অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

প্রত্যাবর্তন ও বিবিধ কথা

এলেম শেষে অনেক দিনের পরে । বন্ধুরা সব বন্ধু আছে ,
আমরা ও তো আমরা আছি । আমরা বন্ধু তেমনই আছি ,
যেমন ছিলেম আগে ।
(এক বা দুজন অনলাইনে ,
ডজনখানেক ভুলকি মারে
তারপরে কে ল্যাজ গুটিয়ে
ভোঁ দৌড় দিয়ে ভাগে ।
হায়রে কপাল আমরা আছি
যেমন ছিলেম আগে । ।)

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার, আপনাকে বলছি...

১.

দ্য ফ্লাওয়ার্স অব ওয়ার

আচার, আচরণ ও ভদ্রতায় জাপানীদের সুনাম থাকলেও ইতিহাস তাদের বিপক্ষে। বিশেষ করে জাপানী সৈন্যদের কুখ্যাতি বিশ্বব্যাপী। উদাহরণ খুঁজতে খুব বেশি দূরে যেতে হবে না।
দ্বিতীয় সিনো-জাপান যুদ্ধ হয়েছিল ১৯৩৭ সালে। দ্বিতীয় সিনো-জাপানের যুদ্ধে চীনের নানজিংয়ে ভয়াবহ এক গণহত্যা ঘটায় জাপানি সৈন্যরা। জাপানি রাজকীয় সেনাদের হাতে নিহত ও ধর্ষিত হয়েছিল প্রায় ৩ লাখ সাধারণ চীনা নাগরিক। ইতিহাসে এটিকে নানকিং ম্যাসাকার বা রেপ অব নানকিং বলা হয়।
সেই সময়টি নিয়ে সিনেমা। চীনা চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম সেরা পরিচালক ঝ্যাং ইউমু। এটি তার সর্বশেষ চলচ্চিত্র। ‌'দ্য ফ্লাওয়ার্স অব ওয়ার'।
_the_flowers_of_war_ost_2012.jpg

আবদুল্লাহ আবু সায়িদ স্যার

``মন্ত্রী-এমপিদের কোনো নীতি নেই` - সায়িদ স্যার এই কথাটি বলার কারনে স্যারকে নাকি আমাদের জাতীয় সংসদে গিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে, এমনটাই দাবী তোলা হয়েছে শোনা যাচ্ছে! স্যার, আমি এই দেশের নাগরিক, ওই ১৬ কোটির মানুষের মধ্যে আমিও একজন এবং আমি বলছি আপনাকে ক্ষমা চাইতে হবেনা, কোন ভাবেই না! আপনি যা বলেছেন তা আমারো মনে কথা, আরো অনেকের! ঠিক কথাই বলেছেন!

এই BAL সরকারের আবুল মন্ত্রী গুলো হয়ত আপনাকে জোর করেই ক্ষমা চাওয়াইতে পারে তবে আমরা তা হতে দিবোনা! প্রয়োজন হলে যেই সংসদে আপনাকে ক্ষমা চাইতে ডাকা হচ্ছে ওই সংসদে আমরা আপনার ছাত্ররা দেয়াল তৈরি করে দিবো আপনার জন্য।

ক্যামেরাবাজী ...

বৈবাহিক সূত্রে শব্দটা কি ঠিক হইবো? ঠিক বুঝতে পারতেছি না ... তয় বউ এক্টা ক্যামেরা গিফট করছে। সেইটা লইয়াই ব্যাপক আনন্দে আছি... আগে যেইসব ফটুক তুলতাম সব কুয়াসায় ঢাকা থাকতো... আর এখন ক্লিক দিলেই ঝকঝকা ফটুক... কি যে তামশা বইলা বোঝানো যাইবো না Smile ... তয় চিকনে আপনাগো বইলা যাই... এখনো কিন্তু ক্যামেরার পুরা অপারেশন জানি না... কিন্তু ক্যামেরা বেটা একটা অটো অপশন দিয়া রাখছে আমাগো মত ফাউল পোলাপাইনের জন্য... এখনো সেইটার মায়া ছার্তারি নাই Wink

বর্তমান জামানায় ডিএসএলআরেএ ফটুক তোলা ৬০% আর পোস্ট প্রসেসিং ৪০%... সো পোস্ট প্রসেসিংয়ে ব্যাপক মজা ... ছবি তোলার পর ফটোশপ লাগে... সেইটা পারি না Sad ... সেই কারনে লাইটরুম ধরছি... কিছু পারি কিছু পারি না ... জনে জনে জিগাই... পড়তে আইলসামি লাগে Sad ... বুঝতেছিনা আমারে দিয়া ক্যামেরা হবে কিনা... সেইটা বুঝতে হইলে মাঠে নামতে হবে Smile ...

