পর্ব।
অশ্রু বিনিময়
খুব বৃষ্টি হচ্ছে বাইরে, মনে আর দুচোখের কোণে,
গভীর রাত বসে আছি জানালার পাশে দৃষ্টি আকাশ পানে,
এইতো সেই জানালা;
যার সামনে বসে কত কথা বলেছি প্রিয়ার সাথে মনের সুখে,
আজ সেই জানালার কাঁদছি মনের সীমাহীন দুখে,
টিপ টিপ পড়ছে বৃষ্টির জল সিক্ত মাটির বুকে,
আর আমার চোখের জল পড়ছে আমার মরু বুকে,
আকাশ তুইও কাঁদিস আমিও কাঁদি দুজনার মাঝে আদ্ভুত মিল,
আমিও কাঁদি দুখে তুইও কাঁদিস দুখে,
আমার প্রিয়া যাবে অন্যের ঘরে তোর বৃষ্টি যাবে সাগরের বুকে,
ওরে আকাশ তোর কান্না সবাই দেখে রে,
অথচ আমার কান্না কেউ দেখে নারে,
ওরে আকাশ তুই কেমনে পারিস এত করে কাদতে?
তোর চোখে এত জল কেন রে?
আমি আর পারিনা কাঁদতে,
আমায় এক শ্রাবণ জল ভাগ দেনা রে,
আমি এমন কাঁদতে চাই;
যেন প্রিয়ার হৃদয় ভিজে যায়,
আমি এমন কাঁদতে চাই;
যেন তার মা বাবা ভাই ভোনের চোখে স্নেহের অশ্রু ঝড়ায়,
যদি আমায় দিতে না পারিস তোর একটু জল,
তবু হারিয়ে যাওয়াটাই শ্রেয়
তবু হারিয়ে যাওয়াটাই শ্রেয় - অকারণ
ক্ষণস্থায়ী পাওয়ার চিরায়ত ভ্রান্ত সমীকরণ
আরো একবার সংশোধিত হতেই পারে ,
অতীতের ব্যুহময় অন্ধকারে
অনর্থক ক্ষীণপ্রাণ জ্যোতি
চীরতরে ঘুঁচে গেলেই কী ক্ষতি ।
সীমাহীন আকাশ ছোঁবার
বৃথা আড়ম্বর নাইবা করলাম আর ।
আকাশ বীরদর্পে হেসে আবার থমকে দাঁড়ায় ,
যদিবা ছিন্নমূল ব্যথারা উর্ধ্বপানে হারাতে চায় ;
কিন্তু শূণ্য জীবন এক চরম মাধ্যাকর্ষণ -
টান দেয় রক্তাক্ত সুতোয় , বনেদী তাঁতীর মতন
বুনে চলে নিশ্ছিদ্র বাস্তবতার জালক ।
কোথায় পালাবে হে নাদান পলাতক !
হয়তো পালানোর পথটা অননুমেয়
তবু হারিয়ে যাওয়াটাই শ্রেয় ।
আবোল তাবোল - ১০
#
অনেকদিন হাবিজাবি কিছু লিখি না, এবি তে এসে অভ্রাস খারাপ হইয়া গেছে।
মাঝে মাঝে কোন প্ল্যান ছাড়াই হাবিজাবি কিছু না লিখলে ভাল্লাগে না!
অন্যান্য দিন তাও মাথায় কিছু না কিছু থাকে, যে এই এই জিনিস নিয়া লিখুম।
আজকে তাও নাই, মাথা পুরা খালি। টাইপ করতে করতে যা আসে তাই স-ই!
তাই, আগে ভাগেই কইয়া রাখতেছি। এই হাবিজাবি পইড়া ভাল না লাগলে আমার কিস্যু করার নাই!
#
দিনকাল ভাল যাচ্ছে না, বিভিন্ন কারনে মন মেজাজও তাই।
কয়েক দিনের জন্য নিজের ভেতর ডুব দিতে পারলে বেশ হত, তাও পারছি না আরও কিছু কারনে।
বাসায় অসুখ বিসুখ লেগেই আছে, কিছুতেই যাচ্ছে না।
আমরা নিজেরা অসুস্থ হলে খুব একটা অস্বাভাবিক লাগে না। বাসার দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ও হয়ত খুব বেশি পরিবর্তন টের পাওয়া যায় না। জ্বর হলে সারাদিন শুয়ে শুয়ে গান শুনবো, খুব খারাপ লাগলে আম্মু এসে মাথায় পানি ঢেলে দিলে খুব ভাল লাগবে। খারাপ কি?!
