কবিতার আস্তাবল ০৩
এটাকে অনায়াসে বলা যায় একজন কবির চোখে বাংলাদেশ ২০০১ কিংবা বলতেও পারিস যদি কখনও অস্ত্র তুলে নেয় হাতে সে অস্ত্র গর্জাবে কোন বুকে-
প্রত্যেকেই জানে একজন কবির চোখ আর একজন রাজনৈতিকের চোখে পার্থক্য আছে, কবির চোখের আড়ালে থাকে স্বপ্নীল চশমা এবং যেকোনো দৃশ্যের গভীরে যায় তার চোখ, আর রাজনৈতিকের চোখে থাকে আদর্শের কবচ যা ভেদ করে কোনো দৃশ্যই নেতা দেখতে পারেন না। আর দু'জনের গন্তব্যেও আছে বিস্তর ফারাক।
একজন যা নিজের জন্য করেন তা হয়ে যায় সার্বজনীন আর অন্যজন তার সার্বজনীন তত্ত্বের বুলি কপচে যা করেন তা হয়ে যায় একান্তই ব্যক্তিবিলাস। কবি নামক লোকটা কখনও প্রতিষ্ঠা পান, কখনও পান না কিন্তু সকলেই তাকে চেনে আর এমন অনেকেই এদের মধ্যে আছে যাদের চেনে শুধুমাত্র ডাকপিওনের ঝুলির অসংখ্য হলুদ খাম
পথের পথিক, পথিকের পথ..[এলোমেলো কাব্যকথন!]
প্রখর রোদ্দুরে,
ভারি হয়ে আসে নিঃশ্বাস..
দু দন্ডের বিশ্রামে নেই,
স্বস্থির বিশ্বাষ..।
দুরে;
বহুদুরে-
তেপান্তরের সুদুর পারে,
অপেক্ষায় অস্তরাগের অবাক আলো..।
ভবঘুরে মেঘ যত..
ছায়া পড়ে,
তোমার মনের পরে..
চোখের পাতায়,
স্ফটিক জ্বলা ঘোলা দৃষ্টিতে;
বিকেলের কোমল নরম ছোঁয়া..।
একলার পথ,
দীর্ঘ মৌনপ্রহর..
নিকশ কালো আঁধারের আয়নায়,
বিস্মৃত স্মৃতির বালিয়ারি..
ভোলা যায় না কিছুই,
কিছুই ভোলার নয়..।
অথচ -
দুচোখে রাজ্যের ক্লান্তি মেখে,
আদরের চাদর গায়ে;
নেমে আসে ঘুম..।
মহাকালের ছায়াপথে,
সময়ের ক্যানভাসে..
সকরুন জলস্পর্শে;
আল্পনা এঁকে যায়,
পথিক ও পথ..।
অপেক্ষায়;
তখনো,
অত্যাশ্চর্য ভালোবাসা -
নিঃশ্চুপ নিঝুম নিলাচল..।
বন্ধ্যাকাল ও আমি
প্রতিদিন ডিউটি থেকে আসি রাজ্যের যতো বিষাদ-ক্লান্তি নিয়া । প্রতিদিনই ভাবি দেবো কালই চাকরি ছেড়ে ! সেই কাক-সকালে বেরোই আর ফিরি মোরগ-সন্ধ্যায় । শালা গুল্লি মারি কলেজ মাস্টারির ...দিলাম কালই রিজাইন ! না হয় না , চাইলেই পারি না । আসা-যাওয়ায় টানা চার ঘন্টা ডিউটি আর ক্লাশ করার পর আর শরীরে কুলোয় না । এই টানাপোড়নের মাঝে যে টুকু হৃদয়ে পুলক জাগায়ে যায় তা হলো মেঘালয় পাহাড় ! প্রতিদিন এই মেঘালয়-ই কী আমাকে এই দীর্ঘভ্রমণে নিয়ে যায় ? হয়তো !
যেমনে গেলো পহেলা বৈশাখ
পাগলা হাওয়ার বাদল-দিনে
পাগল আমার মন জেগে ওঠে
উ লা লা....উ লা লা...উ লা লা এ.....
