অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

আগুন....

Shaymoli
শ্যামলীতে আজকে সকালে লাগা আগুনের ছবি...

সকালেই বসের ফোন... তাদের বাসার পাশে আগুন লাগছে... দৌড়াইয়া গেলাম অফিস খালি কইরা... অফিসে কিছু অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি আছে... সিকিউরিটির লোকজন সেগুলো নিয়ে রওনা হলো... আমরা একটা পাশে সর্বৌচ্চ চেষ্টা চালালাম... প্রায় গোটা ৫০ লোক আমাদের... সমন্বিত প্রচেষ্ঠায় একটা সাইডে আগুনকে আর বাড়তে দেই নাই...

অফিস থেকে যাওয়ার সময় মনে হইছিল একবার ক্যামেরাটা নিয়ে বের হই... আবার এটা মনে হইলে ছবি তোলার চাইতে অনেক বড় কাজ হয়তো সেইখানে আছে... নেয়া হইলোনা আসলে ক্যামেরাটা... অনেকেই বলছে চমৎকার কিছু ছবি মিস করলাম... সব ছবি হয়তো তোলা হবে না আমার Sad

চোরাবালি

মা- বাবার ঝগড়া একদম ভাল লাগেনা অথৈ এর। কিছুদিন যাবত প্রতিনিয়ত তাদের ঝগড়া করতে দেখে হাপিয়ে উঠেছে সে। এইতো কিছুদিন আগেও তারা খুব সুখী একটা পরিবার ছিল। মা, বাবা, অথৈ তিনজন মিলে বেড়িয়ে এল মালয়েশিয়া থেকে। সেখানে কত্ত মজা করলো তিনজন মিলে। কিন্তু হঠাত করেই কেন সবকিছু এত দ্রুত বদলে গেল সে বুঝতে পারেনা। বাইরে থেকে দেখলে অবশ্য কখনোই কিছু বোঝা যায়না। এক সপ্তাহ আগেই তার বাবা- মা খুব জমজমাট করে তার জন্মদিন পালন করল। সেখানে দুজনই এমন ব্যবহার করল যেন কিচ্ছু হয়নি, তাদের মধ্যে কোন সমস্যাই নেই। তবে যতোই আড়াল করুক অথৈ জানে যে তারা কেউই এখন ভাল নেই।

আমার স্ত্রীর মৃত্যুর কোল থেকে ফিরে আসা”-প্রথম মা/বাবা হবার অনুভূতি

সকাল থেকে আকাশটা কেমন জানি মেঘলা, মনে হচ্ছে বৃষ্টি হবে, শরীরটাও খুব একটা ভাল লাগছে না, কেমন জানি মেজমেজ করছে, একটা আলসেমো ভাব। 19 ফেব্রুয়ারী, 2008ইং আমার স্ত্রী সকাল থেকে পেইন অনুভূব করছিলেন। বিষয়টি অবশ্য সে আমাকে জানিয়েছিল, কিন্তু খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি, ভেবেছিলাম হয়তবা গ্যাসটিকের পেইন-টেইন হবে। এই ভেবে চলে আসি অফিসে, অফিস শেষ করে বাসায় ফেরার পর সে আমাকে বিষয়টি আবারও অবগত করে, তখন কথাটি আর ফেলে দেওয়ার মত উপক্রম ছিল না। অনেক সিদ্ধান্তের পর তাকে প্রথমে নিয়ে যাই আজিমপুর মা ও শিশু স্বাস্থ্য ক্লিনিকে, ওখানে সবোর্চ্চ 30 মিনিট চেকআপের পর ডিউটিরত ডাক্তার জানালেন ও কিছু না, ঠিক হয়ে যাবে।অতঃপর সেখান থেকে বের হয়ে আসি বাসার উদ্দেশ্যে, ফেরার পথে ব্যাক সাইডে আবারও জোড়ালো পেইন শুরু হল। তখন কোন উপায়ন্তর না দেখে সিএনজি ড্রাইভারকে নিয়ে মগবাজার আদদীন হাসপাতালে চলে আসি। আদদীন হাসপাতালের ডাক্তা