জীবন থেকে নেয়া (টুকরো টাকরা সুখের গল্প )
ঢাকা গেলে যা দেখি তাই খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে করে। মাঝে মাঝে নিউমার্কেট আর গাওছিয়া যাই শুধু খাওয়ার জন্যে। কিছুই কিনি না, এ দোকান ও দোকান ঘুরি তারপর খাই, আবার খাই। হালিম, মোরগ পোলাও, শিক কাবাব, জিলাপি যা পাই তাই। একদিন কি কি অনেককিছু খেয়ে শপিং শেষ করে বেড়োতে যাবো আজিমপুরের সাইডের গেট দিয়ে, দেখি ওমা ঐখানের গেটের পাশের ছোট দোকানটায় কোণ আইসক্রীম বিক্রি হচ্ছে, সেটা খাওয়া হয়নি। বল্লাম পাশের লোককে। তিনি মহা বিরক্ত হলেন। প্রবাসীরা আমরা দেশে এলে অতিরিক্ত সচেতন থাকি। কোথায় কে আমাদের টাকা ছিনিয়ে নিয়ে উড়ে যায় সেই দুশ্চিন্তায়। আর এ ভদ্রলোকের সাথে এ ঘটনা বেশ কয়েকবার হওয়াতে তিনি মহাসতর্ক। তিনি তিক্ত গলায় বললেন, রাত বাজে নয়টা, এখন সব টাকা আমি গুছিয়ে ফেলেছি, কে কোথায় কি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, কোনদিক থেকে দেখবে, গুঁতা দিবে, আইসক্রীম খেতে হবে না, চলো বাসায়। আমি বল্লাম অসম্ভব আইসক্রীম না খেলে আমি
আমরা বন্ধুর সোস্যাল ক্যাচাল

আমরা বন্ধু, তাইলে আমাগো ফেইসবুকে সবাই এড থাকবো না কেন?
আশিক ভাইয়ের ঠিক অনেকটা এমন কথা দিয়েই হঠাৎ ফেইসবুকে আমরা বন্ধু গ্রুপটা প্রানবন্ত হয়ে উঠলো। আপনারা যারা এখনো সেই মজা থেকে নিজেদের বঞ্চিত রেখেছেন, তাহলে মিস করছেন অনেক কিছুই।
ভালোবাসার গণিত
ইন্টারমিডিয়েট পড়ার সময় ভাবতাম ক্যালকুলাসটা ভালই জানি। ঐ ক্যালকুলাসে ৩৬ এই ভরসাতেই পরীক্ষার হলে ঢুকেছিলাম... না হলে Statics Dynamics খায় না মাথায় দেয় তাও জানতাম না... কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে নাসের স্যারের কাছে ‘Real Analysis’ পড়তে গিয়ে বুঝলাম Calculus এর ‘ক’ ও শিখি নি... বছরের অর্ধেক জুড়ে ফাংশান পড়াতে যেয়ে স্যারও হাফিয়ে উঠলেন, আর আমরা তো শেষ... যারা Function ই ঠিকমত বোঝে না তারা Analysis বুঝবে কি?
২ বছর ২ মাস ২ দিন

সেই দিনের পিচ্ছি ছেলেটার আজ ২ বছর ২ মাস ২ দিন পূর্ণ হল।
ও এখন টুক-টাক কথা বলে।
সকালে আমি অফিসে যাবার সময় আমার সাথে বেরুনোর জন্য কান্না জুড়ে দেয়।
অনেক কষ্টে ওকে রেখে বেরুতে হয়। ঘুষ দিতে হয় একটা 'মান্নাম'।
দুপুরে মাঝে-মধ্যে বাসায় খেতে যাই। আমাকে পেলে রাজ্যের অভিযোগ করবে সে।
যার অনেক কথাই বুঝিনা। আবার বেরুবার সময় যথারীতি কান্না। আমার সাথে বেরুনোর জন্য। আবার 'মান্নাম' দিয়ে রক্ষা।
রাতে বাসায় ফিরলেই নিজে জুতো পরে নেবে। আমার হাত ধরে বেরুনোর জন্য চিৎকার শুরু করবে। অগত্যা বাইরে যেতে হয় তাকে নিয়ে।
'বাক্কাফ' বা 'আগাগ' কিনে দিতে হয়।
যে ঝড়ো মেঘ একদিন আমাদের আকাশেও ডেকে আনবে বিপুল অন্ধকার
এই গল্পগুলো খুব চেনা আর সাধারণ। ওরা প্রত্যেকে কাছাকাছি সময়ে আলাদা পরিবারে মানুষ হচ্ছিল। বয়েস ৪-৬ বছর। ২০১১ সালে যে গল্পগুলো ছিল এরকম-
১. অমি প্রতি শুক্রবারের অপেক্ষায় থাকে। বাবা বাসায় থাকে সারাদিন। বিকেলে ওকে নিয়ে বের হয়। হয় শিশুপার্ক, নয়তো চন্দ্রিমা, নয়তো চায়নীজ। ফিরে আসার সময় মুঠোভর্তি চকোলেট আর বেলুন। প্রতি শুক্রবার ওর জন্মদিনের আনন্দ।