সব চরিত্র কাল্পনিক
জীবনের দুই ডজন পয়লা বৈশাখ আমার কাছে ছিল একলা বৈশাখ। না, ১লাকে ভুল করে একলা বলিনি। বৈশাখ আসার কথা মহাসমারোহে। তাপস নিঃশ্বাস বায়ে, মুমূর্ষুরে উড়িয়ে দিয়ে, বৎসরের আবর্জনা দূর করে। অথচ আমার ‘কেটেছে একেলা বৈশাখের বেলা আকাশ কুসুম চয়নে’। কিংবা আমি ছিলাম একেলা গৌরী, জলকে চলেছি গঙ্গাতে।
কানপাশা
.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।।।.।.।।।।।।।.।.।।।।।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।।।।।.।।।
.।.।..।।।।।।।।।।.।.।।।.।.।.।.।.।।।.।.।.।.।.।.।।।।।।।.।।.।.।।।.।।।।।।।।.।.।.।.।.।।

.।.।।.।।।।।।।.।.।।।।।।।.।।।।।।।।।।।।।.।।।।।.।.।।।।..।।.।।।।।।।.।।।.।।।।।.।।.।।।।
।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।.।।।।।।.।।.।.।.।।.।।।।।।।।।।।।।।.।।।।।।।।।।।।।।।.।।.।।।
.।।।.।।।.।।।.।।।.।।।.।।।.।।।.।।।।।।।।।।।।।।।.।।.।।।।।।.।।।।।.।।।।।.।।।.।।.।।.।।.।।।।।
নজর না কাড়া তোমাতেই নাকি আমায় বেশি মানায়!
একান ওকান হয়ে সবখান থেকেই শুনতে পাই,
আহামরি সবকিছুতেই থাকি স্বাচ্ছন্দ্যহীন
বোধকরি তাই হয়ে গেছে অভ্যস্ততা তোমাতেই।
হতবাক হয়ে স্মৃতি হাতঁড়েও পাইনা সে দিনক্ষন
কি করে কবেই বা এসে ছিলে এতোটা কাছে
সমুত্থান
ঝরাপাতার ঋতু শেষ হয়ে এলো
নতুন বৈশাখে তান্ডব চাই ।
ভুলে গিয়ে জরাগ্রস্থ জীবনের কথা
(যেখানে মাথা নুয়ে কেঁপেছিলাম
বেতসলতার মত - অনাবশ্যক আবেগে )
আবার লন্ডভন্ড করে দিতে চাই দশদিক !
ঈশাণ কোনে মেঘ দেখে আজও
উচ্ছসিত হয়ে উঠি প্রদীপ্ত সুখে ।
তবে কি পূর্ব পুরুষের সংগ্রামরত রক্ত প্রবাহ
বয়ে চলেছি যুগের পর যুগ ?
তবে কি এখনও প্রজ্বলিত বিপ্লবের বহ্নিশিখা ?!
শোণিত আকাশ বজ্রের হুংকারে
জানান দেবে সেই মন্ত্র ?
যেখানে মৃত্যু মানে দৃপ্ত বেঁচে থাকা !
তবে এসো আলিঙ্গন করি সেই তেজস্বী অগ্নিকে
পুড়িয়ে ফেলে রাজকীয় আলস্য
হয়ে উঠি একবিংশের নতুন মৌমাছি ।
অনুকাব্যে নববর্ষ
# ১ #
আজি নববর্ষে;
মাতো সবে হর্ষে,
কর সুখ গান..
ধুয়ে মুছে যাক যত,
রাগ - দুঃখ - মান!
# ২ #
রঙ ঢং আদিখ্যেতা,
একদিন-ই বাঙালি..
কর ক্যানে কাউ কাউ?!
গরু নাকি?
যাও দূরে,
মাঠে গিয়া ঘাস খাও..
# ৩ #
বৈশাখেরই রঙ্গে;
ভিজুক হৃদয় স্বর্গসুখে,
কালবোশেখির সঙ্গে..
# ৪ #
পাঞ্জাবী আর সাদার মাঝে লালচে শাড়ি,
পান্তা গরম আর ইলিশে;
লোক দেখানোর বাড়াবাড়ি..
# ৫ #
কালবোশেখির হাওয়ায়..
যাক ভেসে যাক;
দুঃখ সকল,
দিনের আসা যাওয়ায়..
# ৬ #
আর কোন দিন নাই তো খবর,
একটা দিন-ই বাঙ্গালি..
রঙ ঢঙ্গে-তে পান্তা ইলিশ,
বাঙ্গালি নাম ভাঙ্গালি..
# ৭ #
তপ্ত হৃদয়
পথ চেয়ে রয়
ইশান কোণের পানে,
আসবে ধেয়ে কালবোশেখি
বর্ষবরণ গানে..
স্বস্তি মিলুক বৃষ্টিধারায় স্নিগ্ধ শীতল স্নানে,
বছর জুড়েই যাক রয়ে রেশ শান্তি থাকুক প্রাণে..