বাড়ী ও বন্ধু

এর আগে কেউ মোবাইলের বাংলা কি প্যাড দিয়ে পোষ্ট লিখছে কিনা তা আমার জানা নাই। তবে এই অন্ধকারে কারেন্টহীন অবস্থায় ভাবলাম আকাশে মেঘের গর্জনে এই অল্প চার্জ দিয়ে একটা পোষ্ট লিখলে মন্দ হতো না। লেখা যায় অনেক কিছুই। অনেক ভাবনাই মাথায় আসে কিন্তূ তা আর লেখা হয় না সময় সুয়োগের অভাবে। যেমন বলা যায় জামালপুরে আছি গত চারদিন যাবত এর ভিতরে একদিন ছিলাম এক মামার বিয়ের কারনে গেলাম রাজশাহীতে। কত কিছুই ঘটে গেলো। রাজশাহীতে যেয়ে মোবাইলের কারনেই ১২ বছর পরে এক স্কুল ফ্রেন্ডের সাথে দেখা করলাম। দেখলাম সে অনেক ম্যাচিউরড আমি নিতান্তই ছোট মানুষ সেই তুলনায় । তার বাবা মারা গেছে, বোনের বিয়ে হয়েছে, তার বড় তিনভাই সবাই বিয়ে করে আলাদা, বন্ধুদের কারনে একটা দুই নম্বর মামলা খেয়ে রাজশাহীর যত বড় নেতা খেতা আছে সবাইকে সে চিনে ভালো খাতির। ইতিহাসে মাশ্টার্স করছে রাবি থেকে এখন পুলিশের সার্কুলার আর বিসিএস দেয়ার জন্য বসে আছে। লোকজন আছে চাকর

অসমাপ্ত ঝিকিমিকি গল্প

সেবার আমাদের ডিপার্টমেন্ট থেকে ছেলেমেয়েদের জন্য ইন্টার্নশীপ অফার করা হয়েছিলো। প্রতিবছর এ অফার করা হয় না। ডানিডা নামের একটা প্রতিষ্ঠান আছে। শুধু ওরা যখন টাকা দেয়, তখন ছেলেমেয়েরা সুযোগটা পায়। আমাকে বলা হলো, ক্লাসের ফার্স্টবয় সজলের সঙ্গে ডেনমার্কে গিয়ে ইন্টার্নী করতে হবে। ভালো লাগলো। এই সুযোগে বিমানভ্রমণ হবে। কিছুদিন পোড়ামন নিয়ে পোড়া শহরে ঘুর ঘুর করতে হবে না এবং একই ছকে বাঁধা জীবনটাকে রিপিট করতে হবে না। অনিশ্চয়তা আর উত্তেজনা নিয়ে আমরা দু'জন ভাইকিংদের রাজ্যে পদার্পণ করার জন্য অপেক্ষা শুরু করলাম। ভিসা পেতে জটিলতা পোহাতে হলো না। ডানিডা'র সব বন্দোবস্ত যারপরনাই ভালো ছিলো।

' আমার ফেরার উপায় নেই '

শিবাজী ভদ্রলোকের গান অসম্ভব ভালো লাগে। সময় পেলেই তার গান শুনতাম আমি আর ছোট বোনটা। বাসায় আমার একটা সুন্দর ছোট টেপ রেকর্ডার ছিলো। আর ছিলো রাজ্যের ক্যাসেট। ক্যাসেট কেনার একটা নেশা ছিলো আমার। সপ্তাহে ৩-৪ টা ক্যাসেট অবশ্যই কিনতাম। পাশাপাশি সনি বা টিডিকে ক্যাসেট ভরে পছন্দের গান রেকর্ড করে অনতাম। আমাদের বাসায় নিয়ত ছোটবোনের কলেজ পড়ুয়া বান্ধবীরা আসতো। সারাদিন বাসায় থেকে আড্ডা মেরে হাড়ির সব খাবার শেষ করে ওরা হলে ফিরে যেত। যাবার সময় নিজের মনে করে ২/১ টা ক্যাসেট নিয়ে যেত। সে ক্যাসেট আর কোনোদিন ফিরিয়ে দিতো না।

