অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

পাঠ প্রতিক্রিয়া- সেদিন অনন্ত মধ্যরাতে।

মোস্তাক শরীফের সেদিন অনন্ত মধ্যরাতে পড়া শেষ করলাম, কিছু কিছু গল্প এক ঘন্টার নাটক হওয়ার সম্ভবনা রাখে- এ উপন্যাসটিও সে ধাঁচেরই। হালকা দু:খ, হালকা বিষাদ, হালকা প্রেম, হালকা জীবনবোধ, হালকা চটুলতা আর হালকা দার্শণিকতা, সব মিলিয়ে পাঠকপ্রিয় হয়ে উঠবার সব গুণই এই উপন্যাসের আছে।

যে গল্পের শেষ নেই

বাল্যকালের ভাবনা ছিল সৈনিক হব-সে ভাবনা স্থায়ী হয়নি-জীবনানন্দের কবিতা যেদিন প্রথম হাতে পেয়েছিলাম-মনে হলো কবিদের চেয়ে বড় কে আছে-তারপর আশুতোষ মুখোপাধ্যায় নামের এক গল্পকার জানিয়ে দিলেন আমায়-লেখকরাই শ্রেষ্ঠ-তারপর আবারও স্বপ্ন বদল-মঞ্চে এলেন হেমন্ত নামের গানের পাখি-আমার মনোজগত হলো এলোমেলো-ঈশ্বর কে দুষলাম-আমাকে কর্কশ কন্ঠ কেন দিলেন তিনি-মাঝে একবার রাজনীতিবিদ হবার দুরভিসন্ধি ও হয়েছিল-সে গল্প অন্য একদিন-তারপর ঘটল দুর্ঘটনা-প্রেমে পড়ে গেলাম আর বুঝলাম প্রেমিকের মাঝে বিরাজে ঈশ্বর-অত:পর থার্ড ডিগ্রী অগ্নি দহন-স্বপ্ন উধাও-প্রেমিকা গেলেন সুখ বাসরে-প্রেমিক রইলো চিতার 'পরে-তারপরে ও কিন্তু গল্প শেষ হয় না-সেসব কথা অন্য একদিন হবে -আজকের পাগলামির কোটা অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে বলে আমার ধারণা.

কথা

depression-many.jpg

আমার মৃত্যু চাই আমি
কোন নির্জন বনভূমিতে,
অসীম নীরবতার মাঝে
কিছু না বুঝে চমকে ওঠা
সবুজ ঘাসের মেঝেতে ।
কেউ জানবেনা, কাউকে সইতে হবে না
এ ঝঞ্ঝাট!!
আমি একাই বইবো আমার মৃত্যুভার ।
আমার অবমুক্ত আত্মা
হয়তো মুখে কিছু কাল্পনিক কষ্টের ভার চাপিয়ে
বহন করবে আমার শারীরিক খোলস ।
আমি চাইনা, কেউ আমার গল্প করুক অন্য কারো ভ্রু কুঞ্চিত মুখের সামনে ।
কেউ ফেলুক দীর্ঘশ্বাস
কেঁপে কেঁপে ওঠা অক্সিজেনবাহী বাতাসে ।
আমি সবার অলক্ষে চলে যেতে চাই
অনেক অনেক দূরে ।
যেখানে আমাকে খুঁজতে যেতেও কাউকে আলসেমিতে পেয়ে বসবে ।
তখন সবাই বলবে, ধুর চাই!!
খুজে পাওয়ার থেকে ভুলে যাওয়া সহজ ।
আমি এভাবেই হারিয়ে যেতে চাই ।
কত ভীষনভাবে যে চাই!!

হৈমন্তী (১)

কনের বাপ সবুর করিতে পারিতেন কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না। তিনি দেখিলেন মেয়েটির অবৈধ ভাবে ছাত্রী থাকিবার বয়স পার হইয়া গিয়াছে অনেক আগেই কিন্তু যৌতুকের টাকার কাছে তাহা নিতান্তই নগণ্য । এরকম যৌতুক আর কোথাও পাইবেন না ।

আমি ছিলাম বর সুতরাং বিবাহ সম্বন্ধে আমার মত যাচাই করা অনাবশ্যক ছিলো। আমার কাজ আমি করিয়াছি। বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হইয়াই ইয়াবা, ফেন্সিডিল ধরিয়া সারাক্ষন নেশায় বুদ হইয়া থাকিয়া পড়ালেখা চাঙ্গে তুলিয়াছি। চার বছরের কোর্স নয় বছরেও পাশ করিতে না পারিয়া পরে এফ এ আই এল বৃত্তি পাইয়াছি । তাই প্রজাপতির দুই পক্ষ কন্যাপক্ষ ও বরপক্ষ, ঘন ঘন বিচলিত হইয়া পড়িল।

