আমাদের কি কিচ্ছু করার নেই! কিচ্ছু বলার নেই!
মুক্তিযুদ্ধের ঠিক পরের বছর আমার জন্ম। শহুরে মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হয়ে ওঠার কারণে দেশের সামাজিক অস্থিরতা কিংবা রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের কোনো বিষয় তেমন একটা প্রভাব ফেলেনি ছোটবেলায়। তবে একটা সময় গেছে যখন নির্বাচনের আবহ মানুষের প্রাণে সাড়া ফেলতো। ইলেকশন ডে মানে বাড়িতে রীতিমতো উৎসবের মহড়া। সেদিন ভালো খাবার দাবার হতো, বাংলাদেশ টেলিভিশনে শুরু থেকেই প্রচারিত হতো ক্লাসিক ইংলিশ ম্যুভি, হলিউডি ব্যাশ আর একটা প্রোগ্রাম সলিড গোল্ড যেখানে কন্টেম্পরারি পপ্যুলার ইংলিশ নাম্বারের অফিসিয়াল মিউজিক ভিডিওগুলো দেখানো হতো। আমার নিজের মিউজিক টেইস্ট তৈরী হয়েছিলো সেইসব ইলেকশন ডে'র সময় দেখা মিউজিক ভিডিও দেখতে দেখতেই। আরেকটা মজার ঘটনা ছিলো সেই সময়টায় আমরা ভোট-ভোট খেলতাম। প্রতীক পাল্টে পাল্টে আমরা ইলেকটোরাল ক্যাম্পেইনের মক করতাম। তখনো আমাদের মধ্যে রাজনৈতিক বিভাজনের বোধ অতোটা প্রবল আর জরুরী হয়ে উঠেনি। তবে ৫২'এর ভাষা আন্দোলন, ৬২'এর শিক্ষার অধিকার রক্ষায় প্রতিরোধ, ৬৯'এর গণ অভ্যূত্থানের পথ ধরে ১৯৭১'এর মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনকারী দেশের মানুষ সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে রক্ত ঝরা ছাত্র-গণ অভ্যূত্থানের মধ্য দিয়ে এক
আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার অতীত-ভবিষ্যত-বর্তমান
ইংরেজগণ আমাদের সভ্য করেছে না কি আমাদের বিদ্যমান শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে কেরানী তৈরির উপযুক্ত শিক্ষানীতি চাপিয়ে দিয়েছে আমাদের উপরে সে প্রশ্নের মীমাংসা হয়তো সম্ভব হবে না, অন্তত আমার পক্ষে এ বিষয়ে তেমন সিদ্ধান্তমূলক কিছু ব্যক্ত করা সম্ভব না।
রাষ্ট্রের শিক্ষাবিস্তারের নিজস্ব তাগিদ থাকে- নিজস্ব প্রয়োজনেই এক ধরণের অলিখিত শিক্ষানীতি তারা অনুসরণ করেন- প্রাগৈতিহাসিক বিবরণ দেওয়ার অক্ষমতা মেনে নিয়েই বলছি হয়তো এখন থেকে দুই হাজার বছর আগেও উপমহাদেশে বিদ্যালয়ের অস্তিত্ব ছিলো । মুনি-ঋষি- স্মার্ত-বৈয়াকরণিক-নৈয়ায়িক-বেদি-দ্বিবেদী-ত্রিবেদী-চতুর্বেদী-ভট্টাচার্য-শংকরাচার্য বিভিন্ন উপাধি থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মাণ হয় একদা শিক্ষাদান এক ধরণের সম্মানজনক পেশা হিসেবে স্বীকৃত ছিলো-
১৯৭১ এ পা্কিস্তান বাহিনী ও তার দোসরদের দ্বারা সংঘটিত অপরাধসমূহ
অপরাধ সংঘটনের কাল: ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ দখলদার পাকিস্তান সেনাবাহিনী ‘Operation Searchlight’ এর মাধ্যমে স্বাধীনতাকামী বেসামরিক বাঙালিদের উপর আক্রমণ শুরু করে যা ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ৯(নয়) মাস অব্যাহত থাকে। এই সময়টিই হল অপরাধ সংঘটনের কাল।

এক নজরে অপরাধ সংঘটনকারী পক্ষসমূহ: আগ্রাসী পাকিস্তানী সেনাবাহিনী। তাদের সহযোগী বাহিনী হিসেবে আবির্ভাব হওয়া জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্র সংঘ, রাজাকার বাহিনী, শান্তি কমিটি, আল-বদর, আল-শামস, আল-মুজাহিদ বাহিনী ইত্যাদি। এদের প্রত্যেকের ব্যাপারে আরও বিস্তারিত তথ্য দেয়া হবে। চোখ রাখুন এই ব্লগে।
হতে চাওয়া ইচ্ছে গুলো...