# শুভ নববর্ষ #
একটি গান আর একটি মুভি, দুটি কথা..
#
আমার একটা অনেক পুরান অভ্যাস হল,
হঠাৎ করেই কোন একটা গানের লুপের ভেতর আটকা পড়ে যাই।
একই গান শুনে যাই দিন থেকে রাত, রাত থেকে দিন। ক্রমাগত, বলা চলে বিরামহীন!
ইদানিং, একটা গানেই আটক ছিলাম অনেক দিন। এখনও আছি, কিছু টা।
যাই হোক, অতঃপর মিফতাহ জামানের অতঃপরের খপ্পর থেকে কিছুটা হলেও রেহাই মিলেছে।
কাহিনী আর কিছুই না, এ নিঊ ক্রাশ ইন মাই ওয়ার্ল্ড অফ মিউজিক।
বিশ্বকাপ ক্রিকেট উপলক্ষে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের 'স্কুল অফ লাইফ' এর ভক্ত নয়,
এমন মানুষ বোধহয় কমই আছে।
তা, সেই মিউজিক ভিডিওটার মিউজিক কম্পোজিশন করেছিল অদিত।
সেই, অদিতের নতুন ডাবল সিডির এ্যালবাম ' অদিত ফিচারিং ফ্যাটম্যানজ ইঙ্ক' বাজারে আসতেই কিনে আনতে দেরি হয়নি। কেনা হলেও একবার শুনেই এতদিন ডুবে ছিলাম সেই অতঃপর-এ।
কাল থেকে, এই এলব্যাম এর একটা গান এক কথায় পাগল করে দিচ্ছে। মাথা অলরেডি পুরাই আওলাইয়া দিয়েছে।
পেরেশান.........
কি বলা যায় আজকের দিনটাকে এক কথায় অসাধারন একটা দিন আবার ক্লান্তিকর একটা অলস সময় পার। যেভাবেই বলি না কেনো দিনটা কাটলো দারুন। কারন খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠলাম গোসল করে নামায পড়লাম। পিসিতে বসি নাই। হালকা বিসিএসের পড়া পড়লাম যদিও সাধারন জ্ঞান আর বাংলা এই দুইটা জিনিস পড়তেই ভালো লাগে। ইংরেজী যা দেখি মন হয় পারি তাই পড়ি না আর অংক করতে গা জ্বালা করে। বাকী থাকলো দৈনন্দিন বিজ্ঞান সেইটাতো একদিন পড়লেই পারা যায়। তবে শাবনুরের মতো আমারো মন বসে না পড়ার টেবিলে খাটে ফ্লোরে কোথাও না। তাই পড়তে বসলেই এমবিএ নিয়ে ভাবি একটু টিভিটা ছাড়ি মন চাইলে চা বানাই অফুরন্ত সময় সকালে। তারপর আজকে ছিলো মেকাপ ক্লাস। কিন্তু ব্যাগ নিয়ে বের হয়েই মনটা হলো উদাস। সংগী হবার কথা ছিলো আদনানের। আদনান দিলো ডায়লগ এরকম কতো মেকাপ ক্লাসরে পেকাপ করে থুয়ে আসলাম, বাসায় যায়া আমার মতো ঘুমান। কিন্তু আমি একটা নীতি ফলো করি যদি একবার বাসা থেকে বের হলে আর বাসা
কোনো খবর নাই !?
আহারে কতদিন ধইর্যা অপেক্ষা কইর্যা আছি আমরা বন্ধু থেকে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে কিছু একটা করা হইবো, কত্ত
হইবো ।
কিন্তু এখন দেখি কিছুই হইলোনা।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে কোনো পোস্ট ও নাই(ল্যামপোস্ট বুঝানো হয় নাই)।
সবাই কি ঘুমাইয়া গেলো নাকি?