অণুগল্প: পোকা

তার মাথার ভিতর একটা পোকা ঢুকেছে। যেকোনো ভাবে হোক এটা ঢুকেছে। এখন সে পোকাটাকে বের করে মেরে ফেলতে চায়। কিন্তু কেমন করে? সে ভাবে। কোনো কূলকিনারা করতে পারে না। ডাক্তারের কাছে গেলে তাকে পুরো বৃত্তান্ত দিতে হবে। সে তা চায় না। কী হবে এখন? সে ভাবে।

একদিন পুরনো বইয়ের দোকানে গিয়ে তার মাথায় আইডিয়াটা আসে। সে একগাদা ডাক্তারি বই কিনে, ক্ষুর-কাঁচি, ওষুধ এইসব কিনে। অনেকগুলি আয়না কিনে। টানা এগারোদিন পড়াশোনা করে। তারপর সে ঠিক করে পোকাটা সে নিজেই বের করবে। চারপাশ থেকে মাথার চারটা এক্স রে করে। কিন্তু পোকাটা সেখানে দেখা যায় না। তার মনে হয় মেশিনে সমস্যা ছিলো। মাথার তালুর নীচেই পোকাটা আছে সে নিশ্চিত।

আমার সিসিমপুর (৫)

১.
বিরতি আমার জন্য ভালো না। দীর্ঘ তিনমাস পর নেটের লাইন পেয়ে ব্লগ, ফেসবুকে বসে মনে হয় যেন এখানে আমি ছিলামই না। এমন না যে এ কয়দিন একেবারেই নেট এক্সেস ছিল না, সময়েরও অভাব ছিল। দিন গুলো কাটসে যেন সুনামীর গতিতে। এর মধ্যে কত কাহিনি যে করল আমার সিসিমপুর বাহিনী!!!

২.
এই বাহিনীর সবচেয়ে ছোটটা হচ্ছে আমার ভাইয়ের ছেলে 'শ্রেয়'। আমাকে আশেপাশে দেখলেই হলো। দু হাত তুলে, আ আ আ করে চিৎকার করবে কোলে আসার জন্য। আমি ডাকি ওরে 'রাজা বেটা'। আমার ধারে কাছে আর কাউকে আসতে দেখলে সে অভিমানী চোখ করে তাকাবে। দ্রুত হামাগুড়ি দিয়ে কাছে এসে তাকে টেনে সরাবে। আর নাহলে কান্না শুরু করবে। আমি তাই ভাবি মেঘলা এসে যখন দেখবে এই কান্ড তখন মেঘলার অবস্থা কি হবে!!

সেই অস্থির সময়ের কাব্য

১.
এই তোমারি জন্য অনায়াসে আমি হিমালয় ডিঙাবো। আমি কি হিমালয় ডিঙাতে পারবো? আমার তো হিল ট্র্যাকিংয়ের অভিজ্ঞতা নেই। থাকলে কোনো চিন্তা না করেই বলতাম, পারবো। কারণ আমার সাহসের কোনো অভাব নেই। শুনেছি হিমালয় ডিঙাতে নাকি অনেক সাহস লাগে।

ভাস্কর'দার সাথে কথা বার্তা

রায়েহাত শুভঃ- রাত জেগে জেগে ক্লান্ত চাঁদটা যখন ঘুমিয়ে পড়ে পশ্চিমের কামরায়
তার কিছুটা আগে থেকেই শুরু হয় পথ চলার গান...

ভাস্কর'দাঃ- প্রতি দিন তার ঘুমের রুটিন পাল্টে গেলে
পথ চলা কিম্বা গানের রুটিনো কি তবে পাল্টে যায়?

রায়েহাত শুভঃ- গানের রুটিন পালটায় ঋতুচক্রের পালাবদলে
পথচলাও বদলে যায় সময় বদলানোর সময়ে...

ভাস্কর'দাঃ- যখন দিবস দীর্ঘ হয় তখন পথের দৈর্ঘ্য
কার সাথে তবে যাতায়াত করে‍! নাকি পথের সীমানা
অন্ধকার চাঁদ অথবা পথিক কারো নিয়ম মানে না...

রায়েহাত শুভঃ- পথিকেরই সব দায়,
পথ থাকে পথেরই মতো।
পথিক নিয়ম ভাঙে এবং গড়ে
পথ তার রুক্ষ্ম বুকে ধারণ করে রাখে পথিকের হাসি কান্না দুঃখ সুখ...