গফ শেষ Smile

অপেক্ষা-১

.................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................।...................................
সকালের শুরুতে ভালো লাগার,
সূক্ষ অনুভূতির পলেস্তারাগুলো
বিকাল না আসতেই খসে পড়লো চারিধারে।
কাঠফাঁটা দুপুরের তপ্ত রোদে
যেমন ঝাপসা দেখে
দীর্ঘ পথ হেটে আসা ক্লান্ত পথিকের চোখ,
মুহূর্তের ব্যবধানে তেমনি ঝাপসা হয়ে এলো
আমাদের স্বপ্ন আর ভালোবাসার অনুভূতিগুলো।

চলে যাবে ?
যাও।
জানি তুমি আর ফিরবেনা আমার দুয়ারে,
কখনো কড়া নেড়ে বলবেনা
দরজাটা একটু খুলবে?
কিংবা চাইবেনা পিপাসার জল ।।

শখের সাংবাদিক

আমার আজন্ম লালিত স্বপ্ন ছিল সাংবাদিক হওয়া। সাংবাদিকতা তো আমার প্যাশন… তবে না, শুধু শখের সাংবাদিক নয়, এর ওপর পড়াশোনা করে একদম প্রফেশনাল সাংবাদিক হওয়া। আমার কাছের মানুষেরা সবাই জানেন তা। এখনো আমার বিভাগের সভাপতি ‘শ্যারল’ বা বন্ধু ‘কে’ ঠাট্টা করে বলেন, কি ইমন, শুরু করবে না কি আবার জার্নালিজমে পড়া? বয়স থাকলে মন্দ হত না। ডেভিড লেটারম্যান বল স্টেটেরই ছাত্র ছিলেন… প্রতিদিনই তাঁর নামে উৎসর্গীকৃত ডেভিড লেটারম্যান কমিউনিকেশন এন্ড মিডিয়া বিল্ডিং এর ভেতর দিয়ে হেঁটেই আমার বিভাগে যাই। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি আর সুযোগ সুবিধা সমৃদ্ধ ল্যাব, রেডিও স্টেশন, টিভি স্টুডিও দেখে খুব লোভ হয় আবার বসে যাই সেখানে… যদিও জানি এই মাথা আর কিছুই নিতে পারবে না!

ইতিহাসবোধ

ইতিহাসবিদের কাছে মানুষের প্রত্যাশা তিনি তথ্যকে পূর্বানুমান এবং যুক্তিকে আবেগের আগে স্থান দিবেন- বাংলাদেশে সে প্রত্যাশা অধিকাংশ সময়ই পূর্ণ হয় নি, হয়তো বাঙালি অত্যাধিক আবেগী কিংবা নিরাবেগ যৌক্তিকতায় অভ্যস্ত নয় তারা। দীর্ঘ গবেষণার ঐতিহ্য না থাকলেও ভাববাদী বিশ্লেষণের দীর্ঘ অতীত এ সভ্যতার অংশ।

ব্যক্তিগত অহং এখানে প্রকাশিত সত্যের চেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ, ইতিহাস অধিকাংশ সময়ই আবেগ, অহং, পূর্বানুমানের পিচ্ছিল পথে পথ হারিয়ে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার বয়ান হয়ে দাঁড়ায়। ব্যক্তিগত উপলব্ধির সাথে তথ্যের সুষম সংমিশ্রন হয়তো স্বচ্ছ ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিতে সহায়ক হতে পারতো কিন্তু আবেগে ঘোলা চোখ অধিকাংশ সময়ই সেইসব দিকচহ্নকে পাঠ করতে পারে না।

রক্ত ও কাদা ১৯৭১

১.
আমার একজন আত্মীয় কলেজের ছাত্র। সে নাকি সম্প্রতি এক লাখ ২০ হাজার ইয়েন দিয়ে একটি কঙ্কাল কিনেছে গবেষণার কাজে সহায়ক হবে বলে। কথাটা শুনে আমার কেন যেন ভালো লাগছিল না। পরে জানা গেল, কঙ্কালটি এক বাঙালি মহিলার, যেমনটি আমি দুশ্চিন্তা করেছিলাম। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ২০ বছরের মতো।
১৯৭১ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় নয় মাস বাংলাদেশে পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনীর হাতে ৩০ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। দুই কোটি মানুষ হয়েছিল গৃহহারা। এই ছোট্ট দেশের অধিকাংশ এলাকা পরিণত হয়েছিল ধ্বংসস্তূপে।
আমি আমার দায়িত্বের অংশ হিসেবে ঢাকায় এবং না না জানা এক ছোট্ট গ্রামে মোট ৪০০টি মৃতদেহ যথাস্থানে পৌঁছানোর কাজ করেছিলাম। তাদের উপর নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল।