আমরা বন্ধু ব্লগে আইছিলাম ভালু ভালু লেখকগো
লেখা পড়তাম
। আমি আবার ভালু লেখা পড়তে ভালু পাই। কিন্তু এখন দেখি ব্লগ জমাইয়্যা রাখার দায়িত্ব আমার উপরই পড়লো
। গত ৭ দিনে ৫ টা হাবিজাবি পোষ্ট দিলাম । নিজেতো ভালু লেখা লিখতে পারিনা। তাই হাবিজাবি লিইখ্যা ব্লগ এর পাতা ভরাইয়া দিতাছি । তবুও যদি এই মানহীন লেখা দেইখ্যা ভালু লেখকেরা ব্লগ জমাইতে আগাইয়্যা আসে। আর এই ফাকে আমিও কিছু ভালু লেখা পড়বার পারতাম
।
পান্তা ভাতের রেসিপি ।
সামনেই পহেলা বৈশাখ । পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে আপনাদের সবার জন্য আজ পেশ করলাম পান্তা ভাতের রেসিপি।
---------------------------------------------------------------------------------------------------------
উপকরনঃ ২৫০ গ্রাম চাল, ১০ কাপ পানি। কাঁচা পেয়াজ - পরিমান মতন , কাঁচা লঙ্কা - স্বাদ বুঝে , লবন - আন্দাজ মতো।
রান্নার প্রনালীঃ
একটি পাত্রে চাল ধুয়ে ২ কাপ পানি দিয়ে চুলার উপর বসিয়ে দিন। দেখুন গ্যাস আছে কি না । গ্যাস থাকলে মনে করে চুলা জ্বালান । তারপর কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন ।
কয়েক মিনিট পর হাড়ি থেকে চাল তুলে টিপি দিয়ে দেখুন সিদ্ধ হয়েছে কি না । সিদ্ধ হলে বুঝবেন তা "ভাত" হয়ে গেছে। এবার ভাত থেকে বাড়তি পানি ঝরিয়ে নিন। (মাড় গলিয়ে নেয়া যাকে বলে)
ভাত ঠান্ডা হলে তাতে বাকী ৮ কাপ পানি ঢেলে শুকনো, ঠান্ডা জায়গায় ঢেকে রাখুন।
দুর্্যোগ, দুর্বিপাক, কেলেঙ্কারি...
১।
পরশুদিন আমার ক্যামেরা হাত থেকে পড়ে গিয়ে আর কাজ করছে না। সেটার ঝামেলাটা কী বুঝার জন্যে তখন তখনই আই ডি বি নিয়ে যাচ্ছি। যাওয়ার পথে এক বন্ধুর সাথে দেখা করে যাবো, ওকে ইন ডোর স্টেডিয়ামের সামনে দাঁড়াতে বলেছি। হেঁটে হেঁটে যাচ্ছি। হঠাত দেখি এক সিকিউরিটি গার্ড আমাকে হাত দিয়ে ফুটপাথ থেকে নেমে যেতে বলছে। অন্য সময় আমি গার্ড বা পুলিশের কথায় খুব একটা পাত্তা না দিলেও কী মনে করে যেন তখনই ফুটপাথ ছেড়ে দিলাম, আর তখনই একটা ইট এসে ধুপুস করে নিচে পড়লো। উপরে তাকিয়ে দেখি নতুন বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে।
২।
সাম্প্রতিক সৃজনশীল প্রশ্ন-১
নীচের উদ্দীপকটি পড়ে নীচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও
বহুদিন আগে এক রাজার এক মন্ত্রী ছিলেন। তিনি একবার অবৈধ টাকা সরাইবার সময় হাতেনাতে ধরা পড়িয়া যান। কিন্তু পূর্ব পরিকল্পনা থাকায় তিনি অনর্গল মিথ্যা বলিলেও ধরা পড়েন নাই। তিনি প্রতি ক্ষেত্রে একই রকম জবাব দেয়ায় ঐ অবৈধ টাকা নিয়া প্রজাদের মধ্যে কোনো সন্দেহের সৃষ্টি হবার অবকাশ হয় নাই(গোপন কথা- মন্ত্রীর বুদ্ধির কারণে রাজা ধরা পড়েন নাই বলে রাজা তাকে পুরষ্কৃত করিয়াছিলেন। )
প্রশ্ন-১ঃ
ক)কালো বিড়াল কি?
খ)উক্ত ঘটনার সাথে বর্তমানের কোন ঘটনার মিল খুঁজে পাওয়া যায়?
গ) সৃজনশীল জ্ঞানের অভাবই এপিএস এর ধরা পড়ার মূল কারণ।
দিন সারা দিন শেষে
শরীরটা ভালো না তাই রাতজেগে লেখাটা কেমন হবে তা আমার জানা নাই। তারপর লেখার আগে ফেসবুকে একটা নোট পড়ে মেজাজ খারাপ। এক বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ বাংলা নববর্ষ নিয়ে নসিহত দিলো তার বাল ফালানো যুক্তি শুনে মনে হইলো হালার পো ফেসবুক ইউস করে কেন?