ভাস্কর'দাঃ- তবে ইতিহাসে শুনিয়াছি পথের আরম্ভ কিম্বা শেষ
কেবল পথিক নিজেই সাজায়, পথের আসলে কোনো
অস্তিত্ব থাকে না পথিকের পদছাপ ছাড়া...

কি অদ্ভূত এই সমীকরণ ?

এখন সময়ের সমীকরণটা বড় অদ্ভুত - শুধু সামনের দিকে যাও - বর্তমানে থাক - সম্মুখে তাকাও - চেষ্টা কর - উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য - শেকড়কে ভুলে যাও - পিতার প্রশস্ত কাঁধ বয়সের ভারে ন্যুজ - পিছে ফেলে যাও তাকে - তোমার গতিময় যাত্রায় তিনি এখন অপ্রয়োজনীয় স্পিডব্রেকার - টপকে যাও তাকে - জননী বলে আছেন কেউ - নির্বোধ তিনি - সারা জীবন উনুন ঠেলেছেন - নিজেকে বঞ্চিত করে বার বার তোমার পাতে মাছের মাথাটা ঠেলে দিয়েছেন - মমতার নির্বোধ আচঁলে তোমাকে ঢেকেছেন - ভুলে যাও তাকে - তিনি যে আজ প্রায়ান্ধ বোঝা - তোমার এখন অন্য জীবন - পাশে আধুনিকা স্ত্রী - কিংবা ক্যারিয়ারিস্ট বর- সামনে যাও প্রিয় বন্ধু - সামনে যাও প্রিয় বান্ধবী আমার - তোমাদের সময় এখন - ভুলে যাও অতীত - কার হাত ছুয়ে কি কথা দিয়েছিলে - সব ভুলে যাও - বিগত প্রেমিকের বুক ভাঙ্গা দীর্ঘশ্বাস - নষ্ট হওয়া এলোমেলো জীবন - জোর করে ছুড়ে ফেলা প্রেমিকার লুকানো বাসর কান্না - সব ভুলে য

অন্য রকম জয় - ২৯শে জুলাই ১৯১১

ভারত উপমহাদেশ ইংরেজদের শাসনাধীন (শোষনাধীন) ছিল ১৯০ বছর (১৮৫৮ - ১৯৪৭)।
ঐ সময়কালে দক্ষিণ এশিয়ার ব্রিটিশ শাসনাধীন অঞ্চলকে বৃটিশ ভারত বা ব্রিটিশ রাজ বলা হত। ১৮৭৬ সালে সমগ্র অঞ্চলটিকে সামগ্রিকভাবে ভারতীয় সাম্রাজ্য ঘোষণা করা হয়। ১৮৫৮ সালে এই অঞ্চলের শাসনভার রাণী ভিক্টীরিয়া নিজ হাতে শাসনভার তুলে নেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী হতে ব্রিটিশ রাজ শক্তির নিয়ন্ত্রনে।

ব্রিটিশ রাজ এর তৎকালীন পতাকা

ছবিঃ ব্রিটিশ রাজ এর তৎকালীন পতাকা

পুরণ হওয়া আর না হওয়া শখেরা

ছোট বেলায় খুব মনে হতো, উকিল হব। যুক্তি তর্ক দিয়ে ফাটিয়ে দেবো। সব মামলাতেই আমি জিতবো। প্রতিদিন পকেট ভরে টাকা কামাই করবো। এরপর একটু বড় হবার পর মনে হলো- দুর, কিসের ওকালতি ! আমি পুলিশ হব। গাড়ি থামাবো। চোর বাটপার ধরবো। মানুষরে ভয় দেখাবো। মেলা টাকা কামাই হবে। আসলে সেসময় টাকাটাই আমার কাছে মূখ্য ছিলো। অন্য সব কিছু গৌণ।

আস্তে আস্তে বুঝে গেলাম, জীবনে টাকাটাই সব নয়। স্বাধীনতাটাই হচ্ছে আসল কথা। একটা বাউন্ডুলে ব্যাপার-স্যাপার না থাকলে কিসের কী ? নিজের একটা মোটর সাইকেল থাকবে। সারাদিন সেটায় চড়ে ঘুরে বেড়াবো দেশের এ মাথা থেকে সে মাথা। সে আশা আমার পরবর্তীতে পূরণ হয়েছে। মোটর সাইকেলে না হলেও সারা দেশের কানাচে কানাচে ঘুরে বেড়ানোর দুর্লভ সুযোগ হয়েছে।