১.
মানুষ বড় হতে হতে তার জীবনের হতে চাওয়া ইচ্ছা গুলো সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হয়। ছোটবেলায় যখন খুব ছোট তখন আমাকে "বড় হলে কি হবে?" কেউ জিজ্ঞাসা করলে বলতাম পাইলট হবো (বোধহয় খুব ছোট্ট বেলায় শিখিয়ে দেওয়া )। যখন ক্লাস থ্রি বা ফোরে পড়ি তখন ডাক্তার হবো মানুষের সেবা করবো টাইপ কথা বলতাম। ক্লাস সিক্সের পর ইঞ্জিনিয়ার হবার বাসনা দেখতাম (তখন ইঞ্জিনিয়ারদের খুব স্মার্ট লাগতো)। একসময় হাতের লিখা খারাপ বলে উদ্ধারের পথ খুজতে থাকলাম। কি এমন করলে আমাকে লিখতে হবে না? পেয়েও গেলাম উত্তর। কম্পিউটার নিয়ে পড়তে হবে। এই জবে হাতে লিখার কোন কাজকারবারই নাই। ইউরেকা!! মনস্থির করে ফেললাম। আগ্রহ যে একদমই ছিল না তাও বলবো না। যায় হোক নিজের জীবনটাকে সাদা বাক্সটার সামনে সপে দিলাম। ভুলটা বোধহয় তখনই প্রথম করলাম।
২.
পুলিশদের শাস্তি 'ক্লোজ' বা 'সাময়িক বরখাস্ত' বিষয়টা আসলে কী ?
আমাদের দেশের পুলিশেরা দুটো কাজ খুব ভালো করতে পারে। একটা হচ্ছে: বিনা উস্কানীতেও বিরোধী দলের কর্মীদের/ নেতাদের উপর বেধড়ক লাঠিপেটা। আর অন্যটি হচ্ছে: সাংবাদিকদের পেটানো। অতীতে আমরা অবাক হয়ে দেখেছি- একজন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমকে কী নির্দয় ভাবে পুলিশ পিটিয়েছে। পুশিদের মার থেকে রেহাই পাননি- সাংসদ এবং নাট্যব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নুর। পুলিশ পিটাতে পিটাতে মতিয়া চৌধুরীর মত নেতাকে রাস্তায় শুইয়ে ফেলেছে। তখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায়। তখনকার পুলিশ ছিলো পিএনপি পুলিশ।
প্রেমিকের ডানায় নাচে প্রজাপতি মন
গুচ্ছ গাড়ির বনেদি সুতোয় ঝুলে থাকে প্রেম। রঙ বদলের স্বপ্নমঞ্চে কাঁদে এক টুকরো নাকছাবি। কেউ কেউ বাতাসে ভাসে শিমুলের ওড়াওড়ি মেখে নিয়ে চোখে। পলিথিন মুড়িয়ে সুখ শুয়ে থাকে শাহবাগের মোড়ে।
তারুণ্য ছড়ানো বাদামের খোসা, দুটাকায় কেনা হলুদ গোলাপ, কিংবা মধ্য রাতের ডিম পরোটার ঝিলিক হাসিতে ফোটে এক পেয়ালা রোদ। এখানে জারুলের পাপড়ি খেয়ে গেছে নীল পাজামা, বাঁকা ভ্রু ডানা, সিনেমা ফেরত প্রেমিক যুগল এবং একটি নিরেট পদ্য।
আমাদের বয়সে পাখিগুলো ডানা হয়ে খেয়ে যেত আকাশ। তোমার ভীরু ভীরু চোখ এসব দেখার আগেই পালিয়ে যায় কাল। তার কোলে নেচে বেড়ায় অবহেলার অন্তর্দহন আর এক দুপুর বিলেতি ঘোমটা। ঘোমটার নীচে লুকিয়ে থাকা নাকে খেলা করে রঙিন স্বপ্নের মুহুর্তভেদী অন্তরীক্ষ। সেখানে গাঙচীলের ডানায় ভাসে ইউক্যালিপটাসের জলোচ্ছ্বাস, ব্যঙের গাড়ি এবং অবশ্যই আমাদের না দেখা স্বপ্নের অন্তর্বয়ন।
একটি বাসের টিকেট , গন্তব্য অনিশ্চিত ... অতঃপর ....