দেশের প্রতি ভালোবাসা -১

বলি,এই দেশটার হচ্ছেটা কি!খুব বেশিদিন আগের কথা না,মাত্র ৪০ বছর আগের কথা,দেশটাকে স্বাধীন করা হয়েছিলো।যে স্বাধীনতার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এখনো চলছে।কার ভুলে যাওয়ার কথা না।সেই স্বাধীন দেশে আজকের যারা নীতি নির্ধারক একটা মানুষের চেহারাও যুদ্ধক্ষেত্রে কেউ দেখেনি।টেলিভিশনে দেখা তো দূরে থাক রেডিওতে কথা শুনেই তাদের উপর আস্থা রেখে সাধারন মানুষ যুদ্ধ করতে ঝাঁপায়ে পরেছিলো।কই তখন যখন ছাত্ররা দেশের অবস্থা নিয়ে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করতো সরকারি দল মামলা দায়ের করে বসে থাকতো এমন তো কোনো নজির দেখা যায়নি।তাইলে আজ যখন একটা কলেজের ছাত্র প্রধানমন্ত্রীকে কটুক্তি করে কথা বলেছে দেখে তার নামে মামলা দায়ের করার কথা একজন মাননীয়া মন্ত্রী মহোদয়া পত্রিকায় উল্লেখ করেছেন তখন কি তিনি ভুলে গেছিলেন যে এই দেশ স্বাধীন হয়ার পর যে সংবিধান হয়েছিলো তাতে নাগরিকের অধিকারে বাকস্বাধীনতা কথাটি লেখা ছিলো।কোনো সরকার নিঁখুত হতে পারেনা।আজ যারা আছে তাদের প্রতি মানুষের ভালোবাসাটা অন্যরকম।তাদের কাছে দাবিটা অন্য রকম।এইটুকু যদি তারা না বুঝে পদক্ষেপ নেয় তাহলে বুঝতে হবে তারা ভালোবাসাটা অনুধাবন ই করতে পারেনি।সময় থাকতে থাকতে তাদের অনুভব করাটা দরকার।

পুলিশ পাঁচালী...

বিলাত থেকে ব্যারিস্টারি পাস করে বাড়ি ফিরেছেন কেবল। আত্মীয়স্বজনেরা দেখতে আসছে, আশীর্বাদ করছে, "আরো বড় হও বাবা, জীবনে বহুদূর যাও।" সবার এমন আগ্রহী চোখ এড়িয়ে তিনি ছুটে গেলেন ঠাকুমার কাছে। যার কাছে কিচ্ছা শুনতে শুনতেই তার রাজকুমার হওয়ার স্বপ্ন ভিড় করেছে সেই কৈশোরে! যার পথ ধরেই তার সাত সমুদ্দুর তেরো নদী পাড়ি দিয়ে বিলাতে ব্যারিস্টারি পড়তে যাওয়া। ঠাকুমার পা ছুঁয়ে প্রণাম করতেই উঠে গেলেন তিনি। তারপর কনুইয়ের উপর ভর করে কোনোরকমে বৃদ্ধা ঠাকুমা আধশোয়া ভঙ্গীতে উঠে বসার চেষ্টা করতে তিনি এগিয়ে গেলেন আরো খানিকটা কাছে। একেবারে সত্যজিতের পথের পাঁচালীর ইন্দির ঠাকরুনের মতোন চেহারার ঠাকুমা খনখনে কণ্ঠস্বরে ফোকলা দাঁতে তাকে আশীর্বাদ করলেন। প্রথমবার তিনি ঠিক বুঝে উঠতে পারলেন না ঠাকুমার আধো আধো কথাগুলো। কয়েক মুহুর্ত পর তিনি পুরো কথাটার মানে বের করতে পেরে ঢোক গিললেন যেনো। শৈশবের স্বপ্ন দেখানো ঠাকুমার কথাগুলো যেনো তার বুকে শেল হয়ে বিঁধলো। তার কানে স্পষ্ট স্বরে শৈশবের সেই দৃপ্ত কণ্ঠস্বরে এখনকার কথাগুলো বাজতে থাকলো ভাঙা রেকর্ডের মতোন, "সবার মুখ উজ্জ্বল করে দিস দীনু, কিনু দারোগার মতো ক্ষমতা তোর হাতের মুঠোয়!"