অন্যরকম মানুষেরা

কিছু মানুষ জন্মায় - একাকিত্বের বীজমন্ত্র নিয়ে - জীবন তাদেরকে খেলায় - নাকি তারা জীবন কে নিয়ে খেলে - বোঝা দায় - সম্পর্ক - সেটা বন্ধুত্বের হোক - হোক ভালবাসার কিংবা রক্তের - তারা এড়িয়ে চলে - কিংবা কে জানে - বন্ধনে জড়ানোর যোগ্যতা হয়ত প্রকৃতি তাদের কে দেয়নি - অর্থহীন জীবন - মাঝরাতে দুঃস্বপ্ন দেখে জেগে ওঠা - তারপর অঘুমো বিভীষিকাময় মুহূর্ত গুলো - তবু কাউকে ডাকা নয় - ডাকার জন্য যে প্রণোদনা লাগে তারা তা হারিয়ে ফেলেছে - শুধু ভোরের প্রতীক্ষা - যদিও জানে - ভোর আসবে না - এসব মানুষের জীবনে ভোর আসেনা- আসতে নেই - প্রসারিত কোনো হাতেই এরা হাত রাখে না - বিশ্বাস এদের নড়ে গেছে শুরুতেই - যেন সিজোফ্রেনিয়ার রোগী - এক বিচিত্র জগৎ - কোনো বন্ধন নেই - ভুল হলো- একটি বন্ধন আছে - থাকে - বিধাতার সাথে - সে বন্ধনে কখনো প্রার্থনা থাকে - কখনো ঘৃণা - কখনো অসম লড়াই - আর কখনো সীমাহীন - ব্যাখ্যাতীত অভিমান.

ঘুড়িরা উড়ে যায় বাতাবী উঠোনে

এক ঠোঙা ভালবাসা চিবুচ্ছে গরম দুপুর কিংবা মাঘের শীত
শালিখের প্রেমালাপ থেমে যাবে অজানা সূর্যের উলম্ব চুম্বনে
টিনের চালজুড়ে উচ্ছল বাতাস নেচে বেড়াবে সাথে নিয়ে বকুলের ডাল
আকাশ বদলের খেলায় নিংড়ে নেব তোমার ভালবাসা জমি।

খনিতে কি হবে ডাকিনী কুহক!
উরুর পেশীতে যদি খেলা করে বিষধর সাপ
নেউলের নধর হতে কেড়ে নেব বিষের ভাণ্ড
পেয়ালায় আজলা ডুবিয়ে দেখিয়ে দেব নকল সমীকরণ আর
অবেলার বাতাসে কাঁপা বাতাবীলেবুর ডাল।

দুমুখো বাতাসে হা হা বুক
উথাল পাথাল করে মরুক বেগানা শাড়ীর আঁচলে
ফিঙের ঠোঁটে হাসুক একরত্তি কদবেল
কাজলের মায়ায় বাঁধো যদি পথভোলা খেয়ালী পথিক
মরুর স্নিগ্ধ বাতাসে পাবে গোলাপের মিষ্টি হাসির ঝিরিঝিরি ঢেউ।

৩* শিরোনামহীন

হুড়মুড় বাতাসে ভিজে যায় স্বপ্নহীন সময়;
হলদেটে দুপুর, অট্টালিকার কার্ণিশে হাঁটে উদাস পায়ে।
বিষাদের রঙ ছড়িয়ে গেলে,
আটপৌরে শাড়িও ছোপ ছোপ অশ্রুময়।
পেরিয়ে যাওয়া সীমানার দিগন্তে অপেক্ষা করে থাকে আরো সীমানা প্রাচীর
এবং আরো আরো অনেক প্রতিবন্ধক
এগুতে চেয়েও হয়না এগিয়ে যাওয়া।
বুকপকেটে জমিয়ে রাখা একাধিক অদৃশ্য ফুলের গন্ধে
চিন্তারা ভারী হয়ে আসে ক্রমশ
দেখবার চোখ, শুনবার চোখ আর বলবার চোখে জমা হয় বিবিধ ঘষা কাচের আস্তর।
জলফড়িঙেরা কখনো ছুঁয়ে যায়না গড়িয়ে যাওয়া অশ্রু
প্রজাপতিরা উড়ে বেড়ায়না অদৃশ্য ফুলের আকর্ষণে।

জীবনের মুখ!

তবুও খুব করে ঝরে গেলো এক চোট আজ সকাল বেলায়, আসলে অনেক ভেবে ভেবে আর কড়া যুক্তি খাড়া করে কাটিয়েই দিচ্ছিলাম বেশ দুপুর গুলো আর রাত্রিরা যদিও এখনও গোঁড়া কিছুটা তথাপি চাঁদের সাথে রোজ ঝগড়া করে তোমার উপর থেকে মনটাকে খানিকটা বিষিয়ে তুলতে পারি কখনও; কিন্তু এতো দিন পর আজ হঠাৎ কি হয়ে গেল...

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