বছর দশেক পর দেশে গেলে যা হয় আর কি ... সবচেয়ে প্রথম নিজের বাড়ী যাওয়ার রাস্তা এলোমেলো হয়ে যায় ... সর্বনাস , আগে তো ডান দিক দিয়ে বাসায় যেতাম এখন বাম দিক দিয়ে যাওয়া লাগছে ... মনের ভুলে নিজের বাড়ীর সামনে দিয়ে হেটে চলে গেলে পরে জানালা দিয়ে আম্মু ডেকে বলে -- নিজের বাড়ী ছেড়ে পাশের বাড়ী যাও ক্যান ? ঐ বাড়ী কোনো সুন্দর মেয়ে নাই তো ... এরপর ঘরের লোকজন দের দেখে টাশকী খাওয়া লাগে ... ওরে সর্বনাস যাদের দেখতাম হামাগুড়ি দিচ্ছে তাদের সবকটার দাড়ি গোফ গজিয়েছে , যারা ঐ সময় টি শার্টের কোনা ধরে ঝুলে থাকতো অন্তু ভাইয়া চকলেট না দিলে ছাড়বো না তাদের দেখি জামাই এর শার্টের কলার ধরে হুমকী দিচ্ছে বসুন্ধরায় তুমি ঐ মেয়ের দিকে এমন ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে ছিলে ক্যান ? বিয়ে করেছ বৌ আছে , সারা দিন আমার কথা শুনো তাও এখনো লজ্জা হয়নি ?আর কবে শুধরাবা ? ... এরপর শুরু হয় খাওয়ার পালা ...... সে কথা না হয় অন্য কোনো দিন বলবো ...
মৃত্যু নিয়ে ৫ সিনেমা

মেক্সিকান পরিচালক, জীবনে মাত্র চারটি ছবি করেছেন। আর এই চার ছবি দিয়েই নিজের জাত চিনিয়েছেন তিনি। বলা যায়, নতুন একটি ধারা তৈরি করেছেন। তিনি আলেজান্দ্রো গনজালেস ইনারিতু। চার ছবির তিনটি আবার একই ধারার। বিষয়বস্তু মৃত্যু। ডেথ ট্রিলোজি। সিনেমায় গল্প বলার রীতি একটু আলাদা। একসঙ্গে কয়েকটি ঘটনা এগিয়ে যায়, শেষটি হয় একবিন্দুতে। এর নাম হচ্ছে হাইপার লিঙ্ক সিনেমা। মজার ব্যাপার হলো, হাইপার লিঙ্ক সিনেমার ধারণাটা শুরু করেছিলেন সত্যজিৎ রায়, কাঞ্চনজঙ্ঘা সিনেমা দিয়ে। ইনারিতু প্রথম মেক্সিকান পরিচালক, যিনি প্রথমবার একাডেমির জন্য মনোনয়ন পেয়েছিলেন। আর সেই ছবি হলো, অ্যামোরেস পেররোস, মেক্সিকোর ছবি, ভাষা স্প্যানিস। ডেথ ট্রিলজির প্রথম ছবি। এর পরের ছবিটি তিনি হলিউডে গিয়ে করেন, ২১ গ্রামস। আর ট্রিলজির শেষ ছবি বাবেল। ইনারিতুর শেষ ছবি বিউটিফুল, ট্রিলজির বাইরে।
অ্যামোরেস পেররোস
দোযখের ড্যামো ভার্সন থেকে বলছি!