২. নীহা প্রতি রাতে ঘুমোবার আগে এক ঘন্টা বাবার গলা জড়িয়ে গল্প শুনে। সেই তিন বছর বয়স থেকে গল্প শুনতে শুনতে মুখস্ত হয়ে গেছে বাবার প্রতিটা গল্প, তবু বাবার মুখ থেকে শুনতে ইচ্ছে করে ওর। প্রতিবার শুনলে মনে হয় এই প্রথম শুনছি, বাবা এমন মজা করে গল্প করে।
নাঈম মামার জন্মদিনের সকাল
আমরা বন্ধুর ব্যানার গুলান বড়ই মনোহর সাথে আকর্ষনীয়। যেমন এখন যে ব্যানারটা ঝুলতেছে তাতে বলতেছে মে দিবস অমর হোক। মে দিবস অমর হয়েই থাকে আমার মতো বেকারের কাছে। মে দিবসের বন্ধের মতোই সব দিন ছুটিতে যায় আমার। আমার আম্মুও এক কাঠি সরেস তিনি বলেন তোর তো সব দিনই মে দিবসের মতোই আনন্দে কাটে। চারিদিকে এতো ঠেসমারা কথা বারতা শুনতে শুনতে কিছুটা ক্লান্ত আমি। কিন্তু তাতেও আমার খুব একটা ভ্রুক্ষেপ নাই। কারন নতুন একটা মাসের শুরু নতুন করে মাসের শুরুতেই পাওয়া যাবে হাত খরচ পকেট খরচের টাকা। দিনগুলো যাবে আশা করতেছি আনন্দেই। কারন মে দিবসের মেহনতী মানুষেরা মাত্র ১ প্যাকেট বিরানীর জন্য মিটিং মিছিলে যায় আর সারা বছর গাধার খাটুনি আমি সেই মানুষদের চেয়ে অনেক আনন্দে আছি। দিন যায় আড্ডা মেরেই সাথে নাম মাত্রের এমবিএতে।
ক্ষ্যাপ ০১
জাতীয়তাবাদ রাজনৈতিক আদর্শ হিসেবে বিশ্বের অন্য কোথাও হয়তো গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু বাংলাদেশের আমজনতার কাছে জাতীয়তাবাদ গুরুত্বহীন। পরিজন, মহল্লা, গ্রামের সীমান্ত পার হলে বড় জোর জেলাপর্যায় পর্যন্ত এই জাতীয়তাবাদ টিকে থাকে, অনেকাংশেই আঞ্চলিকতাবাদের বাইরে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ যেতে পারে নি। পীচ ঢাকা রাজপথ, রেললাইন, বিভিন্ন সেতু গ্রাম আর শহরের ব্যবধান ঘুঁচিয়ে ফেললেও আমাদের শৈশবে বাংলাদেশ নদীঅবরুদ্ধই ছিলো, সেই দুরে ইশ্বরদীতে পাকশী সেতু, সেখান দিয়ে যশোর খুলনা কুষ্টিয়া, ফুলবাড়ী স্টেশনে নেমে সেই মেইল ট্রেইন, এর বাইরে ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম সবই অগম্য দুস্তর পারাবার।
প্রেম ও অপ্রেমের ডিকন্সট্রাকটেড ব্যভিচার
..............................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
যদি সত্যি হতো সব
আমি দু আঙুল বিপ্রতীপ রেখে
তোমার উঠোনে গিয়ে গ্যাট মেরে
বসে বিড়ি ধরাতাম...অনেক প্রস্তুতি নিয়ে;
বলা তো যায়না কদিন ওভাবেই কেটে যেতো
নিঃসঙ্গ একাকিনী

স্বপ্নিল আঁখি দেখছে স্বপন মধুর আবিষ্টতায়,
সুখ সুখ খেলা চলছে ভীষণ মনের নির্জনতায়।
প্রফুল্ল হৃদয়, উত্তাল চিত্তে মাতাল হাওয়া বয়;
বাঁশরীর সুরে মাতোয়ারা মন, একলা পড়ে রয়।।
অভিমানের কপট আভায় বদনে মলিন ছায়া,
থরে থরে সাজানো সুখকে শুধু ধিক্কার দেয়,
ক্ষণিকেই সব ভুল ভেঙ্গে উল্লাসে ভেসে যাওয়া,
অনুতাপের সূক্ষ্ম স্পর্শে কিছুটা কাতরও হওয়া।।
মানসপটে তার স্বচ্ছ ছবি, নিষ্পাপ তার চাহনি,
এলোমেলো সব ভাবনায় সৃষ্ট কল্প-কাহিনী।
ভবিষ্যত এতো মসৃণ নয়, বন্ধুর পথের হাতছানি
বাস্তবতা ভেবে আকুল আমি নিঃসঙ্গ একাকিনী।।
আবেশমাখা স্মৃতির তরে তবু জাগে মগ্ন বিভোরতা