ক্ষ্যাপ ০২

উন্নত মানের শিক্ষা প্রদানের পারিবারিক চাপের কারণে ঢাকায় চলে না আসলে হয়তো দিনাজপুরের অলিতে গলিতে ক্রিকেট ফুটবল খেলে কোনোমতে জীবনটা আনন্দে কেটে যেতো- মহল্লার প্রথা মেনে প্রায় পারিবারিক হয়ে ওঠা রাজবাড়ী ক্রিকেট ক্লাবের হয়েও দিনাজপুরের লীগ ম্যাচও খেলা হতো- কিন্তু গুরুজনদের আগ্রহে ঢাকা চলে আসলাম। রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ এখন পর্যন্ত সার্বিক সুবিধা বিবেচনায় ঢাকা শহরের সেরা স্কুল আর কলেজ, ১৩টা ফুটলব মাঠ, একটা ক্রিকেট মাঠ, দুটো বাস্কেট বল কোর্ট, অডিটোরিয়াম সব মিলিয়ে বেশ চমৎকার জায়গা। হোস্টেলের নিয়ম কানুন এবং প্রায় অপরিচিত মানুষজনকে বাদ দিলে হয়তো খুব চমৎকার সময় কাটতো ওখানে।

আমি নাহয় রাবণই হব

তোমরা নাহয় রাম হও
কিংবা অচিন রাজপুত্র
অর্ধ রাজ্য - পূর্ণ কন্যা - বলিহারি রাজত্ব
আমি নাহয় রাবণই হব
দশ মাথার অসুর সম
সীতা তোমার ঘরেই থাকুক
পারলে নিও (বি) ভীষণ টাকেও
ও দেবতা ভালই আছ
তুন ভরে তীর সাজছ আরো
তীরের মাথায় আমায় রেখো
এবার মাথা ছেড়ে দিও
বুকের বাঁয়ে - অচিন তলে
এবার সেথায় আঘাত কর.

লেখকরঙ্গ

চার্লস ডিকেন্স লোকটা অন্য রকম ছিলেন। পত্রিকায় তিনি ধারাবাহিক উপন্যাস লিখতেন। তাঁর উপন্যাসের কিস্তি পড়ার জন্য অধীর আগ্রহে পাঠকেরা অপেক্ষা করতেন। মাস্টার হামফ্রেজ ক্লক নামের একটা সাপ্তাহিকে তাঁর উপন্যাস প্রকাশিত হতো। দি ওল্ড কিউরিসিটি শপ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ হতে শুরু করে ১৮৪০ সালে। উপন্যাসটি ইংল্যান্ডের গণ্ডি ছাড়িয়ে আমেরিকায়ও তুমুল জনপ্রিয় হতে শুরু করে।
কাহিনি তখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আর মাত্র একটি পর্ব বাকি। সবার আগ্রহ উপন্যাসের নায়িকা নেলের পরিণতি নিয়ে। সে কি বাঁচবে, নাকি মারা যাবে। তখন সাপ্তাহিকটি আমেরিকা যেত জাহাজে করে। জাহাজ যেদিন ভিড়বে, সেদিন ঘাটে হাজার হাজার মানুষের ভিড়। পত্রিকা হাতে পেয়ে পড়ার জন্য সবাই অস্থির। আর সহ্য করতে না পেরে জনতা চিৎকার করে জাহাজের নাবিকদের কাছেই জানতে চাইল, ‘নেল কি মারা গেছে?’

রাজকন্যা

IMG_3227 (Small).JPGসে ছিল দুরের এক নক্ষত্র
যেন মায়াবী এক কল্পলোক !
এক দুখিনী মা তার আটপৌরে ঘরে
রোজ রাতে বসে বসে
জোনাকির ইন্দ্রজালে দোলনা বুনতো।

তবুও মাঝে মাঝে অদ্ভুত একটা কষ্ট
স্যাঁতস্যাতে স্যাওলার মত
সেই মায়ের বুকের ভেতরটা ভিজিয়ে দিত
আঁধারের উষ্ণ অনুরাগে ফুঁপিয়ে ওঠতো সে
তার ঘর, উঠোন, বিছানা
বুকের ভেতরটায়- ছিল এক সমূদ্রের শূন্যতা ।

মাঝে মাঝে সেই শূন্যতার সমূদ্র হত উত্তাল
সাইক্লোন বা সুনামী থেকেও ভয়ংকর,
ভয়াবহ বিস্ফোরণ-
দুখিনী মা তলিয়ে যেত বেদনার অতলে
বিষাক্ত সরিশৃপেরও চেয়েও
বেশী বিষ ধারণ করেছিল সে তার মাতৃত্বে।

একদিন, মেঘ পরীরা আকাশ থেকে
ফেলে দিল এক টুকরো মেঘ
দুখিনী মায়ের ছেঁড়া আঁচলে,
মমতার চাদরে মেঘটিকে কোলে তুলে নিতেই

হৈমন্তী... (শেষ পর্ব)