বিষয় - বিসিবি, পাইবাস ও সাহারা : কিছু কথকতা

বিসিবি।

আজকাল মাঝে মাঝেই মনে সন্দেহ জাগে,
এই শব্দটার অর্থ
'বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড' নাকি
'বাংলাদেশ কেয়ারলেস বোর্ড'?!

ক'দিন আগেই আর একটু হলেই,
লোটাস কামালের আজব খেয়ালের বলি হয়ে আজকালকার ক্রিকেট বিশ্বের জ্বলজ্যান্ত নরক পাকিস্তানে যেতে হত আমাদের টাইগার দের।
এই মহান ব্যাক্তির ব্যাক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য কিছু পোলাপাইনের জীবনের ঝুঁকি নেওয়াটাই যুক্তিযুত হবে ভেবেছিল বিসিবি।
এই ভযংকার কাজটা যদিও আদালতের নির্দেশেই বন্ধ হয়,
এর নেপথ্য নায়ক যে আমাদের দেশের অগনিত সাধারন দর্শক - তা সবারই জানা।

গতকাল রিচার্ড পাইবাস কে দুই বছরের জন্য বাংলাদেশের ক্রিকেট কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বিসিবি, যার সেরা সাফল্য হল দুই মেয়াদে পাকিস্তানের কোচ হওয়া।

জেমি সিডন্স আর স্টুয়ার্ট ল এর উত্তরসুরি হিসেবে এই নিয়োগ কতটুকু যুক্তিযুত হয়েছে তা সময়েই বোঝা যাবে, তবে আমার নিজের কাছে একদমই ভাল লাগছে না।

অনেকটা, বার্সেলোনা কে বার্সেলোনা করে তোলার কারিগর পেপ গার্দিওলার যায়গায় টিটো ভিলানোভার ব্যাপারটার মত লাগছে।

ভরসা পাচ্ছি না খুব একটা।
তবুও,
অনাগত দিনগুলোতে টাইগার দের জন্য রইল অসংখ্য শুভকামনা।

লক্ষ্যহীন জীবন এবং অনিশ্চিত যাত্রা

এক এক মানুষের জীবনে এক এক রকম লক্ষ্য থাকে। কেউ ডাক্তার হতে চায়, কেউ বা ইঞ্জিনিয়ার, কেউ শিক্ষক বা আরও অন্যকিছু। ছোটবেলায় ডাক্তারী পেশাটা আমাকে খুব আকর্ষণ করত, হাসপাতালে কোন অসুস্থ রোগী দেখতে গেলে ভাবতাম, ইস! আমি যদি ডাক্তার হতাম, তাহলে এই রোগীদের কত সেবা করতে পারতাম!

পারো যদি দেখে যেয়ো বেচে থাকো কারে বলে/ এসো আমার ঘরে একবার!

লেখার কথা ভাবছিলাম অনেক কিছুই। ঘটে চারপাশে অনেক কিছুই। কিন্তু ব্লগে লিখতে গেলেই কোনো কিছু লেখতে আর ইচ্ছা করে না। তাই কাল থেকে একটা কিছু লিখবো বলে ভাবছি কিন্তু লিখতেছি পাক্কা ২৫ ঘন্টা পর। এমন না যে আমি মহান লেখক যে অনেক ভেবে স্বার্থক অনেক কিছু লিখবো। ঘুরে ফিরে আমার কথা গুলো একিই রকমের। তাই সময় নষ্ট না করে লিখে ফেলাই ভালো। তাতে দায় থেকে মুক্ত থাকা যায়।

এই পোষ্ট যখন টাইপ করছি তখন এই ব্লগের সবার খুব কাছের ব্লগার প্রামান্যচিত্র ও টিভি নির্মাতা খুব ভালো মানুষ হেলাল ভাইয়ের একটা ফেসবুক স্ট্যাটাসে চোখ পড়ে গেলো। স্ট্যাটাসটা হলো

নিরবে

.
সে আসে নিরবে-
চপল পায়ে স্বপ্নের ডানা মেলে
দুহাত বাড়িয়ে ইশারায়
হৃদয় হরণ করে।

সে হাসে নিরবে-
অধর যুগলে রহস্যের রঙ মাখিয়ে
নিস্তব্দতার গভীরতা বাড়িয়ে
আমায় বধির করে।

সে চলে নিরবে-
কাজল কেশে বলাকা মেঘ জড়িয়ে
মুগ্ধতার অতলে ডুবিয়ে
আমায় সিক্ত করে।

সে ভালোবাসে নিরবে-
ডাগর চোখের মাদকতায় বিঁধিয়ে
চারধারে মায়ার জালে
আমায় রিক্ত করে।

সে আমাকে নিজে করে নেয় নিরবে- সে আসে নিরবে-

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