অধ্যাপক মোজাফফর সাহেব মারা গেলো। জ্ব্লজ্বল করে থাকা ব্যানারটা যখনি দেখি তখনি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলি আহারে কি শোকের ঘটনা! মোজাফফর সাহেবকে আমি চিনি টকশো মিডিয়ার মানুষ হিসেবেই। রাতের টকশো, টি আইবি থেকে শুরু করে সুজন সেখান থেকে বাপা তারপর মইন ইউ এর অমর বই এর মোড়ক উন্মোচন এইসবই খালি চোখে ভাসে। কোনো ধরনের বিশ্লেষন বা মতামত জানাবো না। সেরকম জ্ঞান বুদ্ধি আমার নাই। খালি একটা একান্ত ব্যাক্তিগত স্মৃতির গল্প বলি। বন্ধু এহতেশাম আর আমি গেছিলাম এক বিয়েতে। বিয়েটা কোনো সচিবের ছেলের বিয়ে সম্ভবত। এহতেশামের কি রকম জানি আত্মীয়। আমি বিয়ে নিয়ে টেনশিত না আমার ধান্দা ভালো জামা কাপড় পড়ে আসছি যখন ভালো মন্দ খাবো । বসলাম আগে ভাগেই আমি খাই নিজের খাবারের দিকে চোখ দিয়ে। অন্যের মুখের দিকে চাইলে খেতে ইতস্তত লাগে। তবুও মাংস নিতে যেয়ে একজনের দিকে চোখ গেলো। আমি এহতেশামরে বললাম ভাই ভদ্রলোকরে চেনা চেনা লাগে কেন? এহতেশাম অবাক হয়ে বললো মোজাফফর স্যারকে আপনি চিনেন না?
......... চাঁদ উঠেছে ঐ
রেল ভবনের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ঐ
বু গো আমার কোলের কাছে টাকার বস্তা কই
রেল লাইনের পাড়ে কালো বিড়ালে
চিক চিক করে বাত্তি জ্বলে
টাকার চিন্তায় ঘুম আসেনা, একলা জেগে রই
বু গো আমার দপ্তর ওয়ালা মন্ত্রীত্ব গেল কই
কাদের আসার পর হতে বুবু কেন আর না ডাকো
আমার কথায় আঁচল দিয়ে মুখটি কেন ঢাকো?
সাম্বদিকের সামনে যখন
দিদি বলে ডাকি তখন
গণভবন হতে কেন দিদি ডাকে নাকো
আমি ডাকি দিদি তুমি কেন চুপটি করে থাকো?
বলো বুবু, টাকার বস্তা কোথায় গেছে , আসবে আবার কবে?
দুদক আমায় কেন সার্টিফিকেট দিলো তবে ?
ইলিয়াছের মত কোথাও গিয়ে
আমিও যদি লুকাই গিয়ে
তুমি তখন কেমন করে হরতাল তবে দিবে ?
আমিও নাই , ইলিয়াছও নাই , কেমন মজা হবে !!!
আবোল তাবোল - ১১
মন ভাল নেই, মন ভাল হয় না।
আমি নিজেই কবে কোথায় যেন বলেছিলাম, এই মুহূর্তে ঠিক এমনটাই মনে হচ্ছে।
রাতের শেষে দিন আসে এটাই স্বাভাবিক,
কিন্তু খুব ভাল কোন দিনের শেষে যখন রাতটা একটু বেশি অন্ধকার হয়ে নেমে আসে তখন খুব খারাপ লাগে।
মনে হয়, এ আঁধার কিছুতেই ফিকে হয়ে আসার নয়। খুব অসহায় লাগে।
আমি খুব দুষ্টু প্রকৃতির একটা ছেলে। ছোটবেলা থেকেই অভ্রাস, আশেপাশের মানুষজন কে না জ্বালালে আমার সময়ই কাটেনা!
স্কুল আর কলেজ বেলায় সমস্যা হয়নি কোন,
নানাবাসায় জ্বালানোর জন্য মানুষের অভাব ছিল না কখনো।
প্রাণের শহর ব্রাক্ষণবাড়িয়া ছেড়ে ঢাকা আসলাম আট এর শুরুতে।এতদিন কোনই সমস্যা হয়নি।
আব্বু আম্মু আর ভাইয়া তো আছেই, সাথে আরো থাকেন ছোটমামা আর নানু।
আর যেখানে আছি সেই একই বিল্ডিং এর আমাদের নিচের তালায় থাকে মেঝ খালারা। বড় দুই ভাই চাকরী করে। তার ছোট জন দুষ্টামিতে আমার নমস্য, সারাদিন ওর সাথেই চলি বলা চলে। আর একটা ছোট বোন, তা সেও আমার যন্ত্রনার হাত থেকে রেহাই পায় না কখনো। ছোটবোন তো কি হইছে, আমাদের কাজিনদের মাঝে তো সবার বড় বোণ; সবার আপুমনি।
বন্ধু চালতাগাছ ও অন্যদের নিয়ে একটি গল্প
গরমের সময়টা বড় নির্দয় একটা সময়। কোনো কিছু ভালো না লাগার, কোনো কিছুকে ভালো না বাসার এবং কোনো কিছুতে উচ্ছ্বসিত না হওয়ার একটা সময়। ভালো লাগলেও সীমিত আকারে ভালো লাগে। ভালোবাসলেও পরিমিতহারে ভালবাসি। উচ্ছ্বাসটাও বন্দি হয়ে থাকে কোনো এক অদৃশ্য লিমিটের মধ্যে, যেটাকে আমরা কখনোই দেখতে পাই না। অথচ না দেখা এই লিমিট যেন কখনো ক্রস্ না হয়ে যায়, তা নিয়ে জীবনভর উদ্বিগ্ন থাকি।
প্রত্নবৎ পাললিক
হাতের কাছে রাখা কি-বোর্ড, একটু চেপে দিলেই হাজির হবে রাজনীতির ইঁদুর দৌড়। অস্ত্র উদ্ধার, কিশোরি ধর্ষণ, বা বাস চাপায় নিহত হয়েছে খানকতক মর্মান্তিক মানুষ। আরেকটু এগিয়ে আত্মঘাতী হামলায় নাকি আফগানিস্তান, পাকিস্তানে প্রতিদিন উড়ে যায় সভ্যতা বেল্লিকটার মাথা। অবশেষে বাকি থাকে কূটনৈতিক চাল, অস্ত্র বিরতি প্রস্তাব, আর ষড়যন্ত্রের শীত-বসন্ত আনাগোনা। জলের গ্লাসে অতঃপর ক্লান্তির চুমুক আর ঠোঁটে জ্বলে অশান্তির সিগারেট। মিইয়ে আসা চোখে তখন ভাবে সে অন্য কথা। একদিন রাত গভীর হলে, সে সব ছেড়েছুড়ে নেমে যাবে রাস্তায়। অনাদি কালের আশ্রয়ে সে হাঁটবে ছায়ার কোল ঘেঁষে ঘেঁষে। অথচ কোথায় কি, প্রতি রাতে ঘড়ির কাটা বলে উঠলে কথা ফিরে চলে সে পুরোন ঠিকানায়। মাথার ভেতর মৃত্যু আর মধ্য আফ্রিকার অনাহারি মানুষের জ্বলজ্বলে উজ্বল চোখ। আজ নাহয় ক্ষান্ত দাও জীবন, আধুনীক সভ্যতায় জেগে থাকা এই অসভ্য হারামজাদা ঘুমাক এবার…
{(c)MNI, 23/05/12}
দোয়া করবে আমার বিয়ে হয়েছে
জীবনে মানুষের কত কিছু ঘটে । ভাবতে অবাক লাগে। আমি এখন আর একা নেই। শুনুন প্রিয় বন্ধুরা গত ৯ এপ্রিল আমি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হ য়ে ছি। হিহিহি। আমি সত্যি নিয়মিত লিখব। বড় আফসোস হয়। কেন যে প্রাণী জগতের বিয়ে হয়না। খুব ভালো হতো জানেন। গাছপালা, নদীনালা ইত্যাদি ইত্যাদি। ভালো থাকবেন।
নায়কালোচনাঃ The Last King of Scotland
সিনেমা দেখা শেষ হবার পর নায়কের উপর বিরক্তি এসেছে তেমন ঘটনা খুবই বিরল। সেরকম একটা বিরল ব্যাপার ঘটেছে সেদিন।
সবাই জানেন ইদি আমিনের মতো বিখ্যাত খবিস রাষ্ট্রপ্রধান দ্বিতীয়টি নেই। তাকে নিয়ে একটা উপন্যাস লিখছিল সাংবাদিক Giles Foden। তার উপর ভিত্তি করে ২০০৬ সালে The Last King of Scotland নামের একটা সিনেমা নামিয়ে ফেলেছিল Kevin Macdonald. হাতের কাছে ভালো সিনেমা পেলে না দেখে ঘুম আসে না। বহু পুরস্কারপ্রাপ্ত ছবি দ্য লাষ্ট কিং অব স্কটল্যান্ড না দেখেও ঘুমাতে পারছিলাম না। কিন্তু দেখেও মেজাজ খারাপ হয়ে ঘুমের বিঘ্ন ঘটালো চরিত্রহীন নায়কটা। আগে কাহিনীটা শুনুন।