হৈমন্তী

আমার মনে একটা ভাবনা ছিল রাজনীতি করা বড়ো মেয়ে না জানি কি করিয়া বসে। কিন্তু অতি অল্পদিনেই দেখিলাম টেলিভিশনের হিন্দি চ্যানেলের সিরিয়ালের সঙ্গে নারী মনের কোনো জায়গায় কোনো কাটাকাটি নাই। বসিয়া দিনরাত হিন্দি সিরিয়াল দেখিতে লাগিলো। দেখিতে দেখিতে চোখে ঘোর লাগিয়া উঠিলে ঘুমাইয়া বিশ্রাম লয়।

এ তো গেল এক দিকের কথা । আবার অন্য দিকও আছে , সেটা বিস্তারিত বলিবার সময় আসিয়াছে ।

এবার ঘুমাতে দাও

এবার ঘুমাতে দাও
অনেক প্রহর জাগা ক্লান্ত দুটো চোখ
এবার বুজিয়ে দাও
আঁধার ঘরেই রেখো আমায় - ক্ষতি কি ?
শুধু ভেজা মাটির প্রলেপ দিও
সবুজ ঘাসের আচ্ছাদনে আমার বেদনা দিও ঢেকে
খুব যদি কষ্ট না হয়
মাথার কাছে রোপে দিও অবুঝ বাতাবি চারা
আর কি চাইব
একটা এপিটাফ - জীবন বাবুর অবাক কাব্য লিখা
তোমরাই বলো
খুব কি বেশি চাওয়া আমার
খুব কি বেশি চাওয়া ?

অন্তর্দহন বা অশ্রুবর্ষণ

জেগে ওঠে পুরানো মোচড়
হৃতপিন্ডে অনাগত ।
বিদগ্ধ দিন শেষে বেড়ে ওঠে
হৃদয়ের আদিম ক্ষত ।
অন্তর্দহনে ছাই গহীনের
বিমূর্ত নন্দনকানন ।
অলখে আঠারো বর্ষার পদচারণ ,
অতঃপর অশ্রুবর্ষণ ।

(c) by Ekanto Ovajon

“মা”

“মা” শব্দটি বিশ্ব নন্দিত ভাষার নামের মধ্যে অন্যতম একটি নাম। যার কথা উচ্চারণ করার সময় অন্তরের গভীর থেকে একরাশ আবেগ, ভালবাস, একমাত্র আশ্রয়স্থল এর কথা মনে আসে। আজ ১৩ মে, ২০১২ইং বিশ্ব “মা” দিবস, যথাযথ মর্যাদায় আজকে বিশ্ব মা দিবস পালিত হচ্ছে, সবাই সবার মা’কে কাছে নিয়ে ভালবাসা উপভোগ করছে, কিন্তু আজ আমার মা’ আমার কাছে নেই (বি:দ্র: মা’ বর্তমানে গ্রামের বাড়ীতে আছেন)। তবে তাই বলে, মা’র ভালবাসা তার সন্তানের প্রতি কমে যাবে এমনটি নয়।

দিবস ধরে না, মা ভালোবাসি, ভালোবাসবো, ভালোবাসছি জন্মাবধি ...

শবেবরাত খুব করে মানি, ছোটকাল থেকেই যত্ন করে নামায-কোরান পড়তাম। সাধারনত শীতকালেই শবেবরাত হতো। খুব হিম থাকলেও গোসল করে নামায পড়তাম পাল্লা দিয়ে ভাইবোনেরা, কে কতদূর কোরানশরীফ পড়বো তাও ঠিক করতাম, একজন ঝিমানো শুরু করলে অন্যে গিয়ে চা বানিয়ে এনে ঘুম তাড়াতাম। মন মতোন সব হলে, পরেরদিন অন্যরকম এক মজা পেতাম, সারা বছরের জন্যে বরাতে অবশ্যই ভালোকিছু হবে ভেবে! ভবিষ্যতের চিন্তা কি ধীরে ধীরে ছেড়ে দিয়েছিলাম, নয়তো ইদানিং আগের মতোন সেই উদ্যোমে শবেবরাত পালন করি না কেন যে। অন্যকিছুর জন্যে একটুও আফসোস নাই, কিন্তু গত প্রায় দু’বছর সে এক ভীষন না পাওয়া এই ভাবনাটা এনে দিয়েছে, কোন পাপে আল্লাহ বরাতে এই শাস্তি দিলেন